আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. কবর
খ. বহিপীর
গ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ঘ. ওরা কদম আলী
উত্তরঃ বহিপীর
ব্যাখ্যাঃ

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা নাটক হলো খঃ বহিপীর

'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। 'ওরা কদম আলী' মামুনুর রশীদ রচিত একটি মঞ্চনাটক।

ক. পণ্ডিত
খ. বিদ্যাসাগর
গ. শাস্ত্রজ্ঞ
ঘ. মহামহােপাধ্যায়
উত্তরঃ মহামহােপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ

হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর একাধিক উপাধি ছিল। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উপাধি হল মহামহোপাধ্যায়

এছাড়াও তিনি শাস্ত্রী উপাধিও লাভ করেছিলেন, যা তিনি এম.এ. পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর পান। ব্রিটিশ সরকার তাকে কম্পানিয়ন অফ দ্য ইন্ডিয়ান এম্পায়ার (সি.আই.ই.) উপাধিতেও ভূষিত করেছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ডি-লিট উপাধি লাভ করেন।

ক. ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’
খ. ‘ক্ষুধা ও আশা’
গ. ‘কর্ণফুলি’
ঘ. ‘ধানকন্যা’
উত্তরঃ ‘কর্ণফুলি’
ব্যাখ্যাঃ

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস হলো গঃ ‘কর্ণফুলি’

এই উপন্যাসটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদ রচনা করেছেন। ‘কর্ণফুলি’ উপন্যাসে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবন ও সংস্কৃতি, তাদের সামাজিক রীতিনীতি এবং তৎকালীন আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট vividly তুলে ধরা হয়েছে।

অন্যান্য উপন্যাসগুলো ভিন্ন প্রেক্ষাপটে রচিত:

  • ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’: আলাউদ্দিন আল আজাদের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস, তবে এর বিষয়বস্তু ভিন্ন।
  • ‘ক্ষুধা ও আশা’: আবু ইসহাকের লেখা, যা গ্রামীণ জীবনের দারিদ্র্য ও সংগ্রাম নিয়ে রচিত।
  • ‘ধানকন্যা’: রাবেয়া খাতুনের উপন্যাস, যার মূল বিষয়বস্তু সম্ভবত ভিন্ন।
ক. অরুণ মিত্র
খ. সমরেশ বসু
গ. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ঘ. সমরেশ মজুমদার
উত্তরঃ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল গঃ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ‘নীললোহিত’ ছদ্মনামে পরিচিত ছিলেন এবং এই নামে তিনি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। এই ছদ্মনামে তিনি মূলত হালকা মেজাজের রম্যরচনা ও কিছু উপন্যাস লিখেছেন।

ক. সমরেশ মজুমদার
খ. শওকত ওসমান
গ. সমরেশ বসু
ঘ. আলাউদ্দিন আল আজাদ
উত্তরঃ সমরেশ বসু
ব্যাখ্যাঃ

সমরেশ বসু বাংলা সাহিত্যে 'কালকূট' নামে পরিচিত। এটি ছিল তার ছদ্মনাম। এই ছদ্মনামে তিনি বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য সাহিত্য রচনা করেছেন।

ক. আলাওল
খ. চন্দ্রাবতী
গ. মুকুন্দদাস
ঘ. মুক্তারাম চক্রবর্তী
উত্তরঃ মুকুন্দদাস
ব্যাখ্যাঃ

চারণকবি হিসেবে বিখ্যাত মুকুন্দদাস

মুকুন্দদাস ছিলেন একজন বিখ্যাত চারণকবি এবং যাত্রা নাট্যকার। তিনি স্বদেশপ্রেমমূলক গান ও নাটক রচনা করে সাধারণ মানুষের মধ্যে দেশাত্মবোধ জাগিয়ে তুলেছিলেন। তার গান ও নাটক ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই কারণেই তিনি 'চারণকবি' হিসেবে পরিচিত।

ক. তেভাগা আন্দোলন
খ. ভাষা আন্দোলন
গ. মুক্তিযুদ্ধ
ঘ. দেশভাগ
উত্তরঃ দেশভাগ
ব্যাখ্যাঃ

‘কালো বরফ’ উপন্যাসটি দেশভাগের পটভূমিতে রচিত। এই উপন্যাসের মূল বিষয় হলো দেশভাগের কারণে একটি মানুষের জীবনে যে স্মৃতিকাতরতা, বিচ্ছিন্নতা ও শিকড় হারানোর বেদনা তৈরি হয়, তারই আখ্যান।

উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র আবদুল খালেক, যার শৈশবের নাম ছিল পোকা। দেশভাগের সময় সে পূর্ব বাংলা থেকে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে। উপন্যাসে খালেকের বর্তমান জীবনের একাকিত্ব, দাম্পত্য কলহ এবং তার শৈশবের স্মৃতিচারণা সমান্তরালভাবে চলে।

'কালো বরফ'-এ সরাসরি দেশভাগের রাজনৈতিক বা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তেমনভাবে উঠে আসেনি। বরং, দেশভাগের ব্যক্তিগত ও মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব এবং একজন মানুষের ভেতরের ভাঙন এই উপন্যাসের প্রধান বিষয়। শৈশবের রঙিন স্মৃতি আর বর্তমানের বিষণ্ণতার মধ্যে এক ধরনের বৈপরীত্য তৈরি করা হয়েছে, যা দেশভাগের ক্ষতকে আরও প্রকট করে তোলে।

ক. কলকাতা
খ. ঢাকা
গ. লন্ডন
ঘ. মুর্শিদাবাদ
উত্তরঃ ঢাকা
ব্যাখ্যাঃ

দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল-দর্পণ' নাটক বাংলা সাহিত্যের এক যুগান্তকারী সৃষ্টি। এটি একটি সামাজিক নাটক, যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়।

পটভূমি ও বিষয়বস্তু

উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে, বিশেষ করে ১৮৫৯-৬০ সালের দিকে, ব্রিটিশ নীলকর সাহেবদের অত্যাচার এবং এর বিরুদ্ধে সংঘটিত নীল বিদ্রোহ ছিল বাংলার কৃষকদের জীবনে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। নীলকররা জোর করে কৃষকদের দিয়ে নীল চাষ করাতো, যা তাদের জন্য ছিল অত্যন্ত অলাভজনক এবং সর্বনাশা। নীল চাষ করতে রাজি না হলে কৃষকদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হতো, জমি কেড়ে নেওয়া হতো, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হতো এবং নারীদের উপরও অত্যাচার করা হতো। এই নির্মম অত্যাচারের বাস্তব চিত্র দীনবন্ধু মিত্র তার নাটকে তুলে ধরেন। তিনি এই নাটকটি 'কস্যচিৎ পথিকস্য' ছদ্মনামে ঢাকা থেকে প্রকাশ করেন।

নাটকের গুরুত্ব ও প্রভাব

  • সামাজিক দলিল: 'নীল-দর্পণ' নাটকটি তৎকালীন বাংলার সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির এক বাস্তবসম্মত চিত্র তুলে ধরেছে। এটি নীলকরদের বর্বরতা এবং নিরুপায় কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশার জীবন্ত দলিল হিসেবে কাজ করে।
  • জনমত সৃষ্টি: নাটকটি প্রকাশের পর বাংলা এবং এমনকি ইউরোপেও ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এটি নীলকরদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে সাহায্য করে এবং নীল বিদ্রোহকে আরও জোরালো করে তোলে।
  • ইংরেজি অনুবাদ: নাটকটি প্রকাশের পরপরই রেভারেন্ড জেমস লঙ-এর উদ্যোগে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এটি ইংরেজিতে 'Nil Durpan, or The Indigo Planting Mirror' নামে অনুবাদ করেন। এই অনুবাদের জন্য জেমস লঙকে কারাদণ্ড ও জরিমানা ভোগ করতে হয়েছিল, যা নাটকের প্রভাবকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
  • নাট্য আন্দোলনের সূচনা: এই নাটকটি বাংলার সাধারণ রঙ্গালয় প্রতিষ্ঠার পথ খুলে দেয়। ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর ন্যাশনাল থিয়েটার-এর উদ্বোধনী দিনে 'নীল-দর্পণ' নাটকের মাধ্যমেই বাংলা নাট্যমঞ্চের যাত্রা শুরু হয়।
  • জাতীয়তাবোধের উন্মেষ: এটি দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধ জাগিয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের এক নতুন ধারা তৈরি করে।

দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল-দর্পণ' শুধু একটি নাটক ছিল না, এটি ছিল একটি সামাজিক আন্দোলন এবং শোষিত মানুষের প্রতিবাদের এক শক্তিশালী কণ্ঠস্বর।

ক. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
খ. রামরাম বসু
গ. দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ. অক্ষয়কুমার দত্ত
উত্তরঃ রামরাম বসু
ব্যাখ্যাঃ

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ছিলেন খঃ রামরাম বসু

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে এর একটি বিশাল ভূমিকা ছিল। এই কলেজের বাংলা বিভাগে বহু পণ্ডিত শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন, যাদের মধ্যে রামরাম বসু অন্যতম। তিনি উইলিয়াম কেরীর সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন এবং বাংলা ভাষায় প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থ 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' (১৮০১) রচনা করেন।

অন্যান্য বিকল্পগুলো ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ছিলেন না:

  • হরপ্রসাদ শাস্ত্রী: তিনি একজন বিখ্যাত গবেষক ও প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ ছিলেন, যিনি চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ছিলেন না।
  • দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর: তিনি ছিলেন ব্রাহ্ম সমাজের নেতা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা। তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ছিলেন না।
  • অক্ষয়কুমার দত্ত: তিনি ছিলেন তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক এবং একজন বিশিষ্ট গদ্য লেখক, তবে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক ছিলেন না।
ক. উইলিয়াম কেরি
খ. গোলকনাথ শর্মা
গ. রামরাম বসু
ঘ. হরপ্রসাদ রায়
উত্তরঃ রামরাম বসু
ব্যাখ্যাঃ

'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' গ্রন্থটির প্রণেতা হলেন রামরাম বসু

এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুদ্রিত মৌলিক গদ্যগ্রন্থ (১৮০১ সালে প্রকাশিত)। যদিও এটিকে আধুনিক অর্থে 'গদ্যসাহিত্য' বলা যায় না, কারণ এতে সাধু গদ্যের পাশাপাশি পদ্যের প্রভাব ছিল, তবুও বাংলা গদ্যের বিকাশে এর একটি ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। বইটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ছাত্রদের বাংলা শেখানোর উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।

ক. উইলিয়াম কেরি
খ. লর্ড ওয়েলেসলি
গ. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
ঘ. রামরাম বসু
উত্তরঃ উইলিয়াম কেরি
ক. নীলকরদের অত্যাচার
খ. ভাষা আন্দোলন
গ. অসহযোগ আন্দোলন
ঘ. তে-ভাগা আন্দোলন
উত্তরঃ নীলকরদের অত্যাচার
ব্যাখ্যাঃ

‘নীল দর্পণ’ নাটকটির বিষয়বস্তু হলো কঃ নীলকরদের অত্যাচার

এই নাটকটি দীনবন্ধু মিত্র ১৮৬০ সালে রচনা করেন, যেখানে ব্রিটিশ নীলকরদের দ্বারা বাংলার কৃষকদের ওপর চালানো নির্মম অত্যাচার ও শোষণের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এটি বাংলা সাহিত্যে একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী নাটক হিসেবে পরিচিত।

ক. পঞ্চতন্ত্র
খ. কালান্তর
গ. প্রবন্ধ সংগ্রহ
ঘ. শাশ্বত বঙ্গ
উত্তরঃ পঞ্চতন্ত্র
ব্যাখ্যাঃ

সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো কঃ পঞ্চতন্ত্র

  • পঞ্চতন্ত্র তাঁর একটি বিখ্যাত রম্যরচনার সংকলন।
  • কালান্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রবন্ধ গ্রন্থ।
  • প্রবন্ধ সংগ্রহ একটি সাধারণ নাম, যা বিভিন্ন লেখকের প্রবন্ধের সংকলন হতে পারে, তবে এটি নির্দিষ্টভাবে সৈয়দ মুজতবা আলীর কোনো একক গ্রন্থের নাম নয়।
  • শাশ্বত বঙ্গ কাজী আবদুল ওদুদের প্রবন্ধ গ্রন্থ।
ক. সৈয়দ আলী আহসান
খ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
গ. সৈয়দ শামসুল হক
ঘ. সিকান্দার আবু জাফর
উত্তরঃ সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যাঃ

১৯৮৫ সালে সৈয়দ আলী আহসান নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক লাভ করেন। তিনি একজন খ্যাতনামা সাহিত্যিক, কবি, সাহিত্য সমালোচক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন।

ক. আবদুল মান্নান সৈয়দ
খ. সৈয়দ আজিজুল হক
গ. আবু সয়ীদ আইয়ুব
ঘ. সৈয়দ শামসুল হক
উত্তরঃ আবদুল মান্নান সৈয়দ
ব্যাখ্যাঃ

আবদুল মান্নান সৈয়দের ছদ্মনাম ‘অশোক সৈয়দ’। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ’ ছোটগল্প ‘সত্যের মতো বদমাশ’ উপন্যাস ক্ষুধা প্রেম আগুন’।

ক. রূপকথা
খ. ছোটগল্প
গ. গ্রাম্যগীতিকা
ঘ. রূপকথা-উপকথা
উত্তরঃ রূপকথা
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা শিশুসাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় রূপকথার সংকলন ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয়। দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার এই গ্রন্থের সংকলন করেন। তিনি এগুলো সংগ্রহ করেছিলেন তৎকালীন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে এ সংকলনটি চারটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়। যথা: ঠাকুরমার ঝুলি, ঠাকুরদাদার ঝুলি, ঠানদিদির থলে, দাদামশায়ের থলে। এ গ্রন্থের প্রথম প্রকাশক ছিলেন কলকাতার ‘ভট্টাচার্য অ্যান্ড সন্স’। এ গ্রন্থের ভূমিকা লিখে দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। গ্রন্থটি জার্মান ভাষায় অনূদিত হয়। এ নামে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

ক. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
খ. সৈয়দ শামসুল হক
গ. শামসুর রাহমান
ঘ. সেলিম আলদীন
উত্তরঃ শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যাঃ

কবি শামসুর রাহমানের জন্ম পুরনো ঢাকার মাহুতটুলি এলাকায় নানাবাড়িতে। বাবা মুখলেসুর রহমান চৌধুরী ও মা আমেনা বেগম। পৈতৃক বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার পাড়াতলী গ্রামে। কবি শামসুর রাহমান ১৩ জন ভাই - বোনের মধ্যে ছিলেন ৪র্থ।

ক. সাত সাগরের মাঝি
খ. পাখির বাসা
গ. হাতেমতাই
ঘ. নৌফেল ও হাতেম
উত্তরঃ সাত সাগরের মাঝি
ব্যাখ্যাঃ

ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম হলো সাত সাগরের মাঝি

এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ। 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোতে মুসলিম জাগরণের সুর রয়েছে। এই কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত কবিতাগুলোর মধ্যে 'সাত সাগরের মাঝি' ও 'পাঞ্জেরি' অন্যতম।

ক. সৈয়দ শামসুল হক
খ. শওকত ওসমান
গ. সৈয়দ মুজতবা আলী
ঘ. ফররুখ আহমদ
উত্তরঃ সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যাঃ

সরস, মার্জিত, বুদ্ধিদীপ্ত, সাহিত্য ধারার প্রবর্তক সৈয়দ মুজতবা আলী। ব্যঙ্গ ও রঙ্গ রসিকতায় তার গদ্য রচনা প্রদীপ্ত। সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত রম্যগল্প ‘চাচা কাহিনী’। দেশে বিদেশে (ভ্রমণকাহিনী), পঞ্চতন্ত্র (রম্যরচনা), শবনম (উপন্যাস) তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।

ক. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি
খ. মোজাম্মেল হক
গ. এয়াকুব আলী চৌধুরী
ঘ. মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী
উত্তরঃ সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি
ব্যাখ্যাঃ

মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি ও রাজনীতিবিদ সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী। অনলস্রাবী সাহিত্য সৃষ্টি তার বৈশিষ্ট্য। জাতীয় জাগরণমূলক কাব্য সৃষ্টিতে তিনি ছিলেন স্বতঃস্ফূর্ত এবং কাজী নজরুল ইসলামের পূর্বসূরি। ‘অনল প্রবাহ’ (১৯০০) তার বিখ্যাত গ্রন্থ। গ্রন্থটি ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে ফেব্রুয়ারি মাসে ইংরেজ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়।

ক. বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ
খ. বিয়ে পাগলা বুড়ো
গ. কিঞ্চিত জলযোগ
ঘ. কল্কি অবতার
উত্তরঃ বিয়ে পাগলা বুড়ো
ব্যাখ্যাঃ

"বিয়ে পাগলা বুড়ো" দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি প্রহসন। এটি বাংলা সাহিত্যে সামাজিক ব্যঙ্গধর্মী নাটকের অন্যতম উদাহরণ। এই প্রহসনে সমাজের বিভিন্ন কুসংস্কার, বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তিদের অযৌক্তিকভাবে বিয়ের প্রতি আসক্তি এবং সামাজিক অনিয়মকে তীক্ষ্ণভাবে ব্যঙ্গ করা হয়েছে।

ক. সিকানদার আবু জাফর
খ. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
গ. ফররুখ আহমদ
ঘ. আহসান হাবীব
উত্তরঃ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
ব্যাখ্যাঃ

'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি'- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। এ লেখকের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে 'সাতনরী হার', ‘কখনও রং কখনও সুর’, ‘কমলের চোখ’, ‘সহিষ্ণু প্রতিক্ষা’, ‘প্রেমের কবিতা’, ‘নির্বাচিত কবিতা’ ইত্যাদি।

প্রশ্নঃ Ballad কি?

[ বিসিএস ২৬তম ]

ক. লোকগীতি
খ. লোকগাঁথা
গ. গীতিকা
ঘ. গাথা
উত্তরঃ গীতিকা
ব্যাখ্যাঃ

Ballad শব্দের বাংলা পরিভাষা ‘গীতি-কাহিনি কাব্য’ বা ‘গীতিকা’। এটা একটা গান, গল্প বা গল্প ও কথা- যার কোনো সাহিত্যিক রূপ নেই বা সাহিত্যের ভাণ্ডারে লিখিত হয়ে বিধৃত হয়নি। এটা অলিখিত অবস্থায় লোকের মুখে মুখে চলে এসেছে ইংরেজীতে একে বলা হয় ব্যালাড (Ballad)। এই শব্দটি ল্যাটিন Balare থেকে এসেছে। ইউরোপে প্রাচীনকালে নাচের সাথে যে কবিতা গীত হতো তাকেই ‘Ballad’ বা গীতিকা বলা হতো।

ক. ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ
খ. তুলসী লাহিড়ি
গ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ঘ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
উত্তরঃ দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যাঃ

‘সাজাহান’ একটি ঐতিহাসিক নাটক। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৮৬৩-১৯১৩) রচিত এ নাটকটি ১৯০৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত অন্যান্য ঐতিহাসিক নাটকের মধ্যে রয়েছে- নূরজাহান (১৯৮০), প্রতাপসিংহ (১৯০৫), সিংহল বিজয় (১৯১৬) ইত্যাদি।

ক. কমলে কামিনী
খ. চক্ষুদান
গ. বিধবা বিবাহ
ঘ. ভদ্রার্জুন
উত্তরঃ কমলে কামিনী
ব্যাখ্যাঃ

