আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 গ্লাইসিন (Glycine)
 সেরিন (Serine)
 সিস্টিন (Cistine)
 ভ্যালিন (Valine)
ব্যাখ্যাঃ

মানুষের শরীরে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড নয়টি রয়েছে। এগুলো হলো:

১. ফেনিল্যালানিন (Phenylalanine)
২. ভ্যালিন (Valine)
৩. থ্রিওনিন (Threonine)
৪. ট্রিপটোফান (Tryptophan)
৫. আইসোলিউসিন (Isoleucine)
৬. লিউসিন (Leucine)
৭. লাইসিন (Lysine)
৮. মেথিওনিন (Methionine)
৯. হিস্টিডিন (Histidine) (কিছু ক্ষেত্রে শিশুদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় হিসেবে বিবেচিত)

 Vitamin K
 Vitamin A
 Vitamin B
 Vitamin C
ব্যাখ্যাঃ

রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিনটি হলো ভিটামিন কে

ভিটামিন কে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি কিছু প্রোটিন তৈরি করতে সাহায্য করে যা রক্ত জমাট বাঁধার জন্য অপরিহার্য। ভিটামিন কে-এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে বেশি সময় লাগতে পারে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে।

 ৪ : ১ : ১
 ৪ : ২ : ২
 ৪ : ২ : ৩
 ৪ : ৩ : ২
ব্যাখ্যাঃ

সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বিজাতীয় খাদ্য উপাদানের অনুপাত সাধারণভাবে কঃ ৪ : ১ : ১ ধরা হয়।

এর অর্থ হলো, মোট ক্যালোরির একটি বড় অংশ (প্রায় ৫০-৬০%) শর্করা থেকে আসা উচিত, যেখানে আমিষ এবং চর্বি তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে (প্রত্যেকটি প্রায় ১০-১৫% এবং ২০-৩০% পর্যন্ত) থাকা উচিত। ৪:১:১ অনুপাতটি একটি সাধারণ নির্দেশিকা এবং ব্যক্তিভেদে সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে।

 ভিটামিন বি ১২
 ভিটামিন বি
 ভিটামিন বি
 ভিটামিন বি
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো ঘঃ ভিটামিন বি

ফলিক এসিড ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের একটি অংশ এবং এর অন্য নাম হলো ভিটামিন বি। এটি ফোলেট নামেও পরিচিত। ফলিক এসিড মানব দেহের কোষের বৃদ্ধি ও ডিএনএ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অন্যান্য বিকল্পগুলো ফলিক এসিডের অন্য নাম নয়:

  • ভিটামিন বি১২ (ক): এর রাসায়নিক নাম সায়ানোকোবালামিন।
  • ভিটামিন বি (খ): এর রাসায়নিক নাম পাইরিডক্সিন।
  • ভিটামিন বি (গ): এর রাসায়নিক নাম থায়ামিন।

সুতরাং, ফলিক এসিডের অন্য নাম হলো ভিটামিন বি

 বছরে একবার
 বছরে দুইবার
 বছরে তিনবার
 এর কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো খঃ বছরে দুইবার।

বাংলাদেশে শিশুদের ভিটামিন এ-এর অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধ করার জন্য জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের অধীনে বছরে দুইবার ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। সাধারণত, এই ক্যাম্পেইনগুলো বছরে দুটি নির্দিষ্ট সময়ে (যেমন: গ্রীষ্ম ও শীতকালে) অনুষ্ঠিত হয়।

 প্রোটিন
 ক্যালসিয়াম
 ভিটামিন
 লবণ
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো কঃ প্রোটিন।

এনজাইম, অ্যান্টিবডি এবং হরমোন - এই তিনটি জৈব অণুর মৌলিক উপাদান হলো প্রোটিন।

  • এনজাইম (Enzyme): এগুলো প্রোটিন দ্বারা গঠিত জৈব অনুঘটক যা শরীরের বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়াকে দ্রুততর করে।
  • অ্যান্টিবডি (Antibody): এগুলোও প্রোটিন (ইমিউনোগ্লোবিউলিন) যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু বা বহিরাগত পদার্থের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
  • হরমোন (Hormone): যদিও কিছু হরমোন স্টেরয়েড (যেমন সেক্স হরমোন) বা অ্যামিনো অ্যাসিড ডেরিভেটিভ (যেমন থাইরয়েড হরমোন) হতে পারে, বেশিরভাগ হরমোনই পলিপেপটাইড বা প্রোটিন প্রকৃতির।

অন্যান্য বিকল্পগুলো এই তিনটি জৈব অণুর মৌলিক উপাদান নয়:

  • ক্যালসিয়াম (খ): এটি একটি খনিজ উপাদান যা হাড়ের গঠন, স্নায়ুর কার্যকারিতা এবং অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • ভিটামিন (গ): এগুলো জৈব যৌগ যা শরীরের স্বাভাবিক কার্যকারিতার জন্য অল্প পরিমাণে প্রয়োজন হয়, কিন্তু এরা এনজাইম, অ্যান্টিবডি বা হরমোনের মৌলিক উপাদান নয়। কিছু ভিটামিন কোএনজাইম হিসেবে কাজ করতে পারে, যা এনজাইমের কার্যকারিতার জন্য অপরিহার্য।
  • লবণ (ঘ): এটি সাধারণত সোডিয়াম ক্লোরাইডকে বোঝায় এবং এটি শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, কিন্তু এটি এনজাইম, অ্যান্টিবডি বা হরমোনের মৌলিক উপাদান নয়।

সুতরাং, এনজাইম, অ্যান্টিবডি এবং হরমোনের মৌলিক উপাদান হলো প্রোটিন।

৭. প্রােটিন তৈরি হয়-

[ বিসিএস ৪৩তম ]

 ফ্যাটি এসিড দিয়ে
 সাইট্রিক এসিড দিয়ে
 অ্যামিনাে এসিড দিয়ে
 অক্সালিক এসিড দিয়ে
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল গঃ অ্যামিনাে এসিড দিয়ে

প্রোটিন তৈরি হয় অ্যামিনো অ্যাসিড নামক জৈব অণুর পলিমারাইজেশনের মাধ্যমে। একাধিক অ্যামিনো অ্যাসিড পেপটাইড বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে পলিপেপটাইড গঠন করে, যা পরবর্তীতে ভাঁজ হয়ে ত্রিমাত্রিক গঠন তৈরি করে এবং প্রোটিনে পরিণত হয়।

৮. প্রোটিন তৈরি হয়-

[ বিসিএস ৪১তম ]

 ফ্যাটি এসিড দিয়ে
 নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে
 অ্যামিনো এসিড দিয়ে
 উপরের কোনোটিই নয়
 ১: ১ : ২
 ১ : ২ : ১
 ১ : ৩ : ২
 ১ : ৩ : ১
ব্যাখ্যাঃ কার্বোহাইড্রেটে কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H) এবং অক্সিজেনের (O) অনুপাত সাধারণত 1:2:1 হয়ে থাকে।

এর সাধারণ রাসায়নিক সূত্র হলো: $C_n(H_2O)_n$ অথবা $C_n H_{2n} O_n$, যেখানে 'n' হলো কার্বন পরমাণুর সংখ্যা।

উদাহরণস্বরূপ:

  • গ্লুকোজ (Glucose): $C_6H_{12}O_6$ - এখানে C:H:O এর অনুপাত 6:12:6, যা সরল করলে 1:2:1 হয়।
  • ফ্রুক্টোজ (Fructose): $C_6H_{12}O_6$ - এখানেও C:H:O এর অনুপাত 1:2:1।
  • স্যাকারোজ (Sucrose): $C_{12}H_{22}O_{11}$ - এটি দুটি সরল শর্করার সমন্বয়ে গঠিত এবং এর সরাসরি 1:2:1 অনুপাত নেই। তবে, সরল শর্করাগুলোর মূল কাঠামোয় এই অনুপাত বিদ্যমান।

সুতরাং, সাধারণভাবে কার্বোহাইড্রেটে কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেনের অনুপাত 1:2:1 ধরা হয়।
 ভিটামিন -এ
 ভিটামিন-বি
 ভিটামিন-সি
 ভিটামিন-ডি
ব্যাখ্যাঃ

ডিমে সাধারণত ভিটামিন-সি তেমন পরিমাণে থাকে না।

ডিম ভিটামিন এ, ভিটামিন বি (যেমন বি১২, রাইবোফ্লাভিন, ফোলেট), এবং ভিটামিন ডি-এর একটি ভালো উৎস। তবে, এতে ভিটামিন সি-এর পরিমাণ খুবই কম থাকে বা প্রায় থাকেই না বললেই চলে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গঃ ভিটামিন-সি

