আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. তৎসম
খ. তদ্ভব
গ. দেশি
ঘ. বিদেশি
উত্তরঃ দেশি
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তরটি হলো গঃ দেশি

বাংলা শব্দ ভাণ্ডারে অনার্য জাতি, অর্থাৎ অস্ট্রিক, দ্রাবিড় প্রভৃতি প্রাচীন জনগোষ্ঠীর ব্যবহৃত শব্দগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়। এই শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসেনি এবং এদের মূল ভারতীয় আর্য ভাষার বাইরে খুঁজে পাওয়া যায়।

  • তৎসম: যে সকল সংস্কৃত শব্দ অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
  • তদ্ভব: যে সকল সংস্কৃত শব্দ সময়ের সাথে সাথে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
  • বিদেশি: বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দ, যেমন আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি।

সুতরাং, অনার্য জাতির ব্যবহৃত শব্দগুলো বাংলা ভাষার দেশি শব্দ ভাণ্ডারের অন্তর্ভুক্ত।

ক. কলম
খ. মলম
গ. বাঁশি
ঘ. শাখামৃগ
উত্তরঃ শাখামৃগ
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তরটি হলো ঘঃ শাখামৃগ

যোগরূঢ় শব্দ: যে সকল শব্দ সমাসবদ্ধ হওয়ার পর তাদের আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাদেরকে যোগরূঢ় শব্দ বলে।

  • শাখামৃগ: 'শাখা' (ডাল) এবং 'মৃগ' (পশু) এই দুটি শব্দের যোগে গঠিত হয়েছে 'শাখামৃগ'। এর আক্ষরিক অর্থ 'ডালে বিচরণকারী পশু' হলেও, এটি একটি বিশেষ অর্থে বানর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:

  • কলম: এটি একটি মৌলিক শব্দ, কোনো সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়নি এবং এর আক্ষরিক অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
  • মলম: এটিও একটি মৌলিক শব্দ এবং এর আক্ষরিক অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
  • বাঁশি: এটিও একটি মৌলিক শব্দ এবং এর আক্ষরিক অর্থেই ব্যবহৃত হয়।

সুতরাং, একমাত্র শাখামৃগ শব্দটি সমাসবদ্ধ হয়ে একটি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করছে, তাই এটি যোগরূঢ় শব্দ।

ক. পাঞ্জাবি
খ. ফরাসি
গ. গ্রিক
ঘ. স্পেনিশ
উত্তরঃ গ্রিক
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তরটি হলো গঃ গ্রিক

আরবি ‘কলম’ শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘kalamos’ (κάλαμος) থেকে এসেছে, যার অর্থ নলখাগড়া বা লেখার নল। ‘কলমোস’ হলো সেই গ্রিক শব্দেরই একটি পরিবর্তিত রূপ।

ক. প্রবীণ
খ. জেঠামি
গ. সরোজ
ঘ. মিতালি
উত্তরঃ মিতালি
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তরটি হলো ঘঃ মিতালি

যৌগিক শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা দুই বা ততোধিক স্বাধীন অর্থবোধক শব্দ যুক্ত হয়ে তৈরি হয় এবং নতুন অর্থ প্রকাশ করে।

আসুন, বিকল্প শব্দগুলোর বিশ্লেষণ করা যাক:

  • প্রবীণ: এটি একটি মৌলিক শব্দ। এর কোনো অংশ স্বাধীন অর্থ বহন করে না।
  • জেঠামি: এটি একটি কৃদন্ত শব্দ। "জেঠা" শব্দের সাথে "-আমি" প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ যৌগিক নয়, এগুলো সাধিত শব্দ।
  • সরোজ: এটিও একটি মৌলিক শব্দ। "সর" (পুকুর) এবং "জ" (জন্ম) আলাদাভাবে অর্থ বহন করলেও, "সরোজ" একটি নির্দিষ্ট অর্থ (পদ্ম) প্রকাশ করে এবং এর গঠন রূঢ়ি শব্দের মতো।
  • মিতালি: "মিতালি" শব্দটি "মিতা" (বন্ধু) এবং "আলি" (বন্ধুদের সমাহার বা ভাব) এই দুটি স্বাধীন অর্থবোধক শব্দ যোগে গঠিত হয়েছে এবং এটি বন্ধুত্ব বা সখ্যতা অর্থে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি একটি যৌগিক শব্দ।
ক. পর্তুগিজ
খ. হিন্দি
গ. গুজরাটি
ঘ. ফরাসি
উত্তরঃ গুজরাটি
ব্যাখ্যাঃ

