আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. দোষ স্বীকার করলে তােমাকে শাস্তি দেওয়া হবে না।
খ. তিনি বেড়াতে এসে কেনাকাটা করলেন।
গ. মহৎ মানুষ বলে সবাই তাঁকে সম্মান করেন।
ঘ. ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী।
উত্তরঃ ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী।
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো ঘঃ ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী

যৌগিক বাক্য হলো সেই বাক্য, যেখানে দুই বা তার বেশি সরল বাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় (যেমন: এবং, ও, কিন্তু, অথবা, তথাপি, বরং, কিংবা) দ্বারা যুক্ত থাকে এবং প্রতিটি সরল বাক্য স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে।

অপশন (ঘ)-তে "ছেলেটি চঞ্চল" একটি সরল বাক্য এবং "তবে মেধাবী" আরেকটি সরল বাক্য, যা "তবে" সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। উভয় বাক্যই স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে সক্ষম।

অন্যান্য বাক্যগুলো সরল বা জটিল বাক্য:

  • কঃ দোষ স্বীকার করলে তােমাকে শাস্তি দেওয়া হবে না: এটি একটি জটিল বাক্য। এখানে "দোষ স্বীকার করলে" একটি অধীন খণ্ডবাক্য এবং "তােমাকে শাস্তি দেওয়া হবে না" প্রধান খণ্ডবাক্য।

  • খঃ তিনি বেড়াতে এসে কেনাকাটা করলেন: এটি একটি সরল বাক্য। এখানে একটি কর্তা ("তিনি") এবং দুটি অসমাপিকা ক্রিয়া ("বেড়াতে এসে", "করলেন") রয়েছে।

  • গঃ মহৎ মানুষ বলে সবাই তাঁকে সম্মান করেন: এটি একটি জটিল বাক্য। এখানে "মহৎ মানুষ বলে" একটি অধীন খণ্ডবাক্য এবং "সবাই তাঁকে সম্মান করেন" প্রধান খণ্ডবাক্য।

ক. তাতে সমাজজীবন চলে।
খ. তাতে না সমাজজীবন চলে।
গ. তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।
ঘ. তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে।
উত্তরঃ তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো গঃ তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে

ব্যাখ্যা:

অস্তিবাচক রূপ তৈরি করতে "না" বা বিপরীত অর্থের শব্দ ব্যবহার করা হয়।

প্রদত্ত বাক্য:
"তাতে সমাজজীবন চলে না।"
এখানে "চলে না" অংশের বিপরীত অর্থ "অচল হয়ে পড়ে"

অন্য বিকল্পগুলোর বিশ্লেষণ:

  • কঃ "তাতে সমাজজীবন চলে" (এটি আসল বাক্যের ইতিবাচক রূপ)
  • খঃ "তাতে না সমাজজীবন চলে" (এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়)
  • ঘঃ "তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে" (এটি ইতিবাচক রূপ, অস্তিবাচক নয়)
ক. প্রসাদগুণ, মাধুর্যগুণ
খ. উপমা, অলংকার
গ. উদ্দেশ্য, বিধেয়
ঘ. সাধু, চলিত
উত্তরঃ উদ্দেশ্য, বিধেয়
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো গঃ উদ্দেশ্য, বিধেয়

একটি সার্থক বাক্যের প্রধান দুটি অংশ হলো উদ্দেশ্য (Subject) এবং বিধেয় (Predicate)

  • উদ্দেশ্য: বাক্যের যে অংশে কারো বা কোনো কিছুর সম্পর্কে কিছু বলা হয়, তাকে উদ্দেশ্য বলে। সাধারণত বাক্যের কর্তা বা কর্তার স্থানীয় পদই উদ্দেশ্য হিসেবে কাজ করে।
  • বিধেয়: বাক্যের যে অংশে উদ্দেশ্যের সম্পর্কে কিছু বলা হয়, তাকে বিধেয় বলে। বিধেয়ের মধ্যে ক্রিয়া এবং ক্রিয়ার সম্প্রসারণ (কর্ম, করণ, অধিকরণ ইত্যাদি) অন্তর্ভুক্ত থাকে।

অন্যান্য বিকল্পগুলো ব্যাকরণের ভিন্ন ভিন্ন বিষয় সম্পর্কিত:

  • কঃ প্রসাদগুণ, মাধুর্যগুণ: এগুলো সাহিত্যিক গুণ, যা বাক্য বা রচনার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
  • খঃ উপমা, অলংকার: এগুলোও সাহিত্যিক উপাদান, যা ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশে সাহায্য করে।
  • ঘঃ সাধু, চলিত: এগুলো বাংলা ভাষার দুটি রূপ বা রীতি।
ক. বিদ্বান হলেও তার কোনো অহংকার নেই
খ. ইশ! যদি পাখির মত পাখা পেতাম।
গ. অঅকারণে ঋণ করিও না
ঘ. হয়তো সোহমা আসতে পারে
উত্তরঃ অঅকারণে ঋণ করিও না
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো গঃ অঅকারণে ঋণ করিও না

এই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ নয়। সঠিক বাক্যটি হবে:

অকারণে ঋণ করিও না

এখানে "অ" এবং "আ" একসাথে ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। "অকারণে" শব্দটি নিজেই "কারণ ছাড়া" অর্থ প্রকাশ করে।

অন্যান্য বাক্যগুলো শুদ্ধ:

  • কঃ বিদ্বান হলেও তার কোনো অহংকার নেই: এটি একটি যৌগিক বাক্য এবং ব্যাকরণসম্মত।
  • খঃ ইশ! যদি পাখির মত পাখা পেতাম।: এটি একটি আকাঙ্ক্ষাবাচক বাক্য এবং ব্যাকরণসম্মত।
  • ঘঃ হয়তো সোহমা আসতে পারে: এটি একটি সন্দেহবাচক বাক্য এবং ব্যাকরণসম্মত।
ক. অনুজ্ঞাবাচক
খ. নির্দেশাত্মক
গ. বিস্ময়বোধক
ঘ. প্রশ্নবোধক
উত্তরঃ নির্দেশাত্মক
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো খঃ নির্দেশাত্মক

এই বাক্যটি একটি সাধারণ বিবৃতি প্রদান করছে, যেখানে বক্তা তার একটি বিচিত্র অভিজ্ঞতার কথা নির্দেশ করছেন বা জানাচ্ছেন। এটি কোনো আদেশ, বিস্ময়, বা প্রশ্ন প্রকাশ করছে না।

অন্যান্য বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:

  • অনুজ্ঞাবাচক: আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ ইত্যাদি বোঝায় (যেমন: "তুমি এখন যাও")।
  • বিস্ময়বোধক: বিস্ময় বা আবেগ প্রকাশ করে এবং শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) থাকে (যেমন: "কী বিচিত্র অভিজ্ঞতা!")।
  • প্রশ্নবোধক: কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে এবং শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) থাকে (যেমন: "তোমার কি কোনো বিচিত্র অভিজ্ঞতা হলো?")।
ক. করছিলাম
খ. করেছি
গ. করছি
ঘ. করব
উত্তরঃ করব
ব্যাখ্যাঃ

করব যৌগিক কালের উদাহরণ নয়।

যৌগিক কাল গঠিত হয় যখন দুটি ক্রিয়া একসাথে একটি বিশেষ সময়ের ভাব প্রকাশ করে।

  • করছিলাম: এটি ঘটমান অতীত কালের উদাহরণ (অতীতকালে কাজটি চলছিল)। এখানে 'কর' (ধাতু) + 'ছিলাম' (সহায়ক ক্রিয়া) মিলিত হয়ে যৌগিক কাল গঠন করেছে।

  • করেছি: এটি পুরাঘটিত বর্তমান কালের উদাহরণ (কাজটি শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও বর্তমান)। এখানে 'কর' (ধাতু) + 'এছি' (সহায়ক ক্রিয়া) মিলিত হয়ে যৌগিক কাল গঠন করেছে।

  • করছি: এটি ঘটমান বর্তমান কালের উদাহরণ (বর্তমানে কাজটি চলছে)। এখানে 'কর' (ধাতু) + 'ছি' (সহায়ক ক্রিয়া) মিলিত হয়ে যৌগিক কাল গঠন করেছে।

  • করব: এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের উদাহরণ (কাজটি ভবিষ্যতে হবে)। এখানে 'কর' (ধাতু) + 'ব' (ক্রিয়া বিভক্তি) যুক্ত হয়েছে, এটি কোনো সহায়ক ক্রিয়ার সাথে যুক্ত হয়ে যৌগিক কাল গঠন করেনি। এটি একটি সরল কালের উদাহরণ।

ক. আকাঙক্ষা
খ. যোগ্যতা
গ. আসক্তি
ঘ. আসত্তি
উত্তরঃ আসক্তি
ব্যাখ্যাঃ

আসক্তি সার্থক বাক্যের গুণ নয়।

ব্যাখ্যা:

একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ রয়েছে: ১. আকাঙ্ক্ষা: একটি পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা। ২. যোগ্যতা: বাক্যের পদগুলোর মধ্যে অর্থগত ও ভাবগত সঙ্গতি। ৩. আসত্তি (নৈকট্য): বাক্যের পদগুলোকে সুবিন্যস্তভাবে ও পরপর সাজিয়ে লেখা।

আসক্তি শব্দের অর্থ হলো গভীর অনুরাগ, আকর্ষণ বা আসক্ত হওয়া। এটি সার্থক বাক্যের কোনো গুণ নয়। 'আসক্তি' একটি মানসিক অবস্থা, যা ব্যাকরণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

ক. মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ করে
খ. মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ না করে পারে না
গ. মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
ঘ. মিথ্যাবাদীকে কেউ অপছন্দ করে না
উত্তরঃ মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
ব্যাখ্যাঃ

মূল বাক্য: ‘মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে’ (এটি একটি ইতিবাচক বাক্য, যা একটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করছে)।

এই বাক্যটিকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হবে, যার অর্থ একই থাকবে।

  • কঃ মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ করে: এটি মূল বাক্যের অর্থের বিপরীত।
  • খঃ মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ না করে পারে না: এটি একটি দ্বৈত নেতিবাচক বাক্য, যার অর্থ "সবাই পছন্দ করে"। এটি মূল বাক্যের অর্থের বিপরীত।
  • গঃ মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না: এটি মূল বাক্যের অর্থকে সঠিকভাবে নেতিবাচক রূপে প্রকাশ করে। "সবাই অপছন্দ করে" মানে "কেউ পছন্দ করে না"।
  • ঘঃ মিথ্যাবাদীকে কেউ অপছন্দ করে না: এটিও মূল বাক্যের অর্থের বিপরীত।

সুতরাং, সঠিক রূপান্তরটি হলো মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না

ক. দৈন্যতা সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়
খ. দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়
গ. দৈন্যতা সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়
ঘ. দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়
উত্তরঃ দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়
ব্যাখ্যাঃ

