প্রশ্নঃ নিচের কোনটি অমিল?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]
Related MCQ
প্রশ্নঃ এন্টিবডি তৈরি করে নিচের কোনটি?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
এন্টিবডি তৈরি করে বি লিম্ফোসাইট (B lymphocytes) নামক এক প্রকার শ্বেত রক্ত কণিকা।
যখন কোনো অ্যান্টিজেন (যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস) শরীরে প্রবেশ করে, তখন বি লিম্ফোসাইটগুলো সক্রিয় হয়ে প্লাজমা কোষ (plasma cells) নামক বিশেষ কোষে রূপান্তরিত হয়। এই প্লাজমা কোষগুলোই প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং রক্তে নিঃসরণ করে। প্রতিটি অ্যান্টিবডি একটি নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হতে পারে এবং তাকে নিষ্ক্রিয় করতে সাহায্য করে।
প্রশ্নঃ মানুষের শরীরের রক্তের গ্রুপ কয়টি?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
মানুষের শরীরে প্রধানত ৮টি রক্তের গ্রুপ রয়েছে। এই বিভাজন ABO এবং Rh ফ্যাক্টর নামক দুটি প্রধান রক্তশ্রেণী ব্যবস্থা দ্বারা নির্ধারিত হয়।
ABO রক্তশ্রেণী ব্যবস্থা অনুসারে ৪টি প্রধান গ্রুপ:
- A
- B
- AB
- O
Rh ফ্যাক্টর অনুসারে প্রত্যেকটি গ্রুপের আবার দুটি ভাগ:
- Rh পজিটিভ (+): যদি রক্তে Rh অ্যান্টিজেন উপস্থিত থাকে।
- Rh নেগেটিভ (-): যদি রক্তে Rh অ্যান্টিজেন অনুপস্থিত থাকে।
এই দুটি শ্রেণী একত্র করলে মোট ৮টি রক্তের গ্রুপ পাওয়া যায়:
- A+
- A-
- B+
- B-
- AB+
- AB-
- O+
- O-
সুতরাং, মানুষের শরীরে প্রধানত আটটি রক্তের গ্রুপ বিদ্যমান।
প্রশ্নঃ বাগযন্ত্রের অংশ কোনটি?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
সঠিক উত্তর হল ঘঃ উপরের সবকটি।
মানুষের কথা বলার জন্য যে অঙ্গগুলো সম্মিলিতভাবে কাজ করে, সেগুলোকে বাগযন্ত্র বলা হয়। এর মধ্যে প্রধান অংশগুলো হলো:
- স্বরযন্ত্র (Larynx): এটি শ্বাসনালীর উপরে অবস্থিত এবং ভোকাল কর্ড ধারণ করে, যা বাতাস প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিত হয়ে শব্দ উৎপন্ন করে।
- ফুসফুস (Lungs): ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাস স্বরযন্ত্রের ভোকাল কর্ডে কম্পন সৃষ্টি করে ধ্বনি উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। এটি বাগযন্ত্রের একটি অপরিহার্য অংশ কারণ এটি শব্দ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় বায়ু সরবরাহ করে।
- দাঁত (Teeth): দাঁত বিভিন্ন ধ্বনি উচ্চারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জিহ্বা ও ঠোঁটের সাথে মিলিত হয়ে এটি বিভিন্ন ব্যঞ্জনবর্ণের স্পষ্ট উচ্চারণে সাহায্য করে।
এছাড়াও, জিহ্বা, ঠোঁট, তালু, আলজিভ, নাক, মুখগহ্বর ইত্যাদিও বাগযন্ত্রের অংশ হিসেবে কাজ করে। তাই, উপরে দেওয়া সবগুলো বিকল্পই বাগযন্ত্রের অংশ।
প্রশ্নঃ হৃদযন্ত্রের সংকোচন হওয়াকে বলা হয়-
[ বিসিএস ৪৩তম ]
সঠিক উত্তর হল খঃ সিস্টল।
হৃদযন্ত্রের পেশী সংকুচিত হয়ে রক্ত পাম্প করাকে সিস্টল বলা হয়। এই সময় হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলো সংকুচিত হয় এবং রক্ত ধমনীর মাধ্যমে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
অন্যদিকে, হৃদযন্ত্রের পেশী যখন প্রসারিত হয় এবং রক্ত গ্রহণ করে, তখন সেই পর্যায়কে ডায়াস্টল বলা হয়।
প্রশ্নঃ হার্ট থেকে রক্ত বাইরে নিয়ে যায় যে রক্তনালী-
[ বিসিএস ৪১তম ]
সঠিক উত্তর হলো খঃ আর্টারি।
আর্টারি (Artery) হৃৎপিণ্ডের নিলয় থেকে রক্ত সারা শরীরে বহন করে নিয়ে যায়।
প্রশ্নঃ মানবদেহে লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কত দিন?
