আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু কত সালে এবং কোন শহরে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন?

[ বিসিএস ৪২তম ]

ক. ১৯৭২, কায়রো
খ. ১৯৭৪, নয়াদিল্লী
গ. ১৯৭৫, বেলগ্রেড
ঘ. ১৯৭৩, আলজিয়ার্স
উত্তরঃ ১৯৭৩, আলজিয়ার্স
ব্যাখ্যাঃ

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (Non-Aligned Movement - NAM) হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক জোট। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদী জোট (ন্যাটো) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বাধীন সমাজতান্ত্রিক জোট (ওয়ারশ প্যাক্ট) - এই দুটি প্রধান সামরিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বলয়ের বাইরে রাখা।

প্রতিষ্ঠা ও প্রেক্ষাপট:

  • প্রতিষ্ঠা: ১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়ার (বর্তমান সার্বিয়ার) বেলগ্রেডে প্রথম জোট নিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে এই আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
  • প্রতিষ্ঠাতা: এই আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, যুগোস্লাভিয়ার রাষ্ট্রপতি জোসিপ ব্রোজ টিটো, মিশরের রাষ্ট্রপতি জামাল আবদেল নাসের, ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি সুকর্ণ এবং ঘানার রাষ্ট্রপতি Kwame Nkrumah।
  • পটভূমি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অনেক নতুন স্বাধীন রাষ্ট্র বিশ্ব মঞ্চে নিজেদের স্থান করে নিচ্ছিল। স্নায়ুযুদ্ধের তীব্রতায় এই দেশগুলো দুটি প্রধান শিবিরে যোগদানের চাপ অনুভব করছিল। জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন এই দেশগুলোকে নিজেদের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখতে এবং কোনো বৃহৎ শক্তির তাঁবেদারি না করতে একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে।

বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক:

বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে যোগদান করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে আলজেরিয়ায় অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে অংশগ্রহণ করেন। এই জোট বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং বাংলাদেশ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের নীতি ও আদর্শের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে।