প্রশ্নঃ বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন-
[ বিসিএস ১০তম ]
কৃষিকাজের সুবিধার্থে মোগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর তার সিংহাসনে আরোহণের সময় থেকে কার্যকর হয়।
Related MCQ
প্রশ্নঃ মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার নেতৃত্ব দেন কে?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার প্রদানকারী দলের নেতৃত্বে ছিলেন ⎯ মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম।
প্রশ্নঃ ঐতিহাসিক ৬-দফা দাবিতে কোন দু’টি বিষয় কেন্দ্রিয় সরকারের হাতে রাখার প্রস্তাব ছিল?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
ছয় দফা কর্মসূচির ২য় দফায় ⎯ প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় দুটি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছিল।
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
তিনি ১৯৭২ সালে গঠিত ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন। এই কমিটি বাংলাদেশের সংবিধানের মূল কাঠামো তৈরি করে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
তিনি ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর থেকে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রধানমন্ত্রী হন।
প্রশ্নঃ ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন্ তফসিলে আছে?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
২০১৭ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
প্রশ্নঃ ‘জয় বাংলা’ কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে মন্ত্রিসভায় কত তারিখে অনুমোদন করা হয়?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
‘জয় বাংলা’ কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে মন্ত্রিসভায় ২ মার্চ ২০২২ তারিখে অনুমোদন করা হয়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
প্রশ্নঃ বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কী?
[ বিসিএস ৪৪তম | ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
সঠিক উত্তর হলো কঃ পুণ্ড্র।
বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম পুণ্ড্র। এর অবস্থান ছিল মূলত উত্তরবঙ্গে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কয়টি তারকা আছে?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে চারটি তারকা রয়েছে।
জাতীয় প্রতীকের নকশাটিতে কেন্দ্রস্থলে একটি শাপলা ফুল, তার চারদিকে ধানের দুটি শীষ এবং নিচে পাট গাছের তিনটি পাতা ও দুটি তারকা শোভিত। এই তারকাগুলো বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি - জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা - এর প্রতীক।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত ছিল?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
বাংলাদেশ সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল আব্দুর রউফ-এর ওপর। তিনি বাংলাদেশ সরকারের একজন কর্মচারী ছিলেন এবং অত্যন্ত সুন্দর হস্তাক্ষরের অধিকারী ছিলেন।
প্রশ্নঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের খসড়া সর্বপ্রথম গণপরিষদে ১৯৭২ সালের কোন তারিখে উত্থাপিত হয়?
[ বিসিএস ৪২তম ]
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের ইতিহাস একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিচে এর মূল বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো:
সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন:
- ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটিতে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং বিশিষ্ট আইনজীবীরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
খসড়া সংবিধান তৈরি:
- কমিটি বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক করে এবং জনগণের মতামত সংগ্রহের জন্য আহ্বান জানায়।
- সংগৃহীত মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের একটি খসড়া তৈরি করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১২ই অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করা হয়। এই খসড়াটি ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ও ৭টি তফসিল সম্বলিত ছিল।
গণপরিষদে আলোচনা ও গ্রহণ:
- খসড়া সংবিধানের ওপর গণপরিষদে দীর্ঘ আলোচনা চলে।
- আলোচনা শেষে কিছু সংশোধনীর প্রস্তাব আনা হয় এবং সেগুলো বিবেচিত হয়।
- অবশেষে, ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
কার্যকর:
- ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর (বিজয় দিবস) থেকে এই সংবিধান কার্যকর হয়।
সংবিধানের খসড়াটি মূলত বাংলা ভাষায় রচিত হয়েছিল এবং পরে এর ইংরেজি অনুবাদ করা হয়। তবে বাংলা ও ইংরেজির মধ্যে অর্থগত কোনো বিরোধ দেখা দিলে বাংলা রূপ অনুসরণীয় হবে বলে উল্লেখ করা হয়।
আপনি যদি খসড়া সংবিধানের মূল পাঠ বা এর কোনো নির্দিষ্ট অংশের বিষয়ে জানতে চান, তবে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।
প্রশ্নঃ সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে কোন তফসিলের অপব্যবহার করা হয়?
[ বিসিএস ৪১তম ]
সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে চতুর্থ তফসিল-এর অপব্যবহার করা হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে মূলত ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে জারিকৃত কিছু আইন ও অধ্যাদেশকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় গঠিত অস্থায়ী সরকারের কার্যক্রম এবং স্বাধীনতা অর্জনের জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলোর ধারাবাহিকতা রক্ষা করা।
তবে, পরবর্তীকালে সামরিক শাসকরা এই তফসিলের ভুল ব্যাখ্যা করে বা এর আওতা সম্প্রসারিত করে তাদের অবৈধ ক্ষমতা দখলকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তারা যুক্তি দেখিয়েছেন যে তাদের জারি করা সামরিক ফরমান বা অধ্যাদেশও এই তফসিলের অধীনে সুরক্ষিত, কারণ তারা রাষ্ট্র পরিচালনার "প্রয়োজনীয়তা" থেকে এগুলো জারি করেছেন।
এই অপব্যবহারের মাধ্যমে সংবিধানের মূল চেতনা, গণতন্ত্র এবং জনগণের সার্বভৌমত্বের নীতিকে লঙ্ঘন করা হয়েছে। চতুর্থ তফসিলের মূল উদ্দেশ্য ছিল একটি বিশেষ প্রেক্ষাপটে আইনি ধারাবাহিকতা রক্ষা করা, কিন্তু সামরিক শাসকরা এটিকে তাদের অসাংবিধানিক কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ধরনের অপব্যবহার রোধ করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে অপরিবর্তনীয় ঘোষণা করা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' উপাধি দিয়েছিলেন নিউজউইক (Newsweek) ম্যাগাজিন।
১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল, অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়, যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত নিউজউইক ম্যাগাজিনের একটি সংখ্যায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা হয়েছিল "Poet of Politics" বা 'রাজনীতির কবি'। এই লেখায় সাংবাদিক লরেন্স ফস্টার (Lawrence F. Lifschultz - যার অন্য পরিচিতি লরেন্স লিফসুল্জ) এই উপাধি ব্যবহার করেন, যেখানে তিনি বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং তাঁর নেতৃত্বকে কবিতার সাথে তুলনা করেন। এই উপাধিটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কবে গৃহীত হয়?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
তবে, এর একটি ইতিহাস আছে:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ: প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে। তখন পতাকার নকশায় লাল বৃত্তের মাঝখানে সোনালি রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র ছিল। এটি নকশা করেছিলেন ছাত্রনেতা শিবনারায়ণ দাস।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি: স্বাধীনতার পর, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে পটুয়া কামরুল হাসান পতাকার ডিজাইন থেকে মানচিত্রটি বাদ দিয়ে বর্তমান নকশাটি চূড়ান্ত করেন। এই দিনই এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হিসেবে গৃহীত হয়।
জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপে সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, আর লাল বৃত্তটি উদীয়মান সূর্য এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের রক্তের প্রতীক।
প্রশ্নঃ কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের কত চরণ বাজানো হয়?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
- জাতীয় সংগীত হিসেবে ঘোষণা ও গ্রহণ: বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আমার সোনার বাংলা’ কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং এটি ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি গৃহীত হয়।
- পরিবেশনের বিধান:
- কণ্ঠে গাওয়ার ক্ষেত্রে: সাধারণত প্রথম ১০ চরণ গাওয়া হয়।
- যন্ত্র সংগীতে বাজানোর ক্ষেত্রে: প্রথম ৪ চরণ পর্যন্ত বাজানো হয়।
এই তথ্যগুলো বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইতিহাস ও পরিবেশন প্রটোকল বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
[ বিসিএস ৩৪তম ]
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৯৩টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য-প্রস্থের অনুপাত কোনটি?
