আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. ৫.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
খ. ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
গ. ৭.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
ঘ. ৮.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
উত্তরঃ ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
ব্যাখ্যাঃ

ট্রপোমণ্ডলে (Troposphere) উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুর তাপমাত্রা সাধারণত কমতে থাকে। এই হ্রাসের গড় হারকে পরিসীমা হ্রাস হার (Lapse Rate) বলা হয়। সাধারণভাবে, প্রতি ১ কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে তাপমাত্রা প্রায় ৬.৫°C হ্রাস পায়। তবে এটি বিভিন্ন পরিবেশগত পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল হতে পারে।

ট্রপোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের নীচের স্তর, যেখানে আমাদের আবহাওয়া ও জলবায়ুর কার্যক্রম ঘটে। উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে তাপমাত্রা কমার প্রধান কারণ হলো:
1. বায়ুর ঘনত্ব কমে যাওয়া, ফলে তাপমাত্রা ধারণের ক্ষমতা হ্রাস পায়।
2. ভূপৃষ্ঠ থেকে তাপ শোষণ কম হওয়া, কারণ সূর্যের তাপ মূলত পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত হয়।

ক. ঘড়ির কাটার দিকে
খ. ঘড়ির কাটার বিপরীতে
গ. সোজা
ঘ. কোনটাই সঠিক নয়
উত্তরঃ ঘড়ির কাটার বিপরীতে
ব্যাখ্যাঃ

উত্তর গোলার্ধে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে (counter-clockwise) প্রবাহিত হয়।

এর কারণ হলো কোরিওলিস প্রভাব। পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে নিম্নচাপ থাকে। এই নিম্নচাপের দিকে বায়ু যখন ছুটে আসে, তখন কোরিওলিস প্রভাবের কারণে উত্তর গোলার্ধে তা ডান দিকে বেঁকে একটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত ঘূর্ণনের সৃষ্টি করে।

ক. ২৬.৫° সে.
খ. ৩৫° সে.
গ. ৩৭.৫° সে.
ঘ. ৪০.৫° সে.
উত্তরঃ ২৬.৫° সে.
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল কঃ ২৬.৫° সে.

ট্রপিক্যাল সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য সাগরপৃষ্ঠের ন্যূনতম তাপমাত্রা প্রায় ২৬.৫° সেলসিয়াস (৮০° ফারেনহাইট) হওয়া প্রয়োজন।

ক. সিরাস
খ. নিম্বাস
গ. কিউম্যুলাস
ঘ. স্ট্রেটাস
উত্তরঃ কিউম্যুলাস
ব্যাখ্যাঃ

উচ্চতা অনুসারে মেঘকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। যথা- (১) উঁচু মেঘ (High cloud), (২) মধ্যম উঁচু মেঘ (Medium high) ও (৩) নিচু মেঘ (Low cloud)। আবার মেঘের আকৃতি ও চেহারা অনুযায়ী এদের সিরাস, কিউম্যুলাস ও স্ট্রেটাস - এ তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা করা যায়। পালক বা আঁশের ন্যায় মেঘকে সিরাস, ভেজা তুলার স্তূপের ন্যায় প্রায় গোলাকার মেঘকে কিউম্যুলাস এবং স্তরে স্তরে সজ্জিত মেঘকে স্ট্রেটাস বলে। এছাড়া নিম্বাস (Nimbus) নামে বৈশিষ্ট্যবিহীন কালো বর্ণের মেঘও দেখা যায়।

ক. আইসোপ্লিথ
খ. আইসোহাইট
গ. আইসোহ্যালাইন
ঘ. আইসোথার্ম
উত্তরঃ আইসোহাইট
ব্যাখ্যাঃ

আইসোহাইট (Isohyet) হলো ভূপৃষ্ঠের মানচিত্রে অঙ্কিত সেই কাল্পনিক রেখা যা সমান পরিমাণ বৃষ্টিপাতযুক্ত স্থানগুলোকে যুক্ত করে। "আইসো" শব্দের অর্থ "সমান" এবং "হাইয়েট" (hyet) শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "hyetos" থেকে, যার অর্থ "বৃষ্টি"।

সহজভাবে বললে, কোনো নির্দিষ্ট সময়কালে (যেমন একদিন, এক মাস, এক বছর) যেসব অঞ্চলে একই পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে, সেই অঞ্চলগুলোকে একটি রেখা দিয়ে মানচিত্রে যুক্ত করলে যে চিত্র পাওয়া যায়, সেটিই হলো আইসোহাইট।

আইসোহাইটের গুরুত্ব:

  • বৃষ্টিপাতের বণ্টন: কোনো একটি অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের বণ্টন কেমন, তা আইসোহাইট রেখার মাধ্যমে সহজে বোঝা যায়। রেখাগুলো ঘন সন্নিবিষ্ট থাকলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণে দ্রুত পরিবর্তন দেখা যায়, আর রেখাগুলো দূরে দূরে থাকলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়।
  • জলবায়ু বিশ্লেষণ: আইসোহাইট মানচিত্র কোনো অঞ্চলের জলবায়ু বৈশিষ্ট্য এবং বৃষ্টিপাতের ধরন সম্পর্কে ধারণা দেয়।
  • কৃষি পরিকল্পনা: কৃষিকাজের জন্য কোন অঞ্চলে কেমন বৃষ্টিপাত হয়, তা জানার জন্য আইসোহাইট মানচিত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর মাধ্যমে ফসলের নির্বাচন এবং সেচ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা করা সহজ হয়।
  • জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা: জলাধার নির্মাণ এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিকল্পনায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ জানা অপরিহার্য। আইসোহাইট মানচিত্র এক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
  • ভূ-প্রাকৃতিক গবেষণা: বৃষ্টিপাতের বণ্টন ভূমিক্ষয় এবং অন্যান্য ভূ-প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। আইসোহাইট মানচিত্র এই গবেষণা কাজেও ব্যবহৃত হয়।

বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত বৃষ্টিপাতের ডেটা ব্যবহার করে আইসোহাইট মানচিত্র তৈরি করা হয়। এই ডেটা সাধারণত আবহাওয়া কেন্দ্র এবং বৃষ্টিমাপক যন্ত্রের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়।

ক. জানুয়ারি
খ. ফেব্রুয়ারি
গ. ডিসেম্বর
ঘ. মে
উত্তরঃ জানুয়ারি
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো কঃ জানুয়ারি

যদিও ডিসেম্বর, জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল থাকে এবং এই মাসগুলো উষ্ণতম, তবে সাধারণত জানুয়ারি মাসকেই উষ্ণতম মাস হিসেবে ধরা হয়। কারণ এই সময়ে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে সরাসরি কিরণ দেয় এবং উত্তাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।

ক. স্ট্রাটোমণ্ডল
খ. ট্রপোমন্ডল
গ. মেসোমন্ডল
ঘ. তাপমন্ডল
উত্তরঃ স্ট্রাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যাঃ

ওজোন স্তরটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত। এই স্তরটি ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় বিস্তৃত। ওজোন স্তরের সবচেয়ে বেশি ঘনত্ব দেখা যায় প্রায় ১৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার উচ্চতায়।

এখানে ওজোন গ্যাসের (O₃) একটি অপেক্ষাকৃত ঘন স্তর বিদ্যমান, যা সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মির (Ultraviolet rays) বেশিরভাগ অংশ শোষণ করে নেয় এবং পৃথিবীর জীবজগতকে রক্ষা করে। এই কারণে ওজোন স্তরকে পৃথিবীর সুরক্ষা কবচ বলা হয়।

ক. আইসোথার্ম
খ. আইসোবার
গ. আইসোহাইট
ঘ. আইসোহেলাইন
উত্তরঃ আইসোহাইট
ব্যাখ্যাঃ

সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহকে যোগকারী রেখাকে সমবর্ষণ রেখা বলা হয়। একে ইংরেজিতে Isohyet বলা হয়।

এই রেখাগুলো মানচিত্রে ব্যবহার করা হয় কোনো নির্দিষ্ট সময়ে (যেমন - এক বছর, এক মাস) একই পরিমাণ বৃষ্টিপাত হওয়া অঞ্চলগুলোকে চিহ্নিত করার জন্য।

ক. উষ্ণতা
খ. আর্দ্রতা
গ. সমুদ্রস্রোত
ঘ. বায়ুপ্রবাহ
উত্তরঃ সমুদ্রস্রোত
ব্যাখ্যাঃ

জলবায়ুর উপাদান নয় সমুদ্রস্রোত

  • জলবায়ুর উপাদান (Elements of Climate): জলবায়ুর উপাদান বলতে সেই ভৌত বৈশিষ্ট্যগুলিকে বোঝায় যা একটি নির্দিষ্ট স্থানের আবহাওয়া ও জলবায়ুকে সংজ্ঞায়িত করে। এগুলি সরাসরি পরিমাপযোগ্য এবং সময়ের সাথে সাথে তাদের গড় পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে জলবায়ু বোঝা যায়। প্রধান উপাদানগুলো হলো:

    • উষ্ণতা (Temperature): বাতাসের উষ্ণতা জলবায়ুর একটি মৌলিক উপাদান।
    • আর্দ্রতা (Humidity): বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ, যা বৃষ্টিপাত এবং আর্দ্রতা নির্ধারণ করে।
    • বায়ুপ্রবাহ (Wind/Airflow): বাতাসের গতি ও দিক, যা উষ্ণতা, আর্দ্রতা এবং মেঘের চলাচলকে প্রভাবিত করে।
    • বৃষ্টিপাত (Precipitation): বৃষ্টি, তুষার, শিলাবৃষ্টি ইত্যাদি।
    • বায়ুচাপ (Atmospheric Pressure): বায়ুমণ্ডলের চাপ।
  • জলবায়ু নিয়ন্ত্রক (Factors/Controls of Climate): অন্যদিকে, জলবায়ু নিয়ন্ত্রক হলো সেই ভৌগোলিক বা পরিবেশগত কারণগুলি যা জলবায়ুর উপাদানগুলিকে প্রভাবিত করে। সমুদ্রস্রোত (Ocean Currents) হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু নিয়ন্ত্রক, কারণ এটি উপকূলীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা এবং বৃষ্টিপাতকে প্রভাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, উষ্ণ সমুদ্রস্রোত কাছাকাছি স্থলভাগে উষ্ণতা নিয়ে আসে এবং শীতল সমুদ্রস্রোত শীতলতা নিয়ে আসে।

সুতরাং, উষ্ণতা, আর্দ্রতা এবং বায়ুপ্রবাহ সরাসরি জলবায়ুর উপাদান, কিন্তু সমুদ্রস্রোত জলবায়ুর উপাদান নয়, বরং এটি একটি জলবায়ু নিয়ন্ত্রক

ক. মৌসুমী বায়ু ঋতুতে
খ. শীতকালে
গ. মৌসুমী বায়ু ঋতুর পরবর্তী সময়ে
ঘ. প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে
উত্তরঃ প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশে কালবৈশাখীর ঝড় হয় প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতুতে

ব্যাখ্যা:

  • প্রাক-মৌসুমী বায়ু ঋতু: এই সময়কাল সাধারণত মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এই সময়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং বায়ুমণ্ডলে অস্থিরতা দেখা দেয়, যা কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। বাংলাদেশে এই সময়েই বজ্রসহ তীব্র ঝড়-বৃষ্টি হয়, যা কালবৈশাখী নামে পরিচিত।
  • মৌসুমী বায়ু ঋতু (বর্ষাকাল): এটি জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত চলে। এই সময়ে নিয়মিত বৃষ্টিপাত হলেও, কালবৈশাখীর মতো তীব্র ও হঠাৎ ঝড় সাধারণত হয় না।
  • শীতকাল: এটি নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত চলে। এই সময়ে আবহাওয়া শুষ্ক ও ঠান্ডা থাকে এবং কালবৈশাখী হয় না।
  • মৌসুমী বায়ু ঋতুর পরবর্তী সময়ে: এটি সাধারণত অক্টোবর-নভেম্বর মাসকে বোঝায়। এই সময়ে আবহাওয়া স্থিতিশীল হতে শুরু করে এবং কালবৈশাখী দেখা যায় না।
ক. অয়ন বায়ু
খ. নিয়ত বায়ু
গ. প্রত্যয়ন বায়ু
ঘ. মৌসুমী বায়ু
উত্তরঃ নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যাঃ

নিয়ত বায়ু হলো এমন ধরনের বায়ুপ্রবাহ, যা পৃথিবীর নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের ওপর দিয়ে সারাবছর ধরে একই দিকে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়। এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয় এবং আবর্তনের ফলে সৃষ্টি হয়।

প্রধান প্রকারভেদ

নিয়ত বায়ু তিন ধরনের হয়:

  • আয়ন বায়ু (Trade Winds): এটি কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
  • প্রত্যায়ন বায়ু (Westerlies): এটি কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তস্থ নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
  • মেরু বায়ু (Polar Easterlies): এটি সুমেরু ও কুমেরু উচ্চচাপ বলয় থেকে সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তস্থ নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
ক. নাইট্রোজেন
খ. হাইড্রোজেন
গ. কার্বন
ঘ. ফসফরাস
উত্তরঃ ফসফরাস
ব্যাখ্যাঃ

বায়ুতে নাইট্রোজেন (৭৮.০২%), অক্সিজেন (২০.৭১%), আর্গন (০.৮০%), কার্বন ডাই-অক্সাইড হিসেবে কার্বন (০.০৩%), নিয়ন (০.০০১৮%), হিলিয়াম (০.০০০৫%), ক্রিপ্‌টন (০.০০০১২%), জেনন (০.০০০০৯%), হাইড্রোজেন (০.০০০০৫%), মিথেন (০.০০০০২%) এবং আরো নানাবিধ গ্যাসীয় উপাদান বিদ্যমান। কিন্তু ফসফরাস বায়ুর উপাদান নয়।

ক. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
খ. জলীয় বাষ্প
গ. CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
ঘ. নাইট্রিক অক্সাইড
উত্তরঃ CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
ব্যাখ্যাঃ সিএফসি হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তরে পৌঁছে ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিজেন পরিণত করে \((CFC+O_3→O_2+......\)) । এর ফলে ওজোনস্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়। এই ফাটল দিয়ে মাহজাগতিক বিভিন্ন রশ্মি পৃথিবীতে এসে জীবজগতের ক্ষতিসাধন করে।
ক. ১ মিটার
খ. ১০ মিটার
গ. ১৫ মিটার
ঘ. ৩০ মিটার
উত্তরঃ ১০ মিটার
ব্যাখ্যাঃ

বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক চাপ ১০ মিটারের অধিক বায়ুস্তরকে ধরে রাখতে পারে না। লিফট পাম্প স্বাভাবিক বায়ুর চাপের দ্বারা পানি ওঠায়, তাই ১০ মিটারের উপরে উঠাতে পারে না।

ক. বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ৯০%
খ. ১০০ ভাগ বাতাসে ৯০ ভাগ জলীয় বাষ্প
গ. বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
ঘ. বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃষ্টিপাতের সময়ের ৯০%
উত্তরঃ বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
ব্যাখ্যাঃ

কোনো এলাকার বায়ুমণ্ডলে প্রকৃতপক্ষে যতখানি জলীয় বাষ্প আছে এবং যতখানি জলীয় বাষ্প থাকতে পারে তার শতকরা অনুপাতই হলো আপেক্ষিক আর্দ্রতা। আবহাওয়ায় ৯০% আর্দ্রতা বলতে বুঝায় বায়ু যতখানি জলীয় বাষ্প ধারণ করতে পারে তার ৯০% জলীয় বাষ্প রয়েছে।

ক. ফুসফুসে রোগ সৃষ্টি করে
খ. গ্রিন হাউজ ইফেক্টে অবদান রাখে
গ. ওজোনস্তরে ফুটো সৃষ্টি করে
ঘ. দাহ্য বলে অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাবনা ঘটায়
উত্তরঃ ওজোনস্তরে ফুটো সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যাঃ

সিএফসি হচ্ছে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (Chloro Flore Carbon) । এ গ্যাস বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরকে ফুটো করে দেয়। ফলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে এসে পৌঁছে। এতে মানুষের চর্ম ক্যান্সার ও অন্যান্য মারাত্মক রোগ দেখা দেয়।

ক. অয়ন বায়ু
খ. প্রত্যয়ন বায়ু
গ. মৌসুমী বায়ু
ঘ. নিয়ত বায়ু
উত্তরঃ নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যাঃ

পৃথিবীর চাপ বলয় দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে প্রবাহিত হওয়ার সময় বায়ুর উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায়। এভাবে উচ্চচাপ বলয় থেকে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে নিয়মিতভাবে যে বায়ু সারা বছর প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।

ক. আয়ন বায়ু
খ. প্রত্যয়ন বায়ু
গ. মৌসুমী বায়ু
ঘ. নিয়ত বায়ু
উত্তরঃ নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যাঃ

পৃথিবীর চাপ বলয় দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে বায়ু উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে প্রবাহিত হওয়ার সময় উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায়। এভাবে সারা বছর একই দিকে নিয়মিতভাবে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।

ক. মধ্যপ্রাচ্য
খ. দূরপ্রাচ্য
গ. আমেরিকা
ঘ. দক্ষিণ এশিয়া
উত্তরঃ আমেরিকা
ব্যাখ্যাঃ

আটলান্টিক মহাসাগর এবং উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়কে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়।

এই ঘূর্ণিঝড়গুলো সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশগুলোতে আঘাত হানে।

ক. $CO$
খ. $CO_2$
গ. $S_2O$
ঘ. $CFC$
উত্তরঃ $CO_2$
ব্যাখ্যাঃ

বন-জঙ্গল ধ্বংস করার ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড (Carbon Dioxide - CO2) গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এর কারণ হলো:

  • সালোকসংশ্লেষণ ব্যাহত: গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে। বন-জঙ্গল ধ্বংস হলে এই প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, ফলে বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণের পরিমাণ কমে যায়।
  • কার্বন নির্গমন: গাছপালা পোড়ানো বা কেটে ফেলার ফলে তাদের মধ্যে সঞ্চিত কার্বন কার্বন ডাই অক্সাইড রূপে বায়ুমণ্ডলে মুক্ত হয়।
  • জৈব পদার্থের পচন: গাছপালা পচে গেলেও কার্বন ডাই অক্সাইড এবং অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হয়।

কার্বন ডাই অক্সাইড একটি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস, যা বায়ুমণ্ডলে বৃদ্ধি পেলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়তে থাকে এবং জলবায়ু পরিবর্তনে এর বড় প্রভাব পড়ে।

ক. নাইট্রোজেন
খ. মিথেন
গ. কার্বন ডাইঅক্সাইড
ঘ. নাইট্রাস গ্যাস
উত্তরঃ কার্বন ডাইঅক্সাইড

প্রশ্নঃ পৃথিবীর বায়বীয় আবরণ প্রধানত-

[ প্রা. প্র. শি. নি. ১২-১০-২০১২ ]

ক. ৩ স্তরবিশিষ্ট
খ. ৪ স্তরবিশিষ্ট
গ. ৫ স্তরবিশিষ্ট
ঘ. স্তরবিহীন
উত্তরঃ ৪ স্তরবিশিষ্ট
ক. নিয়ত বায়ু
খ. মৌসুমী বায়ু
গ. প্রত্যয়ন বায়ু
ঘ. আয়ন বায়ু
উত্তরঃ নিয়ত বায়ু
ক. আয়ন বায়ু
খ. মৌসুমী বায়ু
গ. প্রত্যায়ন বায়ু
ঘ. নিয়ত বায়ু
উত্তরঃ নিয়ত বায়ু
ক. অক্সিজেন
খ. হিলিয়াম
গ. ওজোন
ঘ. নাইট্রোজেন
উত্তরঃ ওজোন
ক. ১৬.৭ পাউন্ড
খ. ১৪.৭ পাউন্ড
গ. ১৮.৭ পাউন্ড
ঘ. ১২.৭ পাউন্ড
উত্তরঃ ১৪.৭ পাউন্ড
ক. ট্রপোস্ফিয়ার
খ. ওজোনোস্ফিয়ার
গ. মেসোস্ফিয়ার
ঘ. আয়নোস্ফিয়ার
উত্তরঃ আয়নোস্ফিয়ার
ক. ১°C/১০০ মিটার
খ. ১°C/১৬৫ মিটার
গ. ১° C/১৫০ মিটার
ঘ. ১° C/১২৫ মিটার
উত্তরঃ ১°C/১৬৫ মিটার

প্রশ্নঃ দক্ষিণ কোরিয়ায় কথন টাইফুন ঝড় হয়?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]

ক. এপ্রিল ও মে মাসে
খ. জুলাই ও আগস্ট মাসে
গ. জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে
ঘ. সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে
উত্তরঃ জুলাই ও আগস্ট মাসে

প্রশ্নঃ পরিচলন বৃষ্টি হয় কোন অঞ্চলে?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ | প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০২-২০১২ ]

ক. শীতপ্রধান অঞ্চলে
খ. মেরু অঞ্চলে
গ. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ঘ. নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
উত্তরঃ নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ক. স্ট্রাটোমন্ডল
খ. তাপমন্ডল
গ. মেসোমগুল
ঘ. ট্রপোমগুল
উত্তরঃ ট্রপোমগুল

প্রশ্নঃ কোনটি স্থানীয় বায়ু নয়?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]

ক. সিরক্কো
খ. খানসিন
গ. ফন
ঘ. টর্নেডো
উত্তরঃ টর্নেডো
ক. শেষরাতে
খ. মধ্যাহ্নে
গ. অপরাহ্ণে
ঘ. মধ্যরাতে
উত্তরঃ অপরাহ্ণে
ক. মৌসুমী বায়ু
খ. স্থানীয় বায়ু
গ. আয়ন বায়ু
ঘ. প্রত্যায়ন বায়ু
উত্তরঃ মৌসুমী বায়ু
ক. নিরক্ষীয় মন্ডল
খ. হিমমন্ডল
গ. উষ্ণমন্ডল
ঘ. আপেক্ষিক মন্ডল
উত্তরঃ নিরক্ষীয় মন্ডল
ক. ১০ নিউটন
খ. ৪৫ নিউটন
গ. ১০ মে.টন
ঘ. ৫ মে.টন
উত্তরঃ ১০ নিউটন

প্রশ্নঃ বায়ুমন্ডলের স্তর কয়টি?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১৪-০৭-২০০৬ ]

ক. ৩টি
খ. ৪টি
গ. ৫টি
ঘ. ৬টি
উত্তরঃ ৫টি

প্রশ্নঃ বায়ুরচাপ মাপার যন্ত্র হচ্ছে-

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১৪-০৭-২০০৬ ]

ক. ব্যারোমিটার
খ. মিটার
গ. থার্মোমিটার
ঘ. স্পিডোমিটার
উত্তরঃ ব্যারোমিটার

প্রশ্নঃ নাইট্রোজেনের প্রধান উৎস--

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৯-০৪-২০১৪ ]

ক. উদ্ভিদ
খ. প্রাণীদেহ
গ. মাটি
ঘ. বায়ুমন্ডল
উত্তরঃ বায়ুমন্ডল
ক. হিলিয়াম
খ. ওজোন
গ. অক্সিজেন
ঘ. নাইট্রোজেন
উত্তরঃ ওজোন

প্রশ্নঃ মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বায়ুর-

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১০-১১-২০১৩ | প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-০৪-২০১৩ | রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ ]

ক. অক্সিজেন
খ. নাইট্রোজেন
গ. হাইড্রোজেন
ঘ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তরঃ নাইট্রোজেন
ক. জলবায়ু
খ. আর্দ্রতা
গ. বৃষ্টিপাত
ঘ. বায়ুচাপ
উত্তরঃ বায়ুচাপ
ক. এ্যাভোমিটার
খ. হাইগ্রোমিটার
গ. ব্যারোমিটার
ঘ. অ্যামিটার
উত্তরঃ হাইগ্রোমিটার

প্রশ্নঃ সমুদ্রবায়ু প্রবলবেগে প্রবাহিত হয়-

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-০৪-২০১৩ ]

ক. সকালে
খ. রাত্রিতে
গ. অপরাহ্নে
ঘ. মধ্যাহ্নে
উত্তরঃ অপরাহ্নে

প্রশ্নঃ পরিচলন বৃষ্টি বেশি হয় কোন অঞ্চলে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-০৪-২০১৩ ]

ক. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
খ. শীতপ্রধান অঞ্চলে
গ. নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
ঘ. মেরু অঞ্চলে
উত্তরঃ নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ক. মৌসুমী বায়ু
খ. আয়ন বায়ু
গ. নিয়ত বায়ু
ঘ. প্রত্যায়ন বায়ু
উত্তরঃ নিয়ত বায়ু

প্রশ্নঃ ভূ-পৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ-

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-০৪-২০১৩ ]

ক. ৭.৬ সে.মি.
খ. ৭৬ সে.মি.
গ. ৭৬০ সে.মি.
ঘ. ৭২ সে.মি.
উত্তরঃ ৭৬ সে.মি.

প্রশ্নঃ সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-০৪-২০১৩ ]

ক. ৭.৬ সেমি
খ. ৭২ সেমি
গ. ৭৬ সেমি
ঘ. ৭৭ সেমি
উত্তরঃ ৭৬ সেমি
ক. মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে
খ. সামুদ্রিক বায়ুর প্রভাবে
গ. স্থল বায়ুর প্রভাবে
ঘ. আয়ন বায়ুর প্রভাবে
উত্তরঃ সামুদ্রিক বায়ুর প্রভাবে
ক. মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
খ. সামুদ্রিক বায়ুর প্রভাবে
গ. স্থলবায়ুর প্রভাবে
ঘ. আয়ন বায়ুর প্রভাবে
উত্তরঃ সামুদ্রিক বায়ুর প্রভাবে
ক. চেরাঞ্জি
খ. চেরাঞ্জি
গ. চেরাঞ্জি
ঘ. মৌসিনরাম
উত্তরঃ মৌসিনরাম
ক. বায়ুচাপ বেড়ে যায়
খ. বায়ুচাপ কমে যায়
গ. বায়ুচাপ স্থির থাকে
ঘ. বায়ুচাপ কখনো বাড়ে কখনো কমে
উত্তরঃ বায়ুচাপ কমে যায়