আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

প্রশ্নঃ WIPO এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?

[ বিসিএস ৪২তম ]

ক. জেনেভা
খ. রোম
গ. নিউইয়র্ক
ঘ. ওয়াশিংটন ডিসি
উত্তরঃ জেনেভা
ব্যাখ্যাঃ

WIPO এর পূর্ণরূপ হল World Intellectual Property Organization (বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা)। এটি জাতিসংঘের ১৫টি বিশেষায়িত সংস্থার মধ্যে একটি। ১৯৬৭ সালের WIPO কনভেনশন অনুসারে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে মেধা সম্পদের (যেমন: উদ্ভাবন, ট্রেডমার্ক, শিল্প নকশা, কপিরাইট ইত্যাদি) প্রচার ও সুরক্ষার জন্য এই সংস্থাটি গঠিত হয়েছে। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে অবস্থিত।

WIPO এর প্রধান কাজগুলো হলো:

  • আন্তর্জাতিক মেধাসম্পদ আইনের উন্নয়ন ও সমন্বয় করা।
  • মেধাসম্পদ সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং নীতি প্রণয়ন করা।
  • সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে মেধাসম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য কারিগরি সহায়তা প্রদান করা।
  • মেধাসম্পদ সংক্রান্ত তথ্য ও পরিসংখ্যা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করা।
  • বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মেধাসম্পদ সুরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করা, যেমন:
    • প্যাটেন্ট কো-অপারেশন ট্রিটি (PCT): আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্যাটেন্ট পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করে।
    • মাদ্রিদ সিস্টেম: একযোগে বহু দেশে ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের সুযোগ সৃষ্টি করে।
    • হেগ সিস্টেম: আন্তর্জাতিক শিল্প নকশা নিবন্ধনের ব্যবস্থা করে।
    • লিসবন সিস্টেম: উৎপত্তির ভৌগোলিক চিহ্নের সুরক্ষার জন্য কাজ করে।
  • মেধাসম্পদ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিকল্প উপায় সরবরাহ করা, যেমন মধ্যস্থতা ও সালিশ।
  • মেধাসম্পদের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা।

বর্তমানে ১৯৩টি রাষ্ট্র WIPO এর সদস্য। ফিলিস্তিনের পর্যবেক্ষকের মর্যাদা রয়েছে। WIPO বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি পরিচালনা করে এবং নীতি নির্ধারণী ফোরাম হিসেবে কাজ করে, যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলো তাদের মেধাসম্পদ সংক্রান্ত নীতি নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সংস্থাটি বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে মেধাসম্পদ বিষয়ে জ্ঞান এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে।