আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. Ultra-violet
খ. Infrared
গ. Visible
ঘ. X-ray
উত্তরঃ Infrared
ব্যাখ্যাঃ

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ প্রধানত ইনফ্রারেড (অবলোহিত) রেডিয়েশন ব্যবহার করে মহাবিশ্ব পর্যবেক্ষণ করে। এর কারণগুলো হলো:

  • মহাজাগতিক লোহিত সরণ (Cosmological Redshift)
  • ধুলো এবং গ্যাসের মধ্য দিয়ে দেখার ক্ষমতা
  • ঠান্ডা বস্তুর বিকিরণ

ওয়েব টেলিস্কোপ 0.6 থেকে 28.5 মাইক্রন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড আলোতে কাজ করার জন্য চারটি অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম (NIRCam, NIRSpec, NIRISS, and MIRI) দিয়ে সজ্জিত। যদিও এটি কিছুটা দৃশ্যমান আলোও (লাল প্রান্তের দিকে) সনাক্ত করতে পারে, তবে এর প্রধান মনোযোগ ইনফ্রারেড পর্যবেক্ষণের উপর।

ক. সবুজ
খ. নীল
গ. লাল
ঘ. হলুদ
উত্তরঃ হলুদ
ব্যাখ্যাঃ

আলোর প্রাথমিক রং হিসেবে হলুদ কে বিবেচনা করা হয় না।

আলোর প্রাথমিক রং হলো লাল (Red), সবুজ (Green), এবং নীল (Blue)। এই তিনটি রংকে বিভিন্ন অনুপাতে মেশালে অন্যান্য সকল রং তৈরি করা যায়। এই কারণে এদেরকে RGB (Red, Green, Blue) বলা হয়।

হলুদ রং লাল এবং সবুজ রঙের মিশ্রণে তৈরি হয়। তাই এটি মৌলিক বা প্রাথমিক রং নয়, বরং একটি যৌগিক রং।

ক. ধুলিকণা
খ. বায়ুস্তর
গ. বৃষ্টির কণা
ঘ. অতিবেগুনি রশ্মি
উত্তরঃ বৃষ্টির কণা
ব্যাখ্যাঃ

আকাশে রংধনু সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো আলোর প্রতিসরণ (Refraction), প্রতিফলন (Reflection) এবং বিচ্ছুরণ (Dispersion) - এই তিনটি ঘটনার সম্মিলিত ফল, যা বৃষ্টির কণার (জলবিন্দু) মধ্যে ঘটে।

এখানে প্রতিটি ঘটনার ভূমিকা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:

১. প্রতিসরণ (Refraction):

  • যখন সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলে ভাসমান অসংখ্য ছোট ছোট বৃষ্টির কণার (জলবিন্দু) উপর পড়ে, তখন আলো এক মাধ্যম (বায়ু) থেকে অন্য মাধ্যমে (জল) প্রবেশ করে।
  • আলোকরশ্মি যখন বায়ু থেকে জলকণার মধ্যে প্রবেশ করে, তখন এটি দিক পরিবর্তন করে বেঁকে যায়। এই বেঁকে যাওয়াকে প্রতিসরণ বলে।

২. বিচ্ছুরণ (Dispersion):

  • সূর্যের সাদা আলো প্রকৃতপক্ষে সাতটি ভিন্ন রঙের আলোর (বেগুনি, নীল, আকাশি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল - সংক্ষেপে VIBGYOR বা বেনীআসহকলা) সমষ্টি।
  • জলকণার মধ্যে প্রবেশ করার সময়, আলোর প্রতিটি রঙ ভিন্ন ভিন্ন কোণে প্রতিসরিত হয়। বেগুনি আলোর প্রতিসরণ কোণ সবচেয়ে বেশি এবং লাল আলোর প্রতিসরণ কোণ সবচেয়ে কম হয়।
  • এই কারণে সাদা আলো তার উপাদান রঙে ভেঙে যায় বা ছড়িয়ে পড়ে। একে আলোর বিচ্ছুরণ বলে।

৩. প্রতিফলন (Reflection):

  • প্রতিসরিত এবং বিচ্ছুরিত আলোকরশ্মিগুলো যখন জলকণার ভেতরের পেছনের পৃষ্ঠে পৌঁছায়, তখন তারা জলকণার ভেতর থেকে বাইরের দিকে না গিয়ে সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়ে আবার জলকণার সামনের দিকে ফিরে আসে। একে অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন বলে।

৪. দ্বিতীয় প্রতিসরণ ও দৃশ্যমানতা:

  • প্রতিফলিত আলোকরশ্মিগুলো যখন আবার জলকণা থেকে বাইরের বায়ুমণ্ডলে আসে, তখন তারা দ্বিতীয়বার প্রতিসরিত হয়।
  • এই দ্বিতীয় প্রতিসরণের কারণে, আলোর বিভিন্ন রঙ (যেমন: লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, আকাশি, বেগুনি) নির্দিষ্ট কোণে দর্শকের চোখের দিকে আসে।
  • বৃষ্টির কণাগুলো প্রিজমের মতো কাজ করে, যেখানে প্রতিটি কণা সাদা আলোকে তার উপাদান রঙে বিচ্ছুরিত করে।
  • দর্শক যখন সূর্যের বিপরীত দিকে মুখ করে দাঁড়ান এবং আকাশে বৃষ্টি বা জলকণা থাকে, তখন তারা অসংখ্য জলকণা থেকে আসা এই বিচ্ছুরিত ও প্রতিসরিত আলো দেখতে পান, যা একটি অর্ধ-বৃত্তাকার বা পূর্ণ বৃত্তাকার বর্ণালীর (রংধনু) সৃষ্টি করে।

সংক্ষেপে: সূর্যের আলো যখন বৃষ্টির ফোঁটার মধ্যে দিয়ে যায়, তখন প্রথমে প্রতিসরিত ও বিচ্ছুরিত হয়, তারপর ফোঁটার পেছনের পৃষ্ঠ থেকে প্রতিফলিত হয় এবং অবশেষে ফোঁটা থেকে বেরিয়ে আসার সময় আবার প্রতিসরিত হয়। এই সম্মিলিত প্রক্রিয়াই আকাশে বর্ণিল রংধনু তৈরি করে।

ক. সাদা
খ. কালো
গ. হলুদ
ঘ. লাল
উত্তরঃ লাল
ব্যাখ্যাঃ

সবচেয়ে বেশি দূর থেকে দেখা যায় এমন রং হলো লাল (Red)

এর কারণগুলো হলো:

১. দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্য: আলোর বর্ণালীতে লালের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। এর ফলে এটি বায়ুমণ্ডলে কম বিক্ষিপ্ত হয়। ২. কম বিচ্ছুরণ: বায়ুমণ্ডলের কণা দ্বারা নীল বা বেগুনি আলোর মতো লাল আলো সহজে ছড়িয়ে পড়ে না বা বিক্ষিপ্ত হয় না। এর ফলে লাল আলো অনেক দূর পর্যন্ত প্রায় সোজা পথে যেতে পারে। ৩. চোখের সংবেদনশীলতা: মানুষের চোখ লাল রঙের প্রতি বিশেষভাবে সংবেদনশীল, বিশেষ করে সতর্কতা বা বিপদের প্রতীক হিসেবে।

এই কারণে ট্র্যাফিক লাইট, জরুরি অবস্থার সংকেত এবং সতর্কতা চিহ্ন হিসেবে লাল রং ব্যবহার করা হয়।

ক. ৫ ফুট
খ. ৪ ফুট
গ. ৩ ফুট
ঘ. ২ ফুট
উত্তরঃ ২ ফুট
ক. প্রতিসরণ
খ. বিচ্ছুরণ
গ. অপবর্তন
ঘ. অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তরঃ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যাঃ

অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর যে ঘটনাটি ঘটে তা হলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection)

ব্যাখ্যা

অপটিক্যাল ফাইবার এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এর মূল অংশ (core) এবং বাইরের আবরণ (cladding)-এর প্রতিসরাঙ্ক ভিন্ন হয়। আলোর রশ্মি যখন বেশি ঘনত্বের মাধ্যম (core) থেকে কম ঘনত্বের মাধ্যমে (cladding) যাওয়ার চেষ্টা করে এবং আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বেশি হয়, তখন আলোকরশ্মি প্রতিসরিত না হয়ে ভেতরের দিকে প্রতিফলিত হয়। এই প্রক্রিয়া বারবার ঘটতে থাকে, ফলে আলো কোনো শক্তি না হারিয়ে আঁকাবাঁকা পথেও অনেক দূর পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারে।

ক. খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল
খ. খুব সূক্ষ্ম সুপরিবাহী তামার তার তন্তু নল
গ. খুব সরু এসবেস্টোস ফাইবার নল
ঘ. সূক্ষ্ম প্লাস্টিক ঘটিত নল
উত্তরঃ খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল
ব্যাখ্যাঃ

অপটিক্যাল ফাইবার হচ্ছে খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল। আলো বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। যখন আলোক রশ্মি কাচ তন্তুর এক প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করে, তখন তন্তুর দেয়ালে বারবার এর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে, যতক্ষণ না অপর প্রান্ত দিয়ে নির্গত হয়।

ক. ১০ থেকে ৪০০ নে.মি (nm)
খ. ৪০০ থেকে ৭০০ নে.মি (nm)
গ. ১০০ মাইক্রোমিটার (μm) থেকে ১ মি (m)
ঘ. ১ মি (m)-এর ঊর্ধ্বে
উত্তরঃ ৪০০ থেকে ৭০০ নে.মি (nm)
ব্যাখ্যাঃ

দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য হচ্ছে ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত। দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বেগুনী আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।

ক. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
খ. প্রতিসরণের জন্য
গ. প্রতিফলনের জন্য
ঘ. অপবর্তনের জন্য
উত্তরঃ পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
ব্যাখ্যাঃ

হীরকের বিভিন্ন ধারগুলো এমনভাবে কাটা থাকে যে, তার কোনো এক পৃষ্ঠ দিয়ে আলোকরশ্মি ভেতরে প্রবেশ করলে প্রতিসরাঙ্ক (২.৪২) বেশি হওয়ার কারণে বেশ কয়েকটি পৃষ্ঠে তার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে এবং দু একটি পৃষ্ঠ দিয়ে আলোকরশ্মি ভেতর থেকে বের হয়ে যায়। হীরকে প্রবিষ্ট আলোকরশ্মি এই বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্যই তা এত উজ্জ্বল দেখায়।

ক. বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
খ. আলোর বিচ্ছুরণে
গ. অপাবর্তনে
ঘ. দৃষ্টিভ্রমে
উত্তরঃ বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
ব্যাখ্যাঃ

চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে অর্থাৎ আলোক রশ্মি বেঁকে যায়। চাঁদ যখন দিগন্তের কাছে থাকে তখন আলোক রশ্মি তুলনামূলকভাবে অধিক পরিমাণে বেঁকে যায়। এ কারণে দিগন্তের নিকটে চাঁদ ও সূর্যকে ডিম্বাকৃতি এবং তুলনামূলকভাবে বড় দেখা যায়।

ক. বেগুনী
খ. সবুজ
গ. হলুদ
ঘ. কালো
উত্তরঃ কালো
ব্যাখ্যাঃ

কোনো নির্দিষ্ট রঙের বস্তু শুধু ঐ নির্দিষ্ট রঙের আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি সব রঙের আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়। আমরা জানি সাদা আলো হচ্ছে সাতটি ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির সমষ্টি। নীল রঙের বস্তুর ওপর সাদা আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি সাতটি ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির মধ্য থেকে শুধু নীল আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি ছয়টি রঙের আলোক রশ্মিকে শোষণ করে নেয়। ফলে আমরা একে নীল দেখি। কিন্তু নীল রঙের বস্তুর ওপর লাল আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি আলোই আর প্রতিফলিত করে না। এজন্য লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কালো দেখায়।

ক. দর্পণ
খ. লেন্স
গ. প্রিজম
ঘ. বিম্ব
উত্তরঃ দর্পণ
ব্যাখ্যাঃ

কোনো মসৃণতলে আলো আপতিত হয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী কোনো দিকে চললে ঐ আপতন তলকে বলা হয় দর্পণ। বক্রপৃষ্ঠ স্বচ্ছ মাধ্যমের সাধারণ নাম লেন্স।

ক. নীল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি বলে
খ. নীল সমুদ্রের প্রতিফলনের ফলে
গ. নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
ঘ. নীল আলোর প্রতিফলন বেশি বলে
উত্তরঃ নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
ব্যাখ্যাঃ

যে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যতো কম সে আলোর বিক্ষেপণ ততো বেশি। নীল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম বলে এর বিক্ষেপণ বেশি। যার ফলে বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণায় বিক্ষিপ্ত নীল আলো ছড়ায় বলে আকাশ নীল দেখায়।

ক. লাল
খ. সবুজ
গ. নীল
ঘ. বেগুনী
উত্তরঃ বেগুনী
ব্যাখ্যাঃ
আলো তরঙ্গদৈর্ঘ্য
বেগুনি 380 - 424 nm
নীল 424 - 450 nm
আসমানি 450 - 500 nm
সবুজ 500 - 575 nm
হলুদ 575 - 590 nm
কমলা 590 - 647 nm
লাল 647 - 780 nm
ক. উত্তল
খ. অবতল
গ. জুম
ঘ. সিলিন্ড্রিক্যাল
উত্তরঃ অবতল
ব্যাখ্যাঃ

‘অবতল’ লেন্স সাধারণত গোলাকার লেন্স। দর্পণের উপরিতল প্রান্তের দিকে উঁচু আর মাঝের দিকে ক্রমশ নিচু হয়ে যে আকৃতি হয়, তাকে অবতল লেন্স বলে। সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টারে এই ধরনের লেন্স ব্যবহার করা হয়।

ক. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
খ. প্রতিসরণ
গ. বিচ্ছুরণ
ঘ. পোলারায়ন
উত্তরঃ প্রতিসরণ
ব্যাখ্যাঃ

মাধ্যম পরিবর্তনে আলোক রশ্মি অভিমুখ বদলায়। এর নাম প্রতিসরণ। প্রতিসরণের ফলে লঘু মাধ্যম (বায়ু) থেকে ঘনতর (পানি) মাধ্যমে গেলে প্রতিসৃত রশ্মি আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্বের দিকে সরে আসবে। আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণের চেয়ে বড় হবে। ঘন মাধ্যম থেকে লঘুতর মাধ্যমে গেলে আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণ থেকে ছোট হবে। আর প্রতিসরণের জন্যেই বৈঠা বাঁকা দেখায়।

ক. দর্পণের কাজ করে
খ. আতষীকাচের কাজ করে
গ. লেন্সের কাজ করে
ঘ. প্রিজমের কাজ করে
উত্তরঃ প্রিজমের কাজ করে
ব্যাখ্যাঃ

সাদা রশ্মি প্রিজমের ভেতর দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় বিভিন্ন বর্ণের রশ্মিতে ভেঙে যায় ও বর্ণালি সৃষ্টি হয়। পানির কণাগুলো রংধনু সৃষ্টির সময় প্রিজমের কাজ করে।

ক. লাল, হলুদ, নীল
খ. লাল, কমলা, বেগুনী
গ. হলুদ, সবুজ, নীল
ঘ. লাল, নীল, সবুজ
উত্তরঃ লাল, নীল, সবুজ
ব্যাখ্যাঃ

তিনটি মৌলিক রং হচ্ছে লাল, নীল (আসমানী) ও সবুজ। এই রংগুলোর সমন্বয়ে গঠিত হয় অন্যান্য রং।

প্রশ্নঃ আকাশ নীল দেখায় কারণ নীল রঙের -

[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি
খ. বিক্ষেপণ বেশি
গ. প্রতিফলন বেশি
ঘ. শোষণ বেশি
উত্তরঃ বিক্ষেপণ বেশি
ক. লেন্সের
খ. আতশী কাচের
গ. প্রিজমের
ঘ. দর্পণের
উত্তরঃ প্রিজমের
ক. বিটা রশ্মি
খ. গামা রশ্মি
গ. কসমিক রশ্মি
ঘ. মৃদু রঞ্জন রশ্মি
উত্তরঃ মৃদু রঞ্জন রশ্মি
ক. কালো দেখায়
খ. নীল দেখায়
গ. লাল দেখায়
ঘ. সাদা দেখায়
উত্তরঃ কালো দেখায়
ক. $6^{\circ}-10^{\circ}$
খ. $7^{\circ}-12^{\circ}$
গ. $9-12^{\circ}$
ঘ. $12^{\circ}-15^{\circ}$
উত্তরঃ $6^{\circ}-10^{\circ}$
ক. আইনস্টাইন
খ. ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
গ. ম্যাক্সওয়েল
ঘ. হাইগেন
উত্তরঃ ম্যাক্সওয়েল
ক. ফ্রণ হকারের কালো রেখা
খ. কির্সকের কালো রেখা
গ. হাইজেন বার্গের কালো রেখা
ঘ. টেলুরিক রেখা
উত্তরঃ টেলুরিক রেখা
ক. 60 °
খ. 3060 °
গ. 9060 °
ঘ. 4560 °
উত্তরঃ 3060 °
ক. লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বাধিক
খ. লাল আলোর গতি কম
গ. লাল আলোর উৎপাদন খরচ কম
ঘ. লাল আলোর বিক্ষেপণ বেশি
উত্তরঃ লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বাধিক

