প্রশ্নঃ ‘pedagogy’ শব্দের পরিভাষা –
[ বিসিএস ৪৬তম ]
‘Pedagogy’ শব্দের বহুল ব্যবহৃত বাংলা পরিভাষা হলো শিক্ষণবিদ্যা অথবা শিক্ষাতত্ত্ব।
এছাড়াও, ক্ষেত্রবিশেষে শিক্ষাবিজ্ঞান শব্দটিও ব্যবহার করা যেতে পারে।
তবে, সবচেয়ে সাধারণ এবং উপযুক্ত পরিভাষা হলো শিক্ষণবিদ্যা।
প্রশ্নঃ ‘নদী’-র সমার্থক শব্দ কোনটি?
[ বিসিএস ৪৬তম ]
সঠিক উত্তরটি হলো গঃ তটিনী।
‘নদী’-র সমার্থক শব্দগুলো হলো: তটিনী, স্রোতস্বিনী, প্রবাহিনী, গাঙ, সরিৎ ইত্যাদি।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর অর্থ:
- সিন্ধু: একটি বৃহৎ নদী এবং সমুদ্র অর্থেও ব্যবহৃত হয়।
- হিল্লোল: ঢেউ, তরঙ্গ।
- নির্ঝর: ঝর্ণা।
প্রশ্নঃ ‘তাম্বুলিক’ শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
সঠিক উত্তরটি হলো গঃ তামসিক।
‘তাম্বুলিক’ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: পান-ব্যবসায়ী, পর্ণকার এবং বারুই (যারা পান চাষ ও বিক্রি করেন)।
অন্যদিকে, ‘তামসিক’ শব্দের অর্থ হলো অন্ধকারাচ্ছন্ন, তমোগুণযুক্ত, আলস্যপূর্ণ বা জড়তাময়। সুতরাং, এটি ‘তাম্বুলিক’ শব্দের সমার্থক নয়।
প্রশ্নঃ ‘তোমার নাম কী?’-এখানে ‘কী’ কোন প্রকারের?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
‘তোমার নাম কী?’-এখানে ‘কী’ হলো সর্বনাম।
এই বাক্যে ‘কী’ শব্দটি একটি প্রশ্নবোধক সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর নাম জানতে চাইছে।
বাংলা ব্যাকরণে, যে পদ বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। ‘কী’, ‘কে’, ‘কোন’, ‘কার’ ইত্যাদি প্রশ্নবোধক সর্বনামের উদাহরণ।
প্রশ্নঃ ‘Rank’ শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?
[ বিসিএস ৪৫তম ]
‘Rank’ শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো পদমর্যাদা, শ্রেণী, স্তর, স্থান অথবা ক্রম।
কোন প্রেক্ষাপটে শব্দটি ব্যবহৃত হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে এর সঠিক বাংলা পরিভাষা নির্বাচন করতে হয়।
- সামরিক বা সরকারি ক্ষেত্রে: পদমর্যাদা (যেমন: তার উচ্চ পদমর্যাদা রয়েছে)।
- কোনো তালিকা বা প্রতিযোগিতায় অবস্থান বোঝাতে: স্থান বা ক্রম (যেমন: পরীক্ষায় তার প্রথম স্থান অধিকার)।
- গুণমান বা মানের ক্ষেত্রে: শ্রেণী বা স্তর (যেমন: এই পণ্যটি উচ্চ শ্রেণীর)।
সুতরাং, ব্যবহারের ক্ষেত্র অনুযায়ী এই পরিভাষাগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।
প্রশ্নঃ নিচের কোনটি ‘অগ্নি’র সমার্থক শব্দ নয়?
[ বিসিএস ৪৪তম ]
সঠিক উত্তর হলো খঃ আবীর।
'আবীর' শব্দের অর্থ হলো রং, বিশেষত হোলি উৎসবে ব্যবহৃত রঙিন পাউডার।
অন্যদিকে, 'বহ্নি', 'বায়ুসখা' এবং 'বৈশ্বানর' - এই তিনটি শব্দই 'অগ্নি'র সমার্থক শব্দ। 'বায়ুসখা' অর্থ বায়ু যার বন্ধু, অর্থাৎ বায়ু ছাড়া আগুন জ্বলে না। 'বৈশ্বানর' হলো অগ্নির অপর নাম।
প্রশ্নঃ ‘ইতরবিশেষ’ বলতে বােঝায়—
[ বিসিএস ৪৪তম ]
‘ইতরবিশেষ’ বলতে বােঝায় গঃ পার্থক্য।
‘ইতর’ শব্দের অর্থ হলো অন্য, ভিন্ন বা সাধারণ এবং ‘বিশেষ’ মানে পার্থক্য বা বৈশিষ্ট্য। সুতরাং, ‘ইতরবিশেষ’ অর্থ হলো ভেদাভেদ, পার্থক্য বা কমবেশি।
প্রশ্নঃ ‘কুসীদজীবী’ বলতে কাদের বুঝায়?
[ বিসিএস ৪১তম ]
‘কুসীদজীবী’ বলতে মূলত সুদখোর বা যারা অতিরিক্ত সুদের বিনিময়ে ঋণ দেয় তাদেরকে বোঝায়।
এই শব্দটি সেই শ্রেণীর ব্যক্তিদের জন্য ব্যবহৃত হয় যারা অভাবী বা অসহায় মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে চড়া হারে সুদ আদায় করে এবং এর মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। কুসীদজীবীরা সাধারণত সমাজের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের শোষণ করে।
অতএব, ‘কুসীদজীবী’ শব্দটির মূল অর্থ হলো সুদের উপর জীবনধারণকারী ব্যক্তি বা অত্যধিক সুদ গ্রহণকারী মহাজন।
প্রশ্নঃ ‘তাম্বুলিক’ শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?
[ বিসিএস ৩৯তম ]
‘তাম্বুলিক’ শব্দের সমার্থক নয় তামসিক।
‘তাম্বুলিক’ শব্দের অর্থ হলো পান ব্যবসায়ী বা পান চাষী। এর সমার্থক শব্দগুলো হলো:
- খঃ বারুই - এটি পানচাষীকে বোঝায়।
- গঃ পান-ব্যবসায়ী - এটি সরাসরি পানের ব্যবসায়ীকে বোঝায়।
- ঘঃ পর্ণকার - এটিও পান প্রস্তুতকারক বা ব্যবসায়ীকে বোঝায় (পর্ণ অর্থ পাতা, এখানে পানের পাতা)।
অন্যদিকে, কঃ তামসিক শব্দটি ‘তমঃ’ (অন্ধকার, অজ্ঞানতা) থেকে উৎপন্ন, যার অর্থ অন্ধকারাচ্ছন্ন, অলস, জড়তাময় ইত্যাদি। এর সাথে ‘তাম্বুলিক’ শব্দের কোনো অর্থগত মিল নেই।
প্রশ্নঃ বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কী বলে?
[ বিসিএস ৩৯তম ]
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।
ব্যাকরণে, শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়, তখন তার সাথে কিছু বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়। এই যুক্ত হওয়া বর্ণ বা বর্ণসমষ্টিকে বিভক্তি বলে। বিভক্তি যুক্ত হওয়ার আগে শব্দের যে মূল রূপ থাকে, তাকেই প্রাতিপদিক বলা হয়।
প্রশ্নঃ ‘আগুন’- এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
[ বিসিএস ৩৯তম ]
'আগুন'-এর অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে। এখানে প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে 'সর্বশুচি' আগুনের একটি বিশেষ অর্থে সমার্থক। আগুন সবকিছু পুড়িয়ে ফেলে এবং পবিত্র করে, তাই একে 'সর্বশুচি' বলা হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলো আগুনের সমার্থক নয়:
- কঃ ভাতি - এর অর্থ আলো, কিরণ, শোভা ইত্যাদি।
- গঃ অংশ - এর অর্থ ভাগ, খণ্ড, উপাদান ইত্যাদি।
- ঘঃ জ্যোতি - এর অর্থ আলো, দীপ্তি, প্রভা ইত্যাদি। এটি আগুনের একটি গুণ হলেও সরাসরি সমার্থক নয়।
প্রশ্নঃ অম্বর এর প্রতিশব্দ কোনটি?