দীনবন্ধু মিত্র (১৮৩০-১৮৭৩ খ্রি) বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার। তার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘নীলদর্পণ’ (১৮৬০), ‘সধবার একাদশী’ (১৮৬৬), ‘কমলে কামিনী’ (১৮৭৩), ‘নবীন তপস্বিনী’ (১৮৬৩), ইত্যাদি। ‘ভদ্রার্জুন’ হলো তারাচরণ শিকদার রচিত নাটক, যা বাঙালি লিখিত প্রথম মৌলিক নাটক হিসেবে স্বীকৃত। রামনারায়ণ তর্করত্নের চক্ষুদান প্রহসন মূলক গ্রন্থ।

ক. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
খ. রামরাম বসু
গ. বিদ্যাসাগর
ঘ. রাজীব লোচন মুখোপাধ্যায়
উত্তরঃ মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
ব্যাখ্যাঃ

ভাষাবিদ মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার (১৭৬২-১৮১৯) ছিলেন উইলিয়াম কেরির অধীন পণ্ডিত। তিনি অধ্যাপনার পাশাপাশি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকগণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি উইলিয়াম কেরির উৎসাহে বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২), রাজাবলি (১৮০৮), হিতোপদেশ (১৮০৮), বেদান্তচন্দ্রিকা (১৮১৭) ও প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮৩৩) গ্রন্হগুলো রচনা করেন।

ক. মুনতাসীর ফ্যান্টাসী
খ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
গ. কবর
ঘ. বহুব্রীহি
উত্তরঃ মুনতাসীর ফ্যান্টাসী
ব্যাখ্যাঃ

‘মুনতাসীর ফ্যান্টাসী’ বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আল দীনের একটি প্রতীকাশ্রয়ী কৌতুক নাটক। নাট্যকার তার নাট্যচর্চার শুরুর দিকে লেখা ও নাটকটির নাম ‘মুনতাসীর ফ্যান্টাসী’ রাখলেও পরে ফ্যান্টাসী বাদ দিয়ে শুধুই ‘মুনতাসীর’ নামকরণ করেন। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের, ‘কবর’ (১৯৬৬) মুনীর চৌধুরীর এবং ‘বহুব্রীহি’ হুমায়ূন আহমেদের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।

ক. কাব্য
খ. নাটক
গ. উপন্যাস
ঘ. গীতি কবিতা
উত্তরঃ নাটক
ব্যাখ্যাঃ

বিশিষ্ট নাট্যকার নূরুল মোমেন (১৯০৬-১৯৮৯) রচিত ‘নেমেসিস’ একটি নিরীক্ষাধর্মী নাটক। নূরুল মোমেন সামাজিক সংকটের পটভূমিকায় অন্তর্দ্বন্দ্বমূলক নাট্য-চরিত্র অঙ্কন করেই অধিক খ্যাতি অর্জন করেন। নেমেসিস (১৯৪৮) নাটকটিও এ আলোকেই রচিত। তার এরূপ আরো কিছু নাটক হলো - রূপান্তর (১৯৪৭), আলোছায়া (১৯৬২), আইনের অন্তরালে (১৯৬৭) ইত্যাদি।

ক. ভাষার ইতিবৃত্ত
খ. আধুনিক ভাষাতত্ত্ব
গ. মনীষা মঞ্জুষা
ঘ. বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান
উত্তরঃ মনীষা মঞ্জুষা
ব্যাখ্যাঃ

‘মনীষা মঞ্জুষা’ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০৬-১৯৮২ খ্রি) রচিত এক সংকলন গ্রন্হ। দু খণ্ডের এ গ্রন্হের প্রথম খণ্ড ১৯৭৫ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। ‘আধুনিক ভাষাতত্ত্ব’ গবেষণা গ্রন্হটি রচনা করেন আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ। ‘বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ গ্রন্হটি সম্পাদনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। উল্লেখ্য ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত আরেকটি ভাষাতত্ত্ব হলো ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’।

ক. কাব্য
খ. নাটক
গ. উপন্যাস
ঘ. প্রবন্ধ
উত্তরঃ কাব্য
ব্যাখ্যাঃ
কাব্য সম্পর্কিত তথ্য:
রচয়িতা কাব্যগ্রন্থ
জসীমউদ্দীন
  • মা যে জননী কান্দে
  • নকশী কাঁথার মাঠ
  • ধানক্ষেত
  • রাখালী
  • বালুচর
  • মাটির কান্না

প্রশ্নঃ কোনটা ঠিক?

[ বিসিএস ২৪তম ]

ক. সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস)
খ. কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য)
গ. বহিপীর (নাটক)
ঘ. মহাশ্মশান (নাটক)
উত্তরঃ বহিপীর (নাটক)
ব্যাখ্যাঃ
রচয়িতা গ্রন্থের নাম ধরণ
জসীমউদ্দীন সোজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যগ্রন্থ
কায়কোবাদ মহাশ্মশান মহাকাব্য
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাস
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বহিপীর নাটক
ক. আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে
খ. ভবিষ্যতের বাঙালি
গ. উন্নত জীবন
ঘ. সভ্যতা
উত্তরঃ ভবিষ্যতের বাঙালি
ব্যাখ্যাঃ

বিশিষ্ট সাহিত্যিক এস. ওয়াজেদ আলী (১৮৯০-১৯৫১ খ্রি) রচিত ‘ভবিষ্যতের বাঙালী’ (১৯৪৩) একটি প্রবন্ধ গ্রন্হ। তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্হের মধ্যে রয়েছে ‍মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ (প্রবন্ধ), গুলদাস্তা (১৯২৭), প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩) ইত্যাদি।

ক. শওকত ওসমান
খ. জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত
গ. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ঘ. হাসান আজিজুল হক
উত্তরঃ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ব্যাখ্যাঃ

‘দুধেভাতে উৎপাত’ গল্পগ্রন্হটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩-১৯৯৭ খ্রি.) কর্তৃক রচিত। ১৯৮৫ সালে এটি প্রকাশিত হয়। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭), খোয়াবনামা (১৯৯৬) ইত্যাদি।

ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
গ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ঘ. মুহম্মদ এনামুল হক
উত্তরঃ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ

বিশিষ্ট লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম ‘সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমাণিকা’ ও ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’ (১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ ভাগ)। ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম ‘বাংলা ব্যাকরণ’। শিক্ষাবিদ ও গবেষক মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০৬-১৯৮২ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ মঞ্জরী'।

ক. ফররুখ আহমদ
খ. আহসান হাবীব
গ. শামসুর রাহমান
ঘ. হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তরঃ ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যাঃ

চল্লিশের দশকে আবির্ভূত শক্তিমান কবিদের অন্যতম ফররুখ আহমদের (১৯১৮-১৯৭৪ খ্রি.) প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘সিরাজাম মুনীরা’ (১৯৫২), ‘নৌফেল ও হাতেম’ (কাব্যনাট্য, ১৯৬১), ‘মুহূর্তের কবিতা’ (সনেট সংকলন, ১৯৬৩), ‘হাতেমতায়ী’ (কাহিনী কাব্য, ১৯৬৬) ইত্যাদি।

ক. মরুমায়া
খ. মরু ভাস্কর
গ. মরুতীর্থ
ঘ. মরু কুসুম
উত্তরঃ মরু ভাস্কর
ব্যাখ্যাঃ

হযরত মুহাম্মদ (সা) এর জীবনী নিয়ে লিখিত ‘মরু ভাঙ্কর’ (১৯৪১) গ্রন্থটি সাহিত্যিক ও সাংবাদিক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী (১৮৯৬-১৯৫৪ খ্রি.) রচনা করেন। অন্যদিকে 'মরুমায়া' (১৯৩০) কাব্যগ্রন্থটি কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত (১৮৮৭-১৯৫৪ খ্রি) রচনা করেন।

ক. মুহম্মদ আব্দুল হাই
খ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
গ. মুহম্মদ এনামুল হক
ঘ. আহমদ শরীফ
উত্তরঃ আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যাঃ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আহমদ শরীফ (১৯২১-১৯৯৯) ‘বাংলা একাডেমী সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’ সম্পাদনা করেন, যা ১৯৯২ সালের সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯ খ্রি.) সম্পাদনা করেন 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' (দুই খণ্ড) ।

ক. কবিতা
খ. কাব্য পরিক্রমা
গ. কয়েকটি কবিতা
ঘ. বাঙলার কাব্য
উত্তরঃ কয়েকটি কবিতা
ব্যাখ্যাঃ

নাগরিক কবি সমর সেন (১৯১৬-১৯৮৭ খ্রি.) রচিত ‘কয়েকটি কবিতা’ (১৯৩৭)। একটি কাব্যগ্রন্হ।

প্রশ্নঃ কোনটি নাটক?

[ বিসিএস ২১তম ]

ক. কর্তার ইচ্ছায় কর্ম
খ. গড্ডলিকা
গ. পল্লীসমাজ
ঘ. সাজাহান
উত্তরঃ সাজাহান
ব্যাখ্যাঃ
গ্রন্থ রচয়িতা গ্রন্থের ধরণ
গড্ডলিকা রাজশেখর বসু গল্পগ্রন্থ
পল্লীসমাজ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উপন্যাস
সাজাহান দ্বিজেন্দ্রলাল রায় নাটক
ক. উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী
খ. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
গ. সুকুমার রায়
ঘ. সত্যজিৎ রায়
উত্তরঃ সুকুমার রায়
ব্যাখ্যাঃ

সুকুমার রায়ের বিখ্যাত শিশুতোষ গ্রন্হ ‘আবোল-তাবোল’ এবং ‘হ-য-ব-র-ল’।

ক. নিরন্তন ঘণ্টা ধ্বনি
খ. নির্জন স্বাক্ষর
গ. নিরালোকে দিব্যরথ
ঘ. নির্বাণ
উত্তরঃ নিরালোকে দিব্যরথ
ব্যাখ্যাঃ

শামসুর রহমানের কাব্যগ্রন্হের মধ্যে- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (প্রথম কাব্যগ্রন্হ), রৌদ্র করোটিতে, বিধ্বস্ত নীলিমা, বন্দী শিবির থেকে, বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে, উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ, এক ফোঁটা কেমন অনল, বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়, নিরালোকে দিব্যরথ, না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন উল্লেখযোগ্য। অক্টোপাস, অদ্ভুত আঁধার এক, নিয়ত মন্তাজ এবং এলো সে অবেলায় তার রচিত উপন্যাস। স্মৃতির শহর এবং কালের ধূলোয় লেখা তার আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্হ।

ক. অশোক মিত্র
খ. দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
গ. নীরদচন্দ্র চৌধুরী
ঘ. অতুল সুর
উত্তরঃ নীরদচন্দ্র চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ

নীরদচন্দ্র চৌধুরী রচিত বাংলা প্রবন্ধ গ্রন্থের মধ্যে ‘বাঙালী জীবনে রমণী’, ‘আমার দেশ আমার শতক’, ‘আমার দেবোত্তর সম্পত্তি’, ‘আত্মঘাতী বাঙালি’ ও ‘আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ’ উল্লেখযোগ্য।

ক. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
খ. বিনয় ঘোষ
গ. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ঘ. রাধারমণ মিত্র
উত্তরঃ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ব্যাখ্যাঃ

‘সংস্কৃতির ভাঙা সেতু’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্হ। ‘চিলেকোঠার সেপাই’ ও ‘খোয়াবনামা’ তার বিখ্যাত উপন্যাস। তার রচিত গল্পগ্রন্থের মধ্যে ‘দুধেভাতে উৎপাত’, ‘অন্য ঘরে অন্য স্বর’, ‘খোঁয়ারি’, ‘দোজখের ওম’ উল্লেখযোগ্য।

ক. কবি ফেরদৌসী
খ. মওলানা রুমী
গ. কবি নিজামী
ঘ. কবি জামি
উত্তরঃ কবি ফেরদৌসী
ব্যাখ্যাঃ

পারস্য তথা ইরানের বিখ্যাত মহাকাব্য ‘শাহনামা’। মহাকবি ফেরদৌসী ৯৮০-১০১০ খ্রিষ্টাব্দে দীর্ঘ ৩০ বছর কঠোর পরিশ্রম করে ‘শাহনামা’ রচনা করেন। এর ভাষা ক্লাসিক ফারসি।

ক. এস ওয়াজেদ আলী
খ. এয়াকুব আলী চৌধুরী
গ. মোঃ লুৎফর রহমান
ঘ. মোঃ ওয়াজেদ আলী
উত্তরঃ মোঃ লুৎফর রহমান
ব্যাখ্যাঃ

চিন্তাশীল ও যুক্তিবাদী প্রাবন্ধিক ডাঃ লুৎফর রহমান রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্হ ‘মানবজীবন’, ‘মহৎজীবন’, ‘উন্নতজীবন’। এস ওয়াজেদ আলী রচিত গ্রন্হ ‘মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ’ ‘ভবিষ্যতের বাঙালি’। এয়াকুব আলী চৌধুরী রচিত গ্রন্হসমূহ ‘ধর্মের কাহিনী’, ‘শান্তিধারা’, ‘মানব মুকুট’। মো. ওয়াজেদ আলী রচিত গ্রন্হসমূহ ‘মরুভাস্কর’ ‘মহামানুষ মুহসীন’, ‘মণিচয়নিকা’।

ক. তালিম হোসেন
খ. ফররুখ আহমদ
গ. গোলাম মোস্তফা
ঘ. আবুল হোসেন
উত্তরঃ ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যাঃ

মুসলিম রেনেসাঁর কবি হিসেবে পরিচিত ফররুখ আহমেদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ ‘সাত সাগরের মাঝি’। তার অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে সিরাজাম মুনীরা, নৌফেল ও হাতেম, মুহূর্তের কবিতা (সনেট সংকলন), হাতেম তায়ী, কাফেলা উল্লেখযোগ্য। কবিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।

ক. হুমায়ুন আজাদ
খ. আহমদ শরীফ
গ. ওয়াকিল আহমদ
ঘ. আব্দুল মতিন খান
উত্তরঃ ওয়াকিল আহমদ
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়। প্রথাবিরোধী লেখক ড. আহমদ শরীফ ১৯৬৮ সালে এবং হুমায়ুন আজাদ ১৯৮৬ সালে এ পুরস্কার লাভ করেন। ২০২০ সালে প্রবন্ধকার হিসেবে বেগম আকতার কামাল বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করে।

ক. হাসান হাফিজুর রহমান
খ. আল-মাহমুদ
গ. হুমায়ুন আজাদ
ঘ. শক্তি চট্টোপাধ্যায়
উত্তরঃ আল-মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ

সোনালী কাবিন আল-মাহমুদ রচিত সনেট জাতীয় কাব্য যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।

ক. কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ
খ. মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন প্রমুখ
গ. মোহম্মদ আকরাম খাঁ, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রমুখ
ঘ. কাজী ইমদাদুল হক, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী প্রমুখ
উত্তরঃ কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ
ব্যাখ্যাঃ

বাঙালি মুসলমান সমাজে আড়ষ্ট বুদ্ধিকে মুক্ত করে জ্ঞানপিপাসা জাগিয়ে তোলার অভিপ্রায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও প্রবীণ ছাত্র ১৯২৬ সালের ১৭ জানুয়ারি এটি প্রতিষ্ঠা করেন। সাহিত্য সমাজের মূল ভাবযোগী ছিলেন ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের শিক্ষক কাজী আবদুল ওদুদ ও কর্মযোগী আবুল হুসেন। ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের বার্ষিক মুখপত্র ‘শিখা’র আপ্তবাক্য ছিল ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’।

ক. কালীপ্রসন্ন সিংহ
খ. কালীপ্রসন্ন ঘোষ
গ. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
ঘ. এস ওয়াজেদ আলী
উত্তরঃ কালীপ্রসন্ন ঘোষ
ব্যাখ্যাঃ

‘প্রভাত চিন্তা’ ‘নিভৃত চিন্তা’, ‘নিশীথ চিন্তা’ প্রভৃতি প্রবন্ধের রচয়িতা কালীপ্রসন্ন ঘোষ। কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ও কালীপ্রসন্ন সিংহের বিখ্যাত রচনা যথাক্রমে ‘সদ্ভাব শতক’ ও ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’। এস ওয়াজেদ আলীর রচনার মধ্যে গল্পগ্রন্হ- ‘গুলদাস্তা’ ও ‘মাশুকের দরবার’, প্রবন্ধগ্রন্হ- ‘প্রাচ্য ও প্রতীচ্য’ ও ‘ভবিষ্যতের বাঙালী’, উপন্যাস- ‘গ্রানাডার শেষ বীর’ এবং ভ্রমণকাহিনী- ‘মোটর যোগে রাঁচী সফর’ উল্লেখযোগ্য।

ক. আনোয়ার পাশা
খ. ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র
গ. কুচবরণের কন্যা
ঘ. সোনার শিকল
উত্তরঃ কুচবরণের কন্যা
ব্যাখ্যাঃ

ইব্রাহিম খাঁ রচিত গ্রন্থ: আনোয়ার পাশা (নাটক); ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র (ভ্রমণকাহিনী) এবং সোনার শিকল (গল্পগ্রন্থ); ‘কুচবরণের কন্যা’ বন্দে আলী মিয়া রচিত কাব্য গ্রন্থ।

ক. জিঞ্জির- কাজী নজরুল ইসলাম
খ. সাত সাগরের মাঝি – ফররুখ আহমদ
গ. দিলরুবা – আবদুল কাদির
ঘ. নূরনামা – আবদুল হাকিম
উত্তরঃ সাত সাগরের মাঝি – ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যাঃ

জিঞ্জির: বিদ্রোহের সুর; সাত সাগরের মাঝি: ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য; দিলরুবা: প্রেমপ্রধান; নূরনামা: বাংলা ভাষার গুণকীর্তন।

ক. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
খ. মোজাম্মেল হক
গ. এয়াকুব আলী চৌধুরী
ঘ. মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী
উত্তরঃ সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যাঃ
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর সাহিত্যকর্মঃ
কাব্য অনল প্রবাহ, স্পেনবিজয় কাব্য, উচ্ছ্বাস, উদ্বোধন
উপন্যাস তারাবাঈ, রায়নন্দিনী, ফিরোজা বেগম
ভ্রমণকাহিনী তুরস্ক ভ্রমণ
ক. প্রতিদান
খ. প্রত্যুপকার
গ. অকৃতজ্ঞতা
ঘ. অসহিষ্ণুতা
উত্তরঃ অকৃতজ্ঞতা
ব্যাখ্যাঃ

এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কণিকা’ কাব্যগ্রন্হের অন্তর্গত ‘ক্ষুদ্রের দম্ভ’ নামক ২ পঙ্‌ক্তির অণুকবিতা। এটিতে ক্ষুদ্রের দাম্ভিকতা বা অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে।

ক. মুহম্মদ আব্দুল হাই
খ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
গ. আবুল মনসুর আহমেদ
ঘ. আতাউর রহমান
উত্তরঃ আবুল মনসুর আহমেদ
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় গ্রন্থ
উপন্যাস সত্য মিথ্যা, আবে হায়াত, জীবনক্ষুধা
গল্পগ্রন্থ আয়না, ফুড কনফারেন্স, আসমানী পর্দা
রাজনীতি বিষয়ক গ্রন্থ আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর, শেরে বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু
শিশুসাহিত্য কাসাসুল আম্বিয়া, গালিভারের সফরনামা