আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. মোহাম্মদ সোলায়মান
খ. আব্দুল খালেক
গ. মাহবুব উদ্দিন আহমেদ
ঘ. শৈলেন্দ্র কিশোর চৌধুরী
উত্তরঃ মাহবুব উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যাঃ

মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার প্রদানকারী দলের নেতৃত্বে ছিলেন ⎯ মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম।

ক. বৈদেশিক বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা
খ. অর্থ ও পররাষ্ট্র
গ. স্বরাষ্ট্র ও পরিকল্পনা
ঘ. প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র
উত্তরঃ প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ

ছয় দফা কর্মসূচির ২য় দফায় ⎯ প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় দুটি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছিল।

ক. সাজেদা চৌধুরী
খ. নুরজাহান মোর্শেদ
গ. রাফিয়া আক্তার ডলি
ঘ. রাজিয়া বানু
উত্তরঃ রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু

তিনি ১৯৭২ সালে গঠিত ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন। এই কমিটি বাংলাদেশের সংবিধানের মূল কাঠামো তৈরি করে।

ক. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
খ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
গ. তাজউদ্দীন আহমেদ
ঘ. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

তিনি ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর থেকে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রধানমন্ত্রী হন।

ক. চতুর্থ তফসিল
খ. পঞ্চম তফসিল
গ. ষষ্ঠ তফসিল
ঘ. সপ্তম তফসিল
উত্তরঃ পঞ্চম তফসিল
ব্যাখ্যাঃ

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

২০১৭ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

ক. ২ মার্চ, ২০২২
খ. ৩ মার্চ, ২০২২
গ. ৪ মার্চ, ২০২২
ঘ. ৫ মার্চ, ২০২২
উত্তরঃ ২ মার্চ, ২০২২
ব্যাখ্যাঃ

‘জয় বাংলা’ কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে মন্ত্রিসভায় ২ মার্চ ২০২২ তারিখে অনুমোদন করা হয়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

প্রশ্নঃ বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কী?

[ বিসিএস ৪৪তম | ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. পুণ্ড্র
খ. তাম্রলিপ্ত
গ. গৌড়
ঘ. হরিকেল
উত্তরঃ পুণ্ড্র
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো কঃ পুণ্ড্র

বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম পুণ্ড্র। এর অবস্থান ছিল মূলত উত্তরবঙ্গে।

ক. ২টি
খ. ৩টি
গ. ৪টি
ঘ. ৫টি
উত্তরঃ ৪টি
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে চারটি তারকা রয়েছে।

জাতীয় প্রতীকের নকশাটিতে কেন্দ্রস্থলে একটি শাপলা ফুল, তার চারদিকে ধানের দুটি শীষ এবং নিচে পাট গাছের তিনটি পাতা ও দুটি তারকা শোভিত। এই তারকাগুলো বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি - জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা - এর প্রতীক।

ক. হাশেম খান
খ. এ.কে.এম আব্দুর রউফ
গ. আবুল বারক আলভী
ঘ. সমরজিৎ রায় চৌধুরী
উত্তরঃ এ.কে.এম আব্দুর রউফ
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশ সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল আব্দুর রউফ-এর ওপর। তিনি বাংলাদেশ সরকারের একজন কর্মচারী ছিলেন এবং অত্যন্ত সুন্দর হস্তাক্ষরের অধিকারী ছিলেন।

ক. ১১ নভেম্বর
খ. ১২ অক্টোবর
গ. ১৬ ডিসেম্বর
ঘ. ৩রা মার্চ
উত্তরঃ ১২ অক্টোবর
ব্যাখ্যাঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের ইতিহাস একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিচে এর মূল বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো:

সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন:

  • ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
  • এই কমিটিতে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং বিশিষ্ট আইনজীবীরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

খসড়া সংবিধান তৈরি:

  • কমিটি বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক করে এবং জনগণের মতামত সংগ্রহের জন্য আহ্বান জানায়।
  • সংগৃহীত মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের একটি খসড়া তৈরি করা হয়।
  • ১৯৭২ সালের ১২ই অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করা হয়। এই খসড়াটি ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ও ৭টি তফসিল সম্বলিত ছিল।

গণপরিষদে আলোচনা ও গ্রহণ:

  • খসড়া সংবিধানের ওপর গণপরিষদে দীর্ঘ আলোচনা চলে।
  • আলোচনা শেষে কিছু সংশোধনীর প্রস্তাব আনা হয় এবং সেগুলো বিবেচিত হয়।
  • অবশেষে, ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।

কার্যকর:

  • ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর (বিজয় দিবস) থেকে এই সংবিধান কার্যকর হয়।

সংবিধানের খসড়াটি মূলত বাংলা ভাষায় রচিত হয়েছিল এবং পরে এর ইংরেজি অনুবাদ করা হয়। তবে বাংলা ও ইংরেজির মধ্যে অর্থগত কোনো বিরোধ দেখা দিলে বাংলা রূপ অনুসরণীয় হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

আপনি যদি খসড়া সংবিধানের মূল পাঠ বা এর কোনো নির্দিষ্ট অংশের বিষয়ে জানতে চান, তবে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

ক. ৪র্থ তফসিল
খ. ৫ম তফসিল
গ. ৬ষ্ঠ তফসিল
ঘ. ৭ম তফসিল
উত্তরঃ ৪র্থ তফসিল
ব্যাখ্যাঃ

সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে চতুর্থ তফসিল-এর অপব্যবহার করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে মূলত ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে জারিকৃত কিছু আইন ও অধ্যাদেশকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় গঠিত অস্থায়ী সরকারের কার্যক্রম এবং স্বাধীনতা অর্জনের জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলোর ধারাবাহিকতা রক্ষা করা।

তবে, পরবর্তীকালে সামরিক শাসকরা এই তফসিলের ভুল ব্যাখ্যা করে বা এর আওতা সম্প্রসারিত করে তাদের অবৈধ ক্ষমতা দখলকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তারা যুক্তি দেখিয়েছেন যে তাদের জারি করা সামরিক ফরমান বা অধ্যাদেশও এই তফসিলের অধীনে সুরক্ষিত, কারণ তারা রাষ্ট্র পরিচালনার "প্রয়োজনীয়তা" থেকে এগুলো জারি করেছেন।

এই অপব্যবহারের মাধ্যমে সংবিধানের মূল চেতনা, গণতন্ত্র এবং জনগণের সার্বভৌমত্বের নীতিকে লঙ্ঘন করা হয়েছে। চতুর্থ তফসিলের মূল উদ্দেশ্য ছিল একটি বিশেষ প্রেক্ষাপটে আইনি ধারাবাহিকতা রক্ষা করা, কিন্তু সামরিক শাসকরা এটিকে তাদের অসাংবিধানিক কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ধরনের অপব্যবহার রোধ করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে অপরিবর্তনীয় ঘোষণা করা হয়েছে।

ক. নিউজ উইরুল (উইকস)
খ. দি ইকনমিস্ট
গ. টাইম
ঘ. গার্ডিয়ান
উত্তরঃ নিউজ উইরুল (উইকস)
ব্যাখ্যাঃ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' উপাধি দিয়েছিলেন নিউজউইক (Newsweek) ম্যাগাজিন।

১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল, অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়, যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত নিউজউইক ম্যাগাজিনের একটি সংখ্যায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা হয়েছিল "Poet of Politics" বা 'রাজনীতির কবি'। এই লেখায় সাংবাদিক লরেন্স ফস্টার (Lawrence F. Lifschultz - যার অন্য পরিচিতি লরেন্স লিফসুল্জ) এই উপাধি ব্যবহার করেন, যেখানে তিনি বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং তাঁর নেতৃত্বকে কবিতার সাথে তুলনা করেন। এই উপাধিটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।

ক. ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭২
খ. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
গ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ঘ. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
উত্তরঃ ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

তবে, এর একটি ইতিহাস আছে:

  • ১৯৭১ সালের ২ মার্চ: প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে। তখন পতাকার নকশায় লাল বৃত্তের মাঝখানে সোনালি রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র ছিল। এটি নকশা করেছিলেন ছাত্রনেতা শিবনারায়ণ দাস
  • ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি: স্বাধীনতার পর, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে পটুয়া কামরুল হাসান পতাকার ডিজাইন থেকে মানচিত্রটি বাদ দিয়ে বর্তমান নকশাটি চূড়ান্ত করেন। এই দিনই এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হিসেবে গৃহীত হয়।

জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপে সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, আর লাল বৃত্তটি উদীয়মান সূর্য এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের রক্তের প্রতীক।

ক. প্রথম ১০টি
খ. প্রথম ৪টি
গ. প্রথম ৬টি
ঘ. প্রথম ৫টি
উত্তরঃ প্রথম ৪টি
ব্যাখ্যাঃ
  • জাতীয় সংগীত হিসেবে ঘোষণা ও গ্রহণ: বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আমার সোনার বাংলা’ কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং এটি ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি গৃহীত হয়।
  • পরিবেশনের বিধান:
    • কণ্ঠে গাওয়ার ক্ষেত্রে: সাধারণত প্রথম ১০ চরণ গাওয়া হয়।
    • যন্ত্র সংগীতে বাজানোর ক্ষেত্রে: প্রথম ৪ চরণ পর্যন্ত বাজানো হয়।

এই তথ্যগুলো বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইতিহাস ও পরিবেশন প্রটোকল বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ক. ৭ মার্চ, ১৯৭৩ খ্রি.
খ. ৭ এপ্রিল, ১৯৭৩ খ্রি
গ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ খ্রি.
ঘ. ৭ ডিসেম্বর, ১৯৭২ খ্রি.
উত্তরঃ ৭ মার্চ, ১৯৭৩ খ্রি.
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৯৩টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

ক. ৮ : ৫
খ. ১০ : ৬
গ. ১১ : ৮
ঘ. ১১ : ৭
উত্তরঃ ১০ : ৬
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হলো ১০:৬

পতাকার মাপ এবং বৈশিষ্ট্য

  • পতাকার দৈর্ঘ্যকে ১০ একক এবং প্রস্থকে ৬ একক ধরে এর মাপ নির্ধারণ করা হয়। এই অনুপাতটি ৫:৩ হিসেবেও প্রকাশ করা যায়।
  • পতাকার মাঝখানে থাকা লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ হবে পতাকার দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
  • লাল বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দু পতাকার দৈর্ঘ্যের সাড়ে চার একক (৪.৫ একক) বামে এবং প্রস্থের মাঝখানে অবস্থিত। এর ফলে পতাকাটি যখন উড়ানো হয়, তখন লাল বৃত্তটি মাঝখানে আছে বলে মনে হয়।
ক. আম
খ. কাঁঠাল
গ. কলা
ঘ. পেঁপে
উত্তরঃ কাঁঠাল
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠালের আদি নিবাস ভারতের পশ্চিমঘাট পর্বতমালা। সারা বাংলাদেশে জন্মালেও নওগাঁ, দিনাজপুর, সাভার, মধুপুর ও সিলেট কাঁঠালের প্রধান এলাকা। আর আমগাছ হলো বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ।

ক. লর্ড কার্জন
খ. লর্ড ওয়েলেসলি
গ. লর্ড ডালহৌসি
ঘ. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
উত্তরঃ লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যাঃ

বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড কার্জন। তিনি ১৯০৩ থেকে ১৯০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯০৫ সালে, তিনি বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন, যা বাংলার পূর্ব ও পশ্চিম অংশকে আলাদা করে দেয়। এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য ছিল হিন্দু-মুসলিম ঐক্য ভাঙা এবং ব্রিটিশ শাসনের প্রতি মুসলিমদের সমর্থন লাভ করা। তবে, বঙ্গভঙ্গের ফলস্বরূপ ভারতে ব্যাপক প্রতিবাদ ও বিরোধিতা সৃষ্টি হয়েছিল, বিশেষ করে ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকারীদের মধ্যে।

ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
খ. তাজউদ্দীন আহমদ
গ. শেখ মুজিবুর রহমান
ঘ. ক্যাপটেন মনসুর আলী
উত্তরঃ শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানকে তার অবর্তমানে রাষ্ট্রপতি এবং সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক করে সরকার গঠন করা হয়। সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী। ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ছিলেন মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী।

ক. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯
খ. ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯
গ. ১ জানুয়ারি, ১৯৮০
ঘ. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮০
উত্তরঃ ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯
ব্যাখ্যাঃ

ত্রিভুজাকৃতি ভূমির সামান্য কিছু ওপরে বন্দুক কাঁধে নারী ও পুরুষের সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের ও বিজয়ের প্রতীক ‘অপরাজেয় বাংলা’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন চত্বরে অবস্থিত। দেশের সর্বস্তরের মানুষের স্বাধীনতার সংগ্রামে অংশগ্রহণের প্রতীকী চিহ্ন অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়, ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯। এর স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।

ক. ৪৬.৫ মি
খ. ৪৬ মি
গ. ৪৫.৫ মি
ঘ. ৪৫ মি
উত্তরঃ ৪৬.৫ মি
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকার সাভারের নবীনগরে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধকে বলা হয় ‘সম্মিলিত প্রয়াস’। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮২ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এটি উদ্বোধন করেন। এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। ১০৯ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এ সৌধে ৭টি ফলক রয়েছে। বাংলাপিডিয়া ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা-১২ এর তথ্য মতে, জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৭.২ মিটার। তবে প্রচলিত তথ্য মতে, এর উচ্চতা ৪৬.৫ মিটার।

ক. তানভীর কবীর
খ. হামিদুর রহমান
গ. হামিদুজ্জামান
ঘ. অস্কার বাদল
উত্তরঃ হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা শহিদদের স্মরণে ১৯৫২ -এর ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম শহিদ মিনার স্থাপিত হলেও এর স্থায়িত্ব ছিল কম। তারপর হামিদুর রহমানের নকশা ও পরিকল্পনায় ১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাসে দ্বিতীয় বারের মতো শহিদ মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৫৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি উদ্ধোধন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পূর্বের নকশা অনুযায়ী শিল্পী হামিদুর রহমান স্থপতি এম এস জাফরের সঙ্গে মিলিতভাবে স্বাধীন বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার পুননির্মাণ করেন।

ক. জয়নুল আবেদিন
খ. কামরুল হাসান
গ. হামিদুর রহমান
ঘ. হাশেম খান
উত্তরঃ কামরুল হাসান
ব্যাখ্যাঃ

মানচিত্রখচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিবনারায়ণ দাশ। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে বর্তমান জাতীয় পতাকার (মানচিত্রবিহীন) ডিজাইন করেন বালাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান (১৯২১-১৯৮৮ খ্রি.)।

ক. মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান
খ. মেজর জেনারেল মঞ্জুর
গ. মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
ঘ. মেজর জেনারেল এইচ এম এরশাদ
উত্তরঃ মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যাঃ

মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ ১৯৭২ সালের এপ্রিল থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন।

প্রশ্নঃ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?

[ বিসিএস ২২তম | প্রা. প্র. শি. নি. ১৩-০৯-২০০৯ | প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০১-২০১০ ]

ক. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
খ. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
গ. ৭ মার্চ, ১৯৭১
ঘ. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
উত্তরঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর থেকে জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়।

ক. ময়না
খ. কাক
গ. শালিক
ঘ. দোয়েল
উত্তরঃ দোয়েল
ব্যাখ্যাঃ
বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি
পাখি দোয়েল
পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার
ফল কাঁঠাল
ফুল শাপলা
বৃক্ষ আম গাছ
সংগীত আমার সোনার বাংলা
ক. জয়নুল আবেদিন
খ. কামরুল হাসান
গ. হাসেম খান
ঘ. হামিদুর রহমান
উত্তরঃ কামরুল হাসান
ব্যাখ্যাঃ

মানচিত্র খচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিবনারায়ণ দাস। বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকেরও ডিজাইন করেন। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের বটতলায় এক ছাত্রসভায় ২ মার্চ, ১৯৭১।

ক. বাংলার প্রকৃতির কথা
খ. বাংলার মানুষের কথা
গ. বাংলার ইতিহাসের কথা
ঘ. বাংলার সংস্কৃতির কথা
উত্তরঃ বাংলার প্রকৃতির কথা
ব্যাখ্যাঃ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ কবিতা ১৯০৫ সালে ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। ২৫ চরণবিশিষ্ট এ কবিতাটির প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয় ১৯৭১ সালের এপ্রিলে যা জাতীয় সংসদে পাস হয় ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২।

ক. হামিদুর রহমান
খ. তানভীর কবীর
গ. মইনুল হোসেন
ঘ. নিতুন কুণ্ডু
উত্তরঃ মইনুল হোসেন
ব্যাখ্যাঃ

মইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি। হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের, তানভীর কবির মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের এবং নিতুন কুণ্ডু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাশ বাংলাদেশের স্থপতি।

ক. কামরুল হাসান
খ. জয়নুল আবেদিন
গ. হাশেম খান
ঘ. হামিদুর রহমান
উত্তরঃ কামরুল হাসান
ব্যাখ্যাঃ

মানচিত্রখচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিবনারায়ণ দাস। বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকেরও ডিজাইন করেন।

প্রশ্নঃ বীরশ্রেষ্ঠ পদক প্রাপ্তদের সংখ্যা কত?

[ বিসিএস ১৩তম | প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]

ক. সাত
খ. আট
গ. ছয়
ঘ. পাঁচ
উত্তরঃ সাত
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসীম বীরত্ব ও সাহসিকতা প্রদর্শণ এবং আত্মত্যাগের জন্য ৭ জন সূর্যসন্তানকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাব দেয়া হয়।

প্রশ্নঃ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে পালন করা হয়?

[ বিসিএস ১৩তম | রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ | প্রা. বি. স. শি. নি. ১০-০৮-২০১০ | প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]

ক. ১৪ ডিসেম্বর
খ. ১৩ ডিসেম্বর
গ. ১২ ডিসেম্বর
ঘ. ১১ ডিসেম্বর
উত্তরঃ ১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে পাকবাহিনী ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর নির্বিচারে বহু বুদ্ধিজীবী হত্যা করে। তাই তাদের স্মরণে ১৪ ডিসেম্বরকে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

ক. ২ মার্চ
খ. ২৩ মার্চ
গ. ১০ মার্চ
ঘ. ২৫ মার্চ
উত্তরঃ ২ মার্চ
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সমাবেশে ডাকসুর ভিপি আ.স.ম. আব্দুর রব বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন। শেখ মুজিবুর রহমান ২৩ মার্চ তার বাসভবনে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং একই দিনে দেশব্যাপী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

ক. ৯ : ৫
খ. ৯ : ৫
গ. ১০ : ৬
ঘ. ৮ : ৬
উত্তরঃ ১০ : ৬
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার রূপকার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। জাতীয় পতাকার প্রথম নকশা করেছিলেন শিব নারায়ণ দাস এবং ইউসুফ সালাউদ্দিনকে নিয়ে হাসানুল হক ইনু; প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা হলের ৪০১ নং কক্ষে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্রসভায় ২ মার্চ ১৯৭১। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত ১০ : ৬।

ক. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
খ. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
গ. ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
ঘ. ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
উত্তরঃ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যাঃ

মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

ক. ১৭ এপ্রিল, ১৯৯১
খ. ১৬ ডিসেস্বর, ১৯৭২
গ. ৭ মার্চ, ১৯৭২
ঘ. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
উত্তরঃ ১৬ ডিসেস্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারির পর ২৩ জুন রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে খসড়া সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন। এ কমিটি গণপরিষদে খসড়া সংবিধান পেশ করে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর, যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

ক. মহাস্থানগড়ে
খ. শাহজাদপুরে
গ. নেত্রকোনায়
ঘ. রামপালে
উত্তরঃ মহাস্থানগড়ে
ব্যাখ্যাঃ

বিখ্যাত ‘শাহ্ সুলতান বলখী মহীসওয়ার’ এর মাজারটি বগুড়া শহর থেকে ১০ কি.মি. দূরে মহাস্থানের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত। মহাস্থানগড়ের প্রধান নিদর্শনগুলো হলো বৈরাগী ভিটা, গোবিন্দ ভিটা, খোদাই পাথর ভিটা, সভাবাটি, শীলা দেবীর ঘাট, পরশুরামের প্রাসাদ ইত্যাদি।

ক. ইংরেজরা
খ. ওলন্দজরা
গ. ফরাসিরা
ঘ. পর্তুগিজরা
উত্তরঃ পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যাঃ

পঞ্চদশ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা আফ্রিকার পশ্চিম-পূর্ব উপকূলে ঘুরে বরাবর সমুদ্রপথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিষ্কার করেন। ১৫১৪ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগিজ বণিকগণ উড়িষ্যার অন্তর্গত পিপলি নামক স্থানে সর্বপ্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। ১৫৩৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার সুলতান মাহমুদ শাহ শের শাহের বিরুদ্ধে পর্তুগিজদের সাহায্যের আাশায় চট্টগ্রাম ও সপ্তগ্রামে (হুগলি) বাণিজ্য কুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন। এভাবে বাংলায় পর্তুগিজদের প্রতিষ্ঠা হয়। উল্লেখ্য, ১৬০২ সালে ওলন্দাজরা, ১৬০০ সালে ইংরেজরা এবং ১৬৬৪ সালে ফরাসিরা বাংলায় আগমন করেন।

ক. লক্ষ্মণ সেন
খ. ইলিয়াস শাহ
গ. আকবর
ঘ. বিজয় সেন
উত্তরঃ আকবর
ব্যাখ্যাঃ

কৃষিকাজের সুবিধার্থে মোগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর তার সিংহাসনে আরোহণের সময় থেকে কার্যকর হয়।

প্রশ্নঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়–

[ বিসিএস ১০তম | প্রা. প্র. শি. নি. ১২-১০-২০১২ ]

ক. ১৮৯৭ সালে
খ. ১৯০২ সালে
গ. ১৯২১ সালে
ঘ. ১৯০৫ সালে
উত্তরঃ ১৯২১ সালে
ব্যাখ্যাঃ

বঙ্গভঙ্গ রদ হলে ব্রিটিশরা পূর্ববঙ্গে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয় এবং এজন্য ১৯১২ সালে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নাথান কমিশন গঠিত হয়। ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেন। কলকাতার হিন্দুদের ব্যাপক বিরোধিতা সত্ত্বেও ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চালু হয়। পরবর্তীতে এটি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাতি অর্জন করে।

ক. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
খ. বিচার ব্যবস্থা
গ. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
ঘ. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
উত্তরঃ বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যাঃ

ছয় দফার দাবিগুলো ছিল:

১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি: দেশের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো হবে ফেডারেল বা যুক্তরাষ্ট্রীয় এবং সরকার পদ্ধতি হবে সংসদীয়। প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন সভার সদস্যদের নিয়ে গঠিত হবে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার।

২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা শুধুমাত্র দুটি বিষয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে, যথা - প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক যোগাযোগ। অবশিষ্ট সকল বিষয়ে প্রাদেশিক সরকারগুলোর ক্ষমতা থাকবে নিরঙ্কুশ।

৩. মুদ্রা বা অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা: পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে। অথবা, এর বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে একটি মুদ্রাই থাকবে, তবে এ ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের মুদ্রা যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে, তার জন্য সাংবিধানিক বিধান রাখতে হবে।

৪. রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সংক্রান্ত ক্ষমতা: সকল প্রকার রাজস্ব, কর ও শুল্ক ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা থাকবে প্রাদেশিক সরকারগুলোর হাতে। কেন্দ্রীয় সরকারের কোন রাজস্ব ধার্যের ক্ষমতা থাকবে না। প্রাদেশিক সরকারের আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে তার ব্যয় নির্বাহের জন্য দেওয়া হবে।

৫. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দুই অঞ্চলের জন্য পৃথক পৃথক হিসাব রাখতে হবে এবং পূর্ব পাকিস্তানের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা পূর্ব পাকিস্তানের অধীনেই থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের উপর এর কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও শাসনতন্ত্র রক্ষার জন্য প্রাদেশিক সরকারগুলোকে আধাসামরিক বা আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা দিতে হবে।

ক. প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম
খ. নেকড়ে অরণ্য
গ. বন্দী শিবির থেকে
ঘ. নিষিদ্ধ লোবান
উত্তরঃ বন্দী শিবির থেকে
ব্যাখ্যাঃ

মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যগ্রন্থ হলো বন্দী শিবির থেকে

এটি প্রখ্যাত কবি শামসুর রাহমান কর্তৃক রচিত। এই কাব্যগ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার আবেগ, অনুভূতি এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

অন্যান্য বিকল্পগুলো:

  • কঃ প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম: এটিও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত, তবে এটি একটি উপন্যাস, লিখেছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী
  • খঃ নেকড়ে অরণ্য: এটি একটি উপন্যাস, লিখেছেন শওকত ওসমান। এর প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন।
  • ঘঃ নিষিদ্ধ লোবান: এটি একটি উপন্যাস, লিখেছেন আনিসুল হক, যার প্রেক্ষাপটও মুক্তিযুদ্ধ।

সুতরাং, কাব্যগ্রন্থের মধ্যে বন্দী শিবির থেকে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।

ক. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
খ. মাওলানা ভাসানী
গ. তাজউদ্দিন আহমেদ
ঘ. শেখ হাসিনা
উত্তরঃ শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যাঃ

বাঙ্গালির আশা -আকাঙ্খার প্রতীক ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর 'শেখ হাসিনা ,নির্বাচিত উক্তি ' গ্রন্থে 'রাজনীতির নান্দনিক শিল্পী' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ।

ক. কনসার্ট ১৯৭১
খ. কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
গ. কান্ট্রি কনসার্ট
ঘ. লিবারেশন কনসার্ট
উত্তরঃ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
ব্যাখ্যাঃ

মুক্তিযুদ্ধকালে জর্জ হ্যারিসন আয়োজিত কনসার্টের নাম ছিল "কনসার্ট ফর বাংলাদেশ"। ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এই ঐতিহাসিক কনসার্টটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

ক. টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই
খ. চিরঞ্জীব মুজিব
গ. মুজিব একটি জাতির রূপকার
ঘ. ছিটমহল
উত্তরঃ মুজিব একটি জাতির রূপকার
ব্যাখ্যাঃ

৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে "মুজিব: একটি জাতির রূপকার " চলচ্চিত্রটির ট্রেলার উদ্বোধন করা হয়।

এটি একটি ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের উপর নির্মিত।
এটি বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে।
চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন শ্যাম বেনেগাল।
চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে তুলে ধরে।

এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে।

ক. আগরতলা মামলা
খ. ভাষা আন্দোলন
গ. মুক্তিযুদ্ধ
ঘ. গণ অভ্যুত্থান
উত্তরঃ মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ

"স্টপ জেনোসাইড" প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের মূল বিষয়বস্তু হলো ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত গণহত্যা, নির্যাতন, এবং শরণার্থীদের দুর্দশা।

ক. ১৯৭১
খ. ১৯৫২
গ. ১৯৬৬
ঘ. ১৯৬৯
উত্তরঃ ১৯৬৯
ব্যাখ্যাঃ

১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। এর আগে ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা চলাকালীন সময়ে তিনি কারাবন্দী ছিলেন। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে তার সম্মানে সভার আয়োজন করে।

ক. সংবাদ পরিক্রমা
খ. বজ্রসাহস
গ. চরমপাঠ
ঘ. চরমপত্র
উত্তরঃ চরমপত্র
ব্যাখ্যাঃ

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল 'চরমপত্র'। এম আর আখতার মুকুল রচিত ও উপস্থাপিত এই অনুষ্ঠানটি ছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান।

ক. Round Table conference
খ. Royel Technical Commitee
গ. Rawalpindi Technical committee
ঘ. Road and Transport Corporation
উত্তরঃ Round Table conference
ক. বৈদেশিক বাণিজ্য
খ. মুদ্রা বা অর্থ
গ. রাজস্ব
ঘ. কেন্দ্রীয় সরকার
উত্তরঃ কেন্দ্রীয় সরকার
ব্যাখ্যাঃ

বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফার ২য় দফাটি কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সম্পর্কিত।

এই দফায় বলা হয়েছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে শুধু মাত্র দুটি ক্ষমতা থাকবে। একটি হলো প্রতিরক্ষা এবং অপরটি হলো বৈদেশিক সম্পর্ক। বাকি সকল ক্ষমতা অঙ্গরাজ্যগুলোর হাতে ন্যস্ত থাকবে।

ক. ২২ জানুয়ারি ১৯৬৯
খ. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
গ. ১৭ জানুয়ারি ১৯৬৮
ঘ. ৫ জানুয়ারি ১৯৬৯
উত্তরঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
ব্যাখ্যাঃ

২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে "বঙ্গবন্ধু" উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা) এক বিশাল গণসংবর্ধনায় এই উপাধি দেওয়া হয়। তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ (পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রী) শেখ মুজিবুর রহমানকে "বঙ্গবন্ধু" (বাঙালির বন্ধু) উপাধি প্রদান করেন। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই উপাধি দেওয়া হয়।

ক. শঙ্খ ঘোষ
খ. শেখ মুজিবুর রহমান
গ. শওকত আলী
ঘ. মমতাজউদ্দিন আহমেদ
উত্তরঃ শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ

"আমার দেখা নয়াচীন" বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি ভ্রমণকাহিনীমূলক গ্রন্থ। ১৯৫২ সালে পিস কনফারেন্সে যোগ দিতে গিয়ে তিনি চীন ভ্রমণ করেন। সেখানে তিনি যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তা এই বইয়ে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

ক. ১৯৯৭
খ. ১৯৯৯
গ. ২০০০
ঘ. ২০০১
উত্তরঃ ১৯৯৯
ব্যাখ্যাঃ

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

এই ঘোষণার মাধ্যমে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিকভাবে মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃত হয় এবং ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

ক. রাঙ্গামাটি
খ. খাগড়াছড়ি
গ. চট্টগ্রাম
ঘ. ফরিদপুর
উত্তরঃ রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে আবদুর রউফ ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের (ইপিআর) সদস্য হিসেবে যুদ্ধে যোগ দেন। তিনি ৮ এপ্রিল রাঙামাটির বুড়িঘাটে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে লিপ্ত হন। এই যুদ্ধে তিনি অসাধারণ সাহস ও বীরত্বের পরিচয় দেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ভারী অস্ত্রের মুখে নিজের জীবন তুচ্ছ করে সহযোদ্ধাদের রক্ষা করেন। তার বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধে হানাদার বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ক. মো: আলী জিন্নাহ
খ. ইয়াহিয়া
গ. ভুট্রো
ঘ. টিক্কা খান
উত্তরঃ টিক্কা খান
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যাকে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী নাম দিয়েছিলেন " অপারেশন সার্চলাইট' । এর মুল পরিকল্পনায় ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান এবং বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করেন মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা ও মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলো মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী।

ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
খ. তাজউদ্দিন আহমদ
গ. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ঘ. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তরঃ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যাঃ

মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন গঠিত মুজিবনগর সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সরকার যুদ্ধ পরিচালনা এবং বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করে।

ক. ১৬৭
খ. ১৬২
গ. ২৯৮
ঘ. ৩০০
উত্তরঃ ১৬৭
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মোট আসন ৩১৩ টি, এর মধ্যে সংরক্ষিত মহিলা আসন ১৩ টি। পূর্ব পাকিস্তানের আসন সংখ্যা মোট ১৬৯ টি এবং পশ্চিম পাকিস্তানের আসন সংখ্যা মোট ১৪৪ টি। আওয়ামী লীগ ১৬৯ টি আসনের মধ্যে ১৬৭ টিতে জয়লাভ করে।

ক. ৫ জন
খ. ৭ জন
গ. ২ জন
ঘ. ৬ জন
উত্তরঃ ২ জন
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তারা হলেন:

1. ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম
2. তারামন বিবি

তারামন বিবি 11 নং সেক্টরে ও সিতারা বেগম 2 নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

ক. দ্বিজাতি তত্ত্ব
খ. অসাম্প্রদায়িক মনোভাব
গ. স্বজাত্যবোধ
ঘ. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
উত্তরঃ বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যাঃ

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দেয়। এই আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার জনগণ তাদের ভাষা, সংস্কৃতি এবং অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে।

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি বাঙালি জাতিকে তাদের আত্মপরিচয় সম্পর্কে সচেতন করে তোলে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পথ প্রশস্ত করে।

ক. নবাব আলীবর্দী খান
খ. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজি
গ. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
ঘ. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
উত্তরঃ ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
ব্যাখ্যাঃ

বাংলার 'স্বাধীন সুলতানী' শাসন প্রতিষ্ঠা করেন ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ।

তিনি ১৩৩৮ সালে সোনারগাঁওয়ে এই শাসনের সূচনা করেন। এর মাধ্যমে দিল্লি সালতানাতের নিয়ন্ত্রণ থেকে বাংলা অনেকটা স্বাধীন হয়ে যায়। এর পরবর্তীতে শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ ১৩৪২ সালে লখনৌতির সুলতান আলাউদ্দীন আলী শাহকে পরাজিত করে সমগ্র বাংলাকে এক শাসনের অধীনে আনেন এবং ইলিয়াস শাহী বংশের প্রতিষ্ঠা করেন। ইলিয়াস শাহী বংশ প্রায় দেড়শ বছর বাংলা শাসন করে।

ক. আলাউদ্দিন খলজি
খ. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি
গ. সম্রাট আকবর
ঘ. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
উত্তরঃ ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি
ব্যাখ্যাঃ

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজী বাংলাদেশে মুসলিম শাসনের সূত্রপাত করেন।

তিনি ১২০৪ সালে রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে নদিয়া দখল করেন এবং এর মাধ্যমেই বাংলায় মুসলিম শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়। যদিও তিনি সমগ্র বাংলা জয় করতে পারেননি, তার এই বিজয় পরবর্তী মুসলিম শাসকদের জন্য বাংলায় নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সহায়ক হয়েছিল।

ক. খিলজি শাসন আমলে
খ. সেন শাসন আমলে
গ. মোগল শাসন আমলে
ঘ. পাল তাম্র শাসন আমলে
উত্তরঃ পাল তাম্র শাসন আমলে
ব্যাখ্যাঃ

রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর (আনুমানিক ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ) বাংলায় এক দীর্ঘ সময় ধরে অরাজকতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছিল। কোনো শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন না থাকায় স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের জন্য সংঘর্ষে লিপ্ত থাকত। এই সময়কালটিকে ৬৫০ থেকে ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ধরা হয় এবং এটিই 'মৎস্যন্যায়' নামে পরিচিত।

ক. দ্বিজাতিতত্ত্ব
খ. অসাম্প্রদায়িক মনোভাব
গ. স্বজাত্যবোধ
ঘ. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
উত্তরঃ বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যাঃ

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়তাবাদী ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দিয়েছিল।
এই আন্দোলন কেবল ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। এটি পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে একটি স্বতন্ত্র জাতিসত্তা এবং আত্মপরিচয়ের বোধ জাগিয়ে তোলে।

ক. ১৯৯৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি
খ. ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
গ. ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
ঘ. ২০০০ সালের ২৬ মার্চ
উত্তরঃ ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
ব্যাখ্যাঃ

ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবসকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ তারিখে।

ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়েছিল এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশও এতে সমর্থন জানিয়েছিল।

ক. আলাওল
খ. শাহ মুহম্মদ সগীর
গ. ফেরদৌসী
ঘ. বাহরাম খা
উত্তরঃ ফেরদৌসী
ব্যাখ্যাঃ

ফার্সি কবি ফেরদৌসী আনুমানিক ৯৭৭ থেকে ১০১০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে বিখ্যাত মহাকাব্য "শাহনামা" রচনা করেন।

"শাহনামা" (শাহ্-নামা) ফার্সি ভাষায় রচিত একটি দীর্ঘ কবিতা, যার অর্থ "রাজাদের বই"। এটি ইরানের জাতীয় মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এতে প্রায় ৬০,০০০ শ্লোক রয়েছে। এই মহাকাব্যে ইরানের সৃষ্টি থেকে শুরু করে সপ্তম শতাব্দীতে আরবদের পারস্য বিজয়ের পূর্ব পর্যন্তের ইতিহাস ও কিংবদন্তি বর্ণিত হয়েছে।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় -

[ প্রা.বি.স.শি. 21-06-2019 | প্রা. বি. স. শি. নি. ২১-০৬-২০১৯ ]

ক. ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ
খ. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
গ. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
ঘ. ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
উত্তরঃ ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল। এই সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।

এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যিনি তখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমানে মুজিবনগর) এই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।

ক. ২২ জুন
খ. ২৩ জুন
গ. ২৪ জুন
ঘ. ২১ জুন
উত্তরঃ ২৩ জুন
ব্যাখ্যাঃ

পলাশীর যুদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সংঘটিত হয়েছিল। এই যুদ্ধ ছিল একদিকে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং অন্যদিকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর মধ্যে।

কারণ

পলাশীর যুদ্ধের মূল কারণগুলো ছিল বহুবিধ:

  • ক্ষমতা ও সার্বভৌমত্বের দ্বন্দ্ব: নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলার স্বাধীন শাসক, কিন্তু ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নিজেদের বাণিজ্যিক ক্ষমতাকে রাজনৈতিক ক্ষমতায় রূপান্তর করতে চাইছিল। তারা নবাবের অনুমতি ছাড়াই কলকাতায় দুর্গ নির্মাণ এবং নিজেদের বাণিজ্য শুল্ক ফাঁকি দেওয়া শুরু করে।
  • দস্তক-এর অপব্যবহার: ইংরেজ বণিকরা দস্তক (বিনাশুল্কে বাণিজ্য করার অনুমতিপত্র) এর ব্যাপক অপব্যবহার করে দেশীয় ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করছিল, যা নবাবের রাজস্বের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।
  • আশ্রয় প্রদান: নবাবের শত্রু কৃষ্ণদাসকে ইংরেজরা আশ্রয় দিয়েছিল, যা নবাবের ক্রোধের কারণ হয়।
  • নবাবের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণ: সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে আরোহণের পর ইংরেজরা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নতুন নবাবকে উপঢৌকন বা সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ পাঠায়নি।
  • অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র: নবাবের খালা ঘষেটি বেগম, সেনাপতি মীর জাফর, উমিচাঁদ, জগৎশেঠ, রায়দুর্লভ প্রমুখ প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নবাবের বিরুদ্ধে ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন।
ক. ১৬৭
খ. ১৬৯
গ. ১৬৩
ঘ. ১৬৫
উত্তরঃ ১৬৯
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জন্য জাতীয় পরিষদে ১৬২টি সাধারণ আসন বরাদ্দ ছিল। এর পাশাপাশি, মহিলাদের জন্য ৭টি সংরক্ষিত আসনও ছিল, যা জাতীয় পরিষদের সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হতো।

