আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 অমাবস্যা
 গলাধাক্কা দেওয়া
 কাছে টানা
 কাস্তে
ব্যাখ্যাঃ

‘অর্ধচন্দ্র’ কথাটির অর্থ খঃ গলাধাক্কা দেওয়া

বাংলায় ‘অর্ধচন্দ্র দেওয়া’ একটি বাগধারা, যার অর্থ হলো ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া বা বিদায় করা।

অন্যান্য বিকল্পগুলোর অর্থ:

  • কঃ অমাবস্যা: চাঁদের কৃষ্ণপক্ষ বা যখন চাঁদ দেখা যায় না।
  • গঃ কাছে টানা: আকর্ষণ করা বা নিকটে আনা।
  • ঘঃ কাস্তে: ধান বা ঘাস কাটার জন্য ব্যবহৃত বাঁকানো লোহার ফলাযুক্ত হাতলবিশিষ্ট কৃষি সরঞ্জাম।
 স্রোত
 ভেড়া
 একত্র
 ভাসা
ব্যাখ্যাঃ

‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ বাগধারায় ‘গড্ডল’ শব্দের অর্থ খঃ ভেড়া

‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ বাগধারাটির অর্থ হলো অন্ধ অনুকরণ বা স্রোতের গা ভাসিয়ে চলা। ভেড়া যেমন পালের অন্য ভেড়ার অনুসরণ করে চলে, তেমনই কোনো বিচার-বিবেচনা না করে অন্যের দেখানো পথে চলাকেই গড্ডলিকা প্রবাহ বলা হয়।

 পর্তুগিজ
 ফরাসি
 আরবি
 ফারসি
ব্যাখ্যাঃ

‘আসমান’ শব্দটি ঘঃ ফারসি ভাষা থেকে আগত।

ফারসি ভাষায় ‘আসমান’ অর্থ আকাশ। বাংলা ভাষায় শব্দটি অপরিবর্তিত অর্থে ব্যবহৃত হয়।

 রামায়ণের সাত পর্ব
 রামায়ণে বর্ণিত বৃক্ষ
 রামায়ণে বর্ণিত সাতটি সমুদ্র
 বৃহৎ বিষয়
ব্যাখ্যাঃ

‘সপ্তকাণ্ড রামায়ণ’ বাগধারার অর্থ ঘঃ বৃহৎ বিষয়

রামায়ণ সাতটি কাণ্ডে (পর্বে) বিভক্ত একটি বিশাল মহাকাব্য। সেই কারণে, কোনো বড় বা বিস্তৃত বিষয় বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।

 অসহায়ত্ব
 বিরক্তি
 কালের বিস্তার
 পৌনঃপুনিকতা
ব্যাখ্যাঃ

‘ডেকে ডেকে হয়রান হচ্ছি।’-এ বাক্যে ‘ডেকে ডেকে’ ঘঃ পৌনঃপুনিকতা অর্থ প্রকাশ করে।

পৌনঃপুনিকতা মানে হলো কোনো কাজ বারবার করা বা পুনরাবৃত্তি হওয়া। এখানে ‘ডেকে ডেকে’ বোঝানো হচ্ছে যে কাজটি বার বার করা হয়েছে, যার ফলে বক্তা হয়রান বা ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।

অন্যান্য বিকল্পগুলো এই বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়:

  • কঃ অসহায়ত্ব: বাক্যটিতে অসহায়ত্বের ভাব থাকতে পারে, তবে ‘ডেকে ডেকে’ সরাসরি সেই অর্থ প্রকাশ করে না।
  • খঃ বিরক্তি: কাজটি বারবার করার ফলে বক্তার মধ্যে বিরক্তি সৃষ্টি হতে পারে, কিন্তু ‘ডেকে ডেকে’ শব্দবন্ধটি বিরক্তির মূল অর্থ বহন করে না।
  • গঃ কালের বিস্তার: ‘ডেকে ডেকে’ সময়ের দীর্ঘতা বোঝাতে পারে বটে, তবে এর প্রধান অর্থ হলো কাজটি বারবার করা।
 সুসময়ের বন্ধু
 সুসময়ের সঞ্চয়
 শরতের শোভা
 শরতের শিউলি ফুল
ব্যাখ্যাঃ

শরতের শিশির বাগধারার অর্থ হলো সুসময়ের বন্ধু

শরতের শিশির যেমন ক্ষণস্থায়ী এবং সকালের রোদে মিলিয়ে যায়, তেমনি সুসময়ের বন্ধুরা স্বার্থের কারণে কাছে আসে এবং খারাপ সময়ে দূরে চলে যায়। তাই এই বাগধারাটি সেইসব বন্ধুদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যারা শুধু ভালো সময়েই পাশে থাকে।

 শিবরাত্রির আলো
 একমাত্র সঞ্চয়
 একমাত্র সন্তান
 শিবরাত্রির গুরুত্ব
ব্যাখ্যাঃ

'শিব রাত্রির সলতে' বলতে বুঝায়- পিতা মাতার এক মাত্র জীবিত সন্তান , এক মাত্র সন্তান, এক মাত্র অবলম্বন, একমাত্র বংশধর।

 চৈত্র সংক্রান্তি
 পৌষ সংক্রান্তি
 শিরে সংক্রান্তি
 শিব-সংক্রান্তি
ব্যাখ্যাঃ

প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে শিরে সংক্রান্তি হলো একটি বাগধারা।

  • শিরে সংক্রান্তি বাগধারাটির অর্থ হলো: মহাবিপদ, আসন্ন বিপদ, ঘোর বিপদ বা মারাত্মক ঝামেলা।

অন্যান্য বিকল্পগুলো হলো উৎসব বা নির্দিষ্ট দিনের নাম:

  • চৈত্র সংক্রান্তি: বাংলা বছরের শেষ দিন, যা একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব।
  • পৌষ সংক্রান্তি: বাংলা পঞ্জিকার পৌষ মাসের শেষ দিন, যা মকর সংক্রান্তি নামেও পরিচিত এবং একটি উৎসব।
  • শিব-সংক্রান্তি: এই নামে কোনো পরিচিত বাগধারা বা উৎসব নেই। সম্ভবত এটি অন্য কোনো শব্দবন্ধের ভুল রূপ।
 জাত
 গৈরিক
 উদ্ধত
 গাম্ভীর্য
ব্যাখ্যাঃ

"বিশেষ্য পদ" হলো যা দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, গুণ, ধারণা বা অবস্থার নাম বোঝায়।

প্রদত্ত বিকল্পগুলো বিশ্লেষণ করি:

  • কঃ জাত: এটি একটি বিশেষণ পদ। যেমন: "জাত শিল্পী" (যে শিল্পী জন্মগতভাবে শিল্পী বা বিশেষ গুণে সম্পন্ন)।
  • খঃ গৈরিক: এটি একটি বিশেষণ পদ। গৈরিক অর্থ গিরিমাটির মতো লাল বর্ণ বা গিরিমাটি সংক্রান্ত। যেমন: "গৈরিক বস্ত্র" (গিরিমাটির রঙের বস্ত্র)।
  • গঃ উদ্ধত: এটি একটি বিশেষণ পদ। উদ্ধত অর্থ অহংকারী, বেয়াদব বা অহংকারে ভরা। যেমন: "উদ্ধত আচরণ" (বেয়াদবিপূর্ণ আচরণ)।
  • ঘঃ গাম্ভীর্য: এটি একটি বিশেষ্য পদ। গাম্ভীর্য অর্থ গভীরতা, গাম্ভীর্যপূর্ণ অবস্থা বা গম্ভীর ভাব। এটি 'গম্ভীর' (বিশেষণ) থেকে উৎপন্ন একটি বিশেষ্য পদ।

সুতরাং, নিচের শব্দগুলোর মধ্যে গাম্ভীর্য হলো বিশেষ্য পদ।

সঠিক উত্তর: ঘঃ গাম্ভীর্য

 কপট ব্যক্তি
 ঘনিষ্ঠ সস্পর্ক
 হতভাগ্য
 মোসাহেব
ব্যাখ্যাঃ

‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারার অর্থ হলো যে ব্যক্তি তোষামোদ করে বা মোসাহেবি করে।

 ভূমিকা করা
 হিসাব-নিকাশ
 অসম্ভব বস্তু
 বাড়াবাড়ি করা
ব্যাখ্যাঃ

'গাছপাথর' বাগধারাটির অর্থ হলো হিসাব-নিকাশ। যেমন, "সবকিছুতে এত গাছপাথর করলে তো চলে না।"

 স্বভাব নষ্ট করা
 স্পর্ধা বাড়া
 ফাঁকি দেওয়া
 কোনো উপায়ে
ব্যাখ্যাঃ

একই শব্দকে বিভিন্ন বাক্যে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার করা যায়। উপরিউক্ত বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটি ‘ফাঁকি দেয়া’ অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। ‘মাথা’ শব্দটির আরো কিছু ব্যবহার হলো অঙ্গবিশেষ তার মাথার চুল কাল। জ্ঞান-ছাত্রটির অংকে ভালো মাথা আছে। মনের অবস্থা-রাগের মাথায় কোনো কাজ করা ঠিক নয়। দিব্যি দেয়া-মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুল করো না। আস্কারা পাওয়া-ছেলেটি আদর পেয়ে একেবারে মাথায় উঠেছে।

 কাল্পনিক জন্তু
 গোমড়ামুখো লোক
 মুরগি
 পুরাণোক্ত পাখি
ব্যাখ্যাঃ

‘রামগরুড়ের ছানা’ কথাটির অর্থ হলো একজন মানুষ যিনি সব সময় বিরক্ত, দুঃখী এবং অসন্তুষ্ট থাকেন। এটি একটি সাধারণ বাগধারা যা কাউকে হাস্যকরভাবে বর্ণনা করতে ব্যবহার করা হয় যারা প্রায়শই আনন্দহীন এবং বিষণ্ণ।

১৪. ‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ বাগধারাটির অর্থ-

[ বিসিএস ২৩তম | প্রা. প্র. শি. নি.০৮-১০-২০১২ ]

 তীরে পৌঁছার ঝক্কি
 সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
 মুমূর্ষু অবস্থা
 আসন্ন বিপদ
ব্যাখ্যাঃ

‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ বাগধারাটির অর্থ টাকা জমানোর লোভ, অর্থাৎ সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি। [সূত্র: বাংলা একাডেমী ব্যবহারিক বাংলা অভিধান] অন্য দিকে শিরে সংক্রান্তি বাগধারাটির অর্থ আসন্ন বিপদ।

১৫. ‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারার অর্থ-

[ বিসিএস ২২তম | প্রা. প্র. শি. নি.১০-১০-২০১২ | প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]

 সাহায্যকারী
 তোষামুদে
 বাদক
 স্বাস্থ্যহীন লোক
ব্যাখ্যাঃ

‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারাটির অর্থ হলো তোষামুদে, চাটুকার, মোসাহেব ইত্যাদি।

এই বাগধারাটি এমন ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যে নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বা কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির সুনজরে থাকার জন্য সর্বদা তার গুণগান করে, মিথ্যা প্রশংসা করে এবং কথায় কথায় হ্যাঁ মিলিয়ে চলে। তারা সাধারণত নিজেদের বিবেক বা বিচার-বুদ্ধি ব্যবহার না করে, অন্যের ইচ্ছাকেই প্রাধান্য দেয়।

 বন্ধুদের সমাগম
 আত্মীয় সমাগম
 প্রিয়জন সমাগম
 গণ্যমান্যদের সমাগম
ব্যাখ্যাঃ

‘চাঁদের হাট’ একটি বাগধারা, যার অর্থ ধনে জনে পরিপূর্ণ সুখের ‘সংসার’ আনন্দের প্রাচুর্য।

 অহংকার
 স্পষ্টভাষী
 মিথ্যাবাদী
 পক্ষপাতদুষ্ট
ব্যাখ্যাঃ

‘ঠোঁট-কাটা’ শব্দের অর্থ কাউকে কোনো কিছু বলতে দ্বিধাবোধ করে না এমন, স্পষ্টবক্তা বা স্পষ্টবাদী। ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলতে বোঝায় একচোখা বা এক পক্ষের প্রতি অনুরক্ত।

 রোগ বিশেষ
 সম্ভাব্য ঘটনা
 অসম্ভব ঘটনা
 প্রতারণা
ব্যাখ্যাঃ

‘ব্যাঙের সর্দি’ একটি বাংলা বাগধারা। এর অর্থ হলো অসম্ভব ব্যাপার অথবা যা কখনো হয় না।

ব্যাঙের কখনো সর্দি হয় না, তাই এই বাগধারা দিয়ে এমন কিছু বোঝানো হয় যা একেবারেই অস্বাভাবিক বা হওয়ার কথা নয়।

 ষড়যন্ত্রকারী
 বাকসর্বস্ব
 দীর্ঘ প্রতীক্ষমাণ
 দীর্ঘায়ু ব্যক্তি
ব্যাখ্যাঃ

"কাক ভূষণ্ডি" একটি বাংলা বাগধারা। এর একাধিক অর্থ রয়েছে, যা নিচে উল্লেখ করা হলো:

১. দীর্ঘজীবী ও অনেক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি: কাককে দীর্ঘজীবী প্রাণী হিসেবে ধরা হয়। কাক ভূষণ্ডি বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি অনেকদিন ধরে বেঁচে আছেন এবং নানা অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
২. পুরাণোক্ত কাক: হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, কাক ভূষণ্ডি ছিলেন একজন কাক, যিনি ভগবান রামের ভক্ত ছিলেন এবং রামায়ণের সবকিছু জানতেন।
৩. সর্বজ্ঞ: এই বাগধারা দিয়ে এমন কাউকেও বোঝানো হয়, যিনি সবকিছু জানেন।
৪. অসম্ভব কিছু: এই বাগধারাটি অনেক সময় এমন কিছু বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়, যা ঘটা সম্ভব নয়।

 আশার কথা
 সৌভাগ্যের বিষয়
 মজা পাওয়া
 আনন্দের বিষয়
ব্যাখ্যাঃ

হঠাৎ কারো ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে তাকে ‘একাদশে বৃহস্পতি’ বলে।

 গাছ তুলে মই কাড়া
 এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো
 ধরি মাছ না ছুঁই পানি
 আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া
ব্যাখ্যাঃ

গাছে তুলে মই কাড়া : সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা। এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো (কামানো): একই স্বভাবের। ধরি মাছ না ছুঁই পানি : কৌশলে কার্যোদ্ধার। আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া: দুর্লভ বস্তু হাতে পাওয়া।

 অনিষ্টে ইষ্ট লাভ
 চির অশান্তি
 অরাজক দেশ
 সামান্য কিছু নিয়ে ঝগড়া বাধানো
ব্যাখ্যাঃ

অনিষ্টে ইষ্ট লাভ- শাপে বর। অরাজক দেশ – মগের মুল্লুক। সামান্য কিছু নিয়ে ঝগড়া লাগানো – ফুটো পয়সার লড়াই; চির অশান্তি- রাবণের চিতা।

 আট কপালে
 উড়নচণ্ডী
 ছা-পোষা
 ভূশণ্ডির কাক
ব্যাখ্যাঃ

আট কপালে- হতভাগ্য; উড়নচণ্ডী – অমিতব্যয়ী; ছা-পোষা- পোষ্য ভারাক্রান্ত; ভূশণ্ডির কাক- দীর্ঘায়ু ব্যক্তি।

 ডাকাবুকা
 তুলশী বনের বাঘ
 তামার বিষ
 ঢাকের বাঁয়া
ব্যাখ্যাঃ

ডাকাবুকা- নির্ভীক; তুলসী বনের বাঘ- ভণ্ড; তামার বিষ- অর্থের কুপ্রভাব; ঢাকের বাঁয়া- যার কোনো মূল্য নেই।

 আরামপ্রিয়া
 উদাসীন
 নিতান্ত অলস
 পরমুখাপেক্ষী
ব্যাখ্যাঃ

গোঁফ-খেজুরে বাগধারাটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ। এর ব্যাসবাক্য- গোঁফে খেজুর পড়ে থাকলেও খায় না যে। এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস। অত্যন্ত অলস ব্যক্তি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।

 ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, কাজে লেগে যাও
 ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, আসল কথাটি বল
 ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, কি খাবে বল
 ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, নিজের পায়ে দাঁড়াও
ব্যাখ্যাঃ

ঢাক ঢাক গুড় গুড় বাগধারাটির অর্থ লুকোচুরি। ঢাক ঢাক গুড় গুড় করে কি লাভ, আসল কথা বল- বাক্যটিতেই শুধু এই অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।

 অমাবস্যার চাঁদ; আকাশ কুসুম
 বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী
 রুই-কাতলা; কেউ কেটা
 বক ধার্মিক; ভিজে বেড়াল
ব্যাখ্যাঃ

অমাবস্যার চাঁদ (অদৃশ্য বস্তু), আকাশ কুসুম (অসম্ভব কল্পনা)। বক ধার্মিক (ভণ্ড), বিড়াল তপস্বী (ভণ্ড)। রুই-কাতলা (নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ), কেউ কেটা (সামান্য), ভিজে বেড়াল (কপটচারী)। অর্থাৎ বক ধার্মিক ও বিড়াল তপস্বী শব্দযুগল সর্বাধিক সমার্থবাচক।

 গলাধাক্কা দেয়া
 অমাবস্যা
 দ্বিতীয়ত
 কাস্তে
ব্যাখ্যাঃ

‘অর্ধচন্দ্র’ শব্দের অর্থ হলো:

আধাখানা চাঁদ।
গলা ধাক্কা।
* প্রহার করা।

তবে, অর্ধচন্দ্র শব্দটি সাধারণত একটি বাগধারা হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ গলা ধাক্কা দেওয়া।

 কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাস
 চাল না চুলো, ঢেঁকী না কুলো
 সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
 বোঝার উপর, শাকের আঁটি
ব্যাখ্যাঃ

‘কারো পৌষমাস কারও সর্বনাশ’- কারও সুদিন কারও দুর্দিন। ‘চাল না চুলো, ঢেকী না কুলো’- নিতান্ত গরিব। ‘বোঝার উপর শাকের আঁটি’- অতিরিক্তের অতিরিক্ত।

 তিনিই সমাজের মাথা
 মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
 লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল
 মাথা নেই তার মাথা ব্যথা
ব্যাখ্যাঃ

মাথা নেই আবার মাথা ব্যথা: অবহেলা অর্থে; তিনিই সমাজের মাথা: মোড়ল/প্রধান অর্থে; লজ্জায় মাথা কাটা গেল: সম্মানহানি অর্থে।