প্রশ্নঃ `খোয়াবনামা` উপন্যাসের রচয়িতা কে?
[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৮-১২-২০১১ ]
Related MCQ
প্রশ্নঃ ‘আনোয়ারা’ উপন্যাসের রচয়িতার নাম-
[ বিসিএস ৪৪তম ]
‘আনোয়ারা’ উপন্যাসের রচয়িতার নাম গঃ নজিবর রহমান।
নজিবর রহমান সাহিত্যরত্ন ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বাংলা সাহিত্যের একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ছিলেন। ‘আনোয়ারা’ তার বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম, যা গ্রামীণ জীবনের চিত্র ও সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে।
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
সঠিক উত্তর হলো ঘঃ কবিতার কথা।
'কবিতার কথা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ, যেখানে তিনি কবিতা ও সাহিত্যতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
অন্যদিকে:
- কঃ দিবারাত্রির কাব্য: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস।
- খঃ শেষের কবিতা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি উপন্যাস।
- গঃ পল্লী-সমাজ: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস।
প্রশ্নঃ মীর মশাররফ হােসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ একটি –
[ বিসিএস ৪৪তম ]
মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
এটি মূলত কারবালার বিষাদময় ঘটনাকে কেন্দ্র করে রচিত। যদিও এটি ইতিহাসের আখ্যান, তবে মীর মশাররফ হোসেন এটিকে ঔপন্যাসিক আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছেন, যেখানে চরিত্রায়ণ, সংলাপ এবং ঘটনার বর্ণনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাই এটিকে ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে গণ্য করা হয়।
প্রশ্নঃ ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের যুবক-শিক্ষকের নাম-
[ বিসিএস ৪৪তম ]
সঠিক উত্তর হলো ঘঃ আরেফ আলী।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের যুবক শিক্ষকের নাম আরেফ আলী।
প্রশ্নঃ বিধবার প্রেম নিয়ে রচিত উপন্যাস কোনটি?
[ বিসিএস ৪১তম ]
বিধবার প্রেম নিয়ে রচিত উপন্যাস হলো খঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’।
এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বিনোদিনী, একজন যুবতী বিধবা, যার জীবন এবং তার দুটি পুরুষের প্রতি আকর্ষণ এই কাহিনীর মূল বিষয়। উপন্যাসটিতে বিধবাদের তৎকালীন সামাজিক অবস্থান এবং তাদের মানসিক জটিলতা অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
অন্যান্য উপন্যাসগুলোর মূল বিষয় ভিন্ন:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শেষ প্রশ্ন’: এটি মূলত নারীমুক্তি, ধর্ম ও সমাজের প্রচলিত রীতিনীতির বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রশ্ন উত্থাপনকারী উপন্যাস। এখানে বিধবার চরিত্র থাকলেও সেটি মুখ্য নয়।
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘কুহেলিকা’: এটি একটি রহস্য ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যেখানে প্রেমের জটিলতা ও দেশপ্রেমের প্রেক্ষাপট মুখ্য।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’: এটি একটি রোমান্টিক উপন্যাস, যেখানে প্রকৃতির কোলে বেড়ে ওঠা এক বালিকার সাথে শহুরে যুবকের প্রেম ও পরিণতি বর্ণিত হয়েছে।
প্রশ্নঃ জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
[ বিসিএস ৪১তম ]
সঠিক উত্তর হলো কঃ গঙ্গা।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গঙ্গা উপন্যাসটি জেলেদের জীবন এবং নদীর তীরবর্তী মানুষের জীবনযাত্রা, তাদের সংগ্রাম ও প্রকৃতির সাথে তাদের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে। এই উপন্যাসে জেলেদের দৈনন্দিন জীবন, মাছ ধরা, নদীর উত্থান-পতন এবং তাদের সামাজিক প্রেক্ষাপট জীবন্তভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
অন্যান্য উপন্যাসগুলোর বিষয়বস্তু ভিন্ন:
- পুতুলনাচের ইতিকথা: এটিও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা, তবে এর মূল বিষয় গ্রামীণ সমাজের জটিলতা, মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং নিয়তির প্রভাব।
- হাঁসুলী বাঁকের উপকথা: এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা, যেখানে সাঁওতাল জনজাতির জীবন, সংস্কৃতি এবং সময়ের সাথে সাথে তাদের পরিবর্তন বর্ণিত হয়েছে।
- গৃহদাহ: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা, যেখানে ত্রিভুজ প্রেমের জটিলতা এবং সামাজিক রীতিনীতির প্রভাব দেখানো হয়েছে।
এই উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্রের ‘রাজসিংহ’ উপন্যাসের।
‘রাজসিংহ’ উপন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র এই উক্তিটি করেছে, যা মানুষের পরিবর্তনশীল হৃদয় এবং সময়ের সাথে সাথে তাদের মধ্যে সহানুভূতি ও মানবিকতার উন্মেষের সম্ভাবনাকে তুলে ধরে।
প্রশ্নঃ ‘নদী ও নারী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
[ বিসিএস ৩৮তম ]
হুমায়ুন কবির ছিলেন একজন বরেণ্য বাঙালি সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, দার্শনিক এবং রাজনীতিবিদ। তার বিখ্যাত উপন্যাস 'নদী ও নারী' ১৯৫২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
'নদী ও নারী' উপন্যাসের বিষয়বস্তু
'নদী ও নারী' উপন্যাসে হুমায়ুন কবির মূলত নদীমাতৃক বাংলাদেশের জীবনচিত্র, প্রকৃতি এবং নারী জীবনের গভীর সম্পর্ক তুলে ধরেছেন। এর প্রধান বিষয়বস্তুগুলো হলো:
- নদী ও মানুষের জীবন: এই উপন্যাসে নদীকে শুধু একটি প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে দেখানো হয়নি, বরং এটিকে মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, ভাগ্য নিয়ন্তা এবং একটি জীবন্ত সত্তা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নদী কীভাবে মানুষের জীবনযাত্রা, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং এমনকি সম্পর্ককেও প্রভাবিত করে, তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- নারীর জীবন ও সংগ্রাম: উপন্যাসের নারী চরিত্রগুলো গ্রামীণ বাংলার নারীর জীবন সংগ্রাম, প্রেম, বিরহ, ত্যাগ এবং প্রতিকূলতার মুখে তাদের টিকে থাকার লড়াইকে তুলে ধরে। তারা নদীর মতোই কখনো শান্ত, কখনো চঞ্চল, আবার কখনো বিধ্বংসী।
- গ্রামীণ জীবনের চালচিত্র: গ্রামবাংলার সহজ-সরল মানুষের জীবনযাপন, তাদের সুখ-দুঃখ, সংস্কার, বিশ্বাস এবং পারস্পরিক সম্পর্ক এই উপন্যাসের পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে।
- প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক: প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের নিবিড় সম্পর্ক এবং কীভাবে প্রাকৃতিক উপাদানগুলো মানব অস্তিত্বের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যায়, তা এই উপন্যাসে শিল্পিতভাবে চিত্রিত হয়েছে।
'নদী ও নারী' উপন্যাসটি তার কাব্যিক ভাষা, গভীর জীবনবোধ এবং গ্রামবাংলার এক অপূর্ব চিত্রণের জন্য বাংলা সাহিত্যে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
প্রশ্নঃ সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের গ্রন্থ কোনটি?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের গ্রন্থটি হলো অলীক মানুষ।
এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং বহুল প্রশংসিত উপন্যাস, যার জন্য তিনি সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন।
প্রশ্নঃ কোনটি উপন্যাস নয়?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে কবিতার কথা উপন্যাস নয়।
- দিবারাত্রির কাব্য: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- হাঁসুলী বাঁকের উপকথা: এটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- কবিতার কথা: এটি প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্য সমালোচক সুধীন্দ্রনাথ দত্তের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। এখানে তিনি কবিতা এবং সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করেছেন। এটি কোনো উপন্যাস নয়।
- পথের পাঁচালী: এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি কালজয়ী উপন্যাস।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: গঃ কবিতার কথা
প্রশ্নঃ ‘বিষাদ সিন্ধু’ একটি–
[ বিসিএস ৩৬তম ]
‘বিষাদ সিন্ধু’ একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা কারবালার বিষাদময় ঘটনা অবলম্বনে রচিত হয়েছে। এই উপন্যাসে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেনের সঙ্গে ইয়াজিদের বিরোধ এবং কারবালার যুদ্ধের করুণ কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত।
প্রদত্ত উপন্যাসগুলোর মধ্যে যেটিতে গ্রামীণ সমাজ জীবনের চিত্র প্রাধান্য লাভ করেনি, সেটি হলো সীতারাম
ব্যাখ্যা:
- কঃ গণদেবতা: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসটি গ্রামীণ বাংলার সমাজ, কৃষিভিত্তিক জীবন, জমিদারী প্রথার অবক্ষয় এবং গ্রামীণ সমাজের পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। এটি গ্রামীণ জীবন চিত্রের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
- খঃ পদ্মানদীর মাঝি: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কালজয়ী উপন্যাসটি পদ্মানদীর ধীবর সম্প্রদায়ের জীবন, তাদের সংগ্রাম, সুখ-দুঃখ এবং গ্রামীণ পরিবেশের এক বাস্তবসম্মত চিত্র তুলে ধরে। এটি মূলত গ্রামীণ সমাজের চিত্র নির্ভর।
- গঃ সীতারাম: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি সতেরো শতকের বাংলার জমিদার সীতারাম রায় এবং তার রাজ্য প্রতিষ্ঠা ও পতনের কাহিনী নিয়ে লেখা। এখানে ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ, ক্ষমতা, বিদ্রোহ এবং ব্যক্তিগত চরিত্রায়ণই মুখ্য, গ্রামীণ সমাজ জীবন এর প্রধান উপজীব্য নয়, যদিও প্রেক্ষাপটে গ্রামীণ কাঠামো বিদ্যমান ছিল।
- ঘঃ পথের পাঁচালী: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসটি গ্রামীণ বাংলার দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারের জীবন, অপুর শৈশব, প্রকৃতি এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির এক নিবিড় ও হৃদয়স্পর্শী চিত্র অঙ্কন করেছে। এটি গ্রামীণ জীবন চিত্রের এক অসাধারণ উদাহরণ।
সুতরাং, সীতারাম উপন্যাসটিতে গ্রামীণ সমাজ জীবনের চিত্র অন্যান্য উপন্যাসের মতো প্রধান্য লাভ করেনি।
প্রশ্নঃ ‘কপালকুণ্ডলা’ কোন প্রকৃতির রচনা?
[ বিসিএস ৩৫তম ]
‘কপালকুণ্ডলা’ হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি রোমান্টিক উপন্যাস।
এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম দিকের সফল এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম। এতে প্রকৃতি, রহস্য, দর্শন এবং মানবিক সম্পর্কের জটিলতা নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
প্রশ্নঃ ‘দিবারাত্রির কাব্য’ কার লেখা উপন্যাস?
[ বিসিএস ৩২তম ]
'দিবারাত্রির কাব্য' উপন্যাসটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর লেখা।
এটি ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তাঁর প্রথম দিকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এই উপন্যাসে তিনি মনস্তত্ত্বের জটিল দিক এবং মানব সম্পর্কের টানাপোড়েন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তুলে ধরেছেন। এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
প্রশ্নঃ ‘আনোয়ারা’ গ্রন্হটি কার রচনা?
[ বিসিএস ৩২তম ]
'আনোয়ারা' গ্রন্থটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস, যার রচয়িতা হলেন মোহাম্মদ নজিবর রহমান। এই উপন্যাসে তৎকালীন মুসলিম সমাজের পারিবারিক ও সামাজিক জীবন, কুসংস্কার এবং ধর্মীয় সংস্কারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রশ্নঃ ভাষা আন্দোলন বিষয়ক উপন্যাস কোনটি?
[ বিসিএস ৩২তম ]
'আরেক ফাল্গুন' একটি ভাষা আন্দোলন বিষয়ক উপন্যাস। এটি বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান-এর লেখা। উপন্যাসটিতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন ছাত্র-ছাত্রী ও রাজনৈতিক কর্মীদের আবেগ, সংগ্রাম এবং দেশপ্রেমের গভীর চিত্র ফুটে উঠেছে। এটি বাংলা সাহিত্যের ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক অন্যতম সেরা একটি সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত।
প্রশ্নঃ ‘বটতলার উপন্যাস’ গ্রন্হের লেখকের নাম কী?
[ বিসিএস ৩১তম ]
‘বটতলার উপন্যাস’ গ্রন্থটির লেখক রাজিয়া খান। তার প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো: ‘অনুকল্প’ (১৯৫৯), ‘প্রতিচিত্র’ (১৯৭৬), ‘চিত্রকাব্য’ (১৯৮০), ‘দ্রৌপদী’ (১৯৯৩), ‘পদাতিক’ (১৯৯৮)। ১৯৪৭ এর দেশ বিভাগের পরবর্তী প্রেক্ষাপটে ‘বটতলার উপন্যাস’টি রচিত হয়।
প্রশ্নঃ ‘আধ্যাত্মিকা’ উপন্যাসের লেখক কে?
[ বিসিএস ৩১তম ]
প্যারীচাঁদ মিত্রের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো ‘আলালের ঘরের দুলাল’, ‘মদ খাওয়া বড় দায়, জাত থাকার কি উপায়’, ‘রামারঞ্জিকা’, ‘গীতাঙ্কুর’, যৎকিঞ্চিৎ’, ‘অভেদী’, ‘ডেভিড হেয়ারের জীবনচরিত’, ‘এতদ্দেশীয় স্ত্রীলোকদিগের পূর্বাবস্থা’, ‘আধ্যাত্মিকা’, ‘বামাতোষিণী’।
প্রশ্নঃ ‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
[ বিসিএস ২৯তম ]
মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের নানা দোষত্রুটি কাজী ইমদাদুল হক তার ‘আবদুল্লাহ’ (১৯৩৩) উপন্যাসে দক্ষতার সাথে তুলে ধরেন। তবে তিনি উপন্যাসটির ৩০টি পরিচ্ছেদ সমাপ্ত করেছিলেন। বাকি ১১টি পরিচ্ছেদ তার মৃত্যুর পর শিক্ষাবিদ আনোয়ারুল কাদির তার খসড়া অনুসরণ করে রচনা করেন।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
[ বিসিএস ২৮তম ]
"আরেক ফাল্গুন" ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস, যা জহির রায়হান রচিত।
এই উপন্যাসে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট চিত্রিত হয়েছে, যেখানে ছাত্রদের আত্মত্যাগ, প্রতিবাদ ও সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। এটি বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়।
প্রশ্নঃ শওকত ওসমান কোন উপন্যাসের জন্য আদমজী পুরস্কার লাভ করেন?
[ বিসিএস ২৮তম ]
শওকত ওসমান তার বিখ্যাত উপন্যাস "ক্রীতদাসের হাসি" জন্য আদমজী সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। উপন্যাসটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে পাকিস্তানি শাসনামলের শোষণ ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ উঠে এসেছে। এটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্নঃ কোনটি উপন্যাস?
[ বিসিএস ২৭তম ]
‘নতুন চাঁদ’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্হ, ‘কন্যাকুমারী’ আবদুর রাজ্জাক কর্তৃক রচিত উপন্যাস, ‘গড্ডলিকা’ রাজশেখর বসুর গল্পগ্রন্হ এবং ‘নেমেসিস’ নুরুল মোমেনের বিখ্যাত নাটক।
প্রশ্নঃ ‘ঠকচাচা’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসের?
[ বিসিএস ২৬তম ]
| গ্রন্থের নাম | গ্রন্থের ধরন | রচয়িতা | উল্লেখযোগ্য চরিত্র |
|---|---|---|---|
| আলালের ঘরের দুলাল | উপন্যাস | প্যারীচাঁদ মিত্র | ঠকচাচা |
| বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ | প্রহসন | মধুসূদন দত্ত | ভক্তপ্রসাদ বাবু, পুঁটি |
| সধবার একাদশী | প্রহসন | দীনবন্ধু মিত্র | নিমচাঁদ, কেনারাম |
| হুতোম প্যাঁচার নক্শা | উপন্যাস | কালীপ্রসন্ন সিংহ | দনুবাবু |
প্রশ্নঃ ‘জয়গুন’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
[ বিসিএস ২৬তম ]
আবু ইসহাক (১৯২৬-২০০২ খ্রি) রচিত ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো ‘জয়গুন’। ১৯৬২ সালে রচিত এ উপন্যাসে তিনি গ্রামীণ আর্থ-সামাজিক অবস্থা জয়গুনের সংগ্রামী জীবনের মধ্য দিয়ে ফুটিয়ে তুলতে সচেষ্ট হয়েছেন। অন্যদিকে শহীদুল্লাহ কায়সারের ‘সারেং বৌ’ উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র কদম সারেং ও নবিতুন, জহির রায়হানের ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র টুনি, মন্তু, মকবুল এবং শওকত ওসমানের জননী উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র দরিয়া বিবি।
প্রশ্নঃ ‘উত্তম পুরুষ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
[ বিসিএস ২৫তম ]
রশীদ করিমের একটি অন্যতম উপন্যাস হলো ‘উত্তম পুরুষ’। ১৯৬১ সালে প্রকাশিত এ উপন্যাসটি নগরজীবনের বৈশিষ্ট্য অবলম্বনে রচিত। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে- প্রসন্ন পাষাণ (১৯৬৩), আমার যত গ্লানি (১৯৭৩) , মায়ের কাছে যাচ্ছি ইত্যাদি। শওকত ওসমান রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - জননী (১৯৬৮), ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২), জাহান্নম হইতে বিদায় (১৯৭১) ইত্যাদি। জহির রায়হান রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস- হাজার বছর ধরে (১৯৬৪), আরেক ফাল্গুন (১৯৬৮), বরফ গলা নদী (১৯৬৯) ইত্যাদি। শহীদুল্লা কায়সার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - সারেং বউ (১৯৬২) ও সংশপ্তক (১৯৬৫)।
প্রশ্নঃ ‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?
[ বিসিএস ২৫তম | সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১০-১০-২০০৮ | প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২১-০৪-২০১৪ | রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ ]
ঔপন্যাসিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত অন্যতম উপন্যাস ‘কাশবনের কন্যা’। এটি জেলে সম্প্রদায়ের জীবনভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত (গ্রন্হাকারে) উপন্যাসটিতে বরিশাল অঞ্চলের মুখের ভাষা ও জীবনবোধ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
প্রশ্নঃ ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
[ বিসিএস ২৪তম ]
বিশিষ্ট কবি, কথাসাহিত্যিক, সমালোচক ও শিক্ষাবিদ আনোয়ার পাশা (১৯২৮-১৯৭১ খ্রি) রচিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস হলো ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ (১৯৭৩)। তার রচিত অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘নীড় সন্ধানী’ (১৯৬৮) এবং ‘নিষুতি রাতের গাথা’ (১৯৬৯)। বিশিষ্ট কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হান (১৯৩৫-১৯৭২খ্রি) রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘হাজার বছর ধরে’ (১৩৭১), ‘আরেক ফাল্গুন’ (১৩৭৫), ‘বরফ গলা নদী’ (১৩৭৬), ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’ (১৩৬৭) ইত্যাদি। সাংবাদিক ও সাহিত্যিক শহীদুল্লা কায়সার (১৯২৭-১৯৭১ খ্রি) রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘সারেং বৌ’ (১৯৬২), ‘সংশপ্তক’ (১৯৬৫) ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ ‘লালসালু’ উপন্যাসটির লেখক কে?
[ বিসিএস ২১তম ]
লালসালু উপন্যাস → সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
রক্তাক্ত প্রান্তর নাটক → মুনির চৌধুরী।
শ্রীকান্ত উপন্যাস → শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
প্রদোষে প্রাকৃতজন উপন্যাস → শওকত আলী।
প্রশ্নঃ ‘সংশপ্তক’ কার রচনা?
[ বিসিএস ২০তম ]
শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সার রচিত ‘সংশপ্তক’ একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: রাবু, জাহেদ, হুরমতি, রমজান ইত্যাদি। তার আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘সারেং বৌ’। ‘রাজবন্দীর রোজনামচা’ তার বিখ্যাত স্মৃতিকথা এবং ‘পেশোয়ার থেকে তাশখন্দ’ তার ভ্রমণকাহিনী। শহীদুল্লা কায়সার ছিলেন আরেকজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হান এর বড় ভাই।
প্রশ্নঃ ‘নদী ও নারী’ কার রচনা?
[ বিসিএস ২০তম ]
| ঔপন্যাসিক | উপন্যাস |
|---|---|
| কাজী আব্দুল ওদুদ | নদীবক্ষে |
| আবুল ফজল | রাঙা প্রভাত, প্রদীপ ও পতঙ্গ, চৌচির |
| শামসুদ্দিন আবুল কালাম | কাশবনের কন্যা, আলমগড়ের উপকথা, কাঞ্চনমালা, সমুদ্রবাসর, কাঞ্চনগ্রাম, জায়জঙ্গল |
| আবুল কালাম | |
| হুমায়ুন কবির | নদী ও নারী |
প্রশ্নঃ কাজী ইমদাদুল হক-এর ‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাসের উপজীব্য কি?
[ বিসিএস ১৮তম ]
| উপন্যাস | রচয়িতার নাম | উপজীব্য বিষয় |
|---|---|---|
| আবদুল্লাহ | কাজী ইমদাদুল হক | মুসলিম সমাজের কাহিনি অবলম্বনে 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসটি রচিত। তৎকালীন কুসংস্কারাচ্ছন্ন মুসলিম সমাজব্যবস্থার চিত্রাঙ্কনই এ উপন্যাসের উপজীব্য। |
প্রশ্নঃ ‘রোহিণী’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
[ বিসিএস ১৬তম ]
| উপন্যাস | লেখক | চরিত্র |
|---|---|---|
| কৃষ্ণকান্তের উইল | বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | রোহিণী, ভ্রমর, গোবিন্দলাল |
| সংশপ্তক | শহীদুল্লা কায়সার | রাবু, রমজান, হুরমতি, জাহেদ |
| গৃহদাহ | শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | সুরেশ, অচলা, মহিম |
| চরিত্রহীন | শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | সতীশ, কিরণময়ী |
প্রশ্নঃ ‘ঠক চাচা’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
[ বিসিএস ১৫তম ]
বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস ‘আলালের ঘরের দুলাল’ এর রচয়িতা প্যারীচাঁদ মিত্র। এই উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্র- ঠকচাচা, মতিলাল। জহির রায়হান রচিত ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের চরিত্র – টুনি, মন্তু, মকবুল বুড়ো, রশিদ, ফকিরের মা প্রভৃতি। রুবি, আনসার, মোয়াজ্জেম হলো কাজী নজরুল ইসলামের ‘মৃত্যুক্ষুধা’ উপন্যাসের চরিত্র। মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক রচিত ‘জোহরা’ উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র- জোহরা, কাশেম।
১৯৩৬ সালে প্রকাশিত ‘পদ্মানদীর মাঝি’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। জেলে জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখের বাস্তব চিত্র এতে অঙ্কিত হয়েছে। উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো কুবের, কপিলা, মালা, হোসেন মিয়া।
প্রশ্নঃ 'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসটির লেখক কে?
[ প্রা. প্র. শি. নি.০৮-১০-২০১২ ]
প্রশ্নঃ 'সূর্যদীঘল বাড়ি' উপন্যাসটি কার লেখা?
[ প্রা. প্র. শি. নি. ১২-০৯-২০০৯ ]
প্রশ্নঃ 'হাসুলী বাঁকের উপকথা' উপন্যাসটি কার লেখা?
[ প্রা. প্র. শি. নি. ১২-০৯-২০০৯ ]
প্রশ্নঃ কোনটি সঠিক?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৬-১০-২০১৫ ]
প্রশ্নঃ "উত্তম পুরুষ” উপন্যাসের রচয়িতা কে?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৭-০৬-২০১৫ ]
প্রশ্নঃ "ক্রীতদাসের হাসি" উপন্যাসের লেখক -
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৯-০৪-২০১৪ ]
প্রশ্নঃ "অপরাজিত" উপন্যাসের লেখক -
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৯-০৪-২০১৪ ]
প্রশ্নঃ বিদ্রোহী বালিকা বধু 'জমিলা' কোন উপন্যাসের চরিত্র?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৮-০৪-২০১৪ ]
প্রশ্নঃ "পদ্মা নদীর মাঝি" কি ধরনের রচনা?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-১১-২০১৩ ]
প্রশ্নঃ "ওয়ারিশ" উপন্যাসটির লেখক হচ্ছেন-
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-১১-২০১৩ ]
প্রশ্নঃ "লালসালু" উপন্যাসের লেখক কে?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১০-১১-২০১৩ ]
প্রশ্নঃ 'ন্যায়দণ্ড' উপন্যাসটি কে রচনা করেন?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-০৪-২০১৩ ]
প্রশ্নঃ 'বৈতালিক' উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৩-০৪-২০১৩ ]
প্রশ্নঃ 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-০৪-২০১৩ ]
প্রশ্নঃ `আবদুল্লাহ` উপন্যাসের লেখকের নাম-
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১০-০৪-২০১৩ ]
প্রশ্নঃ `জাহান্নাম হইতে বিদায়` শওকত ওসমান রচিত একটি-
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৯-০৪-২০১৩ ]