প্রশ্নঃ নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
Safari — এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন নয়।
Safari হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা Apple দ্বারা তৈরি এবং ব্যবহৃত হয়। এটি ওয়েব পেজ ভিউ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি সার্চ ইঞ্জিন নয়।
অন্যদিকে:
- Bing, Google, এবং Yahoo — এগুলো সব সার্চ ইঞ্জিন যা ওয়েব পেজ, তথ্য বা কনটেন্ট খোঁজার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ইন্টারনেট জগতে হাইপার-লিঙ্কড ডকুমেন্টগুলোর কালেকশনকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web - WWW) বলে।
Option 1: Applied AI — এটি Face Recognition সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়।
কারণ:
- Applied AI (Artificial Intelligence) হলো একটি শাখা যা বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- Face Recognition সিস্টেমে Deep Learning এবং Computer Vision এর প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এর অংশ।
অন্যদিকে:
- Applied IoT (Internet of Things), Virtual Reality — এগুলি Face Recognition সিস্টেমের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
প্রশ্নঃ GPU-এর পূর্ণরূপ কী?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
GPU-এর পূর্ণরূপ হলো Graphics Processing Unit.
এটি একটি বিশেষ ইলেকট্রনিক সার্কিট যা মূলত দ্রুত গ্রাফিক্স রেন্ডারিং (ছবি ও ভিডিও তৈরি) করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। আধুনিক GPU গুলো শুধু গ্রাফিক্সের জন্যই নয়, বরং সমান্তরালভাবে অনেক ডেটা প্রসেস করার ক্ষমতা থাকার কারণে বৈজ্ঞানিক কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং অন্যান্য উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রশ্নঃ IPv4-এ নিচের কোনটি Google DNS Server এর IP Adders?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
IPv4-এ Google DNS সার্ভারের IP অ্যাড্রেস হলো ঘঃ 8.8.8.8 এবং এর পাশাপাশি আরেকটি বহুল ব্যবহৃত IP অ্যাড্রেস হলো 8.8.4.4।
বিকল্পগুলোর মধ্যে 8.8.8.8 সঠিক। অন্য তিনটি বিকল্প Google DNS সার্ভারের IP অ্যাড্রেস নয়।
ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রোটোকল হলো TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol)।
TCP/IP হলো প্রোটোকলের একটি সমষ্টি যা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য অনুরূপ নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের নিয়ম নির্ধারণ করে। এটি মূলত দুটি প্রধান প্রোটোকলের সমন্বয়ে গঠিত:
- TCP: এই প্রোটোকল ডেটাকে ছোট ছোট অংশে (প্যাকেট) বিভক্ত করে, সেগুলোকে নির্ভরযোগ্যভাবে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া এবং প্রয়োজনে পুনরায় প্রেরণ করার নিশ্চয়তা দেয়।
- IP: এই প্রোটোকল প্রতিটি ডিভাইসের জন্য একটি অনন্য ঠিকানা (IP অ্যাড্রেস) নির্ধারণ করে এবং ডেটা প্যাকেটগুলোকে সঠিক গন্তব্যে রাউট করতে সাহায্য করে।
যদিও অন্যান্য প্রোটোকলও (যেমন HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি) তথ্য আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়, তবে এগুলোর ভিত্তি হলো TCP/IP। TCP/IP ছাড়া ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব নয়। তাই সামগ্রিকভাবে, ইন্টারনেটের তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রোটোকল হলো TCP/IP।
প্রশ্নঃ চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার-এর কাজ কোনটি?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার বর্তমানে বহুবিধ গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে। আপনার দেওয়া অপশনগুলোর সবগুলোই সঠিক:
-
কঃ তথ্য সংরক্ষণ: কম্পিউটার রোগীর বিভিন্ন তথ্য, যেমন - নাম, ঠিকানা, রোগের ইতিহাস, পরীক্ষার ফলাফল, চিকিৎসার বিবরণ ইত্যাদি নিরাপদে ও সুসংগঠিতভাবে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ডস (EHR) এর মাধ্যমে এই কাজ করা হয়।
-
খঃ ইমেজ বিশ্লেষণ: বিভিন্ন মেডিকেল ইমেজিং কৌশল যেমন - এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, আলট্রাসনোগ্রাফি ইত্যাদি থেকে প্রাপ্ত ছবি বিশ্লেষণ করার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। উন্নত সফটওয়্যার ব্যবহার করে এই ছবিগুলোর ত্রুটি বা অস্বাভাবিকতা খুঁজে বের করা এবং রোগ নির্ণয়ে সহায়তা করা সম্ভব হয়।
-
গঃ রোগী পর্যবেক্ষণ: ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট (ICU) বা অপারেশন থিয়েটারে রোগীদের শারীরিক অবস্থা যেমন - হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ, অক্সিজেনের মাত্রা ইত্যাদি নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করার জন্য কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত মনিটরিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা গেলে দ্রুত সংকেত পাওয়া যায়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘঃ উপরের সবগুলো। চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার তথ্য সংরক্ষণ, ইমেজ বিশ্লেষণ এবং রোগী পর্যবেক্ষণ - এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজই করে থাকে।
প্রশ্নঃ SCSI-এর পূর্ণরূপ কী?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
SCSI-এর পূর্ণরূপ হলো Small Computer System Interface.
SCSI (উচ্চারণ "স্কাজি" /ˈskʌzi/) হলো কম্পিউটার এবং পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা সংযোগ স্থাপন এবং স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ডগুলোর একটি সেট। এটি মূলত হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের সাথে ব্যবহারের জন্য পরিচিত।
সহজভাবে বলতে গেলে, SCSI একটি ইন্টারফেস যা কম্পিউটারকে বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইসের সাথে দ্রুত এবং নমনীয়ভাবে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। এই ডিভাইসগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
- টেপ ড্রাইভ
- সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ
- স্ক্যানার
- প্রিন্টার
প্রশ্নঃ নিচের কোন ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসাবে কাজ করে?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
সঠিক উত্তর হলো গঃ Touch Screen।
টাচ স্ক্রিন একটি বিশেষ ধরনের ডিসপ্লে যা একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- ইনপুট ডিভাইস হিসেবে: টাচ স্ক্রিনের উপর স্পর্শের মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারকে বিভিন্ন নির্দেশ দিতে পারে। আঙ্গুল বা স্টাইলাস ব্যবহার করে আইকন নির্বাচন করা, মেনু নেভিগেট করা, টেক্সট টাইপ করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।
- আউটপুট ডিভাইস হিসেবে: এটি একটি ডিসপ্লে যা ব্যবহারকারীকে তথ্য, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি প্রদর্শন করে।
অন্যান্য বিকল্পগুলো শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট কাজ করে:
- Scanner (ক): এটি শুধুমাত্র ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে, যা কোনো ডকুমেন্ট বা ছবিকে ডিজিটাল ফরমেটে কম্পিউটারে প্রবেশ করায়।
- Mouse (খ): এটিও একটি ইনপুট ডিভাইস, যা কার্সর নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন অপশন নির্বাচনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Projector (ঘ): এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিভাইস থেকে প্রাপ্ত ছবি বা ভিডিওকে একটি বড় স্ক্রিনে প্রজেক্ট করে দেখায়।
সুতরাং, টাচ স্ক্রিন একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
প্রশ্নঃ এক মেশিন থেকে অন্য মেশিনে ই-মেইল মেসেজ স্থানান্তর করতে কোন TCP/IP প্রটোকল ব্যবহার হয়?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
সঠিক উত্তর হলো ঘঃ SMTP।
এক মেশিন থেকে অন্য মেশিনে ই-মেইল মেসেজ স্থানান্তর করার জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ইন্টারনেট প্রোটোকল যা ই-মেইল বার্তা প্রেরণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। যখন আপনি একটি ই-মেইল পাঠান, আপনার মেইল ক্লায়েন্ট SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে আপনার মেইল সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করে এবং প্রাপকের মেইল সার্ভারে বার্তাটি ফরোয়ার্ড করে।
অন্যান্য প্রোটোকলগুলো ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়:
- FTP (File Transfer Protocol) (ক): এটি এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়, ই-মেইল মেসেজের জন্য নয়।
- RPC (Remote Procedure Call) (খ): এটি একটি প্রোটোকল যা একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে অবস্থিত একটি পদ্ধতি (procedure) চালানোর অনুমতি দেয়। এটি ই-মেইল স্থানান্তরের জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
- SNMP (Simple Network Management Protocol) (গ): এটি নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলো (যেমন - রাউটার, সুইচ) পর্যবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়, ই-মেইল স্থানান্তরের জন্য নয়।
সুতরাং, ই-মেইল মেসেজ স্থানান্তর করার জন্য ব্যবহৃত TCP/IP প্রটোকল হলো SMTP।
4G (চতুর্থ প্রজন্ম) হলো ব্রডব্যান্ড সেলুলার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির চতুর্থ প্রজন্ম। একটি সত্যিকারের 4G সিস্টেমকে অবশ্যই IMT-Advanced (International Mobile Telecommunications Advanced) -এর অধীনে ITU (International Telecommunication Union) কর্তৃক সংজ্ঞায়িত ক্ষমতা প্রদান করতে হবে।
ITU-এর মতে, IMT-Advanced স্ট্যান্ডার্ডের অধীনে 4G নেটওয়ার্কের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য এবং ক্ষমতা থাকা আবশ্যক, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- উচ্চ ডেটা স্থানান্তর হার: স্থিতিশীল বা কম গতিশীল পরিবেশে প্রায় 1 Gbps এবং উচ্চ গতিশীল পরিবেশে প্রায় 100 Mbps পর্যন্ত ডেটা প্রদানের সক্ষমতা।
- নিম্ন ল্যাটেন্সি: কম বিলম্বিতা, যা রিয়েল-টাইম অ্যাপ্লিকেশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- উন্নত স্পেকট্রাল দক্ষতা: বেতার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কার্যকর ব্যবহার।
- প্যাকেট-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক: সম্পূর্ণরূপে IP (ইন্টারনেট প্রোটোকল) ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- বিভিন্ন বেতার অ্যাক্সেস প্রযুক্তির সাথে আন্তঃকার্যকারিতা (Interworking): অন্যান্য বেতার প্রযুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে কাজ করার ক্ষমতা।
- বিশ্বব্যাপী কার্যকারিতা এবং রোমিং: আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহারের এবং বিভিন্ন নেটওয়ার্কে নির্বিঘ্নে সংযোগ বজায় রাখার সক্ষমতা।
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি Open Source Software?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
সঠিক উত্তর হলো কঃ Google Chrome.
যদিও Google Chrome সম্পূর্ণরূপে ওপেন সোর্স নয়, এর মূল ভিত্তি Chromium একটি ওপেন সোর্স প্রজেক্ট। Chromium-এর সোর্স কোড সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং এটি যে কেউ ব্যবহার, পরিবর্তন ও বিতরণ করতে পারে। Google Chrome এই Chromium-এর উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে এবং এর কিছু নিজস্ব মালিকানাধীন ফিচার যোগ করা হয়েছে।
অন্যদিকে:
- Microsoft Windows (খ): এটি একটি মালিকানাধীন অপারেটিং সিস্টেম এবং এর সোর্স কোড উন্মুক্ত নয়।
- Zoom (গ): এটি একটি মালিকানাধীন ভিডিও কনফারেন্সিং প্ল্যাটফর্ম এবং এর সোর্স কোড উন্মুক্ত নয়।
- Adobe Photoshop (ঘ): এটি একটি মালিকানাধীন ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার এবং এর সোর্স কোড উন্মুক্ত নয়।
সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে Google Chrome (এর মূল ভিত্তি Chromium) ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের কাছাকাছি, যদিও এটি সম্পূর্ণরূপে ওপেন সোর্স নয়। যদি Chromium অপশনে থাকত, তবে সেটি আরও সঠিক উত্তর হতো।
প্রশ্নঃ নিচের কোন Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
সঠিক উত্তর হলো খঃ HTTPS।
HTTPS (Hypertext Transfer Protocol Secure) হলো একটি সুরক্ষিত যোগাযোগ প্রোটোকল যা ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এটি HTTP (Hypertext Transfer Protocol)-এর একটি সুরক্ষিত সংস্করণ, যেখানে SSL (Secure Sockets Layer) বা TLS (Transport Layer Security) প্রোটোকল ব্যবহার করে ডেটা এনক্রিপ্ট করা হয়। এর ফলে প্রেরক এবং প্রাপকের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য তৃতীয় কোনো পক্ষ কর্তৃক পাঠ বা পরিবর্তন করার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। বিশেষ করে সংবেদনশীল তথ্যের (যেমন - লগইন ক্রেডেনশিয়াল, আর্থিক লেনদেন) ক্ষেত্রে HTTPS ব্যবহার করা অপরিহার্য।
অন্যান্য প্রোটোকলগুলোর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ভিন্ন:
- FTP (File Transfer Protocol) (ক): এটি ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে এর মৌলিক সংস্করণে ডেটা এনক্রিপ্ট করা হয় না এবং এটি তুলনামূলকভাবে কম সুরক্ষিত।
- TCP (Transmission Control Protocol) (গ): এটি ইন্টারনেটে ডেটা প্যাকেট নির্ভরযোগ্যভাবে প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত একটি মৌলিক প্রোটোকল। এটি ডেটা ডেলিভারি নিশ্চিত করে, তবে সরাসরি এনক্রিপশন প্রদান করে না। HTTPS টিসিপি-এর উপরে কাজ করে এবং নিরাপত্তা স্তর যোগ করে।
- DNS (Domain Name System) (ঘ): এটি হোস্টনামকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে। এর মৌলিক প্রোটোকলটি সুরক্ষিত নয়, তবে DNSSEC (DNS Security Extensions)-এর মতো সুরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে যা DNS ডেটার সত্যতা যাচাই করে।
সুতরাং, ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রধানত HTTPS প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ RFID বলতে বােঝায়-
[ বিসিএস ৪৩তম ]
RFID (Radio-Frequency Identification) হল একটি তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করে।
RFID-এর মূল ধারণা:
RFID ট্যাগ: এতে ইলেকট্রনিক চিপ ও অ্যান্টেনা থাকে, যা তথ্য সংরক্ষণ ও পাঠাতে সাহায্য করে।
RFID রিডার: এটি RFID ট্যাগের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।
ডাটাবেস: RFID রিডার প্রাপ্ত তথ্য প্রক্রিয়া করে সংরক্ষিত ডাটার সাথে মিলিয়ে দেখে।
RFID প্রযুক্তির ব্যবহার:
✔ পণ্য ট্র্যাকিং (স্টোর, গুদাম)
✔ পরিচয় যাচাই (পাসপোর্ট, স্মার্ট কার্ড)
✔ গাড়ির টোল সিস্টেম (স্বয়ংক্রিয় টোল সংগ্রহ)
✔ স্বাস্থ্যসেবা (রোগীর তথ্য সংরক্ষণ)
✔ পশুপালন (গরু, কুকুরের পরিচয় শনাক্তকরণ)
প্রশ্নঃ কোন চিহ্নটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
ই-মেইল ঠিকানায় "@" (অ্যাট)" চিহ্নটি অবশ্যই থাকবে।
ব্যাখ্যা:
"@" চিহ্ন ই-মেইল ঠিকানার বিষয়বস্তু ও ডোমেইনের মধ্যে বিভাজন নির্দেশ করে।
উদাহরণ: username@example.com
- "username" হলো ব্যবহারকারীর নাম
- "example.com" হলো ডোমেইন
প্রয়োজনীয়তা:
- ই-মেইল প্রোটোকল অনুসারে "@" চিহ্ন ছাড়া ই-মেইল ঠিকানা বৈধ নয়।
- এটি ব্যবহারকারী ও সার্ভার পৃথক করতে সাহায্য করে।
প্রশ্নঃ Blockchain-এর প্রতিটি block কী তথ্য বহন করে?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
সঠিক উত্তর হল ঘঃ উপরের সবগুলাে।
Blockchain-এর প্রতিটি block নিম্নলিখিত তথ্যগুলো বহন করে:
- A hash pointer to the previous block: প্রতিটি ব্লকের মধ্যে আগের ব্লকের একটি হ্যাশ (একটি অনন্য কোড) থাকে। এই হ্যাশ লিঙ্কের মতো কাজ করে এবং চেইনটিকে অক্ষত রাখে। এর মাধ্যমেই একটি ব্লক তার পূর্ববর্তী ব্লকের সাথে যুক্ত থাকে।
- Timestamp: প্রতিটি ব্লক কখন তৈরি হয়েছে তার একটি টাইমস্ট্যাম্প থাকে। এটি ব্লকের ক্রম এবং কখন লেনদেনগুলো নথিভুক্ত হয়েছে তা প্রমাণ করে।
- List of transactions: একটি ব্লকের মধ্যে সেই সময়ে সংঘটিত লেনদেনগুলোর তালিকা থাকে। এই লেনদেনগুলোই ব্লকচেইনের মূল ডেটা।
এই তিনটি তথ্য একটি ব্লকের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ব্লকচেইন প্রযুক্তিকে সুরক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য করে তোলে।
সঠিক উত্তর হল কঃ Applied Artificial Intelligence (AI)।
ফেস রিকগনিশন সিস্টেম মূলত Applied Artificial Intelligence (AI) এর একটি অংশ। বিশেষ করে, এটি কম্পিউটার ভিশন এবং মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে কাজ করে। এই অ্যালগরিদমগুলো মুখ শনাক্ত করতে, মুখের বৈশিষ্ট্যগুলো বিশ্লেষণ করতে এবং ডেটাবেজে সংরক্ষিত মুখের ছবির সাথে তুলনা করতে সক্ষম।
অন্যান্য বিকল্পগুলো ফেস রিকগনিশন সিস্টেমে সরাসরি সহায়ক ভূমিকা পালন করে না:
- Applied Internet of Things (IoT): IoT মূলত বিভিন্ন ডিভাইসকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত করে ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। ফেস রিকগনিশনের জন্য ডেটা সংগ্রহে IoT ডিভাইস (যেমন স্মার্ট ক্যামেরা) ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে মূল প্রযুক্তিটি AI।
- Virtual Reality: ভার্চুয়াল রিয়ালিটি একটি সিমুলেটেড পরিবেশ তৈরি করে। এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির সাথে নেই।
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি output device নয়?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
সঠিক উত্তর হল খঃ microphone।
মাইক্রোফোন একটি input device, কারণ এটি শব্দ গ্রহণ করে এবং সেটিকে ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালে রূপান্তরিত করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে।
অন্যদিকে, মনিটর, প্রিন্টার এবং স্পিকার - এই তিনটিই output device, কারণ এগুলো কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াকৃত ডেটা ব্যবহারকারীর কাছে প্রদর্শন বা প্রকাশ করে। মনিটর ছবি ও লেখা দেখায়, প্রিন্টার কাগজে ছাপে এবং স্পিকার শব্দ শোনায়।
সঠিক উত্তর হল গঃ URL।
URL (Uniform Resource Locator) একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েব ঠিকানাকে নির্দেশ করে। এটি একটি নির্দিষ্ট ওয়েব রিসোর্সের (যেমন একটি ওয়েব পেজ, ছবি, বা ফাইল) ইন্টারনেট ঠিকানা।
অন্যান্য বিকল্পগুলো:
- http (Hypertext Transfer Protocol) হল একটি প্রোটোকল যা ওয়েব ব্রাউজার এবং ওয়েব সার্ভারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের নিয়ম নির্ধারণ করে। এটি URL-এর একটি অংশ।
- www (World Wide Web) হল ইন্টারনেটের একটি অংশ, যেখানে ওয়েবসাইটগুলো হোস্ট করা থাকে। এটি প্রায়শই URL-এর শুরুতে দেখা যায়, তবে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়েব ঠিকানা নয়।
- HTML (Hypertext Markup Language) হল ওয়েব পেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত একটি মার্কআপ ভাষা। এটি ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু এবং কাঠামো নির্ধারণ করে, কিন্তু এটি ওয়েবসাইটের ঠিকানা নয়।
প্রশ্নঃ একটি সিস্টেম যেখানে আইটেমগুলো এক প্রান্তে সংযোজিত হয় কিন্তু অন্য প্রান্ত থেকে সরানো হয় তার নাম-
[ বিসিএস ৪১তম ]
একটি সিস্টেম যেখানে আইটেমগুলো এক প্রান্তে সংযোজিত হয় কিন্তু অন্য প্রান্ত থেকে সরানো হয়, তাকে কিউ (Queue) বলা হয়।
কিউ একটি ডেটা স্ট্রাকচার যা FIFO (First-In, First-Out) নীতি অনুসরণ করে। এর মানে হলো যে আইটেমটি প্রথমে যুক্ত করা হয়েছে, সেটিই প্রথমে সরানো হবে। এটি অনেকটা লাইনে দাঁড়ানোর মতো, যেখানে যে প্রথমে লাইনে দাঁড়িয়েছে, সে-ই প্রথমে পরিষেবা পায়।
কিউ ডেটা স্ট্রাকচারে দুটি প্রধান অপারেশন থাকে:
- Enqueue: কিউর শেষ প্রান্তে নতুন আইটেম যুক্ত করা।
- Dequeue: কিউর প্রথম প্রান্ত থেকে আইটেম সরানো।
যে কম্পিউটার ভাষায় সবকিছু শুধুমাত্র বাইনারি কোডে (০ এবং ১) লেখা হয় তাকে যন্ত্র ভাষা (Machine Language) বলে। এটি কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা এবং সরাসরি সিপিইউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) কর্তৃক নির্বাহযোগ্য।
প্রশ্নঃ API মানে-
[ বিসিএস ৪১তম ]
API-এর পূর্ণরূপ হলো Application Programming Interface.
সহজ ভাষায়, API হলো একগুচ্ছ নিয়ম ও প্রোটোকল যা বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে এবং ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। এটি দুটি ভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে একে অপরের কার্যকারিতা ব্যবহার করার একটি মাধ্যম তৈরি করে, যাতে ডেভেলপারদের নতুন করে সবকিছু তৈরি করতে না হয়।
প্রশ্নঃ RFID বলতে বোঝায়-
[ বিসিএস ৪১তম ]
RFID এর পূর্ণরূপ হলো Radio Frequency Identification.
এটি একটি ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি যা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে শনাক্ত এবং ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত হয়। একটি RFID সিস্টেমে সাধারণত দুটি প্রধান অংশ থাকে:
-
RFID ট্যাগ: এটি একটি ছোট ইলেকট্রনিক ডিভাইস যাতে একটি মাইক্রোচিপ এবং একটি অ্যান্টেনা থাকে। এই চিপে একটি নির্দিষ্ট শনাক্তকরণ নম্বর (ID) সহ অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করা যেতে পারে। ট্যাগগুলো সক্রিয় (ব্যাটারিযুক্ত) বা নিষ্ক্রিয় (রিডারের পাঠানো রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে শক্তি গ্রহণ করে) হতে পারে।
-
RFID রিডার: এই ডিভাইসটি রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ট্যাগ থেকে তথ্য পড়ে। রিডারে একটি অ্যান্টেনা থাকে যা রেডিও তরঙ্গ পাঠায় এবং ট্যাগ থেকে আসা সংকেত গ্রহণ করে। প্রাপ্ত তথ্য তারপর প্রক্রিয়াকরণের জন্য একটি কম্পিউটার সিস্টেমে পাঠানো হয়।
RFID কিভাবে কাজ করে:
যখন একটি RFID ট্যাগ একটি RFID রিডারের কাছাকাছি আসে, তখন রিডার একটি রেডিও সংকেত পাঠায়। যদি ট্যাগটি নিষ্ক্রিয় হয়, তবে এটি রিডারের পাঠানো তরঙ্গ থেকে সামান্য শক্তি সংগ্রহ করে এবং তার মধ্যে সঞ্চিত তথ্য রিডারের কাছে ফেরত পাঠায়। সক্রিয় ট্যাগগুলির নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎস থাকে এবং তারা নিজেরাই সংকেত পাঠাতে পারে। রিডার সেই সংকেত গ্রহণ করে এবং ডেটা ডিকোড করে কম্পিউটার সিস্টেমে পাঠায়।
প্রশ্নঃ H.323 Protocol সাধারণত কি কাজে ব্যবহৃত হয়?
[ বিসিএস ৪০তম ]
H.323 প্রোটোকল সাধারণত VoIP (Voice over Internet Protocol) এবং ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
সহজভাবে বলতে গেলে, এটি এমন একটি প্রোটোকল যা প্যাকেট-ভিত্তিক নেটওয়ার্কের (যেমন ইন্টারনেট) মাধ্যমে অডিও, ভিডিও এবং ডেটা আদান-প্রদান করার জন্য নিয়মকানুন নির্ধারণ করে। এর মূল কাজ হলো বিভিন্ন সিস্টেম এবং ডিভাইসের মধ্যে আন্তঃকার্যকারিতা (interoperability) নিশ্চিত করা, যাতে ব্যবহারকারীরা নির্বিঘ্নে যোগাযোগ করতে পারে।
H.323 প্রোটোকল নিম্নলিখিত কাজগুলোতে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়:
- ভয়েস কল (VoIP): ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভয়েস ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করার জন্য।
- ভিডিও কনফারেন্সিং: একাধিক অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ভিডিও এবং অডিও সংযোগ স্থাপন করার জন্য।
- মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন: গ্রাফিক্স এবং টেক্সট ডকুমেন্ট স্থানান্তর এবং শেয়ার করার জন্য।
H.323 একটি পুরনো এবং জটিল প্রোটোকল হলেও, এটি দীর্ঘকাল ধরে ভয়েস এবং ভিডিও যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে SIP (Session Initiation Protocol) নামক আরেকটি প্রোটোকল VoIP এবং ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে, তবে H.323 এখনও অনেক পুরনো সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেওয়ার জন্য খঃ OCR (Optical Character Recognition) ব্যবহৃত হয়।
OCR একটি প্রযুক্তি যা মুদ্রিত বা হাতে লেখা অক্ষরকে ইলেকট্রনিক টেক্সট ডেটাতে রূপান্তরিত করে। এর মাধ্যমে কাগজের নথি স্ক্যান করে সেগুলোকে কম্পিউটারে সম্পাদনাযোগ্য টেক্সটে পরিবর্তন করা যায়।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর ব্যবহার:
- OMR (Optical Mark Recognition): এটি কাগজপত্রে চিহ্নিত দাগ বা চিহ্ন (যেমন - বৃত্ত ভরাট করা) শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন বহু নির্বাচনী পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন।
- MICR (Magnetic Ink Character Recognition): এটি বিশেষ চৌম্বকীয় কালি দিয়ে মুদ্রিত অক্ষর শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণত ব্যাংক চেকের নীচে দেখা যায়।
- Scanner: এটি একটি ডিভাইস যা কোনো ছবি বা ডকুমেন্টকে ডিজিটাল ইমেজে রূপান্তরিত করে, কিন্তু সরাসরি টেক্সট হিসেবে ইনপুট নিতে OCR সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়। স্ক্যানার হলো OCR প্রক্রিয়ার একটি অংশ।
প্রশ্নঃ TV Remote এর Carrier Frequency-র Range কত?
[ বিসিএস ৪০তম ]
টিভি রিমোট সাধারণত Infrared range এর ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে।
যদিও কিছু আধুনিক রিমোট রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি (RF) ব্যবহার করতে পারে, তবে বেশিরভাগ টিভি রিমোট ইনফ্রারেড (IR) রশ্মি ব্যবহার করে। ইনফ্রারেড রশ্মি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রামের একটি অংশ, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর চেয়ে দীর্ঘ এবং মাইক্রোওয়েভের চেয়ে ছোট।
ইনফ্রারেড রশ্মির ফ্রিকোয়েন্সি প্রায় 300 GHz থেকে 430 THz পর্যন্ত বিস্তৃত। টিভি রিমোট কন্ট্রোলে ব্যবহৃত ইনফ্রারেড এলইডি সাধারণত 940 ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো নির্গত করে, যা প্রায় 320 THz ফ্রিকোয়েন্সির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। এই ফ্রিকোয়েন্সি মানব চোখে দৃশ্যমান নয়।
রিমোট কন্ট্রোল একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সিতে (সাধারণত প্রায় 38 kHz) ইনফ্রারেড আলো মড্যুলেট করে ডেটা প্রেরণ করে। টিভি রিসিভার সেই নির্দিষ্ট মড্যুলেশন ফ্রিকোয়েন্সিতে টিউন করা থাকে এবং অন্য কোনো ইনফ্রারেড সংকেতকে উপেক্ষা করে।
প্রশ্নঃ প্রথম Web browser কোনটি?
[ বিসিএস ৪০তম ]
টিম বার্নার্স-লি ১৯৯০ সালে প্রথম ওয়েব ব্রাউজার তৈরি করেন এবং এর নাম দেন WorldWideWeb। পরবর্তীতে প্রোগ্রাম এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মধ্যে বিভ্রান্তি এড়াতে এর নাম পরিবর্তন করে Nexus রাখা হয়।
প্রশ্নঃ CPU কোন address generate করে?
[ বিসিএস ৪০তম ]
মোবাইল ফোনে খঃ Logical Address এর মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন হয়।
আসলে, সিপিইউ সরাসরি ফিজিক্যাল অ্যাড্রেস ব্যবহার করে না। যখন একটি প্রোগ্রাম চলে, তখন সিপিইউ লজিক্যাল অ্যাড্রেস (Logical Address) তৈরি করে। এই লজিক্যাল অ্যাড্রেস ভার্চুয়াল মেমোরির একটি অংশ এবং এটি ফিজিক্যাল মেমোরির প্রকৃত অবস্থান নির্দেশ করে না।
অপারেটিং সিস্টেমের মেমরি ম্যানেজমেন্ট ইউনিট (MMU - Memory Management Unit) এই লজিক্যাল অ্যাড্রেসকে ফিজিক্যাল অ্যাড্রেসে (Physical Address) অনুবাদ করে, যা আসলে RAM-এর নির্দিষ্ট লোকেশন। এই অনুবাদ প্রক্রিয়াটিকে অ্যাড্রেস ট্রান্সলেশন বলা হয়।
মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রসেসগুলো লজিক্যাল অ্যাড্রেস ব্যবহার করে এবং অপারেটিং সিস্টেম সেই অ্যাড্রেসগুলোকে ফিজিক্যাল অ্যাড্রেসে ম্যাপ করে ডেটা অ্যাক্সেস করে।
সুতরাং, সিপিইউ প্রাথমিকভাবে লজিক্যাল অ্যাড্রেস তৈরি করে।
প্রশ্নঃ নিচের কোন প্রােগ্রামটি একটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার প্রোগ্রামকে একবারে অনুবাদ ও সম্পাদন করে?
[ বিসিএস ৪০তম ]
কম্পাইলার (Compiler) একটি প্রোগ্রাম যা একটি উচ্চ-স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষার লেখা সম্পূর্ণ কোডকে একবারে মেশিন কোডে (কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষা) অনুবাদ করে। এই অনুবাদ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরে, কম্পিউটার সেই মেশিন কোডটি সরাসরি সম্পাদন করতে পারে।
অন্যদিকে:
- Interpreter: ইন্টারপ্রেটার (Interpreter) একটি উচ্চ-স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষার কোডকে লাইন বাই লাইন অনুবাদ করে এবং সাথে সাথেই সম্পাদন করে। এটি সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একবারে অনুবাদ করে না।
- Emulator: ইমুলেটর (Emulator) একটি সিস্টেম (যেমন একটি কম্পিউটার বা ভিডিও গেম কনসোল) কে অন্য একটি সিস্টেমের মতো আচরণ করতে সক্ষম করে। এটি প্রোগ্রাম অনুবাদ বা সম্পাদনের সাথে সরাসরি জড়িত নয়।
- Simulator: সিমুলেটর (Simulator) বাস্তব জগতের কোনো প্রক্রিয়া বা সিস্টেমের আচরণকে অনুকরণ করে। এটিও প্রোগ্রাম অনুবাদ বা সম্পাদনের সাথে সরাসরি জড়িত নয়।
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে?
[ বিসিএস ৪০তম ]
(Touch Screen) টাচ স্ক্রিন একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- ইনপুট (Input): যখন আপনি টাচ স্ক্রিনে স্পর্শ করেন, তখন এটি আপনার স্পর্শের অবস্থান শনাক্ত করে এবং সেই অনুযায়ী কম্পিউটারে সংকেত পাঠায়। এটি মাউসের ক্লিকের মতো কাজ করে এবং আপনাকে বিভিন্ন অপশন নির্বাচন করতে, টাইপ করতে বা স্ক্রল করতে সাহায্য করে।
- আউটপুট (Output): টাচ স্ক্রিন ডিসপ্লের মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে তথ্য প্রদর্শন করে। আপনি টেক্সট, ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য গ্রাফিক্যাল উপাদান দেখতে পারেন।
অন্যান্য ডিভাইসগুলোর কাজ আলাদা:
- Mouse: শুধুমাত্র ইনপুট ডিভাইস, যা কার্সর নিয়ন্ত্রণ এবং ক্লিক করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Microphone: শুধুমাত্র ইনপুট ডিভাইস, যা শব্দকে ইলেকট্রনিক সংকেতে রূপান্তরিত করে।
- Printer: শুধুমাত্র আউটপুট ডিভাইস, যা ইলেকট্রনিক ডকুমেন্টকে কাগজে মুদ্রণ করে।
প্রশ্নঃ ই-মেইল গ্রহণ করার অধিক ব্যবহৃত প্রোটকল কোনটি?
[ বিসিএস ৩৮তম ]
ই-মেইল গ্রহণ করার জন্য দুটি প্রধান প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়:
১. POP3 (Post Office Protocol 3): এটি ই-মেইল গ্রহণ করার জন্য বহুল ব্যবহৃত একটি প্রোটোকল। POP3 ব্যবহার করলে ই-মেইল সার্ভার থেকে আপনার ডিভাইসে (কম্পিউটার বা ফোন) ডাউনলোড হয়ে যায় এবং সাধারণত সার্ভার থেকে মুছে যায়। এর ফলে আপনি অফলাইনেও ই-মেইল পড়তে পারেন, তবে অন্য কোনো ডিভাইস থেকে সেই ই-মেইলগুলো অ্যাক্সেস করতে পারবেন না যদি সেগুলো সার্ভার থেকে মুছে যায়।
২. IMAP (Internet Message Access Protocol): এটিও ই-মেইল গ্রহণ করার জন্য একটি জনপ্রিয় প্রোটোকল। IMAP ব্যবহার করলে ই-মেইলগুলো সার্ভারেই থাকে এবং আপনার ডিভাইসে শুধু একটি কপি ডাউনলোড হয়। এর সুবিধা হলো, আপনি একাধিক ডিভাইস থেকে আপনার ই-মেইল অ্যাক্সেস করতে পারবেন এবং সব ডিভাইসেই ই-মেইলের অবস্থা (পড়া, না পড়া, ডিলিট করা ইত্যাদি) সিনক্রোনাইজড থাকবে। বর্তমান যুগে, যখন মানুষ একাধিক ডিভাইস থেকে ই-মেইল ব্যবহার করে, তখন IMAP বেশি সুবিধাজনক হিসেবে বিবেচিত হয়।
যদিও দুটি প্রোটোকলই ই-মেইল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়, POP3 ঐতিহ্যগতভাবে "অধিক ব্যবহৃত" হিসেবে পরিচিত ছিল, বিশেষ করে যখন ইন্টারনেট সংযোগ সবসময় সহজলভ্য ছিল না এবং ব্যবহারকারীরা তাদের ই-মেইল অফলাইনে পড়তে চাইত। তবে বর্তমানে একাধিক ডিভাইসে ই-মেইল সিনক্রোনাইজেশনের সুবিধার কারণে IMAP এর ব্যবহার অনেক বেড়ে গেছে এবং অনেক ক্ষেত্রে POP3 এর চেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে, বিশেষ করে ওয়েবভিত্তিক ই-মেইল পরিষেবাগুলিতে।
তবে যদি একটি নির্দিষ্ট প্রোটোকলের কথা বলতে হয় যা এখনও সাধারণভাবে "অধিক ব্যবহৃত" হিসাবে উল্লেখ করা হয়, তবে তা হলো POP3।
(উল্লেখ্য: ই-মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) ব্যবহৃত হয়।)
ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রোটোকল হলো TCP/IP।
-
TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol) হলো প্রোটোকলের একটি স্যুট বা সেট, যা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের মৌলিক ভিত্তি। ইন্টারনেট মূলত এই প্রোটোকল ব্যবহার করেই কাজ করে।
-
NetBEUI (NetBIOS Extended User Interface) এবং Novell NetWare (IPX/SPX) হলো পুরানো নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা একসময় লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে (LAN) ব্যবহৃত হতো, কিন্তু ইন্টারনেটের জন্য এগুলি ব্যবহৃত হয় না।
-
Linux হলো একটি অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেল, কোনো প্রোটোকল নয়।
প্রশ্নঃ কোন চিহ্নটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে?
[ বিসিএস ৩৮তম ]
ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই "@" (এট সাইন) চিহ্নটি থাকবে।
এই চিহ্নটি ব্যবহারকারীর নাম (user name) এবং ডোমেইন নামের (domain name) মধ্যে বিভাজক হিসেবে কাজ করে। যেমন: username@example.com এখানে username হলো ব্যবহারকারীর নাম এবং example.com হলো ডোমেইন নাম।
কম্পিউটারের সিপিইউ (CPU)-এর যে অংশ গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে, তা হলো অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (Arithmetic Logic Unit - ALU)।
ALU সিপিইউ-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা সকল গাণিতিক (যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ) এবং যৌক্তিক (যেমন তুলনা করা, AND, OR, NOT) অপারেশন সম্পন্ন করে।
প্রশ্নঃ IP-V6 এড্রেস কত বিটের?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
IPv6 এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ঠিকানার দৈর্ঘ্য: IPv6 ঠিকানা ১২৮ বিট (bit) দীর্ঘ হয়। এর বিপরীতে, IPv4 ঠিকানা ৩২ বিট দীর্ঘ। এই ১২৮ বিট দীর্ঘ ঠিকানা প্রায় $3.4 \times 10^{38}$ টি অনন্য ঠিকানা তৈরি করতে পারে, যা বিশ্বের প্রতিটি ডিভাইসকে একটি করে ঠিকানা দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
- ঠিকানার বিন্যাস: IPv6 ঠিকানাগুলি আটটি ১৬-বিট হেক্সাডেসিমেল (hexadecimal) সংখ্যার গ্রুপে লেখা হয়, যেখানে প্রতিটি গ্রুপ কোলন (:) দ্বারা পৃথক করা হয়।
* সংক্ষিপ্ত রূপ: সুবিধার জন্য, IPv6 ঠিকানাগুলোকে সংক্ষিপ্ত আকারে লেখা যায়।
* প্রতিটি গ্রুপে শুরুতে থাকা শূন্য (leading zeros) বাদ দেওয়া যায়। যেমন, `0db8` কে `db8` লেখা যায়।
* এক বা একাধিক ধারাবাহিক শূন্যের গ্রুপকে একটি ডাবল কোলন (::) দিয়ে প্রতিস্থাপন করা যায়। তবে, একটি ঠিকানায় শুধুমাত্র একবার `::` ব্যবহার করা যায়।
* উদাহরণ: `2001:0db8:0000:0000:0000:8a2e:0370:7334` কে `2001:db8::8a2e:0370:7334` লেখা যায়।
- উন্নত কার্যকারিতা: IPv6 উন্নত রাউটিং দক্ষতা, স্বয়ংক্রিয় কনফিগারেশন, এবং এন্ড-টু-এন্ড সংযোগ নিরাপত্তা প্রদান করে।
- IPSec অন্তর্ভুক্তি: IPv6 প্রোটোকলে IPsec (Internet Protocol Security) অন্তর্নির্মিত থাকে, যা IPv4-এ ঐচ্ছিক ছিল। এটি নেটওয়ার্ক স্তরে ডেটা এনক্রিপশন এবং প্রমাণীকরণ নিশ্চিত করে।
- মোবাইল সমর্থন: এটি মোবাইল ডিভাইস এবং অন্যান্য গতিশীল যন্ত্রাংশের জন্য উন্নত সমর্থন প্রদান করে।
IPv4 ঠিকানার সংকটের কারণে, ভবিষ্যতে ইন্টারনেট জুড়ে IPv6 এর ব্যবহার আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
আপনার দেওয়া বিকল্পগুলির মধ্যে, OMR হলো একটি ইনপুট ডিভাইস।
ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- OMR (Optical Mark Recognition): এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা কাগজের ফর্মের উপর চিহ্নিত বৃত্ত বা চিহ্ন (যেমন পরীক্ষার উত্তরপত্রে পূরণ করা বৃত্ত) স্ক্যান করে ডেটা ইনপুট করে।
অন্যান্য বিকল্পগুলো আউটপুট ডিভাইস অথবা অন্য কিছু:
- COM: এটি সাধারণত "Communication Port" বোঝায়, যা একটি ইন্টারফেস, কোনো ইনপুট বা আউটপুট ডিভাইস নয়।
- Plotter: এটি একটি আউটপুট ডিভাইস যা গ্রাফিক্স, নকশা বা বড় আকারের ছবি প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Monitor: এটি একটি আউটপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারের ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে দেখায়।
ইউনিকোডের মাধ্যমে ১৬-বিট কোডিং ব্যবস্থায় ৬৫,৫৩৬ (2¹⁶) টি সম্ভাব্য চিহ্ন বা ক্যারেক্টার নির্দিষ্ট করা যায়, যেটি বেসিক মাল্টিলিংগুয়াল প্লেন (BMP) নামে পরিচিত।
তবে আধুনিক ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ডে ১৭টি প্লেন রয়েছে, যার মাধ্যমে ১০ লক্ষের বেশি (প্রায় ১,১১৪,১১২টি) ক্যারেক্টার নির্ধারণ করা সম্ভব। তবে প্রশ্নে যদি “সম্ভাব্য কতগুলো চিহ্ন” বলা হয় এবং অপশনগুলোর মধ্যে ৬৫,৫৩৬ দেওয়া থাকে, তাহলে এটি সাধারণত BMP (Basic Multilingual Plane) বোঝায়।
প্রশ্নঃ ই-মেইল আদান প্রদানে ব্যবহৃত SMTP-এর পূর্ণরূপ কি?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
ই-মেইল (Email) হলো ইলেকট্রনিক মেইল-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা ডিজিটাল বার্তা আদান-প্রদানের একটি পদ্ধতি। এটি ইন্টারনেট ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বার্তা (টেক্সট, ছবি, ভিডিও, ফাইল ইত্যাদি) পাঠানোর সুযোগ দেয়।
ই-মেইল আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া:
ই-মেইল আদান-প্রদানের জন্য সাধারণত কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করা হয়:
১. ই-মেইল ক্লায়েন্ট বা ওয়েবমেইল ব্যবহার: প্রেরক তার কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে একটি ই-মেইল ক্লায়েন্ট অ্যাপ্লিকেশন (যেমন Microsoft Outlook, Mozilla Thunderbird) অথবা একটি ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে ওয়েবমেইল সেবা (যেমন Gmail, Yahoo Mail, Outlook.com) ব্যবহার করে ই-মেইল তৈরি করেন।
২. বার্তা লেখা: প্রেরক প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা, বার্তার বিষয় (Subject) এবং মূল বার্তা (Body) লেখেন। প্রয়োজনে ফাইল (Attachment) যুক্ত করা যায়।
৩. ই-মেইল পাঠানো: প্রেরক 'Send' বোতামে ক্লিক করার সাথে সাথে ই-মেইলটি প্রেরকের আউটগোয়িং মেইল সার্ভারে (SMTP Server) পাঠানো হয়।
৪. সার্ভার থেকে সার্ভারে যাত্রা: আউটগোয়িং সার্ভার প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা বিশ্লেষণ করে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রাপকের ইনকামিং মেইল সার্ভারে (POP3 বা IMAP Server) ই-মেইলটি পৌঁছে দেয়। এই সার্ভারগুলো মূলত ডেটা গ্রহণ, সংরক্ষণ এবং বিতরণের কাজ করে।
৫. ই-মেইল গ্রহণ: প্রাপক যখন তার ই-মেইল ক্লায়েন্ট বা ওয়েবমেইল অ্যাকাউন্টে লগ ইন করেন, তখন তাদের ইনকামিং মেইল সার্ভার থেকে ই-মেইলগুলো তাদের ইনবক্সে ডাউনলোড হয় বা প্রদর্শিত হয়।
ই-মেইলের সুবিধা:
- দ্রুততা: দ্রুততার সাথে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বার্তা পাঠানো যায়।
- খরচ-কার্যকরী: ঐতিহ্যবাহী ডাক পরিষেবার চেয়ে অনেক কম ব্যয়বহুল, অনেক সেবা বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
- কাগজবিহীন: পরিবেশবান্ধব এবং কাগজের ব্যবহার কমায়।
- সংযুক্তি: টেক্সট বার্তার সাথে ফাইল, ছবি, ভিডিও, ডকুমেন্ট ইত্যাদি সংযুক্ত করা যায়।
- রেকর্ড: প্রেরিত ও গৃহীত বার্তার ডিজিটাল রেকর্ড রাখা যায়।
ই-মেইল ব্যক্তিগত যোগাযোগ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা এবং পেশাগত ক্ষেত্রে একটি অপরিহার্য যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্নঃ TCP দিয়ে কোনটি বোঝানো হয়?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
টিসিপি (TCP) বলতে ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল (Transmission Control Protocol) বোঝানো হয়।
এটি ইন্টারনেট প্রোটোকল সুইটের (TCP/IP Suite) অন্যতম প্রধান প্রোটোকল। টিসিপি একটি নির্ভরযোগ্য (reliable) এবং সংযোগ-ভিত্তিক (connection-oriented) প্রোটোকল, যা ইন্টারনেটে ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
টিসিপি-এর প্রধান কাজগুলো:
- নির্ভরযোগ্য ডেটা ডেলিভারি: টিসিপি নিশ্চিত করে যে পাঠানো ডেটাগুলো সঠিক ক্রমে, অক্ষত অবস্থায় এবং কোনো ত্রুটি ছাড়াই প্রাপকের কাছে পৌঁছাচ্ছে। যদি কোনো ডেটা প্যাকেট হারিয়ে যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, টিসিপি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটি পুনরায় পাঠানোর ব্যবস্থা করে।
- সংযোগ স্থাপন ও সমাপ্তি: ডেটা আদান-প্রদান শুরু করার আগে টিসিপি প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যে একটি সংযোগ স্থাপন করে (যাকে 'থ্রি-ওয়ে হ্যান্ডশেক' বলা হয়)। ডেটা আদান-প্রদান শেষ হলে এটি যথাযথভাবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে।
- ডেটা সেগমেন্টেশন ও পুনঃসংযোজন: টিসিপি অ্যাপ্লিকেশন থেকে আসা ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে (সেগমেন্ট) ভাগ করে, যা ইন্টারনেটে পাঠানো সহজ হয়। প্রাপক প্রান্তে এই সেগমেন্টগুলোকে আবার একত্রিত করে মূল ডেটা তৈরি করে।
- ফ্লো কন্ট্রোল (Flow Control): এটি ডেটা প্রবাহের গতি নিয়ন্ত্রণ করে যাতে দ্রুত ডেটা পাঠাতে থাকা প্রেরক ধীরগতির প্রাপককে অভিভূত না করে।
- কনজেশন কন্ট্রোল (Congestion Control): টিসিপি নেটওয়ার্কের ভিড় বা চাপ কমাতে সাহায্য করে ডেটা পাঠানোর গতি নিয়ন্ত্রণ করে।
ই-মেইল (Email), ওয়েব ব্রাউজিং (HTTP/HTTPS), ফাইল ট্রান্সফার (FTP) এর মতো ইন্টারনেটের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ্লিকেশনের জন্য টিসিপি ব্যবহার করা হয়, কারণ এগুলো ডেটার নির্ভুল এবং সঠিক ক্রমে পৌঁছানো নিশ্চিত করে।
প্রশ্নঃ Push এবং Pop নিচের কার সাথে সম্পর্কিত?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
"Push" এবং "Pop" কম্পিউটার বিজ্ঞানের ডাটা স্ট্রাকচার (Data Structure), বিশেষ করে স্ট্যাক (Stack)-এর সাথে সম্পর্কিত।
-
স্ট্যাক (Stack): এটি একটি লিনিয়ার ডাটা স্ট্রাকচার যা "লাস্ট ইন, ফার্স্ট আউট" (Last In, First Out - LIFO) নীতি অনুসরণ করে। এর অর্থ হলো, যে ডেটা শেষে প্রবেশ করে সেটিই প্রথমে বের হয়। বাস্তব জীবনের উদাহরণ হিসেবে একটার পর একটা রাখা প্লেটের স্তূপের কথা ভাবা যেতে পারে।
-
Push (পুশ): স্ট্যাকে নতুন ডেটা বা উপাদান যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে "পুশ" অপারেশন বলে। এটি স্ট্যাকের একেবারে উপরে নতুন উপাদান যোগ করে।
-
Pop (পপ): স্ট্যাক থেকে ডেটা বা উপাদান সরিয়ে ফেলার প্রক্রিয়াকে "পপ" অপারেশন বলে। এটি স্ট্যাকের একেবারে উপরের উপাদানটিকে সরিয়ে দেয়।
সুতরাং, "Push" এবং "Pop" স্ট্যাক ডাটা স্ট্রাকচারের দুটি মৌলিক অপারেশন।
প্রশ্নঃ নিচের কোনটিতে সাধারণত ইনফ্রারেড ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
TV রিমোট কন্ট্রোলে ইনফ্রারেড ডিভাইস ব্যবহার করা হয়।
টিভি রিমোট কন্ট্রোল ইনফ্রারেড (IR) আলো ব্যবহার করে টেলিভিশনে কমান্ড (যেমন চ্যানেল পরিবর্তন, ভলিউম বাড়ানো-কমানো) পাঠায়। ইনফ্রারেড রশ্মি স্বল্প পাল্লার, সরাসরি দৃষ্টির (line-of-sight) প্রয়োজন হয় এবং এটি দেয়াল বা অন্যান্য বাধার মধ্য দিয়ে যেতে পারে না, যা রিমোট কন্ট্রোলের জন্য উপযুক্ত।
প্রশ্নঃ 8086 কত বিটের মাইক্রো প্রসেসর?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
ইন্টেল ৮০৮৬ (Intel 8086) হলো একটি ১৬-বিটের (16-bit) মাইক্রোপ্রসেসর।
এটি ১৯৭৮ সালে ইন্টেল দ্বারা ডিজাইন করা হয়েছিল এবং x86 আর্কিটেকচারের প্রথম সদস্য ছিল। এর ডেটা বাস ১৬ বিটের, যার অর্থ এটি একবারে ১৬ বিট ডেটা প্রক্রিয়া করতে পারে।
প্রশ্নঃ Mobile Phone-এর কোনটি input device নয়?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে, Power Supply হলো একটি ইনপুট ডিভাইস নয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলো ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে:
- কঃ Keypad: ব্যবহারকারীকে সংখ্যা বা অক্ষর ইনপুট করার সুযোগ দেয়।
- খঃ Touch Screen: স্পর্শের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ইনপুট গ্রহণ করে (যেমন: টাইপ করা, সোয়াইপ করা)। এটি আউটপুট ডিভাইস হিসেবেও কাজ করে।
- গঃ Camera: ছবি বা ভিডিও ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে।
অন্যদিকে, পাওয়ার সাপ্লাই মোবাইল ফোনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, কিন্তু এটি ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কোনো ডেটা বা কমান্ড ইনপুট নেয় না।
প্রশ্নঃ Plotter কোন ধরনের ডিভাইস?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
প্লটার (Plotter) হলো একটি আউটপুট ডিভাইস।
এটি প্রিন্টারের মতোই কাজ করে, তবে বিশেষত কম্পিউটার থেকে প্রাপ্ত ভেক্টর গ্রাফিক্স ডেটা ব্যবহার করে উচ্চ-মানের, বড় আকারের নকশা, মানচিত্র, ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রইং এবং আর্কিটেকচারাল ব্লুপ্রিন্ট ইত্যাদি প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। প্লটার পেন, পেন্সিল বা অন্যান্য ড্রইং টুল ব্যবহার করে কাগজে বা অন্যান্য মাধ্যমে সরাসরি লাইন এঁকে আউটপুট তৈরি করে।
প্রশ্নঃ কম্পিউটার সিস্টেম এ Scanner একটি কোন ধরনের যন্ত্র?
[ বিসিএস ৩৫তম ]
কম্পিউটার সিস্টেমে Scanner একটি ইনপুট (Input) যন্ত্র।
স্ক্যানার ছবি, টেক্সট, বা অন্যান্য ডকুমেন্টকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রবেশ করানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। এই কারণে এটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত।
প্রশ্নঃ Back up প্রোগ্রাম বলতে কী বোঝানো হয়?
