আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. গ্রীষ্ম,বর্ষা, বসন্ত, হেমন্ত, শীত ও শরৎ
খ. বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম
গ. শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা
ঘ. গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত
উত্তরঃ গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশে মূলত ছয়টি ঋতু বিদ্যমান, যদিও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এদের বৈশিষ্ট্য এবং সময়কালে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। ঐতিহ্যগতভাবে এই ছয়টি ঋতু হলো:

১. গ্রীষ্ম (Summer):

  • সময়কাল: বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাস (মধ্য এপ্রিল থেকে মধ্য জুন)
  • বৈশিষ্ট্য: এটি বছরের উষ্ণতম ঋতু। এই সময়ে তাপমাত্রা বেশ বেশি থাকে এবং আবহাওয়া শুষ্ক ও গরম থাকে। মাঝে মাঝে কালবৈশাখী ঝড়ও দেখা যায়।

২. বর্ষা (Monsoon/Rainy Season):

  • সময়কাল: আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস (মধ্য জুন থেকে মধ্য আগস্ট)
  • বৈশিষ্ট্য: এটি বৃষ্টির ঋতু। এই সময়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এবং আর্দ্রতা খুব বেশি থাকে। নদ-নদী পানিতে পরিপূর্ণ থাকে এবং পরিবেশ সবুজ ও সতেজ হয়ে ওঠে।

৩. শরৎ (Autumn):

  • সময়কাল: ভাদ্র ও আশ্বিন মাস (মধ্য আগস্ট থেকে মধ্য অক্টোবর)
  • বৈশিষ্ট্য: বর্ষার পর এই ঋতু আসে। আকাশ পরিষ্কার ও নীল থাকে, হালকা শীতল বাতাস অনুভূত হয় এবং চারদিকে মনোরম পরিবেশ বিরাজ করে। এটি উৎসবের ঋতু হিসেবেও পরিচিত।

৪. হেমন্ত (Late Autumn):

  • সময়কাল: কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাস (মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য ডিসেম্বর)
  • বৈশিষ্ট্য: এটি শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে। আবহাওয়া ধীরে ধীরে শীতল হতে শুরু করে এবং সকালে হালকা কুয়াশা দেখা যায়। ধান কাটার মৌসুম হওয়ায় কৃষকের ঘরে নতুন ফসল ওঠে।

৫. শীত (Winter):

  • সময়কাল: পৌষ ও মাঘ মাস (মধ্য ডিসেম্বর থেকে মধ্য ফেব্রুয়ারি)
  • বৈশিষ্ট্য: এটি বছরের শীতলতম ঋতু। এই সময়ে তাপমাত্রা বেশ কম থাকে এবং উত্তর দিক থেকে শীতল বাতাস বয়। দেশের উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহও দেখা যায়।

৬. বসন্ত (Spring):

  • সময়কাল: ফাল্গুন ও চৈত্র মাস (মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্য এপ্রিল)
  • বৈশিষ্ট্য: শীতের শেষ এবং গ্রীষ্মের শুরুর এই সময়ে আবহাওয়া মনোরম থাকে। গাছে নতুন পাতা ও ফুল ফোটে এবং প্রকৃতি নতুন রূপে সেজে ওঠে। হালকা উষ্ণ বাতাস এবং পাখির কলকাকলিতে চারদিক মুখরিত থাকে।

এই ছয়টি ঋতু বাংলাদেশের প্রকৃতি ও জনজীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের জীবনযাত্রা, ফসল উৎপাদন এবং প্রকৃতির রূপও পরিবর্তিত হয়।

ক. পাহাড়ের পাদদেশে
খ. নদীর নিম্ন অববাহিকায়
গ. নদীর উৎপত্তিস্থলে
ঘ. নদী মোহনায়
উত্তরঃ পাহাড়ের পাদদেশে
ব্যাখ্যাঃ

'পলল পাখা' (Alluvial Fan) হলো একটি বিশেষ ধরনের ভূমিরূপ যা সাধারণত পাহাড় বা পর্বতের পাদদেশে গঠিত হয়।

এটি যেভাবে গঠিত হয়: যখন কোনো পাহাড় বা পর্বত থেকে নদী বা ঝর্ণার স্রোত হঠাৎ করে সমভূমিতে প্রবেশ করে, তখন এর গতি কমে যায়। গতি কমে যাওয়ার কারণে নদীর বহন ক্ষমতা কমে যায় এবং এটি তার সাথে বয়ে আনা নুড়ি, বালি, কাদা এবং অন্যান্য শিলাচূর্ণ পর্বতের পাদদেশে জমা করতে শুরু করে। এই জমা হওয়া পদার্থগুলো ধীরে ধীরে একটি হাতপাখার (fan) আকৃতি ধারণ করে, যা দেখতে ত্রিভুজাকার বা আধা-বৃত্তাকার হয়। এই ভূমিরূপকেই 'পলল পাখা' বা 'পলল ব্যজনী' বলে।

উদাহরণ: হিমালয় পর্বতমালার পাদদেশে তিস্তা নদীর অববাহিকা অঞ্চলে এরকম অনেক পলল পাখা দেখা যায়। বাংলাদেশের দিনাজপুর ও রংপুর জেলার কিছু অংশ তিস্তা নদীর পলল পাখা দ্বারা গঠিত।

সংক্ষেপে, পলল পাখা হলো নদীর ক্ষয় ও সঞ্চয় কাজের সম্মিলিত ফল, যা নদীর উচ্চগতি থেকে নিম্নগতিতে প্রবেশ করার সময় গঠিত হয়।

প্রশ্নঃ কোনটি অধাতব খনিজ পদার্থ?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ২০-০৫-২০০১ ]

ক. চুনাপাথর
খ. চীনামাটি
গ. সিলিকন
ঘ. সবগুলো
উত্তরঃ চীনামাটি