আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 ভিয়েতনাম
 উত্তর কোরিয়া
 চীন
 রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ

‘নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি’ চীন দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট।

এই শব্দটি চীনের কূটনীতিক-দের একটি নতুন, আরও আক্রমণাত্মক এবং জাতীয়তাবাদী আচরণকে বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়। তারা প্রায়শই পশ্চিমা দেশ এবং অন্যান্য সমালোচকদের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে থাকেন। এই শব্দটি চীনের জনপ্রিয় অ্যাকশন মুভি "উলফ ওয়ারিয়র" থেকে অনুপ্রাণিত, যেখানে চীনা স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা বিদেশী শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশের মর্যাদা রক্ষা করে।

 আর্টসাখ প্রজাতন্ত্র
 নাগর্নো-কারাবাখ
 ইয়েতেভান
 নাকার্চভান ছিটমহল
ব্যাখ্যাঃ

সেপ্টেম্বর ২০২০-এ নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এই যুদ্ধ ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত চলে এবং শেষ পর্যন্ত আজারবাইজান বিজয়ী হয়। যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর, আজারবাইজান পুনর্দখল করা অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে, এবং সেখানে রাশিয়ান শান্তিরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

 সৌদিআরব
 কুয়েত
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
 ওমান
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর: সংযুক্ত আরব আমিরাত

২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইন ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তি আব্রাহাম অ্যাকর্ডস নামে পরিচিত, যা যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হয়।

 ত্রিঙ্কোমালী
 হাম্বানটোটা
 গল বন্দর
 পোর্ট অব কলম্বো
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো হাম্বানটোটা সমুদ্রবন্দর

শ্রীলংকার এই গভীর সমুদ্রবন্দরটি চীনের কাছে ৯৯ বছরের জন্য লীজ দেওয়া হয়েছে। ঋণের ফাঁদে পড়ার কারণে শ্রীলংকা এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিল বলে মনে করা হয়। চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন China Merchants Port Holdings Company এই বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

 ফ্লোরিডা
 হাইতি
 কিউবা
 জ্যামাইকা
ব্যাখ্যাঃ

যুক্তরাষ্ট্রের Guantanamo Bay Detention Camp (গুয়ান্তানামো বে ডিটেনশন ক্যাম্প) কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে গুয়ান্তানামো বে নৌঘাঁটির ভেতরে অবস্থিত।

এই নৌঘাঁটিটি ১৯০৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ৯/১১ হামলার পর জানুয়ারি ২০০২ সালে বন্দিশিবিরটি স্থাপন করা হয়।

 ইথিওপিয়া
 জাম্বিয়া
 লাইবেরিয়া
 জিবুতি
ব্যাখ্যাঃ

চীন আফ্রিকার জিবুতিতে একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে। এই ঘাঁটিটি বাব-এল-মান্দেব প্রণালীর কাছে অবস্থিত, যা লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরকে সংযুক্ত করে এবং একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। চীন এটিকে তার প্রথম বিদেশী সামরিক ঘাঁটি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।

 ইস্টানা আইল্যান্ড
 সেনার আয়ল্যান্ড
 ম্যারিনা বে
 সেন্তোসা
ব্যাখ্যাঃ

ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সাথে ঐতিহাসিক কিছু শীর্ষ বৈঠক করেছিলেন। এই বৈঠকগুলো ছিল উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য একটি অভাবনীয় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা।

মূলত দুটি প্রধান শীর্ষ বৈঠক হয়েছিল:

১. প্রথম ট্রাম্প-কিম শীর্ষ বৈঠক (সিঙ্গাপুর, ১২ জুন, ২০১৮):

  • স্থান: সিঙ্গাপুরের সেন্তোসা দ্বীপের ক্যাপেলা হোটেল।
  • গুরুত্ব: এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের একজন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট এবং উত্তর কোরিয়ার একজন সর্বোচ্চ নেতার মধ্যে প্রথম বৈঠক। এর আগে কোনো আমেরিকান প্রেসিডেন্ট উত্তর কোরিয়ার নেতার সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করেননি।
  • আলোচনার বিষয়: উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ, কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি স্থাপন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ।
  • ফলাফল: বৈঠকের পর একটি যৌথ বিবৃতি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে কিম জং উন কোরীয় উপদ্বীপের "সম্পূর্ণ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের" প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন। তবে, এর বিস্তারিত রোডম্যাপ বা সময়সীমা স্পষ্ট ছিল না। ট্রাম্প উত্তর কোরিয়াকে নিরাপত্তা গ্যারান্টি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

২. দ্বিতীয় ট্রাম্প-কিম শীর্ষ বৈঠক (হ্যানয়, ভিয়েতনাম, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯):

  • স্থান: ভিয়েতনামের হ্যানয়।
  • গুরুত্ব: প্রথম বৈঠকের পর পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে তেমন অগ্রগতি না হওয়ায় এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
  • আলোচনার বিষয়: উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা এবং এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা।
  • ফলাফল: এই বৈঠকটি কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। উভয় পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকে। যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার সকল পারমাণবিক স্থাপনা ও অস্ত্রশস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের দাবি জানায়, আর উত্তর কোরিয়া শুধু তাদের প্রধান পারমাণবিক কমপ্লেক্স ইয়ংবিয়ন (Yongbyon) বন্ধ করার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি করে। মতানৈক্যের কারণে কোনো যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর হয়নি।

এই বৈঠকগুলো আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল, যদিও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের ক্ষেত্রে এগুলোর দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য সীমিত ছিল। এই বৈঠকগুলো উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় এক ভিন্ন কূটনৈতিক কৌশল হিসেবে বিবেচিত হয়।

 বাহরাইন
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
 মিশর
 কুয়েত
ব্যাখ্যাঃ

২০১৭ সালের কাতার সংকটের সময় যে দেশগুলো কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেনি, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • কুয়েত
  • ওমান

এই দুটি দেশ পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (GCC) এর সদস্য হওয়া সত্ত্বেও নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছিল এবং সংকট সমাধানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছিল।

অন্যদিকে, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মিশর, ইয়েমেন (আংশিকভাবে), লিবিয়া (পূর্বাঞ্চলীয় সরকার) এবং মালদ্বীপ কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল।

 স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র
 নিরপেক্ষ রাষ্ট্র
 বাফার রাষ্ট্র
 জিরো সাম রাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ

ভূ-রাজনীতিতে বাফার রাষ্ট্র (Buffer State) বলতে এমন একটি দেশকে বোঝায় যা দুটি বা তার বেশি প্রতিদ্বন্দ্বী বা সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ বৃহৎ শক্তির মাঝে অবস্থিত থাকে। এই রাষ্ট্রগুলো মূলত এই বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ প্রতিরোধ করার জন্য একটি 'কুশন' বা 'মধ্যবর্তী অঞ্চল' হিসেবে কাজ করে।

বাফার রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য:

  • অবস্থান: এটি সাধারণত দুটি বড় ও শক্তিশালী রাষ্ট্রের সীমান্তে অবস্থিত হয়।
  • ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব: এর ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত কৌশলগত হয়।
  • স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা (অনেক সময়): বাফার রাষ্ট্রগুলো প্রায়শই তুলনামূলকভাবে দুর্বল হয় এবং তাদের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখার চেষ্টা করে, যাতে তারা কোনো একটি বৃহৎ শক্তির পক্ষ নিয়ে অন্যটির সাথে সংঘাতে জড়িয়ে না পড়ে। তারা নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চেষ্টা করে।
  • বৃহৎ শক্তির স্বার্থ: বৃহৎ শক্তিগুলো এই বাফার রাষ্ট্রগুলোকে তাদের নিজেদের মধ্যে সরাসরি সংঘাত এড়াতে ব্যবহার করে থাকে। একটি বাফার রাষ্ট্রের টিকে থাকা উভয় প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির জন্যই স্বার্থগত হতে পারে, কারণ এটি সরাসরি সীমান্ত সংঘর্ষের ঝুঁকি কমায়।
  • দুর্বলতা: বাফার রাষ্ট্রগুলো তুলনামূলকভাবে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়, যা তাদের বৃহৎ প্রতিবেশীদের প্রভাব বলয় থেকে পুরোপুরি মুক্ত থাকতে বাধা দেয়।
  • ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ঔপনিবেশিক যুগে এবং স্নায়ুযুদ্ধের সময়কালে বাফার রাষ্ট্রের ধারণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

উদাহরণ:

ঐতিহাসিকভাবে এবং আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাফার রাষ্ট্রের কিছু উদাহরণ হলো:

  • আফগানিস্তান: ১৯শ শতাব্দীর 'গ্রেট গেম'-এ (Great Game) ব্রিটিশ সাম্রাজ্য (ভারত) এবং রাশিয়ান সাম্রাজ্যের মধ্যে আফগানিস্তান একটি বাফার রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করেছিল।
  • নেপাল ও ভুটান: ভারত ও চীনের মতো দুটি বৃহৎ শক্তির মাঝে অবস্থিত নেপাল ও ভুটানকে বাফার রাষ্ট্র হিসেবে দেখা হয়।
  • বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ: ঐতিহাসিকভাবে এই দেশগুলো জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যে বাফার হিসেবে কাজ করেছে।
  • মঙ্গোলিয়া: চীন ও রাশিয়ার মধ্যে একটি বাফার রাষ্ট্র।

বাফার রাষ্ট্রের কার্যকারিতা: একটি বাফার রাষ্ট্র বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে, কারণ এটি সরাসরি সীমান্ত বিরোধ এবং আকস্মিক সামরিক সংঘর্ষের সম্ভাবনা হ্রাস করে। তবে, বাফার রাষ্ট্রের অবস্থান প্রায়শই ভঙ্গুর হয় এবং বৃহৎ শক্তিগুলোর স্বার্থের সংঘাতে এটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বা এর নিরপেক্ষতা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

 ভারত ও নেপাল
 পাকিস্তান ও চীন
 ভুটান ও ভারত
 বাংলাদেশ ও ভারত
ব্যাখ্যাঃ

'কালাপানি' হলো ভারত ও নেপাল - এই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে একটি অমীমাংসিত ভূখণ্ড।

কালাপানি অঞ্চলটি ভারত, নেপাল এবং চীনের ত্রিদেশীয় সীমান্ত সংযোগস্থলে অবস্থিত। এটি ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত বলে ভারত দাবি করে, আর নেপাল এটিকে তার সুদূর পশ্চিমের ধারচুলা জেলার অংশ বলে দাবি করে। মূলত, মহাকালী (নেপালে কালী) নদীর উৎস এবং ১৮১৬ সালের সুগৌলি চুক্তির ব্যাখ্যা নিয়ে এই বিতর্ক। ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের পর থেকে ভারত এই অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নেপাল এই অঞ্চলকে তাদের নিজেদের নতুন মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করে বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

 ২৫%
 ৩৫%
 ৪৫%
 ৫৫%
ব্যাখ্যাঃ

সংবিধান অনুযায়ী মিয়ানমারের সংসদে ২৫ শতাংশ আসন অনির্বাচিত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকে।

মিয়ানমারের ২০০৮ সালের সংবিধান অনুযায়ী, দেশটির পার্লামেন্টের উভয় কক্ষের মোট আসনের ২৫% সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত। এই সামরিক সদস্যরা নির্বাচিত নন, বরং সেনাবাহিনী কর্তৃক মনোনীত হন। এই বিধানের কারণে, বেসামরিক সরকার গঠন হলেও সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা সংবিধানে সুপ্রতিষ্ঠিত থাকে এবং সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় ৭৫% এর বেশি সংসদ সদস্যের সমর্থন পেতে সামরিক বাহিনীর অনুমোদন অপরিহার্য হয়ে পড়ে। এই সংরক্ষিত আসনগুলি মিয়ানমারের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর প্রভাবের একটি মূল কারণ।

 ২ এপ্রিল, ২০১৫
 ১৪ জুলাই, ২০১৫
 ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
 ১০ ডিসেম্বর, ২০১৩
ব্যাখ্যাঃ

ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি, যা Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA) নামে পরিচিত, তা ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই সই হয়।

ব্যাখ্যা: এই চুক্তিটি অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ইরান এবং বিশ্বের ছয় পরাশক্তি (P5+1: চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ও যুক্তরাষ্ট্র) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে সীমিত করা, যাতে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।

 নিকট প্রাচ্য
 পূর্ব আফ্রিকা
 দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
 পূর্ব ইউরোপ
ব্যাখ্যাঃ

‘ডমিনো’ তত্ত্বটি প্রধানত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য ছিল।

স্নায়ুযুদ্ধের সময় এই তত্ত্বটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। এর মূল কথা ছিল, যদি কোনো একটি দেশ কমিউনিস্ট শাসনের অধীনে আসে, তাহলে তার পার্শ্ববর্তী দেশগুলোও ডমিনোর মতো একে একে কমিউনিস্ট হয়ে যাবে। যুক্তরাষ্ট্র এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ভিয়েতনামের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল, এই আশঙ্কায় যে ভিয়েতনাম কমিউনিস্ট হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোও কমিউনিস্ট হয়ে যাবে।

১৪. ইরাক কুয়েত দখল করে নেয় কোন সালে

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৮-১০-২০০৮ ]

 ১৯৮৯
 ১৯৯২
 ১৯৯১
 ১৯৯০

১৫. সুয়েজ খাল কোথায় অবস্থিত?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৪-০৯-২০০৭ ]

 ইরাক
 ইরান
 মিশর
 জাপান

১৬. নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশ কয়টি?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৪-০৯-২০০৭ ]

 ৫টি
 ৭ টি
 ১০টি
 ১৫টি
 ১ এপ্রিল, ২০০৬
 ৪ এপ্রিল, ২০০৬
 ৩ এপ্রিল, ২০০৬
 ২ এপ্রিল, ২০০৬

১৮. নিচের কোন ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরানের তৈরি?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৪-০৯-২০০৭ ]

 কাওসার
 ফজর-৩
 টর্পেডো
 ওপরের সবগুলো

১৯. EEZ-এর পূর্ণরূপ কি?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৪-০৯-২০০৭ ]

 Exclusive Economic Zone
 Energy Economic Zone
 Expensive Economic Zone
 Experiment Economic Zone

২০. NATO প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৩-০৯-২০০৭ ]

 ১৯৪৫ সালে
 ১৯৪৯ সালে
 ১৯৫৩ সালে
 ১৯৫২ সালে

২১. বেনিন প্রজাতন্ত্র কোন মহাদেশে অবস্থিত?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৩-০৯-২০০৭ ]

 আফ্রিকা
 ইউরোপ
 দক্ষিণ আমেরিকা
 এশিয়া

২২. 'বিবিসি'র কার্যালয়ের নাম কি?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৩-০৯-২০০৭ ]

 গ্রিন হাউস
 হোয়াইট হাউস
 বুশ হাউস
 মালবরো হাউস

২৩. শিল্প বিপ্লব শুরু হয় কোন দেশে?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৩-০৯-২০০৭ ]

 জার্মানি
 ইতালি
 ইংল্যান্ড
 যুক্তরাষ্ট্র

২৪. যুক্তরাষ্ট্রে সরকার ব্যবস্থা কীরুপ?

[ ১৬তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

 রাষ্ট্রপতি শাসিত
 সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
 সংসদীয় সরকার
 রাজতন্ত্র
 যুক্তরাষ্ট্র
 যুক্তরাজ্য
 সৌদি আরব
 ইরান

২৬. জাপানের পার্লামেন্টের নাম কী?

[ ১৫তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

 ডায়েট
 কায়েট
 লোকসভা
 ন্যাশনাল এ্যাসেম্বলি