সুতরাং, মোট আসন ছিল ১৬২ + ৭ = ১৬৯টি

ক. ইন্ধিরা গান্ধীকে
খ. সুভাষ বসুকে
গ. শেখ মুজিবুর রহমান কে
ঘ. মহাত্মা গান্ধীকে
উত্তরঃ শেখ মুজিবুর রহমান কে
ব্যাখ্যাঃ

আমেরিকান ম্যাগাজিন নিউজ উইকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'Poet of Politics' বা 'রাজনীতির কবি' নামে আখ্যায়িত করা হয়েছিল।

এই উপাধিটি তাকে দেওয়া হয়েছিল মূলত তার অসাধারণ বাগ্মীতা, ভাষণের মাধ্যমে জনগণকে উদ্দীপ্ত করার ক্ষমতা এবং রাজনীতির জটিল বিষয়গুলোকে কাব্যিক ভঙ্গিতে তুলে ধরার দক্ষতার জন্য। তার ৭ই মার্চের ভাষণ, যা একটি নিরস্ত্র জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল, তার এই 'রাজনীতির কবি' উপাধিকে সার্থক প্রমাণ করে।

ক. ২২ ফেব্রুয়ারি , ১৯৬৯
খ. ৫ ফেব্রুয়ারি , ১৯৬৬
গ. ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮
ঘ. ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
উত্তরঃ ৫ ফেব্রুয়ারি , ১৯৬৬
ব্যাখ্যাঃ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক 'ছয় দফা' ঘোষিত হয় ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি

এটি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে পেশ করা হয়েছিল। এই ছয় দফা বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

ক. যুক্তরাজ্য ও চীন
খ. যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
গ. চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
ঘ. রাশিয়া ও ফ্রান্স
উত্তরঃ চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের বিরোধিতা করেছিল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের যে দুইটি স্থায়ী রাষ্ট্র, তারা হলো:

  1. যুক্তরাষ্ট্র (USA)
  2. চীন (China)

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্বন করেছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। অন্যদিকে, চীনও পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। এই দুটি দেশই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে আনা প্রস্তাবগুলোর বিরুদ্ধে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগের হুমকি দিয়েছিল।

তবে, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমানে রাশিয়া) বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী প্রস্তাবগুলোর বিরুদ্ধে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথ সুগম করতে সাহায্য করেছিল।

ক. মতিউর রহমান
খ. সাইমন ড্রিং
গ. এম আর আখতার মুকুল
ঘ. অ্যালেন গিন্সবার্গ
উত্তরঃ সাইমন ড্রিং
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার খবর প্রথম বহির্বিশ্বে ব্যাপকভাবে প্রচার করেন যে সকল সাংবাদিক, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:

  • সাইমন ড্রিং (Simon Dring): তিনি ছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক, যিনি ২৫শে মার্চ, ১৯৭১ সালের কালো রাতের গণহত্যার সময় ঢাকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে (বর্তমান রূপসী বাংলা) লুকিয়ে ছিলেন। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী সকল বিদেশী সাংবাদিককে দেশ থেকে বের করে দিলেও, সাইমন ড্রিং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লুকিয়ে থেকেছিলেন। ২৭শে মার্চ তিনি ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফে 'Tank Kills in East Pakistan' (পরে 'Tanks Crash Revolts in Pakistan' নামে পরিচিত) শিরোনামে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠান। এটিই ছিল গণহত্যার প্রথম বিস্তারিত ও প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেদন যা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং বিশ্বকে পূর্ব পাকিস্তানের ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেয়।

  • অ্যান্টনি মাসকারেনহাস (Anthony Mascarenhas): তিনি ছিলেন একজন পাকিস্তানি সাংবাদিক, যিনি সামরিক জান্তার সাথে পূর্ব পাকিস্তান সফর করেন। তিনি যা দেখেছিলেন, তা তাকে এতটাই বিচলিত করে যে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে ফিরে গিয়ে গোপনে তথ্য সংগ্রহ করেন এবং ১৩ই জুন, ১৯৭১ সালে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য সানডে টাইমস-এ 'Genocide' (গণহত্যা) শিরোনামে একটি সাহসী প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। এই প্রতিবেদনটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং বাংলাদেশের গণহত্যার বিষয়ে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এছাড়াও, অনেক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সাংবাদিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেই সময়কার ভয়াবহতা তুলে ধরেছিলেন, যেমন নিজামুদ্দীন আহমদ (যিনি বিবিসি-সহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তথ্য সরবরাহ করতেন) এবং নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিনিধি ম্যাক ব্রাউন। তবে, প্রথম বিস্তারিত প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য সাইমন ড্রিং এবং গণহত্যার ভয়াবহতা তুলে ধরার জন্য অ্যান্টনি মাসকারেনহাস বিশেষভাবে স্মরণীয়।

ক. এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান
খ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
গ. তাজউদ্দীন আহমদ
ঘ. এম. মনসুর আলী
উত্তরঃ এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যাঃ

মুজিবনগর সরকারের (Provisional Government of Bangladesh) অর্থমন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী

ক. ১৯০৫
খ. ১৯১১
গ. ১৯২০
ঘ. ১৯২১
উত্তরঃ ১৯২১
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka University) বাংলাদেশের প্রাচীনতম এবং সর্ববৃহৎ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে এক অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছে। এর প্রতিষ্ঠা ছিল বাঙালি মুসলিম সমাজের শিক্ষা ও সামাজিক অগ্রগতির এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে বেশ কিছু ঐতিহাসিক কারণ এবং দীর্ঘদিনের দাবি কাজ করেছিল:

  1. বাংলার বিভাজন (বঙ্গভঙ্গ) ও মুসলিম সমাজের দাবি: ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ হয় এবং ঢাকা পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী হয়। এ সময় ঢাকার মুসলিম সমাজে শিক্ষার প্রসারের জন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জোরালো হয়। বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার পর (১৯১১ সাল) মুসলিম সমাজের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। এই অসন্তোষ প্রশমনের জন্য এবং মুসলিমদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি হিসেবে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ধারণাটি সামনে আসে।

  2. লর্ড হার্ডিঞ্জের প্রতিশ্রুতি: ১৯১১ সালের ৩১শে জানুয়ারি, তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকা সফরে এসে মুসলিম নেতৃবৃন্দের (যেমন নবাব সলিমুল্লাহ, নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, শের-ই-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক প্রমুখ) দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন।

  3. নাথান কমিটি: এই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের জন্য ১৯১২ সালের ২৭শে মে 'নাথান কমিটি' (Nathan Committee) গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান ছিলেন তৎকালীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আর. নাথান। এই কমিটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক, যেমন - এর উদ্দেশ্য, পাঠ্যক্রম, আর্থিক সংস্থান, প্রশাসনিক কাঠামো ইত্যাদি বিষয়ে সুপারিশ প্রদান করে। নাথান কমিটির সুপারিশগুলো ১৯১৩ সালে প্রকাশিত হয়।

  4. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও অর্থ সংকট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া কিছুটা ধীরগতিতে চলে, কারণ ব্রিটিশ সরকার আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয়। তবে, এই সময়েও মুসলিম নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন বুদ্ধিজীবী মহল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নিরন্তর চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন।

  5. ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি কমিশন (স্যাডলার কমিশন): ১৯১৭ সালে গঠিত স্যাডলার কমিশন (Sadler Commission) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তাকে সমর্থন করে এবং ১৯২০ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত তাদের রিপোর্টে দ্রুত এটি প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করে।

প্রশ্নঃ বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি হলো-

[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. ভাষা ও সংস্কৃতি
খ. ধর্ম
গ. আঞ্চলিকতা
ঘ. রাজনীতি
উত্তরঃ ভাষা ও সংস্কৃতি
ব্যাখ্যাঃ

বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তিগুলো হলো:

  • ভাষা: বাংলা ভাষা বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি। ভাষাই বাঙালিদের একত্রিত করেছে এবং নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচিতি গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
  • সংস্কৃতি: হাজার বছরের সমৃদ্ধ বাঙালি সংস্কৃতি, যেমন সাহিত্য, সঙ্গীত, নৃত্য, রীতিনীতি, উৎসব ইত্যাদি বাঙালি জাতীয়তাবাদকে ধারণ ও বিকশিত করেছে।
  • ইতিহাস ও ঐতিহ্য: বাঙালির দীর্ঘ ইতিহাস, আন্দোলন, সংগ্রাম, এবং ঐতিহ্য তাদের মধ্যে এক অভিন্ন জাতিসত্তার জন্ম দিয়েছে।
  • ভূখণ্ড: একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলের (বঙ্গভূমি) প্রতি অনুরাগ এবং এই অঞ্চলের প্রতি একাত্মতাও বাঙালি জাতীয়তাবাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
  • অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন এবং পরবর্তীকালে পাকিস্তানি শোষণ থেকে মুক্তি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষাও বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
ক. ২ মার্চ ১৯৭০
খ. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
গ. ২৬ মার্চ ১৯৭১
ঘ. ২৩ মার্চ ১৯৭১
উত্তরঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
ব্যাখ্যাঃ

শেখ মুজিবুর রহমান 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন ১৯৬৯ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি

তত্কালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ এই উপাধি ঘোষণা করেন।

ক. তারামন বিবি ও ময়মুনা বিবি
খ. সিতারা বেগম ও ময়মুনা বিবি
গ. তারামন বিবি ও সিতারা বেগম
ঘ. ময়মুনা বিবি ও তারামন বিবি
উত্তরঃ তারামন বিবি ও সিতারা বেগম
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য যে দুই নারীকে 'বীরপ্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করা হয় তারা হলেন:

১. ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ২. তারামন বিবি

প্রশ্নঃ বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় কত সালে?

[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ১৯০৫ সালে
খ. ১৯১১ সালে
গ. ১৯০৬ সালে
ঘ. ১৯০৯ সালে
উত্তরঃ ১৯১১ সালে
ব্যাখ্যাঃ

বঙ্গভঙ্গ রদ হয়েছিল ১৯১১ সালের ১২ই ডিসেম্বর

১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাংলা ভাগ করার সিদ্ধান্তের (বঙ্গভঙ্গ) বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন ও বিক্ষোভের মুখে ব্রিটিশ সরকার এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। দিল্লির দরবারে ব্রিটিশ রাজা পঞ্চম জর্জ এই রদের ঘোষণা দেন। বঙ্গভঙ্গ রদের ফলে কলকাতা থেকে রাজধানী দিল্লিতে স্থানান্তরিত করা হয়।

ক. ১১ দফা
খ. ২১ দফা
গ. ৬ দফা
ঘ. 8 দফা
উত্তরঃ ৬ দফা
ব্যাখ্যাঃ

১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনকে বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা হিসেবে গণ্য করা হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঘোষিত এই ছয় দফা কর্মসূচিতে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য স্বায়ত্তশাসন ও অর্থনৈতিক মুক্তির দাবি করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত করে। তাই এটিকে বাঙালির অধিকার ও স্বাধীনতার মৌলিক সনদ হিসেবে দেখা হয়।

ক. জানুয়ারি মাসে
খ. ফেব্রুয়ারি মাসে
গ. জুলাই মাসে
ঘ. আগস্ট মাসে
উত্তরঃ ফেব্রুয়ারি মাসে

প্রশ্নঃ মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?

[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
খ. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
গ. তাজউদ্দিন আহমদ
ঘ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ক. ৩০ তম
খ. ৩২ তম
গ. ৩৩ তম
ঘ. ৩৪ তম
উত্তরঃ ৩০ তম
ক. সেলিনা হোসেন
খ. শামসুর রাহমান
গ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ঘ. ফকরুল আলম
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ক. ১নং
খ. ৩নং
গ. ২নং
ঘ. ১০নং
উত্তরঃ ২নং

প্রশ্নঃ আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করা হয়-

[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
খ. ৪২০ মার্চ ১৯৬৯
গ. ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭০
ঘ. ৫ ডিসেম্বর ১৯৯৮
উত্তরঃ ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯

প্রশ্নঃ মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?

[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
খ. তাজউদ্দিন আহম্মদ
গ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ঘ. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
উত্তরঃ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ক. ৭ জন
খ. ৬৮ জন
গ. ১৭৫ জন
ঘ. ৪২৬ জন
উত্তরঃ ৪২৬ জন
ক. যুক্তরাষ্ট্র
খ. যুক্তরাজ্য
গ. ফ্রান্স
ঘ. রাশিয়া
উত্তরঃ ফ্রান্স

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদের নাম কী?

[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. বঙ্গ
খ. পুণ্ড্রবর্ধন
গ. গৌড়
ঘ. সমতট
উত্তরঃ পুণ্ড্রবর্ধন
ক. ২০১৯-২০ সালকে
খ. ২০২০-২১ সালকে
গ. ২০২১-২২ সালকে
ঘ. ২০২২-২৩ সালকে
উত্তরঃ ২০২০-২১ সালকে
ক. ফ্রিডম পদক
খ. ম্যাগসেসে পদক
গ. জওহরলাল নেহেরু পদক
ঘ. জুলিও কুরি পদক
উত্তরঃ জুলিও কুরি পদক

প্রশ্নঃ প্রাচীন 'চন্দ্রদ্বীপ'- এর বর্তমান নাম কি?

[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. মালদ্বীপ
খ. হাতিয়া
গ. বরিশাল
ঘ. সন্দ্বীপ
উত্তরঃ বরিশাল
ক. ৪টি
খ. ৫টি
গ. ৬টি
ঘ. ২টি
উত্তরঃ ৪টি
ক. ১৯৭২
খ. ১৯৭৩
গ. ১৯৭৪
ঘ. ১৯৭৫
উত্তরঃ ১৯৭৪
ক. শেখ মুজিবুর রহমান
খ. তাজউদ্দীন আহমদ
গ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ঘ. আতাইর রহমান
উত্তরঃ তাজউদ্দীন আহমদ
ক. ১২৬০ ডলার
খ. ১৩১৪ ডলার
গ. ১৩৬০ ডলার
ঘ. ১৩২০ ডলার
উত্তরঃ ১৩১৪ ডলার

প্রশ্নঃ বাংলায় "ছিয়াত্তরের মন্বন্তর" এর সময়কাল:

[ ১৪তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
খ. ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ
গ. ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ
ঘ. ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দ
উত্তরঃ ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ

প্রশ্নঃ "অসমাপ্ত আত্মজীবনী" গ্রন্থটি কার রচনা?

[ ১৪তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. তাজউদ্দীন আহমেদ
খ. শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হক
গ. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
ঘ. বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান

প্রশ্নঃ যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার ১ম দফাটি ছিল-

[ ১৪তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা
খ. পাটকল জাতীয়করণ করা
গ. চাকরিতে সকলের সমান অধিকার নিশ্চিত করা
ঘ. পূর্ব পাকিস্তানের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা
উত্তরঃ বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা

প্রশ্নঃ বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?

[ ১২তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ১৯৬০ সালে
খ. ১৯৫২ সালে
গ. ১৯৫৫ সালে
ঘ. ১৯৫৪ সালে
উত্তরঃ ১৯৫৫ সালে

প্রশ্নঃ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?

[ ১২তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. হামিদুর রহমান
খ. শামীম শিকদার
গ. আমিনুল ইসলাম
ঘ. নিতুন কুন্ডু
উত্তরঃ হামিদুর রহমান

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি কয়টি?

[ ১২তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ২ টি
খ. ৪ টি
গ. ৪৩টি
ঘ. ৬ টি
উত্তরঃ ৪ টি
ক. ১৪৮ টি
খ. ১৫০ টি
গ. ১৫২ টি
ঘ. ১৫৩ টি
উত্তরঃ ১৫৩ টি
ক. ৫টি
খ. ১২ টি
গ. ৪ টি
ঘ. ৮টি
উত্তরঃ ৪ টি
ক. ১৬৮ টি
খ. ১৬৯ টি
গ. ১৭০ টি
ঘ. ১৬৭ টি
উত্তরঃ ১৬৯ টি
ক. শেরে বাংলা এ, কে, ফজলুল হক
খ. প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন
গ. মুঘল সম্রাট আকবর
ঘ. প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ
উত্তরঃ মুঘল সম্রাট আকবর

প্রশ্নঃ বঙ্গভঙ্গ রদ হয় কোন সালে?

[ ১২তম শি. (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. ১৯০৫ সালে
খ. ১৯১১ সালে
গ. ১৯০৬ সালে
ঘ. ১৯৪০ সালে
উত্তরঃ ১৯১১ সালে
ক. পাল বংশ
খ. সেন বংশ
গ. সুলতান বংশ
ঘ. উপরের কোনটিই নয়
উত্তরঃ পাল বংশ

প্রশ্নঃ সতীদাহ প্রথা কত সালে বিলুপ্ত হয়?

[ ১১তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ১৭২৯ সালে
খ. ১৮২৯ সালে
গ. ১৬২৯ সালে
ঘ. ১৮২৮ সালে
উত্তরঃ ১৮২৯ সালে

প্রশ্নঃ ওয়ারী বটেশ্বর কোথায় অবস্থিত?

[ ১১তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. বগুড়া
খ. চট্টগ্রাম
গ. নরসিংদী
ঘ. ঝিনাইদহ
উত্তরঃ নরসিংদী
ক. আলতাফ মাহমুদ
খ. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
গ. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
ঘ. আলাউদ্দীন আলী
উত্তরঃ আব্দুল গাফফার চৌধুরী

প্রশ্নঃ বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেন কে?

[ ১৩তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. সম্রাট আকবর
খ. আবুল ফজল
গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
উত্তরঃ সম্রাট আকবর
ক. ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯
খ. ১৮ নভেম্বর ১৯৯৯
গ. ১৯ নভেম্বর ১৯৯৯
ঘ. ২০ নভেম্বর ১৯৯৯
উত্তরঃ ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯
ক. ভারত
খ. ভূটান
গ. মালয়েশিয়া
ঘ. সেনেগাল
উত্তরঃ ভারত
ক. ৯:৬
খ. ১১:৭
গ. ১০:৬
ঘ. ৮:৬
উত্তরঃ ১০:৬

প্রশ্নঃ জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি কে?

[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. মাজহারুল হক
খ. লুই আইক্যান
গ. এফ. আর. খান
ঘ. নভেরা আহম্মদ
উত্তরঃ লুই আইক্যান

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার কে?

[ ৯ম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. কামরুল হাসান
খ. মূর্তজা বশীর
গ. কাইয়ুম চৌধুরী
ঘ. রফিকুন্নবী
উত্তরঃ কামরুল হাসান
ক. ভারত
খ. ভুটান
গ. মালয়েশিয়া
ঘ. সেনেগাল
উত্তরঃ ভারত

প্রশ্নঃ চট্টগ্রামের নাম 'ইসলামবাদ' কে রাখেন?

[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. ইসলাম খান
খ. ঈশা খাঁ
গ. শায়েস্তা খান
ঘ. মীর জুমলা
উত্তরঃ শায়েস্তা খান

প্রশ্নঃ জাতীয় স্মৃতিসৌধে কয়টি ফলক আছে?

[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. ৫টি
খ. ৬টি
গ. ৭টি
ঘ. ৯টি
উত্তরঃ ৭টি
ক. মুক্তিযুদ্ধ
খ. ভাষা আন্দোলন
গ. গণঅভ্যুত্থান
ঘ. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
উত্তরঃ ভাষা আন্দোলন
ক. প্রধানমন্ত্রী
খ. স্পীকার
গ. রাষ্ট্রপতি
ঘ. প্রধান বিচারপতি
উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি
ক. শায়েস্তা খান
খ. ইসলাম খান
গ. ইব্রাহিম খান
ঘ. আলীবর্দি খান
উত্তরঃ ইসলাম খান

প্রশ্নঃ জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

[ ৬ষ্ঠ শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. হামিদুর রহমান
খ. মৃনাল হক
গ. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
ঘ. শামীম সিকদার
উত্তরঃ সৈয়দ মাইনুল হোসেন

প্রশ্নঃ ঢাকা কখন সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী হয়েছিল?

[ ৬ষ্ঠ শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ১৬১০ সালে
খ. ১৫১০ সালে
গ. ০১৭১০ সালে
ঘ. ১৮১০ সালে
উত্তরঃ ১৬১০ সালে
ক. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
খ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
গ. ৭ মার্চ, ১৯৭২
ঘ. ৭ মার্চ, ১৯৭৩
উত্তরঃ ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ক. আকবর
খ. ইলিয়াস শাহ
গ. লক্ষণ সেন
ঘ. বিজয় সেন
উত্তরঃ আকবর
ক. জয়নুল আবেদীন
খ. হাসেম খান
গ. হামিদুর রহমান
ঘ. কামরুল হাসান
উত্তরঃ কামরুল হাসান
ক. ৫৭ জন
খ. ৬০ জন
গ. ৬২ জন
ঘ. ৬৫ জন
উত্তরঃ ৬০ জন
ক. ইসলাম খান
খ. মীর জুমলা
গ. রাজা মানসিংহ
ঘ. শায়েস্তা খান
উত্তরঃ শায়েস্তা খান
ক. সোনারগাঁ
খ. পাহাড়পুর
গ. মহাস্থানগড়
ঘ. ময়নামতি
উত্তরঃ মহাস্থানগড়
ক. সম্রাট আকবর
খ. শাহজাদা আযম
গ. ঈশা খান
ঘ. সুবেদার ইসলাম খান
উত্তরঃ ঈশা খান

প্রশ্নঃ লালবাগ কেল্লার আদি নাম---

[ প্রা. প্র. শি. নি.৯-১০-২০১২ ]

ক. পরীবিবির দুর্গ
খ. আজম দুর্গ
গ. আওরঙ্গবাদ দুর্গ
ঘ. শায়েস্তা খান দুর্গ
উত্তরঃ আওরঙ্গবাদ দুর্গ
ক. মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ
খ. শাহ আবদুল হামিদ
গ. মোহাম্মদ উল্লাহ
ঘ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তরঃ মোহাম্মদ উল্লাহ
ক. জয়নুল আবেদিন
খ. হামিদুর রহমান
গ. এস এম সুলতান
ঘ. কামরুল হাসান
উত্তরঃ হামিদুর রহমান
ক. ১৭৭০ সালে
খ. ১৭৭৬ সালে
গ. ১৭৭৭ সালে
ঘ. ১৭৭৮ সালে
উত্তরঃ ১৭৭০ সালে
ক. ৯ ডিসেম্বর
খ. ১০ ডিসেম্বর
গ. ১২ ডিসেম্বর
ঘ. ১৪ ডিসেম্বর
উত্তরঃ ১৪ ডিসেম্বর
ক. সম্রাট আকবর
খ. সম্রাট বাবর
গ. ইলিয়াস শাহ
ঘ. বিজয় সেন
উত্তরঃ সম্রাট আকবর

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়-

[ প্রা. প্র. শি. নি. ০৮-০৯-২০০৯ | প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০১-২০১০ ]

ক. ২ মার্চ, ১৯৭১
খ. ৭ মার্চ, ১৯৭১
গ. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
ঘ. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তরঃ ২ মার্চ, ১৯৭১
ক. স্বাধীনতা সংগ্রাম
খ. ভাষা আন্দোলন
গ. গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
ঘ. শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা
উত্তরঃ ভাষা আন্দোলন
ক. ২৭
খ. ২৫
গ. ৩৫
ঘ. ৩২
উত্তরঃ ২৫
ক. ৭ ফাল্গুন
খ. ৮ ফাল্গুন
গ. ৯ ফাল্গুন
ঘ. ১০ ফাল্গুন
উত্তরঃ ৮ ফাল্গুন
ক. জয়দেবপুর
খ. রাজশাহী
গ. সাভার
ঘ. মেহের পুর
উত্তরঃ জয়দেবপুর

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা কোনটি?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]

ক. তেঁতুলিয়া
খ. পঞ্চগড়
গ. দিনাজপুর
ঘ. টেকনাফ
উত্তরঃ পঞ্চগড়
ক. ১১ দফা
খ. ২১ দফা
গ. ৬ দফা
ঘ. ৪ দফা
উত্তরঃ ৬ দফা
ক. প্রধানমন্ত্রীর
খ. স্পিকারের
গ. সচিবের
ঘ. রাষ্ট্রপতির
উত্তরঃ রাষ্ট্রপতির
ক. শিল্পী কামরুল হাসান
খ. শিল্পী আব্দুর রউফ
গ. আনোয়ারুল হক
ঘ. শফি উদ্দিন আহম্মেদ
উত্তরঃ শিল্পী আব্দুর রউফ
ক. জয়নুল আবেদীন
খ. কাইয়ুম চৌধুরী
গ. মৃণাল হক
ঘ. কামরুল হাসান
উত্তরঃ কামরুল হাসান

প্রশ্নঃ জাতীয় 'স্মৃতিসৌধ' এর স্থপতি কে?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]

ক. মাঈনুল হোসেন
খ. হামিদুর রহমান
গ. শামীম সিকদার
ঘ. নিতুন কুন্ডু
উত্তরঃ মাঈনুল হোসেন
ক. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
খ. ২ মার্চ, ১৯৭২
গ. ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
ঘ. ২৬ মার্চ, ১৯৭২
উত্তরঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
ক. বিচারপতি এম. ইদ্রিস
খ. বিচারপতি এ.কে.এম. নুরুল ইসলাম
গ. বিচারপতি এ.টি.এম.মাসুদ
ঘ. মোহাম্মদ আবু হেনা
উত্তরঃ বিচারপতি এম. ইদ্রিস
ক. আতাউল করিম
খ. বিমান মল্লিক
গ. কামরুল হাসান
ঘ. আব্দুল্লাহ খালিদ
উত্তরঃ বিমান মল্লিক
ক. মুলধন জাতীয় প্রাপ্তি
খ. মূলধন জাতীয় আয়
গ. মূলধন জাতীয় মোট আয়
ঘ. মুনাফা জাতীয় আয়
উত্তরঃ মূলধন জাতীয় আয়
ক. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
খ. মুজিব নগর স্মৃতিসৌধ
গ. তিন নেতার মাজার
ঘ. সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ
উত্তরঃ সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ
ক. 36 নং অনুচ্ছেদ
খ. 30 নং অনুচ্ছেদ
গ. 37 নং অনুচ্ছেদ
ঘ. 31 অনুচ্ছেদ
উত্তরঃ 36 নং অনুচ্ছেদ

প্রশ্নঃ শহীদ মিনারের স্থপতি কে?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১০-১০-২০০৮ ]

ক. হামিদুর রহমান
খ. মঈনুল আহসান
গ. নিতুন কুন্ডু
ঘ. কামরুল হাসান
উত্তরঃ হামিদুর রহমান
ক. নেলমন ম্যান্ডেলা
খ. বিল ক্লিনটন
গ. ড. মাহাথির মোহাম্মদ
ঘ. মার্শাল জোসেফ টিটো
উত্তরঃ মার্শাল জোসেফ টিটো
ক. বীর বিক্রম
খ. বীর উত্তম
গ. বীর প্রতীক
ঘ. বীরশ্রেষ্ঠ
উত্তরঃ বীর প্রতীক
ক. ১৯৭৬ সালে
খ. ১৯৭৩ সালে
গ. ১৯৭৫ সালে
ঘ. ১৯৮২ সালে
উত্তরঃ ১৯৭৫ সালে

প্রশ্নঃ The sentence with correct punctuation-

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১০-১০-২০০৮ ]

ক. Maria my student is on leave today
খ. Maria my student is on leave, today
গ. Maria my student, is on leave today
ঘ. Maria, my student, is on leave today
উত্তরঃ Maria, my student, is on leave today
ক. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
খ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
গ. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
ঘ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৩
উত্তরঃ ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ কয়টি?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]

ক. ১৫১ টি
খ. ১৫৩ টি
গ. ১৫৬ টি
ঘ. ১৬২ টি
উত্তরঃ ১৫৩ টি
ক. ৫ এপ্রিল ১৯৯১
খ. ১৩ এপ্রিল ১৯৯১
গ. ২৩ এপ্রিল ১৯৯১
ঘ. ৩০ এপ্রিল ১৯৯১
উত্তরঃ ৫ এপ্রিল ১৯৯১
ক. ১৯৭২ সালে
খ. ১৯৭৩ সালে
গ. ১৯৭৪ সালে
ঘ. ১৯৭৫ সালে
উত্তরঃ ১৯৭৩ সালে

প্রশ্নঃ রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ কোথায় নিহিত?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]

ক. কর্মসূচিতে
খ. নির্বাচনে
গ. সরকারে
ঘ. চিন্তা-চেতনায়
উত্তরঃ কর্মসূচিতে
ক. ৭ জানুয়ারী ১৯৮৮
খ. ৭ জুন ১৯৮৮
গ. ২৮ ফেব্রুয়ারি
ঘ. ১ জুলাই ১৯৯৫
উত্তরঃ ৭ জুন ১৯৮৮
ক. এগার দফা
খ. একুশ দফা
গ. ছয় দফা
ঘ. আঠার দফা
উত্তরঃ এগার দফা
ক. লালবাগে
খ. পল্টন ময়দানে
গ. ওসমানী উদ্যানে
ঘ. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
উত্তরঃ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
ক. আদর্শের
খ. নির্দেশের
গ. নীতিমালার
ঘ. ঐক্যের
উত্তরঃ নীতিমালার
ক. প্রথম ১২ চরণ
খ. প্রথম ৪ চরণ
গ. প্রথম ১০ চরণ
ঘ. প্রথম ১৯ চরণ
উত্তরঃ প্রথম ১০ চরণ
ক. সাঁওতাল বিদ্রোহ
খ. নীল বিদ্রোহ
গ. সিপাহী বিদ্রোহ
ঘ. ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
উত্তরঃ ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
ক. ভিনসেন্ট ভ্যানগগ
খ. পাবলো পিকাসো
গ. কামরুল হাসান
ঘ. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
উত্তরঃ কামরুল হাসান
ক. নভেম্বর ৪, ১৯৭২
খ. জানুয়ারি ০১, ১৯৭২
গ. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১
ঘ. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২
উত্তরঃ ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২
ক. বাংলা ১২৭৬ সালে
খ. বাংলা ১০৭৬ সালে
গ. বাংলা ১১৭৬ সালে
ঘ. বাংলা ১৯৬৬ সালে
উত্তরঃ বাংলা ১১৭৬ সালে
ক. পাঁচ কোটি বছর আগে
খ. তিন কোটি বছর আগে
গ. দুইশত বছর আগে
ঘ. আড়াই হাজার বছর আগে
উত্তরঃ আড়াই হাজার বছর আগে
ক. নিরাপত্তা পরিষদে
খ. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে
গ. অছি পরিষদে
ঘ. সাধারণ পরিষদে
উত্তরঃ সাধারণ পরিষদে

প্রশ্নঃ `বার ভূঁইয়া` কাদের বলা হতো?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৩-০৬-২০১৯ ]

ক. মোগল আমলের ১২ জন সেনাপতিকে
খ. উপরে উল্লেখিত সকলকে
গ. বৃটিশ যুগের শক্তিশালী যোদ্ধাদের
ঘ. বড় বড় স্বাধীন জমিদার
উত্তরঃ বড় বড় স্বাধীন জমিদার
ক. আমার জীবনী
খ. সংগ্রাম
গ. অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ঘ. আমার বাংলাদেশ
উত্তরঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ক. আকবর, হুমায়ুন ও জাহাঙ্গীর
খ. ইলিয়াস শাহ, তুঘলক ও জালালউদ্দিন
গ. ধর্মপাল ও গোপাল
ঘ. গোচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব
উত্তরঃ গোচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব
ক. ১৯৯২ সালের ১৭ মার্চ
খ. ১৯৯০ সালের ২৫ মার্চ
গ. ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ
ঘ. ১৯৯৫ সালের ৭ মার্চ
উত্তরঃ ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ
ক. ১৯৬৫ সালের ২৩ জুন
খ. ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি
গ. ১৯৫২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর
ঘ. ১৯৪৮ সালের ২৩ জুন
উত্তরঃ ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি
ক. চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার
খ. দিনাজপুর ও রংপুর
গ. কুমিল্লা ও নোয়াখালী
ঘ. রাজশাহী ও বগুড়া
উত্তরঃ কুমিল্লা ও নোয়াখালী
ক. পাকিস্তান বিমানবাহিনী
খ. ভারত সেনাবাহিনী
গ. পাক-ভারত বাহিনী
ঘ. পাকিস্তান সেনাবাহিনী
উত্তরঃ পাকিস্তান সেনাবাহিনী
ক. ২৯৮ টি
খ. ২৮০ টি
গ. ২২৩ টি
ঘ. ১৭১ টি
উত্তরঃ ২২৩ টি
ক. এম এ আজিজ
খ. আবু হেনা মোস্তফা কামাল
গ. এম আর আখতার মুকুল
ঘ. বেলাল মোহাম্মদ
উত্তরঃ এম আর আখতার মুকুল
ক. জেনারেল টিক্কা খান
খ. জেনারেল রাও ফরমান আলী
গ. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
ঘ. জেনারেল জিয়াউল রহমান
উত্তরঃ জেনারেল রাও ফরমান আলী
ক. তারেক মাসুদ
খ. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
গ. নাসির উদ্দিন ইউসুফ
ঘ. মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
উত্তরঃ আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
ক. ক্যাপ্টেন
খ. সিপাহী
গ. ল্যান্স নায়েক
ঘ. লেফটেন্যান্ট
উত্তরঃ সিপাহী
ক. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
খ. এম আর আখতার মুকুল
গ. আব্দুল হান্নান
ঘ. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
উত্তরঃ এম আর আখতার মুকুল
ক. তাজউদ্দীন আহমেদ
খ. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
গ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ঘ. এ এইচ এম কামারুজ্জামান
উত্তরঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ক. সিপাহী হামিদুর রহমান
খ. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
গ. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
ঘ. সিপাহী মোস্তাফা কামাল
উত্তরঃ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
ক. ১৬ ডিসেম্বর
খ. ২৫ মার্চ
গ. ২৬ মার্চ
ঘ. ১০ এপ্রিল
উত্তরঃ ১০ এপ্রিল
ক. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
খ. হাশেম খান
গ. রফিকুন্নবী
ঘ. কামরুল হাসান
উত্তরঃ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
ক. বীর উত্তম
খ. বীর প্রতীক
গ. বীর বিক্রম
ঘ. বীরশ্রেষ্ঠ
উত্তরঃ বীর উত্তম
ক. বীর উত্তম
খ. বীর প্রতীক
গ. বীরশ্রেষ্ঠ
ঘ. বীর বিক্রম
উত্তরঃ বীরশ্রেষ্ঠ
ক. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
খ. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
গ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ঘ. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
উত্তরঃ ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ক. ১১ টি
খ. ৮টি
গ. ৭ টি
ঘ. ১০ টি
উত্তরঃ ১১ টি
ক. সেতারা বেগম
খ. জাহানারা বেগম
গ. নীলিমা ইব্রাহিম
ঘ. বেগম সুফিয়া কামাল
উত্তরঃ সেতারা বেগম
ক. মৌর্য
খ. পুরু
গ. গৌড়
ঘ. রাঢ়
উত্তরঃ মৌর্য
ক. রাজা শশাঙ্ক
খ. গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ
গ. ফকরুদ্দীন মোবারক
ঘ. লক্ষণ সেন
উত্তরঃ রাজা শশাঙ্ক
ক. ১১ নং সেক্টর
খ. ৪১ নং সেক্টর
গ. ১০ সেক্টর
ঘ. ০৯ সেক্টর
উত্তরঃ ১০ সেক্টর

প্রশ্নঃ নিম্নোক্তগনের মধ্যে কে শ্রেষ্ঠ নন?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০৪-২০১৮ ]

ক. হামিদুর রহমান
খ. মোস্তাফা কামাল
গ. মুন্সী আবদুর রহিম
ঘ. নূর মোহাম্মদ শেখ
উত্তরঃ মুন্সী আবদুর রহিম
ক. স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সংগ্রামের ঘোষণা
খ. পুনরায় নির্বাচন দাবি
গ. সামরিক আইন জারি করা
ঘ. অনশন ধর্মঘট আহবান
উত্তরঃ স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সংগ্রামের ঘোষণা

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৯-১০-২০১৬ ]

ক. এএইচ এম কামারুজ্জামান
খ. তাজউদ্দীন আহমদ
গ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ঘ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ক. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
খ. শিশুপার্ক
গ. লালদিঘী ময়দান
ঘ. রমনা পার্ক
উত্তরঃ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
ক. রাওয়ালপিন্ডিতে
খ. করাচিতে
গ. ঢাকায়
ঘ. লাহোরে
উত্তরঃ লাহোরে
ক. মেজর এম আবদুল জলিল
খ. উইং কমান্ডার এম কে বাশার
গ. মেজর কাজী নুরুজ্জামান
ঘ. মেজর কে এম শফিউল্লাহ
উত্তরঃ উইং কমান্ডার এম কে বাশার

প্রশ্নঃ প্রাচীন পুন্ড্রনগর কোথায়?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২১-০৪-২০১৪ ]

ক. ময়নামতি
খ. বিক্রমপুর
গ. মহাস্থানগড়
ঘ. পাহাড়পুর
উত্তরঃ মহাস্থানগড়
ক. ১০৭৬
খ. ১১৭৬
গ. ১২৭৬
ঘ. ১৩৭৬
উত্তরঃ ১১৭৬
ক. একুশে ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলন
খ. ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ
গ. ব্রিটিম বিরোধী আন্দোলন
ঘ. এর কোনোটিই নয়
উত্তরঃ একুশে ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলন

প্রশ্নঃ সতীদাহ প্রথা কবে রহিত হয়?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-১১-২০১৩ ]

ক. ১৮২৯
খ. ১৮১৯
গ. ১৮৩৯
ঘ. ১৮৪৯
উত্তরঃ ১৮২৯
ক. বাবর
খ. হুমায়ূন
গ. আকবর
ঘ. জাহাঙ্গীর
উত্তরঃ হুমায়ূন
ক. ৬০ জন
খ. ৬৮ জন
গ. ৭২ জন
ঘ. ৭৮ জন
উত্তরঃ ৬৮ জন
ক. ১নং
খ. ২নং
গ. ৩নং
ঘ. ৪নং
উত্তরঃ ২নং

প্রশ্নঃ লালবাগ কেল্লার আদি নাম-

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-১১-২০১৩ ]

ক. আওরঙ্গবাদ দুর্গ
খ. আজম দুর্গ
গ. শায়েস্তাখান দুর্গ
ঘ. পরীবিবির দুর্গ
উত্তরঃ আওরঙ্গবাদ দুর্গ
ক. জাহাঙ্গীর
খ. শাহজাহান
গ. হুমায়ূন
ঘ. আওরঙ্গজেব
উত্তরঃ হুমায়ূন

প্রশ্নঃ সতীদাহ প্রথা রহিত হয় কোন সালে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-১১-২০১৩ ]

ক. ১৮২৯ সালে
খ. ১৮৩০ সালে
গ. ১৮৩১ সালে
ঘ. ১৮৩৯ সালে
উত্তরঃ ১৮২৯ সালে
ক. ২১ ফেব্রুয়ারি
খ. ২৩ ফেব্রুয়ারি
গ. ২৪ ফেব্রুয়ারি
ঘ. ২২ ফেব্রুয়ারি
উত্তরঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি

প্রশ্নঃ “অপারেজেয় বাংলা” কী?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৯-১১-২০১৩ ]

ক. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রকর্ম
খ. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য
গ. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ম্যুরালচিত্র
ঘ. একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক স্থাপনা
উত্তরঃ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য
ক. ৮টি
খ. ৯টি
গ. ১১টি
ঘ. ১২টি
উত্তরঃ ১১টি
ক. ইব্রাহীম খাঁন
খ. ইসলাম খাঁন
গ. শায়েস্তা খাঁন
ঘ. মীর জুমলা
উত্তরঃ ইসলাম খাঁন
ক. ১০ মার্চ
খ. ২ মার্চ
গ. ২৫ মার্চ
ঘ. ২৩ মার্চ
উত্তরঃ ২ মার্চ

প্রশ্নঃ 'বীরশ্রেষ্ঠ' পদকপ্রাপ্তদের সংখ্যা কত?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-০৪-২০১৩ ]

ক. সাত
খ. আট
গ. পাঁচ
ঘ. ছয়
উত্তরঃ সাত
ক. চার নম্বর সেক্টর
খ. তিন নম্বর সেক্টর
গ. দুই নম্বর সেক্টর
ঘ. এক নম্বর সেক্টর
উত্তরঃ দুই নম্বর সেক্টর
ক. এগার
খ. দশ
গ. আট
ঘ. পনের
উত্তরঃ এগার
ক. ইসলাম খান
খ. রাজা মানসিংহ
গ. শায়েস্তা খান
ঘ. মীর জুমলা
উত্তরঃ শায়েস্তা খান

প্রশ্নঃ পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের নির্মাতা কে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-০৪-২০১৩ ]

ক. ধর্মপাল
খ. রামপাল
গ. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
ঘ. আমিশর
উত্তরঃ ধর্মপাল
ক. ৬০ জন
খ. ৬২ জন
গ. ৬৪ জন
ঘ. ৬৮ জন
উত্তরঃ ৬৮ জন
ক. মহাস্থানগড়
খ. ময়নামতী
গ. বিক্রমপুর
ঘ. পাহাড়পুর
উত্তরঃ মহাস্থানগড়
ক. মীর জুমলা
খ. ইলিয়াস শাহ
গ. শায়েস্তা খান
ঘ. ইসলাম খান
উত্তরঃ শায়েস্তা খান

প্রশ্নঃ লালবাগ শাহী মসজিদটি কে নির্মাণ করেন?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-০৪-২০১৩ ]

ক. ইলিয়াস শাহ
খ. শায়েস্তা খান
গ. যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
ঘ. ইসলাম খান
উত্তরঃ যুবরাজ মোহাম্মদ আযম

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা হয়েছিল কবে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-০৪-২০১৩ | প্রা. বি. স. শি. নি. ৩১-১০-২০০৮ ]

ক. ২৬ মার্চ ১৯৭১
খ. ১১ এপ্রিল ১৯৭১
গ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
ঘ. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
উত্তরঃ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১

প্রশ্নঃ ষাটগম্বুজ মসজিদটির নির্মাতা কে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১০-০৪-২০১৩ ]

ক. খান জাহান আলী
খ. ইঁসা খা
গ. শায়েস্তা খান
ঘ. যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
উত্তরঃ খান জাহান আলী

প্রশ্নঃ সুন্দরবনের পূর্বে কোন নদী অবস্থিত?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৯-০৪-২০১৩ ]

ক. রায়মঙ্গল
খ. বলেশ্বর
গ. মাতামুহুরী
ঘ. রূপসা
উত্তরঃ বলেশ্বর

প্রশ্নঃ `আনন্দবিহার` কোথায় অবস্থিত?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৯-০৪-২০১৩ ]

ক. ঢাকার মালিবাগে
খ. কুমিল্লার ময়নামতীতে
গ. দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে
ঘ. চট্টগ্রামের রাউজানে
উত্তরঃ কুমিল্লার ময়নামতীতে
ক. শায়েস্তা খান
খ. মুর্শিদকুলি খান
গ. সুবাদার ইসলাম খান
ঘ. যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
উত্তরঃ যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
ক. বাদশা আকবর
খ. বিজয় সেন
গ. লক্ষ্মণ সেন
ঘ. ইলিয়াস শাহ
উত্তরঃ বাদশা আকবর
ক. ১৯৯৮ সালে
খ. ২০০০ সালে
গ. ২০০১ সালে
ঘ. ২০০২ সালে
উত্তরঃ ২০০১ সালে

প্রশ্নঃ মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৮-০৪-২০১৩ ]

ক. জামালপুরে
খ. ঢাকার মালিবাগে
গ. চট্টগ্রামের রাউজানে
ঘ. দিনাজপুর ফুলবাড়িতে
উত্তরঃ চট্টগ্রামের রাউজানে

প্রশ্নঃ বিবি পরি কে ছিলেন?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৮-০৪-২০১৩ ]

ক. আওরঙ্গজেবের কন্যা
খ. শায়েস্তা খানের কন্যা
গ. আজিমুসশানের কন্যা
ঘ. মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
উত্তরঃ শায়েস্তা খানের কন্যা
ক. কাসিম খান
খ. শায়েস্তা খান
গ. ইসলাম খান
ঘ. মুর্শিদকুলী খান
উত্তরঃ শায়েস্তা খান

প্রশ্নঃ জাতীয় স্মৃতিসৌধটি কবে উদ্বোধন করা হয়?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৮-০৪-২০১৩ ]

ক. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
খ. ১৯৮৩ সালের ২৬ মার্চ
গ. ১৯৮১ সালের ২৬ মার্চ
ঘ. ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
উত্তরঃ ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
ক. চতুর্দশ
খ. সপ্তদশ
গ. অষ্টাদশ
ঘ. ত্রয়োদশ
উত্তরঃ চতুর্দশ
ক. ১৯৪৮ সালে
খ. ১৯৫২ সালে
গ. ১৯৬৯ সালে
ঘ. ১৯৭১ সালে
উত্তরঃ ১৯৬৯ সালে
ক. ১৯৫২ সালে
খ. ১৯৫৪ সালে
গ. ১৯৫৬ সালে
ঘ. ১৯৫৭ সালে
উত্তরঃ ১৯৫৪ সালে
ক. হুসেন শাহ
খ. সম্রাট জাহাঙ্গীর
গ. রাজা টোডরমল
ঘ. ইংরেজরা
উত্তরঃ রাজা টোডরমল

প্রশ্নঃ আসাদ কবে শহীদ হন?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৮-০২-২০১২ ]

ক. ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি
খ. ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
গ. ১৯৬৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
ঘ. ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি
উত্তরঃ ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি
ক. ১০ দফা
খ. ১৬ দফা
গ. ২১ দফা
ঘ. ২৬ দফা
উত্তরঃ ২১ দফা
ক. ১৯৫৫ সালে
খ. ১৯৫৬ সালে
গ. ১৯৫৩ সালে
ঘ. ১৯৫৪ সালে
উত্তরঃ ১৯৫৩ সালে
ক. ২৫০ টি
খ. ২৭৫টি
গ. ৩০০টি
ঘ. ৩০৯টি
উত্তরঃ ৩০৯টি
ক. পুণ্ড্র নগর
খ. রামাবতী
গ. কর্ণ সুবর্ণ
ঘ. মহাস্থান
উত্তরঃ পুণ্ড্র নগর
ক. শ্রী বিহার
খ. সোমপুর বিহার
গ. ধর্মপাল বিহার
ঘ. জগদ্দল বিহার
উত্তরঃ সোমপুর বিহার
ক. ফকির মজনু শাহ
খ. তিতুমীর
গ. দুদু মিয়া
ঘ. মীর কাশিম
উত্তরঃ তিতুমীর
ক. বগুড়া
খ. কুমিল্লা
গ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ঘ. রাজশাহী
উত্তরঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ক. অশোক
খ. শের শাহ
গ. আকবর
ঘ. মুহম্মদ বিন তুঘলক
উত্তরঃ শের শাহ
ক. এ কে ফজলুল হক
খ. ইস্কান্দার মীর্জা
গ. খাজা নাজীমউদ্দীন
ঘ. মুহাম্মদ আলী
উত্তরঃ এ কে ফজলুল হক
ক. দুইবার
খ. একবার
গ. তিনবার
ঘ. চারবার
উত্তরঃ চারবার
ক. কামরুল হাসান
খ. মৃণাল হক
গ. সৈয়দ মঈনুল হোসেন
ঘ. রফিকুন নবী
উত্তরঃ সৈয়দ মঈনুল হোসেন

প্রশ্নঃ সুবাদার ইসলাম খান ঢাকার নাম রাখেন -

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০২-২০১২ ]

ক. জাহাঙ্গীরনগর
খ. জান্নাতাবাদ
গ. ইসলামাবাদ
ঘ. নাসিরাবাদ
উত্তরঃ জাহাঙ্গীরনগর
ক. ৫ জন
খ. ১০ জন
গ. ৮ জন
ঘ. ৭ জন
উত্তরঃ ৭ জন
ক. ১৮৫৭ সালে
খ. ১৮০৩ সালে
গ. ১৭৫৭ সালে
ঘ. ১৭৫৫ সালে
উত্তরঃ ১৭৫৭ সালে
ক. হুমায়ুন
খ. জাহাঙ্গীর
গ. শাহজাহান
ঘ. আওরঙ্গজেব
উত্তরঃ হুমায়ুন
ক. সম্রাট বাবর
খ. হুমায়ুন
গ. মোহাম্মদ ঘোরী
ঘ. আলেকজান্ডার
উত্তরঃ সম্রাট বাবর
ক. ক্যাপ্টেন
খ. লেফটেন্যান্ট
গ. ল্যান্স নায়েক
ঘ. সিপাহী
উত্তরঃ ল্যান্স নায়েক

প্রশ্নঃ মুজিবনগর কোথায় অবস্থিত?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১০-০৮-২০১০ ]

ক. মেহেরপুর
খ. চুয়াডাঙ্গা
গ. সিরাজগঞ্জ
ঘ. নবাবগঞ্জ
উত্তরঃ মেহেরপুর
ক. কালুরঘাট, চট্টগ্রাম
খ. শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
গ. মুজিবনগর, মেহেরপুর
ঘ. নাটোর, রাজশাহী
উত্তরঃ কালুরঘাট, চট্টগ্রাম

প্রশ্নঃ সাত গম্বুজ মসজিদটির নির্মাতা -

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ ]

ক. সুবেদার ইসলাম খান
খ. মীরজুমলা
গ. মুরশীদ কুলী খান
ঘ. শায়েস্তা খান
উত্তরঃ শায়েস্তা খান

প্রশ্নঃ নোয়াখালীর পূর্ব নাম -

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ ]

ক. নাসিরাবাদ
খ. পূর্বাশা
গ. সুধারাম
ঘ. সুবর্ণগ্রাম
উত্তরঃ সুধারাম

প্রশ্নঃ ঢাকার ছোট কাটরা নির্মাণ করেন -

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ ]

ক. ইসলাম খান
খ. মীর জুমলা
গ. শায়েস্তা খান
ঘ. শাহজাদা আযম
উত্তরঃ শায়েস্তা খান
ক. কুমিল্লার ময়নামতি
খ. রাজশাহীর পাহাড়পুর
গ. বগুড়ার মহাস্থানগড়
ঘ. নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও
উত্তরঃ বগুড়ার মহাস্থানগড়
ক. ১
খ. ২
গ. ৭
ঘ. ৪
উত্তরঃ ২
ক. নবাব সলিমুল্লাহ
খ. মির্জা আহমেদ খান
গ. মির্জা গোলাম পীর
ঘ. শায়েস্তা খান
উত্তরঃ মির্জা গোলাম পীর
ক. ১৭৮১ থেকে ১৮৪০ পর্যন্ত
খ. ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ পর্যন্ত
গ. ১৭৫৭ থেকে ১৮৫৭ পর্যন্ত
ঘ. ১৭১৯ থেকে ১৮৬২ পর্যন্ত
উত্তরঃ ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ পর্যন্ত
ক. ১৯৬৬ সালে
খ. ১৯৬৭ সালে
গ. ১৯৬৮ সালে
ঘ. ১৯৭৯ সালে
উত্তরঃ ১৯৬৮ সালে

প্রশ্নঃ বীরশ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্তদের সংখ্যা কত?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১০-১২-২০১১ ]

ক. পাঁচ
খ. সাত
গ. আট
ঘ. দশ
উত্তরঃ সাত

প্রশ্নঃ ঐতিহাসিক ছয় দফা কোন সালে পেশ করা হয়েছিল?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১০-১২-২০১১ ]

ক. ১৯৭০ সালে
খ. ১৯৬৭ সালে
গ. ১৯৬৬ সালে
ঘ. ১৯৬৫ সালে
উত্তরঃ ১৯৬৬ সালে
ক. হাজী শরীয়তউল্লাহ
খ. তিতুমীর
গ. দুদু মিয়া
ঘ. নবাব সলিমুল্লাহ
উত্তরঃ দুদু মিয়া
ক. ১১টি
খ. ১২টি
গ. ৯টি
ঘ. ১৩টি
উত্তরঃ ১১টি
ক. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
খ. শের-এ বাংলা এ কে ফজলুল হক
গ. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ঘ. এদের কেউই নন
উত্তরঃ শের-এ বাংলা এ কে ফজলুল হক
ক. ৫ জন
খ. ৪ জন
গ. ৩ জন
ঘ. ২ জন
উত্তরঃ ২ জন
ক. ১৯১১ সালে
খ. ১৯১৫ সালে
গ. ১৯২১ সালে
ঘ. ১৯৩০ সালে
উত্তরঃ ১৯৩০ সালে
ক. কোরাইশী আন্দোলন
খ. হাসেমী আন্দোলন
গ. সৈয়দ আন্দোলন
ঘ. ফরায়েজী আন্দোলন
উত্তরঃ ফরায়েজী আন্দোলন

প্রশ্নঃ জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৮-১২-২০১১ ]

ক. কামরুল হাসান
খ. সৈয়দ মঈনুল হোসেন
গ. শিল্পী জয়নুল আবেদীন
ঘ. আলতাফ মাহমুদ
উত্তরঃ সৈয়দ মঈনুল হোসেন
ক. সুলতান মাহমুদ
খ. লক্ষণ সেন
গ. শেরশাহ
ঘ. আকবর
উত্তরঃ আকবর
ক. ১৬ ডিসেম্বর
খ. ২৬ মার্চ
গ. ৭ মার্চ
ঘ. ২ মার্চ
উত্তরঃ ২ মার্চ
ক. ছোট কাটরা
খ. বড় কাটরা
গ. পরী বিবির মাজার
ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তরঃ পরী বিবির মাজার

প্রশ্নঃ ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে কবে?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৮-১২-২০১১ ]

ক. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
খ. ২৬ মার্চ ১৯৭১
গ. ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
ঘ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
উত্তরঃ ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
ক. চুরুলিয়া
খ. দবিরামপুর
গ. শান্তিডাঙ্গা
ঘ. কালীগঞ্জ
উত্তরঃ দবিরামপুর

প্রশ্নঃ আনন্দবিহার কোথায়?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৭-১২-২০১১ ]

ক. রাজশাহীতে
খ. মহাস্থানগড়
গ. ময়নামতি
ঘ. পাহাড়পুর
উত্তরঃ ময়নামতি

প্রশ্নঃ ষাটগম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন -

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৭-১২-২০১১ ]

ক. হযরত শাহজালাল
খ. পীর খান জাহান আলী
গ. হযরত আমানত শাহ
ঘ. বায়েজিদ বোস্তামী
উত্তরঃ পীর খান জাহান আলী
ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
খ. তাজউদ্দিন আহমেদ
গ. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
ঘ. শাহ আব্দুল হামিদ
উত্তরঃ তাজউদ্দিন আহমেদ
ক. নূরুল আমীন
খ. খাজা নাজিমউদ্দীন
গ. মোহাম্মদ আলী
ঘ. লিয়াকত আলী খান
উত্তরঃ খাজা নাজিমউদ্দীন
ক. ইংরেজরা
খ. ফরাসিরা
গ. পর্তুগিজরা
ঘ. ওলন্দাজরা
উত্তরঃ পর্তুগিজরা

প্রশ্নঃ বাংলার প্রথম মুসলিম বিজেতা কে?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১৩-০১-২০১০ ]

ক. শিরান খলজী
খ. বখতিয়ার খলজী
গ. ইলিয়াস শাহ
ঘ. হুসেন শাহ
উত্তরঃ বখতিয়ার খলজী

প্রশ্নঃ ফকির আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১২-০১-২০১০ ]

ক. সিরাজ শাহ
খ. মোহসীন আলী
গ. মজনু শাহ
ঘ. জহির শাহ
উত্তরঃ মজনু শাহ
ক. সুলতান সিকান্দার শাহ
খ. নবাব আলীবর্দী খাঁ
গ. সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
ঘ. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
উত্তরঃ সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
খ. মুহম্মদ উল্লাহ
গ. আবু সাঈদ চৌধুরী
ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তরঃ শেখ মুজিবুর রহমান
ক. ৩টি
খ. ৪টি
গ. ৬টি
ঘ. ৭টি
উত্তরঃ ৭টি

প্রশ্নঃ মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০১-২০১০ ]

ক. দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে
খ. চট্টগ্রামের রাউজানে
গ. জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে
ঘ. সিলেটের হবিগঞ্জে
উত্তরঃ চট্টগ্রামের রাউজানে

প্রশ্নঃ পুণ্ড্রনগর কোন জেলায় অবস্থিত?

[ ১৮তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

ক. নওগাঁ
খ. কুমিল্লা
গ. দিনাজপুর
ঘ. বগুড়া
উত্তরঃ বগুড়া
ক. মোহাম্মদপুর বিধবা পল্লী
খ. আসামদিয়া
গ. চুকনগর
ঘ. রায়ের বাজার
উত্তরঃ চুকনগর
ক. ২৬ মার্চ
খ. ২৫ মার্চ
গ. ৭ মার্চ
ঘ. ২ মার্চ
উত্তরঃ ২ মার্চ
ক. সমতট
খ. পুণ্ড্র
গ. বঙ্গ
ঘ. হরিকেল
উত্তরঃ বঙ্গ

প্রশ্নঃ বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ কোনটি?

[ ১৭তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

ক. পুণ্ড
খ. সমতট
গ. রাঢ়
ঘ. হরিকেল
উত্তরঃ পুণ্ড
ক. ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সাল
খ. ৩০শে অক্টোবর, ২০১৮ সাল
গ. ৩০শে নভেম্বর, ২০১৭ সাল
ঘ. ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ সাল
উত্তরঃ ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সাল
ক. ১৯৪৭ সন
খ. ১৯৫২ সন
গ. ১৯৬৯ সন
ঘ. ১৯৭১ সন
উত্তরঃ ১৯৬৯ সন
ক. চট্টগ্রামে
খ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়
গ. কুষ্টিয়ার মুজিবনগরে
ঘ. কলকাতার বাংলাদেশ মিশনে
উত্তরঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়
ক. মেহেরপুরে
খ. চট্টগ্রামের কালুরঘাটে
গ. ঢাকায়
ঘ. কলকাতায়
উত্তরঃ মেহেরপুরে
ক. ৬০ জন
খ. ৬৮ জন
গ. ৭০ জন
ঘ. ৭৫ জন
উত্তরঃ ৬৮ জন
ক. সিপাহী
খ. ল্যান্স নায়েক
গ. ক্যাপ্টেন
ঘ. মেজর
উত্তরঃ সিপাহী
ক. নাটোর
খ. নওগাঁ
গ. জয়পুরহাট
ঘ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তরঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ক. ২৭ মার্চ রাতে
খ. ২৮ মার্চ রাতে
গ. ২৫ মার্চ রাতে
ঘ. ২৬ মার্চ রাতে
উত্তরঃ ২৫ মার্চ রাতে
ক. আবু সাঈদ চৌধুরী
খ. শেখ মুজিবুর রহমান
গ. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
ঘ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তরঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ক. ১৮৫৭ সালে
খ. ১৭৫৭ সালে
গ. ১৯৪৭ সালে
ঘ. ১৮৪৭ সালে
উত্তরঃ ১৮৫৭ সালে
ক. ২৬ মার্চ
খ. ১৬ ডিসেম্বর
গ. ১৪ ডিসেম্বর
ঘ. ২৪ এপ্রিল
উত্তরঃ ১৪ ডিসেম্বর
ক. জাতীয় স্মৃতিসৌধ
খ. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
গ. লালবাগের কেল্লা
ঘ. ষাট গম্বুজ মসজিদ
উত্তরঃ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
ক. আট
খ. এগারো
গ. পনের
ঘ. বিশ
উত্তরঃ এগারো
ক. ২ মার্চ
খ. ২৩ মার্চ
গ. ১৬ ডিসেম্বর
ঘ. ২৬ মার্চ
উত্তরঃ ২ মার্চ

প্রশ্নঃ কে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৭-০৯-২০০৭ ]

ক. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
খ. এ কে ফজলুল হক
গ. খাজা নাজিমউদ্দীন
ঘ. শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তরঃ এ কে ফজলুল হক
ক. ৬৮ জন
খ. ৭০ জন
গ. ৬৭ জন
ঘ. ৭৫ জন
উত্তরঃ ৬৮ জন
ক. ১০
খ. ১১
গ. ১২
ঘ. ১৩
উত্তরঃ ১১

প্রশ্নঃ ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয় কোথায়?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৩-০৯-২০০৭ ]

ক. ঢাকায়
খ. করাচীতে
গ. লাহোরে
ঘ. কলকাতায়
উত্তরঃ লাহোরে
ক. নদীয়ায়
খ. চাঁদপুরে
গ. বারাসতে
ঘ. নারিকেল বাড়িয়ায়
উত্তরঃ নারিকেল বাড়িয়ায়
ক. ৯৭৫
খ. ১২০৪
গ. ১৫০৮
ঘ. ১৩৩৮
উত্তরঃ ১২০৪
ক. ১২০৬ খ্রি.
খ. ১৩১০ খ্রি.
গ. ১৫২৬ খ্রি.
ঘ. ১৬১০ খ্রি
উত্তরঃ ১৬১০ খ্রি
ক. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
খ. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
গ. এ কে ফজলুল হক
ঘ. মাওলানা ভাসানী
উত্তরঃ এ কে ফজলুল হক
ক. ১১টি
খ. ৯টি
গ. ১২টি
ঘ. ১৪টি
উত্তরঃ ১১টি
ক. ২ মার্চ, ১৯৭১
খ. ৭ মার্চ, ১৯৭১
গ. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
ঘ. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
উত্তরঃ ২ মার্চ, ১৯৭১
ক. সিপাহী হামিদুর রহমান
খ. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর
গ. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
ঘ. সিপাহী মোস্তফা কামাল
উত্তরঃ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
ক. ২৬ মার্চ
খ. ১৭ এপ্রিল
গ. ১৬ ডিসেম্বর
ঘ. ২৫ মার্চ
উত্তরঃ ১৭ এপ্রিল
ক. ৭ জন
খ. ৬৮ জন
গ. ১৭৫ জন
ঘ. ৪২৬ জন
উত্তরঃ ৪২৬ জন
ক. ২০ অক্টোবর, ২০১৭
খ. ২৫ অক্টোবর, ২০১৭
গ. ৩০ অক্টোবর, ২০১৭
ঘ. ৩১ অক্টোবর, ২০১৭
উত্তরঃ ৩০ অক্টোবর, ২০১৭
ক. শেখ মুজিবুর রহমান
খ. এম. মনসুর আলী
গ. তাজউদ্দিন আহমেদ
ঘ. আতাউর রহমান খান
উত্তরঃ তাজউদ্দিন আহমেদ
ক. সেনাবাহিনী
খ. নৌবাহিনী
গ. পুলিশ বাহিনী
ঘ. বিমান বাহিনী
উত্তরঃ সেনাবাহিনী
ক. ১১৭৬
খ. ১৭৭০
গ. ১৭৭৬
ঘ. ১১৭০
উত্তরঃ ১১৭৬
ক. তারামন বিবি ও ময়মুনা বিবি
খ. সিতারা বেগম ও ময়মনা বিবি
গ. মনসুরা বিবি ও তারামন বিবি
ঘ. তারামন বিবি ও সিতারা বেগম
উত্তরঃ তারামন বিবি ও সিতারা বেগম
ক. ১৯৭০
খ. ১৯৬৯
গ. ১৯৬৮
ঘ. ১৯৬৬
উত্তরঃ ১৯৬৯