আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. ১০৫
খ. ১১৫
গ. ১২৫
ঘ. ১৩৫
উত্তরঃ ১৩৫
ব্যাখ্যাঃ

জি-৭৭ (Group of 77) হলো উন্নয়নশীল দেশসমূহের একটি বৈশ্বিক জোট, যা ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এই জোটের সদস্য সংখ্যা ১৩৪টি দেশ। তবে, ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে এর নাম এখনও জি-৭৭ রাখা হয়েছে।

জি-৭৭-এর সদস্য দেশসমূহের মধ্যে আফ্রিকা, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় দেশসমূহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই জোটের মূল লক্ষ্য হলো দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা বৃদ্ধি, উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাদের কণ্ঠস্বর শক্তিশালী করা।

উল্লেখযোগ্য যে, চীন আনুষ্ঠানিকভাবে জি-৭৭-এর পূর্ণ সদস্য নয়, তবে এটি জি-৭৭-এর সঙ্গে সহযোগিতা করে এবং অনেক সময় "জি-৭৭ ও চীন" নামে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ক. লন্ডন
খ. প্যারিস
গ. ব্রাসেলস
ঘ. ফ্রাঙ্কফুর্ট
উত্তরঃ ফ্রাঙ্কফুর্ট
ব্যাখ্যাঃ

ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (European Central Bank - ECB) জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে অবস্থিত।

ক. Trade for International Finance Agreement
খ. Trade and Investment Framework Agreement
গ. Treaty for International Free Area
ঘ. Trade and Investment form America
উত্তরঃ Trade and Investment Framework Agreement
ব্যাখ্যাঃ

TIFA এর পূর্ণরূপ হলো Trade and Investment Framework Agreement.

এটি একটি বাণিজ্যিক চুক্তি যা দুটি দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অমীমাংসিত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি কাঠামো তৈরি করে।

ক. সাইপ্রাস
খ. আলজেরিয়া
গ. ইস্টোনিয়া
ঘ. মাল্টা
উত্তরঃ আলজেরিয়া
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো খঃ আলজেরিয়া

আলজেরিয়া একটি উত্তর আফ্রিকার দেশ এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়।

অন্যান্য বিকল্পগুলো হলো:

  • কঃ সাইপ্রাস - এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য।
  • গঃ এস্তোনিয়া - এটিও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য।
  • ঘঃ মাল্টা - এটিও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য।
ক. জর্ডান
খ. ইরান
গ. মিশর
ঘ. মালয়েশিয়া
উত্তরঃ জর্ডান
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল কঃ জর্ডান

ডি-৮ (Developing 8) হল আটটি উন্নয়নশীল মুসলিম প্রধান দেশের একটি অর্থনৈতিক জোট। এই জোটের সদস্য দেশগুলো হলো:

  • বাংলাদেশ
  • মিশর
  • ইন্দোনেশিয়া
  • ইরান
  • মালয়েশিয়া
  • নাইজেরিয়া
  • পাকিস্তান
  • তুরস্ক

সুতরাং, জর্ডান ডি-৮ এর সদস্য নয়।

ক. প্যারিস
খ. জুরিখ
গ. দাভোস
ঘ. বার্ন
উত্তরঃ দাভোস
ব্যাখ্যাঃ

World Economic Forum-এর বাৎসরিক অধিবেশন সাধারণত সুইজারল্যান্ডের দাভোসে (Davos) অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই অধিবেশন বসে, যেখানে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতা, শিক্ষাবিদ, এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা একত্রিত হন এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

দাভোস সুইজারল্যান্ডের গ্রাউবুন্ডেন ক্যান্টনের একটি পর্বত রিসোর্ট শহর। বহু বছর ধরে এই শহরটিই ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সভার কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিচিত।

ক. UNCLOS
খ. UNCTAD
গ. UNCAC
ঘ. CEDAW
উত্তরঃ UNCAC
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল গঃ UNCAC

UNCAC এর পূর্ণরূপ হল United Nations Convention against Corruption। এটি জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশন নামে পরিচিত।

অন্যান্য বিকল্পগুলোর পূর্ণরূপ হলো:

  • UNCLOS: United Nations Convention on the Law of the Sea (জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন)
  • UNCTAD: United Nations Conference on Trade and Development (জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন)
  • CEDAW: Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination against Women (নারী সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ)
ক. ফ্রান্স
খ. জার্মানি
গ. নেদারল্যান্ড
ঘ. হাঙ্গেরি
উত্তরঃ জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (Transparency International - TI) একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা (Non-Governmental Organization - NGO)। এর প্রধান কাজ হলো বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং এর বিরুদ্ধে লড়াই করা। সংস্থাটি ১৯৯৩ সালে জার্মানির বার্লিনে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মূল উদ্দেশ্য:

  • দুর্নীতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
  • দুর্নীতিবিরোধী নীতি ও কার্যক্রমের পক্ষে সমর্থন তৈরি করা।
  • বিভিন্ন দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য স্থানীয় উদ্যোগকে উৎসাহিত ও সমর্থন করা।
  • সরকার, ব্যবসা এবং সুশীল সমাজের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
  • দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমন্বয় সাধন করা।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম:

ক. আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)
খ. আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO)
গ. আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD)
ঘ. খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)
উত্তরঃ আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল কঃ আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)

আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ASEAN Regional Forum - ARF) আসিয়ান জোটভুক্ত দেশ এবং এর সংলাপ অংশীদারদের নিয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ফোরাম। এটি জাতিসংঘের কোনো সংস্থা নয়।

অন্যদিকে:

  • আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO) - এটি হবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (International Labour Organization - ILO), যা জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।
  • আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD) - এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।
  • খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) - এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।
ক. UNDP
খ. World Bank
গ. IMF
ঘ. BRICS
উত্তরঃ World Bank
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল খঃ World Bank

World Development Report (WDR) বিশ্ব ব্যাংকের (World Bank) বার্ষিক প্রকাশনা। প্রতি বছর এই রিপোর্টে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আর্থ-সামাজিক বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ ও তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

ক. IDB
খ. IMF
গ. WTO
ঘ. ADB
উত্তরঃ IMF
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো খঃ IMF (International Monetary Fund)।

"Bretton Woods Institutions" বলতে মূলত দুটি সংস্থাকে বোঝানো হয়, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্য ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস নামক স্থানে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়েছিল:

১. International Monetary Fund (IMF): আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল। এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সদস্য দেশগুলোকে ব্যালেন্স অব পেমেন্ট সংক্রান্ত সমস্যায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

২. World Bank: বিশ্ব ব্যাংক। এর প্রধান লক্ষ্য হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোকে দারিদ্র্য বিমোচন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য ঋণ ও অন্যান্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

আপনার দেওয়া অন্যান্য বিকল্পগুলো "Bretton Woods Institutions"-এর অন্তর্ভুক্ত নয়:

  • IDB (Inter-American Development Bank): এটি ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করা একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক।
  • WTO (World Trade Organization): বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন নির্ধারণ এবং তত্ত্বাবধান করে। এটি ১৯৯৫ সালে General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)-এর উত্তরসূরি হিসেবে গঠিত হয়।
  • ADB (Asian Development Bank): এটি এশিয়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করা একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক।
ক. আবুজা
খ. ঢাকা
গ. তেহরান
ঘ. ইস্তাম্বুল
উত্তরঃ ইস্তাম্বুল
ব্যাখ্যাঃ

D-8 Organization for Economic Cooperation, যা Developing-8 নামেও পরিচিত, বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান এবং তুরস্কের মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতা বিষয়ক একটি সংস্থা। ১৯শে ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে আজারবাইজান নবম সদস্য হিসেবে এই সংস্থায় যোগদান করে।

উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:

এই সংস্থা নিম্নলিখিত নীতিগুলির উপর ভিত্তি করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে:

  • সংঘাতের পরিবর্তে শান্তি
  • মুখোমুখির পরিবর্তে আলোচনা
  • শোষণের পরিবর্তে সহযোগিতা
  • দ্বৈত মানদণ্ডের পরিবর্তে ন্যায়বিচার
  • বৈষম্যের পরিবর্তে সমতা
  • নিপীড়নের পরিবর্তে গণতন্ত্র

প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে (ইস্তাম্বুল, ১৯৯৭) ডি-৮ এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, যা নিম্নলিখিত নীতিগুলির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ:

  • সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের প্রসার নিশ্চিত করা।
  • বিশ্ব অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অবস্থান উন্নত করা।
  • বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি করা।
  • আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা।
  • জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

সংস্থাটি অর্থনীতি, ব্যাংকিং, গ্রামীণ উন্নয়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, মানব উন্নয়ন, কৃষি, জ্বালানি, পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে থাকে।

D-8 এর সদস্য দেশসমূহ:

  • বাংলাদেশ
  • মিশর
  • ইন্দোনেশিয়া
  • ইরান
  • মালয়েশিয়া
  • নাইজেরিয়া
  • পাকিস্তান
  • তুরস্ক
  • আজারবাইজান (ডিসেম্বর ২০২৪ এ যোগদান করেছে)

D-8 একটি বিশ্বব্যাপী ব্যবস্থা, কোনো আঞ্চলিক সংস্থা নয়। এর সদস্যপদ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যও উন্মুক্ত, যারা এই সংস্থার উদ্দেশ্য ও নীতিগুলোর সাথে একমত পোষণ করে এবং তাদের সাথে সম্পর্ক রাখে।

ক. জেনেভা
খ. রোম
গ. নিউইয়র্ক
ঘ. ওয়াশিংটন ডিসি
উত্তরঃ জেনেভা
ব্যাখ্যাঃ

WIPO এর পূর্ণরূপ হল World Intellectual Property Organization (বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা)। এটি জাতিসংঘের ১৫টি বিশেষায়িত সংস্থার মধ্যে একটি। ১৯৬৭ সালের WIPO কনভেনশন অনুসারে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে মেধা সম্পদের (যেমন: উদ্ভাবন, ট্রেডমার্ক, শিল্প নকশা, কপিরাইট ইত্যাদি) প্রচার ও সুরক্ষার জন্য এই সংস্থাটি গঠিত হয়েছে। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে অবস্থিত।

WIPO এর প্রধান কাজগুলো হলো:

  • আন্তর্জাতিক মেধাসম্পদ আইনের উন্নয়ন ও সমন্বয় করা।
  • মেধাসম্পদ সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং নীতি প্রণয়ন করা।
  • সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে মেধাসম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য কারিগরি সহায়তা প্রদান করা।
  • মেধাসম্পদ সংক্রান্ত তথ্য ও পরিসংখ্যা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করা।
  • বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মেধাসম্পদ সুরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করা, যেমন:
    • প্যাটেন্ট কো-অপারেশন ট্রিটি (PCT): আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্যাটেন্ট পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করে।
    • মাদ্রিদ সিস্টেম: একযোগে বহু দেশে ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের সুযোগ সৃষ্টি করে।
    • হেগ সিস্টেম: আন্তর্জাতিক শিল্প নকশা নিবন্ধনের ব্যবস্থা করে।
    • লিসবন সিস্টেম: উৎপত্তির ভৌগোলিক চিহ্নের সুরক্ষার জন্য কাজ করে।
  • মেধাসম্পদ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিকল্প উপায় সরবরাহ করা, যেমন মধ্যস্থতা ও সালিশ।
  • মেধাসম্পদের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা।

বর্তমানে ১৯৩টি রাষ্ট্র WIPO এর সদস্য। ফিলিস্তিনের পর্যবেক্ষকের মর্যাদা রয়েছে। WIPO বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি পরিচালনা করে এবং নীতি নির্ধারণী ফোরাম হিসেবে কাজ করে, যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলো তাদের মেধাসম্পদ সংক্রান্ত নীতি নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সংস্থাটি বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে মেধাসম্পদ বিষয়ে জ্ঞান এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে।

ক. ২০ - ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
খ. ২৩ - ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
গ. ২৫ - ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
ঘ. ২৭ - ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
উত্তরঃ ২৩ - ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
ব্যাখ্যাঃ

লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি (ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা) শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি যোগদান করেন।

ঐতিহাসিক এই সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ওআইসির সদস্যপদ লাভ করে। এর আগে, মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং স্বাধীনতা লাভের পর অনেক মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে দ্বিধা বোধ করেছিল। বঙ্গবন্ধুর এই সফর বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্য ছিল।

ক. সুইডেন
খ. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
গ. যুক্তরাজ্য
ঘ. জার্মানি
উত্তরঃ জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (Transparency International) একটি জার্মানি ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা। এর সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত। সংস্থাটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য কাজ করে।

ক. WTO
খ. MIGA
গ. World Bank
ঘ. UNCTAD
উত্তরঃ UNCTAD
ব্যাখ্যাঃ

জাতিসংঘের UNCTAD (United Nations Conference on Trade and Development) সংস্থা বার্ষিক বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

UNCTAD মূলত বৈদেশিক সরাসরি বিনিয়োগ (FDI) প্রবাহ নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে, যা বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগের প্রবণতা বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে।

ক. ১৯৪৪ সালে
খ. ১৯৪৫ সালে
গ. ১৯৪৮ সালে
ঘ. ১৯৪৯ সালে
উত্তরঃ ১৯৪৪ সালে
ব্যাখ্যাঃ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (International Monetary Fund - IMF) হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। এর প্রধান কাজ হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, আন্তর্জাতিক মুদ্রা সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো, উচ্চ কর্মসংস্থান এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করা এবং বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য কমানো।

প্রতিষ্ঠা ও কার্যক্রম:

  • প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস সম্মেলনে একটি চুক্তির মাধ্যমে আইএমএফ প্রতিষ্ঠিত হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৫ সালের ২৭শে ডিসেম্বর।
  • সদস্যপদ: বর্তমানে (মে ২০২৫) ১৯০টি দেশ আইএমএফের সদস্য।
  • সদর দপ্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, ডি.সি.-তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
  • কার্যক্রম: আইএমএফ বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে, যার মধ্যে প্রধান কয়েকটি হলো:
    • অর্থনৈতিক নজরদারি: সদস্য দেশগুলোর অর্থনীতির ওপর নজরদারি রাখা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করে নীতি পরামর্শ দেওয়া।
    • আর্থিক সহায়তা: ব্যালেন্স অব পেমেন্টের সমস্যায় পড়া সদস্য দেশগুলোকে ঋণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। এই ঋণের শর্তের বিনিময়ে দেশগুলোকে কিছু নীতি সংস্কার করতে হয়।
    • কারিগরি সহায়তা: সদস্য দেশগুলোকে সামষ্টিক অর্থনীতির ব্যবস্থাপনা, মুদ্রা ও আর্থিক নীতি, এবং পরিসংখ্যানের মতো বিষয়ে কারিগরি জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা।

উদ্দেশ্য:

আইএমএফের প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:

  • আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
  • সদস্য দেশগুলোর মধ্যে মুদ্রা সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
  • বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্যহীনতা দূর করতে সহায়তা করা।
  • বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
  • সদস্য দেশগুলোকে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করা।

বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ই আগস্ট আইএমএফের সদস্যপদ লাভ করে।

ক. যুক্তরাজ্যের
খ. যুক্তরাষ্ট্রের
গ. কানাডার
ঘ. ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের
উত্তরঃ যুক্তরাষ্ট্রের
ব্যাখ্যাঃ

"Alliance for Bangladesh Worker Safety" (AFBWS) ছিল উত্তর আমেরিকার পোশাক কোম্পানি এবং ব্র্যান্ডগুলোর একটি জোট। এই জোটটি ২০১৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (United States) ভিত্তিক ছিল এবং এর প্রধান কার্যালয়ও সেখানেই অবস্থিত ছিল।

এই জোটটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গঠিত হয়েছিল, বিশেষ করে ২০১৩ সালের রানা প্লাজা ধসের পর। "Alliance" একটি পাঁচ বছর মেয়াদী, আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক উদ্যোগ ছিল যার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোতে অগ্নি নিরাপত্তা ও ভবন নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি ঘটানো।

সুতরাং, Alliance মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভিত্তিক গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলোর একটি সংগঠন।

ক. ২য় শীর্ষ সম্মেলনে
খ. ৫ম শীর্ষ সম্মেলনে
গ. ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে
ঘ. ৭ম শীর্ষ সম্মেলনে
উত্তরঃ ২য় শীর্ষ সম্মেলনে
ব্যাখ্যাঃ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (OIC)-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

এই সম্মেলনটি ১৯৭৪ সালের ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই সম্মেলনের মাধ্যমেই বাংলাদেশ ৩২তম দেশ হিসেবে OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে।

ক. New Development Bank ( NDB)
খ. BRICS Development Bank (BDB)
গ. Economic Development Bank (EDB)
ঘ. International Commercial Bank (ICB)
উত্তরঃ New Development Bank ( NDB)
ব্যাখ্যাঃ

BRICS কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকটির নাম হলো নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (New Development Bank - NDB)

অতীতে এটি ব্রিকস ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক নামেও পরিচিত ছিল। এই ব্যাংকটি ব্রিকস রাষ্ট্রসমূহ - ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা কর্তৃক ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো ব্রিকস এবং অন্যান্য উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অবকাঠামো এবং টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে অর্থায়ন করা।

ব্যাংকটির সদর দপ্তর চীনের সাংহাইতে অবস্থিত। বাংলাদেশও ২০২১ সালে এই ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করেছে।

ক. BIMSTEC
খ. CICA
গ. IORA
ঘ. SAARC
উত্তরঃ BIMSTEC
ব্যাখ্যাঃ

BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation)-এর সচিবালয় বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত।

অন্যান্য সংস্থাগুলোর সচিবালয় যেখানে অবস্থিত:

  • CICA (Conference on Interaction and Confidence Building Measures in Asia): এর সচিবালয় কাজাখস্তানের আস্তানায় অবস্থিত।
  • IORA (Indian Ocean Rim Association): এর সচিবালয় মরিশাসের ইবেনে অবস্থিত।
  • SAARC (South Asian Association for Regional Cooperation): এর সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
ক. NATO
খ. NAM
গ. EU
ঘ. ASEAN
উত্তরঃ NAM
ব্যাখ্যাঃ

NAM (Non-Aligned Movement)-এর কোনো স্থায়ী সদর দপ্তর নেই।

NAM-এর প্রশাসনিক কার্যক্রম ঘূর্ণায়মান এবং কোনো স্থায়ী কাঠামো বাHierarchy অনুসরণ করে না। এর চেয়ারপারসন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্য থেকে নির্বাচিত হন এবং চেয়ারের মেয়াদকালে সেই রাষ্ট্রই কার্যত নেতৃত্ব দেয়। NAM-এর একটি সমন্বয়কারী ব্যুরো (Coordinating Bureau) রয়েছে, যা নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অবস্থিত, তবে এটি কোনো স্থায়ী সদর দপ্তর নয়।

অন্যান্য সংস্থাগুলোর স্থায়ী সদর দপ্তর রয়েছে:

  • NATO (North Atlantic Treaty Organization): ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
  • EU (European Union): ব্রাসেলস, বেলজিয়াম (কার্যত রাজধানী হিসেবে বিবেচিত)।
  • ASEAN (Association of Southeast Asian Nations): জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
ক. জেনেভা
খ. ভিয়েনা
গ. জেদ্দা
ঘ. বাগদাদ
উত্তরঃ জেনেভা
ব্যাখ্যাঃ

১৯৬০ সালে ওপেক (OPEC - Organization of the Petroleum Exporting Countries) প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় এর সদর দপ্তর প্রাথমিকভাবে জেনেভা, সুইজারল্যান্ডে স্থাপিত হয়েছিল।

তবে, ১৯৬৬ সালে এর সদর দপ্তর জেনেভা থেকে ভিয়েনা, অস্ট্রিয়াতে স্থানান্তরিত হয়, এবং তখন থেকেই ভিয়েনা ওপেকের স্থায়ী সদর দপ্তর।

ক. ৫
খ. ৩
গ. ৪
ঘ. ২
উত্তরঃ ৩
ব্যাখ্যাঃ

ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (OIC - Organization of Islamic Cooperation) এর দাপ্তরিক ভাষা হলো:

১. আরবি ২. ইংরেজি ৩. ফরাসি

ক. আই. এল. ও
খ. হু (WHO)
গ. ASEAN (আশিয়ান)
ঘ. উপরের সবকটি
উত্তরঃ ASEAN (আশিয়ান)
ব্যাখ্যাঃ

ASEAN (আশিয়ান) জাতিসংঘের সহযোগী নয়।

ব্যাখ্যা:

  • আই.এল.ও (ILO - International Labour Organization): এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক শ্রম মান নির্ধারণ এবং শ্রম অধিকার উন্নয়নে কাজ করে।
  • হু (WHO - World Health Organization): এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য পরিস্থিতি উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করে।
  • ASEAN (আশিয়ান - Association of Southeast Asian Nations): এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০টি দেশের একটি আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা। এটি জাতিসংঘের কোনো সহযোগী বা বিশেষায়িত সংস্থা নয়, বরং একটি স্বাধীন আঞ্চলিক জোট।
ক. ঢাকা
খ. নয়াদিলী
গ. কলম্বো
ঘ. কাঠমান্ডু
উত্তরঃ কাঠমান্ডু
ব্যাখ্যাঃ

সার্কের (SAARC - South Asian Association for Regional Cooperation) সদর দপ্তর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।

যদিও সার্ক ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, এর স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তর ১৯৮৭ সালের ১৭ জানুয়ারি নেপালের কাঠমান্ডুতে স্থাপন করা হয়।

ক. UNO
খ. NAM
গ. GATT
ঘ. ASEAN
উত্তরঃ UNO
ব্যাখ্যাঃ

১৯৯৫ সালটি ছিল জাতিসংঘ (United Nations) এর ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বা গোল্ডেন জুবিলি।

জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে। তাই, ১৯৯৫ সাল তার ৫০ বছর পূর্তি হিসেবে পালিত হয়েছিল।

ক. প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধ
খ. পরিবেশ সংরক্ষণ
গ. মানবাধিকার সংরক্ষণ
ঘ. ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ
উত্তরঃ মানবাধিকার সংরক্ষণ
ব্যাখ্যাঃ

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) যা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সংরক্ষণ ও প্রচারে কাজ করে। তাদের প্রধান কাজ হলো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো নথিভুক্ত করা, জনসচেতনতা তৈরি করা এবং সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে মানবাধিকার রক্ষায় চাপ সৃষ্টি করা। তারা বিবেকবন্দী (Prisoners of Conscience) ব্যক্তিদের মুক্তির জন্য প্রচারণা চালায়, নির্যাতন ও মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করে এবং অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ করে।

ক. নিউইয়র্ক
খ. রোম
গ. জেনেভা
ঘ. লন্ডন
উত্তরঃ জেনেভা
ব্যাখ্যাঃ

ইউএনএইচসিআর (UNHCR) হলো জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (United Nations High Commissioner for Refugees)। এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা বিশ্বব্যাপী শরণার্থী, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত সম্প্রদায় এবং রাষ্ট্রবিহীন মানুষদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদানের জন্য কাজ করে।

প্রতিষ্ঠা: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সৃষ্ট ব্যাপক শরণার্থী সংকট মোকাবিলায় ১৯৫০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ইউএনএইচসিআর প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল যুদ্ধকালীন শরণার্থীদের পুনর্বাসনে সহায়তা করা। ১৯৫১ সালে 'শরণার্থীদের অবস্থা সম্পর্কিত কনভেনশন' (১৯৫১ শরণার্থী কনভেনশন) গৃহীত হওয়ার পর এটি আরও সুনির্দিষ্ট ম্যান্ডেট লাভ করে।

সদর দপ্তর: ইউএনএইচসিআর-এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।

মূল কাজ ও উদ্দেশ্য: ইউএনএইচসিআর-এর প্রধান কাজগুলো হলো:

১. সুরক্ষা প্রদান: যুদ্ধ, সংঘাত, নিপীড়ন বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে যারা নিজ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে (শরণার্থী, আশ্রয়প্রার্থী, অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি, রাষ্ট্রবিহীন ব্যক্তি), তাদের আন্তর্জাতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এর মধ্যে রয়েছে জোরপূর্বক প্রত্যাবাসন থেকে সুরক্ষা, মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং সহিংসতা ও লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা থেকে রক্ষা করা।

২. মানবিক সহায়তা: আশ্রয়, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং অন্যান্য মৌলিক প্রয়োজন পূরণে সহায়তা করা।

৩. দীর্ঘমেয়াদী সমাধান: বাস্তুচ্যুতদের জন্য স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা। এর তিনটি প্রধান উপায় হলো:

  • স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন: যখন নিজ দেশে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়, তখন শরণার্থীদের তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে সহায়তা করা।
  • স্থানীয় সংহতকরণ: যদি নিজ দেশে ফেরা সম্ভব না হয়, তবে আশ্রয়দানকারী দেশেই তাদের স্থানীয় সমাজে সংহত হতে সহায়তা করা।
  • তৃতীয় দেশে পুনর্বাসন: খুব সীমিত ক্ষেত্রে, যদি প্রত্যাবাসন বা স্থানীয় সংহতকরণ কোনোটিই সম্ভব না হয়, তবে তৃতীয় কোনো দেশে পুনর্বাসন করা।

৪. রাষ্ট্রবিহীনতা দূর করা: রাষ্ট্রবিহীন ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব লাভে সহায়তা করা এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্রবিহীনতা প্রতিরোধের জন্য কাজ করা।

৫. আইনি কাঠামো তৈরি ও প্রয়োগ: আন্তর্জাতিক শরণার্থী আইন (যেমন ১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশন) এবং রাষ্ট্রবিহীনতা সম্পর্কিত কনভেনশনগুলোর বাস্তবায়ন ও অনুসরণ নিশ্চিত করা।

৬. সচেতনতা বৃদ্ধি ও অ্যাডভোকেসি: বিশ্বব্যাপী শরণার্থী সংকট সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে শরণার্থী অধিকারের পক্ষে ও তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার পক্ষে ওকালতি করা।