[ বিসিএস ৪১তম ]
মানবদেহে লোহিত কণিকার (Red Blood Cell) গড় আয়ুষ্কাল প্রায় ১২০ দিন।
এরপর, লোহিত কণিকাগুলো প্লীহা (spleen) এবং যকৃতে (liver) ম্যাক্রোফেজ নামক কোষ দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং তাদের উপাদানগুলো পুনরায় শরীরে ব্যবহৃত হয়। প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫ মিলিয়ন লোহিত কণিকা ধ্বংস হয় এবং একই হারে নতুন লোহিত কণিকা তৈরি হয়।
প্রশ্নঃ মস্তিষ্ক কোন তন্ত্রের অঙ্গ?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
মস্তিষ্ক হলো স্নায়ুতন্ত্রের (Nervous System) প্রধান অঙ্গ।
এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের (Central Nervous System - CNS) একটি অংশ, যা শরীরের সমস্ত কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় সাধন করে। মস্তিষ্ক এবং সুষুম্নাকাণ্ড (Spinal Cord) মিলেই কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র গঠিত।
প্রশ্নঃ রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ কি?
[ বিসিএস ৩৪তম ]
রক্তে হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ হলো শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পরিবহন করা।
হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকায় (red blood cells) থাকা একটি প্রোটিন, যার মধ্যে লোহা থাকে। এটি ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে সেই অক্সিজেনকে দেহের প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেয়। একই সাথে, এটি কোষ থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড সংগ্রহ করে ফুসফুসে ফিরিয়ে আনে, যা নিঃশ্বাসের সাথে বাইরে বেরিয়ে যায়।
প্রশ্নঃ মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস-
[ বিসিএস ৩৪তম ]
মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস হলো শ্বসন (Respiration)। আমরা খাদ্য থেকে যে পুষ্টি উপাদান পাই (যেমন শর্করা), শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই উপাদানগুলো কোষের ভেতরে ভেঙে গিয়ে শক্তি (ATP) উৎপন্ন করে। এটিই হলো জীবদেহের শক্তি তৈরির মূল প্রক্রিয়া।
প্রশ্নঃ জন্ডিসে আক্রান্ত হয়–
[ বিসিএস ৩৩তম ]
জন্ডিস কোনো রোগ নয়, বরং রোগের একটি লক্ষণ। যখন শরীরের রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায়, তখন জন্ডিস দেখা দেয়। এর ফলে ত্বক, চোখ এবং শ্লেষ্মা ঝিল্লি হলুদ হয়ে যায়।
জন্ডিসের কারণ
জন্ডিসের প্রধান কারণগুলো হলো:
- লিভারের রোগ: হেপাটাইটিস, লিভার সিরোসিস বা লিভার ক্যান্সারের কারণে লিভার ঠিকমতো কাজ করতে পারে না, ফলে বিলিরুবিন প্রসেস করতে ব্যর্থ হয়।
- পিত্তনালীর বাধা: পিত্তনালীতে পাথর, টিউমার বা অন্য কোনো কারণে বাধা সৃষ্টি হলে বিলিরুবিন শরীর থেকে বের হতে পারে না।
- রক্তের রোগ: থ্যালাসেমিয়া বা সিকেল সেল অ্যানিমিয়ার মতো কিছু রোগ হলে লাল রক্তকণিকা দ্রুত ভাঙতে থাকে, ফলে বিলিরুবিন উৎপাদন বেড়ে যায়।
জন্ডিসের লক্ষণ
জন্ডিসের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:
- ত্বক এবং চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া।
- প্রস্রাবের রং গাঢ় হলুদ বা কমলা হয়ে যাওয়া।
- মলের রং ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া।
- ক্লান্তি, দুর্বলতা, এবং বমি বমি ভাব।
- পেটে ব্যথা।
- চুলকানি।
চিকিৎসা
জন্ডিসের চিকিৎসা তার মূল কারণের ওপর নির্ভর করে। তাই লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কারণ নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা দিতে পারেন।
প্রশ্নঃ যকৃতের রোগ কোনটি?
[ বিসিএস ৩২তম ]
যকৃত বা লিভার আমাদের শরীরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। বিভিন্ন কারণে এর কার্যকারিতা ব্যাহত হলে নানা ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে।
যকৃতের কিছু সাধারণ রোগ
- হেপাটাইটিস (Hepatitis): এটি যকৃতের একটি প্রদাহজনিত রোগ, যা সাধারণত হেপাটাইটিস ভাইরাস (A, B, C, D, E) দ্বারা হয়। অ্যালকোহল সেবন এবং কিছু ওষুধের কারণেও এটি হতে পারে।
- লিভার সিরোসিস (Liver Cirrhosis): এটি যকৃতের একটি মারাত্মক অবস্থা, যেখানে যকৃতের কোষগুলো নষ্ট হয়ে যায় এবং সেখানে দাগ বা তন্তুযুক্ত কলা তৈরি হয়। এটি সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি হেপাটাইটিস বা অতিরিক্ত মদ্যপানের ফল।
- ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver): এই অবস্থায় যকৃতের কোষে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয়। এটি দুই ধরনের হতে পারে: অ্যালকোহলজনিত এবং নন-অ্যালকোহলজনিত।
- জন্ডিস (Jaundice): এটি কোনো রোগ নয়, বরং রোগের লক্ষণ। রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যায়, যা যকৃতের কোনো সমস্যার ইঙ্গিত দেয়।
- লিভার ক্যান্সার (Liver Cancer): যকৃতের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেলে এই রোগ হয়। সাধারণত সিরোসিস রোগীদের মধ্যে এর ঝুঁকি বেশি দেখা যায়।
প্রশ্নঃ এনজিওপ্লাস্টি হচ্ছে-
[ বিসিএস ৩১তম ]
ধমনী বা শিরায় রক্ত চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হলে বিশেষ ধরনের যন্ত্রের মাধ্যমে সমস্যাযুক্ত ধমনী বা শিরার সংকুচিত স্থান বিশেষ ধরনের বেলুন দ্বারা প্রসারিত করা হয়, যাকে এনজিওপ্লাস্টি বলে। অন্যদিকে হৃদপিণ্ডে নতুন শিরা সংযোজন করলে তাকে বাইপাস সার্জারি বলা হয়।
প্রশ্নঃ কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়?
[ বিসিএস ৩১তম | বিসিএস ১৯তম ]
পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধতে রেনিন নামক জারক রস প্রয়োজন হয়। অপরপক্ষে ‘ট্রিপসিন’ এবং ‘পেপসিন’ নামক এনজাইম প্রোটিন পরিপাকে এবং ‘এমাইলেজ’ কার্বোহাইড্রেড পরিপাকে সহায়তা করে।
প্রশ্নঃ ইনসুলিন নিঃসৃত হয় কোথা থেকে?
[ বিসিএস ৩৪তম | বিসিএস ২৮তম ]
‘প্যানক্রিয়াস’ (Pancreas)-এর বাংলা প্রতিশব্দ ‘অগ্ন্যাশয়’। মানব দেহের ‘প্যানক্রিয়াস’ নামক গ্রন্থির ‘আইলেট্স অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স’ নামক অংশ হতে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ‘ইনসুলিন’ নিঃসৃত হয়।
প্রশ্নঃ মানুষের হৃৎপিণ্ডে কতটি প্রকোষ্ঠ থাকে?
[ বিসিএস ২৭তম ]
মানুষের হৃৎপিণ্ড সম্পূর্ণভাবে চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত। উপরের দুটি পাতলা প্রাচীরযুক্ত ডান ও বাম অলিন্দ এবং নিচের দুটি পুরু প্রাচীরযুক্ত ডান ও বাম নিলয়। অন্যদিকে ব্যাঙের হৃদপিণ্ডে প্রকোষ্ঠ থাকে-৩টি।
প্রশ্নঃ বিলিরুবিন তৈরি হয়-
[ বিসিএস ২৭তম ]
বিলিরুবিন হচ্ছে পিত্তরসের কমলা রঙের প্রধান রঞ্জক পদার্থ। হিমোগ্লোবিনের প্রধান দুটি উপাদান- প্রোটিন অংশ গ্লোবিন ও লৌহযুক্ত অংশ হিম (heme)। হিম ভেঙে শেষ পর্যন্ত বিলিরুবিনের পরিণত হয়। পিত্তের বর্ণের জন্য দায়ী বিলিরুবিন। বিলিরুবিন তৈরি হয় প্লীহায়। রক্তে বিলিরুবিনের স্বাভাবিক মাত্রা ০.২-০.৮ মিগ্রাম/ডেসিলিটার। রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়াকে জন্ডিস বা পাণ্ডুরোগ বলে।
প্রশ্নঃ মানুষের গায়ের রং কোন উপাদানের উপর নির্ভর করে?
[ বিসিএস ২৭তম ]
মানুষের ত্বকে দুটি স্তর আছে। এর বাইরেরটি বহিঃত্বক বা 'এপিডারমিস' এবং ভেতরেরটিকে বলে অন্তঃত্বক বা 'ডারমিস'। বহিঃত্বককে আবার কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে ভেতরেরটির নাম 'স্ট্র্যাটাম বেসাল' (Stratum basale)। এই স্তরে কতগুলো বিশেষ ধরনের কোষ আছে- এদের বলে 'মেলানোসাইট' (Melanocyte)। মেলানোসাইটগুলোর মধ্যে আছে রঞ্জক কণা ‘মেলানিন’। গাঢ় রঙের এই কণাগুলোই ত্বকের কালো রঙের জন্য দায়ী। যাদের ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ খুব বেশি তাদের গায়ের রঙ কালো। ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ কম থাকলে গায়ের রঙ ফর্সা হয়। ভিটামিন B_1 এর অপর নাম থায়ামিন। ক্যারোটিন এর ধরনের আনস্যাচুরেটেড হাইড্রোকার্বন যা শুধু উদ্ভিত দেহে তৈরি হয়। হিমোগ্লোবিন এক ধরনের প্রোটিন যা প্রায় সকল মেরুদণ্ডী প্রাণির লোহিত রক্ত কণিকায় পাওয়া যায়।
প্রশ্নঃ নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয় মানব দেহের-
[ বিসিএস ২৬তম ]
ফুসফুসের প্রদাহকে নিউমোনিয়া বলে। এটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ। অপরদিকে যকৃতের প্রদাহকে হেপাটাইটিস (ভাইরাস ঘটিত) এবং কিডনির প্রদাহকে নেফ্রাইটিস বলে।
প্রশ্নঃ রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ কি?
[ বিসিএস ২৫তম ]
রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ অক্সিজেন পরিবহন করে প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেয়া এবং কোষ থেকে কার্বন ডাই- অক্সাইড পরিবহন করে ফুসফুসে নিয়ে আসা। রোগ প্রতিরোধের কাজে নিয়োজিত আছে শ্বেত কণিকা এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে অণুচক্রিকা।
অগ্ন্যাশয় মেরুদণ্ডী প্রাণীর দেহের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। অগ্ন্যাশয় হতে আমিষ, শ্বেতসার ও চর্বি জাতীয় খাদ্য হজমকারী এনজাইম নিঃসৃত হয়। এগুলো খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গার হ্যানস হতে গ্লুকানল ও ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। ইনসুলিন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়।
প্রশ্নঃ এনজিও প্লাস্টি হচ্ছে–
[ বিসিএস ২১তম ]
এনজিওপ্লাস্টি: করোনারি ধমনির গাত্রে চর্বি জমে বন্ধ হয়ে গেলে হৃৎপিণ্ডের রক্ত সরবরাহ বাধা পায়। একে হার্ট এটাক বলে। বেলুনের সাহায্যে এ ধমনি ফুলিয়ে পুনরায় রক্ত সরবরাহ স্বাভাবিক করার পদ্ধতিকে এনজিওপ্লাস্টি বলে।
বাইপাস: হৃৎপিণ্ডে শিরা সংযোজন করলে তাকে বাইপাস সার্জারি বলা হয়।
প্রশ্নঃ কোন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়?
[ বিসিএস ২০তম ]
হরমোন হচ্ছে একশ্রেণীর রাসায়নিক বস্তু, যা দেহের কোষ বা অঙ্গসমূহের বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হচ্ছে এমন এক ধরনের হরমোন, যা রক্তে গ্লুকোজের বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। কোনো কারণে রক্তে ইনসুলিন সরবরাহ কমে গেলে গ্লুকোজের বিপাক ক্রিয়া বিঘ্নিত হয়, যার ফলে ডায়াবেটিস রোগ হয়।
প্রশ্নঃ বহুমূত্র রোগে কোন হরমোনের দরকার?
[ বিসিএস ১৯তম ]
অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হরমোন রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমায়। রক্তে এই ইনসুলিন হরমোন কমে গেলে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায় যাকে হাইপারগ্লাইসেমিয়া বলে। এর ফলে ঘন ঘন ক্ষুধা, পিপাসা ও প্রস্রাবের চাপ লাগে যাকে ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ বলে। এই রোগের জন্য ইনসুলিন হরমোন চামড়ার নিচে দেওয়া হয়।
প্রশ্নঃ নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয়–
[ বিসিএস ১৬তম ]
হৃৎপিণ্ড থেকে অক্সিজেনবাহী রক্ত শরীরের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে ধমনির মধ্য দিয়ে। এর গতি থাকে বেশি। তাই ধমনির মধ্যেই নাড়ির স্পন্দন অনুভূত হয়। শিরার ভিতর দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডবাহী রক্ত হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে।
কোনো কারণে মস্তিষ্কের কোথাও রক্ত সরবরাহ বন্ধ হলে বা মস্তিষ্কের কোনো শিরা বা ধমনী ছিঁড়ে গেলে সে অবস্থাকে স্ট্রোক বলে। স্ট্রোকের ফলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ দ্রুত সংঘটিত হয় ও সঙ্গে সঙ্গে রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
প্রশ্নঃ কোনটি রক্তের কাজ নয়?
[ বিসিএস ১৫তম ]
রক্তের সাধারণ কার্যাবলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে কলা হতে বর্জ্য পদার্থ ফুসফুসে বাহিত করা, খাদ্য সারবস্তু বিভিন্ন কলা ও অঙ্গে বাহিত করা, হরমোন, উৎসেচক, লিপিড প্রভৃতি বিভিন্ন অঙ্গে বাহিত করা, কার্বনডাই-অক্সাইড পরিবহন, দৈহিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি কিন্তু জারক রস বিতরণ করা রক্তের কাজ নয়।
প্রশ্নঃ একজন সাধারণ মানুষের দেহে মোট কত টুকরা হাড় থাকে?
[ বিসিএস ১৩তম ]
| অক্ষীয় কঙ্কাল-৮০টি | |||
|---|---|---|---|
| করোটি | ২৯টি | বক্ষপিঞ্জর | ২৫টি |
| মেরুদণ্ড | ২৬টি | ||
| উপাঙ্গীয় কঙ্কাল-১২৬টি | |||
| বক্ষ অস্থিচক্র | ৪টি | শ্রোণী অস্থিচক্র | ২টি |
| বাহু | ৬০টি | পা | ৬০টি |
প্রশ্নঃ আমাদের দেহকোষ রক্ত হতে গ্রহণ করে–
[ বিসিএস ১০তম | রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৮-১২-২০১১ ]
রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন, গ্লুকোজ এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান দেহের সকল কোষে স্থানান্তরিত হয়। লোহিত রক্ত কণিকার হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন ও কার্বন-ডাই-অক্সাইড পরিবহন হরে।
প্রশ্নঃ মানুষের দেহের রক্তরসে শতকরা কত ভাগ পানি থাকে?
[ প্রা.বি.স.শি. 02-02-2024 ]
মানুষের দেহের রক্তরসে শতকরা প্রায় ৯০-৯২ ভাগ পানি থাকে। রক্তরসের বাকি অংশে বিভিন্ন দ্রবীভূত জৈব ও অজৈব পদার্থ থাকে।
প্রশ্নঃ মানুষের রক্তে লোহিত কণিকা কোথায় সঞ্চিত হয়?
[ প্রা.বি.স.শি. 21-06-2019 ]
প্লীহা (Spleen) কে রক্তের ভাণ্ডার বলা হয়।
এখানে লোহিত কণিকা (RBC) কিছুটা সঞ্চিত এবং পুরনো ও ক্ষয়প্রাপ্ত লোহিত কণিকা ধ্বংসও করা হয়।
প্রশ্নঃ রক্তে Platelet-এর কাজ কী?
[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
রক্তে প্লেটলেট বা অনুচক্রিকার প্রধান কাজ হলো রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা।
কোনো স্থান কেটে গেলে বা রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্লেটলেটগুলো দ্রুত সেই স্থানে একত্রিত হয়ে এক ধরনের আঠালো প্লাগ বা জমাট বাঁধানো পদার্থ তৈরি করে। এর ফলে রক্তপাত বন্ধ হয়। প্লেটলেটের এই কার্যকলাপ শরীরের রক্তক্ষরণ রোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রশ্নঃ ফুসফুসের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]
প্রশ্নঃ ফাইব্রিনোজেন যেখানে তৈরি হয়-
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]
প্রশ্নঃ দেহের ভারসাম্য রক্ষাকারী অঙ্গ কোনটি?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]
প্রশ্নঃ কুনোব্যাঙের পাচক রসে কোনটি থাকে না?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি মিল?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]
প্রশ্নঃ একটি স্নয়ুকোষে স্নায়ু অনুভূতি পরিবহনের সঠিক গতিপথ কোনটি?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]
প্রশ্নঃ মানবদেহে সবচেয়ে কঠিন অংশ কোনটি?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]
প্রশ্নঃ রক্তশূন্যতা হলে চুপসে যায় কোনটি?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]
প্রশ্নঃ কোনটি শিরার বৈশিষ্ট্য নয়?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]
প্রশ্নঃ ফিবুলা দেখতে কিসের মত?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]
প্রশ্নঃ মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১৪-০৭-২০০৬ ]
প্রশ্নঃ মানুষের মেরুদন্ড কয়টি অস্থির সমন্ময়ে গঠিত?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ রক্ত কণিকা কত প্রকার?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ রক্তে শ্বেতকণিকা কোষ বেড়ে যাওয়াকে বলে-
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ মস্তিষ্ক কোন তন্ত্রের অঙ্গ?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ হৃৎপিন্ডকে আবৃতকারী পর্দার নাম কি?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ একজন সাধারণ মানুষের দেহে মোট কতটি হাড় থাকে?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ মানবদেহের সর্ববৃহৎ অঙ্গ হচ্ছে--
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ `কার্ডিওলজী` কোন রোগের সাথে সম্পৃক্ত?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০৬-২০১৯ ]