আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 রাইবোসোম
 ক্লোরোপ্লাস্ট
 মাইটোকন্ড্রিয়া
 পারোক্সিসোম
ব্যাখ্যাঃ

কোষের রাইবোসোম নামক অর্গানেলটি পর্দা দ্বারা আবেষ্টিত থাকে না।

কোষের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অর্গানেল, যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বস্তু ইত্যাদি, একটি বা দুটি পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। কিন্তু রাইবোসোমের কোনো ঝিল্লি বা পর্দা নেই। এটি মূলত RNA এবং প্রোটিন দিয়ে গঠিত এবং সাইটোপ্লাজমে মুক্তভাবে অথবা এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের গায়ে যুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে। প্রোটিন সংশ্লেষণ করাই রাইবোসোমের প্রধান কাজ।

 ৪৪ টি
 ৪২ টি
 ৪৬ টি
 ৪৮ টি
ব্যাখ্যাঃ

মানুষের দেহকোষে ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। এগুলো ২৩ জোড়া হিসেবে বিন্যস্ত থাকে। এই ২৩ জোড়ার মধ্যে ২২ জোড়া হলো অটোজোম, যা নারী ও পুরুষ উভয়ের দেহকোষে একই রকম থাকে এবং দৈহিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। বাকি এক জোড়া হলো সেক্স ক্রোমোজোম, যা লিঙ্গ নির্ধারণ করে। মহিলাদের দেহকোষে দুটি X ক্রোমোজোম (XX) এবং পুরুষদের দেহকোষে একটি X ও একটি Y ক্রোমোজোম (XY) থাকে।

অন্যদিকে, মানুষের জননকোষে (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) ক্রোমোজোমের সংখ্যা ২৩টি থাকে, যা দেহকোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক। একে হ্যাপ্লয়েড সংখ্যা বলা হয়। নিষিক্তকরণের সময় জননকোষ মিলিত হয়ে পুনরায় ডিপ্লয়েড সংখ্যক (৪৬টি) ক্রোমোজোমযুক্ত দেহকোষ গঠন করে।

 হৃদযন্ত্রে
 বৃক্কে
 ফুসফুসে
 প্লীহাতে
ব্যাখ্যাঃ

মানুষের রক্তে লোহিত কণিকা প্রধানত প্লীহাতে (Spleen) সঞ্চিত থাকে।

প্লীহাকে প্রায়শই "রক্তের কবরস্থান" বা "রক্তের আধার" বলা হয়, কারণ এটি পুরনো বা ক্ষতিগ্রস্ত লোহিত কণিকাকে ভেঙে ফেলে এবং প্রয়োজনে রক্ত সঞ্চয় করে।

 স্যাংগার ও পলিং
 ওয়াটসন ও ক্রিক
 লুই পাস্তুর ও ওয়াটসন
 পলিং ও ক্রিক
ব্যাখ্যাঃ

ডিএনএ (DNA) অণুর দ্বি-হেলিক্স (Double Helix) কাঠামোর জনক হিসেবে জেমস ওয়াটসন (James Watson) এবং ফ্রান্সিস ক্রিক (Francis Crick)-কে কৃতিত্ব দেওয়া হয়।

১৯৫৩ সালে তাঁরা এই যুগান্তকারী মডেলটি উপস্থাপন করেন। এই আবিষ্কারের জন্য ১৯৬২ সালে ওয়াটসন, ক্রিক এবং মরিস উইলকিন্স (Maurice Wilkins) যৌথভাবে ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। উল্লেখ্য, রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন (Rosalind Franklin)-এর এক্স-রে ডিফ্র্যাকশন ডেটা এই আবিষ্কারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, যদিও তাকে নোবেল পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

 ২
 ৩
 ৪
 ৫
ব্যাখ্যাঃ

আকৃতি, অবস্থান ও কাজের প্রকৃতিভেদে আবরণী টিস্যু (Epithelial Tissue) মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকে। এই প্রকারভেদগুলো কোষের আকৃতির উপর ভিত্তি করে করা হয়:

  1. স্কোয়ামাস (Squamous) আবরণী টিস্যু (আঁইশাকার):

    • আকৃতি: এই টিস্যুর কোষগুলো মাছের আঁশের মতো চ্যাপ্টা এবং এদের নিউক্লিয়াস বড় আকারের হয়।
    • অবস্থান: বৃক্কের বোম্যান্স ক্যাপসুল, রক্তনালীর প্রাচীর, ফুসফুসের অ্যালভিওলাই (বায়ুথলি) ইত্যাদিতে দেখা যায়।
    • কাজ: প্রধানত আবরণ ছাড়াও ছাঁকনির কাজ করে এবং পদার্থের ব্যাপন ও পরিস্রাবণে সাহায্য করে।
  2. কিউবয়ডাল (Cuboidal) আবরণী টিস্যু (ঘনাকৃতি):

