আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. শশাঙ্ক
খ. মুর্শিদ কুলি খান
গ. সিরাজউদ্দৌলা
ঘ. আব্বাস আলী মীর্জা
উত্তরঃ মুর্শিদ কুলি খান
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল খঃ মুর্শিদ কুলি খান

মুর্শিদ কুলি খান ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব। তিনি ১৭১৭ সাল থেকে ১৭২৭ সাল পর্যন্ত বাংলা শাসন করেন। যদিও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মুঘল সম্রাটের অধীন ছিলেন, কার্যত তিনি স্বাধীনভাবেই বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা পরিচালনা করতেন।

ক. শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
খ. নাসির উদ্দিন মাহমুদ শাহ
গ. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ঘ. গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ
উত্তরঃ আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যাঃ

বাংলার হুসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের শাসনামলকে (১৪৯৪-১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ) বাংলার স্বর্ণযুগ বলা হয়।

তাঁর শাসনামলে শান্তি, সমৃদ্ধি, ন্যায়বিচার এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছিল। নিচে এর কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো:

  • রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ শাসন বজায় ছিল, যা অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক ছিল।
  • ধর্মীয় সহিষ্ণুতা: তিনি হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের প্রতি সমান উদারতা দেখিয়েছিলেন। অনেক হিন্দু পন্ডিত ও কবি তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন।
  • বাংলা সাহিত্যের উন্নতি: তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা সাহিত্য বিশেষভাবে সমৃদ্ধ হয়। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এই সময়েই তাঁর ধর্মীয় আন্দোলন শুরু করেন এবং বাংলা সাহিত্যকে এক নতুন পথে চালিত করেন। মালাধর বসু শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য রচনা করেন এবং বিজয় গুপ্ত মনসামঙ্গল রচনা করেন।
  • স্থাপত্য ও শিল্পকলা: এই সময়ে সুন্দর সুন্দর মসজিদ, প্রাসাদ ও অন্যান্য স্থাপত্য নির্মিত হয়। শিল্পকলারও যথেষ্ট উন্নতি দেখা যায়।
  • কৃষি ও বাণিজ্যের প্রসার: কৃষির উন্নতি এবং অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রসারের ফলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জিত হয়।

এসব কারণে সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের শাসনামলকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ হিসেবে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়।

ক. ১৪৯৮ – ১৫১৬ খ্রিস্টাব্দে
খ. ১৪৯৮ -১৫১৭ খ্রিস্টাব্দে
গ. ১৪৯৮ – ১৫১৮ খ্রিস্টাব্দে
ঘ. ১৪৯৮ -১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে
উত্তরঃ ১৪৯৮ -১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যাঃ

আলাউদ্দিন হোসেন শাহ্ ১৪৯৪ থেকে ১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বৃহত্তর বাংলা শাসন করেন। তিনি হোসেনশাহী রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং তার শাসনকালকে বাংলা সালতানাতের স্বর্ণযুগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ক. বাংলার বারো ভুঁঞাদের একজন
খ. রাজপুত রাজা
গ. বাংলার শাসক
ঘ. মোগল সেনাপতি
উত্তরঃ বাংলার বারো ভুঁঞাদের একজন
ব্যাখ্যাঃ

প্রতাপ আদিত্য ছিলেন ষোড়শ শতাব্দীর শেষ এবং সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুতে বাংলার ভাটি অঞ্চলের (বর্তমান বৃহত্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, নোয়াখালী এবং সিলেট) একজন শক্তিশালী বারো ভুঁইয়া সর্দার।

তিনি ছিলেন চাঁদ রায়-এর পুত্র এবং কেদার রায়-এর ভাইপো। বারো ভুঁইয়াদের মধ্যে তিনি অন্যতম প্রভাবশালী এবং মুঘলদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য পরিচিত।

প্রতাপ আদিত্যের রাজধানী ছিল বিক্রমপুর (বর্তমান মুন্সিগঞ্জ)। তিনি শক্তিশালী নৌবাহিনী গঠন করেছিলেন এবং মুঘলদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার প্রতিরোধে সফল হয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত মুঘল সুবেদার ইসলাম খানের কাছে তিনি পরাজিত হন এবং বন্দী হন।

প্রতাপ আদিত্য তার সাহসিকতা, রণকৌশল এবং মুঘলদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের জন্য ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন। তিনি বাংলার লোককথায় একজন বীর হিসেবে চিত্রিত হন।

ক. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
খ. মুর্শিদ কুলী খান
গ. ইলিয়াস শাহ
ঘ. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
উত্তরঃ মুর্শিদ কুলী খান
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীন নবাব ছিলেন: মুর্শিদ কুলি খাঁ (Murshid Quli Khan)

১৭১৭ সালে মুঘল সম্রাট ফারুকশিয়র কর্তৃক তিনি বাংলার সুবাহদার (প্রাদেশিক শাসক) নিযুক্ত হন। তবে সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল সাম্রাজ্যের কেন্দ্রীয় ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এই সুযোগে মুর্শিদ কুলি খাঁ কার্যত বাংলার স্বাধীন শাসক হিসেবে নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন এবং ঢাকা থেকে রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন। যদিও তিনি নামমাত্র মুঘল সম্রাটের প্রতি আনুগত্য দেখাতেন, কিন্তু কার্যতঃ তিনি বাংলার স্বাধীন নবাব হিসেবে শাসন করতেন। তাঁর সময় থেকেই বাংলায় স্বাধীন নবাবী শাসনের সূচনা হয়।