প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১০-১১-২০১৩ ]
Related MCQ
বাংলা একাডেমি ১৯৯২ সালের ডিসেম্বরে প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন করে। পরবর্তীতে ২০০০ সালে কিছু নিয়ম সংশোধন করা হয় এবং ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিয়মগুলোর পরিমার্জন করা হয়।
প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
সঠিক বানানটি হলো খঃ মুলা এবং গঃ ধুলি।
বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, এই দুটি বানানই শুদ্ধ।
মুলা (মূল + আ) - এটি একটি ফল বা সবজির নাম। ধুলি (ধূলা + ই) - এর অর্থ হলো ক্ষুদ্র ধূলিকণা। "মুলো" এবং "ধূলো" এই বানান দুটি প্রমিত নয়।
প্রশ্নঃ শুদ্ধ বানানের গুচ্ছ কোনটি?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
সঠিক বানানের গুচ্ছ হলো কঃ শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন।
আসুন, প্রতিটি শব্দের সঠিক বানান এবং তার কারণ জেনে নেওয়া যাক:
- শিরশ্ছেদ: বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুসারে, শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ। বিসর্গের পরে চ বা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে শ হয়।
- দরিদ্রতা: দরিদ্র শব্দের সাথে '-তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দরিদ্রতা শব্দটি গঠিত হয়েছে। এখানে 'য' ফলা হবে না।
- সমীচীন: এই বানানটি সঠিক। 'সমীচিন' বা 'সমিচীন' নয়।
সুতরাং, বিকল্প ক-এর সবগুলো বানানই শুদ্ধ।
‘সুনামীর তান্ডবে অনেকেই সর্বশান্ত হয়েছে।’- বাক্যটিতে তিনটি ভুল আছে।
সঠিক বাক্যটি হবে: ‘সুনামির তাণ্ডবে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়েছে।’
ভুলগুলো হলো:
১. সুনামীর: সঠিক বানান হবে সুনামির (হ্রস্ব ই-কার)। ২. তান্ডবে: সঠিক বানান হবে তাণ্ডবে (ণ-এর জায়গায় ণ)। ৩. সর্বশান্ত: সঠিক শব্দ হবে সর্বস্বান্ত (তালব্য শ-এর জায়গায় দন্ত্য স এবং ত-এর সাথে ব ফলা)।
প্রশ্নঃ শুদ্ধ বানান কোনটি?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
শুদ্ধ বানান হলো গঃ মুমূর্ষু।
প্রশ্নঃ নিচের কোন বাক্যটি প্রয়ােগগত দিক থেকে শুদ্ধ?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
অন্যান্য অপশন গুলোর শুদ্ধরূপ হলো: (ক) আমি কারও সাতেও নেই, পাঁচেও নেই, (খ) আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত এবং (ঘ) সারাজীবন ভূতের বেগার খেটে মরলাম।
প্রশ্নঃ ভুল বানান কোনটি?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
ভুল বানান হল কঃ ভূবন।
সঠিক বানান হবে ভূবন (ভ দীর্ঘ ঊকার)।
অন্যান্য বানানগুলো সঠিক:
- অন্তঃসার
- মুহূর্ত
- অদ্ভুত
প্রশ্নঃ সঠিক বানান নয় কোনটি?
[ বিসিএস ৪২তম ]
সঠিক বানান নয় ঘঃ প্রানী।
এর সঠিক বানান হলো প্রাণী।
অন্যান্য বানানগুলো সঠিক:
- ধরণি
- মূর্ছা
- গুণ
প্রশ্নঃ কোনটি শুদ্ধ নয়?
[ বিসিএস ৪২তম ]
সঠিক উত্তর হলো কঃ যন্ত্রনা।
"যন্ত্রনা" শব্দটি অশুদ্ধ। এর শুদ্ধ বানান হলো যন্ত্রণা।
অন্যান্য বানানগুলো শুদ্ধ:
- শূভ্র
- সহযোগিতা
- স্বতঃস্ফূর্ত
প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ৪১তম ]
সঠিক বানান: খঃ মনঃকষ্ট
ব্যাখ্যা: "মনঃকষ্ট" শব্দটি দুটি অংশ নিয়ে গঠিত—"মনঃ" এবং "কষ্ট"। এখানে "মনঃ" হলো "মন" শব্দের পরে বিশর্গ যুক্ত একটি রূপ, যা ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের আগে বসে। তাই "মন" + "কষ্ট" = "মনঃকষ্ট"।
ভুল অপশন বিশ্লেষণ:
- কঃ মনোকষ্ট → ভুল; এখানে বিশর্গ নেই।
- গঃ মণকষ্ট → ভুল; "মণ" মানে ওজনের একক, এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
- ঘঃ মনকস্ট → ভুল; বানান অশুদ্ধ ও ইংরেজি উচ্চারণে বিভ্রান্তিকর।
প্রশ্নঃ কোনটি শুদ্ধ বানান?
[ বিসিএস ৪০তম ]
শুদ্ধ বানান হলো প্রোজ্জ্বল।
এই বানানে দুটি 'জ্' এবং 'ব' এর পরে একটি 'ল' যুক্ত হয়।
প্রশ্নঃ শুদ্ধ বানান কোনটি?
[ বিসিএস ৪০তম ]
অধোগতি শব্দের অর্থ অবনতি। সন্ধিতে গঠিত। যেমন- অধঃ + গতি = অধোগতি, মনঃ + গত = মনোগত, বয়ঃ + জ্যেষ্ঠ = বয়োজ্যেষ্ঠ , সদ্যঃ + জাত = সদ্যোজাত
প্রশ্নঃ কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লেখা হয়েছে
[ বিসিএস ৩৮তম ]
শুদ্ধ বানান শব্দটি হলো ত্রিভুজ।
ব্যাখ্যা:
- কঃ শূণ্য - ভুল। শুদ্ধ বানান হলো শূন্য।
- গঃ পূন্য - ভুল। শুদ্ধ বানান হলো পুণ্য।
- ঘঃ ভূবন - ভুল। শুদ্ধ বানান হলো ভুবন।
প্রশ্নঃ কোনটিতে অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
[ বিসিএস ৩৮তম ]
অপপ্রয়োগ ঘটেছে একত্রিত শব্দটিতে।
কারণ:
- একত্রিত শব্দটি নিজেই একটি ক্রিয়া বিশেষ্য। এর অর্থ 'একত্র করা হয়েছে এমন' বা 'একত্র হওয়া'। 'একত্র' শব্দটির সঙ্গেই 'ইত' প্রত্যয় যোগ করে এর ক্রিয়া সম্পন্ন রূপ বোঝানো হয়। 'করা' বা 'হওয়া' ক্রিয়াপদ যুক্ত না করাই উচিত।
- সঠিক প্রয়োগ: কেবল একত্র ব্যবহার করাই যথেষ্ট। যেমন: "আমরা সবাই একত্র হলাম।" বা "সকল কাগজপত্র একত্র করুন।"
অন্যান্য বিকল্পগুলো শুদ্ধ প্রয়োগ:
- জবাবদিহি: 'জবাব' এবং 'দিহি' শব্দাংশ দিয়ে গঠিত এটি একটি শুদ্ধ যৌগিক শব্দ, যার অর্থ জবাব দেওয়া বা কৈফিয়ত দেওয়া।
- মিথস্ক্রিয়া: 'মিথস' (পরস্পর) এবং 'ক্রিয়া' (কাজ) দিয়ে গঠিত একটি শুদ্ধ যৌগিক শব্দ, যার অর্থ পারস্পরিক ক্রিয়া বা পারস্পরিক প্রভাব।
- গৌরবিত: 'গৌরব' শব্দের সাথে 'ইত' প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি শুদ্ধ বিশেষণ, যার অর্থ গৌরবযুক্ত বা সম্মানিত।
প্রশ্নঃ কোনটি শুদ্ধ বানান?
[ বিসিএস ৩৮তম ]
এখানে সঠিক বানান হলো স্বায়ত্তশাসন। এর ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
- স্বায়ত্তশাসন (Self-governance / Autonomy) শব্দটি এসেছে 'স্বয়ং' এবং 'শাসন' শব্দ দুটি থেকে।
- 'স্বয়ং' শব্দের অর্থ 'নিজ' বা 'নিজের'।
- বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'স্বয়ং' শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দ যুক্ত হলে 'য়' এর পরে 'ত্ত' (দ্বিত্ব ত) আসে।
তাই, 'নিজের দ্বারা শাসন' বা 'নিজেকে শাসন' বোঝাতে স্বায়ত্তশাসন শব্দটি সঠিক বানানে লেখা হয়।
প্রশ্নঃ নিচের কোন বানানগুচ্ছের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধ্ব অপশনের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ। শুদ্ধরূপ : নিক্বণ, সূচ্যগ্র ও অনূর্ধ্ব। অন্যদিকে অপশনের অনূর্বর ও শুদ্যশুদ্ধি এবং অপশনের ভূঁড়িওয়ালা শব্দের শুদ্ধরূপ যথাক্রমে– অনুর্বর শুদ্ধাশুদ্ধি ও ভুঁড়িওয়ালা। বাকি অপশনের সবগুলো বানানই শুদ্ধ।
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি অশুদ্ধ?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
আসুন, প্রতিটি জোড়া বিশ্লেষণ করে দেখি কোনটি অশুদ্ধ:
-
কঃ অহিংস–সহিংস
- 'অহিংস' (হিংসা বর্জিত) এর বিপরীত শব্দ 'সহিংস' (হিংসা যুক্ত)। এটি শুদ্ধ।
-
খঃ প্রসন্ন–বিষণ্ন
- 'প্রসন্ন' (আনন্দিত, খুশি) এর বিপরীত শব্দ 'বিষণ্ন' (বিষাদগ্রস্ত, দুঃখিত)। এটি শুদ্ধ।
-
গঃ দোষী–নির্দোষী
- 'দোষী' (অপরাধী, দোষযুক্ত) এর বিপরীত শব্দ 'নির্দোষ' (দোষমুক্ত)। 'নির্দোষী' বলে কোনো শব্দ নেই বা এটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। এটি অশুদ্ধ।
-
ঘঃ নিষ্পাপ–পাপিনী
- 'নিষ্পাপ' (পাপমুক্ত) এর বিপরীত শব্দ হিসেবে 'পাপী' বা 'পাপীনি' (পাপযুক্ত ব্যক্তি বা নারী) ব্যবহৃত হতে পারে। যদিও 'পাপীনি' শব্দটি 'পাপী' শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ, এটি 'নিষ্পাপ' এর সরাসরি বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে, 'দোষী-নির্দোষী'র মতো এটি ততটা প্রকট ভুল নয়।
সবচেয়ে স্পষ্ট এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল জোড়াটি হলো গঃ দোষী–নির্দোষী। 'নির্দোষী' বলে কোনো শব্দ নেই। সঠিক বিপরীত শব্দ হলো 'নির্দোষ'।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো গঃ দোষী–নির্দোষী।
প্রশ্নঃ কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
প্রতিটি বাক্য বিশ্লেষণ করে দেখি কোনটি শুদ্ধ:
-
কঃ আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
- এই বাক্যটি অশুদ্ধ। 'স্বপরিবারে' শব্দটি ভুল। শুদ্ধ বানান হবে 'সপরিবারে'। 'স' উপসর্গ যুক্ত হলে 'স্ব' হয় না।
- শুদ্ধ বাক্য: আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।
-
খঃ তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।
- এই বাক্যটি শুদ্ধ। 'আশ্চর্য' থেকে 'আশ্চর্যান্বিত' শব্দটি গঠিত, যার অর্থ আশ্চর্য বোধ করা বা বিস্মিত হওয়া।
-
গঃ তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।
- এই বাক্যটি অশুদ্ধ। 'পরশ্রীকাতরতা' (অন্যের উন্নতিতে ঈর্ষা) একটি নেতিবাচক গুণ। এতে কেউ 'মুগ্ধ' হয় না। বরং 'বিরক্ত' বা 'ক্ষুব্ধ' হতে পারে। এটি অর্থের দিক থেকে ভুল।
- শুদ্ধ বাক্য: তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি বিরক্ত/ক্ষুব্ধ হলাম।
-
ঘঃ সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যায় না।
- এই বাক্যটি অশুদ্ধ। 'তিনি' একটি সম্মানসূচক সর্বনাম, তাই এর সাথে 'যায় না' ক্রিয়াটি ব্যবহার করা ভুল। শুদ্ধ ক্রিয়াপদ হবে 'যান না'।
- শুদ্ধ বাক্য: সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যান না।
সুতরাং, শুদ্ধ বাক্যটি হলো খঃ তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।
প্রশ্নঃ ‘বন্ধন’ শব্দের সঠিক অক্ষর বিন্যাস কোনটি?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
'বন্ধন' শব্দের সঠিক অক্ষর বিন্যাস হলো:
বন্ + ধন
এখানে:
- 'বন্' হলো একটি বদ্ধাক্ষর (ব্যঞ্জন + স্বর + ব্যঞ্জন)
- 'ধন' হলো আরেকটি বদ্ধাক্ষর (ব্যঞ্জন + স্বর + ব্যঞ্জন)
যদি স্বরধ্বনির উচ্চারণকে ভিত্তি করে অক্ষর (syllable) বিশ্লেষণ করা হয়, তাহলে এটি হবে:
বন্-ধন
যদি বর্ণ বিশ্লেষণ চাওয়া হয়: ব্ + অ + ন্ + ধ্ + অ + ন্
প্রশ্নঃ ‘বিজ্ঞান’ শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ কোনটি?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
'বিজ্ঞান' শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ হলো জ্ + ঞ (জ + ঞ)।
এটি 'জ্ঞ' হিসেবে লেখা হয় এবং এর উচ্চারণ সাধারণত 'গ্গঁ' বা 'গ্যঁ'-এর মতো হয়, যেমন: জ্ঞান, যজ্ঞ।
প্রশ্নঃ নিচের কোন শব্দে ণ-ত্ব বিধি অনুসারে ‘ণ’-এর ব্যবহার হয়েছে?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
ণ-ত্ব বিধি হলো বাংলা বানানের একটি নিয়ম, যা মূলত তৎসম (সংস্কৃত থেকে আগত) শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই নিয়ম অনুযায়ী, ঋ (ঋ), র (র-ফলা বা রেফ), ষ (ষ) - এই তিনটি বর্ণের পরে যদি দন্ত্য-ন আসে, তবে তা মূর্ধন্য-ণ-তে পরিবর্তিত হয়। এমনকি যদি ঋ, র, ষ-এর পরে ক-বর্গ, প-বর্গ, য, ব, হ, ং (অনুস্বার) থাকে, তার পরেও দন্ত্য-ন মূর্ধন্য-ণ হয়।
এবার বিকল্পগুলো বিশ্লেষণ করি:
- কঃ কল্যাণ: এই শব্দে 'ল' এর পরে 'ণ' বসেছে। 'ল' বর্ণটি ণ-ত্ব বিধির প্রযোজ্য বর্ণগুলির (ঋ, র, ষ) অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই এটি ণ-ত্ব বিধির কারণে 'ণ' হয়নি, বরং শব্দের নিজস্ব গঠনগত কারণেই 'ণ' আছে।
- খঃ প্রবণ: এই শব্দটিতে 'প্র' তে 'র' রয়েছে। 'র' এর পরে 'ব' (প-বর্গীয় বর্ণ) এবং তারপরে 'ণ' এসেছে। ণ-ত্ব বিধির নিয়ম অনুযায়ী, 'র' এর পরে যদি 'ন' আসে এবং তাদের মাঝে প-বর্গীয় বর্ণ থাকে, তাহলে 'ন' পরিবর্তিত হয়ে 'ণ' হয়। সুতরাং, 'প্রবণ' শব্দটি ণ-ত্ব বিধি অনুসারে 'ণ'-এর ব্যবহার হয়েছে।
- গঃ নিক্কণ: এই শব্দে 'ক্ক' এর পরে 'ণ' বসেছে। 'ক্ক' বর্ণটি ণ-ত্ব বিধির প্রযোজ্য বর্ণগুলির অন্তর্ভুক্ত নয়। এটিও নিজস্ব গঠনগত কারণে 'ণ' আছে।
- ঘঃ বিপণি: এই শব্দে 'প' এর পরে 'ণ' বসেছে। 'প' বর্ণটি ণ-ত্ব বিধির প্রযোজ্য বর্ণগুলির অন্তর্ভুক্ত নয়। এটিও নিজস্ব গঠনগত কারণেই 'ণ' আছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো প্রবণ
প্রশ্নঃ “পুরষ্কার-বিতরণী অনুষ্ঠানের পরিবেশ এত অপরিস্কার”। বাক্যটির নিম্নরেখ পদে ষ/স ব্যবহারে-
[ বিসিএস ৩৫তম ]
দেওয়া বাক্যটির নিম্নরেখ পদ দুটিতে দন্ত্য 'স' (স) এবং মূর্ধন্য 'ষ' (ষ)-এর ব্যবহারে ভুল হয়েছে।
বিশ্লেষণ:
-
পুরষ্কার (Purashkar):
- সঠিক বানানটি হলো 'পুরস্কার'।
- সংস্কৃত নিয়ম অনুযায়ী, কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গের (যেমন 'পুরস্' বা 'পুরঃ') পরে 'ক' বা 'ফ' থাকলে 'স' হয়, 'ষ' হয় না।
- এখানে 'ষ' এর পরিবর্তে 'স' ব্যবহার করা উচিত ছিল।
-
অপরিস্কার (Oporiskar):
- সঠিক বানানটি হলো 'অপরিষ্কার'।
- 'পরি-' উপসর্গের পর 'কৃ' ধাতু থেকে আগত শব্দে 'ষ' হয়। যেমন: পরিষ্কার, পরিষ্করণ।
- এখানে 'স' এর পরিবর্তে 'ষ' ব্যবহার করা উচিত ছিল।
সুতরাং, উভয় পদেই ষ-ত্ব বিধান ও স-ত্ব বিধানের নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে।
প্রশ্নঃ নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ৩৫তম ]
'মনীষী' বানানটি একটি তৎসম শব্দ (সংস্কৃত থেকে সরাসরি আগত) এবং এর সঠিক বানানের জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে:
১. মূর্ধন্য 'ষ' (ষ) এর ব্যবহার: 'মনীষী' শব্দটি 'মনীষা' থেকে এসেছে, যার অর্থ প্রজ্ঞা বা জ্ঞান। 'মনীষা' শব্দটি 'মনস্' এবং 'ঈষ্' ধাতু বা প্রত্যয়ের সমন্বয়ে গঠিত। সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'ই' বা 'উ'-কারের পর যদি 'স' আসে এবং তা কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গের অংশ হয়, তবে তা অনেক সময় 'ষ' তে পরিবর্তিত হয়। 'মনীষা' এবং 'মনীষী' শব্দে এই নিয়মটি প্রযোজ্য।
২. দীর্ঘ ঈ-কার (ী) এর ব্যবহার: 'মনীষী' একটি কর্তৃবাচক শব্দ (যে ব্যক্তি কোনো কাজ করেন বা কোনো গুণ ধারণ করেন)। সংস্কৃত ব্যাকরণে, যেসকল কর্তৃবাচক বিশেষ্য পদ 'ইন্' প্রত্যয় যোগে গঠিত হয় (যেমন: জ্ঞানিन्, গুণিन्), তাদের বাংলাতে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার (ী) দিয়ে শেষ করা হয় (যেমন: জ্ঞানী, গুণী)। 'মনীষী' শব্দটিও এই নিয়মের অধীন।
সুতরাং, 'মনীষী' বানানে দুটি দীর্ঘ ঈ-কার (ী) এবং একটি মূর্ধন্য 'ষ' (ষ) ব্যবহৃত হয়।
বানান বিশ্লেষণ: ম + ন + ঈ (দীর্ঘ ঈ-কার) + ষ + ঈ (দীর্ঘ ঈ-কার) = মনীষী
প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ৪১তম ]
সঠিক বানানটি হলো স্বত্ব।
অন্য বানানগুলো ভুল:
- কঃ পুরষ্কার - শুদ্ধ বানান পুরস্কার
- খঃ আবিস্কার - শুদ্ধ বানান আবিষ্কার
- গঃ সময়পোযোগী - শুদ্ধ বানান সময়োপযোগী
প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ নয়?
[ বিসিএস ৩৩তম ]
সঠিক উত্তর হলো ঘঃ উর্দ্ধ। এটি শুদ্ধ বানান নয়।
এর শুদ্ধ বানান হলো উর্ধ বা ঊর্ধ্ব।
প্রশ্নঃ কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ৩৩তম ]
প্রশ্নঃ কোনটি সঠিক বানান?
[ বিসিএস ৩৩তম | ১৮তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]
সঠিক বানানটি হলো নিশীথিনী।
শব্দটির অর্থ হলো গভীর রাত্রি বা নিশি।
প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ৩৩তম ]
সঠিক উত্তর হলো পিপীলিকা।
‘পিপীলিকা’ অর্থ হলো পিঁপড়া। এটি একটি স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ।
প্রশ্নঃ কোনটি শুদ্ধ বানান?
[ বিসিএস ৩২তম ]
সঠিক বানানটি হলো খঃ আকাঙ্ক্ষা।
অন্যান্য বিকল্পগুলোতে বানান ভুল রয়েছে। 'আকাঙ্ক্ষা' শব্দে 'ঙ্ক্ষ' যুক্তবর্ণটি ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ৩১তম ]
কতিপয় বানান- ঘূর্ণমান, নিঃশেষ, কিংবদন্তি, কিংকর্তব্যবিমূঢ়, বীণাপাণি, মনঃকষ্ট, নূপুর, ন্যূনতম, নৈবেদ্য, নৈমিত্তিক।
প্রশ্নঃ কোনটি শুদ্ধ বানান?
[ বিসিএস ২৫তম ]
‘দ্বন্দ্ব’ শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ ঝগড়া, বিবাদ, যুদ্ধ ইত্যাদি। শব্দটির বিশ্লেষণকৃত রূপ হলো - দ্বি+দ্বি।
প্রশ্নঃ শুদ্ধ বানানের শব্দগুচ্ছ শনাক্ত করুন-
[ বিসিএস ২৩তম ]
উল্লিখিত শব্দ গুলোর মধ্যে অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধ বানান ভবিষ্যত = ভবিষ্যৎ, ভৌগলিক = ভৌগোলিক এবং যক্ষ্মা যশলাভ = যশোলাভ, সদ্যোজাত এবং সম্বর্ধনা = সংবর্ধনা; স্বায়ত্তশাসন, অভ্যন্তর এবং জন্মবার্ষিক; ঐক্যতান = ঐকতান, কেবলমাত্র = কেবল/মাত্র এবং উপরোক্ত = উপযুক্ত।
প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ২১তম ]
শুদ্ধ বানান ‘শুচিস্মিতা’, যার অর্থ মৃদু ও নির্মল হাসিযুক্ত। যে নারীর হাসি সুন্দর।
প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ২১তম ]
শুদ্ধ বানান ‘মুমূর্ষু’ শব্দটির অর্থ মরণাপন্ন বা মরণোন্মুখ (মুমূর্ষু অবস্থা)।
প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ২০তম ]
সঠিক বানানটি হলো শুশ্রূষা।
অন্যান্য বানানগুলো ভুল।
শুশ্রূষা শব্দের অর্থ হলো: সেবা, পরিচর্যা, যত্ন, সে শুশ্রূষা করে।
উদাহরণ:
রোগীদের শুশ্রূষা করা নার্সদের দায়িত্ব।
মা তার অসুস্থ সন্তানের শুশ্রূষা করছেন।
প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ১৮তম ]
শুদ্ধ বানানটি হলো সমীচীন।
অন্যান্য অপশনগুলো (সমিচীন, সমীচিন, সমিচিন) ভুল বানান।
প্রশ্নঃ শুদ্ধ বানানটি নির্দেশ করুন-
[ বিসিএস ১৫তম ]
শুদ্ধ বানানটি হলো মুহুর্মুহু।
প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ১৪তম ]
বাংলা একাডেমির বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী একই শব্দের দুটি বানানই শুদ্ধ; এমন কিছু শব্দ: অন্তঃস্থ/অন্তস্থ; পাখি/পাখী; বাড়ি/বাড়ী; বাঁশি/বাঁশী; রজনি/রজনী; শ্রেণি/শ্রেণী; সূচী/সূচি; হাতি/হাতী; স্বামি/স্বামী; কলস/কলশ; কুটির/কুটীর; কুমির/কুমীর; গাড়ি/গাড়ী; তরণি/তরণী; দীঘি/দিঘী; দাদি/দাদী। সতুরাং ক ও ঘ দুটি উত্তরই সঠিক।
প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ১২তম ]
ণ-ত্ব বিধানের নিয়মানুযায়ী ঋ,র,ষ এর পরে ণ হয়। যেমন-তৃণ, ঋণ, রেণু, বিশেষণ, পাষাণ, দূষণ, ভীষণ প্রভৃতি।
প্রশ্নঃ কোনটি শুদ্ধ?
[ বিসিএস ১১তম ]
প্রশ্নঃ শুদ্ধ বানান কোনটি?
[ বিসিএস ১০তম ]
প্রশ্নঃ নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ প্রা.বি.স.শি. 08-12-2023 ]
নিশীথিনী বানানটি শুদ্ধ
প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ প্রা.বি.স.শি. 20-05-2022 ]
প্রশ্নঃ কোন বানানটি শুদ্ধ?
[ প্রা.বি.স.শি. 20-05-2022 ]
প্রশ্নঃ ‘জানুয়ারি’ বানানে হ্রস্ব-ই কার হবার কারণ কোন শব্দের কারনে?
[ প্রা.বি.স.শি. 20-05-2022 ]
‘জানুয়ারি’ বানানে হ্রস্ব-ই কার হবার কারণ এটি অতৎসম শব্দের অন্তর্গত।
'জানুয়ারি' শব্দটি ইংরেজি 'January' থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় বিদেশি ভাষা থেকে আসা শব্দগুলোকে সাধারণত অতৎসম শব্দ হিসেবে ধরা হয়। অতৎসম শব্দের বানানের ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার নিজস্ব ধ্বনিতত্ত্ব এবং বানানবিধি অনুসরণ করা হয়।
সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বানানের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম আছে, যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু 'জানুয়ারি' যেহেতু সরাসরি বাংলা শব্দ নয় এবং এর উৎস বিদেশি, তাই বাংলা ধ্বনিরীতি অনুযায়ী এখানে হ্রস্ব-ই কার ব্যবহৃত হয়েছে।
তদ্ভব শব্দ (যেমন - চাঁদ, হাত) এবং সরাসরি সংস্কৃত শব্দ বা তৎসম শব্দ (যেমন - চন্দ্র, হস্ত) এর বানানরীতি ভিন্ন। 'জানুয়ারি' এই দুই শ্রেণির কোনোটিতেই পড়ে না।
প্রশ্নঃ কোন শব্দটির বানান সঠিক?
[ প্রা.বি.স.শি. (৩য় ধাপ) 03-06-2022 ]
কতগুলো শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য - ষ হয়। যেমন:
আষাঢ় শেষ ঈষৎ মেষ
ভাষা কলুষ ভাষ্য মানুষ।
ষোড়শ কোষ পৌষ রোষ
ষট পুরুষ মানুষ পাযও যণ্ড প্রত্যুষ।
আভাষ ভাষণ অভিলাষ পোষণ
ঊষর তোষণ ঊষা শোষণ।
ঔষধ বিষাণ ষড়যন্ত্র পাষাণ
বিশেষ ভূষণ সরিষা দূষণ।
প্রশ্নঃ কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লেখা হয়েছে?
[ প্রা.বি.স.শি. 22-04-2022 ]
প্রদত্ত অপশনে শুদ্ধ বানান ত্রিভুজ। শূণ্য, পূণ্য ও ভূবন বানান তিনটি অশুদ্ধ। এদের শুদ্ধরুপ যথাক্রমে √ শ্বন + য = শূন্য, √ পূ + উন্য = পুণ্য ও √ √ ও √ ভূ + অন = ভুবন । এই তিনটি শব্দই সংস্কুত কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত।
প্রশ্নঃ শুদ্ধ বানান কোনটি লেখা হয়েছে?
[ প্রা.বি.স.শি. 27-06-2019 ]
শুদ্ধ বানানটি হলো: খ) ত্রিভুজ
অন্যান্য বিকল্পগুলির বিশ্লেষণ:
ক) পূন্য ❌ (শুদ্ধ বানান: পুণ্য)
গ) শূণ্য ❌ (শুদ্ধ বানান: শূন্য)
ঘ) ভূবন ❌ (শুদ্ধ বানান: ভুবন)
প্রশ্নঃ কোনটি শুদ্ধ বানান?
[ প্রা.বি.স.শি. 26-06-2019 ]
সঠিক বানান হলো কঃ দূষণ।
বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, দীর্ঘ ঊ-কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। "দূষণ" শব্দটিতে এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।