আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

প্রশ্নঃ একটি প্রতিষ্ঠানে ডিভাইস ভাগাভাগি করে নেয়ার সুবিধা হলো -

[ বিসিএস ৩৫তম ]

ক. অর্থ সাশ্রয়
খ. সময় সাশ্রয়
গ. স্থানের সাশ্রয়
ঘ. উপরের সবকটি
উত্তরঃ উপরের সবকটি
ব্যাখ্যাঃ

একটি প্রতিষ্ঠানে ডিভাইস ভাগাভাগি করে নেওয়ার বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান কিছু সুবিধা নিচে আলোচনা করা হলো:

  • খরচ সাশ্রয়: এটি সবচেয়ে বড় সুবিধা। প্রতিটি কর্মীর জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস না কিনে কয়েকটি ডিভাইস ভাগাভাগি করে ব্যবহার করলে হার্ডওয়্যার কেনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেক কমে যায়।
  • সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার: কিছু ডিভাইস হয়তো সারাদিন ব্যবহার হয় না বা নির্দিষ্ট কাজের জন্যই লাগে। ভাগাভাগির মাধ্যমে সেই ডিভাইসগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয়, ফলে অব্যবহৃত থাকার সময় কমে আসে।
  • সহযোগিতা বৃদ্ধি: অনেক সময় একটি প্রকল্পে একাধিক টিম সদস্যকে একসাথে কাজ করতে হয়। ডিভাইস শেয়ারিং তাদের মধ্যে ফাইল আদান-প্রদান এবং সহযোগিতামূলক কাজকে আরও সহজ করে তোলে।
  • সফটওয়্যার লাইসেন্সের খরচ হ্রাস: নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের লাইসেন্স প্রতিটি ডিভাইসের জন্য না কিনে, কিছু লাইসেন্স নিয়ে তা শেয়ার করা ডিভাইসগুলোতে ব্যবহার করা যায়, যা সফটওয়্যারের খরচ কমায়।
  • কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা: ডিভাইসগুলো কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হলে আপডেট, নিরাপত্তা প্যাচ প্রয়োগ এবং ডেটা ব্যাকআপের মতো কাজগুলো সহজ হয়। এতে ডেটা হারানোর ঝুঁকি কমে এবং নিরাপত্তা জোরদার হয়।
  • স্থান সাশ্রয়: কম সংখ্যক ডিভাইস মানে কম জায়গা লাগে, যা ছোট অফিস বা কর্মস্থলের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।
  • পরিবেশগত সুবিধা: কম উৎপাদন মানে কম বর্জ্য, যা পরিবেশের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তবে, ডিভাইস ভাগাভাগি করার কিছু চ্যালেঞ্জও থাকতে পারে, যেমন: ডেটা নিরাপত্তা, ব্যবহারের সময়সূচি নিয়ে জটিলতা বা ব্যক্তিগতকরণের অভাব। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা জরুরি।