প্রশ্নঃ কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আত্মজীবনী?
[ বিসিএস ৩৫তম ]
'আত্মচরিত' হলো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
Related MCQ
‘তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষাগরু’- এই কবিতাংশটির রচয়িতা হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
এটি তার বিখ্যাত কবিতা ‘মাতৃভাষা’-র অংশ। এই কবিতায় তিনি মাতৃভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন এবং নিজেকে ও অন্যান্য বাঙালিদের মাতৃরূপ কল্পতরুর আশ্রিত পোষা গরুরূপে কল্পনা করেছেন।
প্রশ্নঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
[ বিসিএস ৪৩তম ]
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (অধুনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা) বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রশ্নঃ কোনটি বিদ্যাসাগরের আত্মজীবনীমূলক লেখা?
[ বিসিএস ৩৮তম ]
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আত্মজীবনীমূলক লেখাটির নাম হলো 'আত্মচরিত'।
এটি একটি অসমাপ্ত রচনা, যেখানে তিনি তার শৈশব জীবনের কথা, তার পিতা ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, পিতামহ এবং জননীর কথা বর্ণনা করেছেন। বিদ্যাসাগরের মৃত্যুর পর তার পুত্র নারায়ণচন্দ্র বিদ্যারত্ন এটি প্রকাশ করেন।
প্রশ্নঃ বাংলা গদ্যের জনক কে?
[ বিসিএস ৩১তম ]
বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-কে।
বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপ দিতে এবং এর শৈলীকে সহজ ও সাবলীল করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর রচনাগুলো বাংলা গদ্যকে একটি নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র (১৫৬৪-১৬১৬ খ্রি.) রচিত প্রথম নাটক ‘দ্য কমেডি অব এররস’ (১৫৯২-৯৩) অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১ খ্রি.) ‘ভ্রান্তিবিলাস’ রচনা করেন। ১৮৬৯ সালে তিনি শেক্সপিয়রের এ নাটকটির বঙ্গানুবাদ করেন।
প্রশ্নঃ ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ কার রচনা?
[ বিসিএস ২১তম ]
লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের (১৮২০-১৮৯১ খ্রি) একটি মৌলিক গ্রন্হ ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ । তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্হের মধ্যে রয়েছে- ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ (হিন্দি বৈতালপচ্চীসীর বঙ্গানুবাদ), ‘শকুন্তলা’ (কালিদাসের ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম’ নাটকের উপাখ্যান ভাগের বঙ্গানুবাদ), ‘ভ্রান্তিবিলাস’ (শেক্সপীয়রের ‘Comedy of Errors’ - এর বঙ্গানুবাদ) ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয় কাকে?
[ প্রা.বি.স.শি. 02-02-2024 ]
চার্লস উইলকিন্স (Charles Wilkins) বাংলা মুদ্রাক্ষরের ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তাকে বাংলা মুদ্রণের জনক হিসেবে অভিহিত করা হয়। তার অবদান বাংলা ভাষার মুদ্রণ এবং বই প্রকাশের ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল।
এখানে তার প্রধান অবদানগুলো তুলে ধরা হলো:
-
প্রথম বাংলা টাইপফেস তৈরি: চার্লস উইলকিন্স ১৭৭৮ সালে প্রথম সফল বাংলা টাইপফেস (অক্ষরলিপি) তৈরি করেন। এর আগে, বাংলা বই রোমান হরফে ছাপা হতো, যা বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য দুর্বোধ্য ছিল। উইলকিন্সের তৈরি করা এই টাইপফেস বাংলা মুদ্রণের পথ প্রশস্ত করে। এই কাজের জন্য তিনি পঞ্চানন কর্মকার নামে একজন দক্ষ কর্মকারের সাহায্য নিয়েছিলেন।
-
প্রথম বাংলা ব্যাকরণ মুদ্রণ: উইলকিন্সের তৈরি করা টাইপফেস ব্যবহার করে ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড (Nathaniel Brassey Halhed) রচিত "A Grammar of the Bengal Language" বইটি ১৭৭৮ সালে হুগলি থেকে মুদ্রিত হয়। এটিই ছিল বাংলা হরফে মুদ্রিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ। এই বইটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা ভাষার পঠন-পাঠন এবং জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা হয়।
-
মুদ্রণ প্রযুক্তির প্রবর্তন: উইলকিন্স কেবল টাইপফেস তৈরিই করেননি, বরং বাংলা অক্ষর খোদাই করা, ছাঁচ তৈরি এবং মুদ্রণ প্রক্রিয়ার পুরো কাজটি নিজের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করেছিলেন। তিনি ইংল্যান্ডে মুদ্রণ শিল্পের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন এবং সেই জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে বাংলা মুদ্রণের প্রযুক্তিকে একটি নতুন স্তরে উন্নীত করেন।
-
অন্যান্য ভাষার মুদ্রণে অবদান: উইলকিন্স শুধু বাংলাই নয়, ফার্সি ভাষার মুদ্রণের জন্যও টাইপফেস তৈরি করেছিলেন।
চার্লস উইলকিন্সের এই অগ্রণী কাজের মাধ্যমেই বাংলা ভাষায় জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সাহিত্য চর্চার সুযোগ প্রসারিত হয় এবং বাংলা প্রকাশনা শিল্পের ভিত্তি স্থাপিত হয়। তাই বাংলা মুদ্রাক্ষরের ইতিহাসে তার নাম চিরস্মরণীয়।
প্রশ্নঃ সাহিত্যসম্রাট কার উপাধি?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১৪-০৭-২০০৬ ]
প্রশ্নঃ বাংলা গদ্যের জনক কে?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ কে ছিলেন?
[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]
প্রশ্নঃ ঈশ্বরচন্দ্রকে কোন প্রতিষ্ঠান বিদ্যাসাগর উপাধি দান করে?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২০-০৪-২০১৪ ]
প্রশ্নঃ ১৮৫৫ সালে বিদ্যাসাগরের লেখা কোন বইটি ক্ল্যাসিক মর্যাদা লাভ করেছে?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২১-০৮-২০০৫ ]