প্রশ্নঃ আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক কে?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]

ক. নিউটন
খ. হাইগেন
গ. প্ল্যাঙ্ক
ঘ. ম্যাক্সওয়েল
উত্তরঃ প্ল্যাঙ্ক

প্রশ্নঃ লেজার রশ্মি কে কত সালে আবিষ্কার করেন?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৬-১০-২০১৫ ]

ক. হাইগ্যান, ১৯৬১
খ. মাইম্যান, ১৯৬০
গ. বোর, ১৯৬৩
ঘ. রাদারফোর্ড, ১৯১৯
উত্তরঃ মাইম্যান, ১৯৬০

প্রশ্নঃ বরফ সাদা দেখায় কারণ-

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২১-০৪-২০১৪ ]

ক. বরফ এমনিতেই সাদা
খ. আলোর সব রশ্মিই প্রতিফলন করে
গ. আলোর বেগুনি রশ্মি শোষণ করে
ঘ. আলোর লাল ও হলুদ রশ্মি শোষণ করে
উত্তরঃ আলোর সব রশ্মিই প্রতিফলন করে

প্রশ্নঃ গোধুলির কারণ কি?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২১-০৪-২০১৪ ]

ক. আলোর প্রতিফলন
খ. আলোর বিক্ষেপণ
গ. আলোর প্রতিসরণ
ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তরঃ আলোর বিক্ষেপণ

প্রশ্নঃ রংধনুতে হলুদ রঙের পাশের দুটি রঙ কি কি?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২১-০৪-২০১৪ ]

ক. সবুজ ও লাল
খ. সবুজ ও কমলা
গ. নীল ও কমলা
ঘ. বেগুনী ও লাল
উত্তরঃ সবুজ ও কমলা

প্রশ্নঃ রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো -

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২০-০৪-২০১৪ ]

ক. দর্পণের কাজ করে
খ. প্রিজমের কাজ করে
গ. লেন্সের কাজ করে
ঘ. আতসী কাঁচের কাজ করে
উত্তরঃ প্রিজমের কাজ করে

প্রশ্নঃ রংধনুর সাতটি রঙের মধ্যে মধ্যম রঙ কোনটি?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৮-০৪-২০১৪ ]

ক. হলুদ
খ. নীল
গ. লাল
ঘ. সবুজ
উত্তরঃ সবুজ

প্রশ্নঃ চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-১১-২০১৩ ]

ক. অপবর্তনে
খ. আলোর বিচ্ছুরণে
গ. বায়ুমন্ডলের প্রতিসরণে
ঘ. দৃষ্টিভ্রমে
উত্তরঃ বায়ুমন্ডলের প্রতিসরণে
ক. ৩টি
খ. ২টি
গ. ৫টি
ঘ. ৪টি
উত্তরঃ ৩টি

প্রশ্নঃ বর্ণালীর প্রান্তীয় বর্ণ কি কি?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-০৪-২০১৩ ]

ক. বেগুনী ও হলুদ
খ. লাল ও নীল
গ. বেগুনী ও লাল
ঘ. নীল ও সবুজ
উত্তরঃ বেগুনী ও লাল

প্রশ্নঃ কোন বর্ণের আলোর প্রতিসরণ সবচাইতে বেশি?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-০৪-২০১৩ ]

ক. বেগুনী
খ. সবুজ
গ. লাল
ঘ. হলুদ
উত্তরঃ বেগুনী

প্রশ্নঃ মোটর গাড়ীতে ব্যবহৃত দর্পণ-

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-০৪-২০১৩ ]

ক. অবতল দর্পণ
খ. সমতল দর্পণ
গ. উত্তল দর্পণ
ঘ. সবগুলোই
উত্তরঃ উত্তল দর্পণ
ক. নীল
খ. সবুজ
গ. লাল
ঘ. বেগুনী
উত্তরঃ লাল

প্রশ্নঃ আলোর বর্ণ নির্ধারণ করে তার-

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-০৪-২০১৩ ]

ক. গতিবেগ
খ. বিস্তার
গ. তরঙ্গদৈর্ঘ্য
ঘ. কোনোটিই নয়।
উত্তরঃ তরঙ্গদৈর্ঘ্য

প্রশ্নঃ কোন রঙের আলোর বিচ্যুতি সবচেয়ে কম?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১০-০৪-২০১৩ ]

ক. লাল
খ. সবুজ
গ. বেগুনি
ঘ. হলুদ
উত্তরঃ লাল

প্রশ্নঃ কোন রঙের আলোর বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৯-০৪-২০১৩ ]

ক. লাল
খ. বেগুনি
গ. সবুজ
ঘ. হলুদ
উত্তরঃ বেগুনি
ক. বেগুনি
খ. লাল
গ. সবুজ
ঘ. নীল
উত্তরঃ বেগুনি

প্রশ্নঃ কোনটির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]

ক. বেগুনী আলো
খ. নীল আলো
গ. হলুদ আলো
ঘ. লাল আলো
উত্তরঃ বেগুনী আলো

প্রশ্নঃ গোধুলীর কারণ কি?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]

ক. প্রতিফলন
খ. বিক্ষেপণ
গ. প্রতিসরণ
ঘ. ব্যতিচার
উত্তরঃ বিক্ষেপণ

প্রশ্নঃ আলোর বর্ণ নির্ধারণকরে তার -

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]

ক. বিস্তার
খ. গতিবেগ
গ. তরঙ্গদৈর্ঘ্য
ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তরঃ তরঙ্গদৈর্ঘ্য

প্রশ্নঃ কোনটির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]

ক. নীল আলো
খ. বেগুনী আলো
গ. হলুদ আলো
ঘ. লাল আলো
উত্তরঃ লাল আলো

প্রশ্নঃ অতিবেগুনি রশ্মি কোথা থেকে আসে?

[ ১৮তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

ক. চন্দ্র
খ. তারকা
গ. সূর্য
ঘ. ব্লাক হোল
উত্তরঃ সূর্য

প্রশ্নঃ আলোর কণা' তত্ত্বের প্রবক্তা কে?

[ ১৭তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

ক. আইজ্যাক নিউটন
খ. অ্যালো হ্যাজেন
গ. গ্যালিলিও
ঘ. রামফোর্ড
উত্তরঃ আইজ্যাক নিউটন
ক. বিক্ষেপণ
খ. প্রতিফলন
গ. প্রতিসরণ
ঘ. পোষণ
উত্তরঃ বিক্ষেপণ

প্রশ্নঃ গোধূলির কারণ কি?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১৭-০২-২০০৬ ]

ক. প্রতিফলন
খ. প্রতিসরণ
গ. বিক্ষেপণ
ঘ. এর কোনোটিই নয়
উত্তরঃ বিক্ষেপণ
ক. কাঠ
খ. পাথর
গ. পালক
ঘ. সবকটি একসাথে মাটি স্পর্শ করবে
উত্তরঃ সবকটি একসাথে মাটি স্পর্শ করবে
ক. লাল
খ. নীল
গ. সবুজ
ঘ. বেগুনী
উত্তরঃ বেগুনী
ক. লাল ও সবুজের সমন্বয়ে
খ. সব রঙের অনুপস্থিতির জন্য
গ. নীল ও লাল রঙের সমন্বয়ে
ঘ. বেগুনি ও নীল রঙের সমন্বয়ে
উত্তরঃ সব রঙের অনুপস্থিতির জন্য
ক. লাল
খ. কমলা
গ. কালো
ঘ. নীল
উত্তরঃ কালো

প্রশ্নঃ লাল আলোতে নীল রঙের ফুল কেমন দেখায়?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২১-০৮-২০০৫ ]

ক. কালো
খ. বেগুনি
গ. সবুজ
ঘ. লাল
উত্তরঃ কালো