আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
খ. বিচার বিভাগ
গ. নির্বাহী বিভাগ
ঘ. মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ
উত্তরঃ নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যাঃ

অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।

তিনি রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা এবং সরকারের আইনি পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করেন। সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্য কোনো ব্যক্তিকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেন।

ক. Smart Democracy
খ. Smart Politics
গ. Smart Society
ঘ. Smart Parliament
উত্তরঃ Smart Society
ব্যাখ্যাঃ

‘SMART Bangladesh’ ধারণার মূল উপাদানগুলো হলো:

  • Smart Citizen (স্মার্ট নাগরিক)
  • Smart Economy (স্মার্ট অর্থনীতি)
  • Smart Government (স্মার্ট সরকার)
  • Smart Society (স্মার্ট সমাজ)
ক. রাষ্ট্রপতি
খ. স্পীকার
গ. চীফ হুইপ
ঘ. প্রধানমন্ত্রী
উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পষ্টভাবে বলা আছে: "রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সংসদ আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ"।

অতএব, জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করার ক্ষমতা একমাত্র রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত।

ক. আইনের প্রয়োগ
খ. আইনের ব্যাখ্যা
গ. সংবিধানের ব্যাখ্যা
ঘ. সংবিধান প্রণয়ন
উত্তরঃ সংবিধান প্রণয়ন
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো ঘঃ সংবিধান প্রণয়ন

সংবিধান প্রণয়ন বিচার বিভাগের কাজ নয়। সংবিধান প্রণয়নের দায়িত্ব আইন বিভাগ বা গণপরিষদের উপর ন্যস্ত থাকে।

বিচার বিভাগের প্রধান কাজগুলো হলো:

  • কঃ আইনের প্রয়োগ: বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনা করা এবং অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া।
  • খঃ আইনের ব্যাখ্যা: আইনের অস্পষ্টতা দূর করে এর সঠিক অর্থ ব্যাখ্যা করা।
  • গঃ সংবিধানের ব্যাখ্যা: সংবিধানের কোনো ধারা বা উপধারা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিলে তার ব্যাখ্যা দেওয়া এবং সংবিধানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন আইন বাতিল করা।

সুতরাং, সংবিধান তৈরি বা প্রণয়নের কাজটি বিচার বিভাগের আওতাভুক্ত নয়।

ক. জাতীয় সংসদ
খ. শাসন বিভাগ
গ. সুপ্রিম কোর্ট
ঘ. আইন মন্ত্রণালয়
উত্তরঃ সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষক হলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট

সংবিধানের ব্যাখ্যা দান এবং সংবিধান পরিপন্থী কোনো আইন বা কাজকে বাতিল ঘোষণা করার ক্ষমতা সুপ্রীম কোর্টের উপর ন্যস্ত। এর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের প্রাধান্য ও মর্যাদা রক্ষা করে।

ক. এককেন্দ্রিক
খ. যুক্তরাষ্ট্রীয়
গ. রাজতন্ত্র
ঘ. রাষ্ট্রপতিশাসিত
উত্তরঃ এককেন্দ্রিক
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল কঃ এককেন্দ্রিক

বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি এককেন্দ্রিক। এর অর্থ হল, দেশের সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং প্রদেশ বা অঞ্চলের কোনো স্বতন্ত্র বা নিজস্ব সরকার থাকে না। বাংলাদেশে কোনো যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা নেই।

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: "বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত হইবে।"

এবং দ্বিতীয় ভাগের ৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: "এই সংবিধানের মূলনীতিসমূহ হইবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা - এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত নীতি।"

এই অনুচ্ছেদগুলো থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক এবং গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র। এখানে যুক্তরাষ্ট্রীয়, রাজতান্ত্রিক বা রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থার কোনো স্থান নেই। বর্তমানে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান, যেখানে প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধান এবং রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধানের ভূমিকা পালন করেন।

ক. ১৮
খ. ১৯
গ. ২০
ঘ. ২১
উত্তরঃ ১৮
ব্যাখ্যাঃ বাংলাদেশে ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স হলো: \(\text{১৮ বছর}\)

বিস্তারিত:



* বাংলাদেশের সংবিধান ও নির্বাচনী আইন অনুযায়ী,
নাগরিককে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য অবশ্যই তার বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।
* এটি The Electoral Rolls Act, 2009 অনুযায়ী নির্ধারিত।
ক. আইনমন্ত্রী
খ. আইন সচিব
গ. অ্যাটর্নি জেনারেল
ঘ. প্রধান বিচারপতি
উত্তরঃ অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল গঃ অ্যাটর্নি জেনারেল

অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা। তিনি রাষ্ট্রপক্ষে আইনি বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেন এবং আদালতে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন।

ক. ক্যাবিনেট
খ. বিরােধী দল
গ. সুশীল সমাজ
ঘ. লােকপ্রশাসন বিভাগ
উত্তরঃ বিরােধী দল
ব্যাখ্যাঃ

প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় খঃ বিরােধী দল-কে সাধারণত ‘বিকল্প সরকার’ (Shadow Government বা Alternative Government) বলা হয়।

এর কারণ হল:

  • সরকারের বিকল্প নীতি: বিরোধী দল সরকারের নীতি ও কর্মসূচির একটি বিকল্প রূপরেখা জনগণের সামনে তুলে ধরে। তারা বিভিন্ন ইস্যুতে তাদের নিজস্ব প্রস্তাবনা এবং সমাধান উপস্থাপন করে।
  • সরকারের জবাবদিহিতা: একটি শক্তিশালী বিরোধী দল সংসদে এবং জনসমক্ষে সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করে, যা সরকারকে আরও বেশি জবাবদিহি করতে বাধ্য করে।
  • ভবিষ্যতের সরকার: জনগণের সমর্থন পেলে বিরোধী দল ভবিষ্যতে সরকার গঠনের এবং তাদের নীতি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা রাখে। তাই তারা নিজেদেরকে একটি সম্ভাব্য বিকল্প সরকার হিসেবে প্রস্তুত করে।

অন্যান্য বিকল্পগুলো:

  • ক্যাবিনেট: এটি সরকারের নির্বাহী বিভাগের মূল অংশ, যা প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বাধীন মন্ত্রীদের সমন্বয়ে গঠিত।
  • সুশীল সমাজ: এটি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, বুদ্ধিজীবী এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গঠিত, যারা বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে জনমত গঠন ও সরকারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে।
  • লােকপ্রশাসন বিভাগ: এটি সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো, যা সরকারের নীতি বাস্তবায়নে নিয়োজিত।
ক. আনিসুল হক
খ. সাঈদ খােকন
গ. সাদেক হােসেন খােকা
ঘ. মােহাম্মদ হানিফ
উত্তরঃ মােহাম্মদ হানিফ
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র ছিলেন মােহাম্মদ হানিফ। তিনি ১৯৯৪ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন।

ক. প্রধানমন্ত্রী
খ. অর্থমন্ত্রী
গ. বাণিজ্যমন্ত্রী
ঘ. পরিকল্পনা মন্ত্রী
উত্তরঃ প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যাঃ

একনেক (ECNEC)-এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী পদাধিকারবলে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এর চেয়ারপারসন বা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

একনেক এর পূর্ণরূপ হল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (National Economic Council Executive Committee)। এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনকারী সংস্থা।

সহজভাবে বললে, একনেক হলো সেই কমিটি যা বাংলাদেশে বড় বড় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প যেমন রাস্তাঘাট নির্মাণ, বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ইত্যাদি অনুমোদন করে থাকে। কোনো বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে একনেকের অনুমোদন পাওয়া বাধ্যতামূলক।

একনেকের প্রধান কাজগুলো হলো:

  • জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (NEC) কর্তৃক অনুমোদিত উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প অনুমোদন করা।
  • সরকারি বিনিয়োগের জন্য সম্পদ বরাদ্দ করা এবং তা পর্যবেক্ষণ করা।
  • বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থনৈতিক ও কারিগরি দিক মূল্যায়ন করা।
  • জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করা।

একনেকের চেয়ারপারসন বা সভাপতি হলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে থাকেন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও সচিবগণ।

সুতরাং, একনেক বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ক. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
খ. চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন
গ. চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
ঘ. কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল
উত্তরঃ চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল গঃ চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন

ব্যাখ্যা:

  • প্রধান নির্বাচন কমিশনার: বাংলাদেশ সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের অধীনে এটি একটি সাংবিধানিক পদ।
  • চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন: বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদের অধীনে এটি একটি সাংবিধানিক পদ।
  • চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন: এটি একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা (Statutory Body)। এটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯-এর অধীনে গঠিত হয়েছে, সংবিধানের অধীনে নয়।
  • কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল: বাংলাদেশ সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদের অধীনে এটি একটি সাংবিধানিক পদ।
ক. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
খ. মোহাম্মদউল্লাহ
গ. তাজউদ্দিন আহমদ
ঘ. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম সংসদ নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি ছিলেন জাতীয় সংসদের প্রথম সংসদ নেতা।

ক. রাষ্ট্রপতি
খ. জাতীয় সংসদ
গ. প্রধানমন্ত্রী
ঘ. স্পীকার
উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ।

নিয়োগ প্রক্রিয়া:

বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, "প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাহার অন্যান্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর সহিত পরামর্শ করিবেন।" তবে, সংবিধানের ৯৪(২) অনুচ্ছেদ এ বলা হয়েছে, "প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারকগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।" এই দুটি অনুচ্ছেদের সম্মিলিত ব্যাখ্যায় দেখা যায় যে, প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিতে হয় না। রাষ্ট্রপতি নিজ ক্ষমতাবলে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন।

তবে, অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির পরামর্শ নিতে পারেন, যদিও এটি বাধ্যতামূলক নয়।

সারসংক্ষেপ:

  • নিয়োগকারী: বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
  • পরামর্শের বাধ্যবাধকতা: প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিতে বাধ্য নন। এটি রাষ্ট্রপতির স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (discretionary power)।
  • যোগ্যতা: বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হতে হলে সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারক (হাইকোর্ট বিভাগ বা আপিল বিভাগ) হিসেবে ন্যূনতম কিছু সময় কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। তবে, সংবিধান নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেনি। সাধারণত, আপিল বিভাগের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ বিচারপতিকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার একটি প্রথা (seniority convention) রয়েছে, যদিও এটি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয় না এবং রাষ্ট্রপতি এই প্রথা ভঙ্গ করে অন্য কোনো বিচারপতিকেও নিয়োগ দিতে পারেন।

এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ক. প্রধানমন্ত্রী
খ. রাষ্ট্রপতি
গ. মন্ত্রী
ঘ. সচিব
উত্তরঃ প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যাঃ

'প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা' বলতে বোঝায় একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকার পরিচালনার সর্বোচ্চ ক্ষমতা এবং সেই ক্ষমতা প্রয়োগের প্রক্রিয়া। এটি রাষ্ট্রের তিনটি প্রধান ক্ষমতার (আইন প্রণয়ন ক্ষমতা, নির্বাহী ক্ষমতা এবং বিচারিক ক্ষমতা) অন্যতম।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা সংক্রান্ত বিধানগুলো নিম্নরূপ:

১. নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী:

  • সংবিধানের ৫৫(১) অনুচ্ছেদ: "প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণকে লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।"
  • সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ: "গণপ্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অথবা তাঁহার কর্তৃত্বে প্রযুক্ত হইবে।"

এর অর্থ হলো, সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী হলেন প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি যদিও রাষ্ট্রের প্রধান, তবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন (কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্র ছাড়া, যেমন প্রধান বিচারপতির নিয়োগ)।

২. নির্বাহী ক্ষমতার প্রয়োগ:

  • নির্বাহী ক্ষমতা বলতে আইন প্রয়োগ, প্রশাসন পরিচালনা, সরকারি নীতি বাস্তবায়ন, বিদেশি রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক স্থাপন, প্রতিরক্ষা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম তদারকি ইত্যাদি বিষয়গুলো বোঝায়।
  • এই ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী এবং তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। প্রতিটি মন্ত্রী নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

৩. জবাবদিহিতা:

  • বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাহী বিভাগ তাদের কাজের জন্য সংসদের কাছে সম্মিলিতভাবে ও পৃথকভাবে দায়ী থাকে।
  • সংবিধানের ৫৫(৩) অনুচ্ছেদ: "প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ সম্মিলিতভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন।"

৪. রাষ্ট্রপতির ভূমিকা:

  • রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক প্রধান (Head of State)।
  • সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদ: "প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাহার অন্যান্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর সহিত পরামর্শ করিবেন।" এর মানে হলো, অধিকাংশ নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিতে বাধ্য। তবে, প্রধান বিচারপতির নিয়োগ এবং প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগের মতো কিছু বিষয়ে রাষ্ট্রপতির নিজস্ব ক্ষমতা রয়েছে, যেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিতে বাধ্য নন।

সংক্ষেপে, বাংলাদেশের প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার হাতে ন্যস্ত এবং তারা তাদের কাজের জন্য সংসদের কাছে জবাবদিহি করেন। রাষ্ট্রপতি মূলত আনুষ্ঠানিক প্রধান হিসেবে কাজ করেন, তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে তার নিজস্ব ক্ষমতা বিদ্যমান।

ক. ৩৫ বছর
খ. ২৫ বছর
গ. ২০ বছর
ঘ. ৩০ বছর
উত্তরঃ ২৫ বছর
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ এবং ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। প্রধানমন্ত্রীকে প্রথমে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে হয়।

সংসদ সদস্য (এমপি) হওয়ার যোগ্যতা (যা প্রধানমন্ত্রীর জন্যও প্রযোজ্য):

১. নাগরিকত্ব: তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। ২. বয়স: তার বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হতে হবে। ৩. মানসিক সুস্থতা: তাকে আদালতের ঘোষণা অনুযায়ী অপ্রকৃতিস্থ হওয়া যাবে না। ৪. দেউলিয়াত্ব: তাকে দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ার পর দায়মুক্ত না হয়ে থাকলে চলবে না। ৫. অপরাধ: নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যুন দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং তার মুক্তির পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হয়ে থাকলে তিনি অযোগ্য বিবেচিত হবেন। ৬. বিদেশী নাগরিকত্ব: বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন বা বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করলে তিনি অযোগ্য হবেন। (দ্বৈত নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে, বিশেষ করে যদি আইন দ্বারা নির্দিষ্ট করা হয়)। ৭. সরকারি পদ: প্রজাতন্ত্রের কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকা যাবে না (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া, যেমন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী ইত্যাদি)। ৮. অন্যান্য নির্বাচনী আইন: সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোনো আইনের দ্বারা সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্য বলে ঘোষিত না হওয়া।

প্রধানমন্ত্রীর পদে নিয়োগের অতিরিক্ত শর্ত (সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ):

উপরিউক্ত সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতার পাশাপাশি, সংবিধানের ৫৬(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য তাকে সংসদ সদস্য হতে হবে এবং সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন হতে হবে

ক. ৩ বছর
খ. ৪ বছর
গ. ৫ বছর
ঘ. ৬ বছর
উত্তরঃ ৫ বছর
ব্যাখ্যাঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান মতে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগের মেয়াদকাল হলো ৫ বছর

সংবিধানের ১১৮(৩) অনুচ্ছেদে বলা আছে: "নির্বাচন কমিশনারগণের পদের মেয়াদ ও কর্মের শর্তাবলী সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ কোন আইন প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে।"

বর্তমানে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার (নিয়োগ) আইন, ২০২২ অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারগণের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকে ৫ (পাঁচ) বছর। তারা একাদিক্রমে দুইবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না।

ক. নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
খ. আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
গ. সংশিষ্ট দলীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
ঘ. কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
উত্তরঃ কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
ব্যাখ্যাঃ

কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (Representation of the People Order, 1972) অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই বাংলাদেশের কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার হতে হবে। ভোটার না হলে কোনো ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। এটি নির্বাচনের মৌলিক যোগ্যতা শর্তগুলির মধ্যে অন্যতম।

ক. পৌরসভা
খ. পল্লী বিদ্যুৎ
গ. সিটি কর্পোরেশন
ঘ. উপজেলা পরিষদ
উত্তরঃ পল্লী বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো পল্লী বিদ্যুৎ

ব্যাখ্যা:

  • স্থানীয় সরকার (Local Government): স্থানীয় সরকার বলতে দেশের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায় স্থানীয় জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত এমন প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়, যা স্থানীয় উন্নয়ন, প্রশাসন ও সেবাকার্য পরিচালনা করে। এদের নিজস্ব বাজেট ও কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা থাকে।

  • পৌরসভা: এটি একটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান যা শহরাঞ্চলে কাজ করে।

  • সিটি কর্পোরেশন: এটি বৃহৎ শহরাঞ্চলে কাজ করা একটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।

  • উপজেলা পরিষদ: এটি গ্রামীণ প্রশাসনিক ইউনিট (উপজেলা) এর স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।

  • পল্লী বিদ্যুৎ (Rural Electrification Board - REB) বা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি: এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত বা আধা-সরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এর মূল কাজ হলো গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণ করা। এটি সরাসরি স্থানীয় জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নয়, বরং বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি সংস্থা। যদিও এটি গ্রামীণ এলাকায় সেবা দেয়, এটি স্থানীয় সরকার কাঠামোর অংশ নয়।

ক. আইন মন্ত্রণালয়ের
খ. রাষ্ট্রপতির
গ. স্পীকারের
ঘ. জাতীয় সংসদের
উত্তরঃ জাতীয় সংসদের
ব্যাখ্যাঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ হলো দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী সংস্থা। আইন প্রণয়নের মূল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত। সংসদ সদস্যরা আইন তৈরি, সংশোধন ও বাতিল করতে পারেন।

অন্যান্য বিকল্পগুলো:

  • আইন মন্ত্রণালয়: আইন মন্ত্রণালয় আইন প্রণয়নে সহায়তা করে (যেমন: আইনের খসড়া তৈরি), কিন্তু তাদের নিজস্ব আইন প্রণয়নের ক্ষমতা নেই।
  • রাষ্ট্রপতি: রাষ্ট্রপতি বিলে সম্মতি প্রদান করেন, যা বিলকে আইনে পরিণত করে। তিনি সংসদ অধিবেশন না থাকলে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন, যা আইনের সমতুল্য, তবে এটি সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হয়। তবে, আইন প্রণয়নের মূল ক্ষমতা সংসদের।
  • স্পীকার: স্পীকার জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন, কিন্তু তার নিজস্ব আইন প্রণয়নের ক্ষমতা নেই।
ক. রাজনৈতিক দল
খ. সুশীল সমাজ
গ. বিচার বিভাগ
ঘ. প্রশাসন বিভাগ
উত্তরঃ সুশীল সমাজ
ব্যাখ্যাঃ

সুশীল সমাজ (Civil Society) বলতে সমাজের সেই অংশকে বোঝায় যেখানে শিক্ষিত বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, পরিবেশবাদী, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সদস্য এবং অন্যান্য পেশাজীবীরা থাকেন যারা সরাসরি সরকার বা কর্পোরেট কাঠামোর অংশ নন। তারা বিভিন্ন সেবামূলক, প্রচারণামূলক বা অ্যাডভোকেসি কার্যক্রমের মাধ্যমে জনমত গঠন করে, সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তের উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করে। তারা সাধারণত অরাজনৈতিক ও অলাভজনক উদ্দেশ্যে কাজ করে থাকে।

ক. ৩০ বছর
খ. ৩৫ বছর
গ. ৪০ বছর
ঘ. ৪৫ বছর
উত্তরঃ ৩৫ বছর
ব্যাখ্যাঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হবার ন্যূনতম বয়স ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) বছর

বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদের ৪ দফায় রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতার বিষয়ে বলা হয়েছে:

"কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি– (ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; (খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; কিংবা (গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসিত হইয়া রাষ্ট্রপতি পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন।"

ক. প্রথম
খ. দ্বিতীয়
গ. সপ্তম
ঘ. অষ্টম
উত্তরঃ সপ্তম
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সপ্তম জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়।

১৯৯৬ সালের জুনে সপ্তম জাতীয় সংসদ গঠিত হওয়ার পর এই সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি পরিবর্তন করে প্রধানমন্ত্রীর জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়। এর আগে সংসদ সদস্যরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করার সুযোগ পেতেন না। এটি সংসদকে আরও কার্যকর এবং জবাবদিহিমূলক করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। প্রাথমিকভাবে ১৫ মিনিটের জন্য এই পর্ব নির্ধারিত থাকলেও, পরবর্তীতে এর সময় বাড়ানো হয়।

ক. লক্ষ্মীপুর জেলায়
খ. মেহেরপুর জেলায়
গ. ঝালকাঠী জেলায়
ঘ. রাঙ্গামাটি জেলায়
উত্তরঃ রাঙ্গামাটি জেলায়
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের যে জেলায় মাত্র ১টি সংসদীয় আসন রয়েছে তা হলো: রাঙ্গামাটি জেলায়

বাংলাদেশের সংসদীয় আসন বিন্যাসে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি - এই তিনটি পার্বত্য জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। জনসংখ্যা এবং ভৌগোলিক আয়তনের উপর ভিত্তি করে এই আসন বিন্যাস করা হয়।

ক. সংসদ নেতার ভোট
খ. হুইপের ভোট
গ. স্পিকারের ভোট
ঘ. রাষ্ট্রপতির ভোট
উত্তরঃ স্পিকারের ভোট
ব্যাখ্যাঃ

জাতীয় সংসদে 'কাউন্টিং' ভোট বলতে সাধারণত কোনো বিল, প্রস্তাব বা সিদ্ধান্তের উপর ভোটাভুটির ফলাফল নির্ণয় পদ্ধতিকে বোঝায়, যখন মৌখিক বা প্রাথমিক ভোটে (যেমন 'হ্যাঁ' বা 'না' বলে) সংখ্যাগরিষ্ঠতা স্পষ্ট হয় না অথবা যখন স্পিকারের সিদ্ধান্তের উপর কোনো সদস্য আপত্তি জানান।

সাধারণত, জাতীয় সংসদে ভোট গ্রহণের কয়েকটি পদ্ধতি থাকে:

১. ভয়েস ভোট (Voice Vote): প্রথমে স্পিকার সংসদ সদস্যদের মৌখিকভাবে 'হ্যাঁ' বা 'না' বলতে বলেন এবং শব্দের তীব্রতা শুনে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।

২. ডিভিশন বা কাউন্টিং ভোট (Division or Counting Vote): যদি ভয়েস ভোটে ফলাফল স্পষ্ট না হয় বা কোনো সংসদ সদস্য স্পিকারের সিদ্ধান্তের উপর আপত্তি জানান, তখন 'ডিভিশন' বা 'কাউন্টিং ভোট'-এর আহ্বান করা হয়। এই পদ্ধতিতে:

  • সংসদ সদস্যদের দুটি পৃথক লবিতে (Division Lobby) যেতে বলা হয় – একটি 'হ্যাঁ' ভোটের জন্য এবং অন্যটি 'না' ভোটের জন্য।
  • লবিগুলোতে যাওয়ার সময় প্রতিটি সদস্যের নাম রেকর্ড করা হয় এবং তাদের ভোট গণনা করা হয়।
  • এই পদ্ধতিটি ফলাফলকে আরও সুনির্দিষ্ট এবং নিশ্চিত করে, কারণ প্রতিটি সদস্যের ভোট স্পষ্টভাবে রেকর্ড করা হয়। এটি সাধারণত কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিল বা প্রস্তাবের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সংক্ষেপে, জাতীয় সংসদে 'কাউন্টিং' ভোট হলো একটি আনুষ্ঠানিক পদ্ধতি যেখানে সংসদ সদস্যদের ভোট শারীরিকভাবে গণনা করা হয়, যাতে কোনো বিতর্কিত বিষয়ে ভোটের সঠিক ফলাফল নির্ণয় করা যায়।

ক. National Information Legal Guide
খ. National Institute of Local Government
গ. National Identity Licence Guide
ঘ. National Industrial League Group
উত্তরঃ National Institute of Local Government
ব্যাখ্যাঃ

National Institute of Local Government (জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট - NILG) হলো বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় কর্মরত নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণার জন্য একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান

পরিচিতি ও অবস্থান

  • প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৯ সালে 'লোকাল গভর্নমেন্ট ইনস্টিটিউট' নামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮০ সালে এটিকে 'ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ লোকাল গভর্নমেন্ট' (NILG) হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।
  • অবস্থান: এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
  • মন্ত্রণালয়: এটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে পরিচালিত হয়।

প্রধান কাজ ও উদ্দেশ্য

NILG এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা এবং তাদের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা। এর মূল কাজগুলো নিম্নরূপ:

  • প্রশিক্ষণ: স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি (যেমন: ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্য, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভা মেয়র ও কাউন্সিলর, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর) এবং সরকারি কর্মকর্তাদের (যেমন: উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী) জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা। এই প্রশিক্ষণগুলো তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক জ্ঞান অর্জন এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে।
  • গবেষণা: স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করা। এই গবেষণাগুলো স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সমস্যা, সম্ভাবনা, নতুন নীতি প্রণয়ন এবং সংস্কারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে।
  • পরামর্শ: স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে পরামর্শ প্রদান করা।
  • প্রকাশনা: স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত গবেষণা, প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল, জার্নাল এবং অন্যান্য প্রকাশনা তৈরি ও বিতরণ করা।
  • সেমিনার ও কর্মশালা: স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সেমিনার, কর্মশালা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা।
ক. এক কক্ষ
খ. দুই বা দ্বিকক্ষ
গ. তিন কক্ষ
ঘ. বহুকক্ষ বিশিষ্ট
উত্তরঃ এক কক্ষ
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ (Jatiya Sangsad) হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা। এটি একটি এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।

গঠন ও সদস্য সংখ্যা:

  • মোট আসন সংখ্যা: জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা ৩৫০ জন
  • প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সদস্য: এর মধ্যে ৩০০ জন সংসদ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে এঁরা নির্বাচিত হন।
  • সংরক্ষিত নারী আসন: অবশিষ্ট ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। এই ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্যের ভোটে (পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে) নির্বাচিত হন। এই সংরক্ষিত আসনগুলো রাজনৈতিক দলগুলোর আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে বণ্টিত হয়।
  • মেয়াদকাল: সংসদের মেয়াদকাল পাঁচ বছর

কার্যকারিতা ও ক্ষমতা:

জাতীয় সংসদ দেশের আইন প্রণয়নের প্রধান কেন্দ্র। এর প্রধান কাজগুলো নিম্নরূপ:

  • আইন প্রণয়ন: দেশের জন্য নতুন আইন তৈরি করা, বিদ্যমান আইন সংশোধন বা বাতিল করা।
  • সরকার গঠন ও নিয়ন্ত্রণ: সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বা জোটের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ এবং তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠন করা। সংসদ সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।
  • বাজেট অনুমোদন: দেশের বাজেট প্রণয়ন ও অনুমোদন করা।
  • জাতীয় নীতি নির্ধারণ: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতি নির্ধারণে ভূমিকা রাখা।
  • সংবিধান সংশোধন: সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা।
  • বিতর্ক ও আলোচনা: জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও বিতর্ক করা।
  • বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা: কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা প্রয়োগ (যেমন: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন)।

জাতীয় সংসদ ভবন:

  • অবস্থান: জাতীয় সংসদ ভবন রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত।
  • স্থপতি: এটি প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই আই কান কর্তৃক নকশাকৃত এবং বিশ্বের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন আইনসভা ভবন হিসেবে বিবেচিত।
  • নির্মাণ: এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৬১ সালে এবং সম্পন্ন হয় ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি। একই বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সংসদের অষ্টম (এবং শেষ) অধিবেশনে এটি প্রথম ব্যবহৃত হয়।
  • আয়তন: সংসদ ভবন এলাকা প্রায় ২১৫ একর জুড়ে বিস্তৃত। এখানে মূল ভবনের পাশাপাশি রয়েছে উন্মুক্ত সবুজ পরিসর, মনোরম জলাধার এবং সংসদ সদস্যদের কার্যালয়।

জাতীয় সংসদ বাংলাদেশের গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোর মূল স্তম্ভ।

ক. অর্থমন্ত্রী
খ. প্রধানমন্ত্রী
গ. পরিকল্পনামন্ত্রী
ঘ. স্পীকার
উত্তরঃ প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যাঃ

ECNEC-এর পূর্ণরূপ হলো Executive Committee of the National Economic Council বা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি

এই কমিটির চেয়ারম্যান বা সভাপতি হলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী বিকল্প সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ECNEC দেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের অনুমোদন, পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন তত্ত্বাবধান করে।

ক. ৪৫০০
খ. ৪৫৫০
গ. ৫৬০০
ঘ. ৪৬০০
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পরিসংখ্যান পকেট বই অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪৫৬৫। স্থানীয় সরকার বিভাগের তথ্য অনুসারে বাংলাদেশে বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪৫৭১টি। তবে আদমশুমারি ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪৫৭১টি।

ক. ঢাকা উত্তর
খ. ঢাকা দক্ষিণ
গ. ঢাকা
ঘ. শেরে বাংলা নগর
উত্তরঃ ঢাকা
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের রাজধানী হলো ঢাকা

ক. ১১
খ. ২১
গ. ৯
ঘ. ১৫
উত্তরঃ ১১
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর হলো বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। এই সুপ্রিম কোর্টের দুটি বিভাগ আছে: হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগ হলো সুপ্রিম কোর্টের সর্বোচ্চ আপিল আদালত।

আপিল বিভাগের গঠন ও কাজ

আপিল বিভাগ প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে গঠিত হয়। হাইকোর্ট বিভাগের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনতে ও নিষ্পত্তি করতে পারে আপিল বিভাগ। এটি বাংলাদেশের সকল আদালত ও ট্রাইব্যুনালের উপর তত্ত্বাবধান করে এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োজনীয় নির্দেশ জারি করার ক্ষমতা রাখে। এই বিভাগটিই দেশের সর্বোচ্চ বিচারিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করে।

ক. ৩১-১০-০৭
খ. ১-১১-০৭
গ. ৩-১১-০৭
ঘ. ১-১০-০৭
উত্তরঃ ১-১১-০৭
ব্যাখ্যাঃ

১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর বিসিএস (বিচার) অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব ও সাবজজ মোহাম্মদ মাজদার হোসেন ও ৪৪০ জন বিচারক বাংলাদেশ সরকারকে বিবাদী করে একটি রিট মামলা করলে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার দাবি নতুন মাত্রা পায়। ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট দরখাস্তকারীর পক্ষে রায় দেয়। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে সরকারকে ১২ দফা দিকনির্দেশনা দেয়। এ দিক-নির্দেশনা কার্যকরের জন্য সরকার বার বার সময় নেয় আদালতের কাছ থেকে। পরবর্তীতে ১ নভেম্বর, ২০০৭ বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করা হয়।

ক. ৯ জন
খ. ১১ জন
গ. ১৩ জন
ঘ. ১৫ জন
উত্তরঃ ১৫ জন
ব্যাখ্যাঃ

একজন সরকারপ্রধান, একজন উপদেষ্টা ও ১৩ জন সদস্যের সমন্বয়ে মোট ১৫ জন ব্যক্তি নিয়ে গ্রাম সরকার গঠিত। সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য সরকারপ্রধান এবং মহিলা সদস্য গ্রাম সরকারের উপদেষ্টা সদস্য হবেন। অবশিষ্ট ১৩ জন সদস্য গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণীর লোকদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন। উল্লেখ্য, ৬ এপ্রিল ২০০৯ জাতীয় সংসদে গ্রাম সরকার (রহিতকরণ) বিল পাস হওয়ার মাধ্যমে গ্রাম সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়।

ক. ৩
খ. ৪
গ. ৫
ঘ. ৬
উত্তরঃ ৩
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশে বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু আছে- প্রথম স্তর: ইউনিয়ন পরিষদ, দ্বিতীয় স্তর: উপজেলা পরিষদ ও তৃতীয় স্তর: জেলা পরিষদ। আর শহরাঞ্চলে রয়েছে দুই স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা- প্রথম স্তর: পৌরসভা, দ্বিতীয় স্তর: সিটি কর্পোরেশন।

ক. প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ
খ. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
গ. অডিটর জেনারেল নিয়োগ
ঘ. পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ
উত্তরঃ প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
ব্যাখ্যাঃ

[অনুচ্ছেদ ৯৫(১)] প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি। সংবিধানের ৪৮ (৩) দফা অনুসারে দুটি কাজ রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পূর্ব পরামর্শ ছাড়া করতে পারেন। যেমন: ক. প্রথমত, রাষ্ট্রপতি ৫৬ নম্বর অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ প্রদানের ক্ষেত্রে স্বাধীন। খ. দ্বিতীয়, রাষ্ট্রপতি ৯৫ নম্বর অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ প্রদানের ক্ষেত্রে স্বাধীন।

ক. ৩০ বছর
খ. ২৫ বছর
গ. ৩৫ বছর
ঘ. ৪০ বছর
উত্তরঃ ২৫ বছর
ব্যাখ্যাঃ
রাষ্ট্রপতি হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর
ভোটাধিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর
ক. ৪টি স্তরে
খ. ৩টি স্তরে
গ. ২টি স্তরে
ঘ. ১টি স্তরে
উত্তরঃ ৩টি স্তরে
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশে বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে মোট তিন স্তরের স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে- প্রথম স্তর : ইউনিয়ন পরিষদ, দ্বিতীয় স্তর : উপজেলা পরিষদ ও তৃতীয় স্তর : জেলা পরিষদ। আর শহরাঞ্চলে রয়েছে দুই ধরনের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা- ১. পৌরসভা ২. সিটি কর্পোরেশন।

ক. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
খ. পরিকল্পনা বিভাগ
গ. অর্থ বিভাগ
ঘ. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
উত্তরঃ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক অর্থায়ন সংক্রান্ত বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকারী বিভাগটি হলো অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (Economic Relations Division - ERD)

এই বিভাগটি বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ, অনুদান এবং অন্যান্য আর্থিক সহায়তা সংগ্রহ, পরিচালনা এবং ব্যবস্থাপনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের চারটি বিভাগের মধ্যে অন্যতম। অন্য তিনটি বিভাগ হলো: অর্থ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রধান কাজগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • বৈদেশিক সাহায্যের উৎস অনুসন্ধান ও আর্থিক বরাদ্দের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থা থেকে প্রেরিত প্রস্তাব পরীক্ষা ও বাছাই করা।
  • বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা (এডিপি) এবং পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার উপর ভিত্তি করে উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়নের জন্য বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণ, চুক্তি সম্পাদন, ব্যবহার উপযোগিতা নিশ্চিতকরণ এবং বরাদ্দ প্রদান।
  • দ্বি-পক্ষীয় ও বহু-পক্ষীয় উৎস থেকে খাদ্য এবং পণ্য সাহায্য বিষয়ক বৈদেশিক সাহায্যের চুক্তি সম্পাদন এবং বরাদ্দ প্রদান ও ব্যবহার নিশ্চিতকরণ।
  • দ্বিপক্ষীয় দাতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে চুক্তির প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণসহ কারিগরি সহায়তা কর্মসূচিসমূহের অনুমোদন কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন এবং প্রক্রিয়াকরণ।
  • সাহায্যপ্রাপ্ত প্রকল্পসমূহে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিশেষজ্ঞ এবং পরামর্শক পদে নিয়োগ সম্পর্কিত নীতি নির্ধারণ এবং সমন্বয় সাধন।
  • বৈদেশিক সাহায্যের তহবিল সংক্রান্ত টেন্ডারের জন্য গাইডলাইন এবং কার্যপ্রণালী বিধি তৈরি।
  • বৈদেশিক সাহায্যের সঠিক ব্যবহার, সমন্বয়, পর্যালোচনা এবং পরিবীক্ষণ।
  • ঋণ প্রোফাইল এবং বাজেট তৈরি, ঋণ সার্ভিসিং ও সংরক্ষণসহ সার্বিক বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা।
  • বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম এবং ঋণ হিসাবসমূহের সভার আয়োজন এবং পরবর্তীতে এ বিষয়ে ফলোআপ কার্যক্রম গ্রহণ।
  • বৈদেশিক বিনিময় বাজেট তৈরি (নগদ বৈদেশিক বিনিময় বাজেট ব্যতীত)।
  • বাংলাদেশে কর্মরত উন্নয়ন সহযোগী দেশ/সংস্থা প্রধানদের সাথে অনুষ্ঠিত সভার কো-চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন।
  • বৈদেশিক অর্থনৈতিক সম্পর্কের নিমিত্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাসমূহের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা, যেমনঃ বিশ্বব্যাংক/আইডিএ এবং আইএফসি; এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি); ইউএনডিপি; জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থাসমূহ ইত্যাদি।

অতএব, বৈদেশিক অর্থায়ন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

ক. জনপ্রশাসন মন্ত্রী
খ. অর্থ মন্ত্রী
গ. প্রধানমন্ত্রী
ঘ. পরিকল্পনা মন্ত্রী
উত্তরঃ প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যাঃ

ECNEC হলো জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (Executive Committee of the National Economic Council)। এটি বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাহী কমিটি।

ECNEC-এর কার্যাবলী:

ECNEC মূলত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পগুলির যাচাই, অনুমোদন ও বাস্তবায়ন তত্ত্বাবধান করে। এর প্রধান কাজগুলো হলো:

  • জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (NEC) প্রণীত দীর্ঘমেয়াদী জাতীয় নীতি ও objectives এর সাথে সঙ্গতি রেখে উন্নয়ন কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা প্রদান।
  • পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (ADP) খসড়া প্রণয়নে দিকনির্দেশনা দেওয়া।
  • বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগ কর্তৃক প্রস্তাবিত উন্নয়ন প্রকল্প মূল্যায়ন ও অনুমোদন করা (বিশেষত বৃহৎ বিনিয়োগ প্রকল্প)।
  • সরকারি ও বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ প্রস্তাবনা বিবেচনা ও অনুমোদন করা।
  • উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা।
  • বৈদেশিক সাহায্য এবং ঋণের জন্য বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ও অনুমোদন করা।
  • প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন এবং জাতীয় জীবনযাত্রার মানের উপর তার বিশ্লেষণ করা।
  • প্রয়োজনে NEC-কে তার কার্য সম্পাদনে সহায়তা করার জন্য উপ-কমিটি গঠন করা।

ECNEC-এর গঠন:

ECNEC-এর চেয়ারপারসন হলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তার অনুপস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী বিকল্প চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন:

  • মন্ত্রীগণ (যেমন: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়; শিক্ষা; খাদ্য; পানিসম্পদ; শিল্প; বাণিজ্য; ডাক ও টেলিযোগাযোগ; কৃষি; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং প্রাসঙ্গিক অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীগণ)।
  • পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যগণ।
  • সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবগণ।

ECNEC-এর সভা সাধারণত পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। পরিকল্পনা কমিশনের ECNEC উইং এই কমিটির সভা আহ্বান ও সমন্বয় করে এবং সভার কার্যবিবরণী তৈরি ও বিতরণের দায়িত্ব পালন করে।

ক. স্পিকার
খ. জাতীয় সংসদ
গ. রাষ্ট্রপতি
ঘ. প্রধানমন্ত্রী
উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন। সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।”

ক. মাননীয় স্পীকার
খ. মাননীয় চিপ হুইপ
গ. মহামান্য রাষ্ট্রপতি
ঘ. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
উত্তরঃ মহামান্য রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি

প্রশ্নঃ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের শর্টকোড কোনটি?

