প্রশ্নঃ সেন্টমার্টিন দ্বীপ-এর অপর নাম কি?
[ বিসিএস ১৫তম ]
আরবি ‘জাজিরা’ থেকে ‘জিঞ্জিরা’ শব্দটি উদ্ভূত যার অর্থ উপদ্বীপ। নারিকেল গাছের প্রতুলতার জন্য সেন্টমার্টিন দ্বীপটির নাম হয়েছে নারিকেল জিঞ্জিরা। কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের বুকে অবস্থিত সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণের ইউনিয়ন। এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এর আয়তন ৮ বর্গকিলোমিটার।
Related MCQ
প্রশ্নঃ দেশের কোন জেলায় সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। এটি “তিস্তা সোলার লিমিটেড” নামে পরিচিত এবং বেক্সিমকো পাওয়ার লিমিটেডের উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে। এই কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২০০ মেগাওয়াট, যা দেশের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।
প্রকল্পটি প্রায় ৬০০ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে প্রায় ৫.৫ লাখ সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ২০২৩ সালের ২ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে এবং উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প এবং গৃহস্থালীর কাজে প্রাকৃতিক গ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যদিও বাংলাদেশে আরও কিছু খনিজ সম্পদ যেমন কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, সিলিকা বালি ইত্যাদি আবিষ্কৃত হয়েছে, তবে অর্থনৈতিকভাবে এবং ব্যবহারের পরিমাণের দিক থেকে প্রাকৃতিক গ্যাসই প্রধান খনিজ সম্পদ।
প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ কী ধরণের স্যাটেলাইট হবে?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ একটি আর্থ অবজারভেটরি স্যাটেলাইট হবে।
এটি মূলত পৃথিবী পর্যবেক্ষণ এবং এর ডেটা বিশ্লেষণের জন্য তৈরি করা হবে। এই ধরণের স্যাটেলাইট সাধারণত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়:
- আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ: আবহাওয়ার পূর্বাভাস, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস ও পর্যবেক্ষণ।
- পরিবেশ পর্যবেক্ষণ: বনভূমি, কৃষি, জলাধার এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ।
- মানচিত্র তৈরি ও ভূ-স্থানিক বিশ্লেষণ: ভূমি ব্যবহার, শহরায়ন এবং অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ডেটা সংগ্রহ।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন এবং ত্রাণ কার্যক্রমের পরিকল্পনায় সহায়তা।
- নিরাপত্তা ও নজরদারি: দেশের সীমান্ত ও জলসীমার নজরদারি এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে এবং এটি একটি হাইব্রিড স্যাটেলাইটও হতে পারে। এর ফলে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর জন্য নির্ধারিত অরবিটাল স্লটের প্রয়োজন হবে না।
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
সঠিক উত্তর হল গঃ তিতাস।
আবিষ্কারের সময় এবং মজুদের দিক থেকে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রটি বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র। এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এবং ১৯৬২ সালে এটি আবিষ্কৃত হয়।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
[ বিসিএস ৪২তম ]
বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র হলো সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
এটি ১৯৯৬ সালে বঙ্গোপসাগরের অগভীর সমুদ্র এলাকায়, চট্টগ্রামের সলিমপুরের কাছে আবিষ্কৃত হয়। অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানি সান্তোস এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে এবং পরবর্তীতে ব্রিটিশ কোম্পানি কেয়ার্ন এনার্জি এর অপারেশনের দায়িত্ব নেয় ও ১৯৯৮ সালে গ্যাস উৎপাদন শুরু করে।
তবে, ২০১৩ সালের অক্টোবরে সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। গ্যাস উত্তোলন লাভজনক না হওয়ায় এবং মজুত ফুরিয়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
সুতরাং, সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র উৎপাদনশীল সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র ছিল। বর্তমানে এটি পরিত্যক্ত হলেও, বাংলাদেশের সামুদ্রিক গ্যাস অনুসন্ধানের ইতিহাসে এর একটি বিশেষ স্থান রয়েছে।
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় প্রাকৃতিক গ্যাস।
যদিও বর্তমানে কয়লা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর প্রচেষ্টা চলছে, তবে এখনও প্রাকৃতিক গ্যাসই বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস। তবে, প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ কমে যাওয়ায় সরকার এখন ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ উৎপাদনে অন্যান্য উৎসের (যেমন: কয়লা, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-LNG আমদানি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি) উপর নির্ভরতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন হলো প্রায় ৯ বর্গকিলোমিটার।
উল্লেখ্য, সোনাদিয়াতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনাটি বর্তমানে স্থগিত আছে এবং কক্সবাজারের মাতারবাড়িতেই গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের কাজ চলছে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ কোনটি?
[ বিসিএস ২৬তম | প্রা. বি. স. শি. নি. ০১-০৬-২০১৮ ]
কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত বাঁশখালী নদীর তীরে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী। দ্বীপটির প্রধান আকর্ষণ শুঁটকি মাছ ও মিঠা পানি। এ দ্বীপের পাহাড়ের ওপর অবস্থিত আদিনাথ মন্দিরকে ঘিরে গড়ে উঠেছে পর্যটনকেন্দ্র।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কি?
[ বিসিএস ২৪তম | প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-০৪-২০১৩ ]
কক্সবাজার জেলায় টেকনাফের সমুদ্র উপকূল থেকে ৪৮ কিমি দক্ষিণে সেন্টমার্টিন দ্বীপ অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ৮ বর্গকিমি। এটি পর্যটন কেন্দ্র, মৎস্য আহরণ, খনিজ পদার্থ ও চুনাপাথরের জন্য বিখ্যাত।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে কবে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়?
[ বিসিএস ২১তম ]
১৯৫৭ সালে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়, কিন্তু সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ কোনটি?
[ বিসিএস ১৯তম ]
বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ হলো – প্রাকৃতিক গ্যাস। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন। প্রাকৃতিক গ্যাস পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ। এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ২৮টি গ্যাস ক্ষেত্রে আবিষ্কৃত হয়েছে। বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে এবং উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
| গাছের নাম | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|
| চাপালিশ | ক্রান্তীয় চিরসবুজ পাহাড়ি বনে এ গাছ পাওয়া যায়। |
| কেওড়া | উপকূলীয় বনায়নের উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ। |
| গেওয়া | দিয়াশলাই তৈরি ও খুলনার নিউজপ্রিন্ট মিলের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। |
| সুন্দরী | খুলনা হার্ডবোর্ড মিলের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। |
প্রশ্নঃ দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়ায় কিসের খনি প্রকল্প কাজ চলছে?
[ বিসিএস ১৮তম ]
বাংলাদেশে প্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়- জামালগঞ্জ, জয়পুরহাট ১৯৬২ সালে। তারপর ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার চৌহালি গ্রামের বড়পুকুরিয়ায় কয়লা পাওয়া যায়। এ পর্যন্ত বাংলাদেশের আবিষ্কৃত কয়লাক্ষেত্র গুলোর মধ্যে বড়পুকুরিয়ার কয়লাই ভূ-পৃষ্ঠে স্বল্প গভীরতায় অবস্থিত। বর্তমানে এখানে থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে বিদ্যুৎ শক্তির উৎস-
[ বিসিএস ১৮তম ]
দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। তবে বেসরকারি ক্ষুদ্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে খনিজ তেল ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে-
[ বিসিএস ১২তম ]
বাংলাদেশের ভূগর্ভস্থ কয়লা সম্পদের অস্তিত্ব প্রথম প্রমাণিত হয় ১৯৫৯ সালে বগুড়ায় তেল অনুসন্ধানে খনন কাজ চালানোর মাধ্যমে। এই খনন কাজের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে ১৯৬১ সালে জাতিসংঘের সহায়তায় পরিচালিত হয় খনিজসম্পদ জরিপ। আবিষ্কৃত হয় জামালগঞ্জের কয়লা।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
[ বিসিএস ১২তম ]
পাকিস্তান ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (বর্তমান বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর) ১৯৫৭ সালে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে। এ চীনামাটিকে বিজয়পুর চীনামাটি নামকরণ করা হয়।
প্রশ্নঃ তিতাস গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায়?
[ ১২তম শি. (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ কোনটি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০৪-২০১৮ ]
প্রশ্নঃ কাঁচামাল হিসাবে আখের ছোবড়া ব্যবহার করা হয়-
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-১১-২০১৩ ]
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জ্বালানি তৈল শোধনাগারটি অবস্থিত -
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৯-১১-২০১৩ ]
প্রশ্নঃ `হোয়াইট গোল্ড` বলা হয়-
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৫-০৮-২০০৫ ]