আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 মৌর্য
 পাল
 গুপ্ত
 চন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ

নওগা জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর মহাবিহার প্রাচীন বাংলার ❝পাল রাজবংশের❞ শাসনামলে অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকের শুরুর দিকে স্থাপিত হয়।

 রোমান আইনের ভিত্তি
 স্থাপত্যের ১২টি নির্দেশনা
 ফুটবল খেলার নিয়মাবলি
 স্থানীয়/দেশি খেলা
ব্যাখ্যাঃ

‘বার বিধি’ (The Twelve Tables) ছিল প্রাচীন রোমান আইনের ভিত্তিস্তম্ভ। এটি ৪৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্রোঞ্জের বারোটি স্তম্ভে খোদাই করে রোমান ফোরামে জনসমক্ষে স্থাপন করা হয়েছিল।


‘বার বিধি’ প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য ছিল:

  • আইনের একত্রীকরণ ও সুস্পষ্টকরণ: এর আগে রোমান আইন মূলত ঐতিহ্য ও প্রথার উপর নির্ভরশীল ছিল এবং এর প্রয়োগে যথেষ্ট অস্পষ্টতা ও পক্ষপাতিত্বের সুযোগ ছিল। ‘বার বিধি’ আইনগুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোয় নিয়ে আসে।
  • সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা: প্লেবিয়ান (সাধারণ নাগরিক) শ্রেণী প্যাট্রিশিয়ানদের (অভিজাত শ্রেণী) স্বেচ্ছাচারী আইন প্রয়োগের বিরুদ্ধে দীর্ঘকাল ধরে সংগ্রাম করছিল। ‘বার বিধি’ প্রণয়নের মাধ্যমে আইনের একটি লিখিত রূপ দেওয়া হয়, যা সকলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়ার একটি ভিত্তি তৈরি করে।
  • আইনের জ্ঞান সকলের কাছে সহজলভ্য করা: জনসমক্ষে স্থাপন করার ফলে সাধারণ মানুষও আইন সম্পর্কে জানতে পারত এবং নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারত।
 ১৯৫৯
 ১৯৬০
 ১৯৬২
 ১৯৬৩
ব্যাখ্যাঃ

চীন-ভারত যুদ্ধ ১৯৬২ সালে সংঘটিত হয়।

এই যুদ্ধটি ২০ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত চলেছিল এবং এর মূল কারণ ছিল দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ।

 মিশর
 তিউনিশিয়া
 লিবিয়া
 সিরিয়া
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল তিউনিসিয়া

২০১০ সালের ডিসেম্বরে তিউনিসিয়ার এক ফল বিক্রেতা Mohamed Bouazizi-র আত্মাহুতির মাধ্যমে আরব বসন্তের সূচনা হয়। এরপর এই আন্দোলন দ্রুত অন্যান্য আরব দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।

 ২০১০
 ২০১২
 ২০১৪
 ২০১৬
ব্যাখ্যাঃ

২০১৪ সালে রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করে।

ইউক্রেনের এই উপদ্বীপটি ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং রুশ সৈন্যদের দ্বারা দখলের শিকার হয়। পরবর্তীতে, বিতর্কিত একটি গণভোটের মাধ্যমে রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিমিয়াকে তার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে নেয়, যদিও ইউক্রেন এবং বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এই অন্তর্ভুক্তিকে অবৈধ হিসেবে গণ্য করে।

 পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
 ভারত ও আফগানিস্তান
 পাকিস্তান ও ভারত
 আফগানিস্তান ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যাঃ

‘তাসখন্দ চুক্তি’ ভারতপাকিস্তান রাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।

এই চুক্তিটি ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি উজবেকিস্তানের তাসখন্দ শহরে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান স্বাক্ষর করেছিলেন। সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছিল।

 তুর্কমেন
 উইঘুর
 তাজিক
 কাজাখ
ব্যাখ্যাঃ

চীনের জিনজিয়াং (Xinjiang) প্রদেশে বসবাসকারী প্রধান মুসলিম গোষ্ঠীগুলো হলো:

  • উইঘুর (Uyghur): এটি জিনজিয়াং প্রদেশের বৃহত্তম মুসলিম গোষ্ঠী। তারা তুর্কি বংশোদ্ভূত এবং তাদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রয়েছে।
  • কাজাখ (Kazakh): উইঘুরদের পর এটি জিনজিয়াংয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম তুর্কিভাষী মুসলিম গোষ্ঠী।
  • হুই (Hui): যদিও চীনের অন্যান্য প্রদেশেও এদের দেখা যায়, জিনজিয়াংয়েও একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হুই মুসলিম বাস করে। তারা মূলত চীনাভাষী মুসলিম।

এছাড়াও জিনজিয়াংয়ে কিরগিজ (Kyrgyz) এবং তাজিক (Tajik) সহ আরও ছোট ছোট মুসলিম গোষ্ঠী বাস করে। তবে উইঘুর এবং কাজাখরাই এই প্রদেশের প্রধান মুসলিম জনগোষ্ঠী।

 ভার্সাই চুক্তি,১৯১৯
 ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি, ১৬৪৮
 প্রা্যারিস চুক্তি, ১৭৮৩
 লুজান চুক্তি,১৯২৩
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো খঃ ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি, ১৬৪৮

ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তির মাধ্যমে ১৬৪৮ সালে ইউরোপের "ত্রিশ বছরের যুদ্ধ"-এর সমাপ্তি ঘটে। এই চুক্তিটি দুটি প্রধান শান্তি চুক্তির সমষ্টি:

  • মুনস্টার চুক্তি (Treaty of Münster): এটি ফ্রান্স এবং পবিত্র রোমান সাম্রাজ্য ও তাদের মিত্রদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
  • ওসনাব্রুক চুক্তি (Treaty of Osnabrück): এটি সুইডেন এবং পবিত্র রোমান সাম্রাজ্য ও তাদের মিত্রদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।

এই চুক্তিগুলো ইউরোপের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ ছিল, যা আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করে এবং সার্বভৌমত্বের ধারণাকে স্বীকৃতি দেয়।

 ১৯৯৫ সালে ডেনমার্ক
 ১৯৮৪ সালে বেলজিয়াম
 ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গে
 ১৯৯৬ সালে হাঙ্গেরিতে
ব্যাখ্যাঃ

শেনজেন চুক্তি হলো একটি ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক চুক্তি যার মাধ্যমে ইউরোপে শেনজেন এলাকা তৈরি হয়েছে। এই এলাকাভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশে বাতিল করা হয়েছে। লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে ১৯৮৫ সালে এই প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কারণে এর নামকরণ করা হয়েছে। এটি ইউরোপের মধ্যে ভ্রমণ ও চলাচলের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে।

শেনজেন চুক্তির মূল নীতি:

  • অভ্যন্তরীণ সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ বাতিল: অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে সীমান্তগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি বাতিল করাই ছিল প্রধান লক্ষ্য, যাতে মানুষ অবাধে চলাচল করতে পারে।
  • বহিঃস্থ সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের সমন্বয়: অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ না থাকার কারণে, শেনজেন এলাকার বাইরের সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের জন্য অভিন্ন নিয়ম তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রবেশ ও প্রস্থানের নিয়ম, ভিসা নীতি এবং সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের মধ্যে সহযোগিতা।
  • অভিন্ন ভিসা নীতি: একটি অভিন্ন শেনজেন ভিসা ধারককে স্বল্প সময়ের জন্য (যেকোনো ১৮০ দিনের মধ্যে ৯০ দিন পর্যন্ত) শেনজেন এলাকার মধ্যে অবাধে ভ্রমণের অনুমতি দেয়।
  • পুলিশ ও বিচার বিভাগীয় সহযোগিতা: সদস্য দেশগুলোর আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং বিচার বিভাগীয় সংস্থাগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবেলার জন্য সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
  • শেনজেন তথ্য ব্যবস্থা (SIS): একটি বৃহৎ ডেটাবেস যা সদস্য দেশগুলোকে আইন প্রয়োগ এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যে ব্যক্তি ও পণ্য সম্পর্কিত তথ্য আদান-প্রদান করতে সহায়তা করে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:

  • প্রাথমিক চুক্তিটি ১৪ জুন, ১৯৮৫ সালে তৎকালীন ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায়ের (EEC) পাঁচটি সদস্য রাষ্ট্র দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়েছিল: বেলজিয়াম, ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস এবং পশ্চিম জার্মানি
  • ১৯৯০ সালে, শেনজেন কনভেনশন চুক্তিটিকে আরও বিস্তৃত করে, যেখানে নিয়মিত অভ্যন্তরীণ সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে বাতিল এবং একটি অভিন্ন ভিসা নীতির প্রস্তাব করা হয়। এই কনভেনশনটিই শেনজেন এলাকার মূল আইনি ভিত্তি।
  • শেনজেন চুক্তি এবং এর বাস্তবায়নকারী কনভেনশন ১৯৯৫ সালে কিছু প্রাথমিক স্বাক্ষরকারীর জন্য কার্যকর হয়।
  • ১৯৯৭ সালের আমস্টারডাম চুক্তি শেনজেন অ্যাকুই (শেনজেন আইনের সমষ্টি) কে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইনের কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসে।

গুরুত্ব:

  • অবাধ চলাচল: শেনজেন চুক্তি অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর নাগরিক ও বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটকদের পাসপোর্ট পরীক্ষা ছাড়াই অভ্যন্তরীণ সীমান্ত অতিক্রম করা অনেক সহজ করে তুলেছে।
  • অর্থনৈতিক একত্রীকরণ: মানুষ, পণ্য ও পরিষেবার অবাধ চলাচলকে সহজ করে তোলার মাধ্যমে শেনজেন এলাকা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক একত্রীকরণে অবদান রেখেছে।
  • পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়: ভ্রমণের সহজতা পর্যটন বৃদ্ধি করেছে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানকে উৎসাহিত করেছে।
  • নিরাপত্তা সহযোগিতা: তথ্য আদান-প্রদান এবং যৌথ আইন প্রয়োগের প্রচেষ্টার মাধ্যমে অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় সহযোগিতা বৃদ্ধি করেছে।

সদস্য দেশ:

শেনজেন এলাকা সময়ের সাথে সাথে প্রসারিত হয়েছে এবং বর্তমানে ২৯টি ইউরোপীয় দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

  • ইইউ সদস্য রাষ্ট্র (২৫): অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, চেকিয়া, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, সুইডেন।
  • নন-ইইউ সদস্য রাষ্ট্র (৪): আইসল্যান্ড, লিচেনস্টেইন, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড (এই দেশগুলো সহযোগী চুক্তির মাধ্যমে অংশগ্রহণ করে)।
 ক্যামেরুন এবং ইথিওপিয়া
 পেরু এবং ভেনেজুয়েলা
 ইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়া
 মালি ও সেনেগাল
ব্যাখ্যাঃ

২০১৯ সালে ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলীকে ইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়া হয়।

 রাশিয়া
 ডেনমার্ক
 সুইডেন
 ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ

ফিনল্যান্ড দীর্ঘকাল ধরে দুটি ভিন্ন দেশের অধীনে ছিল। প্রায় ৭০০ বছর ধরে এটি সুইডেনের অংশ ছিল। এরপর ১৮০৯ সালে ফিনল্যান্ড রাশিয়ার অধীনে আসে এবং ১৯১৭ সালে রুশ বিপ্লবের পর একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তাই, ঐতিহাসিকভাবে ফিনল্যান্ড সুইডেন এবং রাশিয়ার উপনিবেশের মতো ছিল বলা যায়।

 জিব্রাল্টার প্রণালী
 বসফরাস প্রণালী
 বাবেল মান্দেব প্রণালী
 বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যাঃ

এশিয়াকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে লোহিত সাগর এবং সুয়েজ খাল। এছাড়াও, বাব এল মান্দেব প্রণালী এই দুটি মহাদেশকে পৃথক করেছে এবং একইসাথে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করেছে।

 তাজাকিস্তান
 আজারবাইজান
 পর্তুগাল
 বেলারুশ
ব্যাখ্যাঃ

মিনস্ক (Minsk) হলো বেলারুশ দেশের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। এটি পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত এবং বেলারুশের প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

 আন্তর্জাতিক অভিবাসন নীতি
 নয়া উদারতাবাদী অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়ন
 অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
 আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ দমন
ব্যাখ্যাঃ

বিখ্যাত ‘ওয়াশিংটন কনসেনসাস’ (Washington Consensus) মূলত উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক নীতি সংস্কার বিষয়ের সঙ্গে জড়িত।

এটি ১৯৮৯ সালে অর্থনীতিবিদ জন উইলিয়ামসন কর্তৃক প্রস্তাবিত একগুচ্ছ অর্থনৈতিক নীতি নির্দেশিকা, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF), বিশ্ব ব্যাংক (World Bank) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের (U.S. Treasury Department) মতো ওয়াশিংটন-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো কর্তৃক উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা এবং প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল।

এই নীতিগুলোর মধ্যে প্রধানত যা যা অন্তর্ভুক্ত ছিল:

  • আর্থিক শৃঙ্খলা (Fiscal Discipline): সরকারি বাজেট ঘাটতি কমানো।
  • ব্যয়ের দিক পরিবর্তন (Redirection of Public Expenditure): ভর্তুকি কমানো এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোতে ব্যয় বৃদ্ধি।
  • কর সংস্কার (Tax Reform): করের ভিত্তি সম্প্রসারণ এবং প্রান্তিক করের হার হ্রাস।
  • সুদের হারের উদারীকরণ (Interest Rate Liberalization): বাজারভিত্তিক সুদের হার নির্ধারণ।
  • প্রতিযোগিতামূলক বিনিময় হার (Competitive Exchange Rates): মুদ্রার অবমূল্যায়ন করে রপ্তানি বৃদ্ধি।
  • বাণিজ্য উদারীকরণ (Trade Liberalization): আমদানি শুল্ক ও কোটা হ্রাস।
  • প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের উদারীকরণ (Liberalization of Foreign Direct Investment): বিদেশি বিনিয়োগের উপর বিধিনিষেধ কমানো।
  • রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এন্টারপ্রাইজের বেসরকারীকরণ (Privatization of State Enterprises): রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বেসরকারি খাতে হস্তান্তর।
  • নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ (Deregulation): বাজারের প্রবেশাধিকার এবং মূল্য নির্ধারণের উপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ হ্রাস।
  • সম্পত্তির অধিকার সুরক্ষা (Secure Property Rights): সম্পত্তির অধিকারের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

সংক্ষেপে, ওয়াশিংটন কনসেনসাস মুক্তবাজার অর্থনীতি, বেসরকারীকরণ এবং আর্থিক কঠোরতাকে উন্নয়নের মূলমন্ত্র হিসেবে তুলে ধরেছিল।

 ১৯৩৩
 ১৯৩৪
 ১৯৩১
 ১৯৩২
ব্যাখ্যাঃ

অ্যাডলফ হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর নিযুক্ত হয়েছিলেন ১৯৩৩ সালের ৩০ জানুয়ারি

তৎকালীন জার্মান প্রেসিডেন্ট পল ফন হিডেনবার্গ (Paul von Hindenburg) তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন। এই ঘটনাটি জার্মানির ইতিহাসে এবং বিশ্ব ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছিল, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং হলোকাস্টের পথ খুলে দিয়েছিল।

 ১৯৬২ সনে
 ১৯৮৬ সনে
 ১৯৭৮ সনে
 ১৯৮২ সনে
ব্যাখ্যাঃ

মায়ানমারে রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিকত্ব হারায় ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন দ্বারা।

এই আইনটি বর্মিজ নাগরিকত্বের জন্য কঠোর শর্ত আরোপ করে এবং ১৩৫টি "জাতীয় জাতিসত্তা" (National Races) তালিকাভুক্ত করে। রোহিঙ্গারা এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল না, যার ফলস্বরূপ তারা রাষ্ট্রবিহীন জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয় এবং তাদের নাগরিক অধিকার, যেমন - চলাচলের স্বাধীনতা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। এটিই রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও নির্যাতনের মূল ভিত্তি স্থাপন করে।

 কার্ল মার্কস
 ফ্রেডরিক এঙ্গেলস
 ভি. আই. লেনিন
 মাও সে তুং
ব্যাখ্যাঃ

অক্টোবর বিপ্লব ছিল ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ২১ শতকের বিশ্ব ইতিহাসকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। এটি কেবল রাশিয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোকেই পাল্টে দেয়নি, বরং বিশ্বজুড়ে সমাজতান্ত্রিক ও কমিউনিস্ট আন্দোলনের জন্ম ও বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

পটভূমি: ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ায় জারতন্ত্রের পতন ঘটে এবং একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসে। তবে এই সরকার প্রথম বিশ্বযুদ্ধে রাশিয়ার অংশগ্রহণ বন্ধ করতে ব্যর্থ হয় এবং ভূমি সংস্কারের মতো মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানেও অনীহা দেখায়। এর ফলে শ্রমিক, কৃষক ও সৈন্যদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বাড়তে থাকে। এসময় ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি 'শান্তি, ভূমি, ও রুটি' (Peace, Land, and Bread) স্লোগান নিয়ে জনগণের সমর্থন আদায় করতে থাকে।

বিপ্লবের ঘটনাপ্রবাহ:

  • তারিখ: ঐতিহ্যগতভাবে 'অক্টোবর বিপ্লব' বলা হলেও, এটি জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৫ অক্টোবর ১৯১৭ তারিখে (গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৭ নভেম্বর ১৯১৭) সংঘটিত হয়।
  • নেতৃত্ব: বলশেভিক পার্টির নেতা ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন এবং লিওন ট্রটস্কি (Leon Trotsky) এই বিপ্লবের মূল সংগঠক ও নেতা ছিলেন।
  • কেন্দ্র: বিপ্লবের কেন্দ্র ছিল তৎকালীন রাশিয়ার রাজধানী পেত্রোগ্রাদ (Petrograd), যা বর্তমানে সেন্ট পিটার্সবার্গ নামে পরিচিত।
  • কার্যক্রম: বলশেভিকরা পেত্রোগ্রাদের প্রধান প্রধান সরকারি ভবন, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, রেলওয়ে স্টেশন এবং শীতকালীন প্রাসাদ (Winter Palace) দখল করে নেয়, যা ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদর দপ্তর। এই সামরিক ক্ষমতা দখলের প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে রক্তপাতহীন ছিল।
  • স্লোগান: 'সকল ক্ষমতা সোভিয়েতদের হাতে' (All Power to the Soviets) ছিল বিপ্লবের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্লোগান, যা শ্রমিক, কৃষক ও সৈন্যদের সোভিয়েত (পরিষদ)গুলোর ক্ষমতাকে সমর্থন করত।

ফলাফল ও প্রভাব:

  • অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পতন: অক্টোবর বিপ্লবের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পতন ঘটে এবং বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে।
  • সোভিয়েত রাশিয়ার প্রতিষ্ঠা: বলশেভিকরা একটি নতুন সরকার গঠন করে, যার নাম ছিল 'সোভিয়েত গণপ্রজাতন্ত্রী রাশিয়া'। এটি ছিল বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
  • ভূমি সংস্কার: জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত করে ভূমি কৃষকদের মধ্যে বন্টন করা হয়।
  • যুদ্ধ থেকে প্রত্যাহার: রাশিয়া প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয় (ব্রেস্ট-লিটভস্ক চুক্তি)।
  • কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক: বিপ্লবের পর বলশেভিকরা 'কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল' বা কমিন্টার্ন প্রতিষ্ঠা করে, যার লক্ষ্য ছিল বিশ্বজুড়ে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবকে উৎসাহিত করা।
  • গৃহযুদ্ধ: বিপ্লবের পর রাশিয়ায় বলশেভিকদের (রেড আর্মি) এবং তাদের বিরোধীদের (হোয়াইট আর্মি) মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা ১৯২২ সাল পর্যন্ত চলে।
  • সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠন: ১৯২২ সালে গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর, বিভিন্ন প্রজাতন্ত্রকে একত্রিত করে সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের ইউনিয়ন (USSR) বা সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
  • বিশ্বব্যাপী প্রভাব: অক্টোবর বিপ্লব বিশ্বজুড়ে সমাজতান্ত্রিক ও কমিউনিস্ট আন্দোলনের জন্ম দেয়। এটি উপনিবেশবিরোধী আন্দোলনকেও প্রভাবিত করে এবং বিংশ শতাব্দীর ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণকে গভীরভাবে পরিবর্তন করে দেয়। স্নায়ুযুদ্ধের একটি মূল কারণ ছিল এই বিপ্লবের আদর্শগত প্রভাব।

অক্টোবর বিপ্লব আধুনিক বিশ্বের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়, যার দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব আজও আলোচনার বিষয়।

 থমাস হবসন, হুগো, গ্রোসিয়াস ও জন লক এর লেখনী থেকে
 ম্যাগনা কার্টা থেকে
 গ্রিক, খৃষ্টান ও মধ্যযুগীয় ধর্মতত্ত্ব থেকে
 কনফুসিয়ানিজম থেকে
ব্যাখ্যাঃ

ব্রিটিশ দার্শনিক ও রাষ্ট্র চিন্তাবিদ টমাস হবস ও জন লক এবং ডাচ আইনজ্ঞ হুগো গ্রোসিয়াসের লেখা থেকে প্রাকৃতিক আইনের উদ্ভব হয়। ১২১৫ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ডের রাজা জন কর্তৃক ঘোষিত জনগণের জন্য রাজনৈতিক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা সংক্রান্ত সনদ হলো ম্যাগনাকার্টা। গ্রিক, খ্রিস্টান ও মধ্যযুগীয় ধর্মতত্ত্ব ছিল প্যাপাসি বা পোপতান্ত্রিক। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকের চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসের সৃষ্ট কুনফুসিয়াসবাদের মূল শিক্ষাই ছিল সুবিধাভোগী শ্রেণির আধিপত্য কায়েম করা এবং ঈশ্বরের ইচ্ছার জয়গান করা।

 তুর্কমেন
 উইঘুর
 তাজিক
 কাজাখ
ব্যাখ্যাঃ

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী প্রধান মুসলিম সম্প্রদায়ের নাম হলো উইঘুর (Uyghur)

উইঘুররা মূলত তুর্কি বংশোদ্ভূত একটি জাতিগোষ্ঠী, যারা উইঘুর ভাষায় কথা বলে এবং প্রধানত সুন্নি ইসলাম ধর্মাবলম্বী। জিনজিয়াং প্রদেশকে তারা 'পূর্ব তুর্কিস্তান' নামেও অভিহিত করে থাকে। এই অঞ্চলের উইঘুর মুসলিমদের ওপর চীন সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচিত।

 ইতালি
 ইংল্যান্ড
 ফ্রান্স
 রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ

সামন্তবাদ (Feudalism) প্রথম ফ্রান্সে সূত্রপাত হয়।

সামন্তবাদ একটি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছিল যা মধ্যযুগের ইউরোপে, বিশেষ করে নবম থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত প্রচলিত ছিল। এটি মূলত সামরিক সেবার বিনিময়ে ভূমির (ফিফ) বিনিময়ের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল।

যদিও সামন্তবাদ ইউরোপের অনেক অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছিল, তবে এর মূল কাঠামো এবং ব্যাপক প্রয়োগ প্রথমদিকে ফ্রাঙ্কিশ সাম্রাজ্যে (যা বর্তমান ফ্রান্সের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল) অষ্টম ও নবম শতাব্দীতে শুরু হয়েছিল। ক্যারোলিংগিয়ান সাম্রাজ্যের পতনের পর স্থানীয় সামরিক নেতারা নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য এবং ভূমি রক্ষা করার জন্য এই ব্যবস্থার আশ্রয় নেয়। ফলে, সামন্তবাদের ধারণা ও কাঠামো প্রথম ফ্রান্সে বিকশিত হয়ে পরে ইউরোপের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

 জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেন, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র
 ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন
 যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেন, ব্রাজিল, চীন, নাইজেরিয়া
 উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, ভারত, ইসরাইল, চীন
ব্যাখ্যাঃ

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ রয়েছে। এই দেশগুলো হলো:

  • গণচীন (People's Republic of China)
  • ফ্রান্স (France)
  • রাশিয়া (Russia) - (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন)
  • যুক্তরাজ্য (United Kingdom)
  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (United States of America)

এই দেশগুলোর প্রতিটি নিরাপত্তা পরিষদের যেকোনো প্রস্তাবে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, যার অর্থ হলো তারা কোনো প্রস্তাবকে বাতিল করে দিতে পারে, এমনকি যদি অন্য সব সদস্য দেশ তাতে সম্মত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই দেশগুলোই প্রধান মিত্রশক্তি ছিল এবং জাতিসংঘ সনদের মাধ্যমে তাদের এই স্থায়ী সদস্যপদ ও বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়।

 ১৯০৩
 ১৮৬৯
 ১৮৮৯
 ১৮৫৪
ব্যাখ্যাঃ

সুয়েজ খাল (Suez Canal) হলো মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল। এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে। এই খালটি আফ্রিকা মহাদেশকে পরিভ্রমণ না করেই ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সরাসরি জাহাজ চলাচলের পথ তৈরি করেছে, যা বিশ্ব বাণিজ্যে এর গুরুত্ব অপরিসীম।

ভৌগোলিক অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য:

  • অবস্থান: মিশর। এটি সিনাই উপদ্বীপ থেকে মিশরের মূল ভূখণ্ডকে পৃথক করেছে।
  • সংযোগ: ভূমধ্যসাগরের পোর্ট সাইদকে লোহিত সাগরের সুয়েজ উপসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
  • দৈর্ঘ্য: বর্তমানে প্রায় ১৯৩.৩০ কিলোমিটার (১২০ মাইল)।
  • প্রশস্ততা ও গভীরতা: আধুনিক ও বড় জাহাজ চলাচলের সুবিধার্থে এটি নিয়মিত গভীর ও প্রশস্ত করা হয়েছে। ২০১৫ সালে এর সমান্তরালে একটি 'দ্বিতীয় লেন' খনন করা হয়, যা জাহাজগুলোর অপেক্ষার সময় কমিয়ে এনেছে।

ইতিহাস:

  • খনন কাজ শুরু: ১৮৫৯ সালের ২৫ এপ্রিল ফরাসি কূটনীতিক ফার্দিনান্দ দে লেসেপসের উদ্যোগে সুয়েজ খাল খনন কাজ শুরু হয়।
  • উদ্বোধন: দশ বছর ধরে খননের পর ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর এটি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
  • জাতীয়করণ: ১৯৫৬ সালে মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করেন, যা সুয়েজ সংকট নামে পরিচিত একটি আন্তর্জাতিক বিতর্কের জন্ম দেয়।

অর্থনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্ব:

  • বৈশ্বিক বাণিজ্যের ধমনী: সুয়েজ খালকে প্রায়শই বিশ্ব অর্থনীতির ধমনী হিসেবে অভিহিত করা হয়, কারণ বিশ্ব বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশ (প্রায় ১২-১৫%) এই খাল দিয়ে পরিচালিত হয়। বিশেষ করে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে পণ্য পরিবহনে এটি অপরিহার্য।
  • দূরত্ব ও সময় সাশ্রয়: এই খালের কারণে জাহাজগুলোকে আফ্রিকার কেপ অফ গুড হোপ (উত্তমাশা অন্তরীপ) ঘুরে যেতে হয় না, ফলে ভ্রমণের সময় ও দূরত্ব অনেক কমে যায়, যা জ্বালানি ও খরচ সাশ্রয় করে।
  • মিশরের অর্থনীতি: সুয়েজ খাল মিশরের জন্য রাজস্ব আয়ের একটি প্রধান উৎস। প্রতি বছর এই খাল থেকে মিশর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করে।

সামুদ্রিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সুয়েজ খাল একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এর গুরুত্ব বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতিতে অপরিসীম।

 ৯
 ১২
 ১৩
 ১৪
ব্যাখ্যাঃ

প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসনের ১৪ দফা (Fourteen Points) ঘোষণার ১৪ নম্বর দফায় জাতিপুঞ্জ (League of Nations) সৃষ্টির কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া এক ভাষণে উইলসনের এই ১৪ দফা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার একটি নীলনকশা হিসেবে উপস্থাপিত হয়। এই ১৪ নম্বর দফায় বলা হয়েছিল, "A general association of nations must be formed under specific covenants for the purpose of affording mutual guarantees of political independence and territorial integrity to great and small states alike." অর্থাৎ, ছোট-বড় সকল রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার পারস্পরিক নিশ্চয়তা প্রদানের লক্ষ্যে একটি সাধারণ জাতিসংঘ গঠন করতে হবে।

এই ১৪ নম্বর দফাই প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তরকালে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) গঠনের মূল ভিত্তি ছিল।

 ২
 ৩
 ৪
 ৫
ব্যাখ্যাঃ

১৭৮৩ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যেগুলো ছিল ঐ সময়কার বিশ্ব রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

চারটি চুক্তি হলো:

  1. গ্রেট ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র – এটি মূলত Treaty of Paris (1783) নামে পরিচিত, যা আমেরিকার স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
  2. গ্রেট ব্রিটেন ও ফ্রান্স – ফ্রান্সের অংশগ্রহণের পরিণতি নির্ধারণ করে।
  3. গ্রেট ব্রিটেন ও স্পেন – স্পেনের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
  4. গ্রেট ব্রিটেন ও ডাচ প্রজাতন্ত্র – অর্থনৈতিক ও ঔপনিবেশিক বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।

উপসংহার: ভার্সাইতে ১৭৮৩ সালে মোট চারটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যেগুলোর একটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকৃতির চুক্তি

এই চারটি চুক্তি সম্মিলিতভাবে "Treaties of Versailles (1783)" নামে পরিচিত, এবং এর অন্তর্গত "Treaty of Paris" সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ইতিহাসে বিবেচিত হয়।

 বিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয়
 জিব্রালটার প্রণালীর সুরক্ষা
 জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
 যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান
ব্যাখ্যাঃ

ইয়াল্টা সম্মেলন (Yalta Conference) ১৯৪৫ সালের ৪ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইয়াল্টায় (ক্রিমিয়া) অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে মিত্রশক্তির তিন প্রধান নেতা—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এবং সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্তালিন—এই সম্মেলনে মিলিত হয়েছিলেন।

ইয়াল্টা সম্মেলনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল:

  • যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের পুনর্গঠন এবং যুদ্ধের পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থা নির্ধারণ করা।
  • জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা এবং এর কাঠামো নিয়ে আলোচনা করা। বিশেষ করে, জাতিপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ এবং ভেটো ক্ষমতা নিয়ে এখানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
  • জার্মানির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ: জার্মানিকে কীভাবে বিভক্ত ও দখল করা হবে, নিরস্ত্রীকরণ ও নাৎসিবাদের অবসান ঘটানো এবং জার্মানির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
  • পোল্যান্ডের ভবিষ্যৎ: পোল্যান্ডের সীমান্ত এবং সেখানে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।
  • সোভিয়েত ইউনিয়নের জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগদান: স্তালিন জার্মানির আত্মসমর্পণের পর জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

সুতরাং, সংক্ষেপে বলতে গেলে, ইয়াল্টা সম্মেলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধোত্তর ইউরোপের পুনর্গঠন ও শান্তি প্রক্রিয়া নির্ধারণ

 অতীশ দিপঙ্কর
 শিলভদ্র
 মা হুয়ান
 মেগাস্থিনিস
ব্যাখ্যাঃ

চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ (Xuanzang)-এর প্রধান দীক্ষাগুরু ছিলেন শীলভদ্র (Shilabhadra)

শীলভদ্র ছিলেন তৎকালীন ভারতের বিখ্যাত নালন্দা মহাবিহারের (নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যক্ষ এবং একজন অত্যন্ত প্রখ্যাত বৌদ্ধ পণ্ডিত। হিউয়েন সাঙ নালন্দায় অবস্থানকালে তাঁর কাছেই বৌদ্ধধর্মের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন।

 আনন্দ বিহার
 নালন্দা বিহার
 গোসিপো বিহার
 সোমপুর বিহার
ব্যাখ্যাঃ

মহাস্থবির শীলভদ্র ছিলেন প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র নালন্দা মহাবিহারের আচার্য (অধ্যক্ষ)। তিনি বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ-এরও দীক্ষাগুরু ছিলেন।

 চীন
 সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
 হাঙ্গেরি
 পোল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ

‘গ্লাসনস্ত নীতি’ সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে চালু হয়েছিল।

এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে প্রবর্তন করেন। 'গ্লাসনস্ত' একটি রুশ শব্দ, যার অর্থ হলো খোলামেলা ভাব বা উন্মুক্ততা। এই নীতির উদ্দেশ্য ছিল সরকারে স্বচ্ছতা আনা এবং জনগণের বাকস্বাধীনতা বৃদ্ধি করা, যাতে তারা রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করতে পারে। এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং স্নায়ুযুদ্ধের অবসানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

২৯. ‘উইঘুর’ হলো-

[ বিসিএস ৩৫তম ]

 চীনের একটি খাবারের নাম
 চীনের একটি ধর্মীয় স্থানের নাম
 চীনের একটি শহরের নাম
 চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম
ব্যাখ্যাঃ

‘উইঘুর’ হলো চীনের একটি জাতিগোষ্ঠী

এরা প্রধানত চীনের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের স্বায়ত্তশাসিত উইঘুর প্রদেশ (শিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল)-এর বাসিন্দা। উইঘুররা মূলত তুর্কি বংশোদ্ভূত এবং সুন্নি মুসলিম ধর্মাবলম্বী। তাদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রয়েছে, যা চীনা হান সংস্কৃতি থেকে ভিন্ন।

 রোমান সম্রাট হিসেবে
 বর্ণবাদ বিরোধী হিসেবে
 ব্রিটেনের রাজা হিসেবে
 আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে
ব্যাখ্যাঃ

জুলিয়াস সিজার একজন বিখ্যাত রোমান সম্রাট ছিলেন।

জুলিয়াস সিজার: একজন রোমান সেনাপতি ও রাজনীতিবিদ

জুলিয়াস সিজার (Julius Caesar) ছিলেন একজন অসাধারণ রোমান সেনাপতি, রাজনীতিবিদ এবং বক্তা। তিনি রোমান প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের একজন ছিলেন। তার সামরিক বিজয়গুলো রোমান সাম্রাজ্যের বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৪৪ অব্দে রোমান প্রজাতন্ত্রের একচ্ছত্র শাসক বা ডিক্টেটর হিসেবে ক্ষমতা লাভ করেন।

রোমান সম্রাট ও জুলিয়াস সিজার

তবে তিনি প্রযুক্তিগতভাবে প্রথম রোমান সম্রাট ছিলেন না। রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট হিসেবে তার দত্তক পুত্র অগাস্টাস সিজার (Octavian) পরিচিত। জুলিয়াস সিজারের মৃত্যুর পর তার রাজনৈতিক সংস্কার এবং সামরিক বিজয়গুলোই মূলত রোমান প্রজাতন্ত্রকে রোমান সাম্রাজ্যে রূপান্তরের পথ তৈরি করে দিয়েছিল।

 ১৭৮৯
 ১৭৯১
 ১৭৯৫
 ১৮০০
ব্যাখ্যাঃ

১৭৭৮ থেকে ১৭৮৯ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের নানা উত্তাল ঘটনাধারা ‘ফরাসি বিপ্লব’ নামে ইতিহাস প্রসিদ্ধ হয়ে আছে। ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ ও দখলের মাধ্যমে জনগণের বিপ্লবী অভ্যুত্থান জয়যুক্ত হয় এবং আজও এই তারিখটি বিশ্বব্যাপী ফরাসি বিপ্লবের দিন হিসেবে পালিত হয়।

 জার্মানি
 ফ্রান্স
 যুক্তরাজ্য
 রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ

সমাজতন্ত্রের প্রবর্তক কার্ল মার্কস ১৮৮৩ সালে যুক্তরাজ্যে মৃত্যুবরণ করে। তিনি ১৮১৮ সালে জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেন। ‘ডাস ক্যাপিটাল’ তার রচিত কালজয়ী গ্রন্থ।

 ইরাক
 ইরান
 সৌদি আরব
 আলজেরিয়া
ব্যাখ্যাঃ

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া। ১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর Palestine Liberation Organization আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সের এক অধিবেশনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ঘোষণা দেয়।

 ৩০০ বছর
 ৩৩৫ বছর
 ৩৪২ বছর
 ৫০০ বছর
ব্যাখ্যাঃ

আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে সম্পদশালী দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৪২ বছর শ্বেতাঙ্গ শাসনে ছিল। ১৯৯২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ নীতিকে সরকারিভাবে বিলোপ করা হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক (F.W.De Klerk)।

 ওয়াটার লু নামক স্থানে
 দ্বীপ এনাবার্তে
 ভার্সাই নগরীতে
 সেন্ট হেলেনা দ্বীপে
ব্যাখ্যাঃ

সম্রাট নেপোলিয়ন ১৮১৫ সালে ওয়াটার লু যুদ্ধে ইংরেজ সেনাপতি লর্ড ওয়েলিংটনের নেতৃত্বে সম্মিলিত বাহিনীর নিকট পরাজিত হয়ে আত্মসমর্পণ করেন। মিত্রবাহিনী তাকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেয় এবং সেখানে তিনি ১৮২১ সালে মারা যান।

৩৬. বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?

[ বিসিএস ২৪তম | প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৩-০৪-২০১৩ ]

 গ্রিসে
 মেসোপটেমিয়ায়
 রোমে
 ভারতে
ব্যাখ্যাঃ

খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস (বর্তমান দজলা ও ফোরাত) নদীর তীরে বর্তমান সময়ের ইরাক, সিরিয়া, তুরস্ক ও ইরানে গড়ে ওঠা সভ্যতাকে মেসোপটেমীয় সভ্যতা নামে অভিহিত করা হয়। মেসোপটেমীয় সভ্যতার চারটি পর্যায় ছিল। এগুলো হলো সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাশিরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা। গ্রিসে গড়ে ওঠে গ্রিক সভ্যতা ও রোমে গড়ে ওঠে রোমান সভ্যতা এবং ভারতে সিন্ধু সভ্যতা।

 ১৯৪৮ সালে
 ১৯৬০ সালে
 ১৯৬৭ সালে
 ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যাঃ

১৯৬৭ সালে তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল প্রতিপক্ষ- মিশর, সিরিয়া ও জর্ডানসহ আরব বিশ্বকে পরাজিত করে গাজা, সিনাই উপদ্বীপ, পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে রাখে।

 নাইজেরিয়া
 কঙ্গো
 আবিসিনিয়া
 ঘানা
ব্যাখ্যাঃ

কোয়ামে নক্রুমা ঘানার জাতীয়তাবাদী নেতা, প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট এবং উপনিবেশবাদ ও নব্য উপনিবেশবাদের কট্টর বিরোধী ব্যক্তিত্ব।

 ১৮১৯ সালে
 ১৮২৯ সালে
 ১৮৩৯ সালে
 ১৮৪৯ সালে
ব্যাখ্যাঃ

সতীদাহ প্রথা হলো সহমরণ বিষয়ক সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এক বিশেষ প্রথা। স্বামীর মৃত্যু হলে স্বামীর চিতায় স্ত্রীকে জীবন্ত দাহ করা হতো। রাজা রামমোহন রায়ের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে ১৮২৯ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ‘সতীদাহ প্রথা’ রহিত করেন।

 সালজার
 ফ্রাঙ্কো
 হিটলার
 মুসোলিনী
ব্যাখ্যাঃ

‘যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন’ -এই উক্তিটি অ্যাডলফ হিটলারের। তিনি ছিলেন একজন অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ, যিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। হিটলার ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর এবং ১৯৩৪ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত সে দেশের ফিউরার ছিলেন।

 জর্জ ওয়াশিংটন
 আব্রাহাম লিংকন
 রুজভেল্ট
 কেনেডি
ব্যাখ্যাঃ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রহাম লিংকন ১৮৬৩ সালে ক্রীতদাস প্রথা বিলুপ্ত করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ১৬তম প্রেসিডেন্ট এবং দাস প্রথার চরম বিরোধী। ১৮৬৩ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাস প্রথাকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় তিনি উত্তরাঞ্চলীয় ইউনিয়ন বাহিনীর নেতৃত্ব দেন এবং দক্ষিণের কনফেভারেট জোটকে পরাজিত করেন।

 যুক্তরাজ্য
 ফ্রান্স
 জাপান
 জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ

নিউইয়র্কের হাডসন নদীর তীরে অবস্থিত স্ট্যাচু অব লিবার্টি যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রতীক এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভাস্কর্য। এটি যুক্তরাষ্ট্রকে উপহার হিসেবে প্রদান করে ফ্রান্স। মূর্তিটি ১৮৮৪ সালে প্যারিসে তৈরি সম্পন্ন হয় এবং ১৮৮৫ সালে খণ্ড খণ্ড করে আমেরিকায় পাঠানো হয়। এর উচ্চতা একটি ২২ তলা বিল্ডিং-এর সমান।

 ১৯৪৬ সালে
 ১৯৪৮ সালে
 ১৯৬১ সালে
 ১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যাঃ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ১৯৪৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই জার্মানির প্রকাশ ঘটে। ১৯৬১ সালে দুই জার্মানিকে বিভক্তকারী দেয়াল নির্মাণ করা হয়। সাবেক সোভিয়েত সরকারের আর্থিক সহায়তায় পূর্ব জার্মানি সরকার এ দেয়াল নির্মাণ করে। এর উচ্চতা ছিল ১০ ফুট। দুই জার্মানির একত্রীকরণের পদক্ষেপ হিসেবে ১৯৮৯ সালে এ দেয়াল ভেঙে ফেলা হয়।

 ২ অক্টোবর (সকালে)
 ২ অক্টোবর (মাঝরাতে)
 ১ অক্টোবর (দুপুরে)
 ৩ অক্টোবর (মাঝরাতে)
ব্যাখ্যাঃ

দ্বিতীয় ব্শ্বিযুদ্ধের পর জার্মানি বিভক্ত হয়ে যায়। ১৯৫৪ সালে পূর্ব জার্মানি সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত হয়। স্নায়ুযুদ্ধের শেষে ১৯৮৯ সালে দুই জার্মানিকে বিভক্তকারী দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হয় এবং ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর মাঝরাতে দুই জার্মানি একত্রিত হয়।

 ‘ওয়ারশ’ জোট ভেঙ্গে দেয়ার প্রকল্প সম্পন্ন করা
 রুমানিয়াতে গণতান্ত্রিক প্রথা প্রচলন সম্পন্ন করা
 সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রস্তাবিত বাজার অর্থনীতি প্রচলন সম্পন্ন করা
 পূর্ব জার্মানি হতে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার সম্পন্ন করা
ব্যাখ্যাঃ

কমিউনিস্ট অর্থনীতিকে বাজার অর্থনীতিতে রূপান্তরের জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নে যে প্রকল্প হাতে নেয়া হয় তা হলো ৫০০ দিনের প্লান।

 ডায়েট
 পিনসাস
 নেসেট
 শুরা
ব্যাখ্যাঃ

জাপানের পার্লামেন্টের নাম ডায়েট, নেসেট ইসরাইলের পার্লামেন্টের নাম। সৌদি কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলি (মজলিস আল শুরা আল সৌদ) হলো সৌদি আরবের এবং কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলি (মজলিশ-আল শুরা) কাতারের পার্লামেন্টের নাম।

 ব্রিটেন
 ফ্রান্স
 যুক্তরাষ্ট্র
 রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ

১৯৮৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত প্রতিরক্ষা কর্মসূচি বা Strategic Defence Initiative কর্মসূচি ঘোষণা করে। মার্কিন সিনেটর অ্যাডওয়ার্ড কেনেডি একে তারকা যুদ্ধ (Star war) বলে অভিহিত করেন।

 ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে
 হোয়াইট হল
 মার্বেল চার্চ
 বুশ হাউজ
ব্যাখ্যাঃ

ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তর হোয়াইট হল লন্ডনে অবস্থিত। এটি ব্রিটেনের রানীর সাবেক সরকারি বাসভবন। ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে বিখ্যাত ব্রিটিশ নাগরিকদের সমাধিস্থল। বুশ হাউজ বিবিসি’র সাবেক প্রধান কার্যালয়।

 কাশাভুবু
 প্যাট্রিক লুমুম্বা
 শোম্বে
 মবুতু
ব্যাখ্যাঃ

কঙ্গোতে দখলদার ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন প্যাট্রিক লুমুম্বা। তিনি জয়লাভ করলে কঙ্গো স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

 ইউনিটা
 সান্ডিনিস্টা
 কন্ট্রা
 সোয়াপো
ব্যাখ্যাঃ

মধ্য আমেরিকার হ্রদ ও আগ্নেয়গিরির দেশ নিকারাগুয়ার বিদ্রোহী গ্রুপ কন্ট্রা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট। ১৯৯০ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এ অঞ্চলে শান্তি আনয়নে গঠন করে মধ্য আমেরিকায় জাতিসংঘ পর্যবেক্ষক দল (ONUCA) এবং পর্যবেক্ষক দলটি কন্ট্রা বিদ্রোহীদের স্বেচ্ছা তদারক করে। ফলশ্রুতিতে হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ায় প্রায় ২২ হাজার কন্ট্রা বিদ্রোহী জাতিসংঘ পর্যবেক্ষকদের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করে।

 রমিউলাস অগাস্টাস
 জুপিটার
 রাজা রোমিউলাস
 অগাস্টাস সিজার
ব্যাখ্যাঃ

অগাস্টাস সিজার ছিলেন প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট। তিনি খ্রিস্টপূর্ব ২৭ থেকে ১৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন। তার আসল নাম ছিল গাইয়াস অক্টাভিয়াস থুরিনাস। পরবর্তীতে, তার প্রপিতামহ জুলিয়াস সিজার তাকে দত্তক নিলে তিনি গাইয়াস জুলিয়াস সিজার অক্টাভিয়ানাস নামে পরিচিত হন। অবশেষে, রোমান সিনেট তাকে অগাস্টাস উপাধি দেয়, যার অর্থ "মহিমান্বিত" বা "সম্মানিত"।

অগাস্টাস সিজারের জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক:

  • ক্ষমতায় আগমন: জুলিয়াস সিজারের হত্যাকাণ্ডের পর, অক্টাভিয়ান ক্ষমতার দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। তিনি মার্ক অ্যান্টনি এবং লেপিডাসের সাথে দ্বিতীয় ত্রয়ী গঠন করেন। পরবর্তীতে অ্যান্টনি ও ক্লিওপেট্রার পরাজয়ের পর তিনি এককভাবে রোমের শাসক হন।
  • রোমান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা: অগাস্টাস রোমান প্রজাতন্ত্রকে একটি কার্যকর সাম্রাজ্যে রূপান্তরিত করেন। যদিও তিনি প্রকাশ্যে নিজেকে সম্রাট ঘোষণা করেননি, তবে তিনি 'প্রিন্সেপ্স' (প্রথম নাগরিক) হিসেবে ক্ষমতা ধরে রেখেছিলেন এবং ধীরে ধীরে সমস্ত ক্ষমতা নিজের হাতে কেন্দ্রীভূত করেন।
  • প্যাক্স রোমানা (Pax Romana): অগাস্টাসের দীর্ঘ শাসনামল ছিল রোমান ইতিহাসে শান্তির যুগ হিসেবে পরিচিত। এই সময়কালে (প্রায় ২০০ বছর) তেমন কোনো বড় ধরনের গৃহযুদ্ধ বা বিদ্রোহ হয়নি, যা সাম্রাজ্যের স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করে।
  • প্রশাসনিক ও আইনি সংস্কার: অগাস্টাস রোমান সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক ও আইনি কাঠামোতে ব্যাপক সংস্কার আনেন। তিনি একটি সুসংগঠিত আমলাতন্ত্র তৈরি করেন, প্রদেশগুলোর শাসন ব্যবস্থাকে উন্নত করেন এবং আইনকানুনকে সুশৃঙ্খল করেন।
  • সামরিক সংস্কার: তিনি একটি স্থায়ী সেনাবাহিনী গঠন করেন এবং প্রিটোরিয়ান গার্ড তৈরি করেন, যা সম্রাটের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করত।
  • অবকাঠামোগত উন্নয়ন: অগাস্টাসের শাসনামলে রোমে ব্যাপক নির্মাণ কাজ হয়। রাস্তাঘাট, সেতু, জলপ্রণালী এবং নতুন ফোরাম তৈরি করা হয়। তিনি গর্ব করে বলেছিলেন, "আমি ইটের রোমকে মার্বেলের রোমে পরিণত করেছি।"
  • শিল্প ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা: অগাস্টাস শিল্প ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তার সময়ে ভার্জিল, হোরেস এবং ওভিড-এর মতো বিখ্যাত কবি ও সাহিত্যিকরা খ্যাতি লাভ করেন।
  • ধর্মীয় সংস্কার: তিনি প্রাচীন রোমান দেবতাদের প্রতি সম্মান পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন এবং রাষ্ট্রীয় ধর্মের পুনরুজ্জীবন ঘটান।
  • মাস 'আগস্ট': তার সম্মানেই জুলাই মাসের পরবর্তী মাসটির নাম 'আগস্ট' রাখা হয়।

অগাস্টাস সিজার ছিলেন একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী শাসক এবং রোমান ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তিনি রোমান প্রজাতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে একটি দীর্ঘস্থায়ী সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন, যা পরবর্তী কয়েক শতাব্দী ধরে ইউরোপ এবং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করেছিল।

 সেক্সপিয়ার ও ভলতেয়ার
 রুশো ও ভলতেয়ার
 প্লেটো ও এরিস্টটল
 সেক্সপিয়ার ও ইলিয়ট
ব্যাখ্যাঃ

ফরাসি বিপ্লবের প্রেক্ষাপট তৈরিতে রুশো (Jean-Jacques Rousseau) এবং ভলতেয়ার (Voltaire) ছিলেন দুজন অত্যন্ত প্রভাবশালী দার্শনিক। তাদের চিন্তাধারা ফরাসি সমাজের বিদ্যমান রীতিনীতি, রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

রুশোর অবদান:

  • সামাজিক চুক্তি (Social Contract): রুশোর এই বিখ্যাত গ্রন্থটিতে তিনি জনগণের সার্বভৌমত্বের ধারণা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের ভিত্তি হলো জনগণের মধ্যে একটি সামাজিক চুক্তি, যেখানে জনগণ তাদের কিছু স্বাধীনতা সরকারের হাতে ন্যস্ত করে, কিন্তু চূড়ান্ত ক্ষমতা জনগণের কাছেই থাকে। যদি সরকার জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করে, তবে জনগণের সেই সরকারকে পরিবর্তন করার অধিকার আছে। এই ধারণা ফরাসি বিপ্লবীদের রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে অনুপ্রাণিত করেছিল।
  • প্রকৃতির রাজ্যে মানুষ: রুশো বিশ্বাস করতেন মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন এবং সৎ। সমাজের দুর্নীতি ও বৈষম্য মানুষকে অসৎ করে তোলে। এই ধারণা তৎকালীন অভিজাত শ্রেণির সুযোগ-সুবিধা এবং সাধারণ মানুষের দুর্দশার সমালোচনা করার একটি দার্শনিক ভিত্তি তৈরি করে।
  • অসাম্যের উৎস: রুশোর 'Discourse on the Origin of Inequality' গ্রন্থে তিনি ব্যক্তিগত সম্পত্তির ধারণাকে অসাম্যের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন। এই ধারণা ফরাসি সমাজের শ্রেণী বৈষম্য এবং সম্পদের অসম বণ্টনের বিরুদ্ধে বিপ্লবী চেতনা জাগাতে সাহায্য করে।
  • সাধারণ ইচ্ছা (General Will): রুশোর 'সাধারণ ইচ্ছা'র ধারণা অনুযায়ী, রাষ্ট্রের লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের সামগ্রিক কল্যাণ। কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা ব্যক্তির স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে জনগণের সম্মিলিত ইচ্ছায়। এই ধারণা বিপ্লবীদের একটি নতুন রাজনৈতিক আদর্শের সন্ধান দিয়েছিল।

ভলতেয়ারের অবদান:

  • বাকস্বাধীনতা ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতা: ভলতেয়ার ছিলেন বাকস্বাধীনতার একজন বলিষ্ঠ প্রবক্তা এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির তীব্র সমালোচক। তিনি ক্যাথলিক চার্চের দুর্নীতি, অযৌক্তিকতা এবং সমাজের উপর তার প্রভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তার বিখ্যাত উক্তি "আমি তোমার মতের সঙ্গে একমত নাও হতে পারি, কিন্তু তোমার মত প্রকাশের অধিকার রক্ষায় আমি জীবন দিতে পারি" - বাকস্বাধীনতার গুরুত্বকে তুলে ধরে।
  • স্বৈরাচারী শাসনের সমালোচনা: ভলতেয়ার রাজতন্ত্রের স্বৈরাচারী শাসনের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি আইনের শাসন এবং একটি নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার পক্ষে ছিলেন। তার লেখাগুলি সাধারণ মানুষকে রাজার ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করে তোলে।
  • যুক্তিবাদ ও জ্ঞানের প্রচার: ভলতেয়ার ছিলেন আলোকিত যুগের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তিনি যুক্তি, বিজ্ঞান এবং জ্ঞানের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে লড়াই করেন। তার এই চিন্তাধারা ফরাসি সমাজে প্রগতিশীল ও সমালোচনামূলক মানসিকতা বিকাশে সাহায্য করে।
  • সাহিত্য ও নাটকের মাধ্যমে বার্তা: ভলতেয়ার তার বিভিন্ন সাহিত্যকর্ম, নাটক ও প্রবন্ধের মাধ্যমে বিপ্লবী বার্তা ছড়িয়ে দেন। তার ব্যঙ্গাত্মক ও তীক্ষ্ণ লেখনী সমাজের অসঙ্গতি ও অন্যায়গুলোকে জনগণের সামনে তুলে ধরে এবং তাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করে।

সংক্ষেপে, রুশো ও ভলতেয়ার তাদের দার্শনিক চিন্তাধারা এবং লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের আদর্শিক ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। রুশোর জনগণের সার্বভৌমত্ব ও সামাজিক চুক্তির ধারণা এবং ভলতেয়ারের বাকস্বাধীনতা ও স্বৈরাচারী শাসনের সমালোচনার মতো ধারণাগুলো বিপ্লবীদের নতুন পথের দিশা দেখিয়েছিল এবং সাধারণ মানুষকে তাদের অধিকার আদায়ে অনুপ্রাণিত করেছিল। তাদের অবদান ফরাসি বিপ্লবের গতিপথ নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

 মিশর
 লেবানন
 তিউনিসিয়া
 লিবিয়া
ব্যাখ্যাঃ

"আরব বসন্ত" (Arab Spring) হলো ২০১১ সালের শুরু থেকে আরব বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, আন্দোলন ও সশস্ত্র বিদ্রোহের একটি ধারাবাহিকতা। এর সূচনা হয় তিউনিসিয়ায় এবং দ্রুত তা মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন, সিরিয়া, বাহরাইনসহ উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

আরব বসন্তের মূল কারণসমূহ:

  • দীর্ঘস্থায়ী স্বৈরাচারী শাসন: বহু বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে জনগণের অসন্তোষ।
  • ব্যাপক দুর্নীতি: সরকারি পর্যায়ে ব্যাপক দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি।
  • অর্থনৈতিক অসন্তোষ: উচ্চ বেকারত্ব, দারিদ্র্য, জীবনযাত্রার নিম্নমান এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য। বিশেষ করে শিক্ষিত যুবকদের মধ্যে হতাশা।
  • মানবাধিকার লঙ্ঘন: বাকস্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অধিকারের অভাব এবং নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়ন।
  • জনসংখ্যার কাঠামো: বিপুল সংখ্যক শিক্ষিত ও কর্মক্ষম যুবকের উপস্থিতি, যারা বিদ্যমান পরিস্থিতিতে হতাশ ছিল।
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার: ইন্টারনেট ও সামাজিক মাধ্যম বিক্ষোভ সংগঠিত করতে ও তথ্য প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আরব বসন্তের প্রধান ঘটনাবলী ও পরিণতি:

  • তিউনিসিয়া (২০১০-২০১১): মোহাম্মদ বোয়াজিজির আত্মাহুতির পর 'জেসমিন বিপ্লব'-এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসক জাইন এল আবিদিন বেন আলি ক্ষমতাচ্যুত হন। এটিকে আরব বসন্তের সূচনা হিসেবে ধরা হয়।
  • মিশর (২০১১): ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে দীর্ঘদিনের রাষ্ট্রপতি হোসনি মোবারক পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
  • লিবিয়া (২০১১): সরকারবিরোধী বিক্ষোভ গৃহযুদ্ধে রূপ নেয় এবং পশ্চিমা জোটের সামরিক হস্তক্ষেপের পর মুয়াম্মার গাদ্দাফি নিহত হন। দেশটি দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক অস্থিরতায় পতিত হয়।
  • ইয়েমেন (২০১১-বর্তমান): রাষ্ট্রপতি আলি আবদুল্লাহ সালেহের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়, যা পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধে রূপ নেয় এবং এখনো চলমান।
  • সিরিয়া (২০১১-বর্তমান): শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সরকারের কঠোর দমননীতির কারণে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে পরিণত হয়, যা এখনো বহু আন্তর্জাতিক শক্তিকে জড়িয়ে রেখেছে এবং ব্যাপক মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে।
  • বাহরাইন (২০১১): শিয়া মুসলিমদের নেতৃত্বে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ কঠোরভাবে দমন করা হয়।
  • অন্যান্য দেশ: আলজেরিয়া, জর্ডান, মরক্কো, ওমানসহ আরও কিছু দেশে ছোট আকারের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা যায়, যেখানে সরকার কিছু সংস্কারের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।

আরব বসন্তের ফলাফল:

আরব বসন্তের ফলাফল ছিল মিশ্র ও জটিল। কিছু দেশে স্বৈরশাসকের পতন ঘটলেও, স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি। অনেক দেশেই রাজনৈতিক অস্থিরতা, গৃহযুদ্ধ ও চরমপন্থার বিস্তার ঘটেছে।

  • কিছু ক্ষেত্রে শাসন পরিবর্তন: তিউনিসিয়া ও মিশরে (যদিও পরবর্তীতে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে) শাসন পরিবর্তন হয়েছে।
  • ব্যাপক সংঘাত ও মানবিক সংকট: লিবিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
  • রাজনৈতিক অস্থিরতা: অনেক দেশে রাজনৈতিক মেরুকরণ ও অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • ইসলামী দলগুলোর উত্থান: কিছু দেশে (যেমন মিশরে প্রাথমিকভাবে) ইসলামী দলগুলো নির্বাচনে জয়লাভ করে, যদিও তাদের শাসন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
  • গণতান্ত্রিক সংস্কারের সীমিত অগ্রগতি: সামগ্রিকভাবে আরব বিশ্বে গণতান্ত্রিক সংস্কারের পথে তেমন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যায়নি।
 আইএসআই
 মোসাদ
 র
 কেজিবি
ব্যাখ্যাঃ

মোসাদ (הַמוֹסָד‎), যার পূর্ণরূপ হলো HaMossad LeModi'in U'LeTafkidim Meyuchadim (হিব্রু: המוסד למודיעין ולתפקידים מיוחדים, যার অর্থ "গুপ্তচরবৃত্তি এবং বিশেষ কার্যক্রমের জন্য ইনস্টিটিউট"), ইসরাইলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

এটি ইসরাইলের তিনটি প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে একটি, অন্য দুটি হলো আমান (সামরিক গোয়েন্দা) এবং শিন বেট (অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা)। মোসাদ মূলত ইসরাইলের সীমান্তের বাইরে গুপ্তচরবৃত্তি, গোপন অভিযান এবং সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধের জন্য দায়ী।

মোসাদ বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত এবং বিতর্কিত গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে পরিচিত। তাদের অনেক সফল ও দুঃসাহসিক অভিযান রয়েছে।

 সৌদি আরব
 ইরাক
 আলজেরিয়া
 ইরান
ব্যাখ্যাঃ

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ হলো আলজেরিয়া

১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (PLO) আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে এক অধিবেশনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণা করে। এই ঘোষণার পরপরই আলজেরিয়া সর্বপ্রথম ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

 Finland
 Denmark
 Poland
 Sweden
ব্যাখ্যাঃ

ন্যাটোতে যোগ দেওয়া ইস্যুতে রাশিয়া সম্প্রতি ফিনল্যান্ডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করে ফিনল্যান্ড। ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে যোগদানের ঘোষণায় রাশিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে ফিনল্যান্ডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

৫৭. স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড কোথায় অবস্থিত?

[ প্রা.বি.স.শি. 27-06-2019 | প্রা.বি.স.শি. 26-06-2019 ]

 মায়ামী
 লন্ডন
 ম্যানচেস্টার
 স্কটল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ

স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড লন্ডনে অবস্থিত। এটি লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ বাহিনীর সদর দপ্তর।

স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের ইতিহাস:
1. ১৮২৯ সালে স্যার রবার্ট পিল এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
2. প্রথম দিকে এর সদর দপ্তর হোয়াইটহলের ৪, স্কটল্যান্ড প্লেসে ছিল।
3. পরবর্তীতে এটি বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তরিত হয়।
4. বর্তমানে এর সদর দপ্তর ভিক্টোরিয়া এমব্যাঙ্কমেন্টে অবস্থিত।

স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের গুরুত্ব:
1. এটি বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত পুলিশ সংস্থা।
2. এটি জটিল অপরাধ তদন্তের জন্য পরিচিত।
3. এটি আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 রত্নভাণ্ডার
 গ্রন্থাগার
 গোসলখানা
 শস্যাগার
ব্যাখ্যাঃ

মহেঞ্জোদারোতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হল:

সিন্ধু লিপি খোদাই করা সিলমোহর, ব্রোঞ্জের "নৃত্যরত বালিকা" মূর্তি, "পুরোহিত রাজা"র প্রস্তর মূর্তি, পশুপতি সিলমোহর, সাতনরী হার, পরিমাপের বাটখারা ও দাঁড়িপাল্লা, তামা ও পাথরের সরঞ্জাম, পোড়ামাটির খেলনা, বৃহৎ স্নানাগার, শস্যাগার, উন্নত নিকাশী ব্যবস্থা, ইটের তৈরি ঘরবাড়ি, কূপ

এছাড়াও, বিভিন্ন ধরনের অলঙ্কার, পাত্র এবং অন্যান্য ব্যবহার্য জিনিসপত্রও মহেঞ্জোদারোতে পাওয়া গেছে।

 হরমুজ
 বসফরাস
 জিব্রাল্টার
 দার্দানেলিস
ব্যাখ্যাঃ

ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে জিব্রাল্টার প্রণালী অবস্থিত।

এটি স্পেনের দক্ষিণ প্রান্ত এবং মরক্কোর উত্তর প্রান্তকে পৃথক করেছে এবং এই দুটি সাগরকে সংযুক্ত করেছে। কৌশলগতভাবে এই প্রণালীটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 কানাডা
 ফিনল্যান্ড
 ইংল্যান্ড
 যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ

পৃথিবীর প্রাথমিক শিক্ষার মান সবচেয়ে উন্নত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো খঃ ফিনল্যান্ড

ফিনল্যান্ড তার উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশের উপর জোর দেওয়ার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

৬১. জাপানের পার্লামেন্টের নাম কী?

[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

 ডায়েট
 কায়েট
 লোকসভা
 ন্যাশনাল এসেম্বলী
ব্যাখ্যাঃ

জাপানের পার্লামেন্টের নাম হলো ডায়েট (Diet)

এর পুরো নাম হলো কোক্কাই (Kokkai), বা ইংরেজিতে ন্যাশনাল ডায়েট (National Diet)। এটি দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত একটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা: ১. হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস (House of Representatives - নিম্নকক্ষ) ২. হাউস অফ কাউন্সিলরস (House of Councillors - উচ্চকক্ষ)

৬২. ফোকেটিং (Folketing) কোন দেশের আইনসভা?

[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

 বেলজিয়াম
 নরওয়ে
 ফিনল্যান্ড
 ডেনমার্ক

৬৩. ইতিহাসের জনক কে?

[ ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

 হেরোডোটাস
 এরিস্টটল
 ওয়াশিংটন
 নিউইয়র্ক

৬৪. জাপান ‘পার্ল হারবার’ আক্রমণ করে কবে?

[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

 ৬ই এপ্রিল, ১৯৪২
 ১৭ জুন, ১৯৪৩
 ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১
 ১৫ জানুয়ারি, ১৯৪০

৬৫. ‘ভিসুভিয়াস’ আগ্নেয়গিরি কোথায় অবস্থিত?

[ ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

 মেক্সিকো
 জাপান
 ইতালি
 রাশিয়া

৬৬. ফ্রান্সের বর্তমান প্রেসিডেন্টের নাম কি?

[ ১৪তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

 ইমানুয়েল ম্যাখোঁ
 আটেলা মার্কেল
 ম্যালকম
 জাস্টিন ট্রুডো
 ১৮২০ সালে
 ১৮২১ সালে
 ১৯২০ সালে
 ১৯২১ সালে

৬৮. জাপানের পার্লামেন্টের নাম কি?

[ ১২তম শি. (স্কুল সমপর্যায়) ]

 ডায়েট
 সিনেট
 কংগ্রেস
 নেসেট

৬৯. বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা কোনটি?

[ ১২তম শি. (স্কুল সমপর্যায়) ]

 মেসোপটিমিয়া সভ্যতা
 ভারত সভ্যতা
 মিশরীয় সভ্যতা
 সিন্ধু সভ্যতা
 কুয়েত
 ডেনমার্ক
 সিঙ্গাপুর
 কাতার

৭১. নিশীথ সূর্যের দেশ কোনটি?

[ ১১ তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

 জাপান
 কোরিয়া
 নরওয়ে
 সুদান

৭২. বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?

[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) | প্রা. বি. স. শি. নি. ২৬-১০-২০০৮ ]

 গ্রিসে
 রোমে
 মেসোপটেমিয়ায়
 ভারতে

৭৩. ইতিহাস - বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায়?

[ ৬ষ্ঠ শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

 ইতালি
 স্পেন
 তুরস্ক
 গ্রিস
 ইংল্যান্ডে
 ফ্রান্সে
 বেলজিয়ামে
 অস্ট্রিয়াতে
 স্টালিন
 লেনিন
 রুজভেল্ট
 হিটলার

৭৬. তৈমুর লং ভারত আক্রমণ করেন-

[ প্রা. প্র. শি. নি.১১-১০-২০১২ ]

 ১৬৯৮ সালে
 ১৫৯৮ সালে
 ১৩৯৮ সালে
 ১২৯৮ সালে

৭৭. ইউরোপে রেনেসাঁ শুরু হয়-

[ প্রা. প্র. শি. নি.১১-১০-২০১২ ]

 সপ্তদশ শতাব্দীতে
 ষোড়শ শতাব্দীতে
 পঞ্চদশ শতাব্দীতে
 চতুর্দশ শতাব্দীতে

৭৮. হিজরী সাল গণনা শুরু হয় কোন সালে?

[ প্রা. প্র. শি. নি.১০-১০-২০১২ ]

 ৬০২ সালে
 ৪৬১২ সালে
 ৬২২ সালে
 ৬২৩ সালে

৭৯. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কোন সালে-

[ প্রা. প্র. শি. নি.১০-১০-২০১২ ]

 ১৯০৪ সালে
 ১৯১৪ সালে
 ১৯১৫ সালে
 ১৯১৬ সালে

৮০. ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় কত সালে?

[ প্রা. প্র. শি. নি.৯-১০-২০১২ ]

 ১৭৫৭
 ১৭৬৯
 ১৭৮৯
 ১৮১০
 ইব্রাহিম লোদি
 শিবাজি
 বৈরাম খাঁ
 রানা প্রতাপ সিংহ
 ১৫ বার
 ১৭ বার
 ১৮ বার
 ২০ বার

৮৩. 'অক্টোবর বিপ্লব' কোন দেশে সংঘটিত হয়?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৬-০৯-২০১৯ ]

 রাশিয়া
 ফ্রান্স
 জার্মানি
 যুক্তরাষ্ট্র

৮৪. ভারত কবে প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৬-০৯-২০১৯ ]

 ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭
 ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০
 ২৫ জানুয়ারি, ১৯৪৯
 ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫১

৮৫. মেসোপটেমিয়া সভ্যতা কোথায় অবস্থিত?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]

 জর্ডান
 ইরান
 ইরাক
 সিরিয়া

৮৬. শিল্প বিপ্লব কোন দেশে শুরু হয়?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]

 ইংল্যান্ড
 যুক্তরাষ্ট্র
 জার্মানী
 ফ্রান্স
 খ্রিষ্টপূর্ব দশ হাজার থেকে ত্রিশ হাজর বছর
 খ্রিষ্টপূর্ব নয় হাজার বছর থেকে ত্রিশ হাজার বছর
 খ্রিষ্টপূর্ব এগার হাজার বছর থেকে ত্রিশ হাজার বছর
 খ্রিষ্টপূর্ব আট হাজার বছর খেকে ত্রিশ হাজার বছর

৮৮. হিরোশিমায় নিক্ষিপ্ত বোমার নাম কি?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]

 স্কাড
 ডেস্ট্রয়ার
 লিটল বয়
 প্যাট্রিয়ট
 ওলান্দাজ
 ইংরেজ
 ফরাসি
 পর্তুগিজ
 মুহাম্মদ ঘুরী
 সুলতান শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ
 বলবন
 সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক
 চীন সভ্যতা
 মিসরীয় সভ্যতা
 মেসোপটেমিয়ান সভ্যতা
 সিন্ধু সভ্যতা
 মিশরে
 স্পেনে
 ওমানে
 ইরাকে
ব্যাখ্যাঃ

নবম শতাব্দীতে 'মুরিশ' (Moorish) শিল্পকলা মূলত স্পেন ও উত্তর আফ্রিকায় (বিশেষ করে বর্তমান মরক্কো অঞ্চলে) গড়ে উঠেছিল।

মুরিশ শিল্পকলা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

  • ভৌগোলিক অবস্থান: এটি মূলত ইবেরীয় উপদ্বীপের (বর্তমান স্পেন ও পর্তুগাল) মুসলিম শাসিত অঞ্চলগুলোতে বিকশিত হয়েছিল।
  • স্থাপত্যশৈলী: এই শিল্পকলার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ঘোড়ার খুর আকৃতির খিলান (Horseshoe arches), জটিল জ্যামিতিক নকশা এবং ক্যালিগ্রাফির ব্যবহার।
  • প্রধান নিদর্শন: কর্ডোবার বিখ্যাত মসজিদ (Great Mosque of Córdoba) নবম শতাব্দীর মুরিশ স্থাপত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উদাহরণ।

আপনি কি এই শিল্পকলার স্থাপত্যশৈলীর কোনো বিশেষ বৈশিষ্ট্য বা MathJax কোড ব্যবহার করে কোনো জ্যামিতিক নকশার বর্ণনা জানতে চান?

 ২৪৬ বছরের
 ২৩৮ বছরের
 ২৩৫ বছরের
 ২৪৪ বছরের

৯৪. ওয়াটার লু কোথায় অবস্থিত?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]

 বেলজিয়ামে
 ফ্রান্সে
 পর্তুগালে
 ইতালিতে

৯৫. কোন সালে ইরাক-কুয়েত যুদ্ধ হয়?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]

 ১৯৮৯
 ১৯৯০
 ১৯৯১
 ১৯৯২
 ১৯৯৫
 ১৯৯৬
 ১৯৯৭
 ১৯৯৯

৯৭. `মহেঞ্জোদারো` কথার অর্থ কি?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৩-০৬-২০১৯ ]

 মরা মানুষের ঢিবি
 মানুষের ঢিবি
 সিন্ধু মানুষের ঢিবি
 হরপ্পা সভ্যতা

৯৮. মিশরীয় সভ্যতার চিত্রলিপিকে কী বলা হয়?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৩-০৬-২০১৯ ]

 ওডিসি
 হায়ারোগ্লিফিকস
 প্যাপিরাস
 ক্যালিওগ্রাফিস
 দ্বাদশ লুই
 ষোড়শ লুই
 নেপোলিয়ন
 ফিলিপস

১০০. ভার্সাই নগরী কোথায় অবস্থিত?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২২-০৬-২০১৯ ]

 আমেরিকা
 ফ্রান্স
 জার্মানি
 ইংল্যান্ড
 Nikolai Podgrony
 Leonid Brezhnev
 Mikhail Gorbachev
 Nikita Khrushchev

১০২. সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত হয় কত সালে?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০১-০৬-২০১৮ ]

 ১৮৩৯
 ১৮২৯
 ১৭২৯
 ১৮৩০
 জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্র শক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন
 জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি করা
 অটোম্যানদের জায়গা দখল করা
 ইহুদিদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র গঠন
 রাশিয়া
 ইতালি
 জার্মানি
 জাপান
 প্রথম ভার্সাই চুক্তি
 বার্লিন চুক্তি
 স্বাধীনতা চুক্তি
 ওয়াশিংটন চুক্তি

১০৬. ফরাসি বিপ্লব কোন সালে অনুষ্ঠিত হয়?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৯-০৪-২০১৪ ]

 ১৭৯৫ সালে
 ১৭৯৩ সালে
 ১৭৮৯ সালে
 ১৭৮৫ সালে

১০৭. কে "ডেজার্ট ফক্স" নামে পরিচিতি?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৮-০৪-২০১৪ ]

 ফিল্ড মার্শাল রোমেল
 আনোয়ার সাদাত
 মার্শাল টিটো
 কামাল আতাতুর্ক

১০৮. 'লীগ অব নেশনস' কোন সালে বিলুপ্ত হয়?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-০৪-২০১৩ ]

 ১৯৩৯ সালে
 ১৯৪১ সালে
 ১৯৪৪ সালে
 ১৯৪৬ সালে

১০৯. আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় কোন সালে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-০৪-২০১৩ ]

 ১৭৭৬
 ১৭৭৭
 ১৭৭৪
 ১৭৭৫

১১০. 'হামাস' কোন দেশের সংগঠন?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-০৪-২০১৩ ]

 লেবানন
 ফিলিস্তিন
 মিশর
 ইরাক
 মুসোলিনী
 হিটলার
 সালজার
 ফ্রাঙ্কো

১১২. 'জেনেভা কনভেনশন' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-০৪-২০১৩ ]

 ১৯৪৫ সালে
 ১৯৪৭ সালে
 ১৯৪৯ সালে
 ১৯৫৪ সালে

১১৩. শিল্প বিপ্লব যে দেশে শুরু হয়েছিল -

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-০৪-২০১৩ ]

 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
 ইংল্যান্ড
 জার্মানি
 ফ্রান্স

১১৪. জাপান পার্লহারবার আক্রমণ করে-

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১০-০৪-২০১৩ ]

 ৭ ডিসেম্বর ১৯৩৯
 ৭ ডিসেম্বর ১৯৪০
 ৭ ডিসেম্বর ১৯৪১
 ৭ ডিসেম্বর ১৯৪২

১১৫. সুমেরীয় সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৯-০৪-২০১৩ ]

 মিশরে
 রাশিয়ায়
 মেসোপটেমিয়ায়
 পারস্যে
 আরবীয়দের
 মিশরীয়দের
 দাবিয়ুসের
 ক্যাম্বসেসের

১১৭. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ----

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৭-০২-২০১২ ]

 ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯
 ১ ডিসেম্বর, ১৯৩৯
 ১ মার্চ, ১৯৪০
 ১ জুন, ১৯৪০

১১৮. ভারতে ক্যাবিনেট মিশন কখন এসেছিল?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৬-০২-২০১২ ]

 ১৯৪০ সালে
 ১৯৪২ সালে
 ১৯৪৬ সালে
 ১৯৪৭ সালে

১১৯. খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৫-০২-২০১২ ]

 ৬২৪ সালে
 ৬২৭ সালে
 ৬২৮ সালে
 ৬৩১ সালে

১২০. কোন সালে ফরাসী বিপ্লব সংঘটিত হয়?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৫-০২-২০১২ ]

 ১৭৯৩
 ১৭৫৭
 ১৭৮৯
 ১৮৯৯

১২১. হিজরী সন গণনা শুরু হয়

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০২-২০১২ ]

 ৬২৩ সাল থেকে
 ৬২২ সাল থেকে
 ৬১২ সাল থেকে
 ৬০২ সাল থেকে
 ব্রিটেন
 পর্তুগাল
 হল্যান্ড
 নেদারল্যান্ড

১২৩. কোন সালে ভারতে বাবরী মসজিদ ভাঙ্গা হয়?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১০-১২-২০১১ ]

 ১৯৯৫
 ১৯৯৪
 ১৯৯৩
 ১৯৯২

১২৪. ইতিহাস বিখ্যাত `ট্রয় নগরী` কোথায়?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৯-১২-২০১১ ]

 ইটালীতে
 গ্রীসে
 তুরস্কে
 স্পেনে

১২৫. 'ভেটো' কথাটি কোন শব্দ থেকে আগত?

[ ১৭তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

 ল্যাটিন
 গ্রিক
 ফ্রেঞ্চ
 ইংরেজি
 অর্থনৈতিক
 রাজনৈতিক
 সামাজিক
 সাংস্কৃতিক
 ১৭৭৪
 ১৭৭৫
 ১৭৭৬
 ১৭৭৭

১২৮. সুমেরীয় সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৭-১০-২০০৮ ]

 মেসোপটেমিয়ায়
 পারসে
 মিশরে
 চীনে

১২৯. ফরাসি বিপ্লব হয়েছিল কবে?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৫-০৮-২০০৫ ]

 ১৯৭১ সালে
 ১৮১৭ সালে
 ১৭৭৯ সালে
 ১৭৮৯ সালে
 ম্যানারহেইম লাইন
 র্যাডক্লিফ লাইন
 ম্যাকমোহন লাইন
 ডুরান্ড লাইন

১৩১. পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া যায়-

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৩-০৮-২০০৫ ]

 চীনের প্রাচীরের কাছে
 ব্যাবিলনের উত্তরে গাথুর শহরের ধ্বংসাবশেষে
 দক্ষিণ আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া প্রদেশে
 ইরানের সিরাজ শহরের ধ্বংসাবশেষে
 ৩ ঘণ্টা
 ৪ ঘণ্টা
 ৫ ঘণ্টা
 ৬ ঘণ্টা
 উড্রো উইলসন
 আব্রাহাম লিংকন
 জর্জ ওয়াশিংটন
 ট্রুম্যান
 অক্সফোর্ড
 কেমব্রিজ
 আল আজহার
 নালন্দা