[ বিসিএস ৩৮তম ]
অম্বর শব্দের প্রতিশব্দ হলো আকাশ, নভ, গগন, ব্যোম, অন্তরীক্ষ, ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ বর্গের কোন বর্ণসমূহের ধ্বনি মহাপ্রাণধ্বনি?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণসমূহের ধ্বনি মহাপ্রাণধ্বনি।
বাংলা বর্ণমালায় ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫টি ব্যঞ্জনবর্ণকে স্পর্শবর্ণ বা বর্গীয় বর্ণ বলা হয়। এই বর্ণগুলোকে উচ্চারণ স্থান ও রীতি অনুসারে পাঁচটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে: ক-বর্গ, চ-বর্গ, ট-বর্গ, ত-বর্গ, প-বর্গ। প্রতিটি বর্গের পাঁচটি করে বর্ণ আছে।
মহাপ্রাণধ্বনি হলো সেইসব ধ্বনি যা উচ্চারণের সময় মুখগহ্বর থেকে অধিক বায়ুপ্রবাহ নির্গত হয়।
প্রতিটি বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণধ্বনি। উদাহরণস্বরূপ:
- ক-বর্গ: ক, খ, গ, ঘ, ঙ
- 'খ' এবং 'ঘ' হলো মহাপ্রাণধ্বনি।
- চ-বর্গ: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
- 'ছ' এবং 'ঝ' হলো মহাপ্রাণধ্বনি।
- ট-বর্গ: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
- 'ঠ' এবং 'ঢ' হলো মহাপ্রাণধ্বনি।
- ত-বর্গ: ত, থ, দ, ধ, ন
- 'থ' এবং 'ধ' হলো মহাপ্রাণধ্বনি।
- প-বর্গ: প, ফ, ব, ভ, ম
- 'ফ' এবং 'ভ' হলো মহাপ্রাণধ্বনি।
এছাড়াও, কিছু উষ্ম বা শিস ধ্বনি (যেমন শ, ষ, স, হ) মহাপ্রাণধ্বনি হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে বর্গের বর্ণসমূহের মধ্যে দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলোই মহাপ্রাণ।
প্রশ্নঃ কোনটি ‘অগ্নি’র সমার্থক শব্দ নয়?
[ বিসিএস ৩৭তম ]
'অগ্নি'র সমার্থক শব্দ নয় এমন বিকল্পটি হলো প্রজ্বলিত
ব্যাখ্যা:
- পাবক: অগ্নির একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
- বহ্নি: এটিও অগ্নির একটি সমার্থক শব্দ।
- হুতাশন: এটিও অগ্নির একটি সমার্থক শব্দ, যা বিশেষ করে যজ্ঞের আগুন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- প্রজ্বলিত: এটি একটি বিশেষণ পদ, যার অর্থ হলো 'জ্বলে উঠেছে' বা 'দীপ্তিমান'। এটি আগুনের অবস্থা বোঝায়, কিন্তু সরাসরি আগুনের নাম বা সমার্থক শব্দ নয়।
প্রশ্নঃ ‘এ যে আমাদের চেনা লোক’– বাক্যে ‘চেনা’ কোন পদ?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
‘এ যে আমাদের চেনা লোক’– বাক্যে ‘চেনা’ পদটি হলো বিশেষণ।
এখানে 'চেনা' শব্দটি 'লোক' (বিশেষ্য) পদটিকে বিশেষিত করছে, অর্থাৎ লোকটি কেমন - 'চেনা'।
প্রশ্নঃ ‘জল’ শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?
[ বিসিএস ৩৫তম ]
‘জল’ শব্দের সমার্থক নয় জলধি।
ব্যাখ্যা:
- সলিল, উদক, এবং নীর — এই তিনটিই 'জল' শব্দের সমার্থক শব্দ।
- জলধি শব্দের অর্থ হলো 'জল ধারণ করে যা', অর্থাৎ সাগর বা সমুদ্র। এটি কেবল 'জল' শব্দের সমার্থক নয়।
প্রশ্নঃ ‘সোমত্ত’ শব্দটির উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে?
[ বিসিএস ৪১তম ]
‘সোমত্ত’ শব্দটির উৎপত্তি সমর্থ শব্দ থেকে।
‘সোমত্ত’ শব্দটির উৎপত্তি সংস্কৃত শব্দ ‘সমর্থ’ থেকে। ‘সমর্থ’ শব্দের অর্থ হলো সক্ষম, যোগ্য, বা পূর্ণাঙ্গ। কালক্রমে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় ‘সোমত্ত’ রূপে ব্যবহৃত হয়, যা পূর্ণবয়স্ক বা যৌবনপ্রাপ্ত অর্থে বোঝায়।
অন্যান্য বিকল্পগুলো প্রাসঙ্গিক নয়:
- কঃ সোপান: এর অর্থ সিঁড়ি।
- গঃ সোল্লাস: এর অর্থ আনন্দিত বা উল্লসিত।
- ঘঃ সওয়ার: এটি একটি ফার্সি শব্দ, যার অর্থ আরোহী।
প্রশ্নঃ কোনটি ‘অগ্নি’-র সমার্থক শব্দ নয়?
