আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 আবু ইসহাক
 সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
 প্রমথনাথ বিশী
 প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ

বীরবল ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন এবং 'সবুজপত্র' পত্রিকা সম্পাদনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। তার প্রবন্ধগুলো 'বীরবলের হালখাতা' নামেও পরিচিত।

 প্রবোধচন্দ্র সেন
 প্রমথনাথ বিশি
 প্রমথ চৌধুরী
 প্রদ্যুম্ন মিত্র
ব্যাখ্যাঃ

‘তেল নুন লকড়ি’ গ্রন্থটি প্রমথনাথ বিশি-র রচিত। এটি তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য রম্যরচনা সংকলন।

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
 মুনীর চৌধুরী
 সমরেশ বসু
 প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ

‘বীরবল’ ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন প্রমথ চৌধুরী

তিনি ছিলেন একজন বাঙালি লেখক, যিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রচলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তাঁর সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার ব্যবহারকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল।

 বঙ্কিমচন্দ্র
 সৈয়দ মুজতবা আলী
 প্রমথ চৌধুরী
 প্রমথনাথ বিশী
ব্যাখ্যাঃ

‘জ্যাঠামি’ শব্দের অর্থ বাচালতা, পাকামি, অকালপক্বতা ইত্যাদি আর ‘ন্যাকামি’ শব্দের অর্থ - সারল্য বা সাধুতার ভানকারী, অজ্ঞতার ভান ইত্যাদি। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী ছিলেন মার্জিত রুচির নাগরিক, প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত ও অপূর্ব বাক-চাতুর্যের অধিকারী। সাহিত্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তার মত হলো- ‘সাহিত্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে সকলকে আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন নয়। সাহিত্য ছেলের হাতের খেলনাও নয়, গুরুর হাতের বেতও নয়।

 প্রমথ চৌধুরী
 বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
 যতীন্দ্রমোহন বাগচী
 মোহিতলাল মজুমদার
ব্যাখ্যাঃ

ছদ্মনামটি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের (১৮৯৯-১৯৭৯খ্রি)। তিনি ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত। প্রখ্যাত সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর (১৮৬৮-১৯৪৬খ্রি) ছদ্মনাম ‘বীরবল’ । বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক মোহিতলাল মজুমদারের (১৮৮৮-১৯৫২খ্রি) ছদ্মনাম ‘সত্যসুন্দর দাস’। বিশিষ্ট কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচীর (১৮৭৮-১৯৪৮ খ্রি) বিশেষ কোনো ছদ্মনাম নেই।

 রবীন্দ্রনাথ
 কাজী নজরুল ইসলাম
 বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
 প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী (১৮৬৮-১৯৪৬ খ্রি) কর্তৃক উপরিউক্ত পঙ্‌ক্তি রচিত। প্রমথ চৌধুরী কর্তৃক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পঙ্‌ক্তি হলো ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’।

 প্রমথ চৌধুরী
 ধূর্জটি প্রসাদ মুখোপাধ্যায়
 সুধীন্দ্রনাথ দ্ত্ত
 নবীনচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। বীরবল ছদ্মনামে তিনি লিখেছেন ‘বীরবলের হালখাতা’। চলিত রীতিকে বাংলা গদ্যে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তিনি সম্পাদনা করেন বিখ্যাত পত্রিকা ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪)। বাংলা কাব্যসাহিত্যে তিনি ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। তার রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্হ- তেল নুন লাকড়ি, বীরবলের হালখাতা ও রায়তের কথা; গল্পগ্রন্হ- চার ইয়ারী কথা ও আহুতি; কাব্যগ্রন্হ- সনেট পঞ্চাশৎ।

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
 কাজী আবদুল ওদুদ
 মোহম্মদ লুৎফর রহমান
 প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। বীরবল ছদ্মনামে তিনি লিখেছেন ‘বীরবলের হালখাতা’। চলিত রীতিকে বাংলা গদ্যে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তিনি সম্পাদনা করেন বিখ্যাত পত্রিকা ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪)। বাংলা কাব্যসাহিত্যে তিনি ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। তার রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্হ- তেল নুন লাকড়ি, বীরবলের হালখাতা ও রায়তের কথা; গল্পগ্রন্হ- চার ইয়ারী কথা ও আহুতি; কাব্যগ্রন্হ- সনেট পঞ্চাশৎ। তার আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উক্তি হলো “ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে”, “সাহিত্য ছেলের হাতের খেলনাও নয়, গুরুর হাতের বেতও নয়”, “সাহিত্য জাতির দর্পণ স্বরূপ”, “বাংলা ভাষা আহত হয়েছে সিলেটে আর নিহত হয়েছে চট্টগ্রামে”, “সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়”।

 প্রমথনাথ বিশী
 প্রমথ চৌধুরী
 প্রেমেন্দ্র মিত্র
 প্রমথ নাথ বসু
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। বীরবল ছদ্মনামে তিনি লিখেছেন ‘বীরবলের হালখাতা’। চলিত রীতিকে বাংলা গদ্যে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তিনি সম্পাদনা করেন বিখ্যাত পত্রিকা ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪)। তার রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্হ- তেল নুন লাকড়ি, বীরবলের হালখাতা ও রায়তের কথা; গল্পগ্রন্হ- চার ইয়ারী কথা ও আহুতি; কাব্যগ্রন্হ- সনেট পঞ্চাশৎ।

১০. বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক কে?

[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
 প্রমথ চৌধুরী
 প্যারিচাঁদ মিত্র
 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১১. প্রমথ চৌধুরি সম্পাদিত পত্রিকার নাম-

[ ১৭তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

 তত্ত্ববোদ্ধিনী
 সবুজপত্র
 কল্লোল
 ধুমকেতু
 ১৯১৪
 ১৯১৮
 ১৯২০
 ১৯১৯