প্রশ্নঃ বাংলাদেশে প্রথম চায়ের চাষ আরম্ভ হয়-
[ বিসিএস ১৭তম ]
বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ আরম্ভ হয় ১৮৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলা শহরের ক্লাব সংলগ্ন এলাকায়। ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়ায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রথম চা চাষ শুরু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে। এর মধ্যে মৌলভীবাজার জেলায় ৯১টি, হবিগঞ্জ জেলায় ২৫টি, সিলেট জেলায় ১৯টি, চট্টগ্রাম জেলায় ২১টি, রাঙামাটি জেলায় ২টি, পঞ্চগড় জেলায় ৮টি এবং ঠাকুরগাঁও জেলায় ১টি চা বাগান রয়েছে। বাংলাদেশে প্রথম অর্গানিক চা উৎপাদন শুরু হয় ২০০০ সালে পঞ্চগড় জেলায়।
Related MCQ
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে কোন নদী কার্পজাতীয় মাছের রেণুর প্রধান উৎস?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
বাংলাদেশে কার্পজাতীয় মাছের রেণুর প্রধান উৎস হলো হালদা নদী।
চট্টগ্রাম জেলার এই নদীটি প্রাকৃতিক পরিবেশে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউশ মাছের ডিম ছাড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান। প্রতি বছর বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে এই নদীতে প্রচুর পরিমাণে ডিম সংগ্রহ করা হয়, যা পরবর্তীতে পোনা উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার কোথায় অবস্থিত?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার ময়মনসিংহে অবস্থিত।
এটি বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (Bangladesh Fisheries Research Institute - BFRI) অধীনে পরিচালিত হয়। ময়মনসিংহের সদর উপজেলায় অবস্থিত এই গবেষণাগারটি দেশের মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রশ্নঃ কোন নদীটির উৎপত্তিস্থান বাংলাদেশে?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
সঠিক উত্তর হলো ঘঃ হালদা।
হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে অবস্থিত। এটি খাগড়াছড়ি জেলার বাদনাতলী পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
অন্যান্য নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশে নয়:
- কঃ কর্ণফুলি: এর উৎপত্তিস্থল ভারতের মিজোরাম রাজ্যে।
- খঃ নাফ: এটি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমান্ত নদী, এর উৎপত্তিস্থল মায়ানমারে।
- গঃ মেঘনা: এটি মূলত সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মিলিত প্রবাহের ফল, এই নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল ভারতে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
সঠিক উত্তর হল কঃ বান্দরবান।
বাংলাদেশে মূলত পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে জুম চাষ হয়ে থাকে। বান্দরবান পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি অংশ হওয়ায়, এখানে জুম চাষ দেখা যায়। অন্যান্য অপশনগুলো (ময়মনসিংহ, রাজশাহী, দিনাজপুর) মূলত সমতল ভূমির জেলা এবং এখানে জুম চাষ তেমন প্রচলিত নয়।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
সঠিক উত্তর হল ঘঃ মৌলভীবাজার।
মৌলভীবাজার জেলায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে। এই জেলাটিকে "চা এর রাজধানী"ও বলা হয়ে থাকে। এখানে প্রায় ৯২টি ছোট ও বড় চা বাগান অবস্থিত। সিলেট বিভাগের অন্যান্য জেলাগুলোতেও চা বাগান রয়েছে, তবে মৌলভীবাজারের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।
প্রশ্নঃ ‘বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
বলাকা একটি উন্নত গমের জাত।
এছাড়াও দোয়েল, শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, বরকত, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ইত্যাদি গমের উন্নত জাত।
প্রশ্নঃ নিম্নোক্ত কোন সালে কৃষিশুমারী অনুষ্ঠিত হয়নি?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
পূর্ববর্তী কৃষিশুমারীগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছিল:
- ১৯৬০
- ১৯৭৭
- ১৯৮৩–৮৪
- ১৯৯৬
- ২০০৮
- এবং সর্বশেষ ২০১৯ সালে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান-
[ বিসিএস ৪২তম ]
বাংলাদেশে প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
BADC একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা, যা বাংলাদেশে কৃষি উপকরণ সরবরাহ করে থাকে। এর প্রধান কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন, সংগ্রহ, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বিতরণ করা। BADC বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাতের বীজ উৎপাদন করে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেয়।
যদিও বাংলাদেশ বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি (BSCA) বীজের গুণমান নিয়ন্ত্রণ ও certificación প্রদান করে, এবং বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) পাটসহ অন্যান্য আঁশ ফসলের বীজ গবেষণা ও উৎপাদন করে, প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে BADC ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
প্রশ্নঃ কোনটি যমুনার উপনদী?
[ বিসিএস ৪২তম ]
সঠিক উত্তর: তিস্তা।
যমুনা নদীর প্রধান উপনদীগুলোর মধ্যে তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, সুবর্ণশ্রী
এছাড়া, ধলেশ্বরী যমুনার শাখানদী এবং বংশী ব্রহ্মপুত্রের শাখানদী।
প্রশ্নঃ কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম কোনটি?
[ বিসিএস ৪২তম ]
বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এটি মূলত শীতকাল এবং শীতের শেষভাগকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই মৌসুমের কিছু বৈশিষ্ট্য এবং গুরুত্বপূর্ণ দিক নিচে তুলে ধরা হলো:
সময়কাল:
- সাধারণত মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত এই মৌসুম বিস্তৃত থাকে। তবে, অঞ্চলভেদে এর সামান্য তারতম্য দেখা যায়। কার্তিক মাস থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্তও ধরা হয়।
বৈশিষ্ট্য:
- এই সময়ে দিনের দৈর্ঘ্য ছোট এবং রাতের দৈর্ঘ্য বড় হয়।
- তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকে, যা অনেক ফসলের জন্য অনুকূল।
- বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম থাকে। এই কারণে রবি মৌসুমে চাষাবাদ মূলত সেচের উপর নির্ভরশীল।
- আকাশ সাধারণত পরিষ্কার থাকে এবং আর্দ্রতাও কম থাকে।
গুরুত্ব:
- রবি মৌসুম বাংলাদেশের খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য শস্য, ডাল, তেলবীজ এবং শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়।
- অনেক উচ্চ মূল্য সম্পন্ন ফসল যেমন - আলু, পেঁয়াজ, রসুন, বিভিন্ন ধরনের সবজি এই মৌসুমে চাষ করা হয় যা কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করে।
প্রধান ফসল:
রবি মৌসুমে বাংলাদেশে যেসব প্রধান ফসল চাষ করা হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- ধান: বোরো ধান এই মৌসুমের প্রধান ফসল।
- গম
- ভুট্টা
- আলু
- পেঁয়াজ
- রসুন
- সরিষা
- মসুর ডাল
- ছোলা
- খেসারি ডাল
- বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন সবজি যেমন - ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, টমেটো, শিম, লাউ, পালং শাক ইত্যাদি।
পরিশেষে বলা যায়, রবি মৌসুম বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতির একটি অপরিহার্য অংশ এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকদের জীবিকা নির্বাহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?
[ বিসিএস ৪০তম ]
বর্তমানে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় ফরিদপুর জেলায়। বিভিন্ন কৃষি পরিসংখ্যান ও প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ফরিদপুর জেলা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাট উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ-
[ বিসিএস ৪০তম ]
বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার তথ্যে কিছুটা ভিন্নতা দেখা যায়। তবে, সাধারণভাবে বলা যায় এর পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ১৫ লক্ষ থেকে ২ কোটি ১৮ লক্ষ একর এর মধ্যে।
এখানে কয়েকটি নির্ভরযোগ্য উৎসের তথ্য দেওয়া হলো:
- কৃষি মন্ত্রণালয় (মে ২০২৫): কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ প্রায় ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর। এটিকে একরে রূপান্তর করলে প্রায় ২ কোটি ১৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৯৩৪ একর হয়।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI): BRRI-এর তথ্য অনুযায়ীও মোট আবাদযোগ্য জমি প্রায় ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর।
- বিশ্বব্যাংক (২০২২ সালের প্রতিবেদন): বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ২ কোটি ১ লক্ষ ৫৭ হাজার একর বা ৮০ লক্ষ ৩০ হাজার হেক্টর উল্লেখ করা হয়েছে।
সুতরাং, বিভিন্ন তথ্যের গড় হিসেবে বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ২ কোটি ১৫ লক্ষ থেকে ২ কোটি ১৮ লক্ষ একরের কাছাকাছি ধরা যেতে পারে।
প্রশ্নঃ বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালনকে বলা হয় –
[ বিসিএস ৩৮তম ]
বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালনকে এপিকালচার (Apiculture) বলা হয়। এটি মধু, মোম এবং অন্যান্য মৌমাছিজাত পণ্য সংগ্রহের জন্য মৌমাছি পালন ও ব্যবস্থাপনার একটি পদ্ধতি।
অন্যান্য বিকল্পগুলো:
- পিসিকালচার (Pisciculture): মাছ চাষ।
- মেরিকালচার (Mariculture): সামুদ্রিক পরিবেশে মাছ, শেলফিশ বা অন্যান্য সামুদ্রিক জীবের চাষ।
- সেরিকালচার (Sericulture): রেশম পোকা চাষ।
প্রশ্নঃ আলুর একটি জাত–
[ বিসিএস ৩৭তম ]
আলুর একটি জাত হলো: ডায়মন্ড
'ডায়মন্ড' হলো বাংলাদেশে চাষকৃত আলুর একটি পরিচিত ও উন্নত জাত।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:
- রূপালী: এটি ধানের একটি জাত।
- ড্রামহেড: এটি সাধারণত বাঁধাকপির একটি জাত।
- ব্রিশাইল: এটি সম্ভবত কোনো প্রচলিত কৃষি জাত নয়, অথবা অন্য কোনো ফসলের নাম হতে পারে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয়–
[ বিসিএস ৩৭তম ]
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয়: বোরো ধান
বাংলাদেশের তিনটি প্রধান ধানের মৌসুমের মধ্যে বোরো ধানই সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয়। উচ্চ ফলনশীল (HYV) জাতের ব্যাপক ব্যবহার এবং সেচ সুবিধার কারণে বোরো ধানের উৎপাদন দেশের মোট ধান উৎপাদনের একটি সিংহভাগ পূরণ করে। এটি মূলত শুষ্ক মৌসুমে চাষ করা হয় এবং এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে কাটা হয়।
প্রশ্নঃ প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান–
[ বিসিএস ৩৭তম ]
বাংলাদেশের প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান হলো:
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) হলো দেশের বৃহত্তম সরকারি প্রতিষ্ঠান যা উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন ফসলের বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ এবং বিতরণের কাজ করে। ধান, গম, ভুট্টা, আলু, শাকসবজি ইত্যাদি ফসলের মানসম্পন্ন বীজ কৃষকদের কাছে সুলভ মূল্যে পৌঁছে দেওয়াই তাদের প্রধান কাজ। এছাড়াও, বাংলাদেশে আরও কিছু সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (যেমন: BARI, BRRI, BINA) রয়েছে যারা নতুন জাত উদ্ভাবন করে, কিন্তু BADC প্রধানত উদ্ভাবিত বীজের উৎপাদন ও বিতরণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
প্রশ্নঃ ‘অগ্নিশ্বর’ কি ফসলের উন্নত জাত?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
‘অগ্নিশ্বর’ হলো কলার একটি উন্নত জাত।
এটি বাংলাদেশে চাষকৃত কলার বিভিন্ন উন্নত জাতগুলোর মধ্যে অন্যতম। অন্যান্য পরিচিত জাতগুলো হলো অমৃতসাগর, সবরী, চাঁপা, কবরী, মেহেরসাগর, সিঙ্গাপুরী ইত্যাদি।
বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি আশির দশক (১৯৮০-এর দশক) থেকে একটি প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান করে নেয়। সত্তরের দশকের পর বিশ্ববাজারে এর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলেই আশির দশক থেকে এর বাণিজ্যিক চাষ ও রপ্তানি দ্রুত সম্প্রসারিত হয়।
প্রশ্নঃ ‘বর্ণালী’ এবং ‘শুভ্র’ কী?
[ বিসিএস ৩৫তম | ১৪তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
‘বর্ণালী’ এবং ‘শুভ্র’ হলো বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ভুট্টা (Maize)। এগুলো উচ্চ ফলনশীল এবং কৃষকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড (Kushtia Grade) নামে পরিচিত।
এই প্রজাতির ছাগলের চামড়া তার উন্নত গুণগত মানের জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত। কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহসহ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এই ছাগলের উৎপাদন বেশি হয় বলে এর চামড়া 'কুষ্টিয়া গ্রেড' নামে খ্যাতি লাভ করেছে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের White gold কোনটি?
[ বিসিএস ৩২তম | ৮ম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
বাংলাদেশের "White gold" নামে পরিচিত হলো চিংড়ি।
চিংড়ি রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারণেই চিংড়িকে 'সাদা সোনা' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
প্রশ্নঃ ‘সোনালিকা’ ও ‘আকবর’ বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে কিসের নাম?
[ বিসিএস ৩২তম ]
‘সোনালিকা’ ও ‘আকবর’ উভয়ই গমের উন্নত জাত।
এই জাতগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য:
এই দুটি জাতকে উন্নত বলা হয় কারণ এগুলোর কিছু বিশেষ গুণ আছে, যেমন:
- উচ্চ ফলনশীল: এই জাতগুলো প্রতি হেক্টরে সাধারণ জাতের তুলনায় বেশি ফলন দেয়।
- রোগ প্রতিরোধী: ‘আকবর’ জাতটি মরিচা রোগসহ গমের অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে সক্ষম।
- জলবায়ু সহনশীল: এগুলো বিভিন্ন ধরনের মাটি ও জলবায়ুতে সহজে মানিয়ে নিতে পারে।
- দ্রুত বর্ধনশীল: ‘সোনালিকা’ একটি স্বল্পমেয়াদী জাত, যা কম সময়ে পরিপক্ব হয়।
প্রশ্নঃ কোন জেলায় চা-বাগান বেশি?
[ বিসিএস ৩২তম ]
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা-বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।
চা-শিল্পের রাজধানী
- দেশের মোট চা-বাগানের প্রায় ৬০ শতাংশ মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১৬৭টি চা বাগানের মধ্যে মৌলভীবাজারে রয়েছে ৯২টি।
- এ কারণে মৌলভীবাজার জেলাকে বাংলাদেশের 'চায়ের রাজধানী' বলা হয়।
- চা-উৎপাদনেও এই জেলা দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের কৃষিতে ‘দোয়েল’–
[ বিসিএস ৩২তম ]
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘দোয়েল’ হলো একটি উন্নত জাতের গমের নাম।
এটি উচ্চ ফলনশীল জাতের একটি গম, যা কৃষিক্ষেত্রে বেশ জনপ্রিয়।
প্রশ্নঃ মৌমাছির চাষ হলো-
[ বিসিএস ৩২তম ]
এপিকালচার (Apiculture) হলো মৌমাছি পালন বা মৌমাছি চাষের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
এপিকালচারের উদ্দেশ্য
এই পদ্ধতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো মৌমাছিদের পরিচর্যার মাধ্যমে বিভিন্ন অর্থনৈতিক সুবিধা লাভ করা। যেমন:
- মধু উৎপাদন: এপিকালচারের মূল লক্ষ্য হলো মধু সংগ্রহ করা।
- মোম উৎপাদন: মধুচাক থেকে মোম সংগ্রহ করা হয়, যা বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- ফসল পরাগায়ন: মৌমাছিরা ফসলের পরাগায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
'এপিকালচার' শব্দটি এসেছে লাতিন শব্দ 'Apis' থেকে, যার অর্থ 'মৌমাছি'।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
[ বিসিএস ২৭তম ]
পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে 'বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট' অবস্থিত। ১৯৩১ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল 'ইক্ষু চারা পরীক্ষা কেন্দ্র' নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে একটি জাতীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়ে নাম ধারণ করেছে ‘বাংলাদেশ সুগারক্রপ রিসার্চ ইনস্টিটিউট’। যা বর্তমান নামে পরিবর্তন করা হয় ১ নভেম্বর, ২০১৫ সালে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প কোনটি?
[ বিসিএস ২৬তম | ১১তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) | সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১০-১০-২০০৮ ]
তিস্তা সেচ প্রকল্প বাংলাদেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। রংপুরের দোয়ানীতে তিস্তা নদীতে বাঁধ দিয়ে বৃহত্তর রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের প্রায় ৩৫টি উপজেলার প্রায় সাড়ে ১৮ লক্ষ একর জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য।
প্রশ্নঃ ‘ইরাটম’ কি?
[ বিসিএস ২৬তম ]
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত একটি উন্নত জাতের ধানের নাম ইরাটম। এরূপ আরো কিছু উন্নতজাতের ধান হলো - ব্রি হাইব্রিড-১, চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে ‘বলাকা’ ও ‘দোয়েল’ নাম দুটি কিসের?
[ বিসিএস ২৬তম ]
বলাকা ও দোয়েল ছাড়াও উন্নতজাতের আরো কিছু গম শস্য হলো সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত, অগ্রণী, ইনিরা ৬৬, জোপাটেকো।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে সম্প্রতি এই জেলায় চা বাগান করা হয় -
[ বিসিএস ২৪তম ]
পঞ্চগড় জেলায় ২০০০ সালে একটি চায়ের বাগানে চারা লাগানো হয়েছে। দেশের উত্তরাঞ্চলে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম এ বাগানে চা রোপণ করা হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ১৮৪০ সালে প্রথম চট্টগ্রামে চা বাগান তৈরির কাজ শুরু হয়। এর অব্যবহিত পরে ১৮৫৭ সালে সিলেটের মালিনীছড়ায় দেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২৪ মার্চ, ২০১৫ প্রথমবারের মতো নীলফামারীতে চা চাষ শুরু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ চা বোর্ডের নিবন্ধনকৃত চা বাগানের সংখ্যা ১৬৭টি।
প্রশ্নঃ গবাদি পশুর জাত উন্নয়নে পাক ভারত উপমহাদেশে কোন ব্রিটিশ প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
[ বিসিএস ১৯তম ]
গবাদি পশুর জাত উন্নয়নে পাক-ভারত উপমহাদেশে প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন লর্ড লিনলিথগো। তিনি ছিলেন একজন ব্রিটিশ ইউনিয়নবাদী রাজনীতিবিদ, কৃষিবিদ এবং ঔপনিবেশিক প্রশাসক। তিনি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল এবং ভাইসরয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে গো-চারণের জন্য বাথান আছে?
[ বিসিএস ১৯তম ]
বাংলাদেশে গো-চারণের জন্য বাথান রয়েছে দুটি জেলায়। যথা-পাবনা ও সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার কোথায় অবস্থিত?
[ বিসিএস ১৯তম ]
কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার মূলত একটি গবেষণা ও সোবামূলক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা বিভাগের ঢাকাদ জেলার অন্তর্গত সাভার উপজেলাধীন আাশুলিয়া থানায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সংলগ্ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপরীত পাশে অবস্থিত।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পশু কোনটি?
[ বিসিএস ১৯তম ]
বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার প্রধানত বাংলাদেশ ও ভারতের অন্তর্গত বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে পাওয়া যায়। বর্তমানে এই রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।
প্রশ্নঃ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য কে ছিলেন?
[ বিসিএস ১৯তম ]
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৮ আগস্ট, ১৯৬১ সালে ময়মনসিংহে প্রতিষ্ঠিত হয়। ড. ওসমান গণি ছিলেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য এবং বর্তমান উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান।
প্রফেসর নরম্যান বোরলগ একজন কৃষিবিজ্ঞানী হলেও তিনি ১৯৭০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। গমের ওপর গবেষণায় তিনি কিছুদিন ভারত ও পাকিস্তানে কাটান।
ব্রিটিশ গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংসের উদ্যোগে নেদারল্যান্ডস বা হল্যান্ড থেকে আগত আলু বাংলাদেশে চাষের বিস্তার লাভ করে। বাংলাদেশে চাষকৃত উন্নতজাতের কয়েকটি আলু হলো- হীরা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, চমক, কুফরি সুন্দরী, রাজা, বারাকা, জারলা, বিনেলা, গ্রানোলা ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মৎস্য আইনে কত সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের রুই জাতীয় মাছের পোনা মারা নিষেধ?
[ বিসিএস ১৪তম ]
বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস সম্পদের অবদান অনস্বীকার্য। তাই দেশের মৎস সম্পদ সংরক্ষণে সরকার মৎস্য আইনে ২৩ সেন্টিমিটারের (প্রায় ৯ ইঞ্চি) কম দৈর্ঘ্যের রুই (কার্প) জাতীয় মাছ ধরা নিষিদ্ধ করে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে বার্ষিক চা উৎপাদনের পরিমাণ হচ্ছে প্রায়-
[ বিসিএস ১২তম ]
বাংলাদেশে বার্ষিক চা উৎপাদনের পরিমাণ প্রতি বছর পরিবর্তনশীল। ২০২৩ সালে বাংলাদেশে রেকর্ড পরিমাণ ১০ কোটি ২৯ লাখ কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। যা বাংলাদেশের চা চাষের ১৭০ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উৎপাদন।
এছাড়াও, ২০২১ সালে দেশে ৯ কোটি ৬৫ লাখ কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল। এর আগে ২০১৯ সালে চা উৎপাদিত হয়েছিল ৯ কোটি ৬০ লাখ কেজি।
২০২৪ সালে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে চা উৎপাদন কিছুটা কমেছে। এ বছর ৯ কোটি ৩০ লাখ কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে।
প্রশ্নঃ একটি কাঁচা পাটের গাইটের ওজন-
[ বিসিএস ১২তম ]
প্রশ্নঃ কোন জেলা তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী?
[ বিসিএস ১১তম | রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৯-১২-২০১১ ]
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০১৯ অনুসারে বর্তমানে তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ। পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর। আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রাজশাহী। তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয়?
[ বিসিএস ১১তম | প্রা. প্র. শি. নি.০৭-১০-২০১২ ]
বর্তমানে পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর। ধান, কাঁঠাল ও মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মোট আবাদয্যেগ্য জমির পরিমাণ প্রায় কত?
[ বিসিএস ১১তম ]
কৃষি পরিসংখ্যানের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর।
ইরি-৮ নামক ‘উফশি’ অর্থাৎ উচ্চ ফলনশীল ধান বাংলাদেশে প্রথম চালু হয়।
প্রশ্নঃ পাখি ছাড়া ‘বলাকা’ও ‘দোয়েল’ নামে পরিচিত হচ্ছে-
[ বিসিএস ১০তম ]
বলাকা ও দোয়েল ছাড়াও উন্নতজাতের আরো কিছু গম শস্য হলো সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত, অগ্রণী, ইনিয়া ৬৬, জোপাটিকা।
অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশি, মোহনবাঁশি ও বীটজবা উন্নত জাতের কলার নাম। এছাড়াও বাংলাদেশে আরো কিছু জাতের কলার চাষ হয়, যেমন- অমৃতসাগর, মেহেরসাগর, সবরি, সিঙ্গাপুরী, চাঁপা ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত?
[ প্রা.বি.স.শি. (৩য় ধাপ) 03-06-2022 ]
২০১৩ প্রথম ব্রি-৬২ নামে জিংক সমৃদ্ধ একটি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের ঘোষণা দেন ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের বিজ্ঞানীরা। এরপর একে একে আসে ব্রি-৬৪, ব্রি-৭২, ব্রি-৭৪, ব্রি-৮৪ এবং ব্রি-১০০। এই জাতগুলোর ধান সাধারণ ধানের তুলনায় বেশি জিংক সমৃদ্ধ, যা মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের আবাদী জমির কতটুকুতে ধানের চাষ হয়?
[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
তথ্য অনুযায়ী:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশের মোট ধানি জমির ৮১ শতাংশে উচ্চ ফলনশীল ধান চাষ হচ্ছে।
- ২০০৯-১০ অর্থবছরে তা ছিল ৭৩ শতাংশ।
- দেশের মোট আবাদি জমির শতকরা ৮০ ভাগ জমিতে ধানের চাষ হয়।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের রুটির ঝুড়ি বলা হয় কোন জেলাকে?
[ ১৩তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]