আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. রিচার্ড নিক্সন
খ. বিল ক্লিনটন
গ. কেনেডি
ঘ. ডনাল্ড ট্রাম্প
উত্তরঃ ডনাল্ড ট্রাম্প
ব্যাখ্যাঃ

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫-তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

তিনি ২০১৭ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ক. লাওস
খ. হংকং
গ. ভিয়েতনাম
ঘ. কম্বােডিয়া
উত্তরঃ হংকং
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল খঃ হংকং

হংকং ASEAN জোটভুক্ত নয়। ASEAN (Association of Southeast Asian Nations) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক সংস্থা। এই দেশগুলো হলো:

  • ব্রুনাই
  • কম্বোডিয়া
  • ইন্দোনেশিয়া
  • লাওস
  • মালয়েশিয়া
  • মায়ানমার
  • ফিলিপাইন
  • সিঙ্গাপুর
  • থাইল্যান্ড
  • ভিয়েতনাম

হংকং চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল। যদিও হংকং-এর সাথে ASEAN-এর অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এবং তারা একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতেও আবদ্ধ হয়েছে, তবে হংকং ASEAN-এর সদস্য রাষ্ট্র নয়।

ক. এনএলডি সরকার
খ. ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার
গ. বার্মিজ গভর্নমেন্ট ইন এক্সাইল
ঘ. অং সান সু চি সরকার
উত্তরঃ ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার
ব্যাখ্যাঃ

মিয়ানমারের নির্বাসিত সরকারের নাম হলো জাতীয় ঐক্য সরকার (National Unity Government - NUG)

এটি ২০২১ সালের মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত আইনপ্রণেতা এবং অন্যান্য বিরোধী ব্যক্তিত্বদের দ্বারা গঠিত একটি ছায়া সরকার। তারা মিয়ানমারের জনগণের নির্বাচিত বৈধ সরকার হিসেবে নিজেদের দাবি করে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে স্বীকৃতি আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ক. যুক্ত্রাজ্য
খ. যুক্তরাষ্ট্র
গ. চীন
ঘ. ভারত
উত্তরঃ চীন
ব্যাখ্যাঃ

আধুনিক মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিস এর উন্মেষ ঘটে প্রাচীন চীন সম্রাজ্যে। তাঁরাই প্রথম পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীকে বেছে নেয়ার পদ্ধতি চালু করে। সুই সাম্রাজ্য (৫৮১ থেকে ৬১৮) মেধার ভিত্তিতে আমলাদের নির্বাচিত করার পদ্ধতি চালু করে।

ক. এনেগরেট ক্রাম্প
খ. লিনা হেডরিচ
গ. অ্যাঙ্গেলা মের্কেল
ঘ. পেট্রা কেলি
উত্তরঃ অ্যাঙ্গেলা মের্কেল
ব্যাখ্যাঃ

জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর ছিলেন অ্যাঞ্জেলা মার্কেল (Angela Merkel)

তিনি ২০০৫ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ক. ২৫০০
খ. ১৯৯১
গ. ১৯৫০
ঘ. ১৮৯০
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়নের জন্য একজন প্রার্থীকে সংখ্যাগরিষ্ঠ ডেলিগেটের সমর্থন পেতে হয়। ২০২৪ সালের ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশনে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য একজন প্রার্থীকে ন্যূনতম ১,৯৬৮ জন ডেলিগেটের সমর্থন পেতে হবে।

ক. ৩ ভাগে
খ. ৪ ভাগে
গ. ৫ ভাগে
ঘ. ৬ ভাগে
উত্তরঃ ৪ ভাগে
ব্যাখ্যাঃ

Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে প্রধানত চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত করেছেন:

১. প্রাতিষ্ঠানিক চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী (Institutional Interest Groups): এই গোষ্ঠীগুলো সরকারের বিভিন্ন কাঠামোর মধ্যে (যেমন - রাজনৈতিক দল, আইনসভা, আমলাতন্ত্র, সেনাবাহিনী) কাজ করে এবং তাদের প্রাতিষ্ঠানিক ভূমিকার অংশ হিসেবে স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে।

২. অ-প্রাতিষ্ঠানিক চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী (Non-Associational Interest Groups): এই গোষ্ঠীগুলোর সুনির্দিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো থাকে না। এরা ভাষা, ধর্ম, পেশা, অঞ্চল বা জাতিগত পরিচয়ের মতো সাধারণ স্বার্থের ভিত্তিতে গঠিত হয় এবং বিক্ষিপ্তভাবে বা অসংগঠিতভাবে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

৩. সমষ্টিগত চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী (Associational Interest Groups): এই গোষ্ঠীগুলোর সুস্পষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো থাকে, নির্দিষ্ট সদস্যপদ থাকে এবং তারা তাদের সদস্যদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সুসংগঠিতভাবে কাজ করে। ট্রেড ইউনিয়ন, ব্যবসায়িক সংস্থা, পেশাদারী সমিতি ইত্যাদি এর উদাহরণ।

৪. অনিয়মিত চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী (Anomic Interest Groups): এই গোষ্ঠীগুলোর কোনো স্থায়ী কাঠামো বা নিয়মিত কার্যক্রম থাকে না। এরা হঠাৎ করে কোনো বিশেষ ইস্যুতে আবেগপূর্ণভাবে সংগঠিত হয় এবং বিক্ষোভ, সহিংসতা বা অন্যান্য অস্থিরতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দাঙ্গা, ছাত্র বিক্ষোভ ইত্যাদি এর উদাহরণ।

ক. মার্থা ন্যুসবাম
খ. জোসেফ স্টিগলিটজ
গ. অমর্ত্য সেন
ঘ. জন রাউলস
উত্তরঃ অমর্ত্য সেন
ব্যাখ্যাঃ

‘দ্যা আইডিয়া অব জাস্টিস’ (The Idea of Justice) গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন অমর্ত্য সেন

তিনি একজন বিখ্যাত ভারতীয় অর্থনীতিবিদ এবং দার্শনিক। ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 'দ্যা আইডিয়া অব জাস্টিস' বইটি ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি ন্যায়বিচার নিয়ে তার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

ক. চীন, রাশিয়া
খ. উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া
গ. জাপান, থাইল্যান্ড
ঘ. তাইওয়ান, হংকং
উত্তরঃ উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যাঃ

The Sunshine Policy (সুনশাইন নীতি)-এর সাথে প্রধানত দুটি দেশ জড়িত:

১. দক্ষিণ কোরিয়া (South Korea): এই নীতিটি মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি কিম ডে-জুং (Kim Dae-jung) উত্তর কোরিয়ার সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রণয়ন করেছিলেন। ২. উত্তর কোরিয়া (North Korea): এই নীতির উদ্দেশ্য ছিল উত্তর কোরিয়ার সাথে সহযোগিতা ও আলোচনার মাধ্যমে কোরীয় উপদ্বীপের উত্তেজনা হ্রাস করা এবং শান্তি স্থাপন করা।

যদিও এই নীতির লক্ষ্য ছিল দুটি কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নত করা, তবে এর বাস্তবায়ন এবং ফলাফল বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন হয়েছে। অন্যান্য দেশ, যেমন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানও কোরীয় উপদ্বীপের শান্তি প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত থাকলেও, সানশাইন নীতি বিশেষভাবে দক্ষিণ কোরিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে গঠিত হয়েছিল।

ক. মিয়ানমার
খ. চীন
গ. সিঙ্গাপুর
ঘ. ব্রুনাই
উত্তরঃ মিয়ানমার
ব্যাখ্যাঃ

মিয়ানমার-এর জাতীয় সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।

মিয়ানমারের আইনসভার দুটি কক্ষ রয়েছে:

  • নিম্নকক্ষ: পিথু হুততাও (Pyithu Hluttaw)
  • উচ্চকক্ষ: অ্যামিয়োথা হুততাও (Amyotha Hluttaw)

অন্যদিকে, চীন, সিঙ্গাপুর এবং ব্রুনাই-এর আইনসভা এককক্ষ বিশিষ্ট।

ক. ইউএম এন ও
খ. বারিসান ন্যাশনাল
গ. পাটি পেরিকাতান
ঘ. পাকাতান-হারাপান
উত্তরঃ পাকাতান-হারাপান
ব্যাখ্যাঃ

৯২ বছর বয়সে (২০১৮ সালের নির্বাচনের সময়) মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ-এর রাজনৈতিক জোটের নাম ছিল পাকাতান হারাপান (Pakatan Harapan), যার অর্থ "আশার জোট"।

এই জোটটি ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে মালয়েশিয়ার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দীর্ঘদিনের ক্ষমতাসীন বারিসান ন্যাশনাল জোটকে ক্ষমতাচ্যুত করে।

ক. ডেনমার্ক
খ. বেলজিয়াম
গ. নরওয়ে
ঘ. ফিনল্যান্ড
উত্তরঃ ডেনমার্ক
ব্যাখ্যাঃ

ফোকেটিং (Folketing) হলো ডেনমার্কের জাতীয় আইনসভা (পার্লামেন্ট)। এটি ডেনমার্কের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।

এখানে ফোকেটিং সম্পর্কে কিছু তথ্য দেওয়া হলো:

  • দেশ: ডেনমার্ক
  • প্রকার: এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা (Unicameral Parliament)। এর কোনো উচ্চকক্ষ বা নিম্নকক্ষ নেই, কেবল একটি কক্ষই আইন প্রণয়নের কাজ করে।
  • সদস্য সংখ্যা: মোট ১৭৯ জন সদস্য। এর মধ্যে ১৭৫ জন সদস্য ডেনমার্ক থেকে নির্বাচিত হন এবং ফারো দ্বীপপুঞ্জ ও গ্রিনল্যান্ড থেকে প্রত্যেকে ২ জন করে মোট ৪ জন সদস্য নির্বাচিত হন।
  • নির্বাচন পদ্ধতি: সদস্যরা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির (Proportional Representation) মাধ্যমে ৪ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
  • কার্যাবলী:
    • আইন প্রণয়ন।
    • সরকার গঠন ও তত্ত্বাবধান।
    • জাতীয় বাজেট অনুমোদন।
    • আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদন।
    • প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা।

ফোকেটিং ডেনমার্কের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু এবং এটি দেশটির রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ক. মালয়েশিয়া
খ. মিয়ানমার
গ. ভারত
ঘ. থাইল্যান্ড
উত্তরঃ মিয়ানমার
ব্যাখ্যাঃ

ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (National League for Democracy - NLD) হলো মিয়ানমারের (বার্মা) একটি প্রধান রাজনৈতিক দল। এই দলটি গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য তাদের দীর্ঘ সংগ্রামের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত।

এখানে NLD সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হলো:

  • প্রতিষ্ঠা: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮।
  • প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতৃত্ব: দলটির সবচেয়ে পরিচিত মুখ এবং কার্যত প্রতিষ্ঠাতা হলেন আং সান সু চি (Aung San Suu Kyi)। তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী এবং মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের একজন আইকন।
  • প্রতিষ্ঠার কারণ: ১৯৮৮ সালের গণঅভ্যুত্থানের (8888 Uprising) পর সামরিক শাসনের অবসানের লক্ষ্যে এবং মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য এই দলটি গঠিত হয়।
  • গণতান্ত্রিক সংগ্রাম: NLD প্রতিষ্ঠার পর থেকে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেছে। আং সান সু চিকে দীর্ঘ সময় ধরে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছিল।
  • ১৯৯০ সালের নির্বাচন: ১৯৯০ সালে মিয়ানমারে একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে NLD নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু সামরিক জান্তা নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকার করে।
  • ২০১৫ সালের নির্বাচন: দীর্ঘ সংগ্রামের পর, ২০১৫ সালের সাধারণ নির্বাচনে NLD ভূমিধস বিজয় লাভ করে। সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কারণে আং সান সু চি প্রেসিডেন্ট হতে না পারলেও, তিনি 'রাষ্ট্রীয় কাউন্সিলর' (State Counsellor) নামে একটি নতুন পদ সৃষ্টি করে কার্যত সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
  • ২০২০ সালের নির্বাচন: NLD ২০২০ সালের নির্বাচনেও বিপুল ভোটে জয়লাভ করে।
  • ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থান: ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী (তাতমাদাও) অভ্যুত্থানের মাধ্যমে NLD সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে এবং আং সান সু চি সহ দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে মিয়ানমার পুনরায় সামরিক শাসনের অধীনে রয়েছে এবং NLD এর কার্যক্রম সীমিত বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
  • বর্তমান অবস্থা: সামরিক অভ্যুত্থানের পর NLD এর বহু নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার, কারাদণ্ড বা আত্মগোপনে রয়েছেন। দলটি বর্তমানে সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনের অংশ হিসেবে কাজ করছে।

সংক্ষেপে, ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের প্রতীক এবং দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি প্রভাবশালী দল।

ক. এ্যাডি ক্যালভো
খ. ডোনাল্ড ডাক
গ. রন বুম
ঘ. গেন বেক
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

বর্তমানে (মে ২০২৫ অনুযায়ী) গুয়ামের গভর্নর হলেন লো লিয়ন গুয়েরেরো (Lou Leon Guerrero)। তিনি ২০১৯ সাল থেকে গুয়ামের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং গুয়ামের প্রথম নারী গভর্নর।

ক. ভারতীয় জনতা পার্টি
খ. কমিউনিস্ট পার্টি
গ. ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
ঘ. বহুজন সমাজ পার্টি
উত্তরঃ ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস
ব্যাখ্যাঃ

ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল হলো ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস

ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস (Indian National Congress), যা সাধারণত কংগ্রেস নামে পরিচিত, ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন এবং অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল।

ক. Loas People
খ. Republic of Laos
গ. Kingdom of Laos
ঘ. Democratic Republic of Laos
উত্তরঃ Loas People
ব্যাখ্যাঃ

লাওসের সরকারি নাম হলো লাও গণপ্রজাতন্ত্রী গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র

লাও ভাষায় এর উচ্চারণ: সাত্থালানালত পাছাত্থিপাতাই পাছাখন লাও (Sathalanalat Paxathipatai Paxaxôn Lao)।

ইংরেজিতে এটিকে Lao People's Democratic Republic (LPDR) বলা হয়।

ক. রাজা ধীরেন্দ্র
খ. রাজা জ্ঞানেন্দ্র
গ. রাজা বীরেন্দ্র
ঘ. রাজা মহেন্দ্র
উত্তরঃ রাজা জ্ঞানেন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ

নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব

২০০৮ সালের ২৮শে মে নেপালে রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি ঘটিয়ে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় এবং এর মধ্য দিয়ে ২৪০ বছরের শাহ রাজবংশের শাসনের অবসান ঘটে।

ক. ২
খ. ৩
গ. ৪
ঘ. ১
উত্তরঃ ১
ব্যাখ্যাঃ

স্বাধীন ভারতে জন্ম নেওয়া ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয় ২০১৪ সালের ২৬ মে। ঐ দিনের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথির সংখ্যা ছিল ৪ হাজারেরও বেশি। জাপানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফর থাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া সার্কভুক্ত সকল দেশের সরকারপ্রধান শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সার্কের বাইরের একমাত্র দেশ হিসেবে মরিশাসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নবীন রামগুলাম আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন।

ক. জাপান
খ. পেরু
গ. কোস্টারিকা
ঘ. সুইজারল্যান্ড
উত্তরঃ জাপান
ক. ক্লজউইজ
খ. আলফ্রেড মাহান
গ. সুন জু
ঘ. কৌটিল্য
উত্তরঃ সুন জু
ব্যাখ্যাঃ

'The Art of War' গ্রন্থের রচয়িতা হলেন সুন সু (Sun Tzu)

এটি সামরিক কৌশল সম্পর্কিত একটি প্রাচীন চীনা গ্রন্থ, যা সামরিক বিজ্ঞান এবং দর্শন উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত প্রভাবশালী।

ক. জাপান
খ. ভারত
গ. আফগানিস্তান
ঘ. চীন
উত্তরঃ চীন
ব্যাখ্যাঃ

বর্তমান বিশ্বে 'নিউ সিল্ক রোড' বা 'নতুন সিল্ক রোড' ধারণার প্রধান প্রবক্তা হলো গণপ্রজাতন্ত্রী চীন

২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই উচ্চাভিলাষী বৈশ্বিক অবকাঠামো উন্নয়ন কৌশলের সূচনা করেন, যা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (Belt and Road Initiative - BRI) নামে পরিচিত। এটিকে প্রায়শই 'এক অঞ্চল, এক পথ' (One Belt, One Road - OBOR) উদ্যোগও বলা হয়।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো প্রাচীন সিল্ক রোড বাণিজ্য পথের পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এমনকি লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের মধ্যে সড়ক, রেল, সমুদ্রপথ এবং অন্যান্য অবকাঠামোর মাধ্যমে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সংযোগ স্থাপন করা।

প্রশ্নঃ N.B. stands for -

[ বিসিএস ৩৪তম ]

ক. Note before
খ. No bar
গ. Non bearing
ঘ. Nota bene
উত্তরঃ Nota bene
ব্যাখ্যাঃ

N.B. stands for Nota bene

'Nota bene' একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ হলো "ভালো করে খেয়াল করুন" বা "বিশেষভাবে লক্ষ্য করুন"। এটি সাধারণত লিখিত তথ্যে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়কে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ক. সিউল
খ. আম্মান
গ. কায়রো
ঘ. তেহরান
উত্তরঃ কায়রো
ব্যাখ্যাঃ

'তাহরির স্কয়ার' (Tahrir Square) মিশরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত চত্বর। এটি আরবিতে 'মেইদান আত-তাহরির' (Mīdān at-Taḥrīr) নামে পরিচিত, যার অর্থ 'মুক্তির চত্বর' (Liberation Square)।

যে কারণে এটি বহুল আলোচিত:

  • মিশরীয় বিপ্লব ২০১১ (আরব বসন্ত): তাহরির স্কয়ার বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে ২০১১ সালের মিশরীয় বিপ্লবের (আরব বসন্তের অংশ) মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের ৩০ বছরের শাসনের অবসানের দাবিতে লক্ষ লক্ষ মানুষ এই চত্বরে সমবেত হয়ে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিল। এই বিক্ষোভ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক নজর কেড়েছিল এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এর ব্যাপক কাভারেজ হয়েছিল।

ইতিহাস:

  • উনিশ শতকে এটি মূলত 'ইসমাইলিয়া স্কয়ার' নামে পরিচিত ছিল, মিশরের তৎকালীন শাসক খেদিভ ইসমাইলের নামে। তিনি প্যারিসের আদলে কায়রোর ডাউনটাউন এলাকার পরিকল্পনা করেছিলেন।
  • ১৯১৯ সালের মিশরীয় বিপ্লবের পর এর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে 'তাহরির স্কয়ার' হয়ে ওঠে, যা স্বাধীনতার প্রতীক।
  • ১৯৫২ সালের মিশরীয় বিপ্লবের পর এই নামটি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

বর্তমানে তাহরির স্কয়ার কায়রোর একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল এবং ব্যস্ত ট্রাফিক চত্বর। তবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব, বিশেষ করে ২০১১ সালের বিপ্লবের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে, এটিকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে তুলেছে।

প্রশ্নঃ ‘আরব বসন্ত’ বলতে কি বুঝায়?

[ বিসিএস ৩৪তম | প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ৩০-১০-২০১৫ ]

ক. আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
খ. আরব অঞ্চলে বসন্তকাল
গ. আরব রাজতন্ত্র
ঘ. আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন
উত্তরঃ আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
ব্যাখ্যাঃ

'আরব বসন্ত' (Arab Spring) বলতে মূলত ২০১০ সালের শেষ দিক থেকে শুরু হয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি আরব দেশে ছড়িয়ে পড়া গণবিক্ষোভ, অভ্যুত্থান এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনকে বোঝায়। পশ্চিমা গণমাধ্যম এই আন্দোলনগুলোকে 'আরব বসন্ত' নামে অভিহিত করে।

সূচনা ও বিস্তার: আরব বসন্তের সূচনা হয় ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিউনিসিয়ায়। মোহাম্মদ বুয়াজ্জিজি নামের এক ফল বিক্রেতার আত্মাহুতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিউনিসিয়ায় ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়, যা ২৩ বছরের স্বৈরশাসক জাইনুল আবেদিন বেন আলীর পতন ঘটায়। তিউনিসিয়ার এই সাফল্য অন্যান্য আরব দেশের জনগণকে উৎসাহিত করে এবং আন্দোলন দ্রুত মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন, সিরিয়া ও বাহরাইনসহ অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

আন্দোলনের মূল কারণসমূহ: এই গণবিক্ষোভের পেছনে বেশ কিছু সাধারণ কারণ ছিল:

  • দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসন ও রাজতন্ত্র: বেশিরভাগ আরব দেশে বহু দশক ধরে অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরশাসকদের শাসন চলছিল।
  • দুর্নীতি: সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যাপক দুর্নীতি।
  • দুর্বল অর্থনীতি ও উচ্চ বেকারত্ব: অর্থনৈতিক মন্দা, উচ্চ বেকারত্বের হার, বিশেষ করে শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে।
  • দারিদ্র্য ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি: সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান হ্রাস এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের উচ্চমূল্য।
  • মানবাধিকার লঙ্ঘন: মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সমাবেশের অধিকারসহ মৌলিক মানবাধিকারের ব্যাপক লঙ্ঘন।
  • রাজনৈতিক স্বাধীনতার অভাব: জনগণের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগের অভাব।

ফলাফল: আরব বসন্তের ফলে কিছু দেশে দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসকদের পতন ঘটে:

  • তিউনিসিয়া: প্রেসিডেন্ট জাইনুল আবেদিন বেন আলীর পতন।
  • মিশর: প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের পতন।
  • লিবিয়া: মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতন ও মৃত্যু।
  • ইয়েমেন: প্রেসিডেন্ট আলী আবদুল্লাহ সালেহর পদত্যাগ।

তবে, আরব বসন্তের ফলাফল মিশ্র ছিল। কিছু দেশে (যেমন তিউনিসিয়া) তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা পরিবর্তন হলেও, অন্যান্য দেশে (যেমন লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেন) এটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ, অস্থিতিশীলতা, চরমপন্থা ও মানবিক সংকটের জন্ম দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে, গণতন্ত্রের স্বপ্ন পূরণ হয়নি এবং নতুন করে সংঘাত ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ এর সবচেয়ে ভয়াবহ উদাহরণ।

সুতরাং, 'আরব বসন্ত' ছিল আরব বিশ্বের জনগণের একটি স্বতঃস্ফূর্ত বিদ্রোহ, যা স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা থেকে উৎসারিত হয়েছিল, কিন্তু এর পরিণতি সবক্ষেত্রে আশানুরূপ ছিল না।

ক. ফিজি
খ. সিরিয়া
গ. লেবানন
ঘ. আফগানিস্তান
উত্তরঃ আফগানিস্তান
ব্যাখ্যাঃ

"লয়া জিরগা" (Loya Jirga) হলো আফগানিস্তানের একটি ঐতিহ্যবাহী এবং বিশেষ ধরনের বৃহত্তর পরিষদ বা গ্র্যান্ড অ্যাসেম্বলি। এটি আফগানিস্তানের জাতীয় আলোচনার জন্য সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিষদ হিসেবে বিবেচিত।

বৈশিষ্ট্য:

  • ঐতিহ্য: এটি শতাব্দী প্রাচীন পশতুন উপজাতীয় ঐতিহ্য থেকে উদ্ভূত, তবে এর কার্যকারিতা এখন সমস্ত জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের জন্য প্রসারিত হয়েছে।
  • সদস্য: লয়া জিরগায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জাতিগোষ্ঠীর নেতা, উপজাতীয় প্রধান, ধর্মীয় নেতা, রাজনীতিবিদ, সামরিক কমান্ডার এবং উল্লেখযোগ্য নাগরিক প্রতিনিধিরা একত্রিত হন। এর সদস্য সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়, পরিস্থিতিভেদে পরিবর্তিত হয়।
  • উদ্দেশ্য: সাধারণত যখন কোনো বড় ধরনের জাতীয় সংকট দেখা দেয়, যেমন যুদ্ধ, শান্তি চুক্তি, নতুন সংবিধান প্রণয়ন, নতুন সরকার গঠন, বা গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নীতি নির্ধারণের প্রয়োজন হয়, তখন লয়া জিরগার আয়োজন করা হয়। এর সিদ্ধান্তকে দেশের জনগণের সম্মিলিত ইচ্ছার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয় এবং এর একটি উচ্চ নৈতিক ও আইনি বৈধতা রয়েছে বলে মনে করা হয়।
  • ক্ষমতা: লয়া জিরগার আইনগত ক্ষমতা নিয়ে কিছুটা বিতর্ক থাকলেও, ঐতিহাসিকভাবে এর সিদ্ধান্তগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং দেশের জন্য Binding (বাধ্যতামূলক) বলে বিবেচিত হয়েছে। এটি একটি ঐকমত্য-ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।
ক. দাউদ খাঁ
খ. জহির শাহ
গ. নাদির শাহ
ঘ. নজীবুল্লাহ
উত্তরঃ জহির শাহ
ব্যাখ্যাঃ

আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ মোহাম্মদ জহির শাহ ১৯৩৩ সালের ৮ নভেম্বর থেকে ১৯৭৩ সালের জুলাই পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। জহির শাহের পর দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট হন দাউদ খাঁ।

ক. কলাম্বিয়া
খ. নিকারাগুয়া
গ. কোস্টারিকা
ঘ. এল সালভাদর
উত্তরঃ কোস্টারিকা
ব্যাখ্যাঃ

মধ্য আমেরিকার দেশ কোস্টারিকায় কোনো সেনাবাহিনী নেই। এছাড়া অন্যান্য যেসব দেশে সেনাবাহিনী নেই সেগুলো হলো: এন্ডোরা, ডোমিনিকা, গ্রানাডা, হাইতি, কিরিবাতি, লিচটেনস্টাইন, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, মরিশাস, মাইক্রোনেশিয়া, নাউরু, পালাউ, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট এন্ড গ্রানাডাইন্স, সামোয়া, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, টুভ্যালু, ভ্যাটিকান সিটি।

ক. জর্জ বুশ
খ. হিলারী ক্লিনটন
গ. রবার্ট গেইট
ঘ. কন্ডালিসা রাইস
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন অ্যান্টনি জে. ব্লিঙ্কেন। তিনি ২০২১ সালের ২৬ জানুয়ারি এই পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে, সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায়, ফ্লোরিডার সিনেটর মার্কো রুবিওকে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন। তিনি ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

ক. সোনিয়া গান্ধী
খ. ড. মনমোহন সিং
গ. মমতা ব্যানার্জী
ঘ. রাহুল গান্ধী
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হলেন শ্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি ২০১৪ সালের ২৬ মে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে ২০১৯ সালে পুনরায় নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়ের পর, তিনি ২০২৪ সালের ৯ জুন তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

ক. ৯৯
খ. ১০০
গ. ১০১
ঘ. ১০২
উত্তরঃ ১০০
ব্যাখ্যাঃ

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের মোট আসন সংখ্যা ১০০টি। প্রতিটি রাজ্য থেকে দুইজন করে সিনেটর নির্বাচিত হন, এবং মোট ৫০টি রাজ্য থাকার কারণে সিনেটের মোট আসন সংখ্যা ১০০টি।

ক. নিকোলাস সার্কোজি
খ. জ্যাক শিরাক
গ. ফ্রঁসিয়ে মিতেরাঁ
ঘ. জেনারেল দ্য গল
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

এমানুয়েল মাখোঁ ২০২২ সালের ১০ এপ্রিল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় লাভ করেন। তিনি ফ্রান্সের প্রথম প্রেসিডেন্ট, যিনি গত ২০ বছরে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে এসেছেন। ২০১৭ সালের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর, তিনি ২০২২ সালে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন এবং ফ্রান্সে দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার ইতিহাস গড়েছেন।

ক. হ্যারি এস ট্রুম্যান
খ. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
গ. জেমস মনরো
ঘ. তথ্যটি সঠিক নয়
উত্তরঃ ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
ব্যাখ্যাঃ

যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় ছিলেন ডেমোক্র্যাট দল থেকে নির্বাচিত ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট। তিনি তিন মেয়াদে ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ পর্যন্ত ১২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। তার সময়েই শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। হ্যারি এস ট্রুম্যান ডেমোক্র্যাট দল থেকে নির্বাচিত যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ক্ষমতায় ছিলেন ১৯৪৫ -১৯৫৩ সাল পর্যন্ত ২ মেয়াদে ৮ বছর। তার আদেশেই হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক হামলা চালানো হয়।

ক. ৫৪৩
খ. ৫৪৫
গ. ৪১৪
ঘ. ৫৪০
উত্তরঃ ৫৪৩
ব্যাখ্যাঃ

দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট ভারতীয় কেন্দ্রীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম লোকসভা। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী লোকসভার আসন সংখ্যা হতে পারবে সর্বোচ্চ ৫৫২। তবে বর্তমান লোকসভার সদস্য সংখ্যা ৫৪৫। এর মধ্যে নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ৫৪৩ এবং অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের জন্য সংরক্ষিত ২টি আসনে রাষ্ট্রপতির মনোনীত অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান প্রার্থী প্রতিনিধিত্ব করেন।

ক. খালেদ
খ. ফয়সাল
গ. আব্দুল আজিজ
ঘ. আবদুল্লাহ
উত্তরঃ আবদুল্লাহ
ব্যাখ্যাঃ

১ আগস্ট, ২০০৫ বাদশা ফাহাদ বিন আবদুল আজিজের মৃত্যুর পর নতুন বাদশা হন তার বৈমাত্রেয় ভাই যুবরাজ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ এবং নতুন ক্রাউন প্রিন্স মনোনীত হন প্রয়াত বাদশার আপন ভাই ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সুলতান বিন আবদুল আজিজ। উল্লেখ্য, বাদশাহ আবদুল্লাহ (২৩ জানুয়ারি, ২০১৫ ) মারা যাওয়ার পর নতুন বাদশাহ হিসেবে সিংহাসনে বসেন সালমান বিন আবদুল আজিজ।

ক. ২১ বছর
খ. ২২ বছর
গ. ২৪ বছর
ঘ. ২৫ বছর
উত্তরঃ ২২ বছর
ব্যাখ্যাঃ

১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২২ বছর ক্ষমতায় থাকার পর স্বেচ্ছায় পদত্যাগের পর বিশ্বে তিনি মহান নেতা হিসেবে সম্মানিত হচ্ছেন । তিনি তার মেধা, প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে ৭০ দশকের কৃষিপ্রধান দরিদ্র মালয়েশিয়াকে শিল্পভিত্তিক মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করে বিশ্বে ঈর্ষণীয় সাফল্য দেখিয়েছেন। উল্লেখ্য, ১০ মে, ২০১৮ তিনি পুনরায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সালে তিনি পদত্যাগ করেন। অর্থাৎ মোট ২৪ বছর ক্ষমতায়।

ক. সুন্নি
খ. শিয়া
গ. কুর্দি
ঘ. খ্রিস্টান
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

জালাল তালাবানি ছিলেন একজন কুর্দি। তিনি ইরাকের রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সময়ে দেশটির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। কুর্দিদের অধিকারের জন্য তিনি সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন।

ক. রাইখস্ট্যাগ
খ. রিকসড্যাগ
গ. ফোকেটিং
ঘ. ডায়েট
উত্তরঃ ডায়েট
ব্যাখ্যাঃ

জাপানের পার্লামেন্টের নাম ডায়েট। অন্যদিকে, রাইখস্ট্যাগ জার্মানির, রিকসড্যাগ সুইডেনের এবং ফোকেটিং ডেনমার্কের পার্লামেন্টের নাম।

ক. ফিজি
খ. কানাডা
গ. অস্ট্রিয়া
ঘ. অস্ট্রেলিয়া
উত্তরঃ ফিজি
ব্যাখ্যাঃ

যুক্তরাজ্য সহ সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশভুক্ত ১৫টি দেশ ব্রিটেনের রাজা/রানীকে তাদের প্রতীকী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মান্য করে। দেশগুলো হলো- ১. কানাডা ২. অস্ট্রেলিয়া ৩. নিউজিল্যান্ড ৪. জ্যামাইকা, ৫. বার্বাডোস, ৬. বাহামা দ্বীপপুঞ্জ ৭. গ্রানাডা ৮. পাপুয়া নিউগিনি ৯. সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ১০. টুভ্যালু, ১১. সেন্ট লুসিয়া, ১২. সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রানাডাইন্স, ১৩. বেলিজ, ১৪. এন্টিগুয়া অ্যান্ড বারমুডা ১৫. সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস।

ক. ২৭২
খ. ২৭১
গ. ২৭০
ঘ. ২৬৮
উত্তরঃ ২৭০
ব্যাখ্যাঃ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সরাসরি ভোটের মাধ্যমে না হলেও ৫৩৮ (১০০ সিনেটর + ৪৩৫ রিপ্রেজেন্টেটিভ + ৩ সদস্য ডিস্ট্রিক্ট অব কলম্বিয়া) সদস্যের ইলেক্টোরাল কলেজের পছন্দের ওপর প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর জয় -পরাজয় নির্ভর করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি রাজ্যে ৩ থেকে সর্বোচ্চ ৫৫ জন ইলেক্টোরাল প্রতিনিধি রয়েছে। কোনো প্রার্থীকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য ইলেক্টোরাল কলেজের ২৭০ টি ভোট পেতে হয়।

ক. প্রথম
খ. তৃতীয়
গ. দ্বিতীয়
ঘ. চতুর্থ
উত্তরঃ দ্বিতীয়
ব্যাখ্যাঃ

আফ্রিকা থেকে নিয়োগকৃত জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ড. বুট্রোস ঘালি (১৯৯১-৯৬)। তিনি মিশরের অধিবাসী ছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে কফি আনান আফ্রিকা মহাদেশ থেকে নিয়োগকৃত জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। তার মেয়াদ শেষ হয় ৩১ ডিসেম্বর ২০০৬। জাতিসংঘের বর্তমান তথা নবম মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরেস (পর্তুগাল)।

ক. ৫৪৫
খ. ৫৪৩
গ. ৬১০
ঘ. ৪১৫
উত্তরঃ ৫৪৩
ব্যাখ্যাঃ

দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট ভারতীয় কেন্দ্রীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম লোকসভা। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী লোকসভার আসন সংখ্যা হতে পারবে সর্বোচ্চ ৫৫২। তবে বর্তমান লোকসভার সদস্য সংখ্যা ৫৪৫। এর মধ্যে নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ৫৪৩। (২ জন Anglo-Indian থেকে নির্বাচন করা হয়।

ক. ব্রিটেন
খ. ফ্রান্স
গ. তুরস্ক
ঘ. স্পেন
উত্তরঃ ফ্রান্স
ব্যাখ্যাঃ

১৯৪৩ সালের ২২ নভেম্বর লেবানন ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। লীগ অব নেশন্স -এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরাজিত শক্তি জার্মানি ও তুরস্কের উপনিবেশগুলোকে ম্যান্ডেট ব্যবস্থার মাধ্যমে মিত্রশক্তির নিকট হস্তান্তর করা হয়।

ক. জেমস মনরো
খ. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
গ. হ্যারি এস ট্রুম্যান
ঘ. তথ্যটি সঠিক নয়
উত্তরঃ ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
ব্যাখ্যাঃ

ডেমোক্রেট দলের প্রধান ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১৯৩৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ১২ বছর টানা তিন বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। অন্যদিকে, ডেমোক্রেট -রিপাবলিকের যুক্তপ্রার্থী জেমস মনরো ১৮১৭ থেকে ১৮২৫ পর্যন্ত এবং ডেমোক্রেট দলের হ্যারি এস ট্রুম্যান ১৯৪৫ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

ক. নিউইয়র্ক
খ. ক্যালিফোর্নিয়া
গ. টেক্সাস
ঘ. ফ্লোরিডা
উত্তরঃ ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যাঃ

যুক্তরাষ্ট্রের ইলেকটোরাল ভোট জনসংখ্যার অনুপাতে নির্ধারিত হয়। ক্যালিফোর্নিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য এবং এর জনসংখ্যা দ্বিতীয় জনবহুল অঙ্গরাজ্যের প্রায় দ্বিগুণ। ফলে এ অঙ্গরাজ্যেই ইলেকটোরাল ভোটের সংখ্যা বেশি। ক্যালিফোর্নিয়ায় ইলেকটোরাল ভোটের সংখ্যা ৫৫।

ক. মি.কইরালা
খ. মি. থাপা
গ. মি. রানা
ঘ. মি. দেউবা
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হলেন সিপিএন (ইউএমএল) এর কেপি শর্মা অলি , 15 জুলাই 2024 সাল থেকে অফিসে রয়েছেন। নেপালের সংবিধানের 76(2) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি রাম চন্দ্র পাউডেল তাকে নিযুক্ত করেছিলেন।

ক. গিনি
খ. ঘানা
গ. সেনেগাল
ঘ. মরক্কো
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস একজন পর্তুগিজ নাগরিক। তিনি ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে পর্তুগালের লিসবনে জন্মগ্রহণ করেন। ১ জানুয়ারি, ২০১৭ সালে তিনি জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বর্তমানে এই পদে বহাল আছেন। এর আগে তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ক. নভেম্বর ২০০৩ ভারতের ব্যাঙ্গালোর
খ. ডিসেম্বর ২০০৩ কানাডার অটোয়া
গ. জানুয়ারি ২০০৪ পাকিস্তানের ইসলামাবাদ
ঘ. সেপ্টেম্বর ২০০৩ মেক্সিকোর কানকুন
উত্তরঃ সেপ্টেম্বর ২০০৩ মেক্সিকোর কানকুন
ব্যাখ্যাঃ

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) পঞ্চম মিনিস্টারিয়াল কনফারেন্স মেক্সিকোর পর্যটন নগরী কানকুনে ২০০৩ সালের ১০-১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর ব্যবধান হ্রাসকল্পে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটে। ১২তম MC ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর জেনেভায় হওয়ার কথা থাকলেও তা আবার পেছানো হয়েছে।

ক. জেনারেল সুহার্তো
খ. মেঘবতী সুকর্নপুত্রী
গ. আব্দুর রহমান ওয়াহিদ
ঘ. জেনারেল বিয়ান্তো
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি জোকো উইদোদো (২০১৪-বর্তমান) স্বৈরশাসক জেনারেল সুহার্তো দেশটির দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট, যিনি ১২ মার্চ, ১৯৬৭-২১ মে, ১৯৯৮ দীর্ঘ ৩২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। আব্দুর রহমান ওয়াহিদ ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার চতুর্থ প্রেসিডেন্ট, যার মেয়াদকাল ১৯ অক্টোবর, ১৯৯৯-২৩ জুলাই, ২০০১। মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট ও ইন্দোনেশিয়ার পঞ্চম প্রেসিডেন্ট মেঘবতী সুকর্নপুত্রী ক্ষমতাসীন ছিলেন ২৩ জুলাই, ২০০১-২১ অক্টোবর, ২০০৪ পর্যন্ত। তিনি দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ড. আহমদ সুকর্নের (মেয়াদকাল ১৮.০৮.১৯৪৫-১২.০৬.১৯৬৭) কন্যা।

ক. জেনারেল হাবিবি
খ. মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী
গ. আবদুর রহমান ওয়াহিদ
ঘ. জেনারেল বিরান্তো
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

ইন্দোনেশিয়ার নতুন রাষ্ট্রপতির নাম হলো প্রাবোও সুবিয়ান্তো। তিনি সাবেক জেনারেল এবং একজন জাতীয়তাবাদী রাজনীতিবিদ। প্রাবোও সুবিয়ান্তো ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করেন এবং জোকো উইদোদোর কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ক. থাইল্যান্ড
খ. মিয়ানমার
গ. ইন্দোনেশিয়া
ঘ. মালয়েশিয়া
উত্তরঃ থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ

পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড কোনো দেশের উপনিবেশে পরিণত হয়নি। পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমার, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর ব্রিটিশ উপনিবেশে এবং ইন্দোনেশিয়া ডাচ উপনিবেশে পরিণত হয়।

ক. আলবার্টা
খ. কুইবেক
গ. মেনিটোবা
ঘ. নোভাস্কোশিয়া
উত্তরঃ কুইবেক
ব্যাখ্যাঃ

কানাডার ফরাসি ভাষী জনগোষ্ঠী সর্বাধিক সংখ্যায় বাস করে কানাডার পূর্বাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য কুইবেক –এ।

ক. সিঙ্গাপুর
খ. থাইল্যান্ড
গ. ইন্দোনেশিয়া
ঘ. মালয়েশিয়া
উত্তরঃ মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যাঃ

এক সময় মাহাথির মোহাম্মদের খুব ঘনিষ্ঠ অনুসারি ছিলেন আনোয়ার ইব্রাহিম। কিন্তু রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জের ধরে মাহাথির ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮ উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে আনোয়ার ইব্রাহিমকে বরখাস্ত করেন। ১৯৯৯ সালে দুর্নীতি ও সমকামিতার দায়ে তাকে জেলহাজতে প্ররণ করা হয়। ২০০৪ সালে তিনি ছাড়া পান। ২০০৮ সালে দেশের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পিপলস জাস্টিস পার্টির নেতৃত্ব দেন তিনি। এর পর নাজিব রাজাকের সময়ে ২০১৫ সালে নতুন করে সমকামিতার অভিযোগে আনোয়ার ইব্রাহিমকে আবারো জেলে পাঠানো হয়। ১৬ মে, ২০১৮ রাজার নির্দেশে নিঃশর্ত মুক্তি লাভ করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। মালেশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২-বর্তমান)।

ক. নেদারল্যান্ড
খ. স্পেন
গ. পর্তুগাল
ঘ. ইউকে
উত্তরঃ পর্তুগাল
ব্যাখ্যাঃ

১৫৫৭ সালে ম্যাকাও পর্তুগিজদের দখলে আসে। দীর্ঘ সাড়ে ৪০০ বছর পর ১৯৯৯ সালে ম্যাকাও চীনের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

ক. সিনেট
খ. পঞ্চায়েত
গ. কংগ্রেস
ঘ. মজলিস
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

নেপালের দ্বিতীয় গণপরিষদ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ নতুন সংবিধান গ্রহণ করে এবং ২০ সেপ্টেম্বর তা কার্যকর হয়। নেপালের আইনসভার নাম ফেডারেল পার্লামেন্ট। পঞ্চায়েত নেপালের স্থানীয় সরকার কাঠামো। মজলিস ইরানের পার্লামেন্ট, সিনেট পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র প্রভৃতি দেশের পার্লামেন্টের নাম উচ্চকক্ষ।

ক. জার্মানি
খ. রাশিয়া
গ. ফ্রান্স
ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
উত্তরঃ যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ

নাসা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। নাসার পূর্ণরূপ হলো National Aeronautics and Space Administration। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মহাকাশ গবেষণা ও অভিযানে এ সংস্থা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

ক. বাংলাদেশ
খ. পাকিস্তান
গ. সৌদি আরব
ঘ. ইন্দোনেশিয়া
উত্তরঃ ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যাঃ

জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া। ধর্মবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্যমতে, ইন্দোনেশিয়ার মোট জনসংখ্যার ২৪ কোটি মুসলিম। পাকিস্তান দ্বিতীয়, মুসলিম জনসংখ্যা জনসংখ্যা ২১ কোটি ৪০ লাখ। ভারত তৃতীয়, মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ২১ কোটি এবং বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১৫ কোটি।

ক. ১২ শতাংশ
খ. ১০ শতাংশ
গ. ১৩ শতাংশ
ঘ. ১১ শতাংশ
উত্তরঃ ১৩ শতাংশ
ব্যাখ্যাঃ

ওয়েই রিভার চুক্তি অনুসারে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলি দখলকৃত ভূমির ১৩.৫ শতাংশ ফিলিস্তিনিদের কাছে হস্তান্তরের প্রচেষ্টা নিয়েছিল। অবশ্য পরবর্তীতে ঘটনাক্রমের প্রতিক্রিয়ায় এ চুক্তি এবং দখলকৃত ভূমি ফেরতদান কোনোটিই সম্ভব হয়নি।

ক. তাজিকিস্তান
খ. কাজাখস্তান
গ. উজবেকিস্তান
ঘ. কিরগিজস্তান
উত্তরঃ কাজাখস্তান
ব্যাখ্যাঃ

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত মধ্য এশিয়ার দেশগুলো তাজিকিস্তান, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, ও তুর্কমেনিস্তান। এদের মধ্যে আয়তনে কাজাখস্তান (২৭,১৭,৩০০ বর্গ.কি.মি) সবচেয়ে বড়।

ক. ব্রিটেন
খ. ফ্রান্স
গ. অস্ট্রেলিয়া
ঘ. নিউজিল্যান্ড
উত্তরঃ অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যাঃ

মেলানেশিয়া অঞ্চলের দ্বীপদেশ পাপুয়া নিউগিনি ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

ক. রাজনীতিবিদ
খ. ক্রীড়াবিদ
গ. ব্যবসায়ী
ঘ. কূটনীতিবিদ
উত্তরঃ কূটনীতিবিদ
ব্যাখ্যাঃ

এটি একটি স্প্যানিশ শব্দ। এর দ্বারা অবাঞ্ছিত ব্যক্তি বোঝানো হয়। অবাঞ্ছিত ব্যক্তি শব্দটি সাধারণত কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। দেশে দেশে প্রেরিত ব্যক্তি বা নিযুক্ত দূত যদি সে দেশের আস্থাভাজন না হয় তবে তাকে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

ক. ৮ জুলাই, ১৯৯৪
খ. ৯ জুলাই, ১৯৯৪
গ. ১০ জুলাই, ১৯৯৪
ঘ. ১১ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তরঃ ১০ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যাঃ

গিরিজা প্রাসাদ কৈরালা নেপালি কংগ্রেস পার্টির (NCP) প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৯১ থেকে NCP- এর অভ্যন্তরীণ কোন্দল শুরু হয় এবং ১৯৯৪ সালের ১০ জুলাই দলের সিনিয়র নেতা গণেশ মনসিং তার অনুসারীরাসহ কৈরালার ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেন। উল্লেখ্য, বর্তমানে নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল প্রচন্ড (২৫ ডিসেম্বর ২০২২ থেকে বর্তমান)।

ক. ৮ জুলাই, ১৯৯৪
খ. ১৯ জুলাই, ১৯৯৪
গ. ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
ঘ. ২৭ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তরঃ ১৯ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যাঃ

রুয়ান্ডার হুতু ও তুতসি সম্প্রদায়ের বিরোধ ১৯৯৪ সালের এপ্রিল থেকে চরমে ওঠে। এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মধ্যে কমপক্ষে ৫ লক্ষ রুয়ান্ডার অধিবাসী নিহত হয় । ১৯ জুলাই, ১৯৯৪ হুতু নেতা প্যাস্তুইর বিজিমুংগু রাজধানী দখল করে পরবর্তী ৫ বছরের জন্য নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

ক. ১১ জুলাই, ১৯৯৪
খ. ১২ জুলাই, ১৯৯৪
গ. ১৩ জুলাই, ১৯৯৪
ঘ. ১ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তরঃ ১ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যাঃ

কায়রো চুক্তি অনুসারে ১৭ মে, ১৯৯৪ পিএলও পশ্চিম তীর ও গাজা এলাকার নিয়ন্ত্রণ পায়। ১ জুলাই, ১৯৯৪ ইয়াসির আরাফাত গাজা ভূখণ্ডে আসেন। ফিলিস্তিনি মুক্তি সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা ইয়াসির আরাফাত ১১ নভেম্বর, ২০০৪ মৃত্যুবরণ করেন প্যারিসের পার্সি মিলিটারি ট্রেনিং হাসপাতালে।

ক. Unofficial poll of public opinion
খ. Poll based on random representations
গ. ‘Yes-No’ vote
ঘ. Manipulated elections
উত্তরঃ Unofficial poll of public opinion
ব্যাখ্যাঃ

Straw vote’ বলতে সাধারণত Unofficial poll of public opinion-কে বুঝায়। Poll based on random representations বলতে প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোট। Yes-No vote-দ্বারা হ্যাঁ-না ভোট এবং Manipulated elections বলতে নিয়ন্ত্রিত বা প্রভাব বিস্তার করা নির্বাচন।

ক. রাশিয়া’স চয়েস
খ. লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
গ. স্যোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি
ঘ. দ্য কমিউনিস্ট পার্টি
উত্তরঃ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
ব্যাখ্যাঃ

১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত রাশিয়ার পার্লামেন্টের নির্বাচনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি অফ রাশিয়া (Liberal Democratic Party of Russia) সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এই নির্বাচনে ভ্লাদিমির জিরিনোভস্কির নেতৃত্বাধীন এই দলটি অপ্রত্যাশিতভাবে সবচেয়ে বেশি আসন লাভ করে।

ক. ২১ জুলাই, ১৯৯৪
খ. ২২ জুলাই, ১৯৯৪
গ. ২৩ জুলাই, ১৯৯৪
ঘ. ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তরঃ ২২ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যাঃ

গাম্বিয়ার সেনাবাহিনী ১৯৯৪ সালের ২২ জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের ক্ষমতা দখল করে। ২৬ জুলাই ক্যাপ্টেন (অব.) ইয়াহিয়া এ.জে.জে জাম্মেহ নিজেকে দেশের প্রধান হিসেবে ঘোষণা করেন এবং বিদ্যমান ১৯৭০ সালের সংবিধান স্থগিত করেন।

ক. ৭ জুন, ১৯৯৪
খ. ১১ জুন, ১৯৯৪
গ. ১ জুলাই, ১৯৯৪
ঘ. ১২ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তরঃ ৭ জুন, ১৯৯৪
ব্যাখ্যাঃ

জেনারেল সানি আবাচা ১৯৯৩ সালের ১৭ নভেম্বর নাইজেরিয়ার ক্ষমতা দখল করেন। ১৯৯৪ সালের ৭ জুন বিরোধী নেতা মাসুদ আবিওলা একটি বিশাল জনসভায় সানি আবাচাকে অস্বীকার করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেন। এই মাসেই তিনি গ্রেফতার হন এবং ট্রায়ালের পর ডিসেম্বরে দেশটির ফেডারেল কোর্ট দেশের জাতীয় ও নিরাপত্তার স্বার্থে আবিওলাকে জেলে প্রেরণ করেন।

ক. ফুনসিনপেক
খ. সিপিপি
গ. খেমাররুজ
ঘ. কেপিএলএনএফ
উত্তরঃ ফুনসিনপেক
ব্যাখ্যাঃ

১৯৯৩ সালে কম্বোডিয়ায় জাতিসংঘ মিশন UNAMIC (UN Advance Mission in Combodia) –এর তত্ত্ববধানে নির্বাচনে নরোদম সিহানুকের FUNCINPEC দল জয়লাভ করে এবং সিপিপি –এর সাথে অ্যালায়েন্স করে সরকার গঠন করে। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালের নির্বাচনে সিপিপি জয়লাভ করে এবং নিকটবর্তী ফুনসিনপেকের সাথে অ্যালায়েন্সে সরকার গঠন করে।

ক. লাওস
খ. ভিয়েতনাম
গ. মঙ্গোলিয়া
ঘ. গণচীন
উত্তরঃ গণচীন
ব্যাখ্যাঃ

চীনের সাথে হংকং-এর অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সময় হংকং-এর মুক্তবাজার অর্থনীতি বহাল রাখার জন্য এ নীতি গৃহীত হয়। পরবর্তীতে পর্তুগিজ কলোনি ম্যাকাও চীনের অন্তর্ভুক্ত হলে ম্যাকাওতে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়।

ক. অস্ট্রেলিয়া
খ. কানাডা
গ. সাইপ্রাস
ঘ. মরিসাস
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

যুক্তরাজ্য এবং সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশভুক্ত ১৭ টি দেশ ব্রিটেনের রাজা/রানিকে তাদের প্রতীকী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মান্য করে। দেশগুলো হলো- অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারমুডা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, বাহামাস, বার্বাডোস, বেলিজ, গ্রানাডা, জ্যামাইকা, নিউজিল্যান্ড, পাপুয়া নিউগিনি, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড গ্রানাডাইন্স, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এবং টুভ্যালু।

ক. সমাজতন্ত্রের সংগঠন
খ. সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্রের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান
গ. খোলামেলা আলোচনা
ঘ. সমাজতন্ত্রের পরিবর্তে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
উত্তরঃ খোলামেলা আলোচনা
ব্যাখ্যাঃ

রুশ শব্দ ‘গ্লাসনস্ত’ মানে খোলানীতি। ১৯৮৭ সালে সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ এ নীতি প্রবর্তন করেন। অনেকটা এ নীতির কারণেই ১৯৯১ এ সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যায়।

ক. জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গণভোট অনুষ্ঠান
খ. সিমলা চুক্তি অনুযায়ী সমস্যার সমাধান করা
গ. পাকিস্তানের সাথে যোগ দিতে না দিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করা
ঘ. সংবিধান থেকে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করা
উত্তরঃ সংবিধান থেকে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করা
ব্যাখ্যাঃ

৫ আগস্ট, ২০১৯ ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা তুলে নেয় দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এ সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির নির্দেশনামা পড়ে শোনান। এতে প্রায় ৭০ বছর আগে ভারতীয় সংবিধানে কাশ্মীরকে দেয়া বিশেষ মর্যাদা ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের নির্দেশনা দেয়া হয়। বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যকে দ্বিখণ্ডিত করে কেড়ে নেয়া হয় তার পৃথক রাজ্যের মর্যাদাও।