আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 রাজা রামমোহন রায়
 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
 মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ

প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা হিসেবে সাধারণত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-কে ধরা হয়।

তিনি বাংলা গদ্যকে একটি সুস্পষ্ট রূপ দেন এবং এর ভাষাকে সংস্কৃত শব্দবহুলতা ও জটিলতা থেকে মুক্ত করে একটি সহজ, সাবলীল ও শ্রুতিমধুর রূপ দান করেন। তাঁর আগে গদ্যের ব্যবহার মূলত দলিলপত্র, চিঠিপত্র বা অনুবাদে সীমাবদ্ধ ছিল। বিদ্যাসাগরই প্রথম সাহিত্য রচনার ক্ষেত্রে গদ্যকে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর "বেতাল পঞ্চবিংশতি", "শকুন্তলা" বা "সীতার বনবাস" এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা গদ্যকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করে তোলেন, তবে সাহিত্যিক গদ্যের সূত্রপাত মূলত বিদ্যাসাগরের হাত ধরেই হয়েছিল।

 ১৮৫৮ সালে
 ১৯৭৮ সালে
 ১৮৪৮ সালে
 ১৮৬৮ সালে
ব্যাখ্যাঃ

প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৮৫৮ সালে

এটি প্রথম ১৮৫৪ সাল থেকে প্যারীচাঁদ মিত্র ও রাধানাথ শিকদার সম্পাদিত 'মাসিক পত্রিকা'-য় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।

 বেগম রােকেয়া
 কাদম্বরী দেবী
 স্বর্ণকুমারী দেবী
 নূরুন্নাহার ফয়জুন্নেসা
ব্যাখ্যাঃ

স্বর্ণকুমারী দেবী (১৮৫৫-১৯৩২) ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘দীপনির্বাণ’ ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় বোন। স্বর্ণকুমারী দেবী শুধু ঔপন্যাসিকই ছিলেন না, তিনি একাধারে কবি, সঙ্গীতকার ও সমাজ সংস্কারক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।

 দাশরথি রায়
 রামনিধি গুপ্ত
 ফকির গরীবুল্লাহ
 রামরাম বসু
ব্যাখ্যাঃ

পাঁচালিকার হিসেবে সর্বাধিক খ্যাতি ছিল কঃ দাশরথি রায়-এর।

তিনি উনিশ শতকের একজন বিখ্যাত পাঁচালী কবি ও গায়ক ছিলেন। তার রচিত পালাগানগুলি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল এবং তিনি পাঁচালির জগতে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন।

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
 প্যারীচাঁদ মিত্র
 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
 বঙ্কিম চট্রোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা আধুনিক উপন্যাসের প্রবর্তক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক এবং বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তার অসামান্য অবদান রয়েছে। তার হাত ধরেই বাংলা উপন্যাস একটি সুস্পষ্ট আধুনিক রূপ লাভ করে।

বঙ্কিমচন্দ্রের পূর্বে প্যারীচাঁদ মিত্রের 'আলালের ঘরের দুলাল' (১৮৫৮) উপন্যাস প্রকাশিত হলেও, বঙ্কিমচন্দ্রের 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫) উপন্যাসটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক আধুনিক উপন্যাস হিসেবে ধরা হয়। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসকে একটি নতুন সাহিত্যিক মানে উন্নীত করেন এবং পরবর্তী প্রজন্মের ঔপন্যাসিকদের জন্য পথ খুলে দেন।

 মমতাজউদদীন আহমদ
 আব্দুল্লাহ আল মামুন
 সেলিম আল দীন
 রামেন্দু মজুমদার
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশে 'গ্রাম থিয়েটার' একটি গুরুত্বপূর্ণ নাট্য আন্দোলন, যা গ্রামীণ সংস্কৃতি ও নাট্যচর্চাকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে শুরু হয়েছিল।

এর প্রধান দিকগুলো হলো:

  • প্রতিষ্ঠাতা ও স্বপ্নদ্রষ্টা: বাংলাদেশে গ্রাম থিয়েটার আন্দোলনের স্বপ্নদ্রষ্টা হলেন নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। তার সাথে নাসির উদ্দীন ইউসুফও এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

  • প্রতিষ্ঠা: ২০ জানুয়ারি ১৯৮২ সালে (৬ মাঘ ১৩৮৮ বঙ্গাব্দ) ঢাকা থিয়েটারের তত্ত্বাবধানে মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার তালুকনগর গ্রামে 'বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার' যাত্রা শুরু করে। তালুকনগর গ্রামের শাহ আজহার ওরফে আজাহার বয়াতীর মাঘী মেলাকে কেন্দ্র করে এর কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

  • উদ্দেশ্য ও দর্শন: গ্রাম থিয়েটারের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলার ঐতিহ্যবাহী নাট্যরীতি ও পরিবেশনাকে নাগরিক মঞ্চের বাইরে এনে গ্রামের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং গ্রামীণ সমাজের নিজস্ব জীবন, সংস্কৃতি ও সমস্যা নিয়ে নাটক তৈরি ও পরিবেশন করা। এর মূলনীতি হলো "হাতের মুঠোয় হাজার বছর আমরা চলেছি সামনে"। এটি নাগরিক ও গ্রামীণ সংস্কৃতির ব্যবধান ঘোচাতে চেয়েছিল এবং ঐতিহ্যবাহী নাট্য আঙ্গিকগুলোকে আধুনিক জীবনে উপযোগী করে তুলতে চেয়েছিল।

  • বৈশিষ্ট্য:

    • বর্ণনাত্মক নাট্যরীতি: ঢাকা থিয়েটার ও বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার বর্ণনাত্মক নাট্যরীতি ও বর্ণনাত্মক অভিনয় রীতি উদ্ভাবন ও প্রচলনে ভূমিকা রাখে।
    • খোলা মঞ্চ: বৃত্তাকার ও চৌকোণ খোলা মঞ্চের পুনঃপ্রতিষ্ঠা ছিল এর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
    • গ্রামীণ কর্মী সৃষ্টি: গ্রামীণ নাট্যকর্মী তৈরি করা এবং গ্রামে গ্রামে গ্রাম থিয়েটার সংগঠন গড়ে তোলার উপর জোর দেওয়া হয়।
  • প্রভাব: গ্রাম থিয়েটার আন্দোলন বাংলাদেশের নাট্যচর্চায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং গ্রামীণ জনপদে নাটকের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে। এটি শুধু বিনোদন নয়, সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবেও কাজ করেছে। সেলিম আল দীনের অনেক নাটক, যেমন 'কিত্তনখোলা', এই গ্রাম থিয়েটার আন্দোলনের দর্শনের সাথে সম্পর্কিত।

সংক্ষেপে, বাংলাদেশে গ্রাম থিয়েটার সেলিম আল দীন ও নাসির উদ্দীন ইউসুফের নেতৃত্বে গঠিত একটি আন্দোলন যা গ্রামীণ নাট্যচর্চা এবং বাঙালির নিজস্ব নাট্যশৈলীকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে।

 কৃষ্ণকুমারী
 শর্মিষ্ঠা
 সধবার একাদশী
 নীলদর্পণ
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক হলো মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'কৃষ্ণকুমারী'। এটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

 প্রভু যিশুর বাণী
 কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
 ফুলমণি ও করুণার বিবরণ
 মিশনারি জীবন
ব্যাখ্যাঃ

‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ’ (১৭৩৫) মনোএল দ্য আসসুম্পসাঁউ নামক পর্তুগিজ খ্রিষ্টান মিশনারি কর্তৃক রচিত বাংলা গদ্যগ্রন্থ। ১৭৪৩ সালে লিসবন শহর থেকে গ্রন্থটি রোমান লিপিতে মুদ্রিত হয়।

 মোতাহের হোসেন
 ইসমাইল হোসেন সিরাজী
 মীর মশাররফ হোসেন
 ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন ‘রত্নবতী’ উপন্যাসটি রচনা করেন ১৮৬৯ সালে, যা বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম উপন্যাস। মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া গ্রামে ১৩ নভেম্বর, ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে। তিনি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘বিষাদ-সিন্ধু’ (১৮৮৫-১৮৯১)।

 বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
 বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
 বাংলা সাহিত্যের কথা
 বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা
ব্যাখ্যাঃ
গ্রন্থের নাম প্রকাশকাল রচয়িতা
বঙ্গভাষা ও সাহিত্য (বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ) ১৮৬৬ সাল দীনেশচন্দ্র সেন
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ১৯৪০ সাল ড. সুকুমার সেন
বাংলা সাহিত্যের কথা ১৯৫৩ সাল ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা ১ম খণ্ড ১৯৫৯, ২য় খণ্ড ১৯৬৩ ড. গোপাল হালদার
 মাগধীয় ব্যাকরণ
 গৌড়ীয় ব্যাকরণ
 মাতৃভাষা ব্যাকরণ
 ভাষা ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যাঃ

রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি হিসেবে ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ (১৮৩৩) রচনা করেন। তার অন্যান্য রচনা হচ্ছে ‘বেদান্তসার’ (১৮১৫), ‘ভট্টাচার্যের সহিত বিচার’ (১৮১৭), ‘সহমরণ বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ’ (১৮১৮) ইত্যাদি।

 মধুসূদন দত্ত
 দীনবন্ধু মিত্র
 জ্যোতিন্দ্রনাথ ঠাকুর
 রামনারায়ণ তর্করত্ন
ব্যাখ্যাঃ

উনিশ শতকের গোড়ার দিকে সংস্কৃত নাটকের অনুবাদ শুরু হলেও তারাচরণ শিকদারের 'ভদ্রার্জুন' (১৮৫২) ও রামনারায়ণ তর্করত্নের 'কুলীনকুল সর্বস্ব' (১৮৫৪) নাটক থেকে প্রকৃতপক্ষে বাংলা মৌলিক নাট্যসাহিত্যের সূত্রপাত হয়।

 সুকুমার সেন
 দীনেশচন্দ্র সেন
 মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
 অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক দীনেশচন্দ্র সেন (১৮৬৬-১৯৩৯ খ্রি) ১৮৯৬ সালে ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ নামে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সুশৃঙ্খল ও তথ্যসমৃদ্ধ ধারাবাহিক ইতিহাসমূলক এ গ্রন্হটি রচনা করেন। আর এটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম যথার্থ ইতিহাস গ্রন্হ হিসেবে স্বীকৃত। অন্যদিকে ড. সুকুমার সেন, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ইতিহাস বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্হগুলো হলো যথাক্রমে ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস’ (১৯৪০), ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ (১৯৫৯) এবং ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত’ (১ম খণ্ড) (১৯৫৯)।

 দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত
 সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
 মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
 সুকুমার সেন
ব্যাখ্যাঃ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক দীনেশচন্দ্র সেন (১৮৬৬-১৯৩৯ খ্রি.) কর্তৃক রচিত ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ গ্রন্হটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম যথার্থ ইতিহাস গ্রন্হ। ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ ও ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ সম্পাদনা তার বঙ্গ-সংস্কৃতি সেবার আর এক শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
 গিরিশচন্দ্র সেন
 সৈয়দ আমির আলী
 ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

১৬. বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক কোনটি?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৯-০৪-২০১৪ ]

 শর্মিষ্ঠা
 ভদ্রার্জুন
 কবর
 নীল দর্পণ

১৭. বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি কে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-১১-২০১৩ ]

 সারদা দেবী
 চন্দ্রাবতী
 স্বর্ণকুমারী দেবী
 সুফিয়া কামাল

১৮. বাংলা সাহিত্যে "ভোরের পাখি" বলা হয় কাকে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৮-১১-২০১৩ ]

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
 বিহারীলাল চক্রবর্তী
 মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ

১৯. যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত কে?

[ ১৮তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

 বিহারীলাল চক্রবর্তী
 ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত
 ভারত চন্দ্র রায় গুণাকর
 আলাওল

২০. বাংলা সাহিত্যে 'সনেট' রচনার প্রবর্তক কে?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ৩০-১০-২০০৮ ]

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
 কাজী নজরুল ইসলাম
 মাইকেল মধুসূদন
 মোহিতলাল মজুমদার