১. জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ কোন ধরনের রেডিয়েশন ব্যবহার করে?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ প্রধানত ইনফ্রারেড (অবলোহিত) রেডিয়েশন ব্যবহার করে মহাবিশ্ব পর্যবেক্ষণ করে। এর কারণগুলো হলো:
- মহাজাগতিক লোহিত সরণ (Cosmological Redshift)
- ধুলো এবং গ্যাসের মধ্য দিয়ে দেখার ক্ষমতা
- ঠান্ডা বস্তুর বিকিরণ
ওয়েব টেলিস্কোপ 0.6 থেকে 28.5 মাইক্রন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড আলোতে কাজ করার জন্য চারটি অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম (NIRCam, NIRSpec, NIRISS, and MIRI) দিয়ে সজ্জিত। যদিও এটি কিছুটা দৃশ্যমান আলোও (লাল প্রান্তের দিকে) সনাক্ত করতে পারে, তবে এর প্রধান মনোযোগ ইনফ্রারেড পর্যবেক্ষণের উপর।
২. কোনটি আলোর প্রাথমিক রং হিসাবে বিবেচনা করা হয় না?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
আলোর প্রাথমিক রং হিসেবে হলুদ কে বিবেচনা করা হয় না।
আলোর প্রাথমিক রং হলো লাল (Red), সবুজ (Green), এবং নীল (Blue)। এই তিনটি রংকে বিভিন্ন অনুপাতে মেশালে অন্যান্য সকল রং তৈরি করা যায়। এই কারণে এদেরকে RGB (Red, Green, Blue) বলা হয়।
হলুদ রং লাল এবং সবুজ রঙের মিশ্রণে তৈরি হয়। তাই এটি মৌলিক বা প্রাথমিক রং নয়, বরং একটি যৌগিক রং।
৩. আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ-
[ বিসিএস ৩৭তম ]
আকাশে রংধনু সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো আলোর প্রতিসরণ (Refraction), প্রতিফলন (Reflection) এবং বিচ্ছুরণ (Dispersion) - এই তিনটি ঘটনার সম্মিলিত ফল, যা বৃষ্টির কণার (জলবিন্দু) মধ্যে ঘটে।
এখানে প্রতিটি ঘটনার ভূমিকা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:
১. প্রতিসরণ (Refraction):
- যখন সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলে ভাসমান অসংখ্য ছোট ছোট বৃষ্টির কণার (জলবিন্দু) উপর পড়ে, তখন আলো এক মাধ্যম (বায়ু) থেকে অন্য মাধ্যমে (জল) প্রবেশ করে।
- আলোকরশ্মি যখন বায়ু থেকে জলকণার মধ্যে প্রবেশ করে, তখন এটি দিক পরিবর্তন করে বেঁকে যায়। এই বেঁকে যাওয়াকে প্রতিসরণ বলে।
২. বিচ্ছুরণ (Dispersion):
- সূর্যের সাদা আলো প্রকৃতপক্ষে সাতটি ভিন্ন রঙের আলোর (বেগুনি, নীল, আকাশি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল - সংক্ষেপে VIBGYOR বা বেনীআসহকলা) সমষ্টি।
- জলকণার মধ্যে প্রবেশ করার সময়, আলোর প্রতিটি রঙ ভিন্ন ভিন্ন কোণে প্রতিসরিত হয়। বেগুনি আলোর প্রতিসরণ কোণ সবচেয়ে বেশি এবং লাল আলোর প্রতিসরণ কোণ সবচেয়ে কম হয়।
- এই কারণে সাদা আলো তার উপাদান রঙে ভেঙে যায় বা ছড়িয়ে পড়ে। একে আলোর বিচ্ছুরণ বলে।
৩. প্রতিফলন (Reflection):
- প্রতিসরিত এবং বিচ্ছুরিত আলোকরশ্মিগুলো যখন জলকণার ভেতরের পেছনের পৃষ্ঠে পৌঁছায়, তখন তারা জলকণার ভেতর থেকে বাইরের দিকে না গিয়ে সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়ে আবার জলকণার সামনের দিকে ফিরে আসে। একে অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন বলে।
৪. দ্বিতীয় প্রতিসরণ ও দৃশ্যমানতা:
- প্রতিফলিত আলোকরশ্মিগুলো যখন আবার জলকণা থেকে বাইরের বায়ুমণ্ডলে আসে, তখন তারা দ্বিতীয়বার প্রতিসরিত হয়।
- এই দ্বিতীয় প্রতিসরণের কারণে, আলোর বিভিন্ন রঙ (যেমন: লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, আকাশি, বেগুনি) নির্দিষ্ট কোণে দর্শকের চোখের দিকে আসে।
- বৃষ্টির কণাগুলো প্রিজমের মতো কাজ করে, যেখানে প্রতিটি কণা সাদা আলোকে তার উপাদান রঙে বিচ্ছুরিত করে।
- দর্শক যখন সূর্যের বিপরীত দিকে মুখ করে দাঁড়ান এবং আকাশে বৃষ্টি বা জলকণা থাকে, তখন তারা অসংখ্য জলকণা থেকে আসা এই বিচ্ছুরিত ও প্রতিসরিত আলো দেখতে পান, যা একটি অর্ধ-বৃত্তাকার বা পূর্ণ বৃত্তাকার বর্ণালীর (রংধনু) সৃষ্টি করে।
সংক্ষেপে: সূর্যের আলো যখন বৃষ্টির ফোঁটার মধ্যে দিয়ে যায়, তখন প্রথমে প্রতিসরিত ও বিচ্ছুরিত হয়, তারপর ফোঁটার পেছনের পৃষ্ঠ থেকে প্রতিফলিত হয় এবং অবশেষে ফোঁটা থেকে বেরিয়ে আসার সময় আবার প্রতিসরিত হয়। এই সম্মিলিত প্রক্রিয়াই আকাশে বর্ণিল রংধনু তৈরি করে।
৪. কোন রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
সবচেয়ে বেশি দূর থেকে দেখা যায় এমন রং হলো লাল (Red)।
এর কারণগুলো হলো:
১. দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্য: আলোর বর্ণালীতে লালের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। এর ফলে এটি বায়ুমণ্ডলে কম বিক্ষিপ্ত হয়। ২. কম বিচ্ছুরণ: বায়ুমণ্ডলের কণা দ্বারা নীল বা বেগুনি আলোর মতো লাল আলো সহজে ছড়িয়ে পড়ে না বা বিক্ষিপ্ত হয় না। এর ফলে লাল আলো অনেক দূর পর্যন্ত প্রায় সোজা পথে যেতে পারে। ৩. চোখের সংবেদনশীলতা: মানুষের চোখ লাল রঙের প্রতি বিশেষভাবে সংবেদনশীল, বিশেষ করে সতর্কতা বা বিপদের প্রতীক হিসেবে।
এই কারণে ট্র্যাফিক লাইট, জরুরি অবস্থার সংকেত এবং সতর্কতা চিহ্ন হিসেবে লাল রং ব্যবহার করা হয়।
৬. অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর কোন ঘটনাটি ঘটে?
[ বিসিএস ৩২তম ]
অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর যে ঘটনাটি ঘটে তা হলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection)।
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এর মূল অংশ (core) এবং বাইরের আবরণ (cladding)-এর প্রতিসরাঙ্ক ভিন্ন হয়। আলোর রশ্মি যখন বেশি ঘনত্বের মাধ্যম (core) থেকে কম ঘনত্বের মাধ্যমে (cladding) যাওয়ার চেষ্টা করে এবং আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বেশি হয়, তখন আলোকরশ্মি প্রতিসরিত না হয়ে ভেতরের দিকে প্রতিফলিত হয়। এই প্রক্রিয়া বারবার ঘটতে থাকে, ফলে আলো কোনো শক্তি না হারিয়ে আঁকাবাঁকা পথেও অনেক দূর পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারে।
৭. অপটিক্যাল ফাইবার (Optical fibre) হচ্ছে –
[ বিসিএস ৩১তম ]
অপটিক্যাল ফাইবার হচ্ছে খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল। আলো বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। যখন আলোক রশ্মি কাচ তন্তুর এক প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করে, তখন তন্তুর দেয়ালে বারবার এর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে, যতক্ষণ না অপর প্রান্ত দিয়ে নির্গত হয়।
৮. কোন আলোক তরঙ্গ (Light spectrum) মানব চোখে দেখতে পাওয়া যায়?
