আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

প্রশ্নঃ Yalta Conference-এর একটি লক্ষ্য ছিল:

[ বিসিএস ৩৬তম ]

ক. বিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয়
খ. জিব্রালটার প্রণালীর সুরক্ষা
গ. জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
ঘ. যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান
উত্তরঃ জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যাঃ

ইয়াল্টা সম্মেলন (Yalta Conference) ১৯৪৫ সালের ৪ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইয়াল্টায় (ক্রিমিয়া) অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে মিত্রশক্তির তিন প্রধান নেতা—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এবং সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্তালিন—এই সম্মেলনে মিলিত হয়েছিলেন।

ইয়াল্টা সম্মেলনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল:

  • যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের পুনর্গঠন এবং যুদ্ধের পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থা নির্ধারণ করা।
  • জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা এবং এর কাঠামো নিয়ে আলোচনা করা। বিশেষ করে, জাতিপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ এবং ভেটো ক্ষমতা নিয়ে এখানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
  • জার্মানির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ: জার্মানিকে কীভাবে বিভক্ত ও দখল করা হবে, নিরস্ত্রীকরণ ও নাৎসিবাদের অবসান ঘটানো এবং জার্মানির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
  • পোল্যান্ডের ভবিষ্যৎ: পোল্যান্ডের সীমান্ত এবং সেখানে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।
  • সোভিয়েত ইউনিয়নের জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগদান: স্তালিন জার্মানির আত্মসমর্পণের পর জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

সুতরাং, সংক্ষেপে বলতে গেলে, ইয়াল্টা সম্মেলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধোত্তর ইউরোপের পুনর্গঠন ও শান্তি প্রক্রিয়া নির্ধারণ