ক. UNDP
খ. World Bank
গ. IMF
ঘ. BRICS
উত্তরঃ World Bank
ব্যাখ্যাঃ

World Development Report (ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট) হলো বিশ্বব্যাংকের (World Bank) একটি বার্ষিক প্রকাশনা।

প্রতি বছর বিশ্বব্যাংক এই রিপোর্ট প্রকাশ করে, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নির্দিষ্ট কোনো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ এবং ডেটা উপস্থাপন করা হয়। ১৯৭৮ সাল থেকে এটি নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে এবং উন্নয়ন অর্থনীতির ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচিত।

ক. ওয়াশিংটন ডিসি
খ. নিউইয়র্ক
গ. জেনেভা
ঘ. রোম
উত্তরঃ ওয়াশিংটন ডিসি
ব্যাখ্যাঃ

IMF (International Monetary Fund) এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, ডি.সি. শহরে অবস্থিত।

ক. IFC
খ. IBRD
গ. MIGA
ঘ. ICSID
উত্তরঃ IFC
ব্যাখ্যাঃ

বিশ্বব্যাংক সংশ্লিষ্ট যে সংস্থাটি স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি খাতে আর্থিক সহায়তা ও উপদেশ দিয়ে থাকে, সেটি হলো আন্তর্জাতিক অর্থ কর্পোরেশন (International Finance Corporation - IFC)

বিশ্বব্যাংক গ্রুপের পাঁচটি সংস্থার মধ্যে IFC একটি। এর প্রধান লক্ষ্য হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি খাতের বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করা। IFC বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সহায়তা (যেমন: ঋণ, ইক্যুইটি বিনিয়োগ) এবং পরামর্শ সেবা প্রদান করে, যাতে তারা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, উদ্ভাবনী সমাধান আনতে পারে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটাতে পারে। এটি বিশেষ করে কঠিন বিনিয়োগ পরিবেশে কাজ করতে আগ্রহী।

বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্যান্য সংস্থাগুলো হলো:

  • International Bank for Reconstruction and Development (IBRD): মধ্যম আয়ের এবং ঋণগ্রহীতা দরিদ্র দেশগুলোকে ঋণ ও উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করে।
  • International Development Association (IDA): বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোকে অনুদান ও সুদমুক্ত ঋণ প্রদান করে।
  • Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA): উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিদেশী বিনিয়োগে রাজনৈতিক ঝুঁকি বীমা (Political Risk Insurance) প্রদান করে।
  • International Centre for Settlement of Investment Disputes (ICSID): আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সালিশি ও মধ্যস্থতা পরিষেবা প্রদান করে।
ক. সাংহাই
খ. মস্কো
গ. প্রিটোরিয়া
ঘ. নয়াদিল্লী
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

BRICS হলো উদীয়মান জাতীয় অর্থনীতির পাঁচটি দেশের একটি জোটের নাম। এর সদস্য দেশ ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা। সংস্থাটি গঠিত হয় ২০০৮ সালে। এর কোনো সদর দপ্তর নেই।

ক. ১৯৬৯
খ. ১৯৭১
গ. ১৯৭৫
ঘ. ১৯৭৮
উত্তরঃ ১৯৬৯
ব্যাখ্যাঃ

IMF এর গঠনতন্ত্র (Articles of Agreement) বেশ কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কিছু সংশোধনীর মধ্যে রয়েছে:

১. প্রথম সংশোধনী (১৯৬৯ সাল): এই সংশোধনীটি Special Drawing Rights (SDR) সুবিধা প্রবর্তনের জন্য করা হয়েছিল। এটি আন্তর্জাতিক তারল্য সংকট মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।

২. দ্বিতীয় সংশোধনী (১৯৭৮ সাল): এই সংশোধনীটি মূলত ফ্লোটিং এক্সচেঞ্জ রেট সিস্টেমকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য করা হয়েছিল। ব্রেটন উডস ব্যবস্থার অধীনে স্থির বিনিময় হার ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পর এই পরিবর্তন আনা হয়। এটি স্বর্ণের আনুষ্ঠানিক ভূমিকা বাতিল করে এবং সদস্য দেশগুলোর বৈদেশিক মুদ্রার নীতিতে আইএমএফের নজরদারি (surveillance) জোরদার করে।

৩. সাম্প্রতিক সংশোধনী (২০১০ সালের ১৫ ডিসেম্বর গৃহীত, ২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি কার্যকর): এই সংশোধনীটি আইএমএফের গভর্ন্যান্স কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনে, বিশেষ করে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর কোটা (Quotas) এবং ভোটিং ক্ষমতা বাড়ানো হয়, যাতে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে তাদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা প্রতিফলিত হয়।

সংক্ষেপে, IMF এর গঠনতন্ত্রে মোট সাতবার সংশোধনী আনা হয়েছে, যার মধ্যে প্রথমটি ছিল ১৯৬৯ সালে SDR প্রবর্তনের জন্য।

ক. প্রশাসক
খ. মহাপরিচালক
গ. মহাসচিব
ঘ. প্রেসিডেন্ট
উত্তরঃ প্রশাসক
ব্যাখ্যাঃ

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর শীর্ষ পদটি হলো Administrator (অ্যাডমিনিস্ট্রেটর)

তিনিই ইউ.এন.ডি.পি-এর প্রধান কার্যনির্বাহী। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর শীর্ষ পদটি হলো প্রশাসক (Administrator)

ক. ১৯৪৯
খ. ১৯৫০
গ. ১৯৪৫
ঘ. ১৯৪০
উত্তরঃ ১৯৪৫
ব্যাখ্যাঃ

আরব লীগ (League of Arab States) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ

এটি মিশরের কায়রোতে ছয়টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত হয়েছিল। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্রগুলো ছিল: মিশর, ইরাক, লেবানন, সৌদি আরব, সিরিয়া এবং ট্রান্সজর্ডান (যা পরে জর্ডান হয়)। এরপর ৫ মে ১৯৪৫ সালে ইয়েমেন আরব লীগে যোগদান করে।

এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও পারস্পরিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং নিজেদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। আরব লীগের সদর দপ্তর মিশরের কায়রোতে অবস্থিত।

ক. ৩৩
খ. ১৫
গ. ৭৭
ঘ. ২১
উত্তরঃ ২১
ব্যাখ্যাঃ

বর্তমানে NAM (Non-Aligned Movement) বা জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন-এর সদস্য দেশের সংখ্যা হচ্ছে ১২০টি দেশ

এছাড়াও:

  • ১৭টি পর্যবেক্ষক দেশ
  • ১০টি পর্যবেক্ষক সংস্থা

NAM বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর একটি, যা মূলত ঠাণ্ডা যুদ্ধকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠিত হয় উন্নয়নশীল দেশগুলোর নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখার লক্ষ্যে।

ক. ভিয়েনা
খ. জেনেভা
গ. প্যারিস
ঘ. লন্ডন
উত্তরঃ জেনেভা
ব্যাখ্যাঃ

আন্তর্জাতিক রেড ক্রস হলো একটি বিশ্বব্যাপী মানবতাবাদী আন্দোলন, যা যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য রক্ষা এবং তাদের মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রাখতে কাজ করে। এটি কয়েকটি স্বতন্ত্র সংগঠন নিয়ে গঠিত, তবে তারা একই মৌলিক নীতি ও উদ্দেশ্য দ্বারা পরিচালিত হয়।

প্রতিষ্ঠা ও প্রতিষ্ঠাতা:

আন্তর্জাতিক রেড ক্রস আন্দোলনের মূল ধারণা আসে ১৮৫৯ সালে সলফেরিনোর যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে। সুইস ব্যবসায়ী ও মানবতাবাদী অঁরি দ্যুনঁ (Henry Dunant) যুদ্ধাহত সৈন্যদের দুর্দশা দেখে গভীরভাবে প্রভাবিত হন এবং তাদের সাহায্য করার জন্য একটি নিরপেক্ষ সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।

  • প্রতিষ্ঠা: ১৮৬৩ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় "আন্তর্জাতিক কমিটি ফর রিলিফ টু দ্য ওয়ান্ডেড" (International Committee for Relief to the Wounded) নামে একটি কমিটি গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ দ্য রেড ক্রস (ICRC) হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
  • প্রতিষ্ঠাতা: অঁরি দ্যুনঁ এবং গ্যুস্তাভ মোয়ানিয়ে সহ আরও চারজন মিলে এই কমিটি গঠন করেন।

সদর দপ্তর ও মূলনীতি:

  • সদর দপ্তর: আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (ICRC) সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
  • মূলনীতি: রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলন সাতটি মৌলিক নীতি দ্বারা পরিচালিত হয়: ১. মানবতা (Humanity): মানুষের দুঃখ-দুর্দশা প্রতিরোধ ও উপশম করা। ২. পক্ষপাতহীনতা (Impartiality): জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক মতবাদ নির্বিশেষে কেবল প্রয়োজনের ভিত্তিতে সাহায্য করা। ৩. নিরপেক্ষতা (Neutrality): সকলের আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে কোনো ধরনের রাজনৈতিক, জাতিগত, ধর্মীয় বা আদর্শগত বিতর্কে জড়িয়ে না পড়া। ৪. স্বাধীনতা (Independence): যদিও এটি সরকারের সহায়ক হিসেবে কাজ করে, তবে এর কার্যক্রমের মৌলিক লক্ষ্য বজায় রাখার জন্য স্বাধীন থাকা। ৫. স্বেচ্ছাসেবা (Voluntary Service): কোনো প্রকার ব্যক্তিগত বা দলগত লাভের আশা ছাড়া স্বেচ্ছায় কাজ করা। ৬. একতা (Unity): প্রতিটি দেশে কেবল একটিই রেড ক্রস বা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি থাকবে। ৭. সর্বজনীনতা (Universality): বিশ্বব্যাপী একটি সর্বজনীন আন্দোলন হিসেবে সমমর্যাদা ও দায়িত্ব পালন করা।

প্রধান কাজ:

আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলনের মূল কাজগুলো হলো:

  • যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদান।
  • প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারী এবং অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা।
  • প্রাথমিক চিকিৎসা, স্বাস্থ্যসেবা ও রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা।
  • নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান ও পরিবারের পুনর্মিলনে সহায়তা করা।
  • আন্তর্জাতিক মানবিক আইন (International Humanitarian Law - IHL) প্রচার ও প্রয়োগে সহায়তা করা।
  • দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রমে সহায়তা করা।

অঁরি দ্যুনঁ-এর জন্মদিন, ৮ মে, বিশ্বজুড়ে বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস হিসেবে পালিত হয়।

ক. জেনেভা
খ. ভিয়েনা
গ. ওয়াশিংটন
ঘ. প্যারিস
উত্তরঃ ভিয়েনা
ব্যাখ্যাঃ

IAEA-এর পূর্ণরূপ হলো International Atomic Energy Agency বা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা। এটি জাতিসংঘের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারকে উৎসাহিত করে এবং সামরিক উদ্দেশ্যে এর ব্যবহার (বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার) প্রতিরোধে কাজ করে।

প্রতিষ্ঠার পটভূমি:

১৯৫৩ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে "এটমস ফর পিস" (Atoms for Peace) প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল পারমাণবিক প্রযুক্তির ধ্বংসাত্মক দিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এর শান্তিপূর্ণ ব্যবহারকে উৎসাহিত করা। এই ধারণার ভিত্তিতেই ১৯৫৭ সালের ২৯ জুলাই IAEA প্রতিষ্ঠিত হয়।

সদর দপ্তর:

IAEA-এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত।

মূল কাজ ও উদ্দেশ্য:

IAEA-এর প্রধান কাজগুলো তিনটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যেগুলোকে প্রায়শই "থ্রি পিলারস" বলা হয়:

১. নিরাপত্তা ও যাচাই (Safeguards and Verification):

  • এটি IAEA-এর সবচেয়ে পরিচিত কাজ। সংস্থাটি পারমাণবিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম যাতে সামরিক উদ্দেশ্যে, বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারমাণবিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও যাচাই করে (যেমন: পরিদর্শন, তথ্য বিশ্লেষণ)।
  • পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Non-Proliferation Treaty - NPT) বাস্তবায়নে IAEA একটি মূল ভূমিকা পালন করে।

২. নিরাপত্তা ও সুরক্ষা (Safety and Security):

  • পারমাণবিক স্থাপনা এবং তেজস্ক্রিয় পদার্থের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা।
  • পারমাণবিক দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো এবং এমন দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা উন্নত করা।
  • পারমাণবিক নিরাপত্তা মানদণ্ড তৈরি ও প্রয়োগে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সহায়তা করা।

৩. পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ প্রয়োগ (Peaceful Applications of Nuclear Technology):

  • সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে, স্বাস্থ্য, কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, শিল্প এবং জ্বালানি উৎপাদন (যেমন: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র) সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার ও উন্নয়নে সহায়তা করা।
  • পারমাণবিক প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময়ের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

  • সদস্য সংখ্যা: বর্তমানে IAEA-এর সদস্য সংখ্যা ১৭৮টি (এপ্রিল, ২০২৪ পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী)।
  • নোবেল শান্তি পুরস্কার: ২০০৫ সালে IAEA এবং এর তৎকালীন মহাপরিচালক মোহাম্মদ এলবারাদেই (Mohamed ElBaradei) যৌথভাবে পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে তাদের প্রচেষ্টার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

সংক্ষেপে, IAEA বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক শক্তির নিরাপদ, সুরক্ষিত ও শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে, যাতে মানবজাতির কল্যাণে এর সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যায় এবং এর ধ্বংসাত্মক অপব্যবহার রোধ করা যায়।

ক. ১৯৮২
খ. ১৯৮৫
গ. ১৯৮৪
ঘ. ১৯৮৩
উত্তরঃ ১৯৮৫
ব্যাখ্যাঃ

সার্ক (SAARC - South Asian Association for Regional Cooperation) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর

বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এটি গঠিত হয়েছিল। এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। প্রাথমিকভাবে ৭টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও, ২০০৭ সালে আফগানিস্তান এর অষ্টম সদস্য হয়।

ক. রাশিয়া
খ. ব্রাজিল
গ. ভারত
ঘ. দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তরঃ রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ

ব্রিকস (BRICS) এর সর্বশেষ শীর্ষ সম্মেলন ২২ থেকে ২৪ অক্টোবর, ২০২৪-এ রাশিয়ার কাজান শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সম্মেলনটি প্রথমবারের মতো সম্প্রসারিত ব্রিকস সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সৌদি আরব, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান এবং ইথিওপিয়া নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এই শীর্ষ সম্মেলনের প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা শক্তিশালী করা এবং একটি নতুন অর্থপ্রদান পদ্ধতি গঠন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, জ্বালানি সহযোগিতা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি।

ক. ব্রাসেলস
খ. লন্ডন
গ. জেনেভা
ঘ. প্যারিস
উত্তরঃ জেনেভা
ব্যাখ্যাঃ

WIPO (ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন বা বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা)-এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।

ক. Hawana Conference
খ. Geneva Conference
গ. Rome Conference
ঘ. Brettonwood Conference
উত্তরঃ Brettonwood Conference
ব্যাখ্যাঃ

International Monetary Fund (IMF) বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল গঠিত হয়েছিল ঘঃ Brettonwood Conference (ব্রেটন উডস সম্মেলন)-এর ফলস্বরূপ।

১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস শহরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে ১৯৩০-এর দশকের মতো অর্থনৈতিক সংকট এড়াতে একটি নতুন বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো তৈরির লক্ষ্য নিয়ে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। এই সম্মেলনেই IMF এবং বিশ্বব্যাংক (International Bank for Reconstruction and Development - IBRD, যা পরবর্তীতে World Bank Group-এর অংশ হয়) প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ক. এডিবি
খ. বিশ্বব্যাংক
গ. জাইকা
ঘ. আইএমএফ
উত্তরঃ বিশ্বব্যাংক
ক. নাইজেরিয়া
খ. ভারত
গ. মালয়েশিয়া
ঘ. তুরস্ক
উত্তরঃ ভারত
ব্যাখ্যাঃ

D-৮ বা ডেভেলপিং এইট (Developing Eight) হলো আটটি উন্নয়নশীল মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ নিয়ে গঠিত একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোট।

এই জোটের সদস্য দেশগুলো হলো:

১. বাংলাদেশ ২. মিশর (Egypt) ৩. ইন্দোনেশিয়া (Indonesia) ৪. ইরান (Iran) ৫. মালয়েশিয়া (Malaysia) ৬. নাইজেরিয়া (Nigeria) ৭. পাকিস্তান (Pakistan) ৮. তুরস্ক (Türkiye)

এই জোটটি ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন ইস্তাম্বুলে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ করা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অংশগ্রহণ বাড়ানো। এটি ভৌগোলিকভাবে বিস্তৃত একটি জোট, যা আফ্রিকা, ইউরোপ এবং এশিয়া মহাদেশের দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে।

ক. লন্ডন
খ. নিউইয়র্ক
গ. প্যারিস
ঘ. ভিয়েনা
উত্তরঃ লন্ডন
ব্যাখ্যাঃ

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা (NGO) যা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে। এটি বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষায় নিবেদিত।


প্রতিষ্ঠা ও সদর দপ্তর

১৯৬১ সালের ২৮ মে ব্রিটিশ আইনজীবী পিটার বেনেনসন এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন। 'অন্ধকারকে অভিশাপ দেওয়ার চেয়ে একটি মোমবাতি জ্বালানো উত্তম' - এই নীতিবাক্য নিয়ে এটি কাজ করে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর লন্ডনে অবস্থিত।


লক্ষ্য ও কার্যক্রম

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করা এবং মানবাধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা নিশ্চিত করা। তারা যে সকল বিষয় নিয়ে কাজ করে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • বিচারের অধিকার: বিনাবিচারে আটক ব্যক্তিদের মুক্তি, রাজবন্দিদের স্বচ্ছ ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।
  • নির্যাতনের অবসান: সব ধরনের শারীরিক ও মানসিক উৎপীড়ন এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে কাজ করা।
  • মৃত্যুদণ্ড বিলোপ: বিশ্বের সব দেশ থেকে মৃত্যুদণ্ড প্রথা তুলে দেওয়ার জন্য প্রচারণা চালানো।
  • অভিবাসী ও শরণার্থীদের অধিকার: তাদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
  • নারী, শিশু, সংখ্যালঘু ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের অধিকার: তাদের প্রতি সকল বৈষম্য ও নির্যাতন বন্ধে কাজ করা।
  • মতপ্রকাশের স্বাধীনতা: মানুষের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের অধিকার সুরক্ষিত রাখা।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো গবেষণা করে, তথ্য সংগ্রহ করে এবং জনসমক্ষে তুলে ধরে। তারা বিভিন্ন প্রচার অভিযান, চিঠি লেখা, পিটিশন এবং আইনগত পরামর্শের মাধ্যমে সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে যাতে মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকে।

স্বীকৃতি

মানবতার প্রতি অসাধারণ অবদানের জন্য অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে ১৯৭৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার এবং ১৯৭৮ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার পুরস্কার প্রদান করা হয়।

ক. ৬
খ. ৭
গ. ৮
ঘ. ৯
উত্তরঃ ৮
ব্যাখ্যাঃ

সার্ক (SAARC)-এর বর্তমান সদস্য দেশ ৮টি। এই দেশগুলো হলো:

  • বাংলাদেশ
  • ভারত
  • পাকিস্তান
  • শ্রীলঙ্কা
  • মালদ্বীপ
  • নেপাল
  • ভুটান
  • আফগানিস্তান

উল্লেখ্য, সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল ৭টি দেশ। ২০০৭ সালে আফগানিস্তান সার্কের অষ্টম সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়।

ক. প্যারিস
খ. লন্ডন
গ. নিউইয়র্ক
ঘ. জেনেভা
উত্তরঃ জেনেভা
ব্যাখ্যাঃ

রেড ক্রস (Red Cross) হলো একটি আন্তর্জাতিক মানবিক আন্দোলন যা বিশ্বের প্রায় ৯৭ মিলিয়ন স্বেচ্ছাসেবক ও কর্মীর মাধ্যমে মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য রক্ষা, সব মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা নিশ্চিত করা এবং দুর্ভোগ প্রতিরোধ ও লাঘব করার জন্য কাজ করে। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেড ক্রস (ICRC), ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (IFRC) এবং বিভিন্ন দেশের জাতীয় রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিগুলো কাজ করে।


ইতিহাস ও প্রতিষ্ঠাতা

১৮৫৯ সালে ইতালির সলফেরিনো যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে সুইস ব্যবসায়ী জ্যাঁ হেনরি ডুনান্ট আহত সৈন্যদের সেবায় একটি নিরপেক্ষ সংস্থা গঠনের প্রস্তাব করেন। তার এই উদ্যোগের ফলস্বরূপ, ১৮৬৩ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইন্টারন্যাশনাল কমিটি ফর রিলিফ টু দ্য ওয়ান্ডেড ইন ওয়ার প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা পরবর্তীতে ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেড ক্রস (ICRC) হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।


মূলনীতি

রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলনের ৭টি মূলনীতি হলো:

  • মানবতা: মানুষের কষ্ট লাঘব করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।
  • নিরপেক্ষতা: এটি কোনো পক্ষ বা রাজনীতিতে সমর্থন করে না।
  • অপক্ষপাতিত্ব: জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সমানভাবে সহায়তা করে।
  • স্বাধীনতা: এটি একটি স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
  • স্বেচ্ছাসেবা: এটি কোনো প্রকার লাভের উদ্দেশ্যে কাজ করে না।
  • ঐক্য: প্রতিটি দেশে শুধু একটিই রেড ক্রস বা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি থাকবে।
  • সার্বজনীনতা: এটি একটি বিশ্বব্যাপী আন্দোলন।
ক. ঢাকা
খ. কাঠমাণ্ডু
গ. থিম্পু
ঘ. মালে
উত্তরঃ থিম্পু
ব্যাখ্যাঃ

ষোড়শ সার্ক সম্মেলন ২৮-২৯ এপ্রিল, ২০১০ ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে অনুষ্ঠিত হয়। সার্ক প্রতিষ্ঠার পর ২০১০ সালেই প্রথম ভুটানে সার্ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল: ‘সবুজ ও সুখী দক্ষিণ এশিয়ার পথে’। ১৯তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন ২০১৬ সালে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ভারতসহ সার্কের অন্য রাষ্ট্রগুলো পাকিস্তানে সার্ক সম্মেলন বর্জনের ঘোষণা দেয়ায় সেটি স্থগিত রয়েছে। ২৩তম সার্ক সম্মেলন পাকিস্তানে হওয়ার কথা থাকলেও ভারতের অসম্মতিতে অনুষ্ঠিত হয়নি।

প্রশ্নঃ বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট কোনটি?

[ বিসিএস ৩১তম | ১৩তম শি. (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. EU
খ. WTO
গ. NATO
ঘ. FIFA
উত্তরঃ EU
ব্যাখ্যাঃ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)। এটি একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট, যা মূলত ইউরোপের ২৮টি সদস্য দেশকে নিয়ে গঠিত।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পর্কে কিছু তথ্য:

  • গঠন: ১৯৫৭ সালে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় (EEC) নামে প্রতিষ্ঠিত হলেও, ১৯৯৩ সালে মাস্ট্রিখট চুক্তির মাধ্যমে এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নে রূপান্তরিত হয়।
  • সদস্য রাষ্ট্র: এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক এবং অস্ট্রিয়া অন্যতম।
  • মূল লক্ষ্য: EU-এর প্রধান লক্ষ্য হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অবাধ বাণিজ্য, পুঁজি, সেবা এবং মানুষের চলাচল নিশ্চিত করা। এর ফলে একটি একক বাজার তৈরি হয়েছে, যা এই জোটকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্লকে পরিণত করেছে।
  • মুদ্রা: EU-এর বেশিরভাগ দেশ ইউরো নামক একটি একক মুদ্রা ব্যবহার করে, যা তাদের অর্থনৈতিক সংহতি আরও জোরদার করেছে।
  • অর্থনৈতিক প্রভাব: সম্মিলিতভাবে, EU বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে, যা এটিকে বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
ক. জাপান
খ. যুক্তরাজ্য
গ. ফ্রান্স
ঘ. সুইডেন
উত্তরঃ সুইডেন
ব্যাখ্যাঃ

বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশসমূহের সংগঠন G-8 (Group Eight) ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। উল্লেখ্য, ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত করায় G-8 বর্তমানে G-7। এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্রসমূহ হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।

ক. ১৮৬৪ সালে
খ. ১৮৬৮ সালে
গ. ১৮৬৬ সালে
ঘ. ১৮৬১ সালে
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

বিশ্বের দুস্থ মানবতার সেবায় নিয়োজিত আন্তর্জাতিক সেবা প্রতিষ্ঠান রেডক্রস ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৩ সালে সুইজারল্যান্ডের নাগরিক হেনরি ডুনান্ট এর সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয়। মুসলিম বিশ্বে এটি রেড ক্রিসেন্ট, খ্রিষ্টানদের কাছে রেডক্রস এবং ইসরাইলের নিকট রেড ক্রিস্টাল নামে পরিচিত।

ক. লন্ডন
খ. জেনেভা
গ. নিউইয়র্ক
ঘ. দিল্লী
উত্তরঃ জেনেভা
ব্যাখ্যাঃ

জেনেভা সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত একটি বিখ্যাত শহর। ILO ছাড়াও জেনেভায় WHO, WTO, ITU, WMO, WIPO, UNHCR, UNCTAD, ITC, OHCHR, UNITAR, UNRISD, জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল, রেডক্রস, বিশ্ব স্কাউট সংস্থা, ISO, IAS, IPU; লন্ডনে IMO, EBRD, Amnesty International এবং নিউইয়র্কে UNICEF, UNDP, UNFPA, UNIFEM, United Nations এর সদর দপ্তর অবস্থিত। দিল্লিতে অবস্থিত SAARC Documentation Centre ও সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়।

ক. ব্যাংকক
খ. সিঙ্গাপুর
গ. দিল্লী
ঘ. কলম্বো
উত্তরঃ ব্যাংকক
ব্যাখ্যাঃ

Economic and Social Commission for Asia and the Pacific (ESCAP) এর সদর দপ্তর ১৯৪৭ সালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে প্রতিষ্ঠা করা হয়।

ক. লন্ডন
খ. ব্রাসেলস
গ. বন
ঘ. প্যারিস
উত্তরঃ ব্রাসেলস
ব্যাখ্যাঃ

বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসকে ইউরোপের রাজধানী বলা হয়। এছাড়াও ব্রাসেলসে রয়েছে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট, কাউন্সিল অব মিনিস্টারস্‌, ইউরোপিয়ান কমিশন এর সদর দপ্তর।

ক. দিল্লী
খ. ইসলামাবাদ
গ. কাঠমান্ডু
ঘ. ঢাকা
উত্তরঃ কাঠমান্ডু
ব্যাখ্যাঃ

১৬ জানুয়ারি, ১৯৮৭ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে সার্ক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। এছাড়া কাঠমান্ডুতে রয়েছে সার্ক যক্ষ্মা কেন্দ্র। দিল্লিতে রয়েছে SAARC Documentation Centre ও সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদে রয়েছে। SAARC Human Resource Development Centre আর ঢাকায় অবস্থিত SAARC Agricultural Information Centre.

ক. নিউইয়র্কে
খ. রোমে
গ. জেনেভায়
ঘ. অটোয়ায়
উত্তরঃ রোমে
ব্যাখ্যাঃ

খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর প্রধান কার্যালয় ইতালির রোমে অবস্থিত। এছাড়া রোমে IFAD ও WFP এর সদর দপ্তর অবস্থিত। FAO প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৫।

ক. নাইজেরিয়া
খ. লেবানন
গ. নাইজার
ঘ. উগান্ডা
উত্তরঃ উগান্ডা
ব্যাখ্যাঃ

ওআইসি (Organisation of Islamic Cooperation) মূলত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সংগঠন। উপরিউক্ত দেশগুলোর মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা নাইজেরিয়ায় ৬৪%, লেবাননে ৫৭%, নাইজারে ৯৭% এবং উগান্ডায় ৩৬% ।

ক. নিউইয়র্ক
খ. ক্যামেনিক্স
গ. লন্ডন
ঘ. হেগ
উত্তরঃ লন্ডন
ব্যাখ্যাঃ

অক্সফাম (Oxfam) একটি আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা। সংস্থাটির সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত। অক্সফাম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দারিদ্র্য বিমোচন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে।
অক্সফাম মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় এর নাম ছিল অক্সফোর্ড কমিটি ফর ফেমিন রিলিফ। তবে পরবর্তীতে এর নামটি পরিবর্তন করে অক্সফাম রাখা হয়। এটি বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ত্রাণ ও উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করে।
অক্সফামের প্রধান কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে খাদ্য নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন, লিঙ্গ সমতা এবং দুর্যোগকালীন সহায়তা প্রদান। সংস্থাটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের অধিকারের জন্য সোচ্চার ভূমিকা রাখে।
অক্সফাম বিশ্বের প্রায় ৯০টি দেশে কাজ করে। এই সংস্থাটি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ক. ১৯৭৭
খ. ১৯৭৮
গ. ১৯৭৯
ঘ. ১৯৮১
উত্তরঃ ১৯৭৭
ব্যাখ্যাঃ

আন্তর্জাতিক সেবাধর্মী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল' ২৮ মে, ১৯৬১ সালে ব্রিটিশ আইনজ্ঞ পিটার বেনেনসন প্রতিষ্ঠা করেন। এর সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের লন্ডনে। এ সংস্থা সেবাধর্মী কার্যক্রমের জন্য ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে। বর্তমানে এই সংস্থার মহাসচিব ফ্রান্সের Agnes Callamard.

ক. ২১
খ. ২২
গ. ২৩
ঘ. ২৬
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম (এআরএফ) এর সদস্য সংখ্যা ২৭।

এই ফোরামটি মূলত ২৭টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে রয়েছে আসিয়ানের ১০টি সদস্য রাষ্ট্র এবং ১৭টি অতিরিক্ত সদস্য রাষ্ট্র। এই ফোরামের প্রধান উদ্দেশ্য হলো এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা।

আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তখন থেকে এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

ক. ১৯৭২ সালে
খ. ১৯৭৩ সালে
গ. ১৯৭৪ সালে
ঘ. ১৯৭৫ সালে
উত্তরঃ ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসির দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে। কমনওয়েলথ, NAM, আইএমএফ, আইএলও, ইউনেস্কো প্রভৃতি সংস্থার সদস্যপদ বাংলাদেশ লাভ করে ১৯৭২ সালে। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ FAO, WMO, UPU -এর সদস্যপদ লাভ করে। উল্লেখ্য, ২৮ জুন, ২০১১ ইসলামী সম্মেলন সংস্থার নাম পরিবর্তন করে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা রাখা হয়।

ক. হেগে
খ. জেনেভায়
গ. নিউইয়র্কে
ঘ. ক্যানবেরায়
উত্তরঃ জেনেভায়
ব্যাখ্যাঃ

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অঙ্গসংস্থা UNCTAD প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। অন্যদিকে হেগে (নেদারল্যান্ড) আন্তর্জাতিক আদালত, নিউইয়র্কে (যুক্তরাষ্ট্র) জাতিসংঘ, UNDP, UNFPA ও UNICEF এবং ক্যানবেরায় (অস্ট্রেলিয়া) ANZUS -এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

ক. লন্ডন
খ. লিঁও
গ. রোম
ঘ. প্যারিস
উত্তরঃ লিঁও
ব্যাখ্যাঃ

ইন্টারপোলের সাবেক সদর দপ্তর প্যারিসে হলেও বর্তমানে ফ্রান্সের লিঁও শহরে ইন্টারপোলের সদর দপ্তর অবস্থিত। অন্যদিকে, লন্ডনে (যুক্তরাজ্য) কমনওয়েলথ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, রোমে (ইতালি) FAO, IFAD ও WFP এবং প্যারিসে (ফ্রান্স) OECD- এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

ক. ম্যানিলা
খ. বার্লিন
গ. ব্যাংকক
ঘ. সিঙ্গাপুর
উত্তরঃ বার্লিন
ব্যাখ্যাঃ

TI-এর পূর্ণ অভিব্যক্তি ‘Transparency International’। জার্মানির বার্লিনভিত্তিক এ সংস্থা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের দুর্নীতি সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এবং দুর্নীতির সূচক প্রদান করে। এর প্রধান কার্যালয় জার্মানির বার্লিনের গুটেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

ক. MIGA
খ. IBRD
গ. IDA
ঘ. IFC
উত্তরঃ IDA
ব্যাখ্যাঃ

বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ৫টি অঙ্গসংগঠনের মধ্যে IDA (International Development Association) দরিদ্র দেশগুলোকে সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে বলে এটি ‘Soft Loan Window’ নামে পরিচিত। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্য ৪ টি অঙ্গ সংগঠন হলো- IBRD, IFC, MIGA ও ICSID।

ক. মোহাম্মদ আল বারাদি
খ. আমর মুসা
গ. আয়াদ আলাওয়ি
ঘ. হামিদ কারজাই
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

IAEA-এর নির্বাহী প্রধান হলেন রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি (Rafael Mariano Grossi)। তিনি ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (International Atomic Energy Agency - IAEA)-এর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। গ্রোসি আর্জেন্টিনার একজন কূটনীতিক এবং পরমাণু শক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। তিনি IAEA-এর পূর্ববর্তী মহাপরিচালক ইউকিয়া আমানো (Yukiya Amano)-এর স্থলাভিষিক্ত হন।

ক. মালদ্বীপ
খ. শ্রীলংকা
গ. নেপাল
ঘ. ভুটান
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

সার্কভুক্ত সকল দেশের দূতাবাস বাংলাদেশে রয়েছে। উল্লেখ্য, ১ এপ্রিল ২০০৮ মালদ্বীপের দূতাবাস বাংলাদেশে চালু হলে ও পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৩১ মার্চ আবার বন্ধ করে দেয়া হয়। পুনরায় ১ জানুয়ারি ২০১৫ মালদ্বীপ তাদের দূতাবাস বাংলাদেশে চালু করে। সার্কভুক্ত দেশগুলো হলো - বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান।

ক. জাইকা
খ. ইউএনডিপি
গ. বিশ্বব্যাংক
ঘ. আইএমএফ
উত্তরঃ বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যাঃ

২০১৮ সালের ১৭-১৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায়। এ সম্মেলনে বিশ্বব্যাংক, জাইকা, ইউএনডিপি ও আইএমএফসহ কতিপয় উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা অংশগ্রহণ করে। তবে প্রধান সমন্বয়কারী বিশ্বব্যাংক।

ক. দিল্লি
খ. কায়রো
গ. বেলগ্রেড
ঘ. জাকার্তা
উত্তরঃ বেলগ্রেড
ব্যাখ্যাঃ

জোট নিরপেক্ষ দেশসমূহের সংগঠন NAM (Non Aligned Movement) বা জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন গঠিত হয় ১৯৫৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং-এ অনুষ্ঠিত সম্মেলনের মাধ্যমে। এ সংগঠনের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৬১ সালে তৎকালীন যুগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত হয়। ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন ২৫-২৬ অক্টোবর ২০১৯ আজারবা ইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়। ১৯তম NAM সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৩ সালে উগান্ডার কাম্পালা তে।

ক. নিউইয়র্ক
খ. প্যারিস
গ. রোম
ঘ. জেনেভা
উত্তরঃ প্যারিস
ব্যাখ্যাঃ

UNESCO-এর পূর্ণরূপ United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization. এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক অঙ্গ সংগঠন। এর সনদ সাক্ষরিত হয় ১৬ নভেম্বর, ১৯৪৫ সাল এবং সেটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর, ১৯৪৬ সালে এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত।

ক. সংযুক্ত আরব আমিরাত
খ. মিশর
গ. লেবানন
ঘ. ইয়েমেন
উত্তরঃ সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যাঃ

১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ মিশরের রাজধানী কায়রোতে আরব লীগ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৭টি। এগুলো হচ্ছে- মিশর, সিরিয়া, লেবানন, ইরাক, জর্ডান, সৌদি আরব এবং ইয়েমেন। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত আরব লীগের সদস্যপদ লাভ করে।

ক. প্যারিস
খ. লিঁও
গ. ভার্সাই
ঘ. মাসাই
উত্তরঃ লিঁও
ব্যাখ্যাঃ

ইন্টারপোল শব্দটি পূর্ণরূপ International Police Organization। অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং গ্রেফতার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা। ১৯২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটির সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিঁও শহরে অবস্থিত। এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৫টি। বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সালে।

ক. আদ্দিস আবাবা
খ. নাইরোবি
গ. ডাকার
ঘ. কায়রো
উত্তরঃ আদ্দিস আবাবা
ব্যাখ্যাঃ

ECA (Economic Commission for Africa)- এর সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায়। এটি ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আফ্রিকার দেশসমূহের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা। আফ্রিকায় ৫৪টি দেশ বর্তমানে সদস্য সংখ্যা।

ক. রোম চুক্তি
খ. ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি
গ. ভিয়েনা কনভেনশন
ঘ. ব্রাসেলস্ কনভেনশন
উত্তরঃ রোম চুক্তি
ব্যাখ্যাঃ

১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ রোম চুক্তির মাধ্যমে European Economic Community (EEC) গঠনের প্রস্তাব করা হলেও ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি European Community (EC) প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে EC-এর নাম পরিবর্তন করে European Union (EU) প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে।

প্রশ্নঃ MIGA কখন গঠিত হয়?

[ বিসিএস ২৪তম ]

ক. ১৯৮০ সালে
খ. ১৯৮২ সালে
গ. ১৯৮৫ সালে
ঘ. ১৯৮৬ সালে
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

MIGA-এর পূর্ণরূপ Multilateral Investment Guarantee Agency. এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অঙ্গসংস্থা হিসেবে ১৯৮৮ সালের ১২ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। উন্নয়নশীল দেশসমূহে বৈদেশিক বিনিয়োগ উৎসাহিত করাই এ অঙ্গসংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

ক. বাংলাদেশ
খ. তুরস্ক
গ. মালয়েশিয়া
ঘ. মরক্কো
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

OIC এর বর্তমান মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন হুসেইন ইব্রাহিম তাহা। তিনি আফ্রিকার দেশ চাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সংস্থাটি ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭ (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ২৫)। বাংলাদেশ যোগদান করে ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ (৩২ তম সদস্য)।

ক. ফ্রান্স
খ. যুক্তরাজ্য
গ. রাশিয়া
ঘ. দি নেদারল্যান্ডস
উত্তরঃ দি নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যাঃ

জি-৮ (G-8) ভুক্ত দেশগুলো হলো:

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (United States)
যুক্তরাজ্য (United Kingdom)
জার্মানি (Germany)
ফ্রান্স (France)
জাপান (Japan)
ইতালি (Italy)
কানাডা (Canada)
রাশিয়া (Russia)

উল্লেখ্য, রাশিয়া ২০১৪ সালে এই গ্রুপ থেকে বাদ পড়ে, তবে এর আগে এটি জি-৮ নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এটি জি-৭ নামে পরিচিত।

ক. আইএমএফ
খ. বিশ্বব্যাংক
গ. এডিবি
ঘ. আইডিবি
উত্তরঃ আইএমএফ
ব্যাখ্যাঃ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যাপকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত ইউরোপের পুনর্গঠন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখার জন্য ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই ব্রেটন উডসের জাতিসংঘ মনিটারি এন্ড ফিনান্সিয়াল কনফারেন্সে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ গঠিত হয়। তাই আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক এ দুটি সংস্থাকেই ব্রেটন ‍উডস ইনস্টিটিউট বলা হয়। বিশ্বব্যাংক আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়নে এবং আইএমএফ প্রতিকূল বাণিজ্যিক অবস্থা মোকাবেলায় ঋণ প্রদান করে।

ক. রোম
খ. জেনেভা
গ. ব্যাংকক
ঘ. প্যারিস
উত্তরঃ রোম
ব্যাখ্যাঃ

১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর কুইবেকে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর ইতালির রোমে।

ক. ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন
খ. ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স ক্যাপিটাল
গ. ইন্টারন্যাশনাল ফুড করপোরেশন
ঘ. এগুলোর কোনোটিই নয়
উত্তরঃ ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন
ব্যাখ্যাঃ

IFC এর পূর্ণরূপ International Finance Corporation. এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ৫টি অঙ্গ সংস্থার একটি। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০ জুলাই, ১৯৫৬ এবং এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে।

ক. ১৯৬০ সালে
খ. ১৯৬২ সালে
গ. ১৯৬৩ সালে
ঘ. ১৯৬৪ সালে
উত্তরঃ ১৯৬৩ সালে
ব্যাখ্যাঃ

২০০২ সালে ৯ জুলাই পর্যন্ত African Union (AU) এর নাম ছিল Organization of African Unity. এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২৫ মে, ১৯৬৩। এর প্রাথমিক সদস্য ছিল ৩২টি এবং বর্তমানে ৫৫টি। সংস্থার সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় অবস্থিত।

ক. রিয়াদ
খ. কায়রো
গ. কুয়েত
ঘ. জেদ্দা
উত্তরঃ জেদ্দা
ব্যাখ্যাঃ

ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (IDB) এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে এবং কার্যক্রম শুরু হয় ২০ অক্টোবর, ১৯৭৫।

ক. তেহরান
খ. জেদ্দা
গ. কায়রো
ঘ. রিয়াদ
উত্তরঃ জেদ্দা
ব্যাখ্যাঃ

ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (OIC) এর সদর দপ্তর → সৌদি আরবের জেদ্দায়। উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থা (GCC) এর সদর দপ্তর → রিয়াদে, ECO এর সদর দপ্তর → ইরানের তেহরানে বর্তমানে নাম ইসলামী সহযোগী সংস্থা। আরব লীগের সদর দপ্তর → মিশরের কায়রোতে।

ক. দিল্লী
খ. ডারবান
গ. ঢাকা
ঘ. জাকার্তা
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের ত্রয়োদশ সম্মেলন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশ সরকার এ সম্মেলন অনুষ্ঠানে অপারগতা প্রকাশ করলে সম্মেলন পিছিয়ে যায় এবং ২০০৩ সালের ২০-২৫ ফেব্রুয়ারি এ সম্মেলন মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়। চতুর্দশ সম্মেলন ১১-১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৬ কিউবার রাজধানী হ্যাভানায়, পঞ্চদশ সম্মেলন ১১-১৬ জুলাই ২০০৯ মিশরের কায়রোতে, ষোড়শ সম্মেলন ২৬-৩১ আগস্ট ২০১২ ইরানের তেহরানে এবং সপ্তদশ সম্মেলন ১৩-১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ভেনিজুয়েলার কারাকাসে অনুষ্ঠিত হয়। অষ্টাদশ সম্মেলন ২০১৯ সালে আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৩ সালে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় অনুষ্ঠিত হবে।

ক. ৬
খ. ৭
গ. ৮
ঘ. ৫
উত্তরঃ ৬
ব্যাখ্যাঃ

GCC-এর পূর্ণরূপ Gulf Co-operation Council. ৬টি উপসাগরীয় দেশ নিয়ে ১৯৮১ সালের ২৫ মে এ সংস্থা গঠিত হয়। সদস্য দেশগুলো হলো সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, ওমান, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। সদর দপ্তর সৌদি আরবের রিয়াদে।

ক. রাজনৈতিক
খ. অর্থনৈতিক
গ. বাণিজ্যিক
ঘ. সামাজিক
উত্তরঃ অর্থনৈতিক
ব্যাখ্যাঃ

BIMSTEC-এর বর্তমান পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi Sectoral Technical and Economic Co-operation. বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী দেশগুলো অর্থনৈতিক এবং পারস্পরিক উন্নয়নের জন্য BIMSTEC গঠিত হয়। সদস্য ৭টি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান বঙ্গোপসাগরের আশপাশে হওয়ায় ২০০৪ সালের ৩১ জুলাই সংস্থাটির এরূপ নামকরণ করা হয় । বর্তমানে এর সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত। সদস্য দেশগুলো হল – বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, নেপাল, ভুটান ও থাইল্যান্ড।

ক. ১৯৮৫ সালে, ঢাকায়
খ. ১৯৮৩ সালে, দিল্লীতে
গ. ১৯৮৫ সালে, কলম্বোতে
ঘ. ১৯৮৬ সালে, মালেতে
উত্তরঃ ১৯৮৫ সালে, ঢাকায়
ব্যাখ্যাঃ

সার্ক (SAARC) ১৯৮৫ সালের ৮ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পুরো নাম হলো দক্ষিণ এশীয় সহযোগিতা সংস্থা (South Asian Association for Regional Cooperation).

এই সংস্থাটি দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশ নিয়ে গঠিত: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ এবং আফগানিস্তান। সার্কের লক্ষ্য হলো এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

ক. ১০০
খ. ১১৫
গ. ১১৪
ঘ. ১১৮
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১২০।

এই জোটে সদস্য হিসেবে রয়েছে এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের ১২০টি উন্নয়নশীল দেশ। এছাড়াও ১৭টি দেশ এবং ৯টি আন্তর্জাতিক সংস্থা এই জোটে পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে।

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন হলো বিশ্বের এমন একটি দল, যারা কোনো শক্তিশালী দেশ বা ব্লকের সঙ্গে নিজেদের না মিশিয়ে স্বাধীনভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করে। এই আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য হলো সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

ক. মার্লবোরো হাউজ
খ. হোয়াইট হাউজ
গ. বাকিংহাম প্রাসাদ
ঘ. দি চেকার্স
উত্তরঃ মার্লবোরো হাউজ
ব্যাখ্যাঃ

মার্লবোরো হাউজ লন্ডনে অবস্থিত। মার্লবোরো হাউজের অপর নাম পলমল। অন্যদিকে হোয়াইট হাউজ ওয়াশিংটনে অবস্থিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসবভন এবং বাকিংহাম প্রাসাদ লন্ডনে অবস্থিত ইংল্যান্ডের রানীর বাসভবন।

ক. ১০টি
খ. ১১টি
গ. ৮টি
ঘ. ১২টি
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ ২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, OPEC (Organization of the Petroleum Exporting Countries)-এর সদস্য দেশের সংখ্যা ১৩টি

### OPEC ভুক্ত দেশগুলির তালিকা:
১. আলজেরিয়া
২. অ্যাঙ্গোলা
৩. কঙ্গো
৪. বিষুবীয় গিনি
৫. গ্যাবন
৬. ইরান
৭. ইরাক
৮. কুয়েত
৯. লিবিয়া
১০. নাইজেরিয়া
১১. সৌদি আরব
১২. সংযুক্ত আরব আমিরাত
১৩. ভেনেজুয়েলা

উত্তর: \[ \boxed{১৩} \]
ক. উন্নত
খ. উন্নয়নশীল
গ. ঔপনিবেশিক
ঘ. অনুন্নত
উত্তরঃ উন্নয়নশীল
ব্যাখ্যাঃ

তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক স্বার্থরক্ষায় ১৫ জুন ১৯৬৪ সালে গঠিত হয় গ্রুপ-৭৭। বর্তমানে এর সদস্য ১৩৪।

ক. জেনেভায়
খ. ওয়াশিংটনে
গ. ভিয়েনায়
ঘ. ব্রাসেলসে
উত্তরঃ ভিয়েনায়
ব্যাখ্যাঃ

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় WTO, Red Cross, ILO, ITU, WIPO, UNCTAD, WHO, UNHCR প্রভৃতি সংস্থা ও সংগঠনের সদর দপ্তর, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে IMF, IBRD, IDA, MIGA, IFC ও ICSID এর সদর দপ্তর, অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় OPEC, IAEA ও UNIDO এর সদর দপ্তর এবং ফ্রান্সের প্যারিসে UNESCO সদর দপ্তর। Interpol এর সদর দপ্তর লিঁওতে।

ক. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯
খ. ১ জুলাই, ১৯৯৯
গ. ১ মার্চ, ২০০০
ঘ. ১ জুলাই, ২০০০
উত্তরঃ ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯
ব্যাখ্যাঃ

ইউরোপীয় সাধারণ মুদ্রা ‘ইউরো’ প্রথম চালু হয় ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি। বর্তমানে ইইউভুক্ত ১৯টি দেশে ইউরো মুদ্রা চালু রয়েছে। উল্লেখ্য, ‘ইউরো ব্যাংক নোট’ প্রথম চালু হয় ১ জানুয়ারি, ২০০২।

ক. SAARC
খ. APEC
গ. ADB
ঘ. CIRDAP
উত্তরঃ CIRDAP
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকায় CIRDAP, IJSG, BIMSTEC এর সদর দপ্তর অবস্থিত। অন্যদিকে ADB এর সদর দপ্তর ম্যানিলা, APEC এর সদর দপ্তর সিঙ্গাপুর এবং SAARC এর সদর দপ্তর কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।

ক. ১৯৭৫ সালে
খ. ১৯৮৫ সালে
গ. ১৯৮৭ সালে
ঘ. ১৯৯০ সালে
উত্তরঃ ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শ্রীলংকা সফরে গিয়ে সর্বপ্রথম দক্ষিণ এশিয়ার দেশ গুলো নিয়ে একটি আঞ্চলিক সংস্থা গঠনের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন এবং ১৯৮০ সালের মে মাসে তিনি লিখিত প্রস্তাব দেন। ১৯৮২ সালের ২ আগস্ট ভারতের নয়াদিল্লিতে ৭টি দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অবশেষে ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে ১৪ দফা ঢাকা ঘোষণার মধ্য দিয়ে সার্কের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

ক. জেনেভা
খ. প্যারিস
গ. লন্ডন
ঘ. রোম
উত্তরঃ রোম
ব্যাখ্যাঃ

১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর কুইবেকে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর ইতালির রোমে এবং সদস্য রাষ্ট্র ১৯৪টি।

ক. ব্যাংকক
খ. সিঙ্গাপুর
গ. টোকিও
ঘ. ম্যানিলা
উত্তরঃ ম্যানিলা
ব্যাখ্যাঃ

ADB প্রতিষ্ঠিত হয় ২২ আগস্ট, ১৯৬৬ এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর। এর প্রধান কার্যালয় ফিলিপাইন এর ম্যানিলায়। বর্তমানে ADB-এর সদস্য সংখ্যা ৬৭। সর্বশেষ সদস্য জর্জিয়া। সদস্যপদ লাভ করে ২ ফেব্রুয়ারি, ২০০৭।

ক. দ্বিতীয়
খ. তৃতীয়
গ. পঞ্চম
ঘ. ষষ্ঠ
উত্তরঃ ষষ্ঠ
ব্যাখ্যাঃ

ন্যাম সদস্যসমূহ এবং ৭৭-জাতি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর অর্থনৈতিক মুক্তি ও অগ্রগতির লক্ষ্যে প্রণীত পরিকল্পনা হলো নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বা NIEO। এটি ১৯৪৭ সালের ৩০ এপ্রিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (ষষ্ঠ বিশেষ অধিবেশন) পাশ হয়।

ক. সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড
খ. চেক প্রজাতন্ত্র, পোল্যান্ড, জার্মানি
গ. বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ
ঘ. ইংল্যান্ড, আইরিশ প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স
উত্তরঃ বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ
ব্যাখ্যাঃ

১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বেনেলাক্স (BENELUX) একটি অর্থনৈতিক জোট। এর সদস্য তিনটি। এগুলো হলো বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবার্গ। সদস্য দেশগুলোর নামের অংশ বিশেষের সমন্বয়ে বেনেলাক্স নামকরণ করা হয়।

ক. ইন্দোনেশিয়া
খ. মালয়েশিয়া
গ. থাইল্যান্ড
ঘ. ফিলিপাইন
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

এশীয় দেশ ইন্দোনেশিয়া ও কাতার ওপেকের সদস্য ত্যাগ করায় OPEC - ভুক্ত অ-আরব এশীয় দেশ এখন একটি- ইরান। OPEC এর পূর্ণরূপ Organization of the Petroleum Exporting Countries। ১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়। প্রতিষ্ঠাকালে এর সদস্য সংখ্যা ৫ থাকলেও বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ১২। সদস্য দেশ গুলো হলো- ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব, ভেনিজুয়েলা, আলজেরিয়া, নাইজেরিয়া, লিবিয়া, ইকুয়েডর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, গ্যাবন, নিরক্ষীয় গিনি ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (মার্চ, ২০২০)। এ দেশগুলোর মধ্যে অ-আরব সদস্য হলো নাইজেরিয়া, ইরান, ভেনিজুয়েলা, অ্যাঙ্গোলা, গ্যাবন, নিরক্ষীয় গিনি ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র।

ক. ৪৮
খ. ৫০
গ. ৫২
ঘ. ৫৬
উত্তরঃ ৫৬
ব্যাখ্যাঃ

কমনওয়েলথ হলো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত স্বাধীন ও আশ্রিত দেশগুলোর সংগঠন। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেকগুলো দেশ এতে যোগ দেয়নি। কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬ । এর সদর দপ্তর লন্ডনের মার্লবরো হাউস অবস্থিত।

ক. মালেতে
খ. কলম্বোতে
গ. বাঙ্গালোরে
ঘ. কাঠমাণ্ডুতে
উত্তরঃ কলম্বোতে
ব্যাখ্যাঃ

সার্ক- এর ষষ্ঠ সম্মেলন ১৯৯১ সালের ২১ ডিসেম্বর শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত হয়। পাকিস্তানে ২০১৬ সালে ১৯ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল । কিন্তু সেপ্টেম্বর ২০১৬ ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের উরি এলাকায় পাকিস্তান জঙ্গিবাহিনীর হামলার প্রতিবাদে ভারত, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও ভুটান ১৯তম সার্ক সম্মেলনে অংশগ্রহণ না করার ঘোষণা দেয়।

ক. মালয়েশিয়া
খ. ফিলিপাইন
গ. অস্ট্রেলিয়া
ঘ. জাপান
উত্তরঃ জাপান
ব্যাখ্যাঃ

১৯৯৩ সালে অ্যাপেকের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে। অন্যসব সদস্য দেশ এতে উপস্থিত থাকলেও জাপান অনুপস্থিত ছিল। উল্লেখ্য, APEC- এর সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৬-১৯ নভেম্বর ২০২২; ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।

ক. ১৯০৩ সালে
খ. ১৯০৫ সালে
গ. ১৯৬১ সালে
ঘ. ১৯১২ সালে
উত্তরঃ ১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ

মানবকল্যাণমুখী সমাজ উন্নয়নমূলক আন্তর্জাতিক সংস্থা রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মার্কিন আইনজীবী পল পার্সি হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় রাজ্যে।

ক. ১৯৪৫ সাল হতে
খ. ১৯৪৬ সাল হতে
গ. ১৯৪৭ সাল হতে
ঘ. ১৯৪৮ সাল হতে
উত্তরঃ ১৯৪৭ সাল হতে
ব্যাখ্যাঃ

১৯৪৪ সালের ব্রেটন উড্স (Bretton) সম্মেলনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আনুষ্ঠানিভাবে ১৯৪৫ সালে IMF প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালের ১ মার্চ IMF এর কার্যক্রম শুরু হয়। এটির সদর দপ্তর ওয়াশিংটনে।

ক. ১৯৪৭ সালের ৪ আগস্ট
খ. ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
গ. ১৯৫০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
ঘ. ১৯৫১ সালের ৪ মে
উত্তরঃ ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
ব্যাখ্যাঃ

কমিউনিজম তথা ওয়ারশ জোট রোধকল্পে ধনতান্ত্রিক দেশসমূহের সামরিক জোট NATO ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৩১। এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল যুক্তরাজ্যের লন্ডনে। NATO-এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস (বেলজিয়াম)।

ক. IBRD
খ. IDA
গ. IFC
ঘ. EDI
উত্তরঃ IDA
ব্যাখ্যাঃ

IDA –এর পূর্ণ রূপ International Development Agency. ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বরে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বব্যাংকের ঋণ যতটা সম্ভব সহজ শর্তে দারিদ্র দেশসমূহকে প্রদানের লক্ষ্যে এ সংস্থাটি গঠিত হয়।

ক. কানাডা
খ. ইতালি
গ. সুইডেন
ঘ. জাপান
উত্তরঃ সুইডেন
ব্যাখ্যাঃ

Group of Seven (G-7) হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল স্বীকৃত বিশ্বের প্রধান সাতটি উন্নত অর্থনীতির দেশ নিয়ে গঠিত একটি অর্থনৈতিক সংস্থা। ১৯৯৮ সালে এর সদস্য সংখ্যা হয় ৮ এবং এটি জি-৮ নামে পরিচিতি লাভ করে। ২০১৪ সালে রাশিয়া ক্রিমিয়া অধিকার করলে রাশিয়াকে জি-৮ থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং এর নাম হয় জি-৭। বর্তমানে এর সদস্য দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি, ব্রিটেন, জাপান ও কানাডা। জাপান জি-৭ এর অন্তর্ভুক্ত একমাত্র এশীয় দেশ।

ক. তিউনেসিয়া
খ. কায়রো
গ. রাবাত
ঘ. জেদ্দা
উত্তরঃ কায়রো
ব্যাখ্যাঃ

১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর স্থাপিত হয় মিশরের রাজধানী কায়রোতে। মিশর ও ইসরাইলের মধ্যকার ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি সাক্ষরের পর ১৯৭৯ সালের ২৬ মার্চ মিশরকে আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং সদর দপ্তর তিউনিসিয়ায় স্থানান্তরিত হয়। ১৯৮৯ সালের ২৩ মে মিশর পুনরায় আরব লীগে যোগ দেয় এবং সদর দপ্তর পুনরায় কায়রোতে স্থানান্তরিত হয়। আরব লীগের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ২২।

ক. UNV
খ. DTCD
গ. UNFPA
ঘ. UNDP
উত্তরঃ UNDP
ব্যাখ্যাঃ

UNDP মূলত জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি। ১৯৬৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সদর দপ্তর নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র)।

ক. IBRD
খ. IDA
গ. IMF
ঘ. IFC
উত্তরঃ IMF
ব্যাখ্যাঃ

বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ৫টি অঙ্গসংস্থার সমন্বয়ে গঠিত- International Bank for Reconstruction and Development (IBRD), International Development Association (IDA), International Finance Corporation (IFC), The Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA) এবং The International Centre for Settlement of Investment Disputes (ICSID), IMF এর পূর্ণরূপ : International Monetary Fund.

ক. আন্তর্জাতিক ইসলামী আদালত
খ. সাধারণ সচিবালয়
গ. ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র
ঘ. ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক
উত্তরঃ ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ

ওআইসি-এর অঙ্গ সংগঠন ১১টি। ১. ইসলামী সম্মেলন, ২. পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাউন্সিল, ৩. স্ট্যান্ডিং কমিটি, ৪. নির্বাহী কমিটি, ৫. আন্তর্জাতিক ইসলামী বিচার আদালত, ৬. মানবাধিকার বিষয়ক স্বাধীন স্থায়ী কমিশন, ৭. স্থায়ী প্রতিনিধি কমিটি, ৮. সাধারণ সচিবালয়, ৯. সাবসিডিয়ারি অর্গান, ১০. বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট এবং ১১. অনুমোদিত ইনস্টিটিউট।

ক. ১৯৬৫ সালে
খ. ১৯৬৬ সালে
গ. ১৯৬৭ সালে
ঘ. ১৯৬৮ সালে
উত্তরঃ ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যাঃ

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ১৯৬৬ সালের ২২ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর এর আনুষ্ঠানিক লেনদেন শুরু হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৩১ এবং বর্তমান সদস্য ৬৭। সদর দপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায়।

প্রশ্নঃ কোন দেশটি আরব লীগের অন্তর্ভুক্ত নয়?

[ বিসিএস ১৪তম | প্রা. বি. স. শি. নি. ০১-১২-২০০৬ ]

ক. জর্ডান
খ. লেবানন
গ. ইরান
ঘ. বাহরাইন
উত্তরঃ ইরান
ব্যাখ্যাঃ

আরব লীগের সদস্য আরবি ভাষাভাষী দেশসমূহ। ইরানের ভাষা আরবি নয়, ফারসি। ফলে ইরান সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে আরবভুক্ত নয় বরং পার্সিয়ান বা ফারসি।

ক. APEC
খ. CREC
গ. EAEG
ঘ. ECO
উত্তরঃ APEC
ব্যাখ্যাঃ

এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (APEC)- হল একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ফোরাম যা এশিয়া প্যাসিফিকের ক্রমবর্ধমান আন্তঃনির্ভরতাকে কাজে লাগানোর জন্য ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ২১টি।

ক. প্রায় ৭৫ শতাংশ
খ. প্রায় ৮০ শতাংশ
গ. প্রায় ৮৫ শতাংশ
ঘ. প্রায় ৯০ শতাংশ
উত্তরঃ প্রায় ৮০ শতাংশ
ব্যাখ্যাঃ

GATT ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ এটি WTO –এর রূপান্তরিত হয়। WTO সদস্য দেশগুলো বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধ দূরীকরণ এবং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে এটি বিশ্ব বাণিজ্যের ৯০ শতাংশের বেশি অংশের তদারকি করে থাকে।

ক. ১৯৬৬ সাল থেকে
খ. ১৯৬৭ সাল থেকে
গ. ১৯৬৮ সাল থেকে
ঘ. ১৯৮৯ সাল থেকে
উত্তরঃ ১৯৬৬ সাল থেকে
ব্যাখ্যাঃ

১৯৬৬ সালের ২২ আগস্ট প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে লেনদেন শুরু করে।

ক. কুয়েত
খ. নাইজেরিয়া
গ. সৌদি আরব
ঘ. ভেনিজুয়েলা
উত্তরঃ ভেনিজুয়েলা
ব্যাখ্যাঃ

১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ দক্ষিণ আমেরিকার তেলসমৃদ্ধ দেশ ভেনিজুয়েলার উদ্যোগে OPEC গঠন করা হয়। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৫টি। বর্তমান সদস্য ১৪টি। সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়।

ক. সিঙ্গাপুর
খ. মালয়েশিয়া
গ. থাইল্যান্ড
ঘ. দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তরঃ দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যাঃ

Association of South-East Asian Nations (ASEAN) প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ ব্যাংককে ৫টি দেশের সমন্বয়ে। ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৬ ইন্দোনেশিয়ার বালিতে প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান সদস্য ১০। এগুলো হচ্ছে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, ব্রুনেই, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বোডিয়া। ১৯৯৯ সালে কম্বোডিয়া আসিয়ানের দশম সদস্যপদ গ্রহণ করে।

ক. ওএইউ
খ. আরব লীগ
গ. জিসিসি
ঘ. ওএএস
উত্তরঃ জিসিসি
ব্যাখ্যাঃ

ওএইউ-এর পূর্ণরূপ হলো অর্গানাইজেশন অব আফ্রিকান ইউনিয়ন। জিসিসি হলো গালফ কো অপারেশন কাউন্সিল। জিসিসি কে পারস্য উপসাগরে আঞ্চলিক জোট বলা হয়। ওএএস হলো অর্গানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেটস। আরব লীগ আরব দেশগুলোর একটি সংগঠন।

ক. ভিয়েনা
খ. বন
গ. জেনেভা
ঘ. রোত
উত্তরঃ ভিয়েনা
ব্যাখ্যাঃ

আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় ২৯ জুলাই, ১৯৫৭। এটি জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত হয় ১৪ নভেম্বর ১৯৫৭। এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়।

ক. জেনারেল সুহার্তো
খ. রবার্ট মুগাবে
গ. জুলিয়াস নায়ারে
ঘ. ফিডেল ক্যাস্ট্রো
উত্তরঃ জুলিয়াস নায়ারে
ব্যাখ্যাঃ

বিশ্বের দক্ষিণের ২৮টি দেশ তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সমন্বয় সাধনের জন্য ১৯৮৬ সালে জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারেতে বৈঠক করে, যা ১৯৮৭ সালে ‘সাউথ কমিশন’ নামে সাংগঠনিক রূপ লাভ করে। তাঞ্জানিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস কে নায়ারে এ কমিশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে সাউথ কমিশনের পরিবর্তিত রূপ হলো সাইথ সেন্টার, যা আফ্রিকা, এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ৫৪টি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। এ সংগঠনের বর্তমান চেয়ারপার্সন থাবো মভায়েলা এমবেকি (দ. আফ্রিকা) ও নির্বাহী পরিচালক কার্লোস এম. কোরেয়া।

ক. একটি বাণিজ্যিক গোষ্ঠী
খ. পূর্ব আফ্রিকার একটি সংবাদ সংস্থা
গ. একটি বিমান সংস্থা
ঘ. একটি সামরিক চুক্তি
উত্তরঃ একটি বাণিজ্যিক গোষ্ঠী
ব্যাখ্যাঃ

আফটা (AFTA)-এর পূর্ণরূপ হলো ASEAN Free Trade Area। ১৯৯২ সালে ২৮ জানুয়ারি সিঙ্গাপুরে এটি স্বাক্ষরিত হয়। মালয়েশিয়া, থাইলান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া এ দশটি দেশ AFTA –এর সদস্য।

ক. W. Wilson
খ. Paul Harris
গ. Baden Powel
ঘ. H. Wilson
উত্তরঃ Paul Harris
ব্যাখ্যাঃ

২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯০৫ যুক্টরাষ্ট্রের শিকাগোতে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা মার্কিন আইনজীবী পল.পি. হ্যারিস।

ক. ১৯৮৪ সালে
খ. ১৯৮৭ সোলে
গ. ১৯৮৫ সালে
ঘ. ১৯৮৬ সালে
উত্তরঃ ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ

দক্ষিণ এশীয় সহযোগিতা সংস্থা সার্ক-এর প্রথম শীর্ষ বৈঠক ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ১৯তম সম্মেলন পাকিস্তানের অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়।

ক. ৩০
খ. ১৭
গ. ১৯
ঘ. ২৩
উত্তরঃ ১৭
ব্যাখ্যাঃ

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) তে ১৭টি অভীষ্ট রয়েছে।

২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে এই লক্ষ্যগুলো গৃহীত হয়। ২০৩০ সালের মধ্যে এই লক্ষ্যগুলো অর্জনের জন্য সদস্য দেশগুলো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ১৭টি লক্ষ্য হলো:

১. দারিদ্র্য বিলোপ
২. ক্ষুধা মুক্তি
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ
৪. গুণগত শিক্ষা
৫. লিঙ্গ সমতা
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি
৮. কর্ম ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
১০. বৈষম্য হ্রাস
১১. টেকসই নগর ও সম্প্রদায়
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম
১৪. জলজ জীবন
১৫. স্থলজ জীবন
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান
১৭. লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারিত্ব

ক. মস্কো
খ. সাংহাই
গ. ওয়াশিংটন
ঘ. দিল্লী
উত্তরঃ সাংহাই
ব্যাখ্যাঃ

নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (New Development Bank - NDB)-এর সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত।

ব্রিকস (BRICS) দেশগুলোর (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই ব্যাংকটি ২০১৫ সালে কার্যক্রম শুরু করে।

ক. ২৮ টি
খ. ১৭ টি
গ. ১৮ টি
ঘ. ২৭ টি
উত্তরঃ ২৭ টি
ব্যাখ্যাঃ

বর্তমানে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (EU) সদস্য সংখ্যা হলো ২৭টি

২০২০ সালের ৩১শে জানুয়ারি যুক্তরাজ্য (United Kingdom) ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার (ব্রেক্সিট) পর সদস্য সংখ্যা ২৮ থেকে ২৭-এ নেমে আসে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য দেশ হলো:

  1. অস্ট্রিয়া
  2. বেলজিয়াম
  3. বুলগেরিয়া
  4. ক্রোয়েশিয়া
  5. সাইপ্রাস
  6. চেক প্রজাতন্ত্র
  7. ডেনমার্ক
  8. এস্তোনিয়া
  9. ফিনল্যান্ড
  10. ফ্রান্স
  11. জার্মানি
  12. গ্রীস
  13. হাঙ্গেরি
  14. আয়ারল্যান্ড
  15. ইতালি
  16. লাটভিয়া
  17. লিথুয়ানিয়া
  18. লুক্সেমবার্গ
  19. মাল্টা
  20. নেদারল্যান্ডস
  21. পোল্যান্ড
  22. পর্তুগাল
  23. রোমানিয়া
  24. স্লোভাকিয়া
  25. স্লোভেনিয়া
  26. স্পেন
  27. সুইডেন

প্রশ্নঃ 'V-20' গ্রুপ কীসের সাথে সম্পর্কিত?

[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. জলবায়ু পরিবর্তন
খ. কৃষি উন্নয়ন
গ. দারিদ্র বিমোচন
ঘ. মানবাধিকার
উত্তরঃ জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যাঃ

'V-20' গ্রুপটি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর সাথে সম্পর্কিত।

V-20 এর পূর্ণরূপ হলো "Vulnerable Twenty" বা "বিশটি ঝুঁকিপূর্ণ দেশ"। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি জোট। এই দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, যেমন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, চরম আবহাওয়ার ঘটনা, খরা, বন্যা ইত্যাদির কারণে ব্যাপক অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

V-20 গ্রুপের মূল লক্ষ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক পদক্ষেপের জন্য চাপ সৃষ্টি করা, জলবায়ু অর্থায়নে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা। এটি কপ (COP) সম্মেলনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে তাদের যৌথ কণ্ঠস্বর তুলে ধরে।

প্রশ্নঃ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGS) কয়টি?

[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. ১৭
খ. ১৮
গ. ১৯
ঘ. ২১
উত্তরঃ ১৭
ব্যাখ্যাঃ

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Sustainable Development Goals - SDGs) ১৭টি

এই লক্ষ্যমাত্রাগুলো জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো দ্বারা ২০১৫ সালে গৃহীত হয়েছিল এবং ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলোর উদ্দেশ্য হলো দারিদ্র্য দূরীকরণ, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং সকল মানুষের জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

প্রশ্নঃ SDG জাতিসংঘের কততম সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়?

[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ৫৫ তম
খ. ৭০ তম
গ. ৭২ তম
ঘ. ৭৩ তম
উত্তরঃ ৭০ তম
ব্যাখ্যাঃ

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সত্ত্বরতম (70th) সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে গৃহীত হয়। এই অধিবেশনে "Transforming our world: the 2030 Agenda for Sustainable Development" শীর্ষক একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়, যার মাধ্যমে ১৭টি এসডিজি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করে।

প্রশ্নঃ NATO কোন ধরনের জোট?

[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. অর্থনৈতিক
খ. পরিবেশগত
গ. রাজনৈতিক
ঘ. সামরিক
উত্তরঃ সামরিক
ক. নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্য
খ. সুইডেন ও বেলজিয়াম
গ. নিউজিল্যান্ড ও ডেনমার্ক
ঘ. ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্য
উত্তরঃ ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্য
ক. ২০১৯
খ. ২০২০ সালে
গ. ২০২১ সালে
ঘ. ২০২২ সালে
উত্তরঃ ২০২২ সালে

প্রশ্নঃ G-৪ এর একমাত্র এশীয় দেশ কোনটি?

[ ১২তম শি. (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. কোরিয়া
খ. জাপান
গ. চীন
ঘ. মালয়েশিয়া
উত্তরঃ জাপান

প্রশ্নঃ সার্ক কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?

[ ১১তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ১৯৭৫
খ. ১৯৮৫
গ. ১৯৮৭
ঘ. ১৯৯৭
উত্তরঃ ১৯৮৫

প্রশ্নঃ কমনওয়েলথ কোন ধরনের দেশসমূহ নিয়ে গঠিত?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১৪-০৭-২০০৬ ]

ক. স্বল্প উন্নত দেশসমূহ
খ. ইংরেজ শাসন হতে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দেশসমূহ
গ. তেল উৎপাদনকারী দেশসমূহ
ঘ. এশিয়া ও ইউরোপের দেশসমূহ
উত্তরঃ ইংরেজ শাসন হতে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত দেশসমূহ
ক. সুইডেন
খ. রাশিয়া
গ. জাপান
ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
উত্তরঃ সুইডেন

প্রশ্নঃ জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা নয় কোনটি?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০৪-২০১৮ ]

ক. বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা
খ. আর্ন্তজাতিক রেডক্রস
গ. বিশ্ব খাদ্য সংস্থা
ঘ. আর্জাতিক আদালত
উত্তরঃ আর্ন্তজাতিক রেডক্রস

প্রশ্নঃ ব্রিকস এর মূলমন্ত্র কি?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৯-১০-২০১৬ ]

ক. সদস্য দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি
খ. সন্ত্রাস দমনে একে অপরের সহযোগিতা
গ. সদস্য দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধি
ঘ. সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান
উত্তরঃ সদস্য দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি

প্রশ্নঃ কোন দেশটি BIMSTEC-এর সদস্য নয়?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৯-১০-২০১৬ ]

ক. বাংলাদেশ
খ. পাকিস্তান
গ. ভারত
ঘ. থাইল্যান্ড
উত্তরঃ পাকিস্তান

প্রশ্নঃ NAFTA-এর সদস্য সংখ্যা কত?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৯-১০-২০১৬ ]

ক. ১
খ. ৩
গ. ৪
ঘ. ৮
উত্তরঃ ৩
ক. কানাডা
খ. ভারত
গ. জাপান
ঘ. ইতালি
উত্তরঃ ভারত

প্রশ্নঃ ANZUS কোন ধরনের সংগঠন?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৯-০৪-২০১৪ ]

ক. সামরিক
খ. আঞ্চলিক
গ. অর্থনৈতিক
ঘ. রাজনৈতিক
উত্তরঃ সামরিক
ক. উগান্ডা
খ. নাইজেরিয়া
গ. লেবানন
ঘ. নাইজার
উত্তরঃ উগান্ডা

প্রশ্নঃ কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হয় কত বছর পর পর?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-১১-২০১৩ | প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৯-০৪-২০১৩ ]

ক. ২ বছর
খ. ৩ বছর
গ. ৪ বছর
ঘ. ৫ বছর
উত্তরঃ ৪ বছর
ক. জেদ্দা
খ. রিয়াদ
গ. মক্কা
ঘ. দামাস্ক
উত্তরঃ জেদ্দা

প্রশ্নঃ 'সার্ক' কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-০৪-২০১৩ ]

ক. ১৯৭৫
খ. ১৯৮৫
গ. ১৯৮৭
ঘ. ১৯৯০
উত্তরঃ ১৯৮৫

প্রশ্নঃ সার্কের বর্তমান মহাসচিব কোন দেশের?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৮-০২-২০১২ ]

ক. নেপাল
খ. পাকিস্তান
গ. ভুটান
ঘ. বাংলাদেশ
উত্তরঃ বাংলাদেশ

প্রশ্নঃ কমনওয়েলথ গেমস কত বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৯-১২-২০১১ ]

ক. ২ বছর
খ. ৪ বছর
গ. ৩ বছর
ঘ. ৫ বছর
উত্তরঃ ৪ বছর

প্রশ্নঃ `আইএলও` এর সদর দফতর কোথায়?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৮-১২-২০১১ ]

ক. প্যারিস
খ. জেনেভা
গ. নিউইয়র্ক
ঘ. এর কোনোটিই নয়
উত্তরঃ জেনেভা
ক. ASEAN
খ. SAFTA
গ. WTO
ঘ. EU
উত্তরঃ EU

প্রশ্নঃ সার্কের সচিবালয় কোথায় অবস্থিত?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৮-০১-২০১০ ]

ক. দিল্লি
খ. কাঠমান্ডু
গ. ঢাকা
ঘ. কলম্বো
উত্তরঃ কাঠমান্ডু
ক. দিল্লি, ভারত
খ. ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
গ. কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
ঘ. ঢাকা, বাংলাদেশ
উত্তরঃ দিল্লি, ভারত
ক. ৬১ তম
খ. ৬২ তম
গ. ৬৩ তম
ঘ. ৬৭ তম
উত্তরঃ ৬৭ তম

প্রশ্নঃ UNICEF এর সদর দফতর কোথায়?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৪-০৯-২০০৭ ]

ক. নিউইয়র্ক
খ. জেনেভা
গ. ওয়াশিংটন
ঘ. রোম
উত্তরঃ নিউইয়র্ক

প্রশ্নঃ কোন দেশটি আরব লীগের সদস্য নয়?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৩-০৯-২০০৭ ]

ক. ইরাক
খ. সৌদি আরব
গ. ইরান
ঘ. কাতার
উত্তরঃ ইরান

প্রশ্নঃ রয়টার্স' একটি-

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০১-১২-২০০৬ ]

ক. সংবাদপত্র
খ. সংবাদ সংস্থা
গ. ক্লাব
ঘ. কাবা
উত্তরঃ সংবাদ সংস্থা

প্রশ্নঃ আরব লীগের সদর দফতর-

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৫-০৮-২০০৫ ]

ক. তিউনিস
খ. জেদ্দা
গ. ইরাক
ঘ. কায়রো
উত্তরঃ কায়রো

প্রশ্নঃ ইন্টারপোল বলতে কি বোঝায়?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২২-০৮-২০০৫ ]

ক. টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা
খ. আন্তর্জাতিক পুলিশ সংগঠন
গ. পুলের সমস্ত অংশ
ঘ. ইন্টারনেটের যোগাযোগ মাধ্যম
উত্তরঃ আন্তর্জাতিক পুলিশ সংগঠন
ক. কিউবা
খ. ফিলিস্তিন
গ. ইরান
ঘ. চীন
উত্তরঃ কিউবা
ক. IMF
খ. WTO
গ. NATO
ঘ. OIC
উত্তরঃ WTO

প্রশ্নঃ G-7 এর একমাত্র এশীয় দেশ কোনটি?

[ ১৫তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

ক. চীন
খ. বার্মা
গ. ভারত
ঘ. জাপান
উত্তরঃ জাপান

প্রশ্নঃ UNHCR এর সদর দপ্তর কোথায়?

[ ১৫তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

ক. জেনেভা
খ. ভিয়েনা
গ. ভেনেজুয়েলা
ঘ. দুবাই
উত্তরঃ জেনেভা

প্রশ্নঃ OPEC এর সচিবালয় কোথায় অবস্থিত?

[ ১৫তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

ক. ভিয়েনা
খ. লিবিয়া
গ. কাতার
ঘ. কুয়েত
উত্তরঃ ভিয়েনা