[ বিসিএস ৩৩তম ]
সঠিক উত্তর হলো প্রজ্বলিত।
প্রজ্বলিত শব্দের অর্থ হলো 'যা জ্বলছে বা জ্বলন্ত অবস্থায় আছে'। এটি একটি বিশেষণ পদ।
অন্যদিকে, পাবক, বৈশ্বানর এবং সর্বশুচি – এই শব্দগুলো 'অগ্নি'-র সমার্থক শব্দ। এগুলো সবই বিশেষ্য পদ।
প্রশ্নঃ 'বৃক্ষ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
[ বিসিএস ৩২তম ]
'বৃক্ষ' শব্দের কয়েকটি সমার্থক শব্দ হলো:
- বিটপী
- তরু
- মহীরূহ
- শাখী
- পাদপ
- অগ
- দ্রুম
প্রশ্নঃ কোনটি ‘বাতাস’ শব্দের সমার্থক নয়?
[ বিসিএস ৩২তম ]
‘বাতাস’ শব্দের সমার্থক নয় কঃ পাবক।
'পাবক' শব্দের অর্থ হলো আগুন।
বাকি শব্দগুলো, যেমন মারুত, পবন এবং অনিল, সবই বাতাস শব্দের সমার্থক।
প্রশ্নঃ ‘অদিতি’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
[ বিসিএস ৩১তম ]
‘অদিতি’ শব্দের অর্থ পৃথিবী। পৃথিবীর অন্যান্য সমার্থক শব্দগুলো হলো: ধরা, ধরণী, ধরিত্রী, মহী, মেদিনী, ক্ষিতি, অবনী, বসুন্ধরা, বসুমতী, দুনিয়া, বসুধা, ভূ, ভূমণ্ডল, জগৎ, মর্ত্য, ব্রহ্মাণ্ড, বিশ্ব, ভুবন, অখিল, ভূলোক, সংসার প্রভৃতি। অন্যদিকে নীর শব্দের সমার্থক: পানি, জল, বারি।
প্রশ্নঃ ‘আফতাব’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
[ বিসিএস ৩১তম ]
‘আফতাব’ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: অর্ক, সূর্য, দিবাকর, রবি, ভানু, তপন, সবিতা, ভাস্কর, আদিত্য, মার্তণ্ড, প্রভাকর, মিহির প্রভৃতি। ‘রাতুল’ এর সমার্থক শব্দ হলো: লাল, রক্তবর্ণ। ‘অর্ণব’ ও ‘জলধি’র সমার্থক শব্দগুলো হলো: সমুদ্র, জলনিধি, পারাবার, রত্নাকর, সাগর, সিন্ধু, বারিধি, উদধি, বারীশ প্রভৃতি।
প্রশ্নঃ সমার্থক শব্দগুচ্ছ শনাক্ত করুন-
[ বিসিএস ২৩তম ]
কোনো শব্দের সম অর্থপূর্ণ অন্য শব্দেই হলো প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ। এরূপ ‘নদী’র সমার্থক শব্দ স্রোতস্বিনী, তটিনী, তরঙ্গিনী, প্রবাহিনী, শৈবালিনী, কল্লোলিনী, গাঙ, সরিৎ।
প্রশ্নঃ ‘সূর্য’-এর প্রতিশব্দ-
[ বিসিএস ১১তম | প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৮-০৮-২০১৫ ]
সূর্য-এর প্রতিশব্দ হলো রবি, ভানু, আফতাব, ভাস্কর, আদিত্য, দিবাকর, তপন, দিনমণি, মার্তণ্ড, অর্ঘমা, অর্ক, পুষা, সবিতা, প্রভাকর, মিহির, অরুণ, দিনেশ, বিভাকর, বালার্ক ইত্যাদি। চন্দ্র এর প্রতিশব্দ হলো চাঁদ, সুধাংশু, সুধাকর, শশাঙ্ক, শশধর, শশী, হিমাংশু, বিধু, নিশাকর, সোম, শীতাংশু, ইন্দু, নিশাপতি, মৃগাঙ্ক ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ ‘শিষ্টাচার’-এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
[ বিসিএস ১১তম | প্রা. প্র. শি. নি.৯-১০-২০১২ | প্রা. বি. স. শি. নি. ১০-০৮-২০১০ ]
‘নিষ্ঠা’ অর্থ একাগ্রতা, অনন্যচিত্ততা। ‘সততা’ অর্থ সত্যপরায়ণতা, সত্যনিষ্ঠা। ‘সংযম’ অর্থ নিয়ন্ত্রণ, দমন। ‘শিষ্টাচার’ অর্থ ভদ্রতা, সৌজন্য, সদাচার।