[ বিসিএস ৩১তম ]
দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য হচ্ছে ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত। দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বেগুনী আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
৯. হীরক উজ্জ্বল দেখার কারণ–
[ বিসিএস ৩১তম ]
হীরকের বিভিন্ন ধারগুলো এমনভাবে কাটা থাকে যে, তার কোনো এক পৃষ্ঠ দিয়ে আলোকরশ্মি ভেতরে প্রবেশ করলে প্রতিসরাঙ্ক (২.৪২) বেশি হওয়ার কারণে বেশ কয়েকটি পৃষ্ঠে তার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে এবং দু একটি পৃষ্ঠ দিয়ে আলোকরশ্মি ভেতর থেকে বের হয়ে যায়। হীরকে প্রবিষ্ট আলোকরশ্মি এই বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্যই তা এত উজ্জ্বল দেখায়।
১০. চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন?
[ বিসিএস ২৯তম ]
চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে অর্থাৎ আলোক রশ্মি বেঁকে যায়। চাঁদ যখন দিগন্তের কাছে থাকে তখন আলোক রশ্মি তুলনামূলকভাবে অধিক পরিমাণে বেঁকে যায়। এ কারণে দিগন্তের নিকটে চাঁদ ও সূর্যকে ডিম্বাকৃতি এবং তুলনামূলকভাবে বড় দেখা যায়।
১১. লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কেমন দেখায়?
[ বিসিএস ২৯তম ]
কোনো নির্দিষ্ট রঙের বস্তু শুধু ঐ নির্দিষ্ট রঙের আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি সব রঙের আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়। আমরা জানি সাদা আলো হচ্ছে সাতটি ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির সমষ্টি। নীল রঙের বস্তুর ওপর সাদা আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি সাতটি ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির মধ্য থেকে শুধু নীল আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি ছয়টি রঙের আলোক রশ্মিকে শোষণ করে নেয়। ফলে আমরা একে নীল দেখি। কিন্তু নীল রঙের বস্তুর ওপর লাল আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি আলোই আর প্রতিফলিত করে না। এজন্য লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কালো দেখায়।
১২. যে মসৃণতলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে কি বলে?
[ বিসিএস ২০তম ]
কোনো মসৃণতলে আলো আপতিত হয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী কোনো দিকে চললে ঐ আপতন তলকে বলা হয় দর্পণ। বক্রপৃষ্ঠ স্বচ্ছ মাধ্যমের সাধারণ নাম লেন্স।
১৩. আকাশ নীল দেখায় কেন?
[ বিসিএস ১৫তম ]
যে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যতো কম সে আলোর বিক্ষেপণ ততো বেশি। নীল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম বলে এর বিক্ষেপণ বেশি। যার ফলে বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণায় বিক্ষিপ্ত নীল আলো ছড়ায় বলে আকাশ নীল দেখায়।
১৪. দৃশ্যমান বর্ণালির ক্ষুদ্রতম তরঙ্গদৈর্ঘ্য কোন রঙের আলোর?
[ বিসিএস ১৪তম ]
| আলো | তরঙ্গদৈর্ঘ্য |
|---|---|
| বেগুনি | 380 - 424 nm |
| নীল | 424 - 450 nm |
| আসমানি | 450 - 500 nm |
| সবুজ | 500 - 575 nm |
| হলুদ | 575 - 590 nm |
| কমলা | 590 - 647 nm |
| লাল | 647 - 780 nm |
১৫. সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টারে কোন ধরনের লেন্স ব্যবহৃত হয়?
[ বিসিএস ১৩তম ]
‘অবতল’ লেন্স সাধারণত গোলাকার লেন্স। দর্পণের উপরিতল প্রান্তের দিকে উঁচু আর মাঝের দিকে ক্রমশ নিচু হয়ে যে আকৃতি হয়, তাকে অবতল লেন্স বলে। সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টারে এই ধরনের লেন্স ব্যবহার করা হয়।
১৬. পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যাওয়ার কারণ, আলোর-
[ বিসিএস ১২তম ]
মাধ্যম পরিবর্তনে আলোক রশ্মি অভিমুখ বদলায়। এর নাম প্রতিসরণ। প্রতিসরণের ফলে লঘু মাধ্যম (বায়ু) থেকে ঘনতর (পানি) মাধ্যমে গেলে প্রতিসৃত রশ্মি আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্বের দিকে সরে আসবে। আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণের চেয়ে বড় হবে। ঘন মাধ্যম থেকে লঘুতর মাধ্যমে গেলে আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণ থেকে ছোট হবে। আর প্রতিসরণের জন্যেই বৈঠা বাঁকা দেখায়।
১৭. রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো–
[ বিসিএস ১১তম ]
সাদা রশ্মি প্রিজমের ভেতর দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় বিভিন্ন বর্ণের রশ্মিতে ভেঙে যায় ও বর্ণালি সৃষ্টি হয়। পানির কণাগুলো রংধনু সৃষ্টির সময় প্রিজমের কাজ করে।
তিনটি মৌলিক রং হচ্ছে লাল, নীল (আসমানী) ও সবুজ। এই রংগুলোর সমন্বয়ে গঠিত হয় অন্যান্য রং।
১৯. আকাশ নীল দেখায় কারণ নীল রঙের -
[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
২০. রংধনু সৃষ্টির সময় পানির কণাগুলো কিসের কাজ করে?
