আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. LAN
খ. WAN
গ. MAN
ঘ. PAN
উত্তরঃ WAN
ব্যাখ্যাঃ

** WAN (Wide Area Network)** — এটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয়।


সংক্ষেপে:

  • LAN (Local Area Network): একটি ছোট এলাকার মধ্যে (যেমন একটি অফিস বা বাড়ি) নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপন করে।
  • MAN (Metropolitan Area Network): একটি শহরের মধ্যে বা শহরের বেশ কিছু অংশে নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপন করে।
  • WAN (Wide Area Network): এটি একাধিক শহর, দেশ বা মহাদেশের মধ্যে ব্যাপ্তি থাকে এবং সবচেয়ে বেশি জায়গায় নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপন করতে পারে। এটি পৃথিবীজুড়ে ব্যবহৃত হয়।
  • PAN (Personal Area Network): একটি ছোট এলাকা (যেমন একটি ব্যক্তি বা একটি ছোট দল) ঘিরে কাজ করে, সাধারণত ব্লুটুথ বা ওয়াইফাই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
ক. রাউটার
খ. ওয়েব সার্ভার
গ. ব্রীজ
ঘ. হাব
উত্তরঃ রাউটার
ব্যাখ্যাঃ

একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে একটি LAN-এর একাধিক ডিভাইসকে একটি WAN-এর সাথে সংযুক্ত করে এমন ডিভাইসটি হলো রাউটার (Router)

রাউটারের প্রধান কাজ হলো:

  • একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট ফরোয়ার্ড করা।
  • LAN (Local Area Network) এবং WAN (Wide Area Network) এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা।
  • ডেটা প্যাকেটগুলির জন্য সর্বোত্তম পথ নির্ধারণ করা।
  • নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক পরিচালনা করা।
    একটি LAN সাধারণত একটি সীমিত ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে (যেমন একটি অফিস, বাড়ি বা ক্যাম্পাস) ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে। যখন এই LAN-এর ডিভাইসগুলোকে বৃহত্তর ভৌগোলিক এলাকার নেটওয়ার্কের সাথে (যেমন ইন্টারনেট) বা অন্য কোনো দূরবর্তী LAN-এর সাথে সংযোগ স্থাপন করতে হয়, তখন রাউটার সেই কাজটি করে। রাউটার WAN সংযোগের জন্য ইন্টারফেস সরবরাহ করে এবং LAN-এর ডেটা প্যাকেটকে WAN-এর উপযুক্ত প্রোটোকলে রূপান্তরিত করে গন্তব্যে পাঠাতে সাহায্য করে।

প্রশ্নঃ Piconet কী?

[ বিসিএস ৪৪তম ]

ক. Wifi Network
খ. Wide Area Network
গ. Bluetooth Network
ঘ. 5G Network
উত্তরঃ Bluetooth Network
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো গঃ Bluetooth Network।

পিকোনেট (Piconet) হলো একটি অ্যাড-হক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হয়। একটি পিকোনেটে সর্বোচ্চ আটটি ডিভাইস (একটি মাস্টার এবং সাতটি স্লেভ) একটি নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে যোগাযোগ করতে পারে। মাস্টার ডিভাইসটি পিকোনেটের যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্লেভ ডিভাইসগুলো মাস্টারের সাথে সংযুক্ত থাকে।

অন্যান্য বিকল্পগুলো পিকোনেট নয়:

  • Wifi Network (ক): ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক একটি ভিন্ন ধরনের বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি যা সাধারণত বৃহত্তর পরিসরে এবং উচ্চতর ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • Wide Area Network (খ): ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN) একটি বৃহৎ ভৌগোলিক অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যেমন ইন্টারনেট।
  • 5G Network (ঘ): ৫জি হলো মোবাইল কমিউনিকেশন প্রযুক্তির পঞ্চম প্রজন্ম, যা উচ্চ গতি এবং কম ল্যাটেন্সি প্রদান করে, কিন্তু এটি ব্লুটুথ নেটওয়ার্কের ধারণা থেকে ভিন্ন।

সুতরাং, পিকোনেট হলো ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে গঠিত একটি ছোট আকারের ব্যক্তিগত বেতার নেটওয়ার্ক।

ক. IEEE 802.15
খ. IEEE 802.1
গ. IEEE 802.3
ঘ. IEEE 802.11
উত্তরঃ IEEE 802.15
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল IEEE 802.15.1

Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হল 802.15.1। এটি Institute of Electrical and Electronics Engineers (IEEE) কর্তৃক নির্ধারিত ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কস (WPANs) স্ট্যান্ডার্ডের একটি অংশ।

ক. বাস টপোলজি
খ. রিং টপোলজি
গ. স্টার টপোলজি
ঘ. ট্রি টোপোলজি
উত্তরঃ স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যাঃ

স্টার টপোলজিতে হাব (hub) ব্যবহার করা হয়।

স্টার টপোলজিতে, প্রতিটি কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত থাকে, যাকে হাব বা সুইচ বলা হয়। ডেটা প্রেরণের জন্য, একটি কম্পিউটার প্রথমে হাবের কাছে ডেটা পাঠায়, এবং হাব সেই ডেটা নির্দিষ্ট প্রাপকের কাছে ফরোয়ার্ড করে (যদি এটি একটি সুইচ হয়) অথবা নেটওয়ার্কের সমস্ত কম্পিউটারের কাছে সম্প্রচার করে (যদি এটি একটি হাব হয়)।

ক. ১০ -৩০ মিটার
খ. ১০ -৫০ মিটার
গ. ১০ -১০০ মিটার
ঘ. ১০-৩০০ মিটার
উত্তরঃ ১০ -১০০ মিটার
ব্যাখ্যাঃ

ব্লুটুথের কার্যকরী দূরত্ব নির্ভর করে এর ক্লাসের উপর। ব্লুটুথ মূলত তিনটি ক্লাসে বিভক্ত:

  • ক্লাস ১: এই ব্লুটুথের trasmission ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি, প্রায় ১০০ মিটার পর্যন্ত এটি কাজ করতে পারে। তবে উভয় ডিভাইসই ক্লাস ১ এর হতে হবে এই দূরত্বে সংযোগ স্থাপনের জন্য। এটি সাধারণত শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

  • ক্লাস ২: এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ব্লুটুথ ক্লাস। এর কার্যকরী দূরত্ব প্রায় ১০ মিটার। স্মার্টফোন, হেডফোন এবং অন্যান্য ভোক্তা ইলেকট্রনিক্সে এই ক্লাসটিই সাধারণত দেখা যায়।

  • ক্লাস ৩: এটি সবচেয়ে কম শক্তিশালী এবং এর কার্যকরী দূরত্ব মাত্র ১ মিটার পর্যন্ত। এটি খুব কম ব্যবহৃত হয়।

সুতরাং, সাধারণভাবে বলা যায়, ব্লুটুথ ১০ মিটার পর্যন্ত ভালো কাজ করে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে এবং ডিভাইসগুলোর ক্লাসের উপর নির্ভর করে এই দূরত্ব কম বা বেশি হতে পারে।

ক. Wi-Fi
খ. Bluetooth
গ. Wi-Max
ঘ. Cellular network
উত্তরঃ Bluetooth
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো Bluetooth

নিচে প্রতিটি বিকল্পের স্বাভাবিক যোগাযোগের দূরত্ব উল্লেখ করা হলো:

  • Wi-Fi: সাধারণত ইনডোরে প্রায় ১০-৫০ মিটার এবং আউটডোরে আরও বেশি দূরত্ব পর্যন্ত কাজ করতে পারে। তবে এটি রাউটার এবং পরিবেশের উপর নির্ভর করে।
  • Bluetooth: সাধারণত ১০ মিটার পর্যন্ত কাজ করে। কিছু উন্নত ব্লুটুথ ডিভাইস আরও বেশি দূরত্বে (যেমন ক্লাস ১ ব্লুটুথ প্রায় ১০০ মিটার) কাজ করতে পারে, তবে দৈনন্দিন ব্যবহারের ডিভাইসগুলোতে এই দূরত্ব কম থাকে।
  • Wi-Max: এটি একটি দীর্ঘ-দূরত্বের যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। এটি মূলত মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN) তৈরির জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
  • Cellular network: এটি মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক যা কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত একটি সেল টাওয়ারের আওতায় কাজ করে।

সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে Bluetooth এর যোগাযোগের দূরত্ব সবচেয়ে কম।

ক. Personal Area Network
খ. Local Area Network
গ. Virtual Private Network
ঘ. কোনটি নয়
উত্তরঃ Personal Area Network
ব্যাখ্যাঃ

ব্লুটুথ হলো স্বল্প-দূরত্বের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি। এটি সাধারণত ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয় এবং খুব কম দূরত্বে (সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যে, ক্ষেত্রবিশেষে ১০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে) ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। এই কারণে, ব্লুটুথ Personal Area Network (PAN)-এর একটি উদাহরণ।

অন্যান্য বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:

  • Local Area Network (LAN): এটি একটি সীমিত ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে (যেমন - বাড়ি, অফিস, স্কুল) কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে। ব্লুটুথের কভারেজ এর থেকে অনেক কম।
  • Virtual Private Network (VPN): এটি একটি পাবলিক নেটওয়ার্কের (যেমন ইন্টারনেট) উপর একটি সুরক্ষিত এবং এনক্রিপ্টেড সংযোগ তৈরি করে, যা ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা রক্ষা করে। ব্লুটুথ ডেটা সংযোগের একটি মাধ্যম, কোনো ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক নয়।
ক. ৭
খ. ৫
গ. ৯
ঘ. ৮
উত্তরঃ ৭
ব্যাখ্যাঃ

কম্পিউটার নেটওয়ার্কের OSI (Open Systems Interconnection) মডেল-এর মোট ৭টি স্তর (Layer) রয়েছে। এটি একটি ধারণাগত কাঠামো যা বিভিন্ন কম্পিউটার সিস্টেম কীভাবে একে অপরের সাথে নেটওয়ার্কে যোগাযোগ করে তা বর্ণনা করে।

এই ৭টি স্তর হলো:

১. ফিজিক্যাল লেয়ার (Physical Layer): এটি ডেটা ট্রান্সমিশনের ভৌত মাধ্যম (যেমন ক্যাবল, ওয়াইফাই) এবং হার্ডওয়্যার নিয়ে কাজ করে। ২. ডেটা লিংক লেয়ার (Data Link Layer): এটি নেটওয়ার্কের দুটি সরাসরি সংযুক্ত ডিভাইসের মধ্যে ডেটা ফ্রেমের ত্রুটিহীন এবং নির্ভরযোগ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। ৩. নেটওয়ার্ক লেয়ার (Network Layer): এটি বিভিন্ন নেটওয়ার্ক জুড়ে ডেটা প্যাকেট রাউটিং এবং গন্তব্যে প্রেরণের জন্য দায়ী। ৪. ট্রান্সপোর্ট লেয়ার (Transport Layer): এটি ডেটার নির্ভরযোগ্য, ক্রমিক এবং ত্রুটিমুক্ত ট্রান্সমিশন নিশ্চিত করে। ৫. সেশন লেয়ার (Session Layer): এটি দুটি ডিভাইসের মধ্যে সেশন স্থাপন, পরিচালনা এবং সমাপ্তি করে। ৬. প্রেজেন্টেশন লেয়ার (Presentation Layer): এটি ডেটার ফরম্যাট, এনক্রিপশন এবং ডিক্রিপশনের কাজ করে যাতে বিভিন্ন সিস্টেমের ডেটা একে অপরের কাছে বোধগম্য হয়। ৭. অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার (Application Layer): এটি ব্যবহারকারীর সাথে সরাসরি ইন্টারঅ্যাক্ট করে এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলিকে নেটওয়ার্ক পরিষেবা প্রদান করে (যেমন HTTP, FTP, SMTP)।

ক. তামার তার
খ. অপটিক্যাল ফাইবার
গ. তারহীন সংযোগ
ঘ. উপরের সবকটি
উত্তরঃ তারহীন সংযোগ
ব্যাখ্যাঃ

ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) হলো ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wireless Local Area Network - WLAN) প্রযুক্তির একটি ব্র্যান্ড নাম যা ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোকে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে ইন্টারনেট বা অন্যান্য নেটওয়ার্ক ডিভাইসের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে দেয়।

এটি IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।

ওয়াই-ফাই এর প্রধান বৈশিষ্ট্য এবং কার্যকারিতা:

১. বেতার সংযোগ: ওয়াই-ফাই ফিজিক্যাল কেবল বা তারের প্রয়োজন ছাড়াই ডিভাইসগুলোকে (যেমন স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, স্মার্ট টিভি) একে অপরের সাথে এবং ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করে।

২. রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার: এটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি (2.4 GHz এবং 5 GHz ব্যান্ড) ব্যবহার করে ডেটা প্রেরণ করে।

৩. অ্যাক্সেস পয়েন্ট (Access Point - AP): একটি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক সাধারণত একটি রাউটার বা অ্যাক্সেস পয়েন্টের মাধ্যমে কাজ করে। রাউটার ইন্টারনেট সংযোগ গ্রহণ করে এবং এটিকে বেতার সংকেতে রূপান্তরিত করে, যা ওয়াই-ফাই সক্ষম ডিভাইসগুলো গ্রহণ করতে পারে।

৪. সুবিধা:

  • সুবিধা: ব্যবহারকারীরা তারের সীমাবদ্ধতা ছাড়াই যেকোনো জায়গা থেকে নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস করতে পারে (নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে)।
  • গতিশীলতা: ডিভাইসগুলো নেটওয়ার্কের সীমার মধ্যে অবাধে চলাচল করতে পারে।
  • মাল্টিপল ডিভাইস: একটি অ্যাক্সেস পয়েন্টের সাথে একাধিক ডিভাইস একই সাথে সংযুক্ত হতে পারে।
  • সহজ সেটআপ: তুলনামূলকভাবে সেটআপ করা সহজ।

৫. নিরাপত্তা: ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কগুলোতে সাধারণত এনক্রিপশন প্রোটোকল (যেমন WEP, WPA, WPA2, WPA3) ব্যবহার করা হয় অননুমোদিত অ্যাক্সেস রোধ করার জন্য।

ওয়াই-ফাই দৈনন্দিন জীবনে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে, যা বাড়ি, অফিস, কফি শপ, বিমানবন্দর এবং অন্যান্য জনসমাগম স্থলে দ্রুত ইন্টারনেট অ্যাক্সেস প্রদান করে।

ক. IEEE 802.11
খ. IEEE 804.11
গ. IEEE 803.11
ঘ. IEEE 806.11
উত্তরঃ IEEE 802.11
ব্যাখ্যাঃ

ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড-এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে।

IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers) 802.11 পরিবারভুক্ত বিভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড রয়েছে, যেমন:

  • IEEE 802.11a
  • IEEE 802.11b
  • IEEE 802.11g
  • IEEE 802.11n (Wi-Fi 4)
  • IEEE 802.11ac (Wi-Fi 5)
  • IEEE 802.11ax (Wi-Fi 6/6E)
  • IEEE 802.11be (Wi-Fi 7) - এটি নতুন এবং এখনও চূড়ান্তভাবে অনুমোদনের প্রক্রিয়াধীন।

এই প্রতিটি স্ট্যান্ডার্ড ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির বিভিন্ন প্রজন্মকে নির্দেশ করে এবং তাদের গতি, ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্য ভিন্ন ভিন্ন হয়। তবে এদের সবার মূল ভিত্তি হলো IEEE 802.11 প্রোটোকল।

ক. Worldwide Interoperability for Microwave Access
খ. Worldwide Internet for Microwave Access
গ. Worldwide Interconection for Microwave Access
ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তরঃ Worldwide Interoperability for Microwave Access
ব্যাখ্যাঃ

"Worldwide Interoperability for Microwave Access" এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো WiMAX (ওয়াইম্যাক্স)

এটি একটি তারবিহীন টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি যা উচ্চ গতির ইন্টারনেট অ্যাক্সেস প্রদান করে, বিশেষত বিস্তৃত এলাকায়। এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের উপর ভিত্তি করে তৈরি।

ক. বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করার কাজে
খ. দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
গ. এটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে
ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তরঃ দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
ব্যাখ্যাঃ

কমিউনিকেশন সিস্টেমে গেটওয়ে (Gateway) এর প্রধান কাজ হলো দুটি ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা, বিশেষ করে যখন সেই নেটওয়ার্কগুলো ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকল (Protocol) ব্যবহার করে

সহজভাবে বললে, গেটওয়ে হলো একটি "দরজা" বা "সেতু" যা এক ধরনের নেটওয়ার্ককে অন্য ধরনের নেটওয়ার্কের সাথে কথা বলতে সাহায্য করে। এর মূল কাজগুলো হলো:

১. প্রোটোকল অনুবাদ (Protocol Translation): এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। প্রতিটি নেটওয়ার্ক তার নিজস্ব নিয়ম বা প্রোটোকল মেনে চলে। যখন ভিন্ন প্রোটোকল ব্যবহারকারী দুটি নেটওয়ার্ক যোগাযোগ করতে চায়, তখন গেটওয়ে সেই প্রোটোকলগুলোকে একে অপরের কাছে বোধগম্য ভাষায় অনুবাদ করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি ল্যান (LAN) নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেটের (WAN) সাথে সংযুক্ত করার জন্য গেটওয়ে প্রয়োজন, কারণ তাদের প্রোটোকল ভিন্ন।

২. ডেটা ফরম্যাট রূপান্তর: গেটওয়ে ডেটার ফরম্যাটও পরিবর্তন করতে পারে, যাতে এক নেটওয়ার্কের ডেটা অন্য নেটওয়ার্ক বুঝতে পারে।

৩. নেটওয়ার্ক সংযোগ: এটি দুটি বা ততোধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক (যেমন: LAN, WAN, ইন্টারনেট) এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। আপনার বাড়ির রাউটারটি প্রায়শই একটি গেটওয়ে হিসেবে কাজ করে, যা আপনার লোকাল নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করে।

৪. নিরাপত্তা: কিছু গেটওয়েতে ফায়ারওয়াল (Firewall) বা অন্যান্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকে যা নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রবেশ এবং বাহির হওয়া ডেটা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে অননুমোদিত প্রবেশ বা সাইবার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

সংক্ষেপে, গেটওয়ে একটি অনুবাদকের মতো কাজ করে, যা ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ককে একে অপরের সাথে নির্বিঘ্নে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে।

ক. Super Computer
খ. Network
গ. Server
ঘ. Enterprise
উত্তরঃ Network
ব্যাখ্যাঃ

পার্সোনাল কম্পিউটার যুক্ত করে নেটওয়ার্ক (Network) তৈরি করা যায়।

অনেকগুলো পার্সোনাল কম্পিউটারকে যখন তার (cable) বা তারবিহীন (wireless) প্রযুক্তির মাধ্যমে একে অপরের সাথে যুক্ত করা হয়, তখন তারা একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করে। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো ফাইল, প্রিন্টার বা ইন্টারনেট সংযোগের মতো রিসোর্স ভাগাভাগি করতে পারে এবং একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।

অন্যান্য বিকল্পগুলো হলো:

  • সুপার কম্পিউটার (Super Computer): এটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা অত্যন্ত শক্তিশালী কম্পিউটার, যা পার্সোনাল কম্পিউটার যুক্ত করে তৈরি হয় না।
  • সার্ভার (Server): সার্ভার একটি শক্তিশালী কম্পিউটার, যা নেটওয়ার্কে অন্য কম্পিউটারগুলোকে (ক্লায়েন্ট) বিভিন্ন সেবা প্রদান করে। যদিও একটি পার্সোনাল কম্পিউটারকে সার্ভার হিসেবে কনফিগার করা যেতে পারে, তবে "পার্সোনাল কম্পিউটার যুক্ত করে" বলতে সাধারণত নেটওয়ার্ককেই বোঝানো হয়, সার্ভারকে নয়। সার্ভার নিজে একটি কম্পিউটার, এটি একাধিক পিসি যুক্ত করে তৈরি হয় না।
  • এন্টারপ্রাইজ (Enterprise): এটি একটি বৃহৎ সংস্থা বা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়, কোনো কম্পিউটার সিস্টেম নয়।
ক. ওয়াইম্যাক্স
খ. সি-মস
গ. ব্লু-টুথ
ঘ. ব্রডব্যান্ড
উত্তরঃ ওয়াইম্যাক্স
ব্যাখ্যাঃ

ব্লু-টুথ (Bluetooth) হলো একটি স্বল্প পাল্লার বেতার প্রযুক্তি, যা ব্যবহার করে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, স্পিকার, হেডফোনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা বা তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। এটি মূলত কোনো তারের সংযোগ ছাড়াই ডিভাইসগুলোর মধ্যে একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করে।

ব্লু-টুথ এর ব্যবহার

ব্লু-টুথ প্রযুক্তি এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খুব সাধারণ। এর কিছু প্রধান ব্যবহার হলো:

  • ওয়্যারলেস হেডফোন ও স্পিকার সংযুক্ত করা।
  • স্মার্টওয়াচ ও ফিটনেস ট্র্যাকারকে মোবাইলের সাথে যুক্ত করা।
  • কম্পিউটার ও ল্যাপটপের সাথে ওয়্যারলেস মাউস বা কিবোর্ড ব্যবহার করা।
  • দুটি ডিভাইসের মধ্যে ফাইল স্থানান্তর করা।
ক. ই-মেইল
খ. ইন্টারকম
গ. ইন্টারনেট
ঘ. টেলিকমিউনিকেশন
উত্তরঃ ইন্টারনেট
ব্যাখ্যাঃ

আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত করে তাদের মধ্যে যে আন্তঃসম্পর্ক বা যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয় তাকে ইন্টারনেট বলে।

ক. ই-মেইল
খ. ইন্টারকম
গ. ইন্টারনেট
ঘ. টেলিগ্রাম
উত্তরঃ ইন্টারনেট
ব্যাখ্যাঃ

আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত করে তাদের মধ্যে যে আন্তঃসম্পর্ক বা যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয় তাকে ইন্টারনেট বলে।

ক. ব্যাংক
খ. ই- অফিস
গ. কল সেন্টার
ঘ. কাস্টমার কেয়ার
উত্তরঃ ই- অফিস
ব্যাখ্যাঃ

কাগজবিহীন প্রতিষ্ঠান বলতে বোঝায় যে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কাগজের ব্যবহার প্রায় শূন্যের কোঠায়। এই ধরনের প্রতিষ্ঠান তাদের সকল কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনা করে।

ক. ইন্টারনেট
খ. ইন্টারকম
গ. ই-মেইল
ঘ. ইন্টারস্পিড
উত্তরঃ ইন্টারনেট
ব্যাখ্যাঃ

কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানকে একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে করা হয়, যা ইন্টারনেট ব্যবহার করে। প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে ইন্টারনেট হলো সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর, কারণ এটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সবচেয়ে বড় উদাহরণ, যার মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়। যদিও ই-মেইলও এক ধরনের তথ্য আদান-প্রদান, কিন্তু এটি একটি নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনের নাম, সমগ্র পদ্ধতির নাম নয়।

প্রশ্নঃ http- কোনটির সংক্ষিপ্ত রূপ?

[ ১১তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. Hyper Text Transfer Protocol
খ. High Text Tarmination procedure
গ. Harvard Teletext Proof
ঘ. Highhest Times Technical Professional
উত্তরঃ Hyper Text Transfer Protocol

প্রশ্নঃ গুগল কি?

[ ১১ তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. সার্চ ইঞ্জিন
খ. সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান
গ. ওয়েব সাইট
ঘ. হার্ডওয়্যার প্রতিষ্ঠান
উত্তরঃ সার্চ ইঞ্জিন

প্রশ্নঃ HTML-এর পূর্ণরূপ কি?

[ ১৩তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. High Time Made up Language
খ. Hyper Test Multi Language
গ. Hyper text Markup Language
ঘ. High Teller Maximum Language
উত্তরঃ Hyper text Markup Language

প্রশ্নঃ ইন্টারনেট কত সালে শুরু হয়?

