আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
খ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
গ. মুহম্মদ এনামুল হক
ঘ. সুকুমার সেন
উত্তরঃ সুকুমার সেন
ব্যাখ্যাঃ

উক্তিটি বিশিষ্ট ভাষাবিদ সুকুমার সেন-এর। তাঁর ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ ‘ভাষার ইতিবৃত্ত’-এ ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি লেখেন— “ভাষা চিন্তার শুধু বাহনই নয়, চিন্তার প্রসূতিও।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, ভাষা কেবল চিন্তাকে প্রকাশ করে না, বরং ভাষার মাধ্যমেই চিন্তার বিকাশ ঘটে। অর্থাৎ, ভাষা মানুষকে মননশীল করে তোলে এবং মানব সভ্যতার অগ্রগতিতে মুখ্য ভূমিকা রাখে।

ক. নদীয়া
খ. ত্রিপুরা
গ. পুরুলিয়া
ঘ. বরিশাল
উত্তরঃ বরিশাল
ব্যাখ্যাঃ

বাঙালী উপভাষা অঞ্চল বলতে মূলত বৃহত্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, বরিশাল, খুলনা, কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চল এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকাকে বোঝায়। ভাষাভাষীর সংখ্যা বিচারে এটি বাংলা ভাষার বৃহত্তম উপভাষা অঞ্চল। এই অঞ্চলের উপভাষাগুলোতে কিছু নিজস্ব ধ্বনিতাত্ত্বিক ও রূপতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।

বাঙালী উপভাষার কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:

  • অনেক ক্ষেত্রে 'এ' ধ্বনি 'অ্যা'-এর মতো উচ্চারিত হয় (যেমন: কেন > ক্যান)।
  • 'উ' ধ্বনি 'ও'-এর মতো উচ্চারিত হতে পারে (যেমন: মুলা > মোলা)।
  • কিছু ক্ষেত্রে 'ও' ধ্বনি 'উ'-এর মতো উচ্চারিত হয় (যেমন: দোষ > দুষ)।
  • 'র' ধ্বনি 'ড়' হিসেবে উচ্চারিত হওয়ার প্রবণতা দেখা যায় (যেমন: ঘর > ঘড়)।
  • বহুবচনের জন্য 'গুল', 'গুলাইন' ইত্যাদি প্রত্যয় ব্যবহৃত হয় (যেমন: বাত গুলাইন খাও)।
  • গৌণ কর্মে 'রে' বিভক্তি যুক্ত হওয়ার প্রবণতা দেখা যায় (যেমন: আমারে মারে ক্যান)।
  • অপিনিহিতির ব্যবহার বেশি দেখা যায় (যেমন: দেখিয়া > দেইখ্যা)।

এই বৈশিষ্ট্যগুলো অঞ্চলভেদে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে এবং উপভাষার বিভিন্ন প্রকরণে আলাদা আলাদা রূপ দেখা যায়। ময়মনসিংহীয়, ঢাকাইয়া কুট্টি, বরিশালি, নোয়াখালীয়, খুলনাইয়া ইত্যাদি এই উপভাষার বিভিন্ন আঞ্চলিক রূপ।

অন্যদিকে, রাঢ়ী উপভাষা অঞ্চল মূলত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া (পূর্ব), হুগলী, হাওড়া, কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা, নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলায় বিস্তৃত। এই উপভাষাকে ভিত্তি করেই প্রমিত বাংলা গড়ে উঠেছে।

ক. দ্রাবিড়
খ. নেগ্রিটো
গ. ভোটচীন
ঘ. অস্ট্রিক
উত্তরঃ অস্ট্রিক
ব্যাখ্যাঃ

বাঙালী জাতি একটি মিশ্র জাতি। দীর্ঘকাল ধরে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সংমিশ্রণে এই জাতির উদ্ভব হয়েছে। তবে, নৃতাত্ত্বিক গবেষণামতে, অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীকেই বাঙালী জাতির প্রধান অংশ বলে মনে করা হয়।

প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর চারটি প্রধান শাখা বাংলায় বাস করত: অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, নেগ্রিটো ও ভোটচীনীয় (মঙ্গোলীয়)। এদের মধ্যে অস্ট্রিকরাই ছিল বাংলার প্রাচীনতম ও প্রধানতম জনগোষ্ঠী।

ক. আলমগীরনামা
খ. আইন-ই-আকবরী
গ. আকবরনামা
ঘ. তুজুক-ই-আকবরী
উত্তরঃ আইন-ই-আকবরী
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা (দেশ ও ভাষা) নামের উৎপত্তির বিষয়টি আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে সর্বাধিক উল্লেখিত হয়েছে।

