আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. ট্যাকোমিটার
খ. অ্যালটিমিটার
গ. ওডোমিটার
ঘ. অডিওমিটার
উত্তরঃ ট্যাকোমিটার
ব্যাখ্যাঃ

উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম হলো এয়ারস্পিড ইন্ডিকেটর (Airspeed Indicator)

এই যন্ত্রটি পিটট-স্ট্যাটিক সিস্টেমের মাধ্যমে কাজ করে। পিটট টিউব বাতাসের চাপ (গতিশীল চাপ) পরিমাপ করে এবং স্ট্যাটিক পোর্ট স্থির বাতাসের চাপ পরিমাপ করে। এই দুটি চাপের পার্থক্য থেকে এয়ারস্পিড ইন্ডিকেটর উড়োজাহাজের গতি নির্দেশ করে।

কিছু ক্ষেত্রে, বিশেষ করে পুরনো নথিতে অথবা সাধারণভাবে জিজ্ঞাসার ক্ষেত্রে ট্যাকোমিটার (Tachometer) নামটিও ব্যবহার করা হতে পারে, যদিও ট্যাকোমিটার মূলত ঘূর্ণায়মান বস্তুর কৌণিক গতিবেগ পরিমাপের যন্ত্র। উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে এয়ারস্পিড ইন্ডিকেটরই বিশেষভাবে বাতাসের সাপেক্ষে গতি নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

ক. দূরত্ব
খ. সময়
গ. ভর
ঘ. ওজন
উত্তরঃ দূরত্ব
ব্যাখ্যাঃ

আলোকবর্ষ ব্যবহার করে মূলত মহাকাশীয় দূরত্ব পরিমাপ করা হয়।

এক আলোকবর্ষ হলো সেই দূরত্ব যা আলো এক বছরে অতিক্রম করে। যেহেতু মহাবিশ্বের নক্ষত্র এবং অন্যান্য জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তুর দূরত্ব অনেক বেশি, তাই কিলোমিটার বা মাইলের মতো ছোট এককে এই দূরত্ব মাপা কঠিন। আলোকবর্ষ এই বিশাল দূরত্ব পরিমাপের জন্য একটি সুবিধাজনক একক।

এক আলোকবর্ষ প্রায় 9.46 ট্রিলিয়ন কিলোমিটার এর সমান।

ক. মাইকোমিটার
খ. হাইগ্রোমিটার
গ. ব্যারোমিটার
ঘ. গ্রাভিমিটার
উত্তরঃ হাইগ্রোমিটার
ব্যাখ্যাঃ

বাতাসের আর্দ্রতা মাপার যন্ত্রের নাম হলো হাইগ্রোমিটার (Hygrometer)

হাইগ্রোমিটার বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য বিকল্পগুলো:

  • মাইকোমিটার (Micrometer): এটি খুব ছোট দৈর্ঘ্য বা পুরুত্ব মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • ব্যারোমিটার (Barometer): এটি বায়ুমণ্ডলীয় চাপ মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • গ্রাভিমিটার (Gravimeter): এটি মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
ক. তাপ পরিমাপক যন্ত্র
খ. উষ্ণতা পরিমাপক যন্ত্র
গ. গ্যাসের চাপ পরিমাপক যন্ত্র
ঘ. উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
উত্তরঃ উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
ব্যাখ্যাঃ

অ্যালটিমিটার হলো একটি যন্ত্র, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কোনো বস্তুর উচ্চতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত বিমান, মহাকাশযান, পর্বতারোহণ, এবং ড্রোনের মতো ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেখানে নির্দিষ্ট উচ্চতা পরিমাপ করা জরুরি।

কার্যকারিতা

অ্যালটিমিটার মূলত বায়ুমণ্ডলের চাপের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে যত উপরে ওঠা যায়, বায়ুমণ্ডলের চাপ তত কমতে থাকে। অ্যালটিমিটার এই বায়ুচাপের পরিবর্তনকে উচ্চতায় রূপান্তর করে।

এর দুটি প্রধান প্রকারভেদ রয়েছে: ১. ব্যারোমেট্রিক অ্যালটিমিটার: এটি বায়ুচাপের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। ২. রেডিও অ্যালটিমিটার: এটি বিমান থেকে ভূমিতে রেডিও সংকেত পাঠিয়ে এবং ফিরে আসা সংকেত পরিমাপ করে সরাসরি ভূমির ওপর থেকে উচ্চতা নির্ণয় করে।

ক. কিলোগ্রাম
খ. পাউন্ড
গ. গ্রাম
ঘ. আউন্স
উত্তরঃ কিলোগ্রাম
ব্যাখ্যাঃ

MKS পদ্ধতি হলো পরিমাপের একটি একক পদ্ধতি, যেখানে তিনটি মৌলিক রাশিকে মূল একক হিসেবে ধরা হয়। এই পদ্ধতির নাম এসেছে ইংরেজি তিনটি শব্দের আদ্যক্ষর থেকে: M (Meter), K (Kilogram), এবং S (Second)।

MKS পদ্ধতির মৌলিক এককসমূহ

  • দৈর্ঘ্যের একক: মিটার (m)
  • ভরের একক: কিলোগ্রাম (kg)
  • সময়ের একক: সেকেন্ড (s)

এই পদ্ধতিটি মূলত বলবিদ্যার পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হতো এবং এটি SI (Systeme International d' Unites) বা আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ১৯৬০ সালে SI পদ্ধতি চালু হওয়ার পর MKS পদ্ধতি আরও সম্প্রসারিত হয়ে আধুনিক আন্তর্জাতিক একক ব্যবস্থায় পরিণত হয়।

ক. ওডোমিটার
খ. ক্রনোমিটার
গ. ট্যাকোমিটার
ঘ. ক্রেসকোগ্রাফ
উত্তরঃ ক্রেসকোগ্রাফ
ব্যাখ্যাঃ

উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রটির নাম হলো ক্রেসকোগ্রাফ (Crescograph)

এই যন্ত্রটি বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু আবিষ্কার করেছিলেন। এটি উদ্ভিদের অতি সূক্ষ্ম বৃদ্ধিও পরিমাপ করতে পারে। এছাড়া, উদ্ভিদের বৃদ্ধি মাপার জন্য অক্সানোমিটার (Auxanometer) নামে আরেকটি যন্ত্রও ব্যবহৃত হয়।

ক. নিউটন ও মিটার
খ. জুল ও ডাইন
গ. ওয়াট ও পাউন্ড
ঘ. প্যাসকেল ও কিলোগ্রাম
উত্তরঃ জুল ও ডাইন
ব্যাখ্যাঃ

কাজ এবং বলের একক হলো:

  • কাজের একক: কাজের এস.আই. (SI) একক হলো জুল (Joule)
  • বলের একক: বলের এস.আই. (SI) একক হলো নিউটন (Newton)

এক নিউটন বল প্রয়োগে কোনো বস্তুর সরণ যদি বলের দিকে এক মিটার হয়, তাহলে সম্পন্ন হওয়া কাজের পরিমাণকে এক জুল বলা হয়। অর্থাৎ, ১ জুল = ১ নিউটন × ১ মিটার

ক. ৩৯.৪৭
খ. ৩৭.৩৯
গ. ৩৯.৩৭
ঘ. ৩৭.৪৯
উত্তরঃ ৩৯.৩৭
ব্যাখ্যাঃ ১ মিটার সমান ৩৯.৩৭ ইঞ্চি। ### ব্যাখ্যা: - ১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার - ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার সুতরাং, \[ ১ \text{ মিটার} = \frac{১০০ \text{ সেন্টিমিটার}}{২.৫৪ \text{ সেন্টিমিটার/ইঞ্চি}} = ৩৯.৩৭ \text{ ইঞ্চি} \] উত্তর: \[ \boxed{৩৯.৩৭ \text{ ইঞ্চি}} \]
ক. ফ্যাদোমিটার
খ. জাইরো কম্পাস
গ. সাবমেরিন
ঘ. এনিওমিটার
উত্তরঃ ফ্যাদোমিটার
ব্যাখ্যাঃ

পানির গভীরতা মাপার যান্ত্রিক সরঞ্জাম ফ্যাদোমিটার। এ যন্ত্রের কার্যকারিতা শব্দের প্রতিধ্বনির ওপর নির্ভরশীল। ধ্বনির উৎপত্তি থেকে ফিরে আসা প্রতিধ্বনির সময়ের পার্থক্য থেকে গভীরতা নির্ণয় করা হয়।

ক. ০.০৯২৯
খ. ৭.৩২
গ. ৬.৪৫
ঘ. ৬৪.৫০
উত্তরঃ ৬.৪৫
ব্যাখ্যাঃ

১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সে.মি. ∴ ১ বর্গ ইঞ্চি = (২.৫৪ × ২,৫৪) বর্গ সে.মি. = ৬.৪৫ বর্গ সে.মি.

ক. ১ কিলোগ্রাম
খ. ১০ কিলোগ্রাম
গ. ১০০ কিলোগ্রাম
ঘ. ১০০০ কিলোগ্রাম
উত্তরঃ ১০০ কিলোগ্রাম
ব্যাখ্যাঃ

১ কুইন্টাল = ১০০ কিলোগ্রাম।

ক. ২.০৫৭৩৪
খ. ০.২০৫৭৩৪
গ. ০.০২০৫৭৩৪
ঘ. ২০.৫৭৩৪০
উত্তরঃ ০.০২০৫৭৩৪
ব্যাখ্যাঃ \[ ১ \text{ কিলোগ্রাম} = ১,০০০,০০০ \text{ মিলিগ্রাম} \] ধরি আমাদের ২০৫৭৩.৪ মিলিগ্রাম আছে: \[ ২০৫৭৩.৪ \text{ মিলিগ্রাম} = \frac{২০৫৭৩.৪}{১,০০০,০০০} \text{ কিলোগ্রাম} \] \[ = ০.০২০৫৭৩৪ \text{ কিলোগ্রাম} \] অতএব, ২০৫৭৩.৪ মিলিগ্রাম হলে ০.০২০৫৭৩৪ কিলোগ্রাম।
ক. ৩৭.৩৯ ইঞ্চি
খ. ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
গ. ৩৯.৪৭ ইঞ্চি
ঘ. ৩৮.৫৫ ইঞ্চি
উত্তরঃ ৩৯.৩৭ ইঞ্চি