[ বিসিএস ৩৫তম ]
ব্যাকআপ প্রোগ্রাম (Backup Program) বলতে বোঝানো হয় একটি সফটওয়্যার বা পদ্ধতি যার মাধ্যমে কম্পিউটার সিস্টেম, সার্ভার বা যেকোনো ডিজিটাল ডিভাইসের ডেটা ও ফাইলগুলোর একটি অনুলিপি (copy) তৈরি করে অন্য কোথাও নিরাপদে সংরক্ষণ করা হয়।
এই অনুলিপি (যাকে 'ব্যাকআপ' বলা হয়) তৈরি করার মূল উদ্দেশ্য হলো, যদি মূল ডেটা কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, হারিয়ে যায়, বা অ্যাক্সেস করা না যায় (যেমন: হার্ডওয়্যার ব্যর্থতা, ভাইরাস আক্রমণ, ভুলবশত মুছে ফেলা, চুরি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ), তবে এই সংরক্ষিত অনুলিপি ব্যবহার করে ডেটা পুনরুদ্ধার (restore) করা যায়।
প্রশ্নঃ একটি প্রতিষ্ঠানে ডিভাইস ভাগাভাগি করে নেয়ার সুবিধা হলো -
[ বিসিএস ৩৫তম ]
একটি প্রতিষ্ঠানে ডিভাইস ভাগাভাগি করে নেওয়ার বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান কিছু সুবিধা নিচে আলোচনা করা হলো:
- খরচ সাশ্রয়: এটি সবচেয়ে বড় সুবিধা। প্রতিটি কর্মীর জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস না কিনে কয়েকটি ডিভাইস ভাগাভাগি করে ব্যবহার করলে হার্ডওয়্যার কেনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেক কমে যায়।
- সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার: কিছু ডিভাইস হয়তো সারাদিন ব্যবহার হয় না বা নির্দিষ্ট কাজের জন্যই লাগে। ভাগাভাগির মাধ্যমে সেই ডিভাইসগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয়, ফলে অব্যবহৃত থাকার সময় কমে আসে।
- সহযোগিতা বৃদ্ধি: অনেক সময় একটি প্রকল্পে একাধিক টিম সদস্যকে একসাথে কাজ করতে হয়। ডিভাইস শেয়ারিং তাদের মধ্যে ফাইল আদান-প্রদান এবং সহযোগিতামূলক কাজকে আরও সহজ করে তোলে।
- সফটওয়্যার লাইসেন্সের খরচ হ্রাস: নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের লাইসেন্স প্রতিটি ডিভাইসের জন্য না কিনে, কিছু লাইসেন্স নিয়ে তা শেয়ার করা ডিভাইসগুলোতে ব্যবহার করা যায়, যা সফটওয়্যারের খরচ কমায়।
- কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা: ডিভাইসগুলো কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হলে আপডেট, নিরাপত্তা প্যাচ প্রয়োগ এবং ডেটা ব্যাকআপের মতো কাজগুলো সহজ হয়। এতে ডেটা হারানোর ঝুঁকি কমে এবং নিরাপত্তা জোরদার হয়।
- স্থান সাশ্রয়: কম সংখ্যক ডিভাইস মানে কম জায়গা লাগে, যা ছোট অফিস বা কর্মস্থলের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।
- পরিবেশগত সুবিধা: কম উৎপাদন মানে কম বর্জ্য, যা পরিবেশের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
তবে, ডিভাইস ভাগাভাগি করার কিছু চ্যালেঞ্জও থাকতে পারে, যেমন: ডেটা নিরাপত্তা, ব্যবহারের সময়সূচি নিয়ে জটিলতা বা ব্যক্তিগতকরণের অভাব। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা জরুরি।
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি ছাড়া Internet-এ প্রবেশ করা সহজ নয়?
[ বিসিএস ৩৫তম ]
ইন্টারনেটে প্রবেশ করার জন্য বেশ কয়েকটি জিনিসের প্রয়োজন হয়, তবে একটি ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহার করা সবচেয়ে কঠিন বা প্রায় অসম্ভব, সেটি হলো ওয়েব ব্রাউজার (Web Browser)।
যদি একটি নির্দিষ্ট জিনিসের কথা বলতে হয়, তাহলে উত্তর হবে:
ওয়েব ব্রাউজার (Web Browser)
ওয়েব ব্রাউজার (যেমন Google Chrome, Mozilla Firefox, Microsoft Edge, Safari) হলো এমন একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যা আপনাকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) এর তথ্য অ্যাক্সেস করতে এবং দেখতে সাহায্য করে। এটি ছাড়া আপনি ওয়েবসাইটগুলোতে প্রবেশ করতে, সার্চ করতে বা অনলাইন কনটেন্ট দেখতে পারবেন না।
অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমন ইন্টারনেট সংযোগ (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার - ISP), একটি ডিভাইস (কম্পিউটার, স্মার্টফোন), এবং প্রোটোকল (HTTP, TCP/IP) সবই দরকারি, কিন্তু ব্রাউজার ছাড়া আপনি সেই সংযোগের মাধ্যমে ওয়েবসাইটগুলো নেভিগেট করতে পারবেন না।
প্রশ্নঃ MICR-এর পূর্ণরূপ কি?
[ বিসিএস ৩৫তম ]
MICR-এর পূর্ণরূপ হলো Magnetic Ink Character Recognition (ম্যাগনেটিক ইঙ্ক ক্যারেক্টার রেকগনিশন)।
এটি একটি প্রযুক্তি যা প্রধানত ব্যাংকিং শিল্পে চেক এবং অন্যান্য আর্থিক নথি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে প্রক্রিয়া করার জন্য ব্যবহৃত হয়। চেকের নিচে যে বিশেষ সংখ্যা ও চিহ্নগুলো ছাপা থাকে, সেগুলো চৌম্বকীয় কালি (magnetic ink) ব্যবহার করে লেখা হয়। MICR রিডার নামক একটি যন্ত্র এই চৌম্বকীয় কালি দ্বারা মুদ্রিত অক্ষরগুলো পড়তে পারে, যা চেকের সত্যতা যাচাই এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে সহায়তা করে।
মোবাইল কমিউনিকেশনে 4G (চতুর্থ প্রজন্ম) 3G (তৃতীয় প্রজন্ম) এর তুলনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য নিয়ে এসেছে, যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে অনেকটাই উন্নত করেছে। প্রধান অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. উচ্চ গতি (Higher Speed)
এটি 4G এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। 3G নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ ডাউনলোড গতি যেখানে সাধারণত 2 Mbps থেকে 21 Mbps (HSPA+) পর্যন্ত হয়, সেখানে 4G LTE (Long-Term Evolution) নেটওয়ার্ক মোবাইলের জন্য 100 Mbps এবং স্থির ডিভাইসের জন্য 1 Gbps পর্যন্ত ডাউনলোড গতি দিতে পারে। এর ফলে:
- দ্রুত ফাইল ডাউনলোড ও আপলোড করা যায়।
- নির্বিঘ্নে ভিডিও স্ট্রিমিং (HD/Full HD) করা যায়।
- ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হয়।
২. কম ল্যাটেন্সি (Lower Latency)
ল্যাটেন্সি হলো ডেটা পাঠানোর পর সেটি পৌঁছাতে যে সময় লাগে। 4G নেটওয়ার্কে 3G এর তুলনায় ল্যাটেন্সি অনেক কম, যার অর্থ ডেটা আদান-প্রদানে কম বিলম্ব হয়। এর সুবিধাগুলো হলো:
- অনলাইন গেমিং আরও মসৃণ হয় (কম ল্যাগ)।
- ভিডিও কল বা অনলাইন কনফারেন্সে কথা বলার সময় বিরতি বা বিলম্ব কমে যায়।
- রিয়েল-টাইম অ্যাপ্লিকেশনগুলো আরও ভালোভাবে কাজ করে।
৩. উন্নত সংযোগের মান (Improved Connection Quality)
4G নেটওয়ার্কে কল ড্রপ হওয়ার হার কম এবং ভয়েস কলের মান উন্নত হয়। ডেটা সংযোগও অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য।
৪. বৃহত্তর ক্ষমতা (Greater Capacity)
4G নেটওয়ার্ক 3G এর তুলনায় একই সময়ে বেশি সংখ্যক ডিভাইসকে সংযুক্ত রাখতে পারে। এটি নেটওয়ার্কের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা এবং নির্ভরযোগ্যতা বাড়ায়, বিশেষ করে জনাকীর্ণ এলাকায়।
৫. উন্নত ব্যান্ডউইডথ (Enhanced Bandwidth)
4G এর ব্যান্ডউইডথ 3G এর তুলনায় অনেক বেশি (যেমন, 3G এর 15-20 MHz এর তুলনায় 4G এর 100 MHz পর্যন্ত), যা একসঙ্গে অনেক বেশি ডেটা বহন করতে সক্ষম।
৬. অল-আইপি (All-IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্ক
4G সম্পূর্ণরূপে আইপি (Internet Protocol) ভিত্তিক নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার ব্যবহার করে, যেখানে 3G ভয়েস কলের জন্য সার্কিট সুইচিং এবং ডেটার জন্য প্যাকেট সুইচিং ব্যবহার করত। এই অল-আইপি আর্কিটেকচার ডেটা ট্রান্সফারকে আরও দক্ষ এবং দ্রুত করে।
৭. উন্নত অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন (Better Application Support)
উচ্চ গতি এবং কম ল্যাটেন্সির কারণে 4G এমন অনেক আধুনিক অ্যাপ্লিকেশন এবং পরিষেবা সমর্থন করে যা 3G তে ভালোভাবে চলত না বা একেবারেই সম্ভব ছিল না। যেমন:
- উচ্চ-মানের ভিডিও স্ট্রিমিং ও কলিং।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) অ্যাপ্লিকেশন।
- ক্লাউড-ভিত্তিক পরিষেবাগুলোর মসৃণ ব্যবহার।
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) ডিভাইসগুলোর জন্য উন্নত সংযোগ।
সংক্ষেপে, 4G মোবাইল কমিউনিকেশনের গতি, নির্ভরযোগ্যতা এবং ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে 3G এর চেয়ে অনেক বেশি উন্নত করেছে, যা বর্তমান স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের চাহিদা পূরণের জন্য অপরিহার্য।
প্রশ্নঃ Oracle Corporation এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
[ বিসিএস ৩৫তম ]
Oracle Corporation এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন তিনজন:
- ল্যারি এলিসন (Larry Ellison)
- বব মাইনর (Bob Miner)
- এড ওটস (Ed Oates)
তারা ১৯৭৭ সালে "Software Development Laboratories (SDL)" নামে এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরে "Relational Software Inc. (RSI)" এবং পরিশেষে ১৯৮২ সালে "Oracle Systems Corporation" (বর্তমানে Oracle Corporation) নামে পরিচিত হয়। ল্যারি এলিসন দীর্ঘদিন ধরে ওরাকলের সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে তিনি এর এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান ও সিটিও (Chief Technology Officer) হিসেবে কর্মরত আছেন।
প্রশ্নঃ The term PC means-
[ বিসিএস ৩৪তম ]
The term PC means Personal Computer।
প্রশ্নঃ ইন্টারনেট চালুর বছর-
[ বিসিএস ৩৩তম ]
ইন্টারনেটের ইতিহাস বেশ পুরনো এবং এর যাত্রা শুরু হয়েছিল স্নায়ুযুদ্ধের সময়। নিচে ইন্টারনেটের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা হলো:
শুরুর দিকের ধাপ (ষাটের দশক):
- ১৯৬৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি প্রকল্প হিসেবে ইন্টারনেটের পূর্বসূরি আরপানেট (ARPANET - Advanced Research Projects Agency Network) চালু হয়।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, এমনকি পারমাণবিক হামলার পরেও যেন বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল থাকে।
- এই নেটওয়ার্কটি প্যাকেট-সুইচিং নামক একটি নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করত। ১৯৬৯ সালের ২৯শে অক্টোবর, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লস অ্যাঞ্জেলেস (UCLA) এবং স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (SRI) মধ্যে প্রথম সফলভাবে ডেটা পাঠানো হয়।
পৃথিবীর প্রথম ল্যাপটপ নির্মাণ করে জাপানের ‘সেইকো ইপসন’ কোম্পানি, যার নাম ছিলো Epson HX-20। এই ল্যাপটপটিতে একটি LCD স্ত্রিন, রিচার্জেবল ব্যাটারি এবং ছোট আকারের প্রিন্টার ছিলো। পুরো ল্যাপটটির ওজন ছিলো প্রায় দেড় কেজি।
প্রশ্নঃ SPARRSO কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
[ বিসিএস ২৬তম | ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
SPARRSO -এর পূর্ণরূপ Space Research and Remote Sensing Organisation অর্থাৎ মহাকাশ গবেষণা এবং দূর অনুধাবন কেন্দ্র। ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের একমাত্র পূর্বাভাস কেন্দ্র SPARRSO ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
প্রশ্নঃ ‘ল্যাপটপ’ কি?
[ বিসিএস ২৪তম ]
ল্যাপটপ হলো ব্রিফকেস আকৃতির সঙ্গে বহনযোগ্য এক ধরনের ছোট কম্পিউটার। যে কোনো স্থানে তাৎক্ষণিকভাবে রেখে এর দ্বারা কাজ করা সম্ভব। ‘এপসন’ কোম্পানি ১৯৮১ সালে এটি প্রথম তৈরি করে।
প্রশ্নঃ কম্পিউটারে কোনটি নেই?
[ বিসিএস ২৩তম ]
কম্পিউটারের নির্ভুলভাবে দ্রুত কাজ করা এবং স্মৃতি সংরক্ষণের ক্ষমতা রয়েছে। তবে শুধু উন্নত মস্তিষ্ক ও জৈবিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাণীরই বুদ্ধি বিবেচনার ক্ষমতা রয়েছে, যা কোনো যন্ত্রের নেই।
প্রশ্নঃ কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন?
[ বিসিএস ২০তম ]
হাওয়ার্ড এইকিন প্রথম স্বয়ংক্রিয় গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন এবং অ্যাবাকাস খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০-৫০০ অব্দে চীন/মিশরে ব্যবহৃত এক ধরনের গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
প্রশ্নঃ কম্পিউটার সফট্ওয়ারের জগতে নামকরা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
[ বিসিএস ১৯তম ]
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার কোম্পানির নাম মাইক্রোসফট। এটি একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক বহুজতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি (হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার) উৎপাদনকারী কোম্পানী। এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রেডমন্ড ওয়াশিংটনে অবস্থিত। এর প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।
প্রশ্নঃ ‘ল্যাপটপ’ হলো এক ধরনের-
[ বিসিএস ১৭তম ]
ল্যাপটপ হলো- ব্রিফকেস আকৃতির এক ধরনের ছোট কম্পিউটার । এটি সহজেই বহনযোগ্য এবং যে কোন স্থানে রেখে কাজ করা যায়। ল্যাপটপের মতো আরোও কিছু ছোট কম্পিউটার হলো লাইফ বুক, নেটবুক, নেটটপ, নোটবুক ইত্যাদি।
মুদ্রণ একটা প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি প্রধান গঠন বা মাপদণ্ড থেকে লেখা ও ছবির প্রতিলিপি তৈরি করা হয়। কাঠের টুকরোয় মুদ্রণের সূচনা ঘটে চীনে প্রায় ২২০ খ্রিষ্টাব্দে। মুদ্রণ করার সবচেয়ে সাধারণ উপাদন কাগজ। এছাড়াও প্রায়শই ধাতু, প্লাস্টিক, কাপড় ও যৌগিক পদার্থের ওপর ও করা হয়। তাই ধাতুনির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়।
প্রশ্নঃ কম্পিউটারের সফটওয়্যার বলতে বুঝানো হয়–
[ বিসিএস ১১তম ]
কম্পিউটারের ‘সফ্টওয়্যার’ বলতে বুঝায় এর প্রোগ্রাম ও কর্ম-পরিচালনার কৌশল এবং ‘হার্ডওয়্যার’ বলতে কম্পিউটারের যান্ত্রিক বিষয়াদি বুঝায়।
প্রশ্নঃ পামটপ কি?
[ ৮ম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয় কোন অংশকে?
[ ৬ষ্ঠ শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ কম্পিউটারে কোনটি নেই?
[ প্রা. প্র. শি. নি. ১২-১০-২০১২ ]
প্রশ্নঃ নিচের কোনটিকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়?
[ প্রা. প্র. শি. নি.১১-১০-২০১২ ]
প্রশ্নঃ কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন?
[ প্রা. প্র. শি. নি.১০-১০-২০১২ ]
প্রশ্নঃ আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয় কাকে?
[ প্রা. প্র. শি. নি. ১২-০৯-২০০৯ ]
প্রশ্নঃ সমস্যা সমাধানের জন্যে বিশেষ অনুক্রমে সাজানো কম্পিউটার নির্দেশকে বলা হয়-
[ প্রা. প্র. শি. নি. ১৮-০৪-২০০৮ ]
প্রশ্নঃ নিচের কোনটিকে কম্পিউটারের মস্তিস্ক বলা হয়?
[ প্রা. প্র. শি. নি. ১৬-০৪-২০০৮ ]
প্রশ্নঃ বর্তমানে কম্পিউটার জগতের কিংবদন্তি কে?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ CPU এর পূর্ণরপ কী?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০৫-২০১৮ ]
প্রশ্নঃ "অ্যাবাকাস" কী?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৯-১০-২০১৬ ]
প্রশ্নঃ কম্পিউটারে কোনটি নেই?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৯-১০-২০১৬ ]
প্রশ্নঃ IC চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার-
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৯-০৪-২০১৪ ]
প্রশ্নঃ পৃথিবীতে কখন ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তিত হয় এবং কোন কোম্পানী এটি তৈরি করে?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-১১-২০১৩ ]
প্রশ্নঃ কম্পিউটার একটি-
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৩-০৪-২০১৩ | রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১২-১২-২০১১ ]
প্রশ্নঃ কম্পিউটার পদ্ধতির দুটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে -
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০১-২০১০ ]
প্রশ্নঃ কম্পিউটার শব্দের অর্থ কী?
[ ১৮তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]
প্রশ্নঃ প্রথম আধুনিক ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম কি?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৫-০৮-২০০৫ ]