আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. ১৯৪৮ সালে
খ. ১৯৫০ সালে
গ. ১৯৫২ সালে
ঘ. ১৯৫৪ সালে
উত্তরঃ ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যাঃ

১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার লাইব্রেরি হলে ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি’ গঠিত হয়। ভাষা আন্দোলনের সময় এটি গঠিত হয়েছিল এবং এর সভাপতি ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। এই কমিটি ২১শে ফেব্রুয়ারিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও র্যালি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

ক. ১৮ নভেম্বর ১৯৯৯
খ. ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯
গ. ১৯ নভেম্বর ২০০১
ঘ. ২০ নভেম্বর ২০০১
উত্তরঃ ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯
ব্যাখ্যাঃ

UNESCO ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর তারিখে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

ক. মুনীর চৌধুরী
খ. জহির রায়হান
গ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তরঃ আবদুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটি রচনা করেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী

এই গানটি ২১শে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত একটি কালজয়ী গান। এর সুরকার ছিলেন শহীদ আলতাফ মাহমুদ।

ক. লাইবেরিয়া
খ. নামিবিয়া
গ. হাইতি
ঘ. সিয়েরা লিওন
উত্তরঃ সিয়েরা লিওন
ব্যাখ্যাঃ

সিয়েরালিওন বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

২০০২ সালে, ভাষা আন্দোলনের সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরে, এই পশ্চিম আফ্রিকার দেশটি বাংলা ভাষাকে তাদের সরকারি ভাষাগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে ঘোষণা করে। সিয়েরালিওনে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মান প্রদান করা হয়েছিল।

ক. খাজা নাজিম উদ্দিন
খ. নুরুল আমিন
গ. লিয়াকত আলী খান
ঘ. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তরঃ খাজা নাজিম উদ্দিন
ব্যাখ্যাঃ

ভাষা আন্দোলনের সময় (১৯৫২ সাল) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দিন

তিনি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের (তৎকালীন পূর্ব বাংলা) একজন প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ এবং মুসলিম লীগের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। ভাষা আন্দোলনের সময় তার বিতর্কিত ভূমিকা ছিল, কারণ তিনি উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন, যা আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তুলেছিল।

ক. দ্বি-জাতি তত্ত্ব
খ. সামাজিক চেতনা
গ. অসাম্প্রদায়িকতা
ঘ. বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ
উত্তরঃ বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যাঃ

পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলনের মূল ভিত্তি ছিল বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ। ১৯৪৮ সাল থেকে শুরু করে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত পর্যায় পর্যন্ত এই আন্দোলন ছিল মূলত বাঙালি জাতির নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের স্বীকৃতির সংগ্রাম। পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি হওয়া সত্ত্বেও যখন উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা করা হয়, তখন এর বিরুদ্ধে বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং স্বতন্ত্র জাতিসত্তার অনুভূতিই প্রবল হয়ে ওঠে। এটি ছিল বাঙালির আত্মপরিচয়, সংস্কৃতি ও ভাষার প্রতি গভীর মমত্ববোধের প্রকাশ, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ভিত্তি স্থাপন করে।

অন্যান্য বিকল্পগুলো:

  • দ্বি-জাতি তত্ত্ব: এটি ছিল ভারত বিভাগের মূল ভিত্তি, যা মুসলিম ও হিন্দুদের পৃথক জাতি হিসেবে গণ্য করে। ভাষা আন্দোলন এই তত্ত্বের ভুল প্রমাণ করে, কারণ ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক পরিচয় এখানে মুখ্য হয়ে ওঠে।
  • সামাজিক চেতনা: ভাষা আন্দোলনের একটি অংশ সামাজিক চেতনা হলেও, এর মূল চালিকাশক্তি ছিল জাতীয়তাবাদ।
  • অসাম্প্রদায়িকতা: ভাষা আন্দোলন অসাম্প্রদায়িক চেতনার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাঙালি এক হয়েছিল। তবে, এটি ছিল আন্দোলনের একটি বৈশিষ্ট্য, মূল ভিত্তি নয়। মূল ভিত্তি ছিল ভাষার উপর ভিত্তি করে গঠিত বাঙালি জাতিসত্তা।
ক. ৯ মে, ১৯৫৪
খ. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩
গ. ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
ঘ. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা ভাষাকে পাকিস্তান গণপরিষদ ৭ মে, ১৯৫৪ তারিখে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

তবে, এটি ছিল একটি প্রস্তাবনা মাত্র। আনুষ্ঠানিকভাবে এবং সাংবিধানিকভাবে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ২৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে, যখন পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান প্রণীত হয়। সেই সংবিধানের ২১৪(১) অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয় যে, "উর্দু এবং বাংলা হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।"

সুতরাং, যদি 'স্বীকৃতি দেয়' বলতে গণপরিষদে প্রস্তাব পাশ হওয়ার তারিখ বোঝানো হয়, তাহলে উত্তর হবে ৭ মে, ১৯৫৪। আর যদি 'সাংবিধানিক স্বীকৃতি' বোঝানো হয়, তাহলে ২৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬। প্রশ্নের ধরন অনুযায়ী, 'অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়' বলতে সাধারণত ১৯৫৪ সালের তারিখটিকেই বোঝানো হয়।

ক. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা
খ. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
গ. পূর্ববাংলার অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ
ঘ. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী উচ্ছেদ
উত্তরঃ বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা
ব্যাখ্যাঃ

১৯৫৪ সালে পূর্ববঙ্গ প্রাদেশিক নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য ৪ ডিসেম্বর মাওলানা ভাষানীর নেতৃত্ত্বে আওয়ামীলীগ, এ.কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে কৃষক শ্রমিক পার্টি, মাওলানা আতাহার আলী এর নেতৃত্বে নেজাম-ই-ইসলামী এবং হাজী দানেশ এর নেতৃত্বে বামপন্থী গণতন্ত্র দল যুক্তফ্রন্ট নামে নির্বাচনী মোর্চা গঠন করে। যুক্তফ্রন্ট থেকে ২১টি প্রতিশ্রুতি সম্বলিত যে নির্বাচনী মেনিফেস্টো ঘোষণা করা হয় তাই ২১ দফা নামে পরিচিত। উক্ত দফায় ১ম দফা: বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া। ২য় দফা: বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী উচ্ছেদ। ‘প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন’ দাবীটি ৫-৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরে বিরোধী দলের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক পেশকৃত ছয় দফা দাবীর ১ম দফা।

ক. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
খ. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
গ. পূর্ব বাংলার অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ
ঘ. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি স্বত্বের উচ্ছেদ সাধন
উত্তরঃ বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
ব্যাখ্যাঃ

তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগের মতাদর্শের বিপরীতে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর সমমনা কয়েকটি বিরোধীদল ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে একটি ঐক্যজোট গঠন করে। যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল নৌকা এবং ২১ দফা দাবীর ভিত্তিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। ২১ দফা দাবীর প্রথম দাবী ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া।

ক. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
খ. আলতাফ মাহমুদ
গ. আব্দুল লতিফ
ঘ. আব্দুল আলীম
উত্তরঃ আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বিখ্যাত এ গানটি প্রথম প্রকাশিত হয় হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ (১৯৫৩) গ্রন্হে। গানটির প্রথম সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী ছিলেন আব্দুল লতিফ। বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ এবং সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়।

ক. এক রাজনৈতিক মতবাদের
খ. এক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের
গ. এক নতুন জাতীয় চেতনার
ঘ. এক নতুন সমাজ ব্যবস্থার
উত্তরঃ এক নতুন জাতীয় চেতনার
ব্যাখ্যাঃ

ভাষা আন্দোলন নিখিল পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ ভাগ জনগণের মুখের ভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনে এক নতুন জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটে এবং এ চেতনাই ক্রমে ক্রমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের জন্ম দেয়।

ক. নুরুল আমিন
খ. লিয়াকত আলী খান
গ. মোহাম্মদ আলী
ঘ. খাজা নাজিমুদ্দীন
উত্তরঃ খাজা নাজিমুদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ

২৭ জানুয়ারি, ১৯৫২ তৎকালীন পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন কর্তৃক পল্টন ময়দানে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে পুনরায় উর্দুর কথা ঘোষিত হলে ভাষা আন্দোলন বেগবান হয়ে ওঠে এবং ২১ ফেব্রুয়ারির আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। খাজা নাজিমুদ্দীন ১৭ অক্টোবর, ১৯৫১ থেকে ১৭ এপ্রিল, ১৯৫৩ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

ক. আবদুল লতিফ
খ. আবদুল আহাদ
গ. আলতাফ মাহমুদ
ঘ. মাহমুদুন্নবী
উত্তরঃ আলতাফ মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ

গানটির গীতিকার আব্দুল গাফফার চৌধুরী এবং প্রথম সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী ছিলেন আব্দুল লতিফ। বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ এবং বর্তমানে এটি সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়।