প্রশ্নঃ ব্যাকরণের কোন অংশে কারক সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-১১-২০১৩ ]
Related MCQ
প্রশ্নঃ রবীন্দ্রনাথ কোন কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন।
তাঁর মতে, "যাকে স্বত্ত্ব ত্যাগ করে দান, অর্চনা, সাহায্য ইত্যাদি করা হয়, তাকে (সংস্কৃত নিয়মে) সম্প্রদান কারক বলে।" তবে, তিনি মনে করতেন কর্মকারক দ্বারাই সম্প্রদান কারকের কাজ সম্পন্ন করা যায়। "বাংলাভাষা পরিচয়" প্রবন্ধে তিনি এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
বাক্যের ক্রিয়ার সাথে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে।
কারক শব্দের অর্থ হলো "যা ক্রিয়া সম্পাদন করে"। ব্যাকরণে, কারক হলো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সাথে ক্রিয়াপদের সম্পর্ক। এই সম্পর্কের মাধ্যমেই কর্তা, কর্ম, করণ, অপাদান, সম্প্রদান ও অধিকরণ ইত্যাদি ভেদ নির্ণয় করা যায়।
প্রশ্নঃ কোনটি অপাদান কারক?
[ বিসিএস ৩৯তম ]
"ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে" বাক্যটিতে "স্টেশন" অপাদান কারকের উদাহরণ।
অপাদান কারক সেই কারককে বোঝায় যা থেকে কিছু বিচ্যুত, উৎপন্ন, ভীত, রক্ষিত বা গৃহীত হয়।
-
কঃ গৃহহীনে গৃহ দাও: এখানে 'গৃহহীন'-কে গৃহ দান করা হচ্ছে। এটি সম্প্রদান কারক (যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা হয়)।
-
খঃ জিজ্ঞাসিব জনে জনে: এখানে 'জনে জনে' কর্মকারকের উদাহরণ (কাকে জিজ্ঞাসা করবে)।
-
গঃ ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে: এখানে 'স্টেশন' থেকে ট্রেনটি বিচ্যুত হয়েছে। তাই 'স্টেশন' অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি ('এ' বিভক্তি যুক্ত) যুক্ত হয়ে 'স্টেশনে' হয়েছে।
-
ঘঃ বনে বাঘ আছে: এখানে 'বনে' অধিকরণ কারক (কোথায় বাঘ আছে - স্থান বোঝাচ্ছে)।
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য ক্রিয়া ও সর্বনাম পদে বেশি বেশি দেখা যায়।
এছাড়াও, কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ্য ও অব্যয় পদেও পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়, তবে ক্রিয়া ও সর্বনামের পার্থক্য তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি স্পষ্ট এবং নিয়মিত।
ক্রিয়া পদের পার্থক্য:
- সাধু: করিয়াছি, খাইতেছি, যাইব, বলিয়াছিল
- চলিত: করেছি, খাচ্ছি, যাব, বলেছিল
সর্বনাম পদের পার্থক্য:
- সাধু: তাহারা, ইহাদের, তাহাকে, যিনি
- চলিত: তারা, এদের, তাকে, যিনি (কিছু ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত থাকে)
বিশেষ্য ও অব্যয় পদে পার্থক্য তুলনামূলকভাবে কম এবং অনেক ক্ষেত্রে সাধু ও চলিত রূপে একই শব্দ ব্যবহৃত হয়। তবে কিছু উদাহরণ:
বিশেষ্য পদের পার্থক্য:
- সাধু: হস্তী
- চলিত: হাতি
অব্যয় পদের পার্থক্য:
- সাধু: অদ্য
- চলিত: আজ
সুতরাং, সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য মূলত ক্রিয়া ও সর্বনাম পদেই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে।
প্রশ্নঃ ‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক নয় নিচের কোনটি?
[ বিসিএস ৩৯তম ]
গরল হলো সেই শব্দটি যা 'সরল' এর বিপরীতার্থক নয়।
- কঃ বক্র: 'সরল' (straight) এর বিপরীত 'বক্র' (curved/bent)। এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
- খঃ গরল: 'গরল' মানে বিষ। 'সরল' এর সাথে এর কোনো বিপরীত সম্পর্ক নেই।
- গঃ কুটিল: 'সরল' (straightforward/simple) এর বিপরীত 'কুটিল' (cunning/complex)। এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
- ঘঃ জটিল: 'সরল' (simple) এর বিপরীত 'জটিল' (complex)। এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
প্রশ্নঃ ‘সর্বাঙ্গে ব্যথা, ঔষধ দিব কোথা’-এই বাক্যে ‘ঔষধ’ শব্দ কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?
[ বিসিএস ২৫তম ]
‘সর্বাঙ্গে ব্যথা, ঔষধ দিব কোথা’-এই বাক্যে ‘ঔষধ’ শব্দটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ।
এখানে, ‘দিব’ (দেওয়া) ক্রিয়ার দ্বারা ঔষধকে গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, ঔষধ হল সেই বস্তু যা দেওয়া হবে। কর্ম কারকে যখন কোনো বিভক্তি চিহ্ন থাকে না, তখন তাকে শূন্য বিভক্তি বলে। এই বাক্যে ‘ঔষধ’ শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত নেই, তাই এটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ।
কার্যকারক:
কর্মকারক: যখন কোনো বাক্যে ক্রিয়া দ্বারা কোনো বস্তু বা ব্যক্তির উপর কাজ করা হয়, তখন সেই বস্তু বা ব্যক্তি কর্মকারকের অন্তর্ভুক্ত হয়।
অন্যান্য কারক ও তাদের বিভক্তি:
কর্তৃকারক (কর্তা): শূন্য, এ, তে, য়,
করণ কারক (যন্ত্র বা সহায়ক): শূন্য, দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক
সম্প্রদান কারক (স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা): কে, রে, জন্য, নিমিত্ত
অপাদান কারক (উৎপত্তি, ভয়, বিরত): হতে, থেকে, চেয়ে
অধিকরণ কারক (স্থান, কাল, পাত্র): এ, তে, য়
এই বাক্যে, যেহেতু ঔষধ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং ঔষধ একটি বস্তু, তাই এটি কর্ম কারকের উদাহরণ।
প্রশ্নঃ ‘আকাশে তো আমি রাখিনাই মোর উড়িবার ইতিহাস।’ - এই বাক্য ‘আকাশে’ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?
[ বিসিএস ২৪তম ]
যে স্থানে বা যে কালে ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে। যেমন- নদীতে পানি আছে। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে ‘আকাশে’ শব্দটি অধিকরণ কারক এবং এখানে ‘এ’ বিভক্তি থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।
ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে ‘কিসের দ্বারা’ ‘কি উপায়ে’ প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক। যেমন: ঘোড়াকে চাবুক মার (করণে শূন্য)। জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায় (উপায়-সাধনা), ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে (উপকরণ → ফুল) ডাক্তার ডাক (কর্মে শূন্য)। গাড়ি স্টেশন ছেড়েছে (অপাদানে শূন্য)।
প্রশ্নঃ ব্যায়ামে শরীর ভালো থাকে- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ প্রা.বি.স.শি. 29-03-2024 ]
'ব্যায়ামে শরীর ভালো থাকে' - এই বাক্যে ব্যায়ামে শব্দটিতে করণে ৭মী বিভক্তি ব্যবহত হয়েছে।
করণ কারক: ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককে করণ কারক বলে। এখানে 'ব্যায়াম' শরীর ভালো রাখার উপকরণ বা মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।
৭মী বিভক্তি: 'এ', 'য়', 'তে' - এই বিভক্তিগুলো সাধারণত করণ, অধিকরণ ও ভাবাধিকরণে ব্যবহৃত হয়। এই বাক্যে 'ব্যায়াম'-এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'ব্যায়ামে' হয়েছে।
সুতরাং, 'ব্যায়ামে' শব্দটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
প্রশ্নঃ জেলে ভাই ধরে মাছ মেঘের ছায়ায়- চরণটিতে জেলে কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ প্রা.বি.স.শি. 08-12-2023 ]
"জেলে ভাই ধরে মাছ মেঘের ছায়ায়" - এই চরণটিতে "জেলে" শব্দটি কর্তৃকারকে প্রথমা বিভক্তি।
ব্যাখ্যা:
- কারক: বাক্যের ক্রিয়ার সাথে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক থাকে, তাকে কারক বলে। এখানে "ধরে" হলো ক্রিয়া।
- কর্তৃকারক: যে কাজটি করে, সে কর্তা এবং সেই কর্তা যে কারকে থাকে, তা কর্তৃকারক। এই বাক্যে মাছ ধরার কাজটি করছে "জেলে ভাই"। এখানে "জেলে" হলো কর্তা।
- বিভক্তি: শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত বর্ণ বা বর্ণসমষ্টিকে বিভক্তি বলে, যা কারক ও বচন নির্দেশ করে। "জেলে" শব্দের সাথে কোনো স্পষ্ট বিভক্তি যুক্ত নেই। বাংলা ব্যাকরণে, যখন কোনো কারকে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকে, তখন তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়।
সুতরাং, "জেলে" শব্দটি বাক্যের কর্তা এবং এর সাথে কোনো স্পষ্ট বিভক্তি না থাকায় এটি কর্তৃকারকের প্রথমা বিভক্তি।
প্রশ্নঃ কোন ক্ষেত্রে বিভক্তির প্রয়োজন হয়?
[ প্রা.বি.স.শি. 08-12-2023 ]
বিভক্তির প্রধান কাজ হলো কারক নির্ণয় করা। বাক্যের ক্রিয়াপদের সাথে অন্যান্য পদের সম্পর্ক স্থাপন এবং পদের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য বিভক্তি যুক্ত করা হয়। কোন পদ কোন কারকে আছে এবং বাক্যে তার ভূমিকা কী, তা বিভক্তির মাধ্যমেই বোঝা যায়।
অন্যান্য বিকল্পগুলো:
- সন্ধি: দুটি বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। এখানে বিভক্তির প্রয়োজন হয় না।
- প্রকৃতি: শব্দের মূল অংশকে প্রকৃতি বলে। এর সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, বিভক্তির প্রয়োজন হয় না।
- সমাস: একাধিক পদের একত্রীভবনকে সমাস বলে। এখানে বিভক্তির লোপ বা পরিবর্তন ঘটতে পারে, তবে সমাস গঠনের জন্য বিভক্তি অপরিহার্য নয়।
প্রশ্নঃ ‘পৃথিবীতে কে কাহার’? এই বাক্যে ‘পৃথিবীতে’ পদটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ প্রা.বি.স.শি. 20-05-2022 ]
‘পৃথিবীতে কে কাহার’? এই বাক্যে ‘পৃথিবীতে’ পদটি অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
কারক: ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে। এই বাক্যে 'থাকা' বা 'অবস্থান করা' (উহ্য) ক্রিয়ার আধার বা স্থান বোঝাচ্ছে 'পৃথিবীতে'। কোথায় কে কাহার? - পৃথিবীতে।
বিভক্তি: শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে কারক ও বচনের অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বিভক্তি বলে। 'পৃথিবী' শব্দের সাথে 'তে' যুক্ত হয়ে 'পৃথিবীতে' হয়েছে। বাংলায় এ, য়, তে - এই তিনটি সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এখানে 'তে' বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে।
সুতরাং, 'পৃথিবীতে' পদটি অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
প্রশ্নঃ ‘শুক্রবার বিদ্যালয় বন্ধ থাকে’ বাক্যে ‘বিদ্যালয়’ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ প্রা.বি.স.শি. (৩য় ধাপ) 03-06-2022 ]
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্মকারক বলে। বাক্যে শুক্রবার কে কেন্দ্র করে স্কুল বন্ধ থাকছে। কাজেই স্কুল কর্মকারক এবং মূল শব্দ স্কুলের সাথে কোন বিভক্তি যোগ না হওয়ায় শূন্য বিভক্তি।
প্রশ্নঃ "তিলে তৈল হয়"- কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ প্রা.বি.স.শি. 27-06-2019 ]
"তিলে তৈল হয়"- এখানে "তিলে" অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
অপাদান কারক:
1. যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয় তাকে অপাদান কারক বলে।
2. এখানে, "তিলে" থেকে "তৈল" উৎপন্ন হচ্ছে, তাই এটি অপাদান কারক।
সপ্তমী বিভক্তি:
1. "এ", "য়", "তে", "এতে" ইত্যাদি সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।
2. "তিলে" শব্দটিতে "এ" বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, তাই এটি সপ্তমী বিভক্তি।
সুতরাং, "তিলে তৈল হয়" বাক্যে "তিলে" অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
প্রশ্নঃ "নৌকায় নদী পার হলাম" নৌকায় কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ প্রা.বি.স.শি. 21-06-2019 ]
"নৌকায় নদী পার হলাম" - এই বাক্যে "নৌকায়" শব্দটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
করণ কারক: ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়কে করণ কারক বলে। এই বাক্যে নদী পার হওয়ার কাজটি কিসের সাহায্যে সম্পন্ন হয়েছে? - নৌকার সাহায্যে। তাই "নৌকা" করণ কারক।
সপ্তমী বিভক্তি: যখন কোনো শব্দে "-য়", "-তে", "-এ" ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়ে স্থান, কাল, পাত্র বা উপায় বোঝায়, তখন সেটি সপ্তমী বিভক্তি হয়। "নৌকা" শব্দের সাথে "-য়" বিভক্তি যুক্ত হয়ে "নৌকায়" হয়েছে এবং এটি নদী পার হওয়ার উপায় বা মাধ্যম বোঝাচ্ছে।
প্রশ্নঃ "টাকায় টাকা আনে"-এখানে 'টাকায়' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ প্রা.বি.স.শি. 21-06-2019 ]
"টাকায় টাকা আনে" - এই বাক্যে প্রথম "টাকায়" শব্দটি অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি এবং দ্বিতীয় "টাকা" শব্দটি কর্তৃকারকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি।
প্রশ্নঃ 'আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে?' -বাক্যে 'রাঘবে' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
'আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে?' - এই বাক্যে 'রাঘবে' শব্দটি অপাদানে ৭মী বিভক্তি।
ব্যাখ্যা
- কারক নির্ণয়: 'ডরাই' (ভয় পাই) ক্রিয়াপদের সাথে 'রাঘবে' শব্দের সম্পর্ক। যা থেকে ভয়, লজ্জা, ঘৃণা, উৎপন্ন, পতিত, বিরত বা বিচ্যুত হয়, তা অপাদান কারক। এখানে 'রাঘবে' (রাঘব থেকে) ভয় পাওয়ার কথা বলা হচ্ছে।
- বিভক্তি নির্ণয়: 'রাঘব' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা ৭মী বিভক্তি নির্দেশ করে।
সুতরাং, 'রাঘবে' শব্দটি হলো অপাদানে ৭মী বিভক্তি।
প্রশ্নঃ তিলে তেল আছে'—বাক্যে 'তিলে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
'তিলে তেল আছে'—বাক্যে 'তিলে' হলো অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
ব্যাখ্যা
- কারক নির্ণয়: 'আছে' (থাকা) ক্রিয়াপদের আধার বা স্থান হলো 'তিল'। ক্রিয়াটি কোথায় সম্পন্ন হচ্ছে বা বস্তুটি কোথায় আছে—এই প্রশ্নের উত্তরে যা পাওয়া যায়, সেটি অধিকরণ কারক। যেহেতু তেল তিলের মধ্যেই বিদ্যমান, তাই 'তিল' এখানে আধার বা স্থান বোঝাচ্ছে।
- বিভক্তি নির্ণয়: 'তিল' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা ৭মী বিভক্তি নির্দেশ করে।
প্রশ্নঃ 'পুকুরে মাছ আছে'-এখানে পুকুর কোন কারক?
[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
'পুকুরে মাছ আছে' এই বাক্যে পুকুর হলো অধিকরণ কারক।
ব্যাখ্যা: অধিকরণ কারক দ্বারা কোনো কিছু ধারণের স্থান, কাল বা বিষয় বোঝানো হয়। এখানে 'পুকুর' মাছ থাকার স্থান বা আধার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এটি অধিকরণ কারক।
প্রশ্নঃ 'ডাক্তার ডাক'-কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
'ডাক্তার ডাক' এই বাক্যে ডাক্তার হলো কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।
ব্যাখ্যা:
- কারক: যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাই কর্ম কারক। এখানে 'ডাকা' ক্রিয়াটি 'ডাক্তার'কে আশ্রয় করে সম্পন্ন হচ্ছে।
- বিভক্তি: 'ডাক্তার' শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: -কে, -রে, -এর) যুক্ত নেই। তাই এটি শূন্য বিভক্তি।
প্রশ্নঃ ‘পড়াশোনায় মন দাও' বাক্যে ‘পড়াশোনায়' শব্দটি কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১৭তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
'পড়াশোনায় মন দাও' বাক্যে 'পড়াশোনায়' শব্দটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
- অধিকরণ কারক: ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা বিষয় বোঝাতে অধিকরণ কারক হয়। এখানে 'পড়াশোনায়' শব্দটি কাজ (মন দেওয়ার) বিষয় নির্দেশ করছে।
- সপ্তমী বিভক্তি: 'অ', 'তে', 'এ', 'য়', 'এতে' ইত্যাদি হলো সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন। 'পড়াশোনায়' শব্দটিতে 'য়' রয়েছে, যা সপ্তমী বিভক্তি নির্দেশ করে।
প্রশ্নঃ “এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম”- বাক্যটিতে ‘স্বাধীনতার’ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১৭তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
- 'এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম।' প্রদত্ত বাক্যে আমরা যদি প্রশ্ন করি, কীসের জন্য সংগ্রাম? তাহলে উত্তর পাই, স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম বা স্বাধীনতার নিমিত্তে সংগ্রাম।
- এখানে 'স্বাধীনতা' এর সাথে ৬ষ্ঠী বিভক্তি 'র/এর যুক্ত হয়েছে।
- সুতরাং এটি নিমিত্তার্থে ৬ষ্ঠী।
প্রশ্নঃ পুকুরে মাছ আছে'- এখানে 'পুকুর' কোন অধিকরণ কারক?
[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ ভাবে সপ্তমীর উদাহরণ কোনটি?
[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ 'তিলে তৈল হয়' বাক্যে 'তিলে' কোন কারক?
[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ 'রেলগাড়িটি স্টেশন ছেড়েছে' বাক্যে 'ষ্টেশন' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ অপ্রাণিবাচক শব্দের উত্তর এ বিভক্তি হবে
[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ খিলিপান (এর ভিতরে) দিয়ে ওষুধ খাবে - কোন কারক?
[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ "তিলে তৈল হয়" "তিলে" কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১৪তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ "আমি কি ডরাই সখী ভিখারী রাঘবে?"-"রাঘবে" কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১৪তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ সমীপ্য অর্থে কোন অধিকরণ হয়?
[ ১৪তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ 'ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে' - এখানে ফুলে ফুলে কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১৩তম শি. (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ 'আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে'-এখানে 'রাঘবে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১৩তম শি. (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ 'আকাশে চাদ উঠেছে' এখানে 'আকাশে' কোন প্রকারের অধিকরণ?
[ ১২তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ 'জিজ্ঞাসিব জনে জনে'- এখানে 'জনে জনে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১২তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ "ভিখারিকে ভিক্ষা দাও" - কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১২তম শি. (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ "ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে" - বাক্যে ফুলে ফুলে কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১২তম শি. (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ আমার যাওয়া হয়নি- ‘আমার’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১১ তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ ব্যতিহার কর্তার উদাহরণ কোনটি?
[ ১১ তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ ‘‘পাপে বিরত থাকো’’- কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১৩তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ ‘‘ডাক্তার ডাক’’- এখানে ‘‘ডাক্তার’’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১৩তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে। 'ফুলে ফুলে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]
প্রশ্নঃ জল পড়ে, পাতা নড়ে 'জল' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ 'অন্ধজনে দেহ আলো।' বাক্যে 'অন্ধজনে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]
প্রশ্নঃ আমার গানের মালা আমি করব কারে দান' বাক্যে 'কারে' শব্দটির কারক ও বিভক্তি কোনটি?
[ প্রা. প্র. শি. নি. ১২-১০-২০১২ ]
প্রশ্নঃ 'তিনি চোখে দেখেন না' বাক্যে 'চোখে' কোন কারক?
[ প্রা. প্র. শি. নি. ১২-১০-২০১২ ]
প্রশ্নঃ “পরাজয়ে” ডরে না বীর' বাক্যের ডাবল কোটেশনে শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ প্রা. প্র. শি. নি.১১-১০-২০১২ ]
প্রশ্নঃ 'কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলে' বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ প্রা. প্র. শি. নি.১১-১০-২০১২ ]
প্রশ্নঃ 'ধন হইতে সুখ হয় না' বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ প্রা. প্র. শি. নি.১০-১০-২০১২ ]
প্রশ্নঃ 'আজকে' নগদ কালকে ধার' বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
[ প্রা. প্র. শি. নি.১০-১০-২০১২ ]