আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. ১৯৯০
খ. ১৯৯২
গ. ১৯৯৪
ঘ. ১৯৯৬
উত্তরঃ ১৯৯২
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা একাডেমি ১৯৯২ সালের ডিসেম্বরে প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন করে। পরবর্তীতে ২০০০ সালে কিছু নিয়ম সংশোধন করা হয় এবং ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিয়মগুলোর পরিমার্জন করা হয়।

ক. মুলো
খ. মুলা
গ. ধুলি
ঘ. ধূলো
উত্তরঃ কোনটি সঠিক নয়।
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক বানানটি হলো খঃ মুলা এবং গঃ ধুলি।

বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, এই দুটি বানানই শুদ্ধ।

মুলা (মূল + আ) - এটি একটি ফল বা সবজির নাম। ধুলি (ধূলা + ই) - এর অর্থ হলো ক্ষুদ্র ধূলিকণা। "মুলো" এবং "ধূলো" এই বানান দুটি প্রমিত নয়।

ক. শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন
খ. শিরোশ্ছেদ, দারিদ্র্য, সমীচিন
গ. শিরঃশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমিচীন
ঘ. শিরচ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন
উত্তরঃ শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক বানানের গুচ্ছ হলো কঃ শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন

আসুন, প্রতিটি শব্দের সঠিক বানান এবং তার কারণ জেনে নেওয়া যাক:

  • শিরশ্ছেদ: বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুসারে, শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ। বিসর্গের পরে চ বা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে শ হয়।
  • দরিদ্রতা: দরিদ্র শব্দের সাথে '-তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দরিদ্রতা শব্দটি গঠিত হয়েছে। এখানে 'য' ফলা হবে না।
  • সমীচীন: এই বানানটি সঠিক। 'সমীচিন' বা 'সমিচীন' নয়।

সুতরাং, বিকল্প -এর সবগুলো বানানই শুদ্ধ।

ক. একটি
খ. দুটি
গ. তিনটি
ঘ. ভুল নেই
উত্তরঃ তিনটি
ব্যাখ্যাঃ

‘সুনামীর তান্ডবে অনেকেই সর্বশান্ত হয়েছে।’- বাক্যটিতে তিনটি ভুল আছে।

সঠিক বাক্যটি হবে: ‘সুনামির তাণ্ডবে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়েছে।’

ভুলগুলো হলো:

১. সুনামীর: সঠিক বানান হবে সুনামির (হ্রস্ব ই-কার)। ২. তান্ডবে: সঠিক বানান হবে তাণ্ডবে (ণ-এর জায়গায় ণ)। ৩. সর্বশান্ত: সঠিক শব্দ হবে সর্বস্বান্ত (তালব্য শ-এর জায়গায় দন্ত্য স এবং ত-এর সাথে ব ফলা)।

ক. মুমুর্ষু
খ. মূমুর্ষূ
গ. মুমূর্ষু
ঘ. মূমূর্ষ
উত্তরঃ মুমূর্ষু
ব্যাখ্যাঃ

শুদ্ধ বানান হলো গঃ মুমূর্ষু।

ক. আমি কারও সাতেও নেই, সতেরােতেও নেই।
খ. আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
গ. তার দু’চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল।
ঘ. সারা জীবন ভূতের মজুরি খেটে মরলাম।
উত্তরঃ তার দু’চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল।
ব্যাখ্যাঃ

অন্যান্য অপশন গুলোর শুদ্ধরূপ হলো: (ক) আমি কারও সাতেও নেই, পাঁচেও নেই, (খ) আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত এবং (ঘ) সারাজীবন ভূতের বেগার খেটে মরলাম।

ক. ভূবন
খ. অন্তঃসার
গ. মুহূর্ত
ঘ. অদ্ভুত
উত্তরঃ ভূবন
ব্যাখ্যাঃ

ভুল বানান হল কঃ ভূবন

সঠিক বানান হবে ভূবন (ভ দীর্ঘ ঊকার)।

অন্যান্য বানানগুলো সঠিক:

  • অন্তঃসার
  • মুহূর্ত
  • অদ্ভুত
ক. ধরণি
খ. মূর্ছা
গ. গুণ
ঘ. প্রানী
উত্তরঃ প্রানী
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক বানান নয় ঘঃ প্রানী

এর সঠিক বানান হলো প্রাণী

অন্যান্য বানানগুলো সঠিক:

  • ধরণি
  • মূর্ছা
  • গুণ
ক. যন্ত্রনা
খ. শূভ্র
গ. সহযোগিতা
ঘ. স্বতঃ স্ফূর্ত
উত্তরঃ যন্ত্রনা
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো কঃ যন্ত্রনা

"যন্ত্রনা" শব্দটি অশুদ্ধ। এর শুদ্ধ বানান হলো যন্ত্রণা

অন্যান্য বানানগুলো শুদ্ধ:

  • শূভ্র
  • সহযোগিতা
  • স্বতঃস্ফূর্ত
ক. মনোকষ্ট
খ. মনঃকষ্ট
গ. মণকষ্ট
ঘ. মনকস্ট
উত্তরঃ মনঃকষ্ট
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক বানান: খঃ মনঃকষ্ট

ব্যাখ্যা: "মনঃকষ্ট" শব্দটি দুটি অংশ নিয়ে গঠিত—"মনঃ" এবং "কষ্ট"। এখানে "মনঃ" হলো "মন" শব্দের পরে বিশর্গ যুক্ত একটি রূপ, যা ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের আগে বসে। তাই "মন" + "কষ্ট" = "মনঃকষ্ট"।

ভুল অপশন বিশ্লেষণ:

  • কঃ মনোকষ্ট → ভুল; এখানে বিশর্গ নেই।
  • গঃ মণকষ্ট → ভুল; "মণ" মানে ওজনের একক, এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
  • ঘঃ মনকস্ট → ভুল; বানান অশুদ্ধ ও ইংরেজি উচ্চারণে বিভ্রান্তিকর।
ক. প্রজ্বল
খ. প্রোজ্জল
গ. প্রোজ্বল
ঘ. প্রোজ্জ্বল
উত্তরঃ প্রোজ্জ্বল
ব্যাখ্যাঃ

শুদ্ধ বানান হলো প্রোজ্জ্বল

এই বানানে দুটি 'জ্' এবং 'ব' এর পরে একটি 'ল' যুক্ত হয়।

ক. অধোগতি
খ. অধঃগতি
গ. অধগতি
ঘ. অধোঃগতি
উত্তরঃ অধোগতি
ব্যাখ্যাঃ

অধোগতি শব্দের অর্থ অবনতি। সন্ধিতে গঠিত। যেমন- অধঃ + গতি = অধোগতি, মনঃ + গত = মনোগত, বয়ঃ + জ্যেষ্ঠ = বয়োজ্যেষ্ঠ , সদ্যঃ + জাত = সদ্যোজাত

ক. শূণ্য
খ. ত্রিভুজ
গ. পূন্য
ঘ. ভূবন
উত্তরঃ ত্রিভুজ
ব্যাখ্যাঃ

শুদ্ধ বানান শব্দটি হলো ত্রিভুজ

ব্যাখ্যা:

  • কঃ শূণ্য - ভুল। শুদ্ধ বানান হলো শূন্য
  • গঃ পূন্য - ভুল। শুদ্ধ বানান হলো পুণ্য
  • ঘঃ ভূবন - ভুল। শুদ্ধ বানান হলো ভুবন
ক. জবাবদিহি
খ. মিথস্ক্রিয়া
গ. একত্রিত
ঘ. গৌরবিত
উত্তরঃ একত্রিত
ব্যাখ্যাঃ

অপপ্রয়োগ ঘটেছে একত্রিত শব্দটিতে।

কারণ:

  • একত্রিত শব্দটি নিজেই একটি ক্রিয়া বিশেষ্য। এর অর্থ 'একত্র করা হয়েছে এমন' বা 'একত্র হওয়া'। 'একত্র' শব্দটির সঙ্গেই 'ইত' প্রত্যয় যোগ করে এর ক্রিয়া সম্পন্ন রূপ বোঝানো হয়। 'করা' বা 'হওয়া' ক্রিয়াপদ যুক্ত না করাই উচিত।
  • সঠিক প্রয়োগ: কেবল একত্র ব্যবহার করাই যথেষ্ট। যেমন: "আমরা সবাই একত্র হলাম।" বা "সকল কাগজপত্র একত্র করুন।"

অন্যান্য বিকল্পগুলো শুদ্ধ প্রয়োগ:

  • জবাবদিহি: 'জবাব' এবং 'দিহি' শব্দাংশ দিয়ে গঠিত এটি একটি শুদ্ধ যৌগিক শব্দ, যার অর্থ জবাব দেওয়া বা কৈফিয়ত দেওয়া।
  • মিথস্ক্রিয়া: 'মিথস' (পরস্পর) এবং 'ক্রিয়া' (কাজ) দিয়ে গঠিত একটি শুদ্ধ যৌগিক শব্দ, যার অর্থ পারস্পরিক ক্রিয়া বা পারস্পরিক প্রভাব।
  • গৌরবিত: 'গৌরব' শব্দের সাথে 'ইত' প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি শুদ্ধ বিশেষণ, যার অর্থ গৌরবযুক্ত বা সম্মানিত।
ক. স্বায়ত্তশাসন
খ. সায়ত্তশাসন
গ. সায়ত্ত্বশাসন
ঘ. স্বায়ত্বশাসন
উত্তরঃ স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যাঃ

এখানে সঠিক বানান হলো স্বায়ত্তশাসন। এর ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:

  • স্বায়ত্তশাসন (Self-governance / Autonomy) শব্দটি এসেছে 'স্বয়ং' এবং 'শাসন' শব্দ দুটি থেকে।
  • 'স্বয়ং' শব্দের অর্থ 'নিজ' বা 'নিজের'।
  • বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'স্বয়ং' শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দ যুক্ত হলে 'য়' এর পরে 'ত্ত' (দ্বিত্ব ত) আসে।

তাই, 'নিজের দ্বারা শাসন' বা 'নিজেকে শাসন' বোঝাতে স্বায়ত্তশাসন শব্দটি সঠিক বানানে লেখা হয়।

ক. নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধ্ব
খ. অনূর্বর, ঊর্ধ্বগামী, শুদ্ধ্যশুদ্ধি
গ. ভূরিভূরি, ভূঁড়িওয়ালা, মাতৃষ্বসা
ঘ. রানি, বিকিরণ, দুরতিক্রম্য
উত্তরঃ নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধ্ব
ব্যাখ্যাঃ

নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধ্ব অপশনের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ। শুদ্ধরূপ : নিক্বণ, সূচ্যগ্র ও অনূর্ধ্ব। অন্যদিকে অপশনের অনূর্বর ও শুদ্যশুদ্ধি এবং অপশনের ভূঁড়িওয়ালা শব্দের শুদ্ধরূপ যথাক্রমে– অনুর্বর শুদ্ধাশুদ্ধি ও ভুঁড়িওয়ালা। বাকি অপশনের সবগুলো বানানই শুদ্ধ।

ক. অহিংস–সহিংস
খ. প্রসন্ন–বিষণ্ন
গ. দোষী–নির্দোষী
ঘ. নিষ্পাপ–পাপিনী
উত্তরঃ দোষী–নির্দোষী
ব্যাখ্যাঃ

আসুন, প্রতিটি জোড়া বিশ্লেষণ করে দেখি কোনটি অশুদ্ধ:

  • কঃ অহিংস–সহিংস

    • 'অহিংস' (হিংসা বর্জিত) এর বিপরীত শব্দ 'সহিংস' (হিংসা যুক্ত)। এটি শুদ্ধ।
  • খঃ প্রসন্ন–বিষণ্ন

    • 'প্রসন্ন' (আনন্দিত, খুশি) এর বিপরীত শব্দ 'বিষণ্ন' (বিষাদগ্রস্ত, দুঃখিত)। এটি শুদ্ধ।
  • গঃ দোষী–নির্দোষী

    • 'দোষী' (অপরাধী, দোষযুক্ত) এর বিপরীত শব্দ 'নির্দোষ' (দোষমুক্ত)। 'নির্দোষী' বলে কোনো শব্দ নেই বা এটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। এটি অশুদ্ধ।
  • ঘঃ নিষ্পাপ–পাপিনী

    • 'নিষ্পাপ' (পাপমুক্ত) এর বিপরীত শব্দ হিসেবে 'পাপী' বা 'পাপীনি' (পাপযুক্ত ব্যক্তি বা নারী) ব্যবহৃত হতে পারে। যদিও 'পাপীনি' শব্দটি 'পাপী' শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ, এটি 'নিষ্পাপ' এর সরাসরি বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে, 'দোষী-নির্দোষী'র মতো এটি ততটা প্রকট ভুল নয়।

সবচেয়ে স্পষ্ট এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল জোড়াটি হলো গঃ দোষী–নির্দোষী। 'নির্দোষী' বলে কোনো শব্দ নেই। সঠিক বিপরীত শব্দ হলো 'নির্দোষ'।

অতএব, সঠিক উত্তর হলো গঃ দোষী–নির্দোষী

ক. আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
খ. তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।
গ. তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।
ঘ. সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যায় না।
উত্তরঃ তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।
ব্যাখ্যাঃ

প্রতিটি বাক্য বিশ্লেষণ করে দেখি কোনটি শুদ্ধ:

  • কঃ আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।

    • এই বাক্যটি অশুদ্ধ। 'স্বপরিবারে' শব্দটি ভুল। শুদ্ধ বানান হবে 'সপরিবারে'। 'স' উপসর্গ যুক্ত হলে 'স্ব' হয় না।
    • শুদ্ধ বাক্য: আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।
  • খঃ তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।

    • এই বাক্যটি শুদ্ধ। 'আশ্চর্য' থেকে 'আশ্চর্যান্বিত' শব্দটি গঠিত, যার অর্থ আশ্চর্য বোধ করা বা বিস্মিত হওয়া।
  • গঃ তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।

    • এই বাক্যটি অশুদ্ধ। 'পরশ্রীকাতরতা' (অন্যের উন্নতিতে ঈর্ষা) একটি নেতিবাচক গুণ। এতে কেউ 'মুগ্ধ' হয় না। বরং 'বিরক্ত' বা 'ক্ষুব্ধ' হতে পারে। এটি অর্থের দিক থেকে ভুল।
    • শুদ্ধ বাক্য: তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি বিরক্ত/ক্ষুব্ধ হলাম।
  • ঘঃ সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যায় না।

    • এই বাক্যটি অশুদ্ধ। 'তিনি' একটি সম্মানসূচক সর্বনাম, তাই এর সাথে 'যায় না' ক্রিয়াটি ব্যবহার করা ভুল। শুদ্ধ ক্রিয়াপদ হবে 'যান না'।
    • শুদ্ধ বাক্য: সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যান না

সুতরাং, শুদ্ধ বাক্যটি হলো খঃ তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।

ক. ব + ন্ + ধ + ন্
খ. বন্ + ধন্
গ. ব + ন্ধ + ন
ঘ. বান্ + ধন্
উত্তরঃ বন্ + ধন্
ব্যাখ্যাঃ

'বন্ধন' শব্দের সঠিক অক্ষর বিন্যাস হলো:

বন্ + ধন

এখানে:

  • 'বন্' হলো একটি বদ্ধাক্ষর (ব্যঞ্জন + স্বর + ব্যঞ্জন)
  • 'ধন' হলো আরেকটি বদ্ধাক্ষর (ব্যঞ্জন + স্বর + ব্যঞ্জন)

যদি স্বরধ্বনির উচ্চারণকে ভিত্তি করে অক্ষর (syllable) বিশ্লেষণ করা হয়, তাহলে এটি হবে:

বন্-ধন

যদি বর্ণ বিশ্লেষণ চাওয়া হয়: ব্ + অ + ন্ + ধ্ + অ + ন্

ক. জ্ + ঞ
খ. ঞ্ + গ
গ. ঞ্ + জ
ঘ. গ্ + ঞ
উত্তরঃ জ্ + ঞ
ব্যাখ্যাঃ

'বিজ্ঞান' শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ হলো জ্ + ঞ (জ + ঞ)।

এটি 'জ্ঞ' হিসেবে লেখা হয় এবং এর উচ্চারণ সাধারণত 'গ্গঁ' বা 'গ্যঁ'-এর মতো হয়, যেমন: জ্ঞান, যজ্ঞ।

ক. কল্যাণ
খ. প্রবণ
গ. নিক্কণ
ঘ. বিপণি
উত্তরঃ প্রবণ
ব্যাখ্যাঃ

ণ-ত্ব বিধি হলো বাংলা বানানের একটি নিয়ম, যা মূলত তৎসম (সংস্কৃত থেকে আগত) শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই নিয়ম অনুযায়ী, ঋ (ঋ), র (র-ফলা বা রেফ), ষ (ষ) - এই তিনটি বর্ণের পরে যদি দন্ত্য-ন আসে, তবে তা মূর্ধন্য-ণ-তে পরিবর্তিত হয়। এমনকি যদি ঋ, র, ষ-এর পরে ক-বর্গ, প-বর্গ, য, ব, হ, ং (অনুস্বার) থাকে, তার পরেও দন্ত্য-ন মূর্ধন্য-ণ হয়।

এবার বিকল্পগুলো বিশ্লেষণ করি:

  • কঃ কল্যাণ: এই শব্দে 'ল' এর পরে 'ণ' বসেছে। 'ল' বর্ণটি ণ-ত্ব বিধির প্রযোজ্য বর্ণগুলির (ঋ, র, ষ) অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই এটি ণ-ত্ব বিধির কারণে 'ণ' হয়নি, বরং শব্দের নিজস্ব গঠনগত কারণেই 'ণ' আছে।
  • খঃ প্রবণ: এই শব্দটিতে 'প্র' তে 'র' রয়েছে। 'র' এর পরে 'ব' (প-বর্গীয় বর্ণ) এবং তারপরে 'ণ' এসেছে। ণ-ত্ব বিধির নিয়ম অনুযায়ী, 'র' এর পরে যদি 'ন' আসে এবং তাদের মাঝে প-বর্গীয় বর্ণ থাকে, তাহলে 'ন' পরিবর্তিত হয়ে 'ণ' হয়। সুতরাং, 'প্রবণ' শব্দটি ণ-ত্ব বিধি অনুসারে 'ণ'-এর ব্যবহার হয়েছে।
  • গঃ নিক্কণ: এই শব্দে 'ক্ক' এর পরে 'ণ' বসেছে। 'ক্ক' বর্ণটি ণ-ত্ব বিধির প্রযোজ্য বর্ণগুলির অন্তর্ভুক্ত নয়। এটিও নিজস্ব গঠনগত কারণে 'ণ' আছে।
  • ঘঃ বিপণি: এই শব্দে 'প' এর পরে 'ণ' বসেছে। 'প' বর্ণটি ণ-ত্ব বিধির প্রযোজ্য বর্ণগুলির অন্তর্ভুক্ত নয়। এটিও নিজস্ব গঠনগত কারণেই 'ণ' আছে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো প্রবণ

ক. প্রথমটি অশুদ্ধ, দ্বিতীয়টি শুদ্ধ
খ. প্রথমটি শুদ্ধ, দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ
গ. দুটোই অশুদ্ধ
ঘ. দুটোই শুদ্ধ
উত্তরঃ দুটোই অশুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ

দেওয়া বাক্যটির নিম্নরেখ পদ দুটিতে দন্ত্য 'স' (স) এবং মূর্ধন্য 'ষ' (ষ)-এর ব্যবহারে ভুল হয়েছে

বিশ্লেষণ:

  1. পুরষ্কার (Purashkar):

    • সঠিক বানানটি হলো 'পুরস্কার'
    • সংস্কৃত নিয়ম অনুযায়ী, কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গের (যেমন 'পুরস্' বা 'পুরঃ') পরে 'ক' বা 'ফ' থাকলে 'স' হয়, 'ষ' হয় না।
    • এখানে 'ষ' এর পরিবর্তে 'স' ব্যবহার করা উচিত ছিল।
  2. অপরিস্কার (Oporiskar):

    • সঠিক বানানটি হলো 'অপরিষ্কার'
    • 'পরি-' উপসর্গের পর 'কৃ' ধাতু থেকে আগত শব্দে 'ষ' হয়। যেমন: পরিষ্কার, পরিষ্করণ।
    • এখানে 'স' এর পরিবর্তে 'ষ' ব্যবহার করা উচিত ছিল।

সুতরাং, উভয় পদেই ষ-ত্ব বিধান ও স-ত্ব বিধানের নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে

ক. মনীষী
খ. মনিষি
গ. মনীষি
ঘ. মনিষী
উত্তরঃ মনীষী
ব্যাখ্যাঃ

'মনীষী' বানানটি একটি তৎসম শব্দ (সংস্কৃত থেকে সরাসরি আগত) এবং এর সঠিক বানানের জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে:

১. মূর্ধন্য 'ষ' (ষ) এর ব্যবহার: 'মনীষী' শব্দটি 'মনীষা' থেকে এসেছে, যার অর্থ প্রজ্ঞা বা জ্ঞান। 'মনীষা' শব্দটি 'মনস্' এবং 'ঈষ্' ধাতু বা প্রত্যয়ের সমন্বয়ে গঠিত। সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'ই' বা 'উ'-কারের পর যদি 'স' আসে এবং তা কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গের অংশ হয়, তবে তা অনেক সময় 'ষ' তে পরিবর্তিত হয়। 'মনীষা' এবং 'মনীষী' শব্দে এই নিয়মটি প্রযোজ্য।

২. দীর্ঘ ঈ-কার (ী) এর ব্যবহার: 'মনীষী' একটি কর্তৃবাচক শব্দ (যে ব্যক্তি কোনো কাজ করেন বা কোনো গুণ ধারণ করেন)। সংস্কৃত ব্যাকরণে, যেসকল কর্তৃবাচক বিশেষ্য পদ 'ইন্' প্রত্যয় যোগে গঠিত হয় (যেমন: জ্ঞানিन्, গুণিन्), তাদের বাংলাতে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার (ী) দিয়ে শেষ করা হয় (যেমন: জ্ঞানী, গুণী)। 'মনীষী' শব্দটিও এই নিয়মের অধীন।

সুতরাং, 'মনীষী' বানানে দুটি দীর্ঘ ঈ-কার (ী) এবং একটি মূর্ধন্য 'ষ' (ষ) ব্যবহৃত হয়।

বানান বিশ্লেষণ: ম + ন + ঈ (দীর্ঘ ঈ-কার) + ষ + ঈ (দীর্ঘ ঈ-কার) = মনীষী

ক. পুরষ্কার
খ. আবিস্কার
গ. সময়পোযোগী
ঘ. স্বত্ব
উত্তরঃ স্বত্ব
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক বানানটি হলো স্বত্ব

অন্য বানানগুলো ভুল:

  • কঃ পুরষ্কার - শুদ্ধ বানান পুরস্কার
  • খঃ আবিস্কার - শুদ্ধ বানান আবিষ্কার
  • গঃ সময়পোযোগী - শুদ্ধ বানান সময়োপযোগী
ক. দরিদ্রতা
খ. উপযোগিতা
গ. শ্রদ্ধাঞ্জলি
ঘ. উর্দ্ধ
উত্তরঃ উর্দ্ধ
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো ঘঃ উর্দ্ধ। এটি শুদ্ধ বানান নয়।

এর শুদ্ধ বানান হলো উর্ধ বা ঊর্ধ্ব

ক. তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
খ. দরিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা।
গ. সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল।
ঘ. সর্ব বিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করা উচিত।
উত্তরঃ দরিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা।

প্রশ্নঃ কোনটি সঠিক বানান?

[ বিসিএস ৩৩তম | ১৮তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

ক. নিশিথিনী
খ. নীশিথিনী
গ. নিশীথিনী
ঘ. নিশিথিনি
উত্তরঃ নিশীথিনী
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক বানানটি হলো নিশীথিনী

শব্দটির অর্থ হলো গভীর রাত্রি বা নিশি।

ক. পিপিলিকা
খ. পিপীলিকা
গ. পীপিলিকা
ঘ. রোহিনী
উত্তরঃ পিপীলিকা
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো পিপীলিকা

‘পিপীলিকা’ অর্থ হলো পিঁপড়া। এটি একটি স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ।

ক. আকাংখা
খ. আকাঙ্ক্ষা
গ. আকাঙ্খা
ঘ. আকাংক্ষা
উত্তরঃ আকাঙ্ক্ষা
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক বানানটি হলো খঃ আকাঙ্ক্ষা

অন্যান্য বিকল্পগুলোতে বানান ভুল রয়েছে। 'আকাঙ্ক্ষা' শব্দে 'ঙ্ক্ষ' যুক্তবর্ণটি ব্যবহার করা হয়।

ক. নিশিথিনী
খ. নিশীথীনি
গ. নিশিথীনী
ঘ. নিশীথিনী
উত্তরঃ নিশীথিনী
ব্যাখ্যাঃ

কতিপয় বানান- ঘূর্ণমান, নিঃশেষ, কিংবদন্তি, কিংকর্তব্যবিমূঢ়, বীণাপাণি, মনঃকষ্ট, নূপুর, ন্যূনতম, নৈবেদ্য, নৈমিত্তিক।

ক. দন্দ
খ. দ্বন্দ
গ. দ্বন্দ্ব
ঘ. দন্ব
উত্তরঃ দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যাঃ

‘দ্বন্দ্ব’ শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ ঝগড়া, বিবাদ, যুদ্ধ ইত্যাদি। শব্দটির বিশ্লেষণকৃত রূপ হলো - দ্বি+দ্বি।

ক. ভবিষ্যত, ভৌগলিক, যক্ষ্মা
খ. যশলাভ, সদ্যোজাত, সম্বর্ধনা
গ. স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
ঘ. ঐক্যতান, কেবলমাত্র, উপরোক্ত
উত্তরঃ স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
ব্যাখ্যাঃ

উল্লিখিত শব্দ গুলোর মধ্যে অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধ বানান ভবিষ্যত = ভবিষ্যৎ, ভৌগলিক = ভৌগোলিক এবং যক্ষ্মা যশলাভ = যশোলাভ, সদ্যোজাত এবং সম্বর্ধনা = সংবর্ধনা; স্বায়ত্তশাসন, অভ্যন্তর এবং জন্মবার্ষিক; ঐক্যতান = ঐকতান, কেবলমাত্র = কেবল/মাত্র এবং উপরোক্ত = উপযুক্ত।

ক. সূচিষ্মিতা
খ. সূচিস্মিতা
গ. সুচীস্মিতা
ঘ. শুচিস্মিতা
উত্তরঃ শুচিস্মিতা
ব্যাখ্যাঃ

শুদ্ধ বানান ‘শুচিস্মিতা’, যার অর্থ মৃদু ও নির্মল হাসিযুক্ত। যে নারীর হাসি সুন্দর।

ক. মুমুর্ষু
খ. মুমূর্ষু
গ. মূমুর্ষু
ঘ. মূমূর্ষূ
উত্তরঃ মুমূর্ষু
ব্যাখ্যাঃ

শুদ্ধ বানান ‘মুমূর্ষু’ শব্দটির অর্থ মরণাপন্ন বা মরণোন্মুখ (মুমূর্ষু অবস্থা)।

ক. শুশ্রুষা
খ. সুশ্রুষা
গ. শুশ্রূষা
ঘ. সুশ্রুসা
উত্তরঃ শুশ্রূষা
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক বানানটি হলো শুশ্রূষা

অন্যান্য বানানগুলো ভুল।

শুশ্রূষা শব্দের অর্থ হলো: সেবা, পরিচর্যা, যত্ন, সে শুশ্রূষা করে।

উদাহরণ:

রোগীদের শুশ্রূষা করা নার্সদের দায়িত্ব।
মা তার অসুস্থ সন্তানের শুশ্রূষা করছেন।

ক. সমীচীন
খ. সমিচীন
গ. সমীচিন
ঘ. সমিচিন
উত্তরঃ সমীচীন
ব্যাখ্যাঃ

শুদ্ধ বানানটি হলো সমীচীন

অন্যান্য অপশনগুলো (সমিচীন, সমীচিন, সমিচিন) ভুল বানান।

ক. মুহুর্মুহু
খ. মূহুর্মুহু
গ. মুর্হমূহু
ঘ. মুর্হুর্মূহু
উত্তরঃ মুহুর্মুহু
ব্যাখ্যাঃ

শুদ্ধ বানানটি হলো মুহুর্মুহু।

ক. বিভিসীকা
খ. বিভীষিকা
গ. বীভিষিকা
ঘ. বীভিষীকা
উত্তরঃ বিভীষিকা
ক. হাতি/হাতী
খ. নারি/নারী
গ. জাতি/জাতী
ঘ. দাদি/দাদী
উত্তরঃ হাতি/হাতী
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা একাডেমির বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী একই শব্দের দুটি বানানই শুদ্ধ; এমন কিছু শব্দ: অন্তঃস্থ/অন্তস্থ; পাখি/পাখী; বাড়ি/বাড়ী; বাঁশি/বাঁশী; রজনি/রজনী; শ্রেণি/শ্রেণী; সূচী/সূচি; হাতি/হাতী; স্বামি/স্বামী; কলস/কলশ; কুটির/কুটীর; কুমির/কুমীর; গাড়ি/গাড়ী; তরণি/তরণী; দীঘি/দিঘী; দাদি/দাদী। সতুরাং ক ও ঘ দুটি উত্তরই সঠিক।

ক. পাষাণ
খ. পাষান
গ. পাসান
ঘ. পাশান
উত্তরঃ পাষাণ
ব্যাখ্যাঃ

ণ-ত্ব বিধানের নিয়মানুযায়ী ঋ,র,ষ এর পরে ণ হয়। যেমন-তৃণ, ঋণ, রেণু, বিশেষণ, পাষাণ, দূষণ, ভীষণ প্রভৃতি।

প্রশ্নঃ কোনটি শুদ্ধ?

[ বিসিএস ১১তম ]

ক. সৌজন্নতা
খ. সৌজন্যতা
গ. সৌজনতা
ঘ. সৌজন্য
উত্তরঃ সৌজন্য
ক. মূমুর্ষু
খ. মুমূর্ষু
গ. মূমূর্ষ
ঘ. মুমূর্ষ
উত্তরঃ মুমূর্ষু