প্রশ্নঃ স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব হলেন-
[ বিসিএস ৩৯তম ]
সৈয়দ শামসুল হককে সাহিত্য ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৮৪ সালে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে:
- কঃ কবি শামসুর রহমান - তিনিও স্বাধীনতা পদক লাভ করেছেন (১৯৭৭ সালে)।
- খঃ যতীন সরকার - তিনিও স্বাধীনতা পদক লাভ করেছেন (২০১০ সালে)।
- গঃ সৈয়দ আলী আহসান - তিনিও স্বাধীনতা পদক লাভ করেছেন (১৯৮৭ সালে)।
সুতরাং, প্রশ্নটি অস্পষ্ট কারণ এখানে উল্লিখিত চারজন ব্যক্তিত্বই স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত। তবে, যদি প্রশ্নটি এমন হয় যে প্রথমে কে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন, সেক্ষেত্রে উত্তর হবে কবি শামসুর রহমান। কিন্তু যেহেতু তেমন কোনো নির্দিষ্টতা নেই, এবং সৈয়দ শামসুল হকও একজন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব, তাই তাকেও উত্তর হিসেবে গণ্য করা যায়।
আপনার উত্তরের জন্য সবচেয়ে ভালো হবে যদি আপনি প্রশ্নের প্রেক্ষাপট বা কোন নির্দিষ্ট সময়ের কথা বলা হচ্ছে তা উল্লেখ করেন। তবে সাধারণভাবে, সৈয়দ শামসুল হক স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্তদের একজন।
প্রশ্নঃ Ode কী?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
Ode-এর আভিধানিক অর্থ গীতিকবিতা বা গাথাকবিতা। অনেকে Ode-কে স্তোত্র কবিতা বা স্তুতি বা গুণকীর্তন জাতীয় কবিতা বলেছেন। গ্রিক Ode এক বা একাধিক কণ্ঠে গাওয়ার জন্য কোরাস ও নৃত্যের লয় অনুসরণ করে রচনা করা হতো। যেহেতু এটি কোরাস করে গাওয়া হতো তাই (ঘ) সঠিক। Elegy অর্থ শোককবিতা।
প্রশ্নঃ সাহিত্যে অলঙ্কার প্রধানত কত প্রকার?
[ বিসিএস ৩১তম ]
যা দ্বারা সজ্জিত বা ভূষিত করা হয় তাই অলঙ্কার। সাহিত্যের বা কাব্যের অলঙ্কার বলতে কাব্যের সৌন্দর্য সৃষ্টিকারী তারই অন্তর্গত কোনো উপাদানকে বোঝায়। সাহিত্যের অলঙ্কার প্রধানত দুই প্রকার। যথা: শব্দালঙ্কার ও অর্থালঙ্কার।
প্রশ্নঃ অধ্যাপক আহমদ শরীফের মৃত্যুসন কোনটি?
[ বিসিএস ৩১তম ]
শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক আহমদ শরীফের জন্ম ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯২১ চট্রগ্রামের সুচক্র দণ্ডীতে এবং ১৯৯৯ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আহমদ শরীফ রচিত প্রবন্ধ গবেষণাগ্রন্থ হলো: চিন্তা (১৯৬৮), সাহিত্য সংস্কৃতি চিন্তা (১৯৬৯), স্বদেশ অন্বেষা (১৯৭০), বাঙালী ও বাংলা সাহিত্য (১ম খণ্ড ১৯৭৮, ২য় খণ্ড ১৯৮৩), বাঙলা, বাঙালী ও বাঙালিত্ব (১৯৯২)। আহমদ শরীফ সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: লায়লী মজনু (১৯৫৭), রসুল বিজয় (১৯৬৪), সয়ফুল মূলক বদিউজ্জামাল (১৯৭৫), বাংলা একাডেমী সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান (১৯৯২)।
প্রশ্নঃ কখনো উপন্যাস লেখেননি-
[ বিসিএস ২৩তম ]
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০১-১৯৬০ খ্রি.) আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি। তিনি অনেক কবিতা ও গদ্য রচনা করলেও কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬ খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো বাঁধনহারা (১৯২৭), মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০) ও কুহেলিকা (১৯৩১)। জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪) রচিত উপন্যাস: মাল্যবান, কল্যানী। কবি ও কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪ খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো সাড়া (১৯৩০), সানন্দা (১৯৩৩), নির্জন স্বাক্ষর (১৯৫১), তিথিডোর (১৯৫২), নীলাঞ্জনের খাতা (১৯৬০) ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ যে ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার, তাকে বলা হয়-
[ বিসিএস ১৭তম ]
বাংলা ছন্দ তিন প্রকার: ক. অক্ষরবৃত্ত খ. মাত্রাবৃত্ত বা বর্ণবৃত্ত গ. স্বরবৃত্ত । অক্ষরবৃত্ত: মূল পর্ব ৮ বা ১০ মাত্রার হয়। মাত্রাবৃত্ত বা বর্ণবৃত্ত: মূল পর্ব সাধারণত ৬ মাত্রার হয়। স্বরবৃত্ত: মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা ৪।
প্রশ্নঃ ‘বৈরাগ্য সাধনে ____ সে আমার নয়।’ শূন্যস্থান পূরণ করুন।
[ বিসিএস ১১তম ]
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নৈবেদ্য’ কাব্যগ্রন্হের ৩০ তম কবিতার প্রথম লাইন হলো “বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয়”।