The Foreshadowing of Bangladesh গবেষণা গ্রন্থটির লেখক অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এই গ্রন্থে ১৯০৬ থেকে ১৯৪৭ সালের মধ্যে বাংলার মুসলিম রাজনীতি এবং বেঙ্গল মুসলিম লীগের কার্যক্রম বিশদভাবে আলোচিত হয়েছে।
প্রশ্নঃ ‘ভারত ছাড়’ আন্দোলন শুরু হয়—
[ বিসিএস ৪৫তম ]
১৯৪২ সালের ৮ই আগস্ট মহাত্মা গান্ধী বোম্বাইয়ে নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির অধিবেশনে ‘ভারত ছাড়’ আন্দোলনের সূচনা করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটানো এবং ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জন।
এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল ক্রিপস মিশনের ব্যর্থতা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট এবং ভারতীয়দের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাবের ফলে। গান্ধীজির "করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে" (Do or Die) স্লোগান এই আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করেছিল।
‘ভারত ছাড়’ আন্দোলনের তাৎপর্য ছিল সুদূরপ্রসারী। যদিও ব্রিটিশ সরকার কঠোর হাতে এই আন্দোলন দমন করে, তবুও এটি প্রমাণ করে যে ভারতীয়রা আর ব্রিটিশ শাসন মেনে নিতে রাজি নয়। এই আন্দোলন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এটি ব্রিটিশদের উপলব্ধি করতে বাধ্য করে যে ভারতকে আর বেশি দিন পরাধীন করে রাখা সম্ভব নয়।
প্রশ্নঃ ইসলাম ও সুফিমতের প্রভাবে ভারতবর্ষে ঘটেছিল-
[ বিসিএস ৪৪তম ]
ইসলাম ও সুফিমতের প্রভাবে ভারতবর্ষে গঃ চিন্তাবিপ্লব ঘটেছিল।
ইসলামের একেশ্বরবাদ এবং সুফিবাদের প্রেম ও ভক্তিবাদের সমন্বয়ে ভারতীয় সমাজে নতুন চিন্তা ও দর্শনের উন্মেষ হয়। এর কিছু প্রভাব নিচে উল্লেখ করা হলো:
- একেশ্বরবাদের প্রসার: ইসলাম একেশ্বরবাদের ধারণাকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করে, যা ভারতীয় ধর্মীয় চিন্তাধারাকে প্রভাবিত করে।
- বর্ণপ্রথার বিরোধিতা: সুফিবাদের মূল ভিত্তি ছিল মানবতাবাদের উপর, যা বর্ণ ও জাতিভেদের ঊর্ধ্বে সকলের সমানাধিকারের কথা বলে। এর প্রভাবে সমাজে বর্ণপ্রথার কঠোরতা কিছুটা হলেও কমেছিল।
- ভক্তিবাদের উন্নতি: সুফিবাদের প্রেম ও ভক্তির ধারণা ভারতীয় ভক্তি আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। অনেক হিন্দু সন্তও সুফিবাদের এই দিকটির দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- নতুন সাহিত্য ও সঙ্গীতের সৃষ্টি: ইসলামি ও সুফি সংস্কৃতি ভারতীয় সাহিত্য, সঙ্গীত ও স্থাপত্যের সাথে মিশে এক নতুন ধারার সৃষ্টি করে। উর্দু ভাষার জন্ম এবং সুফি গান এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- সহিষ্ণুতার বিকাশ: অনেক সুফি সাধক বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে সমন্বয় সাধনের চেষ্টা করেন এবং ধর্মীয় সহিষ্ণুতার বার্তা দেন।
যদিও এই প্রভাব রাজনৈতিক বা সামাজিক বিপ্লবের মতো ব্যাপক পরিবর্তন আনেনি, তবে এটি নিঃসন্দেহে ভারতীয় চিন্তাধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছিল।
প্রশ্নঃ ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়
[ বিসিএস ৪৩তম ]
‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ ছিল ১৯ জানুয়ারি ১৯২৬। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হলে (বর্তমান সলিমুল্লাহ মুসলিম হল) এই সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠা হয়।
এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন ছিলেন:
- কাজী মোতাহার হোসেন
- কাজী আবদুল ওদুদ
- আবুল হুসেন
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (প্রতিষ্ঠাকালীন সভায় সভাপতিত্ব করেন)
এই সংগঠনটি "বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন"-এর সাথে জড়িত ছিল এবং এর মুখপত্র ছিল শিখা পত্রিকা।
প্রশ্নঃ ‘নির্বাণ’ ধারণাটি কোন ধর্মবিশ্বাসের সাথে সংশ্লিষ্ট?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
সঠিক উত্তর হল খঃ বৌদ্ধধর্ম।
'নির্বাণ' বৌদ্ধধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। এটি দুঃখ ও পুনর্জন্মের চক্র থেকে মুক্তিলাভের চূড়ান্ত অবস্থাকে বোঝায়।
প্রশ্নঃ ব্রিটিশ কৃষি বিপ্লব কখন সংগঠিত হয়েছিলো?
[ বিসিএস ৪২তম ]
ব্রিটিশ কৃষি বিপ্লব ছিল অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরু থেকে উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ইংল্যান্ডে কৃষি উৎপাদন, প্রযুক্তি ও ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি ব্যাপক পরিবর্তন। এই বিপ্লবের ফলে কৃষিক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়, যা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং শিল্প বিপ্লবের পটভূমি তৈরি করে।
কৃষি বিপ্লবের প্রধান কারণ ও বৈশিষ্ট্য:
- নতুন কৃষি পদ্ধতির প্রবর্তন: এই সময়ে শস্য আবর্তন (Crop Rotation) পদ্ধতির ব্যাপক প্রচলন ঘটে। এর ফলে জমির উর্বরতা বজায় রাখা সহজ হয় এবং পতিত জমি ফেলে রাখার প্রয়োজন কমে। চার ফসলী চক্র (Four-Course Rotation), যেখানে গম, টার্নিপ, বার্লি এবং ক্লোভার পর্যায়ক্রমে চাষ করা হতো, বিশেষভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- নতুন যন্ত্রপাতির ব্যবহার: উন্নত ধরনের লাঙ্গল (যেমন রদারহ্যামের চাকাযুক্ত লাঙ্গল), বীজ বপনকারী যন্ত্র (Jethro Tull কর্তৃক উদ্ভাবিত সিড ড্রিল), এবং ফসল কাটার যন্ত্রের ব্যবহার শুরু হয়। এই যন্ত্রপাতিগুলি শ্রমের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে।
- নির্বাচিত প্রজনন (Selective Breeding): গবাদি পশুর উন্নত জাত তৈরির জন্য নির্বাচিত প্রজনন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। এর ফলে মাংস ও দুধের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। রবার্ট বাকওয়েল এই ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
- ভূমি একত্রীকরণ (Enclosure Movement): এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পূর্বে উন্মুক্ত এবং সকলের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত জমিগুলিকে ব্যক্তিগত মালিকানায় আনা হয় এবং বড় খামারে পরিণত করা হয়। এর ফলে কৃষকরা আরও দক্ষতার সাথে জমি ব্যবহার করতে এবং নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করতে সক্ষম হন। তবে, অনেক ছোট কৃষক তাদের জমি হারান এবং শহরে কাজের সন্ধানে যেতে বাধ্য হন।
- নতুন ফসলের চাষ: আলু এবং অন্যান্য নতুন ফসলের চাষ খাদ্য সরবরাহকে আরও বৈচিত্র্যময় ও স্থিতিশীল করে তোলে।
- পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি: খাল এবং রাস্তার উন্নয়নের ফলে কৃষিপণ্য সহজে বাজারজাত করা সম্ভব হয়।
প্রশ্নঃ দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থটির লেখক-
[ বিসিএস ৩৫তম ]
দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থটির লেখক হলেন গ্যারি জে. বাস (Gary J. Bass)।
এই বইটি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং তাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার ওপর রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গবেষণামূলক গ্রন্থ।
প্রশ্নঃ ‘শালবন বিহার’ কোথায়?
[ বিসিএস ৩৩তম ]
শালবন বিহার বাংলাদেশের কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। এটি অষ্টম শতকে দেববংশীয় রাজা ভবদেবের সময়ে নির্মিত হয়েছিল। এর নামকরণ হয়েছে এই কারণে যে এটি একটি বিশাল শালবনের ভেতরে অবস্থিত। এটি একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যা বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শালবন বিহারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- অবস্থান: কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ি, ময়নামতি।
- প্রতিষ্ঠাতা: দেববংশের রাজা ভবদেব।
- সময়কাল: ৮ম শতক।
- গঠন: বিহারটির কেন্দ্রীয় অংশে একটি সুবিশাল মন্দির এবং তার চারপাশে ভিক্ষুদের থাকার জন্য কক্ষ রয়েছে। এটি বর্গাকার আকৃতির।
এই বিহারটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র এবং প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। এখানে খনন করে প্রাচীন মুদ্রা, মূর্তি ও বিভিন্ন ধরনের মৃৎশিল্পের নিদর্শন পাওয়া গেছে।
প্রশ্নঃ ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায়?
[ বিসিএস ১৯তম ]
ট্রয় নগরী তুরস্কে অবস্থিত। ট্রয় নগরীর সাথে মহাবীর হেক্টরের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। সুন্দরী হেলেনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত এ যুদ্ধে হেক্টরকে পরাস্ত করে গ্রিকরা ট্রয় নগরী দখল করে আগুন ধরিয়ে দেয়। গ্রিসের ঐতিহাসিক নগরটির নাম স্পার্টা।
প্রশ্নঃ ‘বাঙ্গালীর ইতিহাস’ বইটির লেখক কে?
[ বিসিএস ১৮তম ]
এটি বাঙালিদের নৃতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে একটি গবেষণাধর্মী গ্রন্হ। এরূপ ইতিহাস বিষয়ক আরো কিছু গ্রন্হ হলো বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (ড. কাজী দীন মুহম্মদ), মোসলেম বাংলার সামাজিক ইতিহাস (মোহাম্মদ আকরম খাঁ) ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায়?
[ বিসিএস ১০তম ]
ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী তুরস্কে অবস্থিত। ট্রয় নগরীর সাথে মহাবীর হেক্টরের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের ইতিহাস জড়িয়ে আছে। সুন্দরী হেলেনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত এ যুদ্ধে হেক্টরকে পরাস্ত করে গ্রিকরা ট্রয় দখল করে আগুন ধরিয়ে দেয়।
প্রশ্নঃ মিশরের সবচেয়ে বড় পিরামিড় 'গির্জার' উচ্চতা কত?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]
প্রশ্নঃ ল্যান্ডস্কেপ কি?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ 'স্বর্গ থেকে বিতাড়ন' - কার আঁকা?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ টিসানের একটি চিত্রকর্ম --
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ পিয়েতো-এর স্রষ্টা কে?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ ব্রুনেলেঙ্কি ছিলেন--
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ নান্দনিক শিল্প কি?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ গোকূল মেড় কি?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ ইসলামী নকশাকলার অন্যতম উপাদান হচ্ছে-
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]