প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সাথে একমাত্র বন্দি বিনিময় চুক্তি আছে কোন দেশের?
[ ৭ম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
Related MCQ
ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত একটি সরকারি সংস্থা।
টিসিবি মূলত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনার উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে কাজ করে। এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নীতি ও নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
প্রশ্নঃ ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে পণ্য রপ্তানি বাবদ সবচেয়ে বেশি আয় করেছে?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি বাবদ সবচেয়ে বেশি আয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র (USA) থেকে।
বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (EPB) তথ্য অনুযায়ী, এই অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রায় ৮.৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে। তৈরি পোশাক এক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা রেখেছে।
যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার হিসেবে অবস্থান করছে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে কোন দেশে?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
বর্তমানে (এপ্রিল ২০২৫), বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে সৌদি আরবে।
দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরব একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশী কর্মীর গন্তব্য হয়ে উঠেছে। এর পরেই সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার এবং মালয়েশিয়ার অবস্থান।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল –
[ বিসিএস ৪৬তম ]
The Daily Star Bangla এবং অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, বিশেষ করে সৌদি আরব।
নারী শ্রমিকদের ক্ষেত্রেও সৌদি আরব প্রধান গন্তব্যস্থল। তবে, পুরুষ শ্রমিকদের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী শ্রমিক জর্ডান, ওমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতেও কাজ করতে যান।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মালয়েশিয়াও বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হিসেবে পুনরায় আত্মপ্রকাশ করছে।
প্রশ্নঃ হিলি স্থল বন্দরটি বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
হিলি স্থলবন্দরটি হাকিমপুর, দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।
হিলি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর, যা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি পশ্চিমবঙ্গের হিলি শহরের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যা দুই দেশের মধ্যে পণ্য আদান-প্রদানের একটি মূল কেন্দ্র।
প্রশ্নঃ কত সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয়?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি বাংলাদেশে ২০০২ সালে প্রবর্তন করা হয়।
তবে, এই আইনটি পরবর্তীতে ২০১২ সালে সংশোধন করা হয় এবং বর্তমানে এই সংশোধিত আইনটিই কার্যকর রয়েছে। তাই যদি প্রশ্ন করা হয় "মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২" কত সালে প্রবর্তন করা হয়, তবে উত্তর হবে ২০১২ সাল। কিন্তু মূল আইনটি প্রবর্তিত হয়েছিল ২০০২ সালে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য কয়টি?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
বর্তমানে (মে ৫, ২০২৫) পর্যন্ত বাংলাদেশে ১১টি ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical Indication - GI) পণ্য নিবন্ধিত হয়েছে।
এই পণ্যগুলো হলো:
১. জামদানি (নিবন্ধিত: ২০১৩) ২. ইলিশ (নিবন্ধিত: ২০১৭) ৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম (নিবন্ধিত: ২০১৯) ৪. দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল (নিবন্ধিত: ২০১৯) ৫. কালিজিরা ধান (নিবন্ধিত: ২০২১) ৬. শতরঞ্জি, রংপুর (নিবন্ধিত: ২০২১) ৭. নাটোরের কাঁচাগোল্লা (নিবন্ধিত: ২০২১) ৮. কুমিল্লার রসমালাই (নিবন্ধিত: ২০২১) ৯. বিজয়পুরের সাদা মাটি (নিবন্ধিত: ২০২৩) ১০. বাগেরহাটের চিংড়ি (নিবন্ধিত: ২০২৩) ১১. মোসলিন (নিবন্ধিত: ২০২৪)
এই তালিকা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।
প্রশ্নঃ BSTI-এর পূর্ণ অভিব্যক্তি কী?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
BSTI-এর পূর্ণ অভিব্যক্তি হল:
Bangladesh Standards and Testing Institution
বাংলায় এর অর্থ বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন। এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা মূলত সেবা ও পণ্যের গুণমান নিয়ন্ত্রণ করে।
বর্তমানে (এবং গত বেশ কয়েক বছর ধরে), বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে চীন থেকে। চীনের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি অনেক বেশি, কারণ চীন থেকে বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল, মধ্যবর্তী পণ্য এবং ভোগ্যপণ্য আমদানি করা হয়।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের তৈরি জাহাজ ‘স্টেলা মেরিস’ রপ্তানি হয়েছে–
[ বিসিএস ৩৭তম ]
বাংলাদেশের তৈরি জাহাজ ‘স্টেলা মেরিস’ ডেনমার্কে রপ্তানি হয়েছিল।
এটি ছিল বাংলাদেশের জাহাজ রপ্তানি খাতের একটি মাইলফলক। আনন্দ শিপইয়ার্ড লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালের ১৫ই মে ডেনমার্কের স্টেলা শিপিং (Stella Shipping) কোম্পানির কাছে এই অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজটি হস্তান্তর করেছিল। এটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম রপ্তানিকৃত সমুদ্রগামী জাহাজ।
প্রশ্নঃ বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর–
[ বিসিএস ৩৭তম ]
বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দরটি হলো: পেট্রাপোল
পেট্রাপোল স্থলবন্দরটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ মহকুমায় অবস্থিত। এটি বেনাপোল স্থলবন্দরের ঠিক বিপরীতে ভারতীয় অংশে অবস্থিত এবং ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে স্থলপথে বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম স্থল কাস্টমস স্টেশনগুলির মধ্যে অন্যতম।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে সরকারি EPZ সংখ্যা–
[ বিসিএস ৩৭তম ]
বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি EPZ (Export Processing Zone) এর সংখ্যা ৮টি।
এগুলো হলো: ১. চট্টগ্রাম ইপিজেড (চট্টগ্রাম) - দেশের প্রথম সরকারি ইপিজেড (১৯৮৩) ২. ঢাকা ইপিজেড (সাভার, ঢাকা) ৩. মংলা ইপিজেড (মংলা, বাগেরহাট) ৪. কুমিল্লা ইপিজেড (কুমিল্লা) ৫. ঈশ্বরদী ইপিজেড (পাবনা) ৬. উত্তরা ইপিজেড (সৈয়দপুর, নীলফামারী) - একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড ৭. আদমজী ইপিজেড (নারায়ণগঞ্জ) ৮. কর্ণফুলী ইপিজেড (চট্টগ্রাম)
এছাড়াও, বেসরকারি পর্যায়ে আরও ২টি ইপিজেড রয়েছে। নতুন কিছু ইপিজেড প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যেমন গাইবান্ধা, যশোর ও পটুয়াখালীতে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে–
[ বিসিএস ৩৭তম ]
২০২১-২২ অর্থবছরে চীন বাংলাদেশে রপ্তানি করেছে ১৬১৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারত রপ্তানি করে ১০০২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
প্রশ্নঃ ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা।
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন (Bangladesh Trade and Tariff Commission - BTTC) একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা যা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। এর প্রধান কাজ হলো দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণ, আমদানি শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়া, এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে সহায়তা করা।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী বিষয় কি?
[ বিসিএস ৩৩তম ]
বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হলো তৈরি পোশাক শিল্প। এই খাতটি রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ জোগান দেয়। ২০২২-২৩ অর্থবছরে পোশাক শিল্প থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ৪৬,৯৯১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। রপ্তানি পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়।
অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো প্রবাসী আয় (Remittance)। প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে কাজ করে যে অর্থ দেশে পাঠান, তা দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখে। এই আয়ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করে।
প্রশ্নঃ দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক কোথায় স্থাপিত হচ্ছে?
[ বিসিএস ৩১তম ]
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউসিয়া এলাকায় ২০০ একর জমিতে ঔষধ শিল্পপার্ক স্থাপিত হচ্ছে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে চিনি শিল্পের ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
[ বিসিএস ২৬তম ]
ঈশ্বরদীতে অবস্থিত বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ইক্ষুর ওপর নানা গবেষণা ও ইক্ষু চাষের ওপর নানা প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। এ প্রতিষ্ঠানটি ৩০টি উন্নত জাতের উচ্চ ফলনশীল আখ উদ্ভাবন করেছে। বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর বর্তমান নাম বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট।
প্রশ্নঃ জিয়া সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
[ বিসিএস ২৪তম ]
জিয়া সার কারখানার বর্তমান নাম ‘আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লি.’। কারখানাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত। এ সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। এছাড়া অন্য যেসব কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদিত হয়, তা হলো- চট্টগ্রাম ইউরিয়া, ঘোড়াশাল, পলাশ, যমুনা, কর্ণফুলী ও শাহজালাল সার কারখানা। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় যমুনা সার কারখানা জামালপুরের তারাকান্দিতে অবস্থিত।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম ‘ইপিজেড’ কোথায় স্থাপিত হয়?
[ বিসিএস ২০তম ]
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড ‘চট্টগ্রাম ইপিজেড’ ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ‘ঢাকা ইপিজেড’ ঢাকার সাভারে ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রশ্নঃ জিয়া সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
[ বিসিএস ১৬তম ]
জিয়া সার কারখানা (বর্তমান নাম আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লি.) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত। তিতাস গ্যাস ব্যবহার করে পরিচালিত এ কারখানাতে ইউরিয়াসহ প্যাকিং -এর লাইনিং এবং পলিথিন পেপার উৎপাদন করা হয়।
প্রশ্নঃ ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
[ বিসিএস ১৪তম ]
ঘোড়াশাল সার কারখানা নরসিংদীতে অবস্থিত। এ সার কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে ইউরিয়া সার উৎপন্ন করা হয়।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
[ বিসিএস ১৪তম ]
বাংলাদেশে জাহাজ নিমার্ণ ও মেরামত কারখানা ৩টি। এগুলো হলো খুলনা শিপইয়ার্ড, চট্টগ্রাম ডকইয়ার্ড এবং নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড।
প্রশ্নঃ চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল কি?
[ বিসিএস ১৪তম ]
রাঙামাটির চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের নাম কর্ণফুলী পেপার মিলস। ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কাগজ কলটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম কাগজ কল। পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বাঁশ জন্মে এবং বাঁশ ব্যবহার করে কর্ণফুলী পেপার মিলে কাগজ তৈরি হয়।
প্রশ্নঃ গ্রামীণ ব্যাংক কোন ধরনের তালিকার অন্তর্ভুক্ত?
[ ১১ তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম কি?
[ ১৩তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত কী?
[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ Bkash কোন ব্যাংকের জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে কাজ করে?
[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর কোনটি?
[ প্রা. প্র. শি. নি.৯-১০-২০১২ ]
প্রশ্নঃ কোন জেলা তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী?
[ প্রা. প্র. শি. নি.০৮-১০-২০১২ ]
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
[ প্রা. প্র. শি. নি.০৭-১০-২০১২ ]
প্রশ্নঃ বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কী নামে পরিচিত?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৬-০৯-২০১৯ ]
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান খাত কোনটি?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৬-০৯-২০১৯ ]
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম EPZ কোথায় গড়ে উঠেছে?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২১-০৬-২০১৯ ]
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ মেশিন টুলস কারখানা অবস্থিত-
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১০-১১-২০১৩ ]
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের টেলিফোন শিল্প সংস্থা অবস্থিত?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১০-১১-২০১৩ ]
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে একমাত্র অস্ত্র তৈরি কারখানাটি অবস্থিত -
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৯-১১-২০১৩ ]