আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

প্রশ্নঃ মা-এর রক্তে হেপাটাইটিস-বি (Hepatitis-B) ভাইরাস থাকলে নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কি হওয়া উচিত?

[ বিসিএস ৩৮তম ]

ক. ৩০ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন দিতে হবে
খ. ৭ দিন ইনকিউবেটরে রাখতে হবে
গ. জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
ঘ. জন্মের ১ মাস পর কেবলমাত্র (HBIG) শট দিতে হবে
উত্তরঃ জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
ব্যাখ্যাঃ

মা-এর রক্তে হেপাটাইটিস-বি (Hepatitis-B) ভাইরাস থাকলে নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়া অত্যন্ত জরুরি:

১. জন্মের ১২ ঘন্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট: নবজাতকের জন্মের ১২ ঘন্টার মধ্যে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের টিকা (Hepatitis B vaccine) এর প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউনোগ্লোবুলিন (Hepatitis B Immune Globulin - HBIG) এর একটি শট দিতে হবে। এই দুটি একসাথে দিলে নবজাতকের শরীরে ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য দ্রুত অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

২. পরবর্তী টিকার ডোজ: হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিনের পরবর্তী ডোজগুলো চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়সূচী মেনে দিতে হবে। সাধারণত, মোট ৩ বা ৪টি ডোজের একটি সিরিজ সম্পন্ন করতে হয় (যেমন: জন্মকালীন, ১ মাস, ৬ মাস বা জন্মকালীন, ১ মাস, ২ মাস, ৬ মাস)।

৩. পরীক্ষা-নিরীক্ষা: নবজাতকের সম্পূর্ণ টিকাদান প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে যে তার শরীরে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কিনা এবং সে নিজে সংক্রমিত হয়েছে কিনা।

৪. বুকের দুধ পান: হেপাটাইটিস-বি আক্রান্ত মা নবজাতককে বুকের দুধ পান করাতে পারেন। বুকের দুধের মাধ্যমে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস শিশুর শরীরে ছড়ায় না, তবে জন্মকালীন সুরক্ষা নিশ্চিত করার পর এটি করা উচিত।

এই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করলে, হেপাটাইটিস-বি আক্রান্ত মা থেকে শিশুর শরীরে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি ৯০% এরও বেশি কমানো সম্ভব। এই রোগের দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা, যেমন লিভার সিরোসিস বা লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধে এই পদক্ষেপগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।