[ বিসিএস ৩২তম ]
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হলো ১০:৬।
পতাকার মাপ এবং বৈশিষ্ট্য
- পতাকার দৈর্ঘ্যকে ১০ একক এবং প্রস্থকে ৬ একক ধরে এর মাপ নির্ধারণ করা হয়। এই অনুপাতটি ৫:৩ হিসেবেও প্রকাশ করা যায়।
- পতাকার মাঝখানে থাকা লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ হবে পতাকার দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- লাল বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দু পতাকার দৈর্ঘ্যের সাড়ে চার একক (৪.৫ একক) বামে এবং প্রস্থের মাঝখানে অবস্থিত। এর ফলে পতাকাটি যখন উড়ানো হয়, তখন লাল বৃত্তটি মাঝখানে আছে বলে মনে হয়।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় ফল কোনটি?
[ বিসিএস ৩১তম ]
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠালের আদি নিবাস ভারতের পশ্চিমঘাট পর্বতমালা। সারা বাংলাদেশে জন্মালেও নওগাঁ, দিনাজপুর, সাভার, মধুপুর ও সিলেট কাঁঠালের প্রধান এলাকা। আর আমগাছ হলো বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ।
প্রশ্নঃ বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
[ বিসিএস ২৯তম ]
বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড কার্জন। তিনি ১৯০৩ থেকে ১৯০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯০৫ সালে, তিনি বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন, যা বাংলার পূর্ব ও পশ্চিম অংশকে আলাদা করে দেয়। এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য ছিল হিন্দু-মুসলিম ঐক্য ভাঙা এবং ব্রিটিশ শাসনের প্রতি মুসলিমদের সমর্থন লাভ করা। তবে, বঙ্গভঙ্গের ফলস্বরূপ ভারতে ব্যাপক প্রতিবাদ ও বিরোধিতা সৃষ্টি হয়েছিল, বিশেষ করে ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকারীদের মধ্যে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির নাম কি?
[ বিসিএস ২৯তম ]
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার অবর্তমানে রাষ্ট্রপতি এবং সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক করে সরকার গঠন করা হয়। সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী। ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ছিলেন মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী।
প্রশ্নঃ অপরাজেয় বাংলা কবে উদ্বোধন করা হয়?
[ বিসিএস ২৮তম ]
ত্রিভুজাকৃতি ভূমির সামান্য কিছু ওপরে বন্দুক কাঁধে নারী ও পুরুষের সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের ও বিজয়ের প্রতীক ‘অপরাজেয় বাংলা’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন চত্বরে অবস্থিত। দেশের সর্বস্তরের মানুষের স্বাধীনতার সংগ্রামে অংশগ্রহণের প্রতীকী চিহ্ন অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়, ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯। এর স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।
প্রশ্নঃ জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
[ বিসিএস ২৮তম ]
ঢাকার সাভারের নবীনগরে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধকে বলা হয় ‘সম্মিলিত প্রয়াস’। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮২ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এটি উদ্বোধন করেন। এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। ১০৯ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এ সৌধে ৭টি ফলক রয়েছে। বাংলাপিডিয়া ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা-১২ এর তথ্য মতে, জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৭.২ মিটার। তবে প্রচলিত তথ্য মতে, এর উচ্চতা ৪৬.৫ মিটার।
প্রশ্নঃ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি কে?
[ বিসিএস ২৭তম ]
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা শহিদদের স্মরণে ১৯৫২ -এর ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম শহিদ মিনার স্থাপিত হলেও এর স্থায়িত্ব ছিল কম। তারপর হামিদুর রহমানের নকশা ও পরিকল্পনায় ১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাসে দ্বিতীয় বারের মতো শহিদ মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৫৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি উদ্ধোধন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পূর্বের নকশা অনুযায়ী শিল্পী হামিদুর রহমান স্থপতি এম এস জাফরের সঙ্গে মিলিতভাবে স্বাধীন বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার পুননির্মাণ করেন।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
[ বিসিএস ২৪তম ]
মানচিত্রখচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিবনারায়ণ দাশ। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে বর্তমান জাতীয় পতাকার (মানচিত্রবিহীন) ডিজাইন করেন বালাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান (১৯২১-১৯৮৮ খ্রি.)।
মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ ১৯৭২ সালের এপ্রিল থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন।
প্রশ্নঃ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?
[ বিসিএস ২২তম | প্রা. প্র. শি. নি. ১৩-০৯-২০০৯ | প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০১-২০১০ ]
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর থেকে জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পাখি-
[ বিসিএস ১৯তম ]
| পাখি | দোয়েল |
|---|---|
| পশু | রয়েল বেঙ্গল টাইগার |
| ফল | কাঁঠাল |
| ফুল | শাপলা |
| বৃক্ষ | আম গাছ |
| সংগীত | আমার সোনার বাংলা |
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
[ বিসিএস ১৬তম ]
মানচিত্র খচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিবনারায়ণ দাস। বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকেরও ডিজাইন করেন। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের বটতলায় এক ছাত্রসভায় ২ মার্চ, ১৯৭১।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন বিষয়টি প্রধানভাবে আছে?
[ বিসিএস ১৬তম ]
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ কবিতা ১৯০৫ সালে ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। ২৫ চরণবিশিষ্ট এ কবিতাটির প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয় ১৯৭১ সালের এপ্রিলে যা জাতীয় সংসদে পাস হয় ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২।
প্রশ্নঃ জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
[ বিসিএস ১৪তম ]
মইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি। হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের, তানভীর কবির মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের এবং নিতুন কুণ্ডু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাশ বাংলাদেশের স্থপতি।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
[ বিসিএস ১৪তম ]
মানচিত্রখচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিবনারায়ণ দাস। বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকেরও ডিজাইন করেন।
প্রশ্নঃ বীরশ্রেষ্ঠ পদক প্রাপ্তদের সংখ্যা কত?
[ বিসিএস ১৩তম | প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসীম বীরত্ব ও সাহসিকতা প্রদর্শণ এবং আত্মত্যাগের জন্য ৭ জন সূর্যসন্তানকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাব দেয়া হয়।
প্রশ্নঃ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে পালন করা হয়?
[ বিসিএস ১৩তম | রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ | প্রা. বি. স. শি. নি. ১০-০৮-২০১০ | প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে পাকবাহিনী ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর নির্বিচারে বহু বুদ্ধিজীবী হত্যা করে। তাই তাদের স্মরণে ১৪ ডিসেম্বরকে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।
১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সমাবেশে ডাকসুর ভিপি আ.স.ম. আব্দুর রব বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন। শেখ মুজিবুর রহমান ২৩ মার্চ তার বাসভবনে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং একই দিনে দেশব্যাপী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত কত?
[ বিসিএস ১১তম ]
বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার রূপকার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। জাতীয় পতাকার প্রথম নকশা করেছিলেন শিব নারায়ণ দাস এবং ইউসুফ সালাউদ্দিনকে নিয়ে হাসানুল হক ইনু; প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা হলের ৪০১ নং কক্ষে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্রসভায় ২ মার্চ ১৯৭১। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত ১০ : ৬।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা ছিলো–
[ বিসিএস ১০তম ]
মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
প্রশ্নঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়–
[ বিসিএস ১০তম ]
১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারির পর ২৩ জুন রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে খসড়া সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন। এ কমিটি গণপরিষদে খসড়া সংবিধান পেশ করে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর, যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
প্রশ্নঃ বিখ্যাত সাধক শাহ্ সুলতান বলখীর মাজার কোথায়?
[ বিসিএস ১০তম ]
বিখ্যাত ‘শাহ্ সুলতান বলখী মহীসওয়ার’ এর মাজারটি বগুড়া শহর থেকে ১০ কি.মি. দূরে মহাস্থানের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত। মহাস্থানগড়ের প্রধান নিদর্শনগুলো হলো বৈরাগী ভিটা, গোবিন্দ ভিটা, খোদাই পাথর ভিটা, সভাবাটি, শীলা দেবীর ঘাট, পরশুরামের প্রাসাদ ইত্যাদি।
পঞ্চদশ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা আফ্রিকার পশ্চিম-পূর্ব উপকূলে ঘুরে বরাবর সমুদ্রপথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিষ্কার করেন। ১৫১৪ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগিজ বণিকগণ উড়িষ্যার অন্তর্গত পিপলি নামক স্থানে সর্বপ্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। ১৫৩৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার সুলতান মাহমুদ শাহ শের শাহের বিরুদ্ধে পর্তুগিজদের সাহায্যের আাশায় চট্টগ্রাম ও সপ্তগ্রামে (হুগলি) বাণিজ্য কুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন। এভাবে বাংলায় পর্তুগিজদের প্রতিষ্ঠা হয়। উল্লেখ্য, ১৬০২ সালে ওলন্দাজরা, ১৬০০ সালে ইংরেজরা এবং ১৬৬৪ সালে ফরাসিরা বাংলায় আগমন করেন।
প্রশ্নঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়–
[ বিসিএস ১০তম | প্রা. প্র. শি. নি. ১২-১০-২০১২ ]
বঙ্গভঙ্গ রদ হলে ব্রিটিশরা পূর্ববঙ্গে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয় এবং এজন্য ১৯১২ সালে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নাথান কমিশন গঠিত হয়। ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেন। কলকাতার হিন্দুদের ব্যাপক বিরোধিতা সত্ত্বেও ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চালু হয়। পরবর্তীতে এটি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাতি অর্জন করে।
প্রশ্নঃ ঐতিহাসিক ছয় দফায় কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিলো না?
[ প্রা.বি.স.শি. 29-03-2024 ]
ছয় দফার দাবিগুলো ছিল:
১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি: দেশের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো হবে ফেডারেল বা যুক্তরাষ্ট্রীয় এবং সরকার পদ্ধতি হবে সংসদীয়। প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন সভার সদস্যদের নিয়ে গঠিত হবে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার।
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা শুধুমাত্র দুটি বিষয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে, যথা - প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক যোগাযোগ। অবশিষ্ট সকল বিষয়ে প্রাদেশিক সরকারগুলোর ক্ষমতা থাকবে নিরঙ্কুশ।
৩. মুদ্রা বা অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা: পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে। অথবা, এর বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে একটি মুদ্রাই থাকবে, তবে এ ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের মুদ্রা যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে, তার জন্য সাংবিধানিক বিধান রাখতে হবে।
৪. রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সংক্রান্ত ক্ষমতা: সকল প্রকার রাজস্ব, কর ও শুল্ক ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা থাকবে প্রাদেশিক সরকারগুলোর হাতে। কেন্দ্রীয় সরকারের কোন রাজস্ব ধার্যের ক্ষমতা থাকবে না। প্রাদেশিক সরকারের আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে তার ব্যয় নির্বাহের জন্য দেওয়া হবে।
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দুই অঞ্চলের জন্য পৃথক পৃথক হিসাব রাখতে হবে এবং পূর্ব পাকিস্তানের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা পূর্ব পাকিস্তানের অধীনেই থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের উপর এর কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।
৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও শাসনতন্ত্র রক্ষার জন্য প্রাদেশিক সরকারগুলোকে আধাসামরিক বা আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা দিতে হবে।
প্রশ্নঃ মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
[ প্রা.বি.স.শি. 08-12-2023 ]
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যগ্রন্থ হলো বন্দী শিবির থেকে।
এটি প্রখ্যাত কবি শামসুর রাহমান কর্তৃক রচিত। এই কাব্যগ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার আবেগ, অনুভূতি এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
অন্যান্য বিকল্পগুলো:
- কঃ প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম: এটিও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত, তবে এটি একটি উপন্যাস, লিখেছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী।
- খঃ নেকড়ে অরণ্য: এটি একটি উপন্যাস, লিখেছেন শওকত ওসমান। এর প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন।
- ঘঃ নিষিদ্ধ লোবান: এটি একটি উপন্যাস, লিখেছেন আনিসুল হক, যার প্রেক্ষাপটও মুক্তিযুদ্ধ।
সুতরাং, কাব্যগ্রন্থের মধ্যে বন্দী শিবির থেকে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধুকে ‘রাজনীতির নান্দনিক’ বলেছেন-
[ প্রা.বি.স.শি. 20-05-2022 ]
বাঙ্গালির আশা -আকাঙ্খার প্রতীক ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর 'শেখ হাসিনা ,নির্বাচিত উক্তি ' গ্রন্থে 'রাজনীতির নান্দনিক শিল্পী' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ।
প্রশ্নঃ মুক্তিযুদ্ধকালে জর্জ হ্যারিসন আয়োজিত কনসার্টের নাম কি ছিল?
[ প্রা.বি.স.শি. (৩য় ধাপ) 03-06-2022 ]
মুক্তিযুদ্ধকালে জর্জ হ্যারিসন আয়োজিত কনসার্টের নাম ছিল "কনসার্ট ফর বাংলাদেশ"। ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এই ঐতিহাসিক কনসার্টটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
প্রশ্নঃ ৭৫ তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে নিচের কোন চলচ্চিত্রটির ট্রেলার উদ্বোধন করা হয়?
[ প্রা.বি.স.শি. (৩য় ধাপ) 03-06-2022 ]
৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে "মুজিব: একটি জাতির রূপকার " চলচ্চিত্রটির ট্রেলার উদ্বোধন করা হয়।
এটি একটি ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের উপর নির্মিত।
এটি বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে।
চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন শ্যাম বেনেগাল।
চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে তুলে ধরে।
এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে।
প্রশ্নঃ ‘স্টপ জেনোসাইড’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের মূল বিষয়বস্তু–
[ প্রা.বি.স.শি. (৩য় ধাপ) 03-06-2022 ]
"স্টপ জেনোসাইড" প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের মূল বিষয়বস্তু হলো ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত গণহত্যা, নির্যাতন, এবং শরণার্থীদের দুর্দশা।
প্রশ্নঃ শেখ মুজিবুর রহমানকে কত সালে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
[ প্রা.বি.স.শি. (৩য় ধাপ) 03-06-2022 ]
১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। এর আগে ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা চলাকালীন সময়ে তিনি কারাবন্দী ছিলেন। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে তার সম্মানে সভার আয়োজন করে।
প্রশ্নঃ স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান কোনটি?
[ প্রা.বি.স.শি. (৩য় ধাপ) 03-06-2022 ]
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল 'চরমপত্র'। এম আর আখতার মুকুল রচিত ও উপস্থাপিত এই অনুষ্ঠানটি ছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান।
প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে 'RTC' এর পূর্ণরূপ কী?
[ প্রা.বি.স.শি. (৩য় ধাপ) 03-06-2022 ]
প্রশ্নঃ বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফার ২য় দফাটি নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
[ প্রা.বি.স.শি. 22-04-2022 ]
বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফার ২য় দফাটি কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সম্পর্কিত।
এই দফায় বলা হয়েছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে শুধু মাত্র দুটি ক্ষমতা থাকবে। একটি হলো প্রতিরক্ষা এবং অপরটি হলো বৈদেশিক সম্পর্ক। বাকি সকল ক্ষমতা অঙ্গরাজ্যগুলোর হাতে ন্যস্ত থাকবে।
প্রশ্নঃ কত তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেয়া হয়?
[ প্রা.বি.স.শি. 22-04-2022 ]
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে "বঙ্গবন্ধু" উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা) এক বিশাল গণসংবর্ধনায় এই উপাধি দেওয়া হয়। তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ (পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রী) শেখ মুজিবুর রহমানকে "বঙ্গবন্ধু" (বাঙালির বন্ধু) উপাধি প্রদান করেন। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই উপাধি দেওয়া হয়।