‘হরতাল’ শব্দটি গঃ গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।

ক. পছন্দ
খ. হিসাব
গ. ধূলি
ঘ. শৌখিন
উত্তরঃ ধূলি
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো গঃ ধূলি

ধূলি একটি তৎসম শব্দ, যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় এসেছে।

অন্যান্য শব্দগুলোর উৎস:

  • কঃ পছন্দ - এটি ফারসি শব্দ।
  • খঃ হিসাব - এটি আরবি শব্দ।
  • ঘঃ শৌখিন - এটিও ফারসি শব্দ।
ক. তৎসম
খ. তদ্ভব
গ. ফারসি
ঘ. তুর্কি
উত্তরঃ তুর্কি
ব্যাখ্যাঃ

"বাবা" শব্দটি ঘঃ তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।

বাংলায় ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তুর্কি শব্দ হলো: বাবা, দারোগা, তোপ, বন্দুক, চাকু, বেগম, খান, বাহাদুর ইত্যাদি।

ক. ফারসী
খ. পর্তুগিজ
গ. ওলন্দাজ
ঘ. পাঞ্জাবী
উত্তরঃ পর্তুগিজ
ব্যাখ্যাঃ

‘গির্জা’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষার অন্তর্গত।

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের মধ্যে পর্তুগিজ শব্দ উল্লেখযোগ্য। খ্রিস্টানদের উপাসনালয় বোঝাতে 'গির্জা' শব্দটি পর্তুগিজ 'igreja' থেকে এসেছে।

ক. যৌগিক
খ. তৎসম
গ. দেশী
ঘ. অর্ধ-তৎসম
উত্তরঃ অর্ধ-তৎসম
ব্যাখ্যাঃ

‘জোছনা’ শব্দটি অর্ধ-তৎসম শ্রেণীর শব্দ।

অর্ধ-তৎসম শব্দ হলো সেইসব সংস্কৃত শব্দ যা কিছুটা পরিবর্তিত রূপে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। ‘জোছনা’ মূল সংস্কৃত শব্দ ‘জ্যোৎস্না’ থেকে পরিবর্তিত হয়ে ‘জোছনা’ রূপে প্রচলিত হয়েছে।

অন্যান্য শ্রেণীর শব্দ সম্পর্কে ধারণা:

  • যৌগিক শব্দ: একাধিক স্বাধীন অর্থবোধক শব্দ মিলিত হয়ে যে নতুন শব্দ তৈরি হয়। যেমন: জল+যান = জলযান।
  • তৎসম শব্দ: যে সকল সংস্কৃত শব্দ অপরিবর্তিত রূপে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। যেমন: চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র।
  • দেশী শব্দ: বাংলাদেশের আদিবাসী বা স্থানীয় ভাষা থেকে আগত শব্দ। যেমন: কুলা, গামছা, ঢেঁকি।
ক. সংস্কৃত
খ. হিন্দি
গ. অহমিয়া
ঘ. তুর্কি
উত্তরঃ তুর্কি
ব্যাখ্যাঃ

'বাবা' শব্দটি একটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দ। এটি বাংলা ভাষায় আগত অসংখ্য বিদেশি শব্দের মধ্যে একটি।

ক. দেশি
খ. বিদেশি
গ. তদ্ভব
ঘ. অর্ধ-তৎসম
উত্তরঃ অর্ধ-তৎসম
ব্যাখ্যাঃ

‘গিন্নি’ শব্দটি হলো ঘঃ অর্ধ-তৎসম শব্দ।

ব্যাখ্যা:

  • অর্ধ-তৎসম শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। এগুলোকে 'তৎসম' (সংস্কৃতের মতো) এবং 'তদ্ভব' (সংস্কৃত থেকে উদ্ভূত) শব্দের মাঝামাঝি ধরা হয়।
  • 'গিন্নি' শব্দটি এসেছে সংস্কৃত 'গৃহিণী' থেকে। 'গৃহিণী' থেকে পরিবর্তিত হয়ে এটি প্রথমে 'গিন্নী' এবং পরে 'গিন্নি' রূপ ধারণ করেছে। তাই এটি একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ।
ক. মানব
খ. গোলাপ
গ. একাঙ্ক
ঘ. ধাতব
উত্তরঃ গোলাপ
ব্যাখ্যাঃ

প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে গোলাপ হলো একটি মৌলিক শব্দ।

মৌলিক শব্দ হলো সেইসব শব্দ যাদেরকে আর কোনো ক্ষুদ্রতম অর্থপূর্ণ অংশে ভাঙা যায় না বা বিশ্লেষণ করা যায় না। এদের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ অভিন্ন হয়।

আসুন বিকল্পগুলো বিশ্লেষণ করি:

  • কঃ মানব: এটি প্রকৃতি ও প্রত্যয় দ্বারা বিশ্লেষণ করা যায়। 'মনু' (প্রকৃতি) + 'অ' (প্রত্যয়) = মানব। এর অর্থ 'মনু থেকে আগত'। এটি একটি সাধিত শব্দ।
  • খঃ গোলাপ: এই শব্দটিকে আর ভাঙা যায় না বা এর বিশ্লেষণ করা যায় না। এটি একটি স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করে এবং এর কোনো ব্যুৎপত্তিগত অর্থ নেই যা এর ব্যবহারিক অর্থের থেকে আলাদা।
  • গঃ একাঙ্ক: এটিও বিশ্লেষণযোগ্য। 'এক' + 'অঙ্ক' = একাঙ্ক। এর অর্থ 'এক অংকের নাটিকা' বা 'এক অংকের হিসাব'। এটি একটি সাধিত শব্দ।
  • ঘঃ ধাতব: এটিও বিশ্লেষণযোগ্য। 'ধাতু' (প্রকৃতি) + 'ষ্ণ' (প্রত্যয়) = ধাতব। এর অর্থ 'ধাতু দ্বারা নির্মিত' বা 'ধাতু সম্পর্কীয়'। এটি একটি সাধিত শব্দ।

সুতরাং, গোলাপ হলো একটি মৌলিক শব্দ।

ক. ইংরেজি + ফার্সি
খ. ইংরেজি + আরবি
গ. তুর্কি + আরবি
ঘ. ইংরেজি + পর্তুগিজ
উত্তরঃ ইংরেজি + ফার্সি
ব্যাখ্যাঃ

'হেড মৌলভী' শব্দটি ইংরেজি এবং ফারসি ভাষার শব্দ যোগে গঠিত হয়েছে।

  • হেড (Head): এটি একটি ইংরেজি শব্দ, যার অর্থ 'প্রধান'।
  • মৌলভী (Moulvi/Maulvi): এটি একটি ফারসি শব্দ, যা একজন ধর্মীয় পণ্ডিত বা শিক্ষককে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি আরবি থেকে ফারসিতে এবং পরে বাংলাতে এসেছে।
ক. ম্যাজেন্টা
খ. পিস্তল
গ. আলমারি
ঘ. কমা
উত্তরঃ কমা
ব্যাখ্যাঃ

‘কমা’ (comma) ইংরেজি বিরামচিহ্নের নাম—বাংলায়ও ইংরেজি থেকেই ধার করে ব্যবহার হয়। ‘পিস্তল’ ও ‘ম্যাজেন্টা’ ইংরেজিতে থাকলেও ‘আলমারি’ মূলত পর্তুগিজ উৎসের শব্দ (ইংরেজিতে সাধারণত wardrobe/cupboard)।

ক. পানসা
খ. ফুলেল
গ. গোলাপ
ঘ. হাতল
উত্তরঃ গোলাপ
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তরটি হলো গোলাপ

'গোলাপ' একটি মৌলিক শব্দ, যা কোনো প্রত্যয়, বিভক্তি বা সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়নি। এর কোনো অংশকে ভাঙলে আলাদা কোনো অর্থ পাওয়া যায় না।

অন্যদিকে, বাকি শব্দগুলো সাধিত শব্দ:

  • পানসা - 'পান' শব্দের সাথে 'সা' প্রত্যয় যোগ করে গঠিত।
  • ফুলেল - 'ফুল' শব্দের সাথে 'এল' প্রত্যয় যোগ করে গঠিত।
  • হাতল - 'হাত' শব্দের সাথে 'ল' প্রত্যয় যোগ করে গঠিত।
ক. ফার্সি
খ. তুর্কি
গ. পর্তুগিজ
ঘ. আরবি
উত্তরঃ তুর্কি
ব্যাখ্যাঃ

‘উজবুক’ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।

‘উজবুক’ শব্দটি এসেছে উজবেক (Uzbek) জাতিগোষ্ঠীর নাম থেকে। মোঘল আমলে উজবেকরা ভারতবর্ষের দরবারে প্রায়ই আসত এবং তাদের আচরণ অন্যদের কাছে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হতো। সেই সময় থেকেই ‘উজবুক’ শব্দটি ‘বোকা’ বা ‘নির্বোধ’ অর্থে ব্যবহৃত হতে শুরু করে।

ক. তুফান
খ. লুঙ্গী
গ. কুশন
ঘ. দাম
উত্তরঃ দাম
ব্যাখ্যাঃ

‘দাম’ হচ্ছে গ্রিক শব্দ। ‘তুফান’, ‘লুঙ্গী’ ও ‘কুশন’ যথাক্রমে আরবি, বর্মি ও ইংরেজি শব্দ।

ক. বাংলা + ফারসি
খ. সংস্কৃত + ফারসি
গ. ফারসি + আরবি
ঘ. সংস্কৃত + আরবি
উত্তরঃ ফারসি + আরবি
ব্যাখ্যাঃ

‘চৌ-হদ্দি’ হলো চৌ + হদ্দি। এখানে ‘চৌ’ অংশটুকু ফারসি এবং ‘হদ্দ’ অংশটুকু আরবি ভাষার শব্দ। ফারসি ‘চৌ’ অর্থ চার এবং ‘হদ্দ’ অর্থ সীমানা। সুতরাং চৌ-হদ্দি শব্দের অর্থ চতুঃসীমা। যেমন- বাড়ি বা জমির চৌহদ্দি।

ক. মুসাফির
খ. তকদির
গ. পেরেশান
ঘ. মজলুম
উত্তরঃ পেরেশান
ব্যাখ্যাঃ

‘পেরেশান’ শব্দটি ফারসি শব্দ, যার অর্থ উদ্বিগ্ন বা চিন্তিত। ‘তকদির’ শব্দটি আরবি শব্দ, যার অর্থ অদৃষ্ট, নসিব বা ভাগ্য। ‘মুসাফির’ শব্দটি আরবি শব্দ,যার অর্থ বিদেশে ভ্রমণকারী ব্যক্তি। ‘মজলুম’ শব্দটিও আরবি শব্দ ,যার অর্থ অত্যাচারিত।

ক. আইন
খ. দাখিল
গ. এজেন্ট
ঘ. মুচলেকা
উত্তরঃ এজেন্ট
ব্যাখ্যাঃ

‘এজেন্ট’ (agent) ইংরেজি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ। এটার অর্থ শাসক, ব্যবসায়ী বা অন্য কারো প্রতিনিধি বা উকিল। ‘দাখিল’ শব্দটি এসেছে আরবি ভাষা থেকে যার অর্থ পেশ বা উপস্থাপন করা । ‘আইন’ শব্দটি এসেছে ফারসি ভাষা থেকে, যার অর্থ সরকারি বিধি, বিধান বা কানুন। ‘মুচলেকা’ শব্দটি এসেছে তুর্কি ভাষা থেকে, যার অর্থ শর্তভঙ্গ করলে দণ্ডভোগ করতে হবে- এই মর্মে লিখিত অঙ্গীকারপত্র।

ক. পাকা বাড়ি
খ. পাকা রং
গ. পাকা কাজ
ঘ. পাকা আম
উত্তরঃ পাকা আম
ব্যাখ্যাঃ

পাকা’ শব্দটি সাধারণত পক্ক, শুভ্র বা শুক্ল, স্থায়ী, নিপুণ, সম্পূর্ণ, খাঁটি ইত্যাদি হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়। এখানে পক্ক অর্থ বোঝানো হচ্ছে 'পাকা আম' দ্বারা । অন্যদিকে পাকা বাড়ি বলতে ইটের তৈরি বাড়ি; পাকা রং বলতে স্থায়ী রং এবং পাকা কাজ বলতে নিপুণতার সাথে কৃতকাজকে বোঝানো হয়।

ক. ফারসি
খ. উর্দু
গ. আরবি
ঘ. ইংরেজি
উত্তরঃ আরবি
ব্যাখ্যাঃ

বাবেল মান্দেব একটি আরবি শব্দ। এখানে এক সময় প্রচুর জাহাজ ডুবি হতো ও অনেক মানুষ মারা যেত। এটি বর্তমানে একটি প্রণালী, যা এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে এবং এডেন সাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

ক. হিন্দি
খ. উর্দু
গ. পর্তুগীজ
ঘ. গ্রিক
উত্তরঃ পর্তুগীজ
ব্যাখ্যাঃ

প্রশ্নে উল্লিখিত ‘পেয়ারা’ শব্দটি পর্তুগীজ ভাষা থেকে এসেছে। পর্তুগীজ ভাষা থেকে আগত এরূপ আরো কিছু শব্দ হলো আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, বালতি, তোয়ালে, সাবান, বারান্দা।

ক. টেবিল
খ. চেয়ার
গ. বালতি
ঘ. শরবত
উত্তরঃ বালতি
ব্যাখ্যাঃ

পর্তুগিজ ভাষা হতে আগত অন্যান্য বাংলা শব্দ হলো আলকাতরা, আলপিন, আলমারি, পেরেক, জানালা, বারান্দা, কামরা, ইংরেজ, গুদাম, গির্জা, পাদ্রি, কেরানি, আয়া, পেঁপে, পেয়ারা, আতা, আচার, পাউরুটি, তামাক, বোতাম, ফিতা, টুপি, সেমিজ, কামিজ, সাবান, তোয়ালে, গামলা, বালতি ইত্যাদি। টেবিল, চেয়ার ইংরেজি শব্দ; শরবত আরবি শব্দ।

ক. দুই ভাগে
খ. তিন ভাগে
গ. চার ভাগে
ঘ. পাঁচ ভাগে
উত্তরঃ তিন ভাগে
ব্যাখ্যাঃ

শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ সমষ্টিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। এই ভাগগুলো হলো:

যৌগিক শব্দ:
যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ অভিন্ন, তাদেরকে যৌগিক শব্দ বলা হয়। যেমন: গায়ক (গৈ+অক), কর্তব্য (কৃ+তব্য), বাবুয়ানা (বাবু+আনা) ইত্যাদি।

রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ আলাদা, তাদেরকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলা হয়। যেমন: হস্তী (হস্ত+ইন), বাঁশি (বাঁশ+ই), তৈল (তিল+অ) ইত্যাদি।

যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যেসব শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদের অর্থের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাদেরকে যোগরূঢ় শব্দ বলা হয়।

* যেমন: পঙ্কজ (পঙ্কে জন্মে যা), জলধি (জল ধারণ করে যা), মহাযাত্রা (মহতী যে যাত্রা) ইত্যাদি।

ক. আরবি ভাষা থেকে
খ. ফরাসি ভাষা থেকে
গ. হিন্দি ভাষা থেকে
ঘ. উর্দু ভাষা থেকে
উত্তরঃ আরবি ভাষা থেকে
ব্যাখ্যাঃ

লা আরবি উপসর্গ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গগুলো হলো: ফারসি- কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম; ইংরেজি- হাফ, ফুল, হেড ও সাব; আরবি- আম, খাস, লা, গর; হিন্দি/ উর্দু-হর।

ক. গোলাপ
খ. শীতল
গ. নেয়ে
ঘ. গৌরব
উত্তরঃ গোলাপ
ব্যাখ্যাঃ

যে শব্দকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন- গোলাপ, নাক, লাল। যে শব্দকে বিশ্লেষণ করলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায়, তাকে সাধিত শব্দ বলে। এখানে শীতল, নেয়ে, গৌরব সাধিত শব্দ।

ক. চাকু, চাকর
খ. খদ্দর, হরতাল
গ. চা, চিনি
ঘ. রিকশা, রেস্তোঁরা
উত্তরঃ চা, চিনি
ব্যাখ্যাঃ
বিদেশি শব্দ উদাহরণ
চীনা শব্দ চা, চিনি, সাম্পান, লিচু, লুচি
গুজরাটি শব্দ খদ্দর, হরতাল
তুর্কি শব্দ চাকর, চাকু, তোপ, দারোগা, খোকা, বাবা, বেগম, উজবুক, বাবুর্চি
জাপানি শব্দ রিক্সা, হারিকিরি, জুডো, ক্যারাটে, হাসনাহেনা
ফরাসি শব্দ কার্তুজ, কুপন, ডিপো, রেস্তোরা, বুর্জোয়া
ক. চাঁদ
খ. সূর্য
গ. নক্ষত্র
ঘ. গগন
উত্তরঃ চাঁদ
ব্যাখ্যাঃ

সূর্য, গগন ও নক্ষত্র হলো তৎসম শব্দ। অন্য ভাষার যেসব শব্দ অর্থ ঠিক রেখে বানান ও উচ্চারণ পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে এবং একটি নিজস্ব রূপ গ্রহণ করেছে তাদেরকে তদ্ভব শব্দ বলে। যেমন - হাত, ভাত, চামার, কামার, চান, সাঁঝ, বৌ, নুন ইত্যাদি।