প্রশ্নঃ জামাল নজরুল ইসলাম কে?
[ বিসিএস ৩৪তম ]
জামাল নজরুল ইসলাম (জন্ম: ১৯৩৯, ঝিনাইদহ - মৃত্যু: ২০১৩, ঢাকা) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও বিশ্বতাত্ত্বিক (Cosmologist)। তিনি কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole) এবং আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব (General Relativity) নিয়ে গবেষণার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
তাঁর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- শিক্ষাজীবন: তিনি ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং সেন্ট গ্রেগরী হাই স্কুল থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এসসি. এবং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ. ও পিএইচ.ডি. ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (ক্যালটেক) এবং প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিশ্বসেরা প্রতিষ্ঠানেও গবেষণা করেছেন।
- কর্মজীবন: তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, কিং'স কলেজ লন্ডন, ইউনিভার্সিটি কলেজ কার্ডিফ এবং প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও গবেষণার কাজ করেছেন। ১৯৮৪ সালে তিনি দেশে ফিরে এসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং সেন্টার ফর ম্যাথমেটিকাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স (সিএমপিএস) প্রতিষ্ঠা করেন।
- গবেষণা ও অবদান: তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্র ছিল গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞান, বিশেষ করে মহাকর্ষ এবং বিশ্বতত্ত্ব। তিনি আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ওপর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এবং কৃষ্ণগহ্বর ও মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে মৌলিক গবেষণা করেন।
- স্বীকৃতি ও পুরস্কার: বিজ্ঞান গবেষণায় তাঁর অবদানের জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক একুশে পদক (১৯৯৫) লাভ করেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন সম্মাননা পেয়েছেন।
- প্রকাশনা: তাঁর বেশ কিছু গবেষণাপত্র ও বই প্রকাশিত হয়েছে, যার মধ্যে 'The Ultimate Fate of the Universe' (মহাবিশ্বের চূড়ান্ত পরিণতি) বইটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং এটি বহুল প্রশংসিত।
- দেশের প্রতি ভালোবাসা: বিদেশে উচ্চমানের গবেষণার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশে ফিরে এসে দেশের বিজ্ঞান শিক্ষায় অবদান রেখে গেছেন।
সংক্ষেপে, জামাল নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী যিনি পদার্থবিজ্ঞান ও বিশ্বতত্ত্ব গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
Related MCQ
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন গঠন হয়?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission - BPSC) গঠিত হয় ৮ এপ্রিল ১৯৭২ সালে। এটি একটি সাংবিধানিক ও স্বাধীন সংস্থা, যার মূল দায়িত্ব হলো সরকারি চাকরিতে নিয়োগ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা।
সংবিধানের ১৩৭ থেকে ১৪১ অনুচ্ছেদে এই কমিশনের গঠনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা উল্লেখ রয়েছে। প্রথমে দুটি পাবলিক সার্ভিস কমিশন গঠন করা হলেও পরে একীভূত করে একটি কমিশন চালু করা হয়।
কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য গত ২০২০ সালে প্রবর্তিত পুরস্কারের নাম হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কূটনীতি উৎকর্ষ পদক।
এই পদকটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রবর্তিত হয়েছে এবং এটি প্রতি বছর কূটনীতিকদের তাদের অসামান্য অবদানের জন্য প্রদান করা হয়।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ সদস্য নয় :
[ বিসিএস ৪৫তম ]
সঠিক উত্তর হলো গঃ NATO।
বাংলাদেশ নিম্নলিখিত সংস্থাগুলোর সদস্য:
- কঃ ILO (International Labour Organization - আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা)
- খঃ SAARC (South Asian Association for Regional Cooperation - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা)
- ঘঃ BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation - বঙ্গোপসাগরীয় বহুমাত্রিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগ)
NATO (North Atlantic Treaty Organization - উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা) হলো উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের কয়েকটি দেশের সামরিক জোট। বাংলাদেশ এই সামরিক জোটের সদস্য নয়।
প্রশ্নঃ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন উৎপাদনে সম্প্রতি চীনের সাথে বাংলাদেশের কোন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন উৎপাদনে সম্প্রতি চীনের সাথে বাংলাদেশের ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড-এর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের তৈরি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বাংলাদেশে উৎপাদন করবে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ কত সালে OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (OIC - Organisation of Islamic Cooperation)-এর সদস্যপদ লাভ করে।
বিস্তারিত:
- ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC সম্মেলনে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সম্মেলনে বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান অংশগ্রহণ করেছিলেন।
- পাকিস্তানের স্বীকৃতির পর বাংলাদেশকে এই সংগঠনে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
চীন থেকে ক্রয়কৃত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজ দুটি মিং-ক্লাস (Type 035G) শ্রেণির। এই ডুবোজাহাজ দুটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে নবযাত্রা (BNS Nabajatra) এবং জয়যাত্রা (BNS Joyjatra) নামে কমিশন লাভ করেছে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ কোনটির সদস্য নয়?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
সঠিক উত্তর হল খঃ OAS।
OAS এর পূর্ণরূপ হলো Organization of American States। এটি আমেরিকার মহাদেশের (উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা) স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর একটি আঞ্চলিক সংস্থা। বাংলাদেশ এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় সংস্থাটির সদস্য নয়।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ BCIM-EC (Bangladesh-China-India-Myanmar Economic Corridor), OIC (Organization of Islamic Cooperation) এবং BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation)-এর সক্রিয় সদস্য।
প্রশ্নঃ ডিসেম্বর ২০২০ বাংলাদেশ ভারত ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে কয়টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়?
[ বিসিএস ৪২তম ]
ডিসেম্বর ২০২০ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে সাতটি (৭) সমঝোতা স্মারক (Memorandum of Understanding - MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
এই সমঝোতা স্মারকগুলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত হয়। ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে ছিল-
- বিদ্যুৎ
- জ্বালানি
- কৃষি
- পরিবেশ
- সামাজিক
- উন্নয়ন
- সাংস্কৃতিক বিনিময়
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (Bangladesh Public Service Commission - BPSc) একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবিধানিক সংস্থা। এটি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করে।
প্রতিষ্ঠা ও ভিত্তি:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ থেকে ১৪১ অনুচ্ছেদে এই কমিশনের গঠন ও কার্যাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে।
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে প্রথম সরকারি কর্মকমিশন গঠিত হয়। পরবর্তীতে সংবিধানের আলোকে এর আইনি ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হয়।
প্রধান কার্যাবলী:
- সরকারি পদে নিয়োগের জন্য বিধি ও পদ্ধতি প্রণয়ন করা।
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি সংস্থার চাহিদার ভিত্তিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা।
- নিয়োগের জন্য পরীক্ষা (লিখিত ও মৌখিক) এবং অন্যান্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আয়োজন ও পরিচালনা করা।
- পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত ও প্রকাশ করা এবং যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা।
- সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি ও অন্যান্য পেশাগত বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়া।
- শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়া।
- কমিশনের কার্যাবলী সম্পর্কে বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা।
গঠন:
- সরকারি কর্মকমিশনে একজন চেয়ারম্যান এবং কয়েকজন সদস্য থাকেন।
- চেয়ারম্যান ও সদস্যদের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ দান করা হয়।
- তাদের কার্যকাল এবং অন্যান্য শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত হয়।
প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু কত সালে এবং কোন শহরে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন?
[ বিসিএস ৪২তম ]
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (Non-Aligned Movement - NAM) হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক জোট। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদী জোট (ন্যাটো) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বাধীন সমাজতান্ত্রিক জোট (ওয়ারশ প্যাক্ট) - এই দুটি প্রধান সামরিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বলয়ের বাইরে রাখা।
প্রতিষ্ঠা ও প্রেক্ষাপট:
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়ার (বর্তমান সার্বিয়ার) বেলগ্রেডে প্রথম জোট নিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে এই আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: এই আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, যুগোস্লাভিয়ার রাষ্ট্রপতি জোসিপ ব্রোজ টিটো, মিশরের রাষ্ট্রপতি জামাল আবদেল নাসের, ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি সুকর্ণ এবং ঘানার রাষ্ট্রপতি Kwame Nkrumah।
- পটভূমি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অনেক নতুন স্বাধীন রাষ্ট্র বিশ্ব মঞ্চে নিজেদের স্থান করে নিচ্ছিল। স্নায়ুযুদ্ধের তীব্রতায় এই দেশগুলো দুটি প্রধান শিবিরে যোগদানের চাপ অনুভব করছিল। জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন এই দেশগুলোকে নিজেদের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখতে এবং কোনো বৃহৎ শক্তির তাঁবেদারি না করতে একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে।
বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক:
বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে যোগদান করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে আলজেরিয়ায় অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে অংশগ্রহণ করেন। এই জোট বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং বাংলাদেশ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের নীতি ও আদর্শের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে।
ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ) এর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশ সভাপতি হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশও ২০২০ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত এর সভাপতি ছিল। বাংলাদেশ ২০২০-২০২২ সালের জন্য Climate Vulnerable Forum এর চেয়্যারপারসন হিসেবে মনোনিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা CVF এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বাংলাদেশের পূর্বে ইথিওপিয়া এবং মার্শাল আইল্যান্ড CVF এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন কবে হয়?
[ বিসিএস ৪১তম ]
বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ।
এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়?
[ বিসিএস ৪১তম ]
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদ কর্তৃক জুলিও কুরি শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।
পরাধীনতা থেকে মুক্তি এবং বিশ্ব শান্তিতে অসামান্য অবদানের জন্য এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছিল। এটি ছিল বাংলাদেশের জন্য প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক সম্মাননা।
জুলিও কুরি ছিলেন বিখ্যাত ফরাসি বিজ্ঞানী ও শান্তিকর্মী এবং বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভাপতি। তার নামানুসারে এই পুরস্কার প্রবর্তিত হয়।
প্রশ্নঃ কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়?
[ বিসিএস ৪১তম ]
কাগমারী সম্মেলন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন, যা টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষের কাগমারীতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই সম্মেলনটি ১৯৫৭ সালের ৮ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলেছিল।
এই সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। তিনি তৎকালীন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে এই সম্মেলনের আয়োজন করেন।
কাগমারী সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য:
- পাকিস্তানের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ: সম্মেলনের মাধ্যমে মওলানা ভাসানী এবং পূর্ব পাকিস্তানের অন্যান্য নেতারা পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি তাদের তীব্র অসন্তোষ ও অনাস্থা প্রকাশ করেন।
- পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবি: সম্মেলনে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের দাবি জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়।
- আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়: এই সম্মেলনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব ও কূটনীতিকরা অংশগ্রহণ করেন, যার মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অধিকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করা হয়।
- ভাষা ও সংস্কৃতির গুরুত্ব: সম্মেলনে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয় এবং এর স্বাধিকারের কথা বলা হয়।
- ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন: পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি বৃহত্তর আন্দোলনের সূচনা করাই ছিল এই সম্মেলনের অন্যতম লক্ষ্য।
বাংলা ভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে সিয়েরা লিওন।
পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটি ১৯৯১-২০০২ সালের গৃহযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে বাংলা ভাষাকে অন্যতম সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়।
এটি বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত!
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ প্রথম জাতীয় সংসদের নির্বাচন হয় –
[ বিসিএস ৪০তম ]
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ।
এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসনে জয়লাভ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন।
অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে:
- জাতীয় লীগ ১টি আসন লাভ করে।
- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ১টি আসন লাভ করে।
- স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৫টি আসনে জয়ী হন।
এই নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৩,৫২,০৫,৬৪২ জন এবং ভোটদানের হার ছিল ৫৪.৯%।
সরকারি কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission - BPSC) হলো বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত ও সাংবিধানিক সংস্থা। এর প্রধান কাজ হলো প্রজাতন্ত্রের (সরকারি) কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করা।
এখানে সরকারি কর্ম কমিশন সম্পর্কে কিছু মৌলিক তথ্য তুলে ধরা হলো:
প্রতিষ্ঠা ও আইনি ভিত্তি:
- এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে এই কমিশন গঠনের কথা বলা হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ এপ্রিল ১৯৭২ সালে (রাষ্ট্রপতির ৩৪ নং আদেশবলে)।
- পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালের ২২ ডিসেম্বর দুটি কমিশনকে (প্রথম ও দ্বিতীয়) একত্রিত করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন নামকরণ করা হয়।
- বর্তমানে এটি বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩ দ্বারা পরিচালিত হয়।
গঠন:
- কমিশনে একজন চেয়ারপারসন (অধ্যক্ষ) এবং কয়েকজন সদস্য থাকেন।
- কমিশনের চেয়ারপারসন ও সদস্যদের নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।
- তাঁদের কর্মের মেয়াদ সাধারণত পাঁচ বছর অথবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত (যা আগে ঘটে)।
- কমিশনের সদস্যদের পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের সমান।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইটের নাম কী?
[ বিসিএস ৩৮তম ]
বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট হলো ব্র্যাক অন্বেষা (BRAC Onnesha)।
এটি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় (BRAC University) এর তিন শিক্ষার্থীর (রায়হানা শামস ইসলাম অন্তরা, আব্দুল্লাহ হিল কাফি, এবং মাইসুন নাহার) একটি দল তৈরি করেছিল। জাপানের কিয়ুশু ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (Kyutech) এর 'বার্ডস প্রকল্প' (BIRDS Project)-এর অংশ হিসেবে এটি তৈরি করা হয়।
- উৎক্ষেপণ: ব্র্যাক অন্বেষা ২০১৭ সালের ৪ জুন (বাংলাদেশ সময়) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (ISS) পাঠানো হয়।
- কার্যক্রম: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে এটিকে উন্মুক্ত করা হয় এবং এটি পৃথিবীর কক্ষপথে অবস্থান করে কাজ শুরু করে।
- উদ্দেশ্য: এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের ভূখণ্ড ও আবহাওয়ার ছবি তোলা এবং ডেটা সংগ্রহ করা, যা টেলিযোগাযোগ ও আবহাওয়া গবেষণায় সহায়তা করবে।
এটি বাংলাদেশের জন্য মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ন্যানো-স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা–
[ বিসিএস ৩৭তম ]
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS) হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থায় কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য পরিচালিত একটি জাতীয়ভিত্তিক প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) এই পরীক্ষার আয়োজন করে।
বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের মোট ২৬টি ক্যাডার পদ রয়েছে। এই ক্যাডারগুলো মূলত দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত:
১. সাধারণ ক্যাডার (General Cadre): এই ক্যাডারগুলোর কাজ সাধারণত প্রশাসন পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, পররাষ্ট্র সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তৃত হয়। এখানে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা যেকোনো বিষয় থেকে হতে পারে।
২. পেশাগত/কারিগরি ক্যাডার (Professional/Technical Cadre): এই ক্যাডারগুলো বিশেষায়িত জ্ঞান বা দক্ষতার প্রয়োজন হয়, যেমন চিকিৎসা, প্রকৌশল, কৃষি, শিক্ষা ইত্যাদি। এসব ক্যাডারের জন্য সাধারণত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রয়োজন হয়।
কিছু ক্যাডার সাধারণ ও পেশাগত/কারিগরি উভয় ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
২৬টি ক্যাডারের তালিকা (বর্ণানুক্রমিক):
সাধারণ ক্যাডার:
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (আনসার)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (নিরীক্ষা ও হিসাব)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সমবায়)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও আবগারি)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিবার পরিকল্পনা)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পুলিশ)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ডাক)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বাণিজ্য)
পেশাগত/কারিগরি ক্যাডার:
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বন)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (মৎস্য)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (গণপূর্ত)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে প্রকৌশল)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সড়ক ও জনপথ)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিসংখ্যান)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কারিগরি শিক্ষা)
উভয় ক্যাডার (সাধারণ এবং পেশাগত/কারিগরি):
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (খাদ্য)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (তথ্য)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পশু সম্পদ)
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক)
উল্লেখ্য, পূর্বে কিছু ক্যাডার ছিল (যেমন ইকোনমিক, টেলিকমিউনিকেশন) যা পরবর্তীতে বিলুপ্ত বা অন্য ক্যাডারের সাথে একীভূত করা হয়েছে, ফলে বর্তমান ক্যাডারের সংখ্যা ২৬টি।
সংবিধানের ১৩৭ নম্বর অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন (Public Service Commission) গঠনের উল্লেখ আছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের একাদশ ভাগের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে 'কর্মবিভাগ' সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই পরিচ্ছেদের ১৩৭ অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের ব্যবস্থা থাকবে, যা রাষ্ট্রপতির আদেশ দ্বারা গঠিত হবে। এই কমিশন সরকারি নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে।
প্রশ্নঃ নিচের কোন সংস্থাটি ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
[ বিসিএস ৩৪তম ]
২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর।
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO) তাদের ৩০তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রস্তাবকে সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করে এবং ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
প্রশ্নঃ BTRC এর ইংরেজি পূর্ণরূপ কোনটি?
[ বিসিএস ৩২তম ]
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন, যা সংক্ষেপে বিটিআরসি (BTRC) নামে পরিচিত। এটি বাংলাদেশের একটি স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত কমিশন, যা দেশের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে।
প্রধান কাজসমূহ
বিটিআরসি বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। এর প্রধান কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- টেলিযোগাযোগ সেবা (যেমন: মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স দেওয়া।
- স্পেকট্রাম বা তরঙ্গ ব্যবস্থাপনা এবং নম্বর বরাদ্দ করা।
- সেবার মান নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের অধিকার রক্ষা করা।
- দেশের টেলিযোগাযোগ নীতি ও আইনকানুন বাস্তবায়ন করা।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়?
[ বিসিএস ৩১তম ]
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭-১৪১ নং অনুচ্ছেদে সরকারী কর্ম কমিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সংবিধানের ১৩৭ নং ধারায় বলা হয়েছে, “আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।”