আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

প্রশ্নঃ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোন পর্যায়ে ব্যবস্থা গ্রহণ সবচেয়ে ফলপ্রসূ হবে?

[ বিসিএস ৩৫তম ]

ক. কমিউনিটি পর্যায়ে
খ. জাতীয় পর্যায়ে
গ. উপজেলা পর্যায়ে
ঘ. আঞ্চলিক পর্যায়ে
উত্তরঃ কমিউনিটি পর্যায়ে
ব্যাখ্যাঃ

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কঃ কমিউনিটি পর্যায়ে ব্যবস্থা গ্রহণ সবচেয়ে ফলপ্রসূ হবে।

যদিও জাতীয়, উপজেলা এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে নীতি প্রণয়ন, পরিকল্পনা এবং সম্পদ বরাদ্দ গুরুত্বপূর্ণ, তবে বাস্তব ক্ষেত্রে দুর্যোগের প্রভাব মোকাবিলা এবং ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য কমিউনিটি পর্যায়ের সম্পৃক্ততা অপরিহার্য। এর কারণগুলো হলো:

  1. স্থানীয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা: কমিউনিটির মানুষের কাছে তাদের এলাকার বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি এবং স্থানীয় সম্পদ সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো জ্ঞান থাকে। তারা জানে কখন বন্যা হয়, কোথায় আশ্রয় নেওয়া নিরাপদ, বা কোন রাস্তা ব্যবহার করা উচিত নয়।
  2. প্রথম সাড়াদানকারী: দুর্যোগ আঘাত হানলে স্থানীয়রাই প্রথম সাড়াদানকারী হয়। বাইরের সাহায্য পৌঁছাতে দেরি হতে পারে, কিন্তু স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে একে অপরের সাহায্যে এগিয়ে আসে।
  3. সচেতনতা ও প্রস্তুতি: কমিউনিটি পর্যায়ে মানুষকে দুর্যোগ সম্পর্কে সচেতন করা এবং তাদের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমে (যেমন: আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া, জরুরি কিট তৈরি করা, প্রাথমিক চিকিৎসা জানা) যুক্ত করা সহজ হয়।
  4. সম্পদের সদ্ব্যবহার: স্থানীয় সম্পদ (মানুষ, নৌকা, খাদ্যশস্য, ইত্যাদি) কার্যকরভাবে ব্যবহার করার জন্য কমিউনিটি পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন সুবিধাজনক।
  5. টেকসই সমাধান: স্থানীয়দের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদী বা টেকসই হয় না। যখন কমিউনিটির সদস্যরা পরিকল্পনার অংশ হয় এবং এর মালিকানা গ্রহণ করে, তখন সেটি সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

বর্তমানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কমিউনিটি ভিত্তিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Community Based Disaster Management - CBDM) একটি জনপ্রিয় এবং কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। বাংলাদেশও এই পদ্ধতির উপর জোর দিচ্ছে।