[ ৮ম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. ১৯৫৯ সালে
খ. ১৯৬৯ সালে
গ. ১৯৭৯ সালে
ঘ. ১৯৮৯ সালে
উত্তরঃ ১৯৬৯ সালে

প্রশ্নঃ মোডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের-

[ প্রা. প্র. শি. নি. ১২-১০-২০১২ ]

ক. ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ হয়
খ. টেলিফোন লাইনের সংযোগ হয়
গ. টেলিভিশন লাইনের সংযোগ হয়
ঘ. রেডিও লাইনের সংযোগ হয়
উত্তরঃ ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ হয়

প্রশ্নঃ মোডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে-

[ প্রা. প্র. শি. নি. ০৮-০৯-২০০৯ | প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০২-২০১২ | প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০১-২০১০ ]

ক. টেলিফোন লাইনের সংযোগ সাধন হয়
খ. টেলিভিশন লাইনের সংযোগ সাধন হয়
গ. ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয়
ঘ. রেডিও লাইনের সংযোগ সাধন হয়
উত্তরঃ ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয়
ক. টেলি মেডিসিন
খ. ডিজিট মেডিসিন
গ. ই-মেডিসিন
ঘ. ডট মেডিসিন
উত্তরঃ টেলি মেডিসিন

প্রশ্নঃ URL হলো -

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০১-০৬-২০১৮ ]

ক. ওয়েব এর বিভিন্ন ডকুমেন্ট ও অন্যান্য রিসোর্স এর ঠিকানা
খ. কতগুলো নেটওয়ার্ক এর বিভিন্ন রিসোর্স এর ঠিকানা
গ. শুধু একটি LAN এর বিভিন্ন রিসোর্স এর ঠিকানা
ঘ. একটি নেটওয়ার্কের ডোমেইন
উত্তরঃ ওয়েব এর বিভিন্ন ডকুমেন্ট ও অন্যান্য রিসোর্স এর ঠিকানা
ক. ইলেক্ট্রোমেডিসিন
খ. ই- ট্রিটমেন্ট
গ. টেলিমেডিসিন
ঘ. জায়মা প্লাজমা
উত্তরঃ টেলিমেডিসিন
ক. Aresel.@com
খ. rasel@yahoo.com
গ. rasel yahoo.com
ঘ. resel.yahoo@com
উত্তরঃ rasel@yahoo.com

প্রশ্নঃ মোডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে--

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০৫-২০১৮ ]

ক. টেলিফোন লাইনের সংযোগ সাধন করা
খ. ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয়
গ. টেলিভিশন লাইনের সংযোগ সাধন হয়
ঘ. বৈদ্যুতিক লাইনের সংযোগ সাধন হয়
উত্তরঃ ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয়

প্রশ্নঃ In order to access the world wide web you need _____.

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৯-১০-২০১৬ ]

ক. An internet connection, an Internet service provider & Browser
খ. Modem & Browser
গ. Internet Explorer
ঘ. Nothing
উত্তরঃ An internet connection, an Internet service provider & Browser

প্রশ্নঃ LAN কার্ডের অপর নাম কি?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৬-১০-২০১৫ ]

ক. Network Interface Card
খ. Internet Card
গ. Modem
ঘ. Net Connector
উত্তরঃ Network Interface Card

প্রশ্নঃ "ইন্টারনেট" কবে চালু হয়?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২০-০৪-২০১৪ ]

ক. ১৯৬০ সালে
খ. ১৯৬৯ সালে
গ. ১৯৭০ সালে
ঘ. ১৯৮১ সালে
উত্তরঃ ১৯৬৯ সালে
ক. ইলেকট্রোমেডিসিন
খ. ই-ট্রিটমেন্ট
গ. টেলিমেডিসিন
ঘ. জায়মা প্লাজমা
উত্তরঃ টেলিমেডিসিন

প্রশ্নঃ 'www'-এর পুরো রূপ হচ্ছে -

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১০-০১-২০১০ ]

ক. World widow work
খ. World wide web
গ. World weak web
ঘ. Weak wrong work
উত্তরঃ World wide web
ক. ইন্টারকম
খ. ইন্টারনেট
গ. ই-মেইল
ঘ. ইন্টারস্পীড
উত্তরঃ ইন্টারনেট