    • আকৃতি: এই টিস্যুর কোষগুলো ঘনাকার বা কিউব আকৃতির হয়, অর্থাৎ কোষগুলোর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা প্রায় সমান।
    • অবস্থান: বৃক্কের সংগ্রাহক নালিকা, গ্রন্থিনালী (যেমন লালাগ্রন্থি, ঘর্মগ্রন্থি) ইত্যাদিতে দেখা যায়।
    • কাজ: প্রধানত পরিশোষণ (absorption), ক্ষরণ (secretion) এবং আবরণ কাজে লিপ্ত থাকে।
  3. কলামনার (Columnar) আবরণী টিস্যু (স্তম্ভাকার):

    • আকৃতি: এই টিস্যুর কোষসমূহ স্তম্ভের মতো সরু এবং লম্বা হয়।
    • অবস্থান: প্রাণীর অন্ত্রের অন্তঃপ্রাচীর, পাকস্থলী, পিত্তথলি, শ্বাসনালীর কিছু অংশ ইত্যাদিতে দেখা যায়।
    • কাজ: প্রধানত ক্ষরণ, রক্ষণ এবং শোষণ কাজে নিয়োজিত থাকে। কিছু কলামনার কোষে সিলিয়া (cilia) থাকতে পারে যা পদার্থের চলাচলে সাহায্য করে (যেমন শ্বাসনালীতে)।

এছাড়াও, কোষের স্তরের সংখ্যার ভিত্তিতে আবরণী টিস্যুকে সরল (Simple) (এক স্তরবিশিষ্ট) এবং স্তরীভূত (Stratified) (একাধিক স্তরবিশিষ্ট) আবরণী টিস্যুতে ভাগ করা হয়। আবার, কিছু বিশেষ ধরনের আবরণী টিস্যুও দেখা যায়, যেমন - সিউডোস্ট্রেটিফাইড (Pseudostratified) এবং ট্রানজিশনাল (Transitional) এপিথেলিয়াম। তবে, মৌলিক প্রকারভেদগুলো উল্লিখিত তিনটি আকৃতির উপর ভিত্তি করেই হয়ে থাকে।

 ঐচ্ছিক
 অনৈচ্ছিক
 বিশেষ ধরনের ঐচ্ছিক
 বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক
ব্যাখ্যাঃ

হৃৎপিণ্ড হৃৎপেশি (Cardiac Muscle) নামক এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।

পেশি টিস্যুকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা যায়:

  1. ঐচ্ছিক পেশি (Voluntary Muscle/Skeletal Muscle): এগুলো আমাদের ইচ্ছানুযায়ী চলে, যেমন হাত-পায়ের পেশি।
  2. অনৈচ্ছিক পেশি (Involuntary Muscle/Smooth Muscle): এগুলো আমাদের ইচ্ছাধীন নয়, যেমন পৌষ্টিকনালী বা রক্তনালীর পেশি।
  3. হৃৎপেশি (Cardiac Muscle): এটি একটি বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি যা শুধুমাত্র হৃৎপিণ্ডেই পাওয়া যায়। এর গঠন ঐচ্ছিক পেশির মতো ডোরাকাটা হলেও এর কার্যপ্রণালী অনৈচ্ছিক পেশির মতো। এটি অবিরাম ও ছন্দবদ্ধভাবে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে সারা দেহে রক্ত পাম্প করে, এবং এটি আমাদের ইচ্ছাধীন নয়।
 ২৫ জোড়া
 ২৪ জোড়া
 ২৩ জোড়া
 ২০ জোড়া
ব্যাখ্যাঃ

মানবদেহে সাধারণত ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে ২২ জোড়া স্ত্রী ও পুরুষে একই রকম। এদের অটোজোম বলা হয়। বাকি এক জোড়া মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ করে বলে এদের সেক্স ক্রোমোজোম বলে।

 ৭০%
 ৭২%
 ৭৩%
 ৮০%
ব্যাখ্যাঃ

কোষের সাইটোপ্লাজমের মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে অবস্থিত ধূসর বর্ণের ও শক্তি উৎপাদনের বিশেষ ধরনের অঙ্গগুলোকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলা হয়। একে কোষের পাওয়ার হাউজও বলে। এটি গঠিত হয় DNA, RNA, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের সমন্বয়ে। এতে ৭৩% প্রোটিন, ২৫-৩০% লিপিড এবং সামান্য পরিমাণে RNA, DNA, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে।