আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 লবণ
 পানি
 কার্বন ডাইঅক্সাইড
 সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ ধাতব কার্বোনেটের সাথে এসিডের বিক্রিয়ায় প্রধানত তিনটি জিনিস উৎপন্ন হয়:

১. লবণ (Salt)
২. কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস (Carbon Dioxide Gas, CO₂)
৩. পানি (Water, H₂O:

সুতরাং, ধাতব কার্বোনেটের সাথে এসিডের বিক্রিয়ার সাধারণ রাসায়নিক সমীকরণটি হলো: $$\text{ধাতব কার্বোনেট} + \text{এসিড} \longrightarrow \text{লবণ} + \text{কার্বন ডাই অক্সাইড} + \text{পানি}$$ উদাহরণস্বরূপ, ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের (CaCO₃) সাথে হাইড্রোক্লোরিক এসিডের (HCl) বিক্রিয়া: $$CaCO₃(s) + 2HCl(aq) \longrightarrow CaCl₂(aq) + CO₂(g) + H₂O(l)$$ এই বিক্রিয়ায় ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড (CaCl₂) লবণ, কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস (CO₂) এবং পানি (H₂O) উৎপন্ন হয়।
 CH₂COONa
 CH₃COO)₂Ca
 CH₃COONa
 CHCOONa
ব্যাখ্যাঃ

সোডিয়াম এসিটেটের রাসায়নিক সংকেত হলো CH₃COONa

এটি অ্যাসিটিক অ্যাসিডের (CH₃COOH) সোডিয়াম লবণ।

 হাইড্রোজেন
 অক্সিজেন
 ক্লোরিন
 ব্রোমিন
ব্যাখ্যাঃ

জারক পদার্থ নয় এমন বিকল্পটি হলো হাইড্রোজেন

জারক পদার্থ (Oxidizing Agent) কী?

জারক পদার্থ (Oxidizing agent) হলো এমন রাসায়নিক পদার্থ যা অন্য কোনো পদার্থকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়। জারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রন ত্যাগ হয়, আর বিজারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রন গ্রহণ হয়।

জারক পদার্থগুলো সাধারণত ইলেকট্রন গ্রহণে সক্ষম হয়।

  • অক্সিজেন (খঃ): অক্সিজেন একটি শক্তিশালী জারক পদার্থ। এটি ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা দেখায় এবং অনেক রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অন্য পদার্থকে জারিত করে।

  • ক্লোরিন (গঃ): ক্লোরিন একটি হ্যালোজেন মৌল এবং এটিও একটি শক্তিশালী জারক পদার্থ। এটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে।

  • ব্রোমিন (ঘঃ): ব্রোমিনও একটি হ্যালোজেন মৌল এবং এটিও জারক পদার্থ হিসেবে কাজ করে, যদিও ক্লোরিনের চেয়ে তুলনামূলকভাবে কম শক্তিশালী।

  • হাইড্রোজেন (কঃ): হাইড্রোজেন সাধারণত বিজারক পদার্থ হিসেবে কাজ করে, অর্থাৎ এটি অন্য পদার্থকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয় (ইলেকট্রন ত্যাগ করে)। যদিও কিছু নির্দিষ্ট শর্তে এটি জারক হিসেবে কাজ করতে পারে, তবে সাধারণভাবে এবং প্রশ্নটির প্রেক্ষাপটে এটি জারক পদার্থ নয়।

সুতরাং, এই বিকল্পগুলোর মধ্যে হাইড্রোজেনই জারক পদার্থ নয়।

৪. pH হলো-

[ বিসিএস ৩৫তম ]

 এসিড নির্দেশক
 এসিড ও ক্ষার নির্দেশক
 এসিড ও ক্ষার নির্দেশক
 এসিড, ক্ষার ও নিরপেক্ষতা নির্দেশক
ব্যাখ্যাঃ pH হলো কোনো দ্রবণের অম্লতা বা ক্ষারীয়তা পরিমাপের একটি সূচক (scale)

  • pH এর পূর্ণরূপ হলো "power of hydrogen" বা "potential of hydrogen"।
  • এটি দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়ন ($\text{H}^+$) এর ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদম।

pH স্কেল:

  • pH স্কেলের মান সাধারণত ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত হয়।
  • pH ৭ হলে দ্রবণটি নিরপেক্ষ (Neutral) হয় (যেমন বিশুদ্ধ পানি)।
  • pH ৭ এর কম হলে দ্রবণটি অম্লীয় (Acidic) হয়। pH এর মান যত কম হবে, দ্রবণটি তত বেশি অম্লীয় হবে (যেমন লেবুর রস, ভিনেগার)।
  • pH ৭ এর বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষারীয় (Alkaline/Basic) হয়। pH এর মান যত বেশি হবে, দ্রবণটি তত বেশি ক্ষারীয় হবে (যেমন সাবান পানি, ব্লিচ)।

সংক্ষেপে, pH হলো একটি সংখ্যা যা দেখে বোঝা যায় কোনো তরল কতটা অ্যাসিডিক বা বেসিক।
 CaCO₃
 NaHCO₃
 NH₄HCO₃
 (HN₄)₂CO₃
ব্যাখ্যাঃ বেকিং পাউডার একটি মিশ্র উপাদান, যা মূলত দুটি প্রধান উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত:

  1. বেকিং সোডা (Baking Soda): এর রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম বাইকার্বনেট (Sodium Bicarbonate)। এর সংকেত হলো $\text{NaHCO}_3$। এটি একটি ক্ষারীয় উপাদান।
  2. একটি শুষ্ক অ্যাসিড (Dry Acid): সাধারণত ক্রিম অফ টার্টার (Cream of Tartar) বা মনোক্যালসিয়াম ফসফেট (Monocalcium Phosphate) এর মতো কোনো দুর্বল অ্যাসিড ব্যবহৃত হয়। (ক্রিম অফ টার্টারের রাসায়নিক নাম হলো পটাশিয়াম হাইড্রোজেন টার্টারেট, সংকেত $\text{KHC}_4\text{H}_4\text{O}_6$)।
  3. এছাড়া, আর্দ্রতা শোষণের জন্য এবং উপাদানগুলো বিক্রিয়া করা থেকে বিরত রাখতে প্রায়শই স্টার্চ (Starch) যেমন কর্নস্টার্চ যোগ করা হয়।

সুতরাং, বেকিং পাউডারের মূল উপাদানের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সোডিয়াম বাইকার্বনেট ($\text{NaHCO}_3$)। এটিই সেই উপাদান যা অ্যাসিডের সংস্পর্শে বা তাপের প্রভাবে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে, যা খাবারকে ফুলতে সাহায্য করে।

যদি "মূল উপাদান" বলতে সেই একক উপাদানকে বোঝায় যা কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করে, তবে সংকেতটি হবে $\text{NaHCO}_3$
 নাইট্রিক
 সালফিউরিক
 হাইড্রোক্লোরিক
 পারক্লোরিক
ব্যাখ্যাঃ গাড়ির ব্যাটারিতে যে এসিড ব্যবহৃত হয় তার নাম হলো সালফিউরিক এসিড

এই এসিডটি জলের সাথে মিশ্রিত অবস্থায় ব্যাটারির ইলেকট্রোলাইট (electrolyte) হিসেবে কাজ করে।

সালফিউরিক অ্যাসিড হলো একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ক্ষয়কারী খনিজ অ্যাসিড। এর রাসায়নিক সংকেত হলো $H_2SO_4$

৭. কোনটি জৈব অম্ল?

[ বিসিএস ৩২তম ]

 নাইট্রিক এসিড
 হাইড্রোক্লোরিক এসিড
 এসিটিক এসিড
 সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তরটি হলো গঃ এসিটিক এসিড

ব্যাখ্যা

জৈব অম্ল হলো কার্বনযুক্ত যৌগ, যা মূলত উদ্ভিদ বা প্রাণীজ উৎস থেকে পাওয়া যায়। অ্যাসিটিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত হলো CH₃COOH, যেখানে কার্বনের উপস্থিতি রয়েছে। এটি ভিনেগারের মূল উপাদান।

অন্যদিকে, নাইট্রিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং সালফিউরিক এসিড হলো খনিজ অম্ল বা অজৈব অম্ল। এগুলোতে কার্বন যৌগ থাকে না।

 সালফিউরিক এসিড
 নাইট্রিক এসিড
 সাইট্রিক এসিড
 কার্বোলিক এসিড
ব্যাখ্যাঃ

স্বর্ণের খাদ বা ভেজাল বের করার জন্য সাধারণত নাইট্রিক এসিড (Nitric acid) ব্যবহার করা হয়।

পরীক্ষা পদ্ধতি

স্বর্ণের গহনা বা বস্তুটি একটি কালো পাথরের ওপর ঘষা হয়, যাকে কষ্টিপাথর বলা হয়। এরপর সেই দাগের ওপর নাইট্রিক এসিডের ফোঁটা ফেলা হয়। যদি দাগটি অক্ষত থাকে, তাহলে স্বর্ণ বিশুদ্ধ। যদি এতে কোনো ভেজাল থাকে, তবে এসিডের বিক্রিয়ায় দাগটি মুছে যায়। এই প্রক্রিয়ায় খাদ যত বেশি, বিক্রিয়া তত দ্রুত ও তীব্র হয়।

 মাটির ক্ষয় রোধের জন্য
 মাটির অম্লতা বৃদ্ধির জন্য
 মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য
 মাটির জৈব পদার্থ বৃদ্ধির জন্য
ব্যাখ্যাঃ

কৃষি জমিতে প্রধানত চুন ব্যবহার করা হয় মাটির অম্লতা বা অ্যাসিডিটি কমানোর জন্য। এর ফলে মাটির pH বৃদ্ধি পায় এবং মাটি ফসলের জন্য আরও উপযুক্ত হয়।

 ফিটকিরি
 চুন
 সেভিং সোপ
 কস্টিক সোডা
ব্যাখ্যাঃ অ্যালুমিনিয়াম সালফেটকে চলতি বাংলায় ফিটকিরি বলা হয়।

ফিটকিরি হলো একটি রাসায়নিক যৌগ যা অ্যালুমিনিয়াম এবং সালফেটের একটি লবণ। এর রাসায়নিক সূত্র হলো $Al_2(SO_4)_3$। যদিও ফিটকিরি বলতে সাধারণত পটাসিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট ($KAl(SO_4)_2·12H_2O$) কে বোঝানো হয়, তবে অ্যালুমিনিয়াম সালফেটকেও অনেক সময় সাধারণ ভাষায় ফিটকিরি বলা হয়ে থাকে, বিশেষ করে যখন এটি পানি বিশুদ্ধকরণ বা কাগজ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

ব্যবহার


  • পানি বিশুদ্ধকরণ: এটি পানি থেকে ময়লা এবং অপদ্রব্য সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে।
  • কাগজ তৈরি: এটি কাগজ উৎপাদনে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
  • ঔষধি ব্যবহার: এটি জীবাণুনাশক এবং অ্যাস্ট্রিনজেন্ট (a stringent) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • চামড়া শিল্প: চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে এর ব্যবহার আছে।
 চুন
 সেভিং সোপ
 ফিটকিরি
 কস্টিক সোডা
ব্যাখ্যাঃ পটাসিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের কেলাসকে পটাস এলাম বলা হয়। বাংলা ভাষায় এর নাম ফিটকিরি এবং এর রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে, \(Al_2(SO_4).K_2SO_4.24H_2O\) । চুন হচ্ছে মূলত ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড, যার রাসায়নিক সংকেত \(Ca(OH)_2\)। শেভিং সোপের মূল উপাদান পটাসিয়াম স্টিয়ারেট। সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড \((NaOH)\) হচ্ছে একটি ক্ষার, যা কস্টিক সোডা নামে পরিচিত।

১২. ম্যালিক এসিড-

[ বিসিএস ২৬তম ]

 আমলকিতে পাওয়া যায়
 কমলালেবুতে পাওয়া যায়
 আঙ্গুরে পাওয়া যায়
 টমেটোতে পাওয়া যায়
ব্যাখ্যাঃ

আমলকিতে অক্সালিক এসিড, কমলালেবুতে অ্যাসকরবিক এসিড, আঙ্গুরে টারটারিক এসিড এবং টমেটোতে ম্যালিক অ্যাসিড পাওয়া যায়।

 কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড
 কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিড
 কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এবং কনসেনট্রেটেড্ নাইট্রিক এসিডের মিশ্রণ
 কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রণ
ব্যাখ্যাঃ এক মোল গাঢ় নাইট্রিক এসিড \((HNO_3)\) এবং তিন মোল গাঢ় হাইড্রোক্লোরিক এসিডের \((HCI)\) মিশ্রণকে ‘ অ্যাকোয়া রেজিয়া’ বা রাজাম্ল বলে। স্বর্ণ, প্লাটিনাম প্রভৃতি ধাতু গলাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
 জেলী ও মশলা
 ভোজ্য তেল ও সোডা
 সাবান ও পাউডার
 ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল
ব্যাখ্যাঃ

সাধারণ মানের টুথপেস্টে ৩০% চক পাউডার, ১৫% সাবান, ১০% ট্রাই ও ড্রাই ক্যালসিয়াম ফসফেট এবং ৫.৫% গ্রাম ট্রগোকান্হা মিউসিলেজ রয়েছে।

 নাইট্রিক এসিড
 সালফিউরিক এসিড
 এমোনিয়াম ক্লোরাইড
 হাইড্রোক্লোরিক এসিড
ব্যাখ্যাঃ

স্টোরেজ ব্যাটারিতে অ্যানোড ও ক্যাথোড হিসেবে তামার ও দস্তার পাত সালফিউরিক এসিডে ডুবিয়ে রাখা হয়।