১. Ode কী?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
Ode-এর আভিধানিক অর্থ গীতিকবিতা বা গাথাকবিতা। অনেকে Ode-কে স্তোত্র কবিতা বা স্তুতি বা গুণকীর্তন জাতীয় কবিতা বলেছেন। গ্রিক Ode এক বা একাধিক কণ্ঠে গাওয়ার জন্য কোরাস ও নৃত্যের লয় অনুসরণ করে রচনা করা হতো। যেহেতু এটি কোরাস করে গাওয়া হতো তাই (ঘ) সঠিক। Elegy অর্থ শোককবিতা।
২. সাহিত্যে অলঙ্কার প্রধানত কত প্রকার?
[ বিসিএস ৩১তম ]
যা দ্বারা সজ্জিত বা ভূষিত করা হয় তাই অলঙ্কার। সাহিত্যের বা কাব্যের অলঙ্কার বলতে কাব্যের সৌন্দর্য সৃষ্টিকারী তারই অন্তর্গত কোনো উপাদানকে বোঝায়। সাহিত্যের অলঙ্কার প্রধানত দুই প্রকার। যথা: শব্দালঙ্কার ও অর্থালঙ্কার।
৩. অধ্যাপক আহমদ শরীফের মৃত্যুসন কোনটি?
[ বিসিএস ৩১তম ]
শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক আহমদ শরীফের জন্ম ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯২১ চট্রগ্রামের সুচক্র দণ্ডীতে এবং ১৯৯৯ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আহমদ শরীফ রচিত প্রবন্ধ গবেষণাগ্রন্থ হলো: চিন্তা (১৯৬৮), সাহিত্য সংস্কৃতি চিন্তা (১৯৬৯), স্বদেশ অন্বেষা (১৯৭০), বাঙালী ও বাংলা সাহিত্য (১ম খণ্ড ১৯৭৮, ২য় খণ্ড ১৯৮৩), বাঙলা, বাঙালী ও বাঙালিত্ব (১৯৯২)। আহমদ শরীফ সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: লায়লী মজনু (১৯৫৭), রসুল বিজয় (১৯৬৪), সয়ফুল মূলক বদিউজ্জামাল (১৯৭৫), বাংলা একাডেমী সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান (১৯৯২)।
৪. কখনো উপন্যাস লেখেননি-
[ বিসিএস ২৩তম ]
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০১-১৯৬০ খ্রি.) আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি। তিনি অনেক কবিতা ও গদ্য রচনা করলেও কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬ খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো বাঁধনহারা (১৯২৭), মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০) ও কুহেলিকা (১৯৩১)। জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪) রচিত উপন্যাস: মাল্যবান, কল্যানী। কবি ও কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪ খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো সাড়া (১৯৩০), সানন্দা (১৯৩৩), নির্জন স্বাক্ষর (১৯৫১), তিথিডোর (১৯৫২), নীলাঞ্জনের খাতা (১৯৬০) ইত্যাদি।
৫. যে ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার, তাকে বলা হয়-
[ বিসিএস ১৭তম ]
বাংলা ছন্দ তিন প্রকার: ক. অক্ষরবৃত্ত খ. মাত্রাবৃত্ত বা বর্ণবৃত্ত গ. স্বরবৃত্ত । অক্ষরবৃত্ত: মূল পর্ব ৮ বা ১০ মাত্রার হয়। মাত্রাবৃত্ত বা বর্ণবৃত্ত: মূল পর্ব সাধারণত ৬ মাত্রার হয়। স্বরবৃত্ত: মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা ৪।
৬. ‘বৈরাগ্য সাধনে ____ সে আমার নয়।’ শূন্যস্থান পূরণ করুন।
[ বিসিএস ১১তম ]
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নৈবেদ্য’ কাব্যগ্রন্হের ৩০ তম কবিতার প্রথম লাইন হলো “বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয়”।