 হাইপো-থাইরয়ডিজম(HYPOTHYROIDISM)
 রাতকানা
 এনিমিয়া
 কোয়াশিয়রকর (KWASHIORKOR)
ব্যাখ্যাঃ

দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ/শৈবালের অন্তর্ভুক্তি হাইপো-থাইরয়ডিজম (HYPOTHYROIDISM) রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করবে।

ব্যাখ্যা: সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল আয়োডিনের একটি চমৎকার উৎস। আয়োডিন থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতার জন্য অপরিহার্য। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরয়েড হরমোন নিঃসৃত হয়, যা শরীরের বিপাক ক্রিয়া (metabolism) নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত পরিমাণে হরমোন তৈরি করতে পারে না, যার ফলে হাইপো-থাইরয়ডিজম (থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি) এবং গয়টার (গলগণ্ড) রোগ হতে পারে। তাই, আয়োডিন সমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল গ্রহণ এই রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।

অন্যান্য বিকল্পগুলো:

  • রাতকানা: ভিটামিন A এর অভাবে হয়।
  • এনিমিয়া (রক্তস্বল্পতা): আয়রনের অভাবে হয়।
  • কোয়াশিয়রকর: প্রোটিনের অভাবে হয়।

১২. চা পাতায় কোন ভিটামিন থাকে?

[ বিসিএস ৩৭তম | বিসিএস ২৮তম ]

 ভিটামিন ‘ই’
 ভিটামিন ‘কে’
 ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
 ভিটামিন ‘এ’
ব্যাখ্যাঃ

চা পাতায় ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকে।

এছাড়াও, চা পাতায় ভিটামিন কে (K), ভিটামিন সি (C) এবং কিছু পরিমাণে অন্যান্য ভিটামিনও পাওয়া যায়, তবে ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের উপাদানগুলো (যেমন রাইবোফ্ল্যাভিন, ফলিক অ্যাসিড) উল্লেখযোগ্য পরিমাণে থাকে।

 ট্রিপসিন
 লাইপেজ
 টায়ালিন
 অ্যামাইলেজ
ব্যাখ্যাঃ

আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে ট্রিপসিন (Trypsin)

  • ট্রিপসিন: এটি অগ্ন্যাশয় (pancreas) থেকে নিঃসৃত হয় এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে আমিষ (প্রোটিন) পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • লাইপেজ: চর্বি (ফ্যাট) পরিপাকে সাহায্য করে।
  • টায়ালিন/অ্যামাইলেজ: শ্বেতসার (কার্বোহাইড্রেট) পরিপাকে সাহায্য করে। টায়ালিন লালায় থাকে এবং অ্যামাইলেজ অগ্ন্যাশয় থেকেও নিঃসৃত হয়।
 আমিষ
 স্নেহ
 আয়োডিন
 লৌহ
ব্যাখ্যাঃ

হিমোগ্লোবিন হলো এক প্রকার প্রোটিন। প্রোটিনের বাংলা প্রতিশব্দ হলো আমিষ। যদিও হিমোগ্লোবিনে লৌহ (আয়রন) থাকে এবং তা এর কার্যকারিতার জন্য অপরিহার্য, কিন্তু রাসায়নিকভাবে হিমোগ্লোবিনের মূল গঠনগত উপাদান হলো অ্যামিনো অ্যাসিড দ্বারা গঠিত একটি জটিল প্রোটিন অণু। তাই এটিকে প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় পদার্থ বলা হয়।

 ফসফরাস
 নাইট্রোজেন
 পটাশিয়াম
 সালফার
ব্যাখ্যাঃ ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ মূলত নাইট্রোজেন (Nitrogen) খাদ্য উপাদান গ্রহণ করে।

ইউরিয়া সারে প্রায় ৪৬% নাইট্রোজেন থাকে, যা উদ্ভিদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট (মুখ্য পুষ্টি উপাদান)।

কীভাবে উদ্ভিদ ইউরিয়া থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে?



ইউরিয়া সার মাটিতে প্রয়োগ করার পর সরাসরি উদ্ভিদ দ্বারা গৃহীত হয় না। এটি প্রথমে মাটির অণুজীব (ব্যাকটেরিয়া) এবং জলের সাহায্যে বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যামোনিয়াম ($NH_4^+$) এবং নাইট্রেট ($NO_3^-$) আয়নে রূপান্তরিত হয়। এই অ্যামোনিয়াম এবং নাইট্রেট আয়নগুলোই উদ্ভিদ মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে শোষণ করে।

মাটিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কম থাকা এবং বিভিন্ন উপায়ে মাটি থেকে এর অপচয় হওয়ার কারণে ফসলের ভালো ফলনের জন্য ইউরিয়া সারের ব্যবহার অপরিহার্য।

১৬. সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?

[ বিসিএস ৩৪তম | বিসিএস ২৯তম | বিসিএস ২৮তম ]

 ৪টি
 ৬টি
 ৫টি
 ৮টি
ব্যাখ্যাঃ

সুষম খাদ্যের উপাদান ছয়টি

এই উপাদানগুলো হলো:

  • শর্করা (Carbohydrates)
  • আমিষ (Proteins)
  • স্নেহ বা চর্বি (Fats)
  • ভিটামিন (Vitamins)
  • খনিজ লবণ (Minerals)
  • জল (Water)
 গ্লাইকোজেন
 গ্লুকোজ
 ফ্রুক্টোজ (Fructose)
 সুক্রোজ
ব্যাখ্যাঃ

অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হল গ্লাইকোজেন

আমাদের শরীর যখন প্রয়োজনের অতিরিক্ত শর্করা গ্রহণ করে, তখন সেই অতিরিক্ত শর্করা (গ্লুকোজ) ইনসুলিন হরমোনের সাহায্যে যকৃত (লিভার) এবং পেশিতে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা হয়। পরবর্তীতে যখন শরীরের শক্তির প্রয়োজন হয়, তখন এই গ্লাইকোজেন পুনরায় গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়ে শক্তি সরবরাহ করে।

 ভাত
 গরুর মাংস
 মসুর ডাল
 ময়দা
ব্যাখ্যাঃ
  • প্রতি ১০০ গ্রাম মসুর ডালে প্রোটিনের পরিমান ২৫.১ গ্রাম এবং গরুর মাংসে ২২.৬ গ্রাম।
  • মসুর ডাল বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান খাদ্যশস্য।
  • এর ইংরেজি নাম Red lentil।
  • এই ডাল উচ্চ আমিষসমৃদ্ধ ; ফলে মানব দেহে আমিষের অভাব পূরণ করার জন্য যথেষ্ট।
 আয়োডিন
 আয়রন
 ম্যাগনেসিয়াম
 ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর: ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস

হাড় এবং দাঁতকে মজবুত ও সুস্থ রাখার জন্য ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস অপরিহার্য খনিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের প্রধান উপাদান এবং ফসফরাস ক্যালসিয়ামের সাথে মিলে হাড় ও দাঁতের গঠনকে শক্তিশালী করে।

 এ রোগে মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে
 চিনি জাতীয় খাবার খেলে এ রোগ হয়
 এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
 ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয়
ব্যাখ্যাঃ

ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সঠিক নয় তা হলো চিনি জাতীয় খাবার খেলে এ রোগ হয়

ব্যাখ্যা:

  • ডায়াবেটিস হওয়ার কারণ: ডায়াবেটিস হওয়ার প্রধান কারণ হলো ইনসুলিনের অপর্যাপ্ত উৎপাদন বা ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যাওয়া। অতিরিক্ত চিনি খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে, কিন্তু এটিই একমাত্র কারণ নয়। জেনেটিক কারণ, স্থূলতা এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও এর জন্য দায়ী।
  • ডায়াবেটিস হলে যা ঘটে: এই রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায় (গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়)।
  • কিডনি নষ্ট হওয়া: অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস মানবদেহের কিডনি, চোখ, স্নায়ুতন্ত্র এবং হৃদপিণ্ডের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ রক্তে শর্করা কিডনির ফিল্টারিং ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
  • ইনসুলিনের ভূমিকা: ইনসুলিন একটি হরমোন, যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এর অভাব হলে বা ইনসুলিন তার কাজ সঠিকভাবে করতে না পারলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়, ফলে ডায়াবেটিস হয়।
 অড়হর
 ছোলা
 খেসারি
 মটর
ব্যাখ্যাঃ

