আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 মুহম্মদ আবদুল হাই
 মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
 মুনীর চৌধুরী
 মুহম্মদ এনামুল হক
ব্যাখ্যাঃ

‘ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন মুহাম্মদ আবদুল হাই

তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ। বাংলা ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব নিয়ে তার গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 তন্ময়
 মন্ময়
 মৃন্ময়
 চিন্ময়
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো গঃ মৃন্ময়

'মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি' - এই কথাটিকে এক শব্দে প্রকাশ করলে হয় মৃন্ময়

অন্যান্য বিকল্পগুলোর অর্থ:

  • কঃ তন্ময়: কোনো বিষয়ে গভীরভাবে মগ্ন বা লীন।
  • খঃ মন্ময়: মন থেকে উৎপন্ন বা আমার মন সংক্রান্ত।
  • ঘঃ চিন্ময়: জ্ঞানময় বা চৈতন্যস্বরূপ।

৩. কোনটি ‘জিগীষা’র ?

[ বিসিএস ৪৪তম ]

 জানিবার ইচ্ছা
 জয় করিবার ইচ্ছা
 হনন করিবার ইচ্ছা
 যুদ্ধ করিবার ইচ্ছা
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো খঃ জয় করিবার ইচ্ছা

‘জিগীষা’ শব্দের অর্থ হলো জয় করার প্রবল ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা।

 কহ্
 কথ্‌
 বুধ্‌
 গঠ্‌
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা ধাতুগুলো হচ্ছে: আঁক্‌, কহ্‌, কাট্‌, কর্‌, কাঁদ্, কিন্, খা, গড়্, ঘষ্, দেখ্, ধর্, পড়, বাঁধ্, বুঝ্, রাখ্, শুন্, থাক্, হাস্।

সংস্কৃত ধাতু হলো: অঙ্ক্, কথ্, কৃৎ, কৃ, ক্রন্দ্, ক্রী, খাদ্, গঠ্, ঘৃষ্, দৃশ্, ধৃ, পঠ্, বন্ধ্, বুধ্, র্‌ক্ষ, শ্রু, স্থা, হস্‌।

 তেজি কুমিরকে রুখে দিই
 বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল
 গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়
 ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো গঃ গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়

ব্যাখ্যা:

বাংলার প্রচলিত প্রবাদের মধ্যে "রুখের তেন্তুলি কুমীরে খাই" একটি পরিচিত প্রবাদ।

  • "রুখ" বলতে এখানে গাছ বোঝানো হয়েছে।
  • "তেন্তুলি" হলো তেঁতুল
  • "কুমীরে খাই" অর্থাৎ কুমির তেঁতুল খেয়ে ফেলে

এই প্রবাদটি সাধারণত অনিরাপদ বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে সম্পদ হারানোর বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন, অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতিতে মূল্যবান জিনিস নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

 জীবননাশের ইচ্ছা
 বেঁচে থাকার ইচ্ছা
 জীবনকে জানার ইচ্ছা
 জীবন-জীবিকার পথ
ব্যাখ্যাঃ

‘জিজীবিষা’ শব্দটির অর্থ খঃ বেঁচে থাকার ইচ্ছা

অন্যান্য বিকল্পগুলোর অর্থ হলো:

  • কঃ জীবননাশের ইচ্ছা: এর অর্থ হবে 'জিঘাংসা' (যদিও জিঘাংসা সাধারণত হত্যার ইচ্ছাকে বোঝায়)।
  • গঃ জীবনকে জানার ইচ্ছা: এর কাছাকাছি অর্থ হতে পারে 'জিজ্ঞাসা' (জানার আগ্রহ)।
  • ঘঃ জীবন-জীবিকার পথ: এর সাথে 'জিজীবিষা' শব্দের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।

সুতরাং, 'জিজীবিষা' মানে হলো প্রবলভাবে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা বা ইচ্ছা।

 ন্যায়বাগীশ
 নৈয়ায়িক
 ন্যায়পাল
 ন্যায়ঋগ্ধ
ব্যাখ্যাঃ

যিনি ন্যায় শাস্ত্র জানেন তাঁকে খঃ নৈয়ায়িক বলা হয়।

  • ন্যায়বাগীশ: যিনি বাগ্মী এবং যুক্তিনিষ্ঠ, ভালোভাবে কথা বলতে পারেন।
  • ন্যায়পাল: জনগণের অভিযোগ তদন্তকারী সরকারি কর্মকর্তা (Ombudsman)।
  • ন্যায়ঋগ্ধ: এমন কোনো শব্দ বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে বলে আমার জানা নেই। সম্ভবত এটি একটি ভুল শব্দ।

সুতরাং, ন্যায় শাস্ত্রের পণ্ডিতকে নৈয়ায়িক বলা হয়।

 বাংলা
 সংস্কৃত
 হিন্দি
 অস্ট্রিক
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা আদি অধিবাসীগণ মূলত অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিলেন।

প্রাচীন বাংলায় বসবাসকারী বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর মধ্যে অস্ট্রিক ভাষাগোষ্ঠীর লোকেরাই প্রথম বসতি স্থাপনকারী বলে মনে করা হয়। এই ভাষাগোষ্ঠীর লোকেরা মূলত অস্ট্রো-এশিয়াটিক ভাষাপরিবারের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন ভাষায় কথা বলত। সাঁওতাল, মুন্ডা, কোল, ভীল প্রভৃতি জনগোষ্ঠীর মধ্যে এখনও এই ভাষার কিছু প্রভাব দেখা যায়।

পরবর্তীতে দ্রাবিড় এবং তিব্বত-বর্মী ভাষাগোষ্ঠীর লোকেরাও বাংলায় আগমন করে এবং তাদের ভাষার প্রভাবও বাংলা ভাষায় মিশে যায়। তবে, ভাষাতাত্ত্বিকদের মতে, বাংলা ভাষার গঠনে অস্ট্রিক ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি রয়েছে।

 অকাজ
 আবছায়া
 আলুনি
 নিখুঁত
ব্যাখ্যাঃ

অভাব অর্থে আ উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ: আকাঁড়া, আধোয়া, আলুনি।

 বিরামহীন
 বালিশ
 চলন
 সুন্দর
ব্যাখ্যাঃ

‘অভিরাম’ শব্দের অর্থ সুন্দর

অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ:

  • বিরামহীন: যা থামে না বা বিরতিহীনভাবে চলে।
  • বালিশ: শোয়ার সময় মাথা বা ঘাড়ের নিচে রাখার নরম বস্তু।
  • চলন: চলার ভঙ্গি বা প্রক্রিয়া।
 জয়ের ইচ্ছা
 হত্যার ইচ্ছা
 বেঁচে থাকার ইচ্ছা
 শোনার ইচ্ছা
ব্যাখ্যাঃ

‘জিজীবিষা’ শব্দটি দিয়ে বেঁচে থাকার ইচ্ছা বোঝায়।

এটি একটি এক কথায় প্রকাশ যা দীর্ঘকাল ধরে বেঁচে থাকার প্রবল আকাঙ্ক্ষাকে নির্দেশ করে।

 বেতসবৃত্তি
 পতঙ্গবৃত্তি
 জলৌকাবৃত্তি
 কুম্ভিলকবৃত্তি
ব্যাখ্যাঃ

অন্যের রচনা থেকে চুরি করাকে বলা হয় কুম্ভিলকবৃত্তি

'কুম্ভিলক' শব্দের অর্থ হলো চোর বা অপহরণকারী। 'কুম্ভিলকবৃত্তি' বলতে সাহিত্য বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে চৌর্যবৃত্তিকে বোঝানো হয়।

 টিকটিকি
 তেলেপোকা
 উইপোকা
 মাকড়সা
ব্যাখ্যাঃ

‘ঊর্ণনাভ’ শব্দটি দিয়ে মাকড়সা বোঝায়।

সংস্কৃত শব্দ 'ঊর্ণনাভ' মাকড়সার প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

 র্ভৎসনাপ্রাপ্ত তরুণী
 যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে
 ভূমিতে প্রোথিত তরুমূল
 যে বিবাহিতা নারী পিত্রালয়ে অবস্থান করে
ব্যাখ্যাঃ

'প্রোষিতভর্তৃকা'- শব্দটির অর্থ হলো যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে

সংস্কৃত ভাষায় 'প্রোষিত' মানে প্রবাসী বা বিদেশে অবস্থানকারী এবং 'ভর্তৃকা' মানে স্ত্রী বা পত্নী। সুতরাং, 'প্রোষিতভর্তৃকা' সেই নারীকে বোঝায় যার স্বামী জীবিকা বা অন্য কোনো কারণে বিদেশে থাকেন।

 অর্ণব
 অর্ক
 প্রসূন
 পলব
ব্যাখ্যাঃ

'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অর্ক

ব্যাখ্যা:

  • কঃ অর্ণব: এর অর্থ সমুদ্র বা সাগর।
  • খঃ অর্ক: এটি সূর্যের একটি প্রতিশব্দ।
  • গঃ প্রসূন: এর অর্থ ফুল।
  • ঘঃ পলব: এর অর্থ পাতা বা নতুন পাতা।
 হ্ + ম
 ক্ + ষ
 ষ্ + ম
 ম্ + হ
ব্যাখ্যাঃ

'হ্ম' যুক্তবর্ণটি 'হ্' (হ) এবং 'ম' (ম) বর্ণ দুটির সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।

  • খঃ ক্ + ষ: এই দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে গঠিত হয় ক্ষ যুক্তবর্ণ। যেমন: ক্ষমা, পক্ষ, শিক্ষা।
  • গঃ ষ + ম: এই দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে গঠিত হয় ষ্ম যুক্তবর্ণ। যেমন: গ্রীষ্ম, উষ্মা, ভস্ম।
  • ঘঃ ম্ + হ: এই দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে গঠিত হয় ম্হ যুক্তবর্ণ। এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয় না, কারণ 'হ' এর সাথে 'ম' যুক্ত হলে 'হ্ম' (হ্ + ম) হয়। বাংলায় 'ম্হ' এর প্রচলন নেই।
 উৎকর্ষতা
 অপকর্ষ
 উৎকর্ষ
 অপকর্ষতা
ব্যাখ্যাঃ

'প্রকর্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ হলো উৎকর্ষ

ব্যাখ্যা:

  • প্রকর্ষ অর্থ হলো উন্নতি, শ্রেষ্ঠতা, চরম উৎকর্ষ, বা উৎকৃষ্টতা।
  • উৎকর্ষ অর্থও হলো উন্নতি, শ্রেষ্ঠতা, বা উৎকৃষ্টতা। এই দুটি শব্দ প্রায়শই একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য বিকল্পগুলো হলো:

  • কঃ উৎকর্ষতা: এটি 'উৎকর্ষ' শব্দের একটি বিশেষ্য রূপ, যার অর্থ 'উৎকর্ষের অবস্থা'। যদিও অর্থের দিক থেকে কাছাকাছি, 'উৎকর্ষ' সরাসরি 'প্রকর্ষ'-এর সমার্থক।
  • খঃ অপকর্ষ: এর অর্থ হলো অবনতি, অধোগতি বা নিকৃষ্টতা। এটি 'প্রকর্ষ' বা 'উৎকর্ষ'-এর বিপরীত শব্দ।
  • ঘঃ অপকর্ষতা: এটি 'অপকর্ষ' শব্দের একটি বিশেষ্য রূপ, যার অর্থ 'অপকর্ষের অবস্থা'। এটিও বিপরীতার্থক।

সুতরাং, সবচেয়ে সঠিক সমার্থক শব্দটি হলো গঃ উৎকর্ষ

 উপমিত
 উপমান
 উপমেয়
 রূপক
ব্যাখ্যাঃ

'উপমান' শব্দের অর্থ 'তুলনীয় বস্তু'। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে অন্য কোনো পরোক্ষ বস্তুর তুলনা করা হলে ঐ প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে 'উপমেয়' বলা হয়। পক্ষান্তরে , যার সাথে উপমা দেয়া হয় বা তুলনা করা হয় তাকে 'উপমান' বলে। যেমন - 'পদ্মআঁখি' শব্দটিতে পদ্মের সাথে আঁখির উপমা দেয়া হয়েছে। সুতরাং 'পদ্ম' উপমান এবং আঁখি' উপমেয়। 'উপমান' ও 'উপমেয়' পদের সমাস হলে যদি উপমেয়ের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয় তাকে উপমিত সমাস হলে। যেমন - পুরুষ সিংহের ন্যায় = পুরুষসিংহ এবং যে স্থলে উপমান ও উপমেয় সমাস হয়েছে এবং উভয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে তাকে রূপক সমাস বলে। যেমন- ফুল রূপ কুমারী = ফুলকুমারী।

 নিদাঘ
 নশ্বর
 নষ্টমান
 বিনশ্বর
ব্যাখ্যাঃ

‘নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার’-এর এককথায় প্রকাশ হবে নশ্বর। নশ্বর-এর অপর অর্থ হলো নাশশীল, অনিত্য বা অস্থায়ী। অন্যদিকে নিদাঘ অর্থ গ্রীষ্মকাল বা উত্তাপ, নষ্টমান অর্থ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে যা এবং বিনশ্বর অর্থ বিনাশধর্মী বা অনিত্য।

 সমক্ষ
 পরোক্ষ
 প্রত্যক্ষ
 নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যাঃ

‘অক্ষির সমীপে’ -এর সংক্ষেপণ হলো সমক্ষ। অন্যদিকে, ‘অক্ষির সম্মুখে’ হলো প্রত্যক্ষ, ‘অক্ষির অগোচরে’ হলো পরোক্ষ এবং ‘পক্ষপাতহীন বা মুখাপেক্ষী নয় এমন’ হলো নিরপেক্ষ।

 ক্লান্তিহীন
 অক্লান্ত
 অক্লান্তকর্মী
 অবিশ্রাম
ব্যাখ্যাঃ

কর্মে যাহার ক্লান্তি নেই- অক্লান্তকর্মী, ক্লান্তি নেই যার- অক্লান্ত।

 অনতিক্রম্য
 অলঙ্ঘ্য
 দূরতিক্রম্য
 দুর্গম
ব্যাখ্যাঃ

যা অতিক্রম করা যায় না- অনতিক্রম্য; যা লঙ্ঘন করা যায় না- অলঙ্ঘ্য; যা সহজে অতিক্রম করা যায় না- দূরতিক্রম্য; যেখানে সহজে গমন করা যায় না- দুর্গম।

 সমক্ষ
 পরোক্ষ
 প্রত্যক্ষ
 নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যাঃ

সমক্ষ = অক্ষির সমীপে বা চোখের সম্মুখে; পরোক্ষ= অক্ষির অগোচরে, অক্ষির সমক্ষে বর্তমান = প্রত্যক্ষ

২৪. যা চিরস্থায়ী নয়–

[ বিসিএস ১৬তম ]

 অস্থায়ী
 ক্ষণিক
 ক্ষণস্থায়ী
 নশ্বর
ব্যাখ্যাঃ

যা চিরস্থায়ী নয় = নশ্বর, যা স্থায়ী নয় = অস্থায়ী, যা ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী = ক্ষণস্থায়ী।

 অপূর্ব
 অদৃষ্টপূর্ব
 অভূতপূর্ব
 ভূতপূর্ব
ব্যাখ্যাঃ

যা পূর্বে দেখা যায়নি- অদৃষ্টপূর্ব; যা পূর্বে কখনো ঘটেনি- অভূতপূর্ব; যা পূর্বে ছিল এখন নেই- ভূতপূর্ব।

 অউক্ত
 অব্যক্ত
 অনুক্ত
 অব্যাক্ত
ব্যাখ্যাঃ

যা প্রকাশ করা হয়নি- অব্যক্ত।

 ক্ষমার্হ
 ক্ষমাপ্রার্থী
 ক্ষমা
 ক্ষমাপ্রদ