[ প্রা. প্র. শি. নি.১১-১০-২০১২ ]
২১. রঙিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়?
[ প্রা. প্র. শি. নি.৯-১০-২০১২ ]
২২. কোনো বস্তু যখন সমস্ত আলো শোষণ করে তখন তাকে-
[ প্রা. প্র. শি. নি. ১৮-০৪-২০০৮ ]
২৩. গোলীয় দর্পনের উন্মেষ কত হলে, তাকে ক্ষুদ্র উন্নেষষের দর্পণ বলে?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]
২৪. আলোর তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের অবতারণা করেন-
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]
২৫. পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে শোষিত আলোর জন্য যে কালো রেখাগুলোর সৃষ্টি হয় তাদেরকে বলা হয়-
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]
২৬. একটি সমবাহু প্রিজমের প্রতিসরাঙ্ক $\sqrt{2}$ হলে এর নূন্যতম বিচ্যুতি কোণ কত?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১০-১০-২০০৮ ]
২৭. বিপদ সংকেতের জন্য লাল আলো ব্যবহৃত হয় কেন?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১৪-০৭-২০০৬ ]
২৮. আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক কে?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
২৯. লেজার রশ্মি কে কত সালে আবিষ্কার করেন?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৬-১০-২০১৫ ]
৩০. বরফ সাদা দেখায় কারণ-
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২১-০৪-২০১৪ ]
৩১. গোধুলির কারণ কি?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২১-০৪-২০১৪ ]
৩২. রংধনুতে হলুদ রঙের পাশের দুটি রঙ কি কি?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২১-০৪-২০১৪ ]
৩৩. রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো -
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২০-০৪-২০১৪ ]
৩৫. চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-১১-২০১৩ ]
৩৬. টেলিভিশনে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য কয়টি মৌলিক রং-এর ছবি ব্যবহার করা হয়?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-১১-২০১৩ ]
৩৭. বর্ণালীর প্রান্তীয় বর্ণ কি কি?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-০৪-২০১৩ ]
৩৮. কোন বর্ণের আলোর প্রতিসরণ সবচাইতে বেশি?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-০৪-২০১৩ ]
৩৯. মোটর গাড়ীতে ব্যবহৃত দর্পণ-
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-০৪-২০১৩ ]
৪০. দৃশ্যমান বর্ণালীর বৃহত্তম দৈর্ঘ্যের তরঙ্গ-
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-০৪-২০১৩ ]
৪১. আলোর বর্ণ নির্ধারণ করে তার-
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-০৪-২০১৩ ]
৪৪. দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীর ক্ষুদ্রতম তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কোন রঙের আলোর?
[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৮-১২-২০১১ ]
৪৫. কোনটির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]
৪৭. আলোর বর্ণ নির্ধারণকরে তার -
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]
৪৮. কোনটির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]
৫০. আলোর কণা' তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
[ ১৭তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]
৫১. সমুদ্রকে নীল দেখানোর কারণ হলো আপতিত সূর্য রশ্মির -
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৮-০১-২০১০ ]
৫৩. শূন্য মাধ্যমে নিচের তিনটি বস্তুকে একসাথে ছেড়ে দিলে কোনটি আগে মাটিতে পড়বে?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১৭-০২-২০০৬ ]
৫৪. দৃশ্যমান আলোর ক্ষুদ্রতম তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য কোন রঙের আলোর?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৬-০৮-২০০৫ ]
৫৫. সাতটি রঙের সমন্বয়ে সাদা রং হলে, কালো রং কিসে হয়?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৩-০৮-২০০৫ ]
৫৬. সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কিরঙের দেখাবে?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২২-০৮-২০০৫ ]