প্রশ্নঃ ‘বেদান্তগ্রন্থ’ ও ‘বেদান্ত সার’ কার রচনা?
[ বিসিএস ৩৯তম ]
'বেদান্তগ্রন্থ' (১৮১৫) এবং 'বেদান্ত সার' (১৮১৫) এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ রাজা রামমোহন রায় রচনা করেন। তিনি বেদান্ত দর্শনের একেশ্বরবাদী ভাবধারা প্রচারের উদ্দেশ্যে এই গ্রন্থগুলো রচনা করেছিলেন।
Related MCQ
প্রশ্নঃ ‘বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
‘বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিনয় ঘোষ।
এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন ও কর্ম এবং উনিশ শতকের বাঙালি সমাজে তার প্রভাব নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
প্রশ্নঃ ‘বাঙালি ও বাঙলা সাহিত্য’ গ্রন্থ কে রচনা করেছেন?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
সঠিক উত্তর: গঃ আহমদ শরীফ।
"বাঙালি ও বাঙলা সাহিত্য" গ্রন্থটি লিখেছেন আহমদ শরীফ। তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, গবেষক ও ভাষাবিদ, যিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ ও সমীক্ষামূলক কাজ করেছেন।
প্রশ্নঃ ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ কার লেখা?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ লিখেছেন আবুল মনসুর আহমদ।
এটি তাঁর একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক রচনা, যেখানে তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমল এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় পর্যন্ত দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে তুলে ধরেছেন। বইটি ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিবেচিত।
প্রশ্নঃ আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী ছিল?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
সঠিক উত্তর হল ঘঃ বেদ।
বেদ ছিল আর্যদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ। চারটি বেদ রয়েছে - ঋগবেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ। এই গ্রন্থগুলোতে তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠান, স্তোত্র এবং দার্শনিক চিন্তাভাবনা লিপিবদ্ধ আছে। মহাভারত, রামায়ণ ও গীতা - এই তিনটি গ্রন্থও হিন্দু ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তবে এগুলো বেদের পরবর্তী সময়ের রচনা।
প্রশ্নঃ ‘ধর্ম সাধারণ লোকের সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতি শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম।’ – কে বলেছেন?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
'ধর্ম সাধারণ লোকের সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতি শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম।' – এই বিখ্যাত উক্তিটি মোতাহের হোসেন চৌধুরীর।
এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধগ্রন্থ 'সংস্কৃতি-কথা'-তে উল্লেখিত হয়েছে। এই উক্তিটির মাধ্যমে তিনি ধর্ম ও সংস্কৃতির মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক স্থাপন করেছেন এবং এই দুইয়ের কার্যকারিতা সমাজের বিভিন্ন স্তরে কীভাবে ভিন্নভাবে প্রকাশিত হয় তা তুলে ধরেছেন।
‘The Origin and Development of Bengali Language’ গ্রন্থটি রচনা করেছেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।