[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. ১৬১৫২
খ. ১৬১০৬
গ. ৯৯৯
ঘ. ৩৩৩
উত্তরঃ ১৬১৫২
ব্যাখ্যাঃ

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের শর্টকোড হলো ১৬১৫২। রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় এই নম্বরে কল করে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য জানা যেতে পারে।

ক. প্রধান বিচারপতি
খ. প্রধানমন্ত্রী
গ. স্পিকার
ঘ. চিফ হুইপ
উত্তরঃ স্পিকার

প্রশ্নঃ দেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন কোনটি?

[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. সিলেট
খ. ময়মনসিংহ
গ. কুমিল্লা
ঘ. নোয়াখালি
উত্তরঃ ময়মনসিংহ

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক-

[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. সেনাবাহিনী প্রধান
খ. প্রতিরক্ষামন্ত্রী
গ. প্রধানমন্ত্রী
ঘ. রাষ্ট্রপতি
উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি

প্রশ্নঃ সংসদ অধিবেশন কে আহ্বান করেন?

[ ১৪তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. স্পীকার
খ. প্রধানমন্ত্রী
গ. রাষ্ট্রপতি
ঘ. বিরোধী দলীয় নেত্রী
উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি

প্রশ্নঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটি কার রচনা?

[ ১৪তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. তাজউদ্দীন আহমেদ
খ. শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
গ. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
ঘ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ক. ইলিয়াছ শাহ্
খ. ধর্মপাল
গ. লক্ষ্মণ সেন
ঘ. শশাঙ্ক
উত্তরঃ শশাঙ্ক
ক. ১৯৭০ সালের ১৭ এপ্রিল
খ. ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
গ. ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল
ঘ. ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
উত্তরঃ ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল

প্রশ্নঃ মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?

[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ঝিনাইদহ
খ. মেহেরপুর
গ. যশোর
ঘ. কুষ্টিয়া
উত্তরঃ মেহেরপুর
ক. ৯টি
খ. ৮ টি
গ. ১১ টি
ঘ. ১২ টি
উত্তরঃ ১১ টি
ক. এম হোসেন আলী
খ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
গ. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
ঘ. তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তরঃ অধ্যাপক ইউসুফ আলী
ক. ১০ টি
খ. ১১ টি
গ. ১২ টি
ঘ. ১৩ টি
উত্তরঃ ১১ টি
ক. পলাশী যুদ্ধে
খ. সিপাহি বিদ্রোহে
গ. বক্সারের যুদ্ধে
ঘ. কর্ণাটকের যুদ্ধে
উত্তরঃ পলাশী যুদ্ধে

প্রশ্নঃ দেশে বর্তমানে মোট উপজেলার সংখ্যা কয়টি?

[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. ৪৭১ টি
খ. ৪৯৫ টি
গ. ৪৫৬ টি
ঘ. ৪৮৭ টি
উত্তরঃ ৪৯৫ টি

প্রশ্নঃ পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ সংঘটিত হয় কবে?

[ ৮ম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ২৫ ফ্রেব্রুয়ারি ২০০৯
খ. ২৫ ফ্রেব্রুয়ারি ২০১০
গ. ২১ অগাস্ট ২০০৯
ঘ. ২১ সেপ্টেম্বর ২০১০
উত্তরঃ ২৫ ফ্রেব্রুয়ারি ২০০৯
ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
খ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
গ. আবু সাঈদ চৌধুরী
ঘ. সাহাবুদ্দিন আহমদ
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ক. সেক্টর ১
খ. সেক্টর ১০
গ. সেক্টর ১১
ঘ. সেক্টর ২
উত্তরঃ সেক্টর ১০
ক. ২ নং
খ. ৮ নং
গ. ১০ নং
ঘ. ১১ নং
উত্তরঃ ৮ নং
ক. ১০ টি
খ. ১২ টি
গ. ০৯ টি
ঘ. ১১ টি
উত্তরঃ ১১ টি
ক. এগার
খ. দশ
গ. আট
ঘ. পনের
উত্তরঃ এগার

প্রশ্নঃ কে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা করেন?

[ প্রা. প্র. শি. নি. ১২-১০-২০১২ ]

ক. মাওলানা ভাসানী
খ. সৈয়দ আমীর আলী
গ. হাজী মুহম্মদ মুহসীন
ঘ. নওয়াব সলিমুল্লাহ
উত্তরঃ নওয়াব সলিমুল্লাহ
ক. ৬২ জন
খ. ৬৮ জন
গ. ৫৮ জন
ঘ. ৪৪ জন
উত্তরঃ ৬৮ জন
ক. ৩৫ জন
খ. ৪৪ জন
গ. ৫৪ জন
ঘ. ২৪ জন
উত্তরঃ ৩৫ জন
ক. ৮ জন
খ. ৭ জন
গ. ১০ জন
ঘ. ৯ জন
উত্তরঃ ৭ জন
ক. ক্যাপ্টেন
খ. হাবিলদার
গ. সিপাহী
ঘ. ল্যান্স নায়েক
উত্তরঃ সিপাহী

প্রশ্নঃ কে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন?

[ প্রা. প্র. শি. নি.১০-১০-২০১২ ]

ক. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
খ. এ. কে. ফজলুল হক
গ. খাজা নাজিম উদ্দিন
ঘ. শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তরঃ এ. কে. ফজলুল হক
ক. হাবিলদার
খ. সিপাহী
গ. ল্যান্স নায়ক
ঘ. ক্যাপ্টেন
উত্তরঃ সিপাহী
ক. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
খ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
গ. তাজউদ্দিন আহমেদ
ঘ. এম মনসুর আলী
উত্তরঃ অধ্যাপক ইউসুফ আলী

প্রশ্নঃ "শহীদ আসাদ" কত সালে নিহত হন?

[ প্রা. প্র. শি. নি. ১০-০৯-২০০৯ ]

ক. ১৯৫৪
খ. ১৯৬২
গ. ১৯৬৯
ঘ. ১৯৭০
উত্তরঃ ১৯৬৯
ক. চট্টগ্রামের কালুরঘাটে
খ. মেহেরপুরে
গ. ঢাকায়
ঘ. আগরতলায়
উত্তরঃ মেহেরপুরে
ক. জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী
খ. তাজউদ্দিন আহমেদ
গ. এয়ার কমোডর এ.কে. খন্দকার
ঘ. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
উত্তরঃ এয়ার কমোডর এ.কে. খন্দকার
ক. বীর শ্রেষ্ঠ
খ. বীর প্রতীক
গ. বীর উত্তম
ঘ. বীর বিক্রম
উত্তরঃ বীর বিক্রম
ক. ইউ কে চিং
খ. মায়েম চ্যাং
গ. লুইপা
ঘ. উয়েন মারমা
উত্তরঃ ইউ কে চিং
ক. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
খ. ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান
গ. মোহাম্মদ রুহুল আমীন
ঘ. ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ
উত্তরঃ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির নাম কী?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৬-০৯-২০১৯ ]

ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
খ. তাজউদ্দীন আহমদ
গ. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ঘ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

প্রশ্নঃ কয়টি বিভাগ নিয়ে সরকার গঠিত?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]

ক. ২টি
খ. ৩টি
গ. ৪টি
ঘ. ৫টি
উত্তরঃ ৩টি
ক. ৭ দিন
খ. ১০ দিন
গ. ১৫ দিন
ঘ. ৩০ দিন
উত্তরঃ ১৫ দিন
ক. ৯টি
খ. ১০টি
গ. ১১টি
ঘ. ১২টি
উত্তরঃ ১১টি
ক. গারো সমাজে
খ. হিন্দু সমাজে
গ. বৌদ্ধ সমাজে
ঘ. সংস্কৃতির
উত্তরঃ গারো সমাজে
ক. ৭-১২ বছর
খ. ৪৬-১২ বছর
গ. ৭-১৬ বছর
ঘ. ৭-২০ বছর
উত্তরঃ ৭-১৬ বছর
ক. শিক্ষা নীতি
খ. জন্ম নীতি
গ. ধর্ম নীতি
ঘ. জন্মস্থান নীতি
উত্তরঃ জন্ম নীতি

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের আইনসভা কয় কক্ষবিশিষ্ট?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১৪-০৭-২০০৬ ]

ক. এক-কক্ষবিশিষ্ট
খ. দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট
গ. এক-কক্ষ ও দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট
ঘ. তিন কক্ষবিশিষ্ট
উত্তরঃ এক-কক্ষবিশিষ্ট

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে-

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১৪-০৭-২০০৬ ]

ক. ১৯৭১ সালে
খ. ১৯৭৩ সালে
গ. ১৯৭৪ সালে
ঘ. ১৯৭০ সালে
উত্তরঃ ১৯৭৪ সালে

প্রশ্নঃ পরিবার গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত কি?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১৪-০৭-২০০৬ ]

ক. বিবাহ
খ. পারস্পরিক ঐক্যমত্য
গ. সামাজিক রীতি-নীতি
ঘ. একত্রে মেলামেশা
উত্তরঃ বিবাহ

প্রশ্নঃ নগরায়ণের ফলে গ্রামীণ-

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১৪-০৭-২০০৬ ]

ক. সমাজ গড়ে উঠছে
খ. সমাজ ধবংস হচ্ছে
গ. যৌথ পরিবার ভেঙে অণু পরিবারের সৃষ্টি হচ্ছে
ঘ. সমাজ উন্নত হচ্ছে
উত্তরঃ যৌথ পরিবার ভেঙে অণু পরিবারের সৃষ্টি হচ্ছে

প্রশ্নঃ কোনটি রাষ্ট্রের চরম ও চূড়ান্ত ক্ষমতা?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]

ক. জনসমষ্টি
খ. নির্দিষ্ট ভূখন্ড
গ. সরকার
ঘ. সার্বভৌমত্ব
উত্তরঃ সার্বভৌমত্ব
ক. ১৮৯১ সালে
খ. ১৮৯৬ সালে
গ. ১৭৯১ সালে
ঘ. ১৮৮২ সালে
উত্তরঃ ১৮৯৬ সালে

প্রশ্নঃ শব্দগত অর্থে নাগরিক বলতে বোঝায়---

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]

ক. ইউনিয়নের অধিবাসী
খ. নগরের অধিবাসী
গ. মহল্লার অধিবাসী
ঘ. গ্রামের অধিবাসী
উত্তরঃ নগরের অধিবাসী
ক. প্রাচীন গ্রিসে
খ. প্রাচীন মিশরে
গ. জাপানে
ঘ. বাংলাদেশে
উত্তরঃ প্রাচীন গ্রিসে

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে কোন ধরনের সরকার বিদ্যমান?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]

ক. যুক্তরাষ্ট্রীয়
খ. সংসদীয়
গ. রাষ্ট্রপতিশাসিত
ঘ. রাজতন্ত্র
উত্তরঃ সংসদীয়
ক. প্রধানমন্ত্রী
খ. স্পিকার
গ. সচিব
ঘ. রাষ্ট্রপতি
উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি
ক. ৫০ দিন
খ. ৪৫৫ দিন
গ. ৫৭ দিন
ঘ. ৬০ দিন
উত্তরঃ ৬০ দিন
ক. সহজ ভোটদান পদ্ধতি
খ. প্রত্যক্ষ নির্বাচন
গ. গোপন ভোট
ঘ. পরোক্ষ নির্বাচন
উত্তরঃ প্রত্যক্ষ নির্বাচন
ক. উপজেলা
খ. ইউনিয়ন
গ. থানা
ঘ. জেলা
উত্তরঃ ইউনিয়ন
ক. ৯ বার
খ. ৭ বার
গ. ৮ বার
ঘ. ৫ বার
উত্তরঃ ৭ বার
ক. রাষ্ট্রপতি
খ. প্রধানমন্ত্রী
গ. প্রধান বিচারপতি
ঘ. সেনাপ্রধান
উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি
ক. ১৯৮৩
খ. ১৯৮৫
গ. ১৯৮৬
ঘ. ১৯৮৮
উত্তরঃ ১৯৮৫
ক. ২৭টি
খ. ২২টি
গ. ১৯টি
ঘ. ১৩টি
উত্তরঃ ২৭টি
ক. AEU
খ. UNICEF
গ. UNHCR
ঘ. UNESCO
উত্তরঃ UNESCO
ক. ১৯৮৬ সালে
খ. ১৯৮৩ সালে
গ. ১৯৮৪ সালে
ঘ. ১৯৮৫ সালে
উত্তরঃ ১৯৮৫ সালে

প্রশ্নঃ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদকাল কত?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১০-১২-২০১১ ]

ক. ৭ বছর
খ. ৬ বছর
গ. ৫ বছর
ঘ. ৩ বছর
উত্তরঃ ৫ বছর
ক. যশোর
খ. কোনাবাড়ি
গ. গাজীপুর
ঘ. ময়মনসিংহ
উত্তরঃ কোনাবাড়ি
ক. রাষ্ট্রপতির কাছে
খ. জনগণের কাছে
গ. প্রধানমন্ত্রীর কাছে
ঘ. জাতীয় সংসদের কাছে
উত্তরঃ জাতীয় সংসদের কাছে
ক. ১০৬
খ. ৩৩৩
গ. ৯৯৯
ঘ. ১২১
উত্তরঃ ৯৯৯
ক. ১৯৮৬ সালে
খ. ১৯৯১ সালে
গ. ১৯৯৩ সালে
ঘ. ২০০১ সালে
উত্তরঃ ১৯৯১ সালে