খেসারি ডালের সঙ্গে ল্যাথারাইজম (Lathyrism) রোগের সম্পর্ক রয়েছে। খেসারি ডাল অতিরিক্ত পরিমাণে এবং দীর্ঘ সময় ধরে খেলে এতে থাকা বিটা-অক্সালাইল-অ্যামাইনো-এলানাইন (BOAA) নামক নিউরোটক্সিন স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি করে। এর ফলে এই রোগ হয়, যার প্রধান লক্ষণ হলো পা অবশ হয়ে যাওয়া বা পক্ষাঘাত।

২২. দুধে থাকে–

[ বিসিএস ৩২তম ]

 সাইট্রিক এসিড
 ল্যাকটিক এসিড
 নাইট্রিক এসিড
 এসিটিক এসিড
ব্যাখ্যাঃ

দুধে এক ধরনের শর্করা থাকে, যার নাম ল্যাকটোজ। যখন দুধ টকে যায় বা দইয়ে পরিণত হয়, তখন ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে এই ল্যাকটোজ ভেঙে ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তরিত হয়। এই কারণে টক দই বা বাসি দুধে এক ধরনের টক স্বাদ পাওয়া যায়।

দুধে মূলত নিম্নলিখিত উপাদানগুলো থাকে:

  • জল (Water): দুধের প্রায় ৮৭% জল।
  • শর্করা (Carbohydrate): এটি ল্যাকটোজ নামে পরিচিত।
  • চর্বি (Fat): দুধের চর্বি হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তির উৎস।
  • প্রোটিন (Protein): দুধে থাকা প্রধান প্রোটিন হলো কেজিন ও হুই।
  • ভিটামিন (Vitamins): দুধে ভিটামিন A, D, B12, ইত্যাদি থাকে।
  • খনিজ লবণ (Minerals): ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ইত্যাদি।
 অসম্পৃক্ত এলকোহল
 জৈব এসিড
 পলিমার
 এমিনো এসিড
ব্যাখ্যাঃ

কোলেস্টেরল হলো একধরনের প্রাণীজ স্টেরল। স্টেরল হলো উদ্ভিজ্জ তেল ও প্রাণীজ চর্বি। এগুলো দানাদার যৌগ এবং কাঠামোতে একটি হাইড্রোক্সিল গ্রুপ আছে। স্টেরলগুলোকে কঠিন/ অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল বলা হয়। রক্তে এর পরিমাণ বেড়ে গেলে রক্তনালীতে রক্ত সঞ্চালনে বাধাপ্রাপ্ত হয়, ফলে হৃদরোগ দেখা দেয়। গরুর মাংস, খাসির মাংস, কলিজা ডিমের কুসুম ইত্যাদি খাবারে প্রচুর কোলেস্টেরল থাকে। রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে এসব খাবার খাওয়া উচিত নয়।

 এ রোগ মানবদেহের কিডনী নষ্ট করে।
 চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এ রোগ হয়।
 এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পায়
 ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয়।
ব্যাখ্যাঃ

অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হরমোনের অভাবে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিস রোগ দেখা দেয়। চিনি বেশি খেলে এ রোগ হবে এমন তথ্যের সত্যতা নেই।

 ভিটামিন সি
 ভিটামিন বি
 ভিটামিন $$B_2$$
 ভিটামিন কে
ব্যাখ্যাঃ
ভিটামিন
  • ভিটামিন C স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে।
  • ভিটামিন B বেরিবেরি রোগ প্রতিরোধ করে।
  • ভিটামিন B2 মুখে ঘা ও দৈহিক বৃদ্ধি বাঁধা প্রাপ্ত হয়।
  • ভিটামিন K রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে।
 আয়োডিন
 আয়রন
 ম্যাগনেসিয়াম
 ফসফরাস
ব্যাখ্যাঃ

ফসফরাস দাঁত ও অস্থি গঠন, রক্ততঞ্চন, পেশী সংকোচন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্লান্ডের কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয় এবং গলগণ্ড, বামনত্ব প্রভৃতি দেখা দেয়। আয়রন রক্তের হিমোগ্লোবিনের অন্যতম প্রধান উৎস। ম্যাগনেসিয়াম শরীর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

২৭. কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য তা হলো–

[ বিসিএস ১০তম | প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-১১-২০১৩ ]

 ভিটামিন-‘এ’
 ভিটামিন-‘সি’
 লৌহ
 ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যাঃ

কচুশাকের উল্লেখযোগ্য উপাদান লৌহ। তাছাড়া একে ভিটামিন-এ, ক্যালসিয়াম অক্সালেট এবং অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ রয়েছে।