আইন-ই-আকবরী (Ain-i-Akbari) হলো মুঘল সম্রাট আকবরের সভাসদ আবুল ফজল রচিত 'আকবরনামা' গ্রন্থের তৃতীয় খণ্ড। এই গ্রন্থে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থা, ভূগোল, অর্থনীতি এবং বিভিন্ন প্রদেশের বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে। এর মধ্যে 'বাংলার বিবরণ' অংশে 'বঙ্গ' বা 'বাঙ্গালা' নামের উৎপত্তি সম্পর্কে একটি সুপরিচিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে, এই অঞ্চলের প্রাচীন অধিবাসী 'বঙ্গ' জাতির নাম থেকে 'বঙ্গাল' বা 'বাঙ্গালা' নামের উৎপত্তি হয়েছে। এটিই বাংলার নামের উৎপত্তির বিষয়ে প্রাচীনতম এবং সর্বাধিক উল্লিখিত ঐতিহাসিক সূত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম।

ক. চলিত রীতি
খ. সাধু রীতি
গ. মিশ্র রীতি
ঘ. আঞ্চলিক রীতি
উত্তরঃ সাধু রীতি
ব্যাখ্যাঃ

ক. বাংলাভাষার লৈখিক রীতি দুটির একটি চলিত রীতি। চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। খ. যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। গ. বাংলা ভাষায় মিশ্র রীতির ব্যবহার নেই। ঘ. মৌখিক রীতির দুটি ভাগের একটি হলো আঞ্চলিক রীতি। বিভিন্ন অঞ্চলে আঞ্চলিক রীতির বিভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।

ক. নেগ্রিটো
খ. ভোটচীন
গ. দ্রাবিড়
ঘ. অস্ট্রিক
উত্তরঃ অস্ট্রিক
ব্যাখ্যাঃ

বাঙালি একটি সংকর জাতি। বিভিন্ন জাতির সংমিশ্রণে সময়ের পরিক্রমায় বাঙালি জাতির উদ্ভব হয়। এ দেশে অনার্য, আর্য, মঙ্গল, দ্রাবিড়, পর্তুগিজ, ইংরেজ প্রভৃতি জাতির আগমন ঘটে। এ দেশ প্রথমে অনার্য তথা অস্ট্রিক গোষ্ঠীর প্রভাবাধীন ছিল। অস্ট্রিক গোষ্ঠীর আগমনের অন্তত চৌদ্দশ বছর পর বঙ্গদেশে আর্য ও পরে দ্রাবিড় জাতির আগমন ঘটে। আর্যগণ সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে অনার্য অপেক্ষা উন্নততর হওয়ায় আর্যদের ভাষা ও সংস্কৃতি কালক্রমে বঙ্গদেশে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। নৃতাত্ত্বিক বিচারে অনার্য ভাষাভাষী কোল, শবর, পুলিন্দ, হাড়ি, ডোম, চণ্ডাল প্রভৃতি বাংলার আদিম অধিবাসী, যারা অস্ট্রিক বা অস্ট্রো-এশিয়াটিক গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। আনুমানিক পাঁচ-ছয় হাজার বছর পূর্বে ইন্দোচীন থেকে আসাম হয়ে এ অস্ট্রিক গোষ্ঠীর বঙ্গদেশে আগমন ঘটে। এরা চাষাবাদ, লোহা-তামা প্রভৃতির ব্যবহার জানতো। কাজেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে অস্ট্রিক বা অনার্য গোষ্ঠী থেকে।

ক. সংস্কৃত
খ. পালি
গ. প্রাকৃত
ঘ. অপ্রভ্রংশ
উত্তরঃ প্রাকৃত
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতকে গৌড়ীয় প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উদ্ভব । অন্যদিকে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে মাগধী প্রাকৃত থেকে। প্রাকৃত বলতে সাধারণ জনগণের মুখের ভাষা বোঝায়।

ক. বাক্যের সরল ও জটিল রূপে
খ. শব্দের রূপগত ভিন্নতায়
গ. তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের ব্যবহারে
ঘ. ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
উত্তরঃ ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
ব্যাখ্যাঃ

সাধু রীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে । যেমন- ভাষা রীতি সর্বনাম বিশেষ্য ক্রিয়া সাধু: তাহারা ভাত খাইতেছিল চলিত: তারা ভাত খাচ্ছিল সাধুরীতি তৎসম শব্দবহুল এবং চলিতরীতি তদ্ভব শব্দবহুল।

ক. তৎসম ও অতৎসম শব্দের ব্যবহারে
খ. ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
গ. শব্দের কথা ও লেখ্য রূপে
ঘ. বাক্যের সরলতা ও জটিলতায়
উত্তরঃ ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
ব্যাখ্যাঃ

সাধু রীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।

যেমন:

সাধু ভাষা: তাহারা ভাত খাইতেছিল।
চলিত ভাষা: তারা ভাত খাচ্ছিল।

সাধুরীতি তৎসম শব্দবহুল এবং চলিতরীতি তদ্ভব শব্দবহুল।

ক. দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী
খ. একাদশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী
গ. দ্বাদশ থেকে ষোড়শ শতাব্দী
ঘ. এয়োদশ থেকে সপ্তদশ শতাব্দী
উত্তরঃ দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা ভাষার আদিস্তর ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী।

ক. পর্তুগিজ ভাষা হতে
খ. আরবি ভাষা হতে
গ. দেশী ভাষা হতে
ঘ. ওলন্দাজ ভাষা হতে
উত্তরঃ পর্তুগিজ ভাষা হতে
ব্যাখ্যাঃ

পর্তুগিজ ভাষা হতে আগত অন্যান্য বাংলা শব্দ হলো আলকাতরা, আলপিন, আলমারি, পেরেক, জানালা, বারান্দা, কামরা, ইংরেজ, গুদাম, গির্জা, পাদ্রি, কেরানি, আয়া, পেঁপে, পেয়ারা, আতা, আচার, পাউরুটি, তামাক, বোতাম, ফিতা, টুপি, সেমিজ, কামিজ, সাবান, তোয়ালে, গামলা, বালতি ইত্যাদি।

ক. কেশব চন্দ্র সেন
খ. গিরিশচন্দ্র সেন
গ. মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী
ঘ. মওলানা আকরাম খাঁ
উত্তরঃ গিরিশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যাঃ

ভাই গিরিশচন্দ্র সেন দীর্ঘ ছয় বছর (১৮৮১-৮৬) পরিশ্রম করে কুরআন শরীফের প্রথম বঙ্গানুবাদ করেন। তার রচিত অন্যান্য গ্রন্হের মধ্যে ‘তাপসমালা’ (৯৬ জন মুসলিম সাধকের জীবনচরিত) ও ‘তত্ত্বরত্নমালা’ উল্লেখযোগ্য। তিনি ১৮৩৫ সালে বর্তমান নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৭১ সালে ব্রাহ্মমতে দীক্ষিত হন।

ক. তুর্কী
খ. ফার্সী
গ. হিন্দি
ঘ. উর্দু
উত্তরঃ তুর্কী
ব্যাখ্যাঃ

'বাবা' শব্দটি কঃ তুর্কী ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।

বাংলায় আরও কিছু তুর্কী শব্দ প্রচলিত আছে, যেমন - চাকু, তোপ, দারোগা, বেগম, মুচলেকা ইত্যাদি।

ক. ইংরেজি
খ. পর্তুগিজ
গ. ওলন্দাজ
ঘ. জার্মানি
উত্তরঃ জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ

'কিন্টারগার্ডেন’ শব্দটি জার্মানি ভাষা থেকে আগত।

জার্মান শিক্ষাবিদ ফ্রিডরিখ ফ্রোবেল ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে এই শিক্ষাব্যবস্থা এবং শব্দটির প্রচলন করেন। জার্মান ভাষায় 'Kindergarten' এর অর্থ হলো 'শিশুদের বাগান'।

ক. তৎসম
খ. বিদেশি
গ. দেশি
ঘ. তদ্ভব
উত্তরঃ তৎসম
ব্যাখ্যাঃ

সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের প্রাধান্য বেশি।

তৎসম শব্দ হলো সেইসব সংস্কৃত শব্দ যা অপরিবর্তিত রূপে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম প্রধান। এর কারণ হলো, উনিশ শতকে যখন সাধু ভাষার বিকাশ ঘটে, তখন বাংলা গদ্যকে একটি মার্জিত ও আভিজাত্যপূর্ণ রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং সেই কারণে সংস্কৃত ভাষার শব্দ ভান্ডার থেকে প্রচুর শব্দ গ্রহণ করা হয়।

এছাড়াও, সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ এবং অনুসর্গের দীর্ঘ রূপ ব্যবহৃত হয়, যা চলিত ভাষার তুলনায় এটিকে আরও গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল করে তোলে।

ক. বাবা
খ. আত্মীয়-স্বজন
গ. শিক্ষক
ঘ. মা
উত্তরঃ মা
ব্যাখ্যাঃ

শিশুর ভাষা শিক্ষার প্রথম এবং প্রধান মাধ্যম হলো মা

ব্যাখ্যা:

  • শিশুর ভাষা শিক্ষা শুরু হয় পরিবার থেকে, এবং মা-ই সাধারণত শিশুর প্রথম এবং নিকটতম সঙ্গী।
  • মা শিশুর সাথে সবচেয়ে বেশি কথা বলেন এবং শিশু তার কাছ থেকে প্রথম শব্দ ও বাক্য শেখে।
  • গবেষণায়ও দেখা গেছে যে, শিশুর ভাষা বিকাশে মায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    সুতরাং, সঠিক উত্তর: ঘ) মা।
ক. ষষ্ঠ
খ. সপ্তম
গ. চতুর্থ
ঘ. পঞ্চম
উত্তরঃ সপ্তম
ব্যাখ্যাঃ
ক্রমিক ভাষা মাতৃভাষীর সংখ্যা (কোটি) বিশ্বে অবস্থান
ম্যান্ডারিন চীনা প্রায় ৯৩.৯ ১ম
স্প্যানিশ প্রায় ৪৮.৫ ২য়
ইংরেজি প্রায় ৩৮.০ ৩য়
হিন্দি প্রায় ৩৪.৫ ৪র্থ
বাংলা প্রায় ২৪.২ ৭ম
২০২৩ সালের এথনোলগের তথ্য অনুযায়ী।
ক. Toonida
খ. Tunioda
গ. Tonada
ঘ. Tornada
উত্তরঃ Tornada
ব্যাখ্যাঃ

টর্নেডো শব্দটি স্প্যানিশ শব্দ ‘টর্নাডা’ (Tornada) থেকে এসেছে। টর্নাডা শব্দের অর্থ বজ্রঝড়।

প্রশ্নঃ চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া কেমন হয়?

[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. দীর্ঘ
খ. অতিদীর্ঘ
গ. সংক্ষিপ্ত
ঘ. অপরিবর্তিত
উত্তরঃ সংক্ষিপ্ত
ব্যাখ্যাঃ

চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ সাধু রীতির তুলনায় সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয়। এটি সাধারণ মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি।

নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. সর্বনাম পদ: চলিত রীতিতে সর্বনাম পদগুলো সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহৃত হয়। সাধু রীতির পূর্ণাঙ্গ রূপের পরিবর্তে চলিত রীতিতে সংক্ষেপিত রূপ ব্যবহৃত হয়।

  • উদাহরণ:
    • সাধু: তাহারা → চলিত: তারা
    • সাধু: তাহার → চলিত: তার
    • সাধু: তাহাদের → চলিত: তাদের
    • সাধু: ইহারা → চলিত: এরা
    • সাধু: ইঁহাদের → চলিত: এঁদের
    • সাধু: উহাদের → চলিত: ওদের
    • সাধু: যেই → চলিত: যে
    • সাধু: যেইজন → চলিত: যেজন
    • সাধু: কাহার → চলিত: কার
    • সাধু: কিসের → চলিত: কিসের

২. ক্রিয়াপদ: চলিত রীতিতে ক্রিয়াপদগুলো সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য হয়। সাধু রীতির দীর্ঘায়িত রূপের পরিবর্তে চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।

  • উদাহরণ:
    • সাধু: যাইতেছে → চলিত: যাচ্ছে
    • সাধু: করিতেছে → চলিত: করছে
    • সাধু: খাইতেছিল → চলিত: খাচ্ছিল
    • সাধু: দেখিয়া → চলিত: দেখে
    • সাধু: শুনিয়া → চলিত: শুনে
    • সাধু: কহিল → চলিত: বলল
    • সাধু: শুইবার → চলিত: শোবার
    • সাধু: করিয়াছে → চলিত: করেছে
    • সাধু: ধরিল → চলিত: ধরল
ক. গুরুদোষ
খ. লঘুদোষ
গ. মিশ্রদোষ
ঘ. গুরুচণ্ডালী
উত্তরঃ গুরুচণ্ডালী
ব্যাখ্যাঃ

সাধু ও চলিত রীতির শব্দ একই বাক্যে ব্যবহার করলে তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে।

এটি বাংলা ভাষার একটি প্রধান ব্যাকরণগত ত্রুটি হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এটি ভাষার স্বাভাবিক প্রবাহকে ব্যাহত করে এবং লেখায় বা বক্তব্যে অসঙ্গতি তৈরি করে। সাধু রীতি এবং চলিত রীতি পৃথকভাবে নিজস্ব ব্যাকরণ মেনে চলে, তাই এদের মিশ্রণ করা উচিত নয়।

ক. তৎসম শব্দের বহুলতা
খ. তদ্ভব শব্দের বহুলতা
গ. প্রাচীনতা
ঘ. অমার্জিততা
উত্তরঃ তদ্ভব শব্দের বহুলতা
ব্যাখ্যাঃ

চলিত ভাষার নিজস্ব কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে। আপনার দেওয়া বিকল্পগুলো বিবেচনা করি:

  • কঃ তৎসম শব্দের বহুলতা: তৎসম শব্দ (সংস্কৃত থেকে সরাসরি আগত শব্দ) সাধু ভাষায় বেশি ব্যবহৃত হয়। চলিত ভাষায় এর ব্যবহার কম।
  • খঃ তদ্ভব শব্দের বহুলতা: তদ্ভব শব্দ (সংস্কৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় আগত শব্দ) চলিত ভাষায় বেশি ব্যবহৃত হয়। যেমন: চাঁদ (সংস্কৃতে চন্দ্র), কাজ (সংস্কৃতে কার্য)। এটি চলিত ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
  • গঃ প্রাচীনতা: সাধু ভাষার তুলনায় চলিত ভাষা আধুনিক। এটি প্রাচীন নয়।
  • ঘঃ অমার্জিততা: চলিত ভাষা অমার্জিত নয়, বরং এটি মার্জিত এবং পরিশীলিত হতে পারে, যদিও এটি সাধু ভাষার চেয়ে কথোপকথনের জন্য বেশি উপযোগী।

সুতরাং, চলিত ভাষার নিজস্ব বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো তদ্ভব শব্দের বহুলতা

প্রশ্নঃ সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য -

[ ১৭তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. বাক্যের গঠন প্রক্রিয়ায়
খ. ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
গ. শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপের ভিন্নতায়
ঘ. ভাষার জটিলতা ও প্রাঞ্জলতায়
উত্তরঃ ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
ব্যাখ্যাঃ

সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য হলো ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতা

প্রধান পার্থক্যসমূহ:

১. ক্রিয়াপদ: সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদের রূপ পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘ হয়, অন্যদিকে চলিত ভাষায় তা সংক্ষিপ্ত ও সহজ।

  • সাধু: করিতেছি, করিয়াছি, খাইয়াছিল।
  • চলিত: করছি, করেছি, খেয়েছিল।

২. সর্বনাম পদ: সাধু ভাষায় সর্বনাম পদ পূর্ণাঙ্গ রূপে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু চলিত ভাষায় তা সংক্ষিপ্ত হয়।

  • সাধু: তাহারা, তাহাদের, ইহাদিগকে।
  • চলিত: তারা, তাদের, এদেরকে।

৩. গঠন ও বিন্যাস: সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর, সুশৃঙ্খল এবং ব্যাকরণের প্রাচীন নিয়ম মেনে চলে। চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল, হালকা এবং মুখের ভাষার কাছাকাছি।

৪. ব্যবহার: সাধু ভাষা সাধারণত লিখিত সাহিত্য, দলিল, এবং আইনি নথিপত্রে ব্যবহৃত হয়। চলিত ভাষা নাটক, আলাপ-আলোচনা, এবং আধুনিক সাহিত্যের প্রধান মাধ্যম।

সংক্ষেপে, সাধু ও চলিত ভাষার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো এদের রূপতাত্ত্বিক (morphological) ভিন্নতা, বিশেষ করে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদে।

প্রশ্নঃ বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক কে?

[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. প্রমথ চৌধুরী
খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ. মোতাহার হোসেন চৌধুরী
ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তরঃ প্রমথ চৌধুরী

প্রশ্নঃ বাংলা সাধু ভাষার জনক কে?

[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. হরলাল রায়
খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
গ. ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ক. কথা ভাষা
খ. সাধু ভাষা
গ. লেখ্য ভাষা
ঘ. চলিত ভাষা
উত্তরঃ সাধু ভাষা

প্রশ্নঃ কোনটি সাধুভাষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?

[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. সহজবোধ্য
খ. নাট্য সংলাপে ব্যবহার
গ. তদ্ভব শব্দবহুল
ঘ. তৎসম শব্দবহুল
উত্তরঃ তৎসম শব্দবহুল

প্রশ্নঃ ভাষার মূল উপাদান কোনটি?

[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. বাক্য
খ. অর্থ
গ. ধ্বনি
ঘ. শব্দ
উত্তরঃ ধ্বনি

প্রশ্নঃ সাধুরীতিতে কোন পদটি দীর্ঘরূপ হয় না?

[ ১৪তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. বিশেষ্য
খ. অব্যয়
গ. সর্বনাম
ঘ. ক্রিয়া
উত্তরঃ অব্যয়
ক. ধ্বনিতত্ত্বে
খ. অর্থতত্ত্বে
গ. বাক্যতত্ত্বে
ঘ. রূপতত্ত্বে
উত্তরঃ রূপতত্ত্বে

প্রশ্নঃ নিচের কোনটিতে সাধুভাষা সাধারণত অনুপযোগী?

[ ১৪তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. কবিতায়
খ. গানে
গ. ছোটগল্পে
ঘ. নাটকে
উত্তরঃ নাটকে

প্রশ্নঃ মানুষের ভাষা কিসের সাহায্যে সৃষ্টি হয়?

[ ১৪তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. ইঙ্গিতের সাহায্যে
খ. ঠোঁটের সাহায্যে
গ. কণ্ঠের সাহায্যে
ঘ. বাগযন্ত্রের সাহায্যে
উত্তরঃ বাগযন্ত্রের সাহায্যে
ক. সাধুভাষা
খ. আদর্শ চলিত ভাষা
গ. আঞ্চলিক ভাষা
ঘ. দেশি ভাষা
উত্তরঃ আদর্শ চলিত ভাষা
ক. সাধু
খ. চলিত
গ. আঞ্চলিক
ঘ. মিশ্র
উত্তরঃ চলিত
ক. আঞ্চলিক
খ. লেখ্য
গ. উপভাষা
ঘ. কথ্য
উত্তরঃ লেখ্য

প্রশ্নঃ ভাষার মৌলিক অংশ কয়টি?

[ ১২তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. তিনটি
খ. চারটি
গ. পাঁচটি
ঘ. ছয়টি
উত্তরঃ চারটি
ক. গুরুগম্ভীর
খ. কৃত্রিম
গ. পরিবর্তনশীল
ঘ. তৎসম শব্দবহুল
উত্তরঃ পরিবর্তনশীল

প্রশ্নঃ পাণিনি কে ছিলেন?

[ ১১তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ভাষাবিদ
খ. ঋগ্বেদবিদ
গ. বৈয়াকরণবিদ
ঘ. আখ্যানবিদ
উত্তরঃ বৈয়াকরণবিদ

প্রশ্নঃ বাংলা ভাষা কোন মূল ভাষার অন্তর্গত?

[ ১১তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ইন্দো-ইউরোপীয়
খ. সেমেটিক
গ. দ্রাবিড়
ঘ. ইউরালীয়
উত্তরঃ ইন্দো-ইউরোপীয়

প্রশ্নঃ চলিতরীতির শব্দ নয় কোনটি?

[ ১১ তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. করার
খ. করবার
গ. করিবার
ঘ. করে
উত্তরঃ করিবার

প্রশ্নঃ ভাষার কোন রীতি তদ্ভব শব্দ বহুল?

[ ১১ তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. সাধুরীতি
খ. চলিতরীতি
গ. কথ্যরীতি
ঘ. বানানরীতি
উত্তরঃ চলিতরীতি

প্রশ্নঃ আলালি বা হুতোমি ভাষা বলা হয় কোন ভাষাকে?

[ ১৩তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. সাধু
খ. চলিত
গ. ইংরেজি
ঘ. সংস্কৃত
উত্তরঃ চলিত
ক. ব্যাকরণ
খ. ভাষা
গ. ব্যাকরণ ও ভাষা উভয়ই একসাথে
ঘ. কোনটিই নয়
উত্তরঃ ভাষা
ক. সুকুমার সেন
খ. সুকুমারী ভট্টাচার্য
গ. নিহার রঞ্জন রায
ঘ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তরঃ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ক. কথ্য ভাষা
খ. আঞ্চলিক ভাষা
গ. সাধু ভাষা
ঘ. চলিত ভাষা
উত্তরঃ সাধু ভাষা

প্রশ্নঃ চলতি রীতির শব্দ কোনটি?

[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. শুষ্ক
খ. শুকনা
গ. তুলা
ঘ. তুলো
উত্তরঃ তুলো

প্রশ্নঃ 'বুনো' কোন ভাষারীতির শব্দ?

[ ৮ম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. সাধু ভাষা
খ. কথ্য ভাষা
গ. আঞ্চলিক ভাষা
ঘ. চলিত ভাষা
উত্তরঃ চলিত ভাষা
ক. প্রেরক ও প্রারকের ঠিকানা
খ. শিরোনাম ও পত্রগর্ভ
গ. লেখকের স্বাক্ষর ও নাম
ঘ. প্রেরকের ঠিকানা
উত্তরঃ শিরোনাম ও পত্রগর্ভ

প্রশ্নঃ ভাবের সুসংগত প্রসারণের নাম কী?

[ ৮ম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ভাবার্থ
খ. মর্মার্থ
গ. সারভাব
ঘ. ভাব-সম্প্রসারণ
উত্তরঃ ভাব-সম্প্রসারণ
ক. বিজ্ঞপ্তি
খ. অভিযোগ পত্র
গ. চুক্তিপত্র
ঘ. প্রতিবেদন
উত্তরঃ বিজ্ঞপ্তি

প্রশ্নঃ নিচের কোনটি চলিত রীতির শব্দ?

[ ৭ম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) | প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০৫-২০১৮ ]

ক. তুলা
খ. শুকনো
গ. পড়িল
ঘ. সহিত
উত্তরঃ শুকনো
ক. প্রেরকের ঠিকানা
খ. প্রাপকের ঠিকানা
গ. পত্র গর্ভ
ঘ. স্বাক্ষর ও তারিখ
উত্তরঃ প্রাপকের ঠিকানা
ক. আশীর্বাদক
খ. স্নেহভাজন
গ. প্রীতিমুগ্ধ
ঘ. শুভাকাঙ্ক্ষী
উত্তরঃ স্নেহভাজন

প্রশ্নঃ শিরোনামের প্রধান অংশ কোনটি?

[ ৭ম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ডাক টিকেট
খ. পোস্টাল কোড
গ. প্রেরকের ঠিকানা
ঘ. প্রাপকের ঠিকানা
উত্তরঃ প্রাপকের ঠিকানা
ক. দিনের বেলায় আলোর উৎস সূর্য
খ. দিনের বেলায় প্রদীপ জ্বালানো অপচয়ের নামান্তর
গ. দিনের বেলায় প্রদীপ জ্বালানো আবশ্যক
ঘ. অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক
উত্তরঃ অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক
ক. চলতি ভাষা
খ. কথ্যভাষা
গ. লেখ্যভাষা
ঘ. সাধুভাষা
উত্তরঃ সাধুভাষা
ক. সারমর্ম
খ. প্রবন্ধ
গ. ভাব-সম্প্রসারণ
ঘ. আবেদনপত্রে
উত্তরঃ ভাব-সম্প্রসারণ

প্রশ্নঃ নিচের কোনটি সাধুরীতির উদারহরণ?

[ ৬ষ্ঠ শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. তখন গভীর ছায়া নেমে আসে সর্বত্র
খ. তখন গভীর ছায়া নামিয়া আসে সর্বত্র
গ. তখন গভীর ছায়া নামিয়া আসিল সবখানে
ঘ. তখন গভীর ছায়ায় সর্বত্র ঢেকে গিয়েছে
উত্তরঃ তখন গভীর ছায়া নামিয়া আসিল সবখানে
ক. মানপত্র
খ. স্মারকলিপি
গ. আবেদনপত্র
ঘ. চুক্তিপত্র
উত্তরঃ আবেদনপত্র
ক. চুক্তিপত্র
খ. মানপত্র
গ. ব্যক্তিগতপত্র
ঘ. আবেদনপত্র
উত্তরঃ আবেদনপত্র
ক. শেখ হাসিনা
খ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
গ. সম্রাট আকবর
ঘ. শায়েস্তা খান
উত্তরঃ সম্রাট আকবর

প্রশ্নঃ সারাংশে নিচের কোনটির প্রয়োজন নেই?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০৫-২০১৮ ]

ক. সংক্ষেপণ
খ. প্রাঞ্জলতা
গ. সরলতা
ঘ. অলঙ্কার
উত্তরঃ অলঙ্কার
ক. লাফ দিল
খ. লম্ফ দিল
গ. লম্ফ প্রদান করল
ঘ. লাফ প্রদান করল
উত্তরঃ লাফ দিল
ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
গ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ঘ. সুকুমার সেন
উত্তরঃ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

প্রশ্নঃ ‘ব্যাকরণ’ শব্দটি হলো -

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৮-০৮-২০১৫ ]

ক. তৎসম
খ. অর্ধ-তৎসম
গ. তদ্ভব
ঘ. দেশী
উত্তরঃ তৎসম

প্রশ্নঃ 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' কে রচনা করেন?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৩-০৪-২০১৩ ]

ক. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
খ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
গ. এনামুল হক
ঘ. সুকুমার সেন
উত্তরঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

প্রশ্নঃ ভানুসিংহ কার ছদ্মনাম -

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১২-১২-২০১১ ]

ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
গ. প্রমথ চৌধুরী
ঘ. টেকচাঁদ ঠাকুর
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

প্রশ্নঃ ফণিমনসা কাব্যের রচয়িতা কে?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১২-১২-২০১১ ]

ক. কাজী নজরুল ইসলাম
খ. আহসান হাবিব
গ. সিকান্দার আবু জাফর
ঘ. হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলাম

প্রশ্নঃ বাংলা ছন্দ কত রকমের?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ ]

ক. এক রকমের
খ. দুই রকমের
গ. তিন রকমের
ঘ. চার রকমের
উত্তরঃ তিন রকমের

প্রশ্নঃ বাংলা ভাষার মূল উৎস কী?

[ ১৭তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

ক. হিন্দি ভাষা
খ. বৈদিক ভাষা
গ. উড়িয়া
ঘ. অনার্য ভাষা
উত্তরঃ বৈদিক ভাষা

প্রশ্নঃ ভাষার কোন রীতি তৎসম শব্দবহুল?

[ ১৭তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

ক. সাধুরীতি
খ. চলিতরীতি
গ. কথ্যরীতি
ঘ. লেখ্যরীতি
উত্তরঃ সাধুরীতি

প্রশ্নঃ চলিত ভাষাকে জনপ্রিয় করেন-

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০২-০৯-২০০৭ ]

ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ. কাজী নজরুল ইসলাম
গ. শামসুর রাহমান
ঘ. প্রমথ চৌধুরী
উত্তরঃ প্রমথ চৌধুরী

প্রশ্নঃ 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' কার লেখা?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০২-০৯-২০০৭ ]

ক. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
খ. মুহম্মদ আবদুল হাই
গ. প্যারীচাঁদ মিত্র
ঘ. আল মাহমুদ
উত্তরঃ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

প্রশ্নঃ 'শতাব্দী' কোন সমাস?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০২-০৯-২০০৭ ]

ক. দ্বিগু সমাস
খ. বহুব্রীহি সমাস
গ. তৎপুরুষ সমাস
ঘ. কর্মধারয় সমাস
উত্তরঃ দ্বিগু সমাস

প্রশ্নঃ 'রিকশা' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০২-০৯-২০০৭ ]

ক. জাপানি
খ. চীনা
গ. ইংরেজি
ঘ. উর্দু
উত্তরঃ জাপানি
ক. ভাষা
খ. শব্দ
গ. ধ্বনি
ঘ. বাক্য
উত্তরঃ ভাষা

প্রশ্নঃ রাবণের চিতা বাগধারাটির অর্থ কী?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৬-০৫-২০০১ ]

ক. উভয় সংকট
খ. শেষ বিদায়
গ. চূড়ান্ত অশান্তি
ঘ. চির অশান্তি
উত্তরঃ চির অশান্তি
ক. কর্মকারকে শুন্য বিভক্তি
খ. কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি
গ. অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
ঘ. কতৃকারকে শূন্য বিভক্তি
উত্তরঃ কর্মকারকে শুন্য বিভক্তি
ক. পর্তুগিজ
খ. আরবি
গ. ফরাসি
ঘ. ফার্সি
উত্তরঃ পর্তুগিজ
ক. Wild cries
খ. Cry in the wilderness
গ. Wild forest
ঘ. Weep at forest
উত্তরঃ Cry in the wilderness
ক. ধ্বনি, শব্দ, বাক্য
খ. বর্ণ, সমাস, সন্ধি
গ. সমাস, কারক, ধ্বনি
ঘ. পদ, বর্ণ, ধ্বনি
উত্তরঃ ধ্বনি, শব্দ, বাক্য

প্রশ্নঃ প্রাকৃত শব্দের ভাষাগত অর্থ -

[ ১৫তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

ক. মূর্খদের ভাষা
খ. পণ্ডিতদের ভাষা
গ. জনগণের ভাষা
ঘ. লেখকদের ভাষা
উত্তরঃ জনগণের ভাষা