প্রশ্নঃ কপ ২৮ সম্মেলনটি কী সম্পর্কিত?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
কপ ২৮ সম্মেলনটি মূলত জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত।
জাতিসংঘের উদ্যোগে আয়োজিত এই বার্ষিক বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে (Conference of the Parties - COP) জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং এর বিরূপ পরিণতি হ্রাস করার জন্য বিভিন্ন দেশের সরকার, বিজ্ঞানী, পরিবেশবাদী এবং অন্যান্য অংশীজন একত্রিত হন।
প্রশ্নঃ জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক (Biosafety to the Convention on Biological Diversity) হচ্ছে-
[ বিসিএস ৪৬তম ]
জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক (Biosafety to the Convention on Biological Diversity) হলো কার্টেজেনা প্রোটোকল (Cartagena Protocol)।
কার্টেজেনা প্রোটোকল হলো জীববৈচিত্র্য কনভেনশনের (Convention on Biological Diversity - CBD) একটি অতিরিক্ত চুক্তি। এর মূল উদ্দেশ্য হলো আধুনিক জৈব প্রযুক্তির মাধ্যমে সৃষ্ট জীবন্ত পরিবর্তিত জীবের (Living Modified Organisms - LMOs) নিরাপদ ব্যবহার, পরিবহন এবং পরিচালনা নিশ্চিত করা, যা জীববৈচিত্র্য এবং মানব স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
এই প্রোটোকলটি ২৯ জানুয়ারী ২০০০ সালে গৃহীত হয় এবং ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৩ সালে কার্যকর হয়।
প্রশ্নঃ বিগত কপ-২৬ কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
বিগত কপ-২৬ গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
এটি ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত স্কটল্যান্ডের এই শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
প্রশ্নঃ কখন এবং কোথায় International Union for Conservation of Nature (IUCN) প্রতিষ্ঠিত হয়?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
The International Union for Conservation of Nature (IUCN) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ৫ অক্টোবর ১৯৪৮ সালে, ফ্রান্সের ফন্টেইনব্লু শহরে।
প্রশ্নঃ COP 26-এ COP মানে কী?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
COP 26-এ COP মানে হল Conference of the Parties।
এটি জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (UNFCCC)-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বার্ষিক সম্মেলন। এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বিগত COP 26 ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC)-এর মূল আলোচ্য বিষয় হলো গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস করে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।
এই কনভেনশনের প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:
- বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব এমন একটি স্তরে স্থিতিশীল করা যা জলবায়ু ব্যবস্থার সাথে বিপজ্জনক মানবসৃষ্ট হস্তক্ষেপ প্রতিরোধ করতে পারে।
- একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রযুক্তি হস্তান্তর ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা।
UNFCCC কোনো নির্দিষ্ট নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ না করলেও, এটি একটি কাঠামো প্রদান করে যার অধীনে পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রোটোকল (যেমন কিয়োটো প্রোটোকল, প্যারিস চুক্তি) প্রণীত হয়েছে এবং যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের জন্য সম্মত হয়েছে।
প্রশ্নঃ গ্রীন হাউস গ্যাসসমূহ নিঃসরণ সংক্রান্ত চুক্তি “The Kyoto Protocol” জাতিসংঘ কর্তৃক কত সালে গৃহীত হয়?
[ বিসিএস ৪২তম ]
“The Kyoto Protocol” হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা গ্রীন হাউস গ্যাস (GHG) নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছিল। এটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে গৃহীত হয় এবং ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে কার্যকর হয়। এই চুক্তিটি জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (UNFCCC)-এর একটি অংশ।
কিয়োটো প্রোটোকলের মূল উদ্দেশ্য ও বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- বাধ্যতামূলক নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা: এই প্রোটোকল উন্নত দেশগুলোকে (অ্যানেক্স-১ ভুক্ত দেশ) একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে (প্রথম কমিটমেন্ট পিরিয়ড: ২০০৮-২০১২) তাদের গ্রীন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর জন্য আইনিভাবে বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। লক্ষ্যমাত্রা সাধারণত ১৯৯০ সালের নিঃসরণের মাত্রার তুলনায় একটি নির্দিষ্ট শতাংশ কমানো।
- ছয়টি প্রধান গ্রীন হাউস গ্যাস: এই প্রোটোকল কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₄), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs), পারফ্লুরোকার্বন (PFCs) এবং সালফার হেক্সাফ্লুরাইড (SF₆) - এই ছয়টি প্রধান গ্রীন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের উপর জোর দেয়।
- "কমন বাট ডিফারেনশিয়েটেড রেসপন্সিবিলিটিস" (Common but Differentiated Responsibilities): এই নীতির উপর ভিত্তি করে উন্নত দেশগুলোর উপর নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রে বৃহত্তর দায়িত্ব অর্পণ করা হয়, কারণ ঐতিহাসিকভাবে তারাই বেশি নিঃসরণের জন্য দায়ী। উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে স্বেচ্ছামূলক পদক্ষেপের কথা বলা হয়।
- নমনীয় বাজার ব্যবস্থা: প্রোটোকল তিনটি বাজারভিত্তিক প্রক্রিয়া চালু করে যা দেশগুলোকে তাদের নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করে:
- এমিশন ট্রেডিং (কার্বন মার্কেট): যে দেশ তাদের নির্ধারিত নিঃসরণের চেয়ে কম নিঃসরণ করে, তারা তাদের অব্যবহৃত নিঃসরণের অধিকার অন্য দেশকে বিক্রি করতে পারে।
- ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM): উন্নত দেশগুলো উন্নয়নশীল দেশে নিঃসরণ হ্রাসকারী প্রকল্পে বিনিয়োগ করে কার্বন ক্রেডিট অর্জন করতে পারে এবং তাদের নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে এটি ব্যবহার করতে পারে।
- জয়েন্ট ইমপ্লিমেন্টেশন (JI): উন্নত দেশগুলো অন্য উন্নত দেশে নিঃসরণ হ্রাসকারী প্রকল্পে বিনিয়োগ করে কার্বন ক্রেডিট অর্জন করতে পারে।
- মনিটরিং, রিপোর্টিং ও ভেরিফিকেশন: প্রোটোকলে একটি কঠোর পর্যবেক্ষণ, প্রতিবেদন এবং যাচাইকরণ ব্যবস্থা রয়েছে যাতে দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি কতটা পূরণ করছে তা নিশ্চিত করা যায়।
- পরবর্তী পর্যায় (Doha Amendment): কিয়োটো প্রোটোকলের প্রথম কমিটমেন্ট পিরিয়ড ২০১২ সালে শেষ হয়। এরপর ২০১২ সালে দোহা সম্মেলনে এর মেয়াদ ২০২০ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়, যেখানে কিছু নতুন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে, এই সংশোধনী খুব কম দেশ কর্তৃক অনুসমর্থিত হওয়ায় এর প্রভাব সীমিত ছিল।
করোনা ভাইরাসকে ‘Pandemic’ বা মহামারী হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।
ঘোষণার তারিখ: ১১ মার্চ ২০২০
WHO-এর বক্তব্য:
WHO-এর মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস ওই দিন বলেন:
“গত দুই সপ্তাহে চীনের বাইরে COVID-19 সংক্রমণের সংখ্যা ১৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আক্রান্ত দেশের সংখ্যা তিনগুণ হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১১৮,০০০-এর বেশি সংক্রমণ এবং ৪,২৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আমরা এই পরিস্থিতিকে মহামারী হিসেবে ঘোষণা করছি।”
প্রশ্নঃ ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির সাথে সম্পর্কিত বিষয়বস্তু হলো:
[ বিসিএস ৪১তম ]
২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) হলো একটি ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক চুক্তি যা জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা এবং এর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে। এটি ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে প্যারিসে অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত রাষ্ট্রপুঞ্জের ২১তম সম্মেলনে (COP21) ১৯৫টি সদস্য রাষ্ট্রের সম্মতিতে গৃহীত হয় এবং ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
প্যারিস চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক-শিল্প স্তরের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের অনেক নিচে রাখা এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা চালানো। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই লক্ষ্য অর্জন করা গেলে জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতি এড়ানো সম্ভব হবে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য দেশগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং স্থিতিশীলতা জোরদার করা।
- গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে দেশগুলোকে তাদের জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (Nationally Determined Contributions - NDCs) তৈরি ও বাস্তবায়ন করতে উৎসাহিত করা।
- উন্নত দেশগুলো কর্তৃক উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আর্থিক, প্রযুক্তিগত ও সক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়তা প্রদান করা।
বিশ্বের সর্বশেষ জলবায়ু সম্মেলন (ডিসেম্বর, ২০১৮ ) পোল্যান্ডের ক্যাটোভিসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এটি ছিল COP24, যা জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (UNFCCC) ২৪তম কনফারেন্স অফ দ্য পার্টিস। সম্মেলনটি ২ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত চলেছিল।
প্রশ্নঃ জাতিসংঘের ‘Champion of the Earth’ খেতাবপ্রাপ্ত কে?
[ বিসিএস ৩৯তম ]
জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (UNEP - United Nations Environment Programme) সর্বোচ্চ পরিবেশগত সম্মাননা হলো 'চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ' (Champions of the Earth) খেতাব। এটি কোনো একক ব্যক্তিকে দেওয়া হয় না, বরং প্রতি বছর বিভিন্ন ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সংস্থাকে তাদের অসামান্য পরিবেশগত অবদানের জন্য এই খেতাব দেওয়া হয়।
অতএব, কোন একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি এই খেতাবপ্রাপ্ত নন, বরং বিভিন্ন সময়ে অনেক ব্যক্তি ও সংস্থা এই সম্মাননা পেয়েছেন।
কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা দেশ থেকে কেউ এই খেতাব পেয়েছেন কিনা, তাহলে সেই তথ্য। যেমন:
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালে "নীতিগত নেতৃত্ব" (Policy Leadership) ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তার নেতৃত্ব এবং পরিবেশ সুরক্ষায় তার অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ।
প্রশ্নঃ ২০১৮ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় কোনটি?
[ বিসিএস ৩৯তম ]
২০১৮ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের (World Environment Day) প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল: "Beat Plastic Pollution" (প্লাস্টিক দূষণ বন্ধ করো)।
এই প্রতিপাদ্যটি প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরি এবং এর মোকাবিলায় পদক্ষেপ গ্রহণের উপর জোর দিয়েছিল। সে বছর ভারত ছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবসের বৈশ্বিক আয়োজক দেশ।
২০১৫ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত কপ-২১ (COP21) ছিল জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC)-এর ২১তম বার্ষিক সম্মেলন। এই সম্মেলনটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে, যা প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) নামে পরিচিত।
কপ-২১ (COP21) এর মূল লক্ষ্য ও ফলাফল:
- লক্ষ্য: কপ-২১ এর প্রধান লক্ষ্য ছিল কিয়োটো প্রোটোকলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একটি নতুন, সর্বজনীন এবং আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি তৈরি করা।
- প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) স্বাক্ষর: দীর্ঘ আলোচনা এবং দর কষাকষির পর, ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে ১৯৬টি দেশের প্রতিনিধিরা প্যারিস চুক্তিতে সম্মত হন। এটি ছিল বিশ্ব জলবায়ু কূটনীতির একটি যুগান্তকারী অর্জন।
- প্রধান উদ্দেশ্য: প্যারিস চুক্তির মূল উদ্দেশ্যগুলো ছিল:
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ২° সেলসিয়াসের নিচে রাখা: শিল্প-বিপ্লব পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২° সেলসিয়াসের (বিশেষত ১.৫° সেলসিয়াসের মধ্যে) সীমাবদ্ধ রাখা।
- উষ্ণায়ন ১.৫° সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা: বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে ১.৫° সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া, কারণ বিজ্ঞানীরা মনে করেন এর বেশি উষ্ণায়ন হলে জলবায়ুর উপর মারাত্মক বিরূপ প্রভাব পড়বে।
- কার্বন নিঃসরণ হ্রাস: গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে আনা। প্রতিটি দেশকে তাদের নিজস্ব ন্যাশনাল ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন (NDC) বা জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান জমা দিতে বলা হয়, যেখানে তারা কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য তাদের নিজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবে।
- অভিযোজন ও আর্থিক সহায়তা: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূল প্রভাব মোকাবিলায় (অভিযোজন) দেশগুলোকে সহায়তা করা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু অর্থায়ন (Climate Finance) প্রদান করা।
- স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: দেশগুলোকে নিয়মিতভাবে তাদের অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে, যা চুক্তির বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।
গুরুত্ব: প্যারিস চুক্তিকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখা হয় কারণ এটি প্রথমবারের মতো প্রায় সকল দেশকে (উন্নত ও উন্নয়নশীল উভয়) জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য একটি আইনি কাঠামো প্রদান করে। এটি কিয়োটো প্রোটোকলের সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে ওঠে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে।
সুতরাং, ২০১৫ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত কপ-২১ এর প্রধান অর্জন ছিল প্যারিস চুক্তি।
প্রশ্নঃ ক্রমহ্রাসমান হারে ওজোনস্তর ক্ষয়কারী উপাদান বিলীনের বিষয়টি কোন চুক্তিতে বলা হয়েছে?
[ বিসিএস ৩৮তম ]
ক্রমহ্রাসমান হারে ওজোনস্তর ক্ষয়কারী উপাদান বিলীনের বিষয়টি মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তিতে বলা হয়েছে।
মন্ট্রিল প্রটোকল (Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer) হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো ওজোনস্তর ক্ষয়কারী রাসায়নিক পদার্থগুলোর (যেমন ক্লোরোফ্লোরোকার্বন - CFCs, হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ব্রোমাইড ইত্যাদি) উৎপাদন ও ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেওয়া। এই চুক্তিকে পরিবেশ রক্ষায় অন্যতম সফল আন্তর্জাতিক চুক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রশ্নঃ ‘গ্রিনপিস’ যাত্রা শুরু করে-
[ বিসিএস ৩৭তম ]
'গ্রিনপিস' (Greenpeace) হলো একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি পরিবেশবাদী সংস্থা। এটি ১৯৭১ সালে কানাডায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর সদর দপ্তর বর্তমানে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অবস্থিত।
গ্রিনপিসের প্রধান উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম:
- পরিবেশ সংরক্ষণ: গ্রিনপিসের মূল লক্ষ্য হলো পৃথিবী নামক গ্রহের সব ধরনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
- সরাসরি পদক্ষেপ ও অহিংস প্রতিরোধ: তারা পরিবেশগত সমস্যাগুলির বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে এবং পরিবর্তন আনতে অহিংস পদ্ধতিতে সরাসরি প্রতিরোধ ও প্রচারণা চালায়।
- প্রচারণার ক্ষেত্র: তাদের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা বন্ধ: প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই তারা পারমাণবিক বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছে।
- জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা: বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাস এবং নবায়নযোগ্য শক্তির প্রচারে তারা কাজ করে।
- সমুদ্র ও বনাঞ্চল সংরক্ষণ: সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষা, অতিরিক্ত মাছ ধরা প্রতিরোধ এবং বন উজাড়ের বিরুদ্ধে তারা সক্রিয়।
- বিষাক্ত বর্জ্য ও রাসায়নিক দূষণ প্রতিরোধ: বিপজ্জনক রাসায়নিক এবং পারমাণবিক বর্জ্য নিক্ষেপের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান রয়েছে।
- প্রাণী সুরক্ষা: বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী রক্ষা এবং তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণেও তারা কাজ করে।
- অর্থায়ন: নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা বজায় রাখার জন্য গ্রিনপিস কোনো সরকার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা রাজনৈতিক সংগঠনের কাছ থেকে তহবিল গ্রহণ করে না। তারা শুধুমাত্র ব্যক্তি এবং স্বাধীন অনুদানকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে।
গ্রিনপিস তাদের সাহসী এবং প্রায়শই বিতর্কিত সরাসরি অ্যাকশনের জন্য পরিচিত, যা বিশ্বজুড়ে পরিবেশ আন্দোলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রশ্নঃ নিম্নলিখিত কোনটি International Mother Earth day?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
'International Mother Earth Day'-এর বাংলা হলো আন্তর্জাতিক ধরিত্রী দিবস বা বিশ্ব বসুন্ধরা দিবস।
প্রতি বছর ২২ এপ্রিল এই দিবসটি পালন করা হয়। পরিবেশ রক্ষা এবং পৃথিবীকে সুস্থ ও বাসযোগ্য রাখার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই দিনটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয়।
প্রশ্নঃ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় Green Climate Fund বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য কি পরিমাণ অর্থ মঞ্জুর করেছে?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
৭-১৮ ডিসেম্বর ২০০৯ ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় COP-15 সম্মেলন। এ সম্মেলনেই প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২° সেলসিয়াসে সীমিত রাখার ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ। আর উক্ত সম্মেলনে Green Climate Fund বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
প্রশ্নঃ জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য কোন দেশটি সমুদ্রের গভীরে মন্ত্রীসভার বৈঠক করেছে?
[ বিসিএস ৩৫তম ]
জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য মালদ্বীপ সমুদ্রের গভীরে মন্ত্রীসভার বৈঠক করেছে।
২০০৯ সালের ১৭ই অক্টোবর মালদ্বীপের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ নাশিদের নেতৃত্বে এই অভিনব বৈঠকটি সাগরের নিচে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে মালদ্বীপের মতো নিচু দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর অস্তিত্ব সংকটের বিষয়টি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো।
প্রশ্নঃ বিশ্ব পরিবেশ দিবস কোনটি?
[ বিসিএস ৩১তম ]
৫ মে আন্তর্জাতিক ধাত্রী দিবস, ১৫ মে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস এবং ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
প্রশ্নঃ গ্রিনপিস (Green Peace) কোন দেশের পরিবেশবাদী গ্রুপ?
[ বিসিএস ২৬তম ]
গ্রিনপিস হল্যান্ড বা নেদারল্যান্ডসভিত্তিক একটি বেসরকারি পরিবেশবাদী সংস্থা। ১৯৭১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রশ্নঃ ধরিত্রী সম্মেলন কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?
[ বিসিএস ২১তম ]
প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে অনুষ্ঠিত হয়। ২০০২ সালের ২৬ আগস্ট দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন।
প্রশ্নঃ রিওডি জেনিরিওতে অনষ্ঠিত ‘ধরিত্রী সম্মেলন’ –এ কত দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছিল?
[ বিসিএস ১৫তম ]
ব্রাজিলের সাবেক রাজধানী রিও ডি জেনেরিও গুয়ানাবার উপসাগরের তীরে অবস্থিত। ১৯৯২ সালের বিশ্বের ১৭৯ দেশের অংশগ্রহণে ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থা (International Union for the Conservation of Nature and Natural Resources – IUCN) ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ডে অবস্থিত। আশখাবাদ বর্তমানে তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী।
প্রশ্নঃ আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয়–
[ বিসিএস ১১তম | রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৯-১২-২০১১ ]
৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস। ১৯৭২ সালের জুনে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত মানব পরিবেশের ওপর প্রথম জাতিসংঘ সম্মেলনে পরিবেশ বিষয়ে ব্যাপক আলোচনার সূত্রপাত ঘটে। এর প্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৭তম অধিবেশনে প্রতি বছর ৫ জুন ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৯৯০ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ জুন জাতিসংঘভুক্ত দেশগুলোতে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
প্রশ্নঃ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস কত তারিখ?
[ প্রা.বি.স.শি. 29-03-2024 ]
বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস প্রতি বছর ২ এপ্রিল পালিত হয়। এই দিনটির মূল উদ্দেশ্য হলো অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (ASD) সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের অধিকার ও কল্যাণের জন্য সমর্থন জানানো।
জাতিসংঘ ২০০৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর তারিখে এই দিনটিকে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০৮ সাল থেকে প্রতি বছর ২ এপ্রিল এই দিবসটি পালিত হচ্ছে।
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি ‘সুনীল’ অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত?
[ প্রা.বি.স.শি. 20-05-2022 ]
সুনীল অর্থনীতি সমুদ্র ও সমুদ্র-সম্পর্কিত সম্পদ এবং পরিষেবাগুলির টেকসই ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি অর্থনৈতিক ধারণা। এটি সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবহার করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উন্নত জীবিকা এবং কর্মসংস্থান তৈরি করার চেষ্টা করে।
প্রশ্নঃ কত সালে পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত কোন বিষয়কে ইউনেস্কাে Word Heritage Register - এর তালিকাভুক্ত করে?
[ প্রা.বি.স.শি. 27-06-2019 ]
2015 সালে পান্ডুলিপি বিহীন এবং অলিখিত বিষয়ে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে International Advisory Committee গঠন করে এবং কার্যক্রম শুরু করে। 2018 সালে তা World Heritage Register - এ তালিকাভুক্ত করতে শুরু করে।
প্রশ্নঃ কোনটি জলবায়ুর উপাদান নয়?
[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
জলবায়ুর প্রধান উপাদানগুলো হলো:
- তাপমাত্রা: সূর্য থেকে আসা তাপের পরিমাণ এবং পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের উষ্ণতা।
- বৃষ্টিপাত: বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টি, তুষার, শিলাবৃষ্টি ইত্যাদি রূপে ভূপৃষ্ঠে পতিত হওয়া।
- বায়ুর চাপ: বায়ুর ওজনজনিত কারণে সৃষ্ট চাপ, যা বিভিন্ন স্থানের আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে।
- বায়ুপ্রবাহ: বায়ুর গতি ও দিক, যা উষ্ণতা ও আর্দ্রতা স্থানান্তরিত করে।
- আর্দ্রতা: বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ।
- মেঘ: বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে সৃষ্ট দৃশ্যমান জলবিন্দু বা বরফের কণা।
প্রশ্নঃ নবায়নযোগ্য শক্তি কোনটি?
[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ (এসডিজি) অর্জনের সময়কাল নিম্নের কোনটি?
[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয় কত তারিখে?
[ ১২তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ বিশ্বে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণে শীর্ষ দেশ কোনটি?
[ ৭ম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ সিডর শব্দের অর্থ কী?
[ ৬ষ্ঠ শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ কোনটি?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২২-০৬-২০১৯ ]
প্রশ্নঃ SDGs লক্ষ্যমাত্রা কোন সালের মধ্যে অর্জন করতে হবে?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২১-০৬-২০১৯ ]
প্রশ্নঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) দপ্তর অবস্থিত কোথায়?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১০-১১-২০১৩ ]