‘দৈন্যতা’ অশুদ্ধ শব্দটির শুদ্ধরূপ ‘দৈন্য’।

‘খ’ অপশনে প্রদত্ত ‘মহত্ব’ এর সঠিক বানান ‘মহত্ত্ব’।

ক. যোগ্যতা
খ. আকাঙ্ক্ষা
গ. আসক্তি
ঘ. আসত্তি
উত্তরঃ আসক্তি
ব্যাখ্যাঃ

একটি সার্থক বাক্যের তিনটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য থাকে: ১. আকাঙ্ক্ষা: বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণভাবে বোঝার জন্য শ্রোতার মনে আর কিছু শোনার যে ইচ্ছা জাগে। (যেমন: "সূর্য" বললে শ্রোতার মনে "সূর্য কী?" এমন প্রশ্ন জাগে, তাই বাক্যটি অসম্পূর্ণ।) ২. আসত্তি (নৈকট্য): বাক্যের পদগুলো সুবিন্যস্তভাবে এবং পরপর বসানো যাতে অর্থ বুঝতে কোনো অসুবিধা না হয়। (যেমন: "আছে একটি মাঠে চরে গরু" না হয়ে "মাঠে গরু চরে আছে"।) ৩. যোগ্যতা: বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোর অর্থগত এবং ভাবগত সংগতি বা সঙ্গতি। (যেমন: "গরু আকাশে উড়ে" বাক্যটি যোগ্যতা হারায়, কারণ গরুর ওড়ার ক্ষমতা নেই।)

আসক্তি শব্দের অর্থ হলো আসক্ত বা লিপ্ত হওয়া, যা একটি মানসিক অবস্থা এবং বাক্যের বৈশিষ্ট্য নয়।

ক. সরল
খ. মিশ্র বা জটিল
গ. যৌগিক
ঘ. সংযুক্ত
উত্তরঃ মিশ্র বা জটিল
ব্যাখ্যাঃ

এটি একটি জটিল বাক্য

কারণ এই বাক্যে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে: ১. ‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ (অসমাপিকা খণ্ডবাক্য) ২. ‘সখিনা বিবির কপাল ভাঙল’ (সমাপিকা খণ্ডবাক্য)

একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সাথে এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য যখন সংযোজিত হয়, তখন তাকে জটিল বাক্য বলে।

ক. জটিল বাক্য
খ. যৌগিক বাক্য
গ. সরল বাক্য
ঘ. মিশ্র বাক্য
উত্তরঃ সরল বাক্য
ব্যাখ্যাঃ

এটি একটি সরল বাক্য

সরল বাক্য-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, যে বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং একটি মাত্র বক্তব্য বা ভাব প্রকাশিত হয়, তাকে সরল বাক্য বলে।

আপনার দেওয়া বাক্যটিতে ("মা ছিল না বলে কেউ তার চুল বেঁধে দেয়নি।") একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া আছে, সেটি হলো ‘বেঁধে দেয়নি’। এখানে ‘মা ছিল না বলে’ অংশটি কারণ বোঝালেও এটি কোনো পৃথক বাক্য বা খণ্ডবাক্য নয়। এটি মূল বাক্যেরই একটি অংশ, যা বাক্যটিকে একটি সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করে।

ক. আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও বিধেয়
খ. আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
গ. যোগ্যতা, উদ্দেশ্য ও বিধেয়
ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তরঃ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
ব্যাখ্যাঃ

ভাষার বিচারে বাক্যের ৩টি গুণ থাকা আবশ্যক- ১. আকাঙ্ক্ষা, ২. আসত্তি ও ৩. যোগ্যতা। বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা-ই আকাঙ্ক্ষা। বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি। আর বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মেলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।

ক. সরল বাক্য
খ. যৌগিক বাক্য
গ. মৌলিক বাক্য
ঘ. মিশ্র বাক্য
উত্তরঃ মিশ্র বাক্য
ব্যাখ্যাঃ

যে পূর্ণ বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য পরস্পর সম্পর্কযুক্ত থাকে তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। যেমন - যারা মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করে, তারা পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়। সুতরাং আলোচ্য বাক্যটি মিশ্র বাক্য।

ক. তাহার জীবন সংশয়পূর্ন
খ. তাহার জীবন সংশয়ময়
গ. তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ
ঘ. তাহার জীবন সংশয়ভরা
উত্তরঃ তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ
ব্যাখ্যাঃ

‘সংশয়’ শব্দটি একটি বিশেষ্যপদ, যার বিশেষণ হলো ‘সংশয়াপূর্ণ’। সংশয়াপূর্ণ শব্দটির অর্থ সন্দেহপূর্ণ বা দ্বিধাপূর্ণ। উপরিউক্ত বাক্যে ‘তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ’ দ্বারা গভীর অনিশ্চয়তা প্রকাশ করা হয়েছে।

ক. সরল
খ. জটিল
গ. যৌগিক
ঘ. অনুজ্ঞামূলক
উত্তরঃ জটিল
ব্যাখ্যাঃ

যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও তাকে আশ্রয় বা অবলম্বন করে এক বা একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। জটিল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে। এদের মধ্যে একটি প্রধান থাকে, এবং অন্যগুলো সেই বাক্যের উপর নির্ভর করে। প্রতিটি খণ্ড-বাক্যের পরে কমা (,) বসে। অর্থাৎ যে বাক্যে একটি স্বাধীন বাক্য এবং এক বা একাধিক অধীন বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য বলে। যেমন – যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে। (প্রথম অংশটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, দ্বিতীয়টি প্রধান খণ্ডবাক্য) যিনি পরের উপকার করেন, তাঁকে সবাই শ্রদ্ধা করে। * কোথাও পথ না পেয়ে তোমার কাছে এসেছি। জটিল বা মিশ্র বাক্য চেনার সহজ উপায় কি? জটিল বা মিশ্র বাক্য চেনার সহজ উপায়ঃ এ ধরনের বাক্যে সাধারণত যে- সে, যত- তত, যারা- তারা, যাদের- তাদের, যখন- তখন – এ ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম পদ থাকে। দুইটি অব্যয় যদি অর্থ প্রকাশের জন্য পরস্পরের উপর নির্ভর করে, তবে তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে। আবার যদি – তবু, অথচ- তথাপি– এ রকম কিছু পরস্পর সাপেক্ষ সর্বনাম/অব্যয়ও জটিল/মিশ্র বাক্যে ব্যবহৃত হয়। তবে এ ধরনের অব্যয় ছাড়াও জটিল বা মিশ্র বাক্য হতে পারে।

ক. না-বাচক
খ. হ্যাঁ-বাচক
গ. প্রশ্নবোধক
ঘ. বিস্ময়সূচক
উত্তরঃ হ্যাঁ-বাচক
ব্যাখ্যাঃ

উপরিউক্ত বাক্যটি দেখতে প্রশ্নবোধক মনে হলেও বাক্যটির অন্তর্নিহিত ভাবটি আগামীকাল আসার কথা (বিবৃতি) বলা হয়েছে। তাই এটি হ্যাঁ-বাচক।

প্রশ্নঃ কোনটি অনুজ্ঞা?

[ বিসিএস ২১তম | প্রা. বি. স. শি. নি. ০৩-০৯-২০০৭ ]

ক. তুমি গিয়েছিলে
খ. তুমি যাও
গ. তুমি যাচ্ছিলে
ঘ. তুমি যাচ্ছ
উত্তরঃ তুমি যাও
ব্যাখ্যাঃ

কিছু করার আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, আশীর্বাদ, প্রার্থনা-কামনা, অনুমতি ইত্যাদি বোঝাতে ক্রিয়ার যে বিশেষ রীতি ব্যবহৃত হয় তাকে অনুজ্ঞা (ভাব) বলা হয়। যেমন- বর্তমান কালে: কলমটি দাও। ভবিষ্যৎ কালে: কাল দেখা হবে ইত্যাদি। সুতরাং 'তুমি যাও' একটি অনুজ্ঞা।

ক. যৌগিক বাক্য
খ. সাধারণ বাক্য
গ. মিশ্র বাক্য
ঘ. সরল বাক্য
উত্তরঃ যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যাঃ

পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্যটি যৌগিক। কারণ, এখানে দুটি নিরপেক্ষ বাক্য রয়েছে। ১. তার বয়স বেড়েছে ২. তার বুদ্ধি বাড়েনি- বাক্য দুটি অব্যয় দ্বারা যুক্ত।

ক. কবিতার পংক্তিতে
খ. গানের কলিতে
গ. গল্পের কলিতে
ঘ. নাটকের সংলাপে
উত্তরঃ নাটকের সংলাপে
ব্যাখ্যাঃ

সাধুরীতির বৈশিষ্ট্য হলো : ১. এ ভাষারীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণ নিয়ম অনুসারে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট । ২. এ ভাষারীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। ৩. এ রীতি নাটক, সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী। ৪. এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।

ক. তুই বাড়ি যা
খ. ক্ষমা করা মোর অপরাধ
গ. কাল একবার এসো
ঘ. দূর হও
উত্তরঃ কাল একবার এসো
ব্যাখ্যাঃ

আদেশ অর্থে : তুই বাড়ি যা। প্রার্থনা অর্থে : ক্ষমা করা মোর অপরাধ। অনুরোধ অর্থে : কাল একবার এসো। ভর্ৎসনা অর্থে : দূর হও।

ক. মিশ্র
খ. জটিল
গ. যৌগিক
ঘ. সরল
উত্তরঃ সরল
ব্যাখ্যাঃ

এটি সরল বাক্য। কারণ বাক্যটিতে একটি কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।

ক. একটি জটিল ও একটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
খ. একটি সংযুক্ত ও একটি বিযুক্ত বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
গ. দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
ঘ. দুটি মিশ্র বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
উত্তরঃ দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
ব্যাখ্যাঃ

পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বাক্য বা মিশ্রবাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন: উদয়াস্ত পরিশ্রম করব, তথাপি অন্যের দারস্থ হব না।

ক. আদিবাসী মানুষ অরণ্য জনপদে বাস করে
খ. বনের পশু বনে থাকতেই ভালোবাসে
গ. জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
ঘ. প্রকৃতির রূপ-সৌন্দর্য আদি ও অকৃত্রিম
উত্তরঃ জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
ব্যাখ্যাঃ

‘বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে’ বাক্যটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী ‘পালামৌ’ থেকে সংগৃহীত। প্রতিটি জীবই তার স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর এটি বোঝাতেই উপমাটি ব্যবহৃত হয়।

ক. বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রের শিকার হন
খ. বিদ্যান ব্যক্তিগণ দারিদ্রতার শিকার হন
গ. বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন
ঘ. বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার স্বীকার হন
উত্তরঃ বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন
ব্যাখ্যাঃ

বিদ্যান, দারিদ্র, দারিদ্রতা শব্দগুলোর শুদ্ধরূপ হলো: বিদ্বান, দারিদ্র্য, দরিদ্রতা।

ক. একটা গোপনীয় কথা বলি
খ. একটি গোপন কথা বলি
গ. একটি গোপন কথা বলি
ঘ. একটি গুপ্ত কথা বলি
উত্তরঃ একটা গোপনীয় কথা বলি
ক. দুর্বলবশত অনাথিনী বসে পড়া
খ. দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল
গ. দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
ঘ. দুর্বলবশত অনাথা বসে পড়ল
উত্তরঃ দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
ব্যাখ্যাঃ

অনাথা শব্দটি অনাথ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ। বর্তমান বাংলা ভাষা রীতি অনুসারে শব্দের শেষে 'ঃ' বসে না।

তাই 'দুর্বলতাবশতঃ' এর শুদ্ধরূপ 'দুর্বলতাবশত'।

ক. যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
খ. অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
গ. নাচতে না জানলে উঠোন ভাঙ্গা
ঘ. যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
উত্তরঃ অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
ব্যাখ্যাঃ

‘যত গর্জে তত বর্ষে না’, ‘নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা’, ‘যেখানে বাঘের ভয় সেখানে রাত হয়’ প্রবচন বাক্যগুলি ব্যবহারিক দিক হতে সঠিক নয়।

ক. কোলন
খ. কমা
গ. দাঁড়ি
ঘ. সেমিকোলন
উত্তরঃ কমা
ব্যাখ্যাঃ

জটিল বাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেক খন্ড বাক্যের পর কমা (,) বসে।

তবে, যদি খন্ড বাক্যগুলো এবং, ও, আর ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়, তবে কমা বসে না।

উদাহরণ:

  • যে পরিশ্রম করে, সে সফল হয়। (এখানে 'যে পরিশ্রম করে' এবং 'সে সফল হয়' দুটি খন্ড বাক্য এবং এদের মাঝে কমা বসেছে।)
  • যদি তুমি আসো এবং সেও আসে, তবে আমরা একসাথে যাব। (এখানে 'যদি তুমি আসো' এবং 'সেও আসে' 'এবং' দ্বারা যুক্ত হওয়ায় কমা বসেনি।)

সুতরাং, সাধারণভাবে জটিল বাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেক খন্ড বাক্যের পর কমা বসে, তবে সংযোজক অব্যয় থাকলে বসে না।

ক. মিশ্র
খ. যৌগিক
গ. দ্বিরুক্ত
ঘ. সরল
উত্তরঃ সরল
ব্যাখ্যাঃ

"আমার জ্বর জ্বর লাগছে" এটি সরল বাক্য।

কারণ:

  • সরল বাক্য: যে বাক্যে একটি কর্তা (এখানে 'আমার') এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া ('লাগছে') থাকে এবং যা একটিমাত্র ভাব প্রকাশ করে, তাকে সরল বাক্য বলে। এই বাক্যে একটিমাত্র অনুভূতি প্রকাশ পাচ্ছে - জ্বর জ্বর লাগার অনুভূতি।

অন্যান্য বিকল্পগুলো কেন নয়:

  • মিশ্র বাক্য: যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়।
  • যৌগিক বাক্য: দুই বা ততোধিক সরল বাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় (যেমন - এবং, ও, কিন্তু, অথবা) দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
  • দ্বিরুক্ত বাক্য: একই শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হয়ে যখন বিশেষ অর্থ বা ভাব প্রকাশ করে, তখন তাকে দ্বিরুক্ত বাক্য বলে। যদিও 'জ্বর জ্বর' দ্বিরুক্তি শব্দ, কিন্তু পুরো বাক্যটি একটি সরল বাক্য কারণ এখানে একটিমাত্র অনুভূতি প্রকাশ পাচ্ছে।

প্রশ্নঃ কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

[ প্রা.বি.স.শি. 20-05-2022 ]

ক. তিনি স্বস্ত্রীক শহরে থাকেন।
খ. তিনি সস্ত্রীক শহরে থাকেন।
গ. তিনি ও স্ত্রী শহরে থাকেন।
ঘ. তিনি স্ব- স্ত্রী সহ শহরে থাকেন।
উত্তরঃ তিনি সস্ত্রীক শহরে থাকেন।
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক বাক্যটি হলো তিনি সস্ত্রীক শহরে থাকেন

'সস্ত্রীক' শব্দের অর্থ হলো স্ত্রীর সাথে। এটি একটি একক শব্দ, তাই এর সাথে 'সহ' বা 'ও স্ত্রী' যোগ করার প্রয়োজন নেই।

অন্যান্য বাক্যগুলো কেন অশুদ্ধ:

  • কঃ তিনি স্বস্ত্রীক শহরে থাকেন: 'স্ব' এবং 'স্ত্রীক' আলাদাভাবে লেখার কারণে এটি ভুল।
  • গঃ তিনি ও স্ত্রী শহরে থাকেন: এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল নয়, তবে 'সস্ত্রীক' ব্যবহার করলে বাক্যটি আরও সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর হয়।
  • ঘঃ তিনি স্ব- স্ত্রী সহ শহরে থাকেন: এখানে 'স্ব', 'স্ত্রী' এবং 'সহ' একসাথে ব্যবহার করা বাহুল্য দোষে দুষ্ট। 'সস্ত্রীক' নিজেই 'স্ত্রী সহ' অর্থ বহন করে।
ক. সূর্য পূর্বদিকে উদয়মান হয়
খ. সূর্য পূর্বদিকে উদিয়ামান হয়
গ. সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয়
ঘ. সূর্য পূর্বদিকে উদিত হয়
উত্তরঃ সূর্য পূর্বদিকে উদিত হয়

প্রশ্নঃ কোনটি যৌগিক বাক্য?

[ প্রা.বি.স.শি. 27-06-2019 ]

ক. তুমি আমার বাড়িতে না আসলে আমি অখুশি হব।
খ. তুমি আমার বাড়িতে আসলে আমি খুশি হব
গ. তুমি আমার বাড়িতে এস, আমি খুশি হব
ঘ. তুমি যদি আমার বাড়িতে আস আমি খুশি হব
উত্তরঃ তুমি আমার বাড়িতে এস, আমি খুশি হব
ব্যাখ্যাঃ

যৌগিক বাক্য হলো এমন বাক্য, যেখানে দুটি বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য সংযোগকারী অব্যয় (যেমন: এবং, অথবা, কিন্তু, তাই ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত থাকে।

ক. আমি সাক্ষ্য দিয়েছি
খ. আমি সাক্ষী দিতেছি
গ. আমি সাক্ষী দিলাম
ঘ. আমি সাক্ষী দিয়েছি
উত্তরঃ আমি সাক্ষ্য দিয়েছি
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক বাক্যটি হলো: কঃ আমি সাক্ষ্য দিয়েছি।

বাক্যের শুদ্ধরূপের কিছু সাধারণ নিয়ম নিচে দেওয়া হলো:

1. শব্দের সঠিক ব্যবহার: বাক্যে ব্যবহৃত শব্দগুলোর সঠিক অর্থ এবং প্রয়োগ জানা জরুরি।
2. ক্রিয়ার সঠিক রূপ: বাক্যে ক্রিয়ার কাল, পুরুষ এবং বচন অনুযায়ী সঠিক রূপ ব্যবহার করতে হবে।
3. বিভক্তির সঠিক প্রয়োগ: কারক ও সম্বন্ধ অনুযায়ী বাক্যে বিভক্তির সঠিক প্রয়োগ করতে হবে।
4. বাক্যের গঠন: বাক্যের গঠন যেন সহজবোধ্য এবং অর্থপূর্ণ হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
5. বানান শুদ্ধতা: বাক্যে ব্যবহৃত শব্দগুলোর বানান নির্ভুল হতে হবে।

"সাক্ষী" শব্দটি বিশেষ্য, যা কোনো ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিকে বোঝায়। আর "সাক্ষ্য" শব্দটি বিশেষ্য, যা কোনো ঘটনার প্রমাণ বা বিবৃতিকে বোঝায়। তাই, সঠিক বাক্যটি হবে "আমি সাক্ষ্য দিয়েছি"।

ক. আকাঙ্ক্ষা
খ. দৃঢ়তা
গ. আসত্তি
ঘ. যোগ্যতা
উত্তরঃ আকাঙ্ক্ষা
ব্যাখ্যাঃ

বাক্যে একের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছাকে আকাঙ্ক্ষা বলে। অর্থাৎ, একটি বাক্য শোনার পর যদি আরও কিছু শোনার বা জানার ইচ্ছা থাকে, তবে তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে।

উদাহরণ:
1. "চাঁদ পৃথিবীর চারপাশে..." - এই বাক্যটিতে আরও কিছু শোনার আকাঙ্ক্ষা থাকে।
2. "চাঁদ পৃথিবীর চারপাশে ঘোরে।" - এই বাক্যটি শোনার পর আর কিছু শোনার আকাঙ্ক্ষা থাকে না।

প্রশ্নঃ শুদ্ধ বাক্য কোনটি?

[ প্রা.বি.স.শি. 27-06-2019 ]

ক. তুমি, শফিক ও আমি সিনেমা দেখতে যাব
খ. আমি, শফিক ও তুমি সিনেমা দেখতে যাব
গ. তুমি, আমি ও শফিক সিনেমা দেখতে যাব
ঘ. শফিক ,তুমি ও আমি সিনেমা দেখতে যাব
উত্তরঃ তুমি, শফিক ও আমি সিনেমা দেখতে যাব
ব্যাখ্যাঃ

উত্তম পুরুষ + মধ্যম পুরুষ + নাম পুরুষ অর্থাৎ তিন পুরুষ মিলে একটি কাজ করলে প্রথমে মধ্যম>নাম>উত্তম পুরুষ বসবে।

ক. তুমি গিয়েছিলে
খ. তুমি যাচ্ছ
গ. তুমি যাও
ঘ. তুমি যাচ্ছিলে
উত্তরঃ তুমি যাও
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো গঃ তুমি যাও

অনুজ্ঞা প্রকাশক বাক্য হলো সেই বাক্য, যা আদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, আশীর্বাদ, অভিশাপ ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ করে।

  • কঃ তুমি গিয়েছিলে: এটি অতীতকালের সাধারণ বিবৃতি।
  • খঃ তুমি যাচ্ছ: এটি বর্তমানকালের ঘটমান বর্তমানের বিবৃতি।
  • গঃ তুমি যাও: এটি একটি আদেশ বা অনুরোধ বোঝাচ্ছে (যাওয়ার জন্য বলা হচ্ছে)।
  • ঘঃ তুমি যাচ্ছিলে: এটি অতীতকালের ঘটমান অতীতের বিবৃতি।

সুতরাং, "তুমি যাও" বাক্যটি আদেশ বা অনুরোধের ভাব প্রকাশ করায় এটি অনুজ্ঞা প্রকাশক।

ক. জটিল
খ. মিশ্র
গ. যৌগিক
ঘ. সরল
উত্তরঃ যৌগিক
ব্যাখ্যাঃ

"বুঝে শুনে উত্তর দাও নতুবা ভুল হবে" বাক্যটি একটি যৌগিক বাক্য।

কারণ এই বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন বাক্য ("বুঝে শুনে উত্তর দাও" এবং "ভুল হবে") একটি সংযোজক অব্যয় ("নতুবা") দ্বারা যুক্ত হয়েছে।

ক. গুরুচণ্ডালী দোষ
খ. বিদেশী শব্দ দোষ
গ. দুর্বোধ্যতা দোষ
ঘ. বাহুল্য দোষ
উত্তরঃ বাহুল্য দোষ
ব্যাখ্যাঃ

"সকল শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত" বাক্যটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট।

বাংলা ব্যাকরণে "সকল" এবং "-গণ" একই অর্থে বহুবচন নির্দেশ করে। তাই এই দুটি শব্দ একই সাথে ব্যবহার করা বাহুল্য বা অতিরিক্ত।

সঠিক বাক্যটি হবে:
সকল শিক্ষক আজ উপস্থিত
অথবা
শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত

উভয় বাক্যই ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ এবং একই অর্থ প্রকাশ করে। "সকল" এবং "-গণ" এর দ্বৈত ব্যবহারের কারণে প্রথম বাক্যটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়েছে।

ক. যৌগিক বাক্য
খ. জটিল বাক্য
গ. মিশ্র বাক্য
ঘ. সরল বাক্য
উত্তরঃ যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যাঃ

"আমি যাব তবে কাল যাব" - এটি একটি যৌগিক বাক্য

কারণ এই বাক্যটিতে দুটি স্বাধীন বাক্য রয়েছে:
১. "আমি যাব"
২. "কাল যাব"

এই দুটি বাক্য "তবে" নামক একটি সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। যৌগিক বাক্যের বৈশিষ্ট্য হলো একাধিক স্বাধীন বাক্য একটি সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। "তবে" এখানে একটি শর্ত বা বিলম্বের ভাব প্রকাশ করছে, কিন্তু এটি দুটি স্বাধীন বাক্যকে সংযুক্ত করেছে।

প্রশ্নঃ বাক্যের ক্ষুদ্রাংশকে কী বলে?

[ ১৭তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. রূপ
খ. পদ
গ. ধ্বনি
ঘ. শব্দমূল
উত্তরঃ শব্দমূল
ব্যাখ্যাঃ

বাক্যের ক্ষুদ্রাংশকে শব্দ বলে।

যখন ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টির মাধ্যমে কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, তখন তাকে শব্দ বলে।

প্রশ্নঃ শুদ্ধ বাক্যটি নির্দেশ করুন?

[ ১৭তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়
খ. দীনতা প্রশংসনীয় নয়
গ. দৈন্যতা অপ্রসংসনীয়
ঘ. দৈন্যতা নিন্দনীয়
উত্তরঃ দীনতা প্রশংসনীয় নয়
ব্যাখ্যাঃ

'দৈন্যতা' শব্দটি অশুদ্ধ। তাই দীনতা প্রশংসনীয় নয় বাক্যটি একটি শুদ্ধ বাক্য।

প্রশ্নঃ আদেশ অর্থে অনুজ্ঞার উদাহরণ কোনটি?

[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. আমটা খাও
খ. সবাই এখানে আসুন
গ. সুখী হও
ঘ. নিজের দিকে খেয়াল রাখ
উত্তরঃ আমটা খাও

প্রশ্নঃ নিচের কোন বাক্যটি সঠিক?

[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. খানা দুই কম্বল চেয়েছিলাম
খ. দেশ গোটা ছারখার হয়ে গেছে
গ. গোটা সাতেক আম এনো
ঘ. কমলালেবু গোটা দুই আছে
উত্তরঃ গোটা সাতেক আম এনো
ক. বিরক্তি
খ. রাগ
গ. ভয়
ঘ. হুমকি
উত্তরঃ বিরক্তি
ক. বিদ্যান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ
খ. বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ
গ. বিদ্বান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর
ঘ. বিদ্বান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ
উত্তরঃ বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ

প্রশ্নঃ কোন বাক্যটি শুদ্ধ প্রয়োগ হয়েছে?

[ ১২তম শি. (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. অন্যায়ের ফল অনিবার্য
খ. অন্যায়ের ফল দুর্নিবার্য
গ. অন্যায়ের ফল ভয়াবহ
ঘ. অন্যায়ের শাস্তি মৃত্যু
উত্তরঃ অন্যায়ের ফল অনিবার্য

প্রশ্নঃ নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে

[ ১১তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. কল্যাণীয়েষু
খ. সুচরিতেষু
গ. শ্রদ্ধাস্পদাসু
ঘ. প্রীতিভাজনেসু
উত্তরঃ শ্রদ্ধাস্পদাসু

প্রশ্নঃ নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

[ ৯ম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. তিনি স্বস্ত্রীক বিদেশে গেছেন
খ. সকল ছাত্রই অমনোযোগী নয়
গ. 'শেষের কবিতা' একেখানি উৎকৃষ্ট কাব্যগ্রন্থ
ঘ. পরবর্তীতে তার সাথে আমার আর সাক্ষাৎ হয়নি
উত্তরঃ পরবর্তীতে তার সাথে আমার আর সাক্ষাৎ হয়নি
ক. বাহুল্য দোষ
খ. উপমার ভুল প্রয়োগ
গ. গুরুচন্ডালী দোস
ঘ. অপ্রচলিত শব্দের ব্যবহার
উত্তরঃ বাহুল্য দোষ
ক. মালিকের বরাবর
খ. সাংবাদিকের বরাবর
গ. প্রকাশকের বরাবর
ঘ. সম্পাদকের বরাবর
উত্তরঃ সম্পাদকের বরাবর
ক. গ্রহণ করতে হবে
খ. পরিবর্তন করতে হবে
গ. অবিকল লিখতে হবে
ঘ. বর্জন করতে হবে
উত্তরঃ বর্জন করতে হবে
ক. যৌগিক বাক্য
খ. সংযুক্ত বাক্য
গ. সরল বাক্য
ঘ. মিশ্র বাক্য
উত্তরঃ মিশ্র বাক্য

প্রশ্নঃ নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

[ প্রা. প্র. শি. নি. ১২-০৯-২০০৯ ]

ক. He gave me some advice
খ. Anwar requested for my help
গ. I am very better today
ঘ. He took nap
উত্তরঃ He gave me some advice
ক. সরল বাক্য
খ. জটিল বাক্য
গ. যৌগিক বাক্য
ঘ. মিশ্র বাক্য
উত্তরঃ যৌগিক বাক্য
ক. সংযুক্ত বাক্য
খ. যৌগিক বাক্য
গ. সরল বাক্য
ঘ. মিশ্র বাক্য
উত্তরঃ মিশ্র বাক্য
ক. জটিল বাক্য
খ. সরল বাক্য
গ. যৌগিক বাক্য
ঘ. মিশ্র বাক্য
উত্তরঃ সরল বাক্য
ক. জঠিল
খ. যৌগিক
গ. সরল
ঘ. মিশ্র
উত্তরঃ যৌগিক
ক. আদিবাসী মানুষ অরণ্য জনপদে বাস করে
খ. বনের পশু বনে থাকতেই ভালোবাসে
গ. জীবনমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
ঘ. প্রাকৃতিক রুপসৌন্দর্য আদি ও অকৃত্রিম
উত্তরঃ জীবনমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
ক. নির্দেশকভাবে
খ. অনুজ্ঞাভাব
গ. সাপেক্ষভাব
ঘ. আকাঙক্ষা প্রকাশকভাবে
উত্তরঃ সাপেক্ষভাব
ক. ইচ্ছাবোধক
খ. নির্দেশাত্মক
গ. বিস্ময়বোধক
ঘ. অনুজ্ঞাবাচক
উত্তরঃ অনুজ্ঞাবাচক

প্রশ্নঃ শুদ্ধ বাক্য নির্দেশ করুন-

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১৪-০৭-২০০৬ ]

ক. দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়
খ. দীনতা প্রশংসনীয় নয়
গ. দৈন্যতা নিন্দনীয়
ঘ. দৈন্যতা অপ্রশংসনীয়
উত্তরঃ দীনতা প্রশংসনীয় নয়
ক. সরল
খ. যৌগিক
গ. মিশ্র
ঘ. বিবৃতিমূলক
উত্তরঃ সরল
ক. যৌগিক
খ. সরল
গ. জটিল
ঘ. খন্ড
উত্তরঃ জটিল

প্রশ্নঃ কোনটি শুদ্ধ বাক্য?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০৬-২০১৯ ]

ক. চন্দ্র সূর্যগ্রহণ অপেক্ষা বিস্ময়কর ঘটনা
খ. চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণ দুটি বিস্ময়কর ঘটনা
গ. চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ দুটি বিস্ময়কর ঘটনা
ঘ. চন্দ্র অপেক্ষা সূর্যগ্রহণ বিস্ময়কর ঘটনা
উত্তরঃ চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ দুটি বিস্ময়কর ঘটনা

প্রশ্নঃ কোনটি শুদ্ধ বাক্য?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৩-০৬-২০১৯ ]

ক. আমার কথাই প্রামান্য হলো
খ. আমার কথাই প্রমাণীত হলো
গ. আমার কথাই প্রামন হলো
ঘ. আমার কথাই প্রমাণিত হলো
উত্তরঃ আমার কথাই প্রমাণিত হলো
ক. যৌগিক
খ. সরল
গ. খন্ড
ঘ. জটিল
উত্তরঃ জটিল
ক. সরল
খ. খণ্ড
গ. জটিল
ঘ. যৌগিক
উত্তরঃ সরল

প্রশ্নঃ কোনটি শুদ্ধ বাক্য?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২২-০৬-২০১৯ ]

ক. তাহার জীবন সংশয়ময়
খ. তাহার জীবন সংশয়পূর্ণ
গ. তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ
ঘ. তাহার জীবন সংশয়ভরা
উত্তরঃ তাহার জীবন সংশয়পূর্ণ
ক. যৌগিক
খ. জটিল
গ. সরল
ঘ. খন্ড
উত্তরঃ যৌগিক

প্রশ্নঃ কোনটি শুদ্ধ বাক্য?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২১-০৬-২০১৯ ]

ক. তাহার সৌজন্যতায় আমি সুযোগটি পেয়েছি
খ. তাহার সৌজন্য আমি সুযোগটি পেয়েছি
গ. তার সৌজন্যে আমি সুযোগটি পেয়েছি
ঘ. তার সৌজন্যতায় আমি সুযোগটি পেয়েছি
উত্তরঃ তার সৌজন্যে আমি সুযোগটি পেয়েছি
ক. জটিল বাক্য
খ. যৌগিক বাক্য
গ. মিশ্র বাক্য
ঘ. সরল বাক্য
উত্তরঃ জটিল বাক্য
ক. আমার যাওয়া হবেনা
খ. সে গ্রামে যাবে
গ. ছুটি হলে ঘন্টা বাজে
ঘ. তাকে গ্রামে যেতে হবে
উত্তরঃ আমার যাওয়া হবেনা
ক. যৌগিক
খ. জটিল
গ. মিশ্র
ঘ. সরল
উত্তরঃ যৌগিক
ক. মিশ্র
খ. জটিল
গ. যৌগিক
ঘ. সরল
উত্তরঃ সরল

প্রশ্নঃ গঠন অনুসারে বাক্য কত প্রকার?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৮-০৪-২০১৪ | রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ ]

ক. দুই প্রকার
খ. পাঁচ প্রকার
গ. ছয় প্রকার
ঘ. তিন প্রকার
উত্তরঃ তিন প্রকার
ক. সরল বাক্য
খ. যৌগিক বাক্য
গ. জটিল বাক্য
ঘ. মিশ্র বাক্য
উত্তরঃ যৌগিক বাক্য
ক. ৩টি অঞ্চলে
খ. ৪টি অঞ্চলে
গ. ৫টি অঞ্চলে
ঘ. ৬টি অঞ্চলে
উত্তরঃ ৩টি অঞ্চলে
ক. গুরুচণ্ডালী দোষে
খ. বাহুল্য দোষে
গ. দুর্বোধ্যতা দোষে
ঘ. বিদেশি শব্দ দোষে
উত্তরঃ বাহুল্য দোষে

প্রশ্নঃ কোন বাক্যটিতে অনুজ্ঞা আছে?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৩-০৮-২০০৫ ]

ক. আবার তোরা মানুষ হ
খ. মানুষ মরণশীল
গ. সে বই পড়ে
ঘ. কুষ্টিয়া বড় শহর
উত্তরঃ আবার তোরা মানুষ হ

প্রশ্নঃ 'বল বীর বল উন্নত মম শির' বাক্যটি কি?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২১-০৮-২০০৫ ]

ক. ইচ্ছাসূচক
খ. প্রশ্নসূচক
গ. আদেশ সূচক
ঘ. বিস্ময়বোধক
উত্তরঃ আদেশ সূচক
ক. তিন
খ. চার
গ. পাঁচ
ঘ. ছয়
উত্তরঃ চার
ক. লেখাপড়া কর, তাহলে গাড়িঘোড়ায় চড়তে পারবে
খ. লেখাপড়া করে গাড়িঘোড়ায় চড়তে পারবে
গ. লেখাপড়া করে যেই, গাড়িঘোড়া চড়ে সেই
ঘ. গাড়িঘোড়ায় চড়ার জন্য প্রয়োজন লেখাপড়া
উত্তরঃ লেখাপড়া কর, তাহলে গাড়িঘোড়ায় চড়তে পারবে
ক. বিষম
খ. অসংগতি
গ. বিরোধাভ্যাস
ঘ. বিভাবনা
উত্তরঃ অসংগতি