আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
গ. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যাঃ

‘তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষাগরু’- এই কবিতাংশটির রচয়িতা হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত

এটি তার বিখ্যাত কবিতা ‘মাতৃভাষা’-র অংশ। এই কবিতায় তিনি মাতৃভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন এবং নিজেকে ও অন্যান্য বাঙালিদের মাতৃরূপ কল্পতরুর আশ্রিত পোষা গরুরূপে কল্পনা করেছেন।

ক. চৌবেরিয়া গ্রাম, নদীয়া
খ. কাঁঠালপাড়া গ্রাম, চব্বিশ পরগনা
গ. বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর
ঘ. দেবানন্দপুর গ্রাম, হুগলি
উত্তরঃ বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর
ব্যাখ্যাঃ

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (অধুনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা) বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

ক. আত্মচরিত
খ. আত্মকথা
গ. আত্মজিজ্ঞাসা
ঘ. আমার কথা
উত্তরঃ আত্মচরিত
ব্যাখ্যাঃ

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আত্মজীবনীমূলক লেখাটির নাম হলো 'আত্মচরিত'

এটি একটি অসমাপ্ত রচনা, যেখানে তিনি তার শৈশব জীবনের কথা, তার পিতা ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, পিতামহ এবং জননীর কথা বর্ণনা করেছেন। বিদ্যাসাগরের মৃত্যুর পর তার পুত্র নারায়ণচন্দ্র বিদ্যারত্ন এটি প্রকাশ করেন।

ক. স্মৃতি কথামালা
খ. আত্মচরিত
গ. আত্মকথা
ঘ. আমার কথা
উত্তরঃ আত্মচরিত
ব্যাখ্যাঃ

'আত্মচরিত' হলো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অসমাপ্ত আত্মজীবনী।

ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ. উইলিয়াম কেরি
ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-কে।

বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপ দিতে এবং এর শৈলীকে সহজ ও সাবলীল করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর রচনাগুলো বাংলা গদ্যকে একটি নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে।

ক. মার্চেন্ট অব ভেনিস
খ. কমেডি অব এররস
গ. অ্যা মিডসামার নাইটস ড্রিম
ঘ. টেমিং অব দ্য শ্রু
উত্তরঃ কমেডি অব এররস
ব্যাখ্যাঃ

ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র (১৫৬৪-১৬১৬ খ্রি.) রচিত প্রথম নাটক ‘দ্য কমেডি অব এররস’ (১৫৯২-৯৩) অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১ খ্রি.) ‘ভ্রান্তিবিলাস’ রচনা করেন। ১৮৬৯ সালে তিনি শেক্সপিয়রের এ নাটকটির বঙ্গানুবাদ করেন।

ক. দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
গ. রামমোহন রায়
ঘ. কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যাঃ

লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের (১৮২০-১৮৯১ খ্রি) একটি মৌলিক গ্রন্হ ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ । তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্হের মধ্যে রয়েছে- ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ (হিন্দি বৈতালপচ্চীসীর বঙ্গানুবাদ), ‘শকুন্তলা’ (কালিদাসের ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম’ নাটকের উপাখ্যান ভাগের বঙ্গানুবাদ), ‘ভ্রান্তিবিলাস’ (শেক্সপীয়রের ‘Comedy of Errors’ - এর বঙ্গানুবাদ) ইত্যাদি।

ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ. ফোর্ট উইলিয়াম
গ. রজনীকান্ত
ঘ. চার্লস উইলকিন্স
উত্তরঃ চার্লস উইলকিন্স
ব্যাখ্যাঃ

চার্লস উইলকিন্স (Charles Wilkins) বাংলা মুদ্রাক্ষরের ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তাকে বাংলা মুদ্রণের জনক হিসেবে অভিহিত করা হয়। তার অবদান বাংলা ভাষার মুদ্রণ এবং বই প্রকাশের ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল।

এখানে তার প্রধান অবদানগুলো তুলে ধরা হলো:

  • প্রথম বাংলা টাইপফেস তৈরি: চার্লস উইলকিন্স ১৭৭৮ সালে প্রথম সফল বাংলা টাইপফেস (অক্ষরলিপি) তৈরি করেন। এর আগে, বাংলা বই রোমান হরফে ছাপা হতো, যা বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য দুর্বোধ্য ছিল। উইলকিন্সের তৈরি করা এই টাইপফেস বাংলা মুদ্রণের পথ প্রশস্ত করে। এই কাজের জন্য তিনি পঞ্চানন কর্মকার নামে একজন দক্ষ কর্মকারের সাহায্য নিয়েছিলেন।

  • প্রথম বাংলা ব্যাকরণ মুদ্রণ: উইলকিন্সের তৈরি করা টাইপফেস ব্যবহার করে ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড (Nathaniel Brassey Halhed) রচিত "A Grammar of the Bengal Language" বইটি ১৭৭৮ সালে হুগলি থেকে মুদ্রিত হয়। এটিই ছিল বাংলা হরফে মুদ্রিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ। এই বইটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা ভাষার পঠন-পাঠন এবং জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা হয়।

  • মুদ্রণ প্রযুক্তির প্রবর্তন: উইলকিন্স কেবল টাইপফেস তৈরিই করেননি, বরং বাংলা অক্ষর খোদাই করা, ছাঁচ তৈরি এবং মুদ্রণ প্রক্রিয়ার পুরো কাজটি নিজের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করেছিলেন। তিনি ইংল্যান্ডে মুদ্রণ শিল্পের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন এবং সেই জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে বাংলা মুদ্রণের প্রযুক্তিকে একটি নতুন স্তরে উন্নীত করেন।

  • অন্যান্য ভাষার মুদ্রণে অবদান: উইলকিন্স শুধু বাংলাই নয়, ফার্সি ভাষার মুদ্রণের জন্যও টাইপফেস তৈরি করেছিলেন।

চার্লস উইলকিন্সের এই অগ্রণী কাজের মাধ্যমেই বাংলা ভাষায় জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সাহিত্য চর্চার সুযোগ প্রসারিত হয় এবং বাংলা প্রকাশনা শিল্পের ভিত্তি স্থাপিত হয়। তাই বাংলা মুদ্রাক্ষরের ইতিহাসে তার নাম চিরস্মরণীয়।

প্রশ্নঃ সাহিত্যসম্রাট কার উপাধি?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১৪-০৭-২০০৬ ]

ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
গ. মধূসূদন দত্ত
ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

প্রশ্নঃ বাংলা গদ্যের জনক কে?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]

ক. প্রমথ চৌধুরী
খ. বঙ্কিমচন্দ্র
গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ. মুনির চৌধুরী
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ক. উইলিয়াম কেরি
খ. রামরাম বসু
গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
উত্তরঃ উইলিয়াম কেরি
ক. প্রেসিডেন্সি কলেজ
খ. বিদ্যাসাগর কলেজ
গ. কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
ঘ. সংস্কৃত কলেজ
উত্তরঃ সংস্কৃত কলেজ
ক. শকুন্তলা
খ. বর্ণপরিচয়
গ. সীতার বনবাস
ঘ. ভ্রান্তিবিলাস
উত